মিয়ামির ভবনধস: জীবিত উদ্ধারের অভিযান শেষ

একেটিভি ডেস্ক

এ বিষয়ে সার্ফসাইডের মেয়র চার্লস বারকেট এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘জীবন বাঁচাতে দুই সপ্তাহ ধরে আমরা দিনরাত এক করে কাজ করেছি। এখন নিখোঁজ ব্যক্তিদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা শূন্যের কাছাকাছি। এ অবস্থায় উদ্ধারকাজে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

সার্ফসাইডের সেই ধসে যাওয়া ভবন থেকে জীবিত ব্যক্তিদের উদ্ধারে ১২ ঘণ্টা করে দিনরাত দুই শিফটে কাজ করছেন উদ্ধারকর্মীরা। তাঁদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছিলেন ইসরায়েল ও মেক্সিকোর উদ্ধারকারীরাও। তবে মৌসুমি ঝড় ‘এসলা’র প্রভাবে উদ্ধারকাজে বেশ সমস্যা হয়। এরপর গতকাল সাউথ ফ্লোরিডার কর্তৃপক্ষ ওই সিদ্ধান্ত নেয়।

গত ২৪ জুন ভবনধসের পর থেকে ৫৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মিয়ামি-ডাড শহরের মেয়র ড্যানিয়েলা লেভিন কাভা। এর মধ্যে গতকালই ১৮টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো নিখোঁজ ৮৬ জন। ভবনটি ধসে পড়ার সময় বাসিন্দাদের বেশির ভাগ ঘুমাচ্ছিলেন। উদ্ধারকাজের সময় অনেকের মরদেহ বিছানার ওপর মিলেছে বলে জানিয়েছেন উদ্ধারকারীরা।

১৯৮০ সালে ওই ভবন নির্মাণ করা হয়েছিল। এতে ১৩০টি ইউনিট ছিল। প্রথমে এর অর্ধেক ইউনিট ধসে যায়। পরে বাকি ইউনিটগুলো ভেঙে ফেলা হয়। ধসে যাওয়া ওই ভবনের ব্যাপারে আগেই সতর্ক করেছিলেন প্রকৌশলীরা। ভবনটির মূল নকশায় ত্রুটি ছিল বলে জানিয়েছিলেন তাঁরা।

Loading...