‘গালি দিয়ে কি আনন্দ পাচ্ছেন?’

বিনোদন প্রতিবেদক

মিথিলার সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের সময় সবচেয়ে বেশি নেতিবাচক মন্তব্যের মুখে পড়েছিলেন অভিনেতা ও সংগীতশিল্পী তাহসান খান। তিনি জানালেন, অনলাইনে ওই বছরই সবচেয়ে বেশি হয়রানির শিকার হয়েছেন তিনি। সে সময় প্রচণ্ড কষ্টও পেয়েছিলেন বলে জানান তাহসান খান। তাঁদের দুজনকে নিয়ে হয়রানি এখনো থামেনি। তাহসান বলেন, ‘এখনো ফেসবুকে আমার পোস্টে আমার প্রাক্তনকে ট্যাগ করা হয়। আবার তাঁর পোস্টেও আমাকে ট্যাগ করা হয়। এত দিনে আমরা দুজন নিজেদের মতো করে মুভ অন করেছি। কিন্তু কিছু মানুষ আমাদের নিয়ে বুলিং করা থামায়নি। বিষয়টি কষ্টদায়ক, বেদনাদায়ক।’বিষয়টিকে কীভাবে মোকাবিলা করেন? আজ সাইবার বুলিং প্রতিরোধ দিবসে এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তাহসান বলেন, ‘শুধু সেলিব্রিটি না, সারা পৃথিবীতেই পাবলিক ফিগারকে কিছু মানুষ বুলিং করে, ট্রল করে।আমাদের এখানকার তারকাদের বেলায়ও তা-ই হচ্ছে। এ জন্য ফেসবুকে কম যাই এখন। কমেন্ট বক্স দেখি না। তবে এসব বিষয়ে আমি বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে কথা বলি। যাঁরা বুলিং করছেন, তাঁদের সরে আসতে অনুরোধ করি। এ ছাড়া আমার বইয়ে “অপমান” নামে একটা তিন পৃষ্ঠার লেখা আছে। আমার বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে যাঁরা বুলিং করেছেন, ট্রল করেছেন, এখনো করছেন, তাঁদের উদ্দেশে লেখাটা।’এসব বুলিংয়ের সঙ্গে যাঁরা জড়িত, তাঁদের উদ্দেশে তাহসান খানের বার্তা—প্রত্যেক মানুষ পৃথিবীতে নিজের সংগ্রাম নিয়ে ব্যস্ত। কোন মানুষ কোনো সংগ্রাম নিয়ে আছেন, না বুঝে আরেকজন মানুষকে হেয় করা, হয়রানি করা ঠিক নয়। আপনি একজন মানুষকে কেন গালি দিচ্ছেন? গালি দিয়ে কি আনন্দ পাচ্ছেন? এসব বাদ দিয়ে নিজের কাজ, নিজের জীবন নিয়ে ভাবুন। জীবনটা সুন্দর হবে। দেখবেন আপনার চারপাশ সুন্দর হয়ে উঠেছে। পৃথিবীটাও।

Loading...