অর্থনীতির বড় স্বস্তি প্রবাসী আয়ে করোনার বছরে ২ লাখ কোটি টাকা পাঠালেন প্রবাসীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রবাসী আয় ও রপ্তানি আয়ের ওপর ভর করে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বা মজুত নতুন উচ্চতায় উঠেছে। আজ সোমবার বিকেল নাগাদ বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ পৌঁছেছে ৪৬ বিলিয়ন ডলারের ওপরে।

করোনার মধ্যে প্রবাসীদের পাঠানো আয় অর্থনীতিকে দিয়েছে বড় স্বস্তি। এর ফলে দেশের ব্যাংকগুলোতে আমানত বেড়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও রেকর্ড উচ্চতায় উঠেছে। এ সময়ে গ্রামাঞ্চলের অনেক পরিবারে করোনার এ দুর্যোগকালে স্বস্তি ও সাহস জুগিয়েছে প্রবাসী আয়ের অর্থ।
এদিকে প্রবাসী আয় ও রপ্তানি আয়ের ওপর ভর করে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বা মজুত নতুন উচ্চতায় উঠেছে। আজ সোমবার বিকেল নাগাদ বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ পৌঁছেছে ৪৬ বিলিয়ন ডলারের ওপরে। এর আগে গত মে মাসের শুরুতে রিজার্ভ ৪৫ বিলিয়ন বা ৪ হাজার ৫০০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছিল।

বৈধ পথে প্রবাসী আয় আসাকে উৎসাহিত করতে কোনো কোনো ব্যাংক নিজেরা সরকারের ২ শতাংশ প্রণোদনার সঙ্গে বাড়তি ১ শতাংশ প্রণোদনা দিচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, প্রবাসীরা চলতি জুন মাসে দেশে মোট ১৯৪ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন। আর চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরে প্রবাসী আয় এসেছে ২ হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ ডলার। এর আগের ২০১৯-২০ অর্থবছরের একই সময়ে প্রবাসীরা পাঠিয়েছিলেন ১ হাজার ৮০৩ কোটি ১০ লাখ ডলার।

অর্থনীতির বড় স্বস্তি প্রবাসী আয়ে

গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে সরকার দেশে প্রবাসী আয় পাঠানোর বিপরীতে ২ শতাংশ প্রণোদনা প্রদানের ঘোষণা দেয়। এর পর থেকেই বৈধ পথে প্রবাসী আয় আসা বাড়তে শুরু করে। অন্যদিকে অবৈধ পথে প্রবাসী আয় পাঠানো কমে যায়। করোনার মধ্যে প্রবাসী আয়ে বড় ধরনের ধাক্কা লাগার আশঙ্কা করা হলেও বাস্তবে দেখা যাচ্ছে উল্টোটি। আন্তর্জাতিক যোগাযোগ সীমিত হয়ে পড়ায় বৈধ পথে প্রবাসী আয় পাঠানোর পরিমাণ বেড়েছে।
এদিকে বৈধ পথে প্রবাসী আয় আসাকে উৎসাহিত করতে কোনো কোনো ব্যাংক নিজেরা সরকারের ২ শতাংশ প্রণোদনার সঙ্গে বাড়তি ১ শতাংশ প্রণোদনা দিচ্ছে। সব মিলিয়ে তাই বৈধ পথে প্রবাসী আয় আসা বেড়েছে।

Loading...