সৌদি সরকার হঠাৎ কেন এত কঠোর

একেটিভি ডেস্ক

যেসব বাংলাদেশি সৌদি আরবে গিয়ে বছরের পর বছর অবৈধভাবে ব্যবসা করছেন, তাঁদের ব্যবসার বৈধতা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে দেশটির সরকার। কর্মী ভিসায় যাওয়া যেসব বাংলাদেশি এত দিন পরিচয় গোপন করে কোনো সৌদি নাগরিকের নামে ব্যবসা করতেন, তাঁদের ব্যবসাকে নিজ নামে নিবন্ধনের সুযোগ দিয়েছে সৌদি সরকার।

নিবন্ধনের জন্য ২৩ আগস্ট পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন না করলে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। সেই শাস্তি নিশ্চিত করতে এরই মধ্যে ‘বাণিজ্যিক গোপনীয়তাবিরোধী আইন’ সংশোধন করেছে দেশটির সরকার।

 

 

এই সুযোগ শুধু বাংলাদেশিদের জন্যই নয়, সৌদি আরবে বসবাসকারী সব বিদেশি নাগরিকদের জন্য। দেশটিতে অবৈধভাবে যেসব ভিনদেশি ব্যবসা করছেন, সেই ব্যবসাকে বৈধতা দিতে তিন মাস আগে সৌদি সরকার বাণিজ্যিক গোপনীয়তাবিরোধী আইন সংশোধন করেছে। সংশোধিত আইনে বিদেশি নাগরিকদের অবৈধ ব্যবসা কার্যক্রমের বৈধতার কথা বলা হয়েছে। আইনটি সংশোধনের ফলে এখন ব্যবসার তথ্য লুকানোর সুযোগ থাকবে না। এদিকে আইন সংশোধনের পর থেকেই দেশটির সব নাগরিকের কাছে তাঁদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের দ্রুত নিবন্ধনের জন্য মুঠোফোনে খুদে বার্তা পাঠানো হচ্ছে।

সৌদি সরকার বলছে, ২৩ আগস্টের মধ্যে যাঁরা নিবন্ধন করবেন, তাঁরা সব ধরনের শাস্তি থেকে অব্যাহতি পাবেন। এই নিবন্ধনের মাধ্যমে বিদেশি নাগরিকেরা তাঁদের ব্যবসা, বিনিয়োগ ও অন্যান্য লাভজনক আর্থিক কার্যক্রমের বৈধ পূর্ণ ও আংশিক মালিকানার সুযোগ পাবেন।

এই আইনের আওতায় সাজাপ্রাপ্ত বিদেশি নাগরিকদের সাজা ভোগ শেষে সৌদি আরব থেকে বহিষ্কার করা হবে। ভবিষ্যতে সৌদি আরবে তাঁদের আর প্রবেশের সুযোগ থাকবে না।

 

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কেউ যদি নিবন্ধন করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তাঁকে সর্বোচ্চ ৫ মিলিয়ন বা ৫০ লাখ সৌদি রিয়াল জরিমানা করা হবে। অথবা পাঁচ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। পাশাপাশি সব ব্যবসা ও সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হবে। এর আগের আইনে জরিমানার পরিমাণ ছিল মাত্র ৫০ হাজার রিয়াল। অথবা সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ডের বিধান ছিল। পাশাপাশি বাজেয়াপ্তের বিধান ছিল ব্যবসা ও সম্পদের ১০ শতাংশ। আইনটি সংশোধন করে এখন কঠোর করা হয়েছে। সব ক্ষেত্রেই বাড়ানো হয়েছে শাস্তি।

সৌদি সরকারের উদ্যোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিবাসীদের নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান রামরুর চেয়ারপারসন তাসনিম সিদ্দিকী একেটিভিকে বলেন, ‘আমরা অনেক সৌদি নাগরিককে দেখেছি নিজে বিনিয়োগ না করেও অর্ধেক মুনাফা নিয়ে যান। কারণ, ব্যবসা তাঁর নামে। কর্মী ভিসায় যাওয়া বাংলাদেশিদের জন্য ব্যবসা কিংবা বিনিয়োগ যেহেতু নিষিদ্ধ, এই সুযোগ নেন সৌদি নাগরিকেরা। সৌদি সরকার ভালো সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সমস্যা হবে যদি কর্মী ভিসায় যাওয়া বাংলাদেশি নাগরিকদের ব্যবসা ভিসায় স্থানান্তর করা না হয়। এ জন্য বাংলাদেশি দূতাবাসকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।’

 

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে নিবন্ধনের পর সৌদি সরকার আইনজীবীর মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করবে। কোনো ব্যবসায়ীর বার্ষিক লেনদেন (টার্নওভার) ২০ মিলিয়ন বা ২ কোটি রিয়ালের বেশি হয়, সে ক্ষেত্রে ৭৫ শতাংশ মালিকানা তাঁর নামে রাখা হবে। বাকি ২৫ শতাংশ থাকবে সরকারের মালিকানায়। কোনো বিনিয়োগকারীর বার্ষিক লেনদেন যদি ২ কোটি রিয়ালের কম হয়, সেই অনুপাতে তাঁর মালিকানা নির্ধারিত হবে। নিবন্ধনের সময় শেষ হওয়ার পর কেউ যদি অবৈধ ব্যবসার খবর সরকারের কাছে পৌঁছে দেয়, তখন সন্ধানদাতাকে ওই ব্যবসার ৩০ শতাংশ মালিকানা দিয়ে ৭০ শতাংশ সরকার নিয়ে নেবে। সৌদি আরবে এখন ২৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করছেন।

 

সৌদি সরকার হঠাৎ কেন এত কঠোর

বাংলাদেশিসহ বিদেশি নাগরিক সৌদি আরবে কর্মী ভিসায় গিয়ে গোপনে অন্য ব্যবসা করছেন—সরকারের কাছে এই খবর অনেক আগে থেকেই রয়েছে। কিন্তু এত বছর সৌদি সরকার ততটা কঠোর হয়নি। কিন্তু এবার এত কঠোর হওয়ার মূল কারণ, দেশটি ‘ভিশন ২০৩০’ নামে একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, যেখানে তেলের ওপর নির্ভরশীলতা কমানোর কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ অবারিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার। সে জন্য গোপনে যাঁরা ব্যবসা করছেন, তাঁদের মূল স্রোতে আনতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

 

সৌদি ন্যাশনাল কমার্শিয়াল ব্যাংকের অপারেশন ম্যানেজার জালাল আহমেদ একেটিভিকে বলেন, বাংলাদেশ থেকে কর্মী ভিসায় সৌদি আরব গিয়ে অনেকে টাকাপয়সা জমিয়ে সৌদি নাগরিকের নামে ব্যবসা শুরু করেন। এসব ব্যবসার মধ্যে রয়েছে নির্মাণ ব্যবসা, সুপারমার্কেট, হোটেল, রেস্টুরেন্ট, গাড়ি, জনশক্তি রপ্তানি। যখন ব্যবসা বেশ বড় ও লাভজনক হয়, তখন ওই সৌদি নাগরিক বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে বের করে দেন। যেহেতু নিজের নামে ব্যবসার নিবন্ধন নেই, তাই আইনিভাবে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেন না বাংলাদেশিরা। এখন যদি অবৈধ ব্যবসাকে বৈধ করার সুযোগ দেওয়া হয়, তাহলে সে ব্যবসায় নিরাপত্তা থাকবে।

 

আফগান পুলিশ কর্মকর্তাকে হত্যার দায় নিলো তালেবান

 

আফগান পুলিশের এক কর্মকর্তাকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে তালেবান। গতকাল বৃহস্পতিবার তালেবান এ কথা স্বীকার করে। বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।

নিহত পুলিশ কর্মকর্তার নাম ফজল মোহাম্মদ। তিনি ‘খাসা জওয়ান’ নামে বেশি পরিচিত। অনলাইনে হাস্যরসাত্মক নানান ভিডিও পোস্ট করার জন্য আফগানদের কাছে তিনি তাঁর পুলিশ পরিচয়ের চেয়ে কৌতুক অভিনেতা হিসেবেই বেশি পরিচিতি অর্জন করেন।

ফজল কান্দাহার প্রদেশে কর্মরত ছিলেন। প্রায় দুই সপ্তাহ আগে বাড়িতে ফেরার পর তাঁকে তালেবান তুলে নিয়ে যায়। ফজলের এক সহকর্মী এই তথ্য জানান।

ফজলকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে হত্যার কথা শুরুতে অস্বীকার করে তালেবান। কিন্তু গত সপ্তাহে এ-সংক্রান্ত একাধিক ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে। তারপরই তাঁকে হত্যার কথা স্বীকার করে তালেবান।

একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ফজলের দুই হাত পিছমোড়া করে বাঁধা। সে অবস্থায় তিনি একটি গাড়িতে বসে আছেন। তাঁর দুই পাশে লোক বসা। এ সময় তাঁকে বারবার চড় মারা হচ্ছিল। অপর একটি ভিডিওতে ফজলের মরদেহ দেখা যায়।

আবারো সব নৌযান বন্ধ

ফজলকে ‘কৌতুক অভিনেতা’ মানতে নারাজ তালেবান। তালেবান মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ গতকাল বলেন, ‘তিনি (ফজল) কৌতুক অভিনেতা ছিলেন না। আমাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। তাঁকে আটক করার পর তিনি পালানোর চেষ্টা করেছিলেন। তখন আমাদের বন্দুকধারীরা তাঁকে গুলি করে।

ফজল আফগান পুলিশের একজন সক্রিয় সদস্য

ফজলকে আফগান পুলিশের একজন সক্রিয় সদস্য হিসেবে উল্লেখ করে তালেবান মুখপাত্র বলেন, তিনি অনেক মানুষের মৃত্যুর জন্য দায়ী।

 

ফজল কখনো যুদ্ধক্ষেত্রে মোতায়েন ছিলেন না বলে জানান তাঁর সহকর্মী পুলিশ কমান্ডার সাইলাব। তিনি বলেন, এই মজাদার লোকটি বরং বিভিন্ন তল্লাশিচৌকিতে পুলিশ সদস্যদের আনন্দ দিতেন।

তালেবান যখন আফগানিস্তানের ক্ষমতায় ছিল, তখন তারা দেশটিতে সব ধরনের বিনোদন নিষিদ্ধ করেছিল। এখন তালেবান দেশটির বিভিন্ন এলাকা দখল করছে। আফগানিস্তানের অর্ধেকের বেশি এলাকা তালেবানের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে বলে খবর বেরিয়েছে।

ফজলকে হত্যার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। এ নিয়ে এক ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘খাশার নিষ্পাপ চেহারা সব মানুষের হৃদয়কে আহত করেছে। তালেবানরা তাঁকে গুলি করে হত্যা করেছে। তারা পৃথিবীর সবচেয়ে নিষ্ঠুর মানুষ।

ফের বাড়তে পারে বিধিনিষেধ

চলতি বছরের ৩১ আগস্টের মধ্যে আফগানিস্তান থেকে সব মার্কিন যুদ্ধসেনা প্রত্যাহারের কাজ শেষ হবে বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। সেনা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শুরুর পর থেকে তালেবান আফগানিস্তানে তাদের হামলা বাড়িয়ে দিয়েছে। তাদের হামলা ও অগ্রযাত্রার মুখে দেশটির সরকারি বাহিনীর অনেক সদস্যের পালিয়ে যাওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে। এ ছাড়া তারা আত্মসমর্পণ করা সরকারি বাহিনীর অনেক সদস্যকে হত্যা করেছে।

আফগান

আফগানিস্তানে চলমান সহিংসতায় অনেক বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন। এই সহিংসতা থামানো না গেলে আফগানিস্তানে গত এক দশকের মধ্যে সাধারণ মানুষের সর্বোচ্চ প্রাণহানি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে দেশটিতে জাতিসংঘের সহায়তা মিশন (ইউএনএএমএ)।

ইউএনএএমএর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২১ সালের প্রথমার্ধে আফগানিস্তানে ১ হাজার ৬৫৯ জন বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৩ হাজার ২৫৪ জন। গত বছরের তুলনায় এই সংখ্যা অনেক বেশি।

সৌদি

সৌদি

সৌদি

সৌদি

সৌদি

সৌদি

সৌদি

 

যুক্তরাজ্যের রণতরিবহরকে সতর্ক করল চীন

দক্ষিণ চীন সাগরের বেশির ভাগ অংশ নিজেদের বলে দাবি করে চীন। যদিও তাদের এই দাবি ২০১৬ সালে আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ের বিপরীত। তা সত্ত্বেও দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে নিজেদের একগুঁয়ে মনোভাব অব্যাহত রেখেছে চীন। তারা এই বিতর্কিত এলাকায় নানা স্থাপনা নির্মাণ করেছে। এ নিয়ে প্রতিবেশী দেশগুলোর ঘোর আপত্তি রয়েছে।

দক্ষিণ চীন সাগরে যুক্তরাজ্যের এই মহড়া ২০১৮ সালের উত্তেজনাকর পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি ঘটাতে পারে বলে মনে করছেন লন্ডনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের (রুসি) জ্যেষ্ঠ গবেষক ভিরলে নউইউন্স। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাজ্যের সঙ্গে চীন সরাসরি সংঘাতে জড়াবে না বলেও মনে করেন তিনি।

২০১৮ সালে দক্ষিণ চীন সাগর প্রবেশ করেছিল ব্রিটিশ রণতরি এইচএমএস অ্যালবিয়ন। তখন এই রণতরিটির ২০০ মিটারের মধ্যে চলে এসেছিল চীনের একটি যুদ্ধজাহাজ। যুক্তরাজ্যের রণতরিটিকে জলসীমা ত্যাগ করার জন্য সতর্ক করে চীন। এমনকি যুক্তরাজ্যের রণতরিটির ওপর দিয়ে চীন কয়েকটি যুদ্ধবিমান পর্যন্ত উড়িয়ে নেয়। এতে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের স্বঘোষিত মালিকানা যুক্তরাষ্ট্রও মেনে নেয়নি। সম্প্রতি এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র চ্যালেঞ্জ জানায়। এতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও চীনের উত্তেজনা দেখা দেয়।

পূর্ব এশিয়ায় রণতরিবহর পাঠানোর মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তায় যুক্তরাজ্য নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে চাইছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ফ্রান্সসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) কয়েকটি দেশও দক্ষিণ চীন সাগরের দিকে নজর রাখছে।

দক্ষিণ চীন সাগরসহ এই অঞ্চল যখন নানা দেশের ভূরাজনৈতিক আগ্রহের একটি কেন্দ্র হয়ে উঠেছে, তখন চীনও থেমে নেই। তারা এই জলভাগে চলতি সপ্তাহে বড় আকারের সামরিক মহড়া চালিয়েছে। পারমাণবিক অস্ত্রের মজুত সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি তারা অন্যান্য সামরিক তৎপরতা জোরদার করেছে।

লকডাউন বাড়ছে আরো ৭ দিন

 

করোনাভাইরাস সংক্রমণ বাড়ায় এবং স্বাস্থ্য অধিদফতরের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে আরেক দফা বিধি-নিষিধে বাড়ানো হচ্ছে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে তা শিথিল করা হবে।

মঙ্গলবার আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় তা চূড়ান্ত হবে বলে জানিয়েছে সরকারি সূত্র। এ লক্ষ্যে কোভিড-১৯ পরিস্থিতি পর্যালোচনা সংক্রান্ত বিষয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা ডেকেছে সরকার।

 

মঙ্গলবার বেলা ১১টায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে অনলাইনে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ১২ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী, ১৬ জন সচিব, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, পুলিশ মহাপরিদর্শক, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তা, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, আইইডিসিআর পরিচালকসহ সংশ্লিষ্টরা অংশ নেবেন।

সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত চিঠি সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

 

ঈদের সময় আটদিন বিরতি দিয়ে গত ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে কঠোর বিধি-নিষেধ আরোপ করে সরকার। তা শেষ হবে ৫ আগস্ট মধ্যরাতে।

এরই মধ্যে গত ১ আগস্ট থেকে রপ্তানিমুখী শিল্প-কলকারখানা খুলে দেওয়া হবে। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় কঠোর বিধি-নিষেধ বাড়ানোর আভাস পাওয়া গেছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চলমান বিধি-নিষেধ শেষে নতুন করে যে বিধি-নিষেধ দেয়া হবে তাতে সরকারি-বেসরকারি অফিস সীমিত পরিসরে খুলবে।

আর গণপরিবহন সীমিত পরিসরে চালু করা হতে পারে। সাথে রপ্তানিমুখী শিল্প-কলকারখানা চালু রাখা হবে।

 

লকডাউন আরও ১০ দিন বাড়ানোর সুপারিশ

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে চলমান লকডাউন আরও ১০ দিন বাড়ানোর সুপারিশ করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ বি এম খুরশীদ আলম বলেন, আমরা আরও ১০ দিন বিধি-নিষেধ বাড়ানোর সুপারিশ করেছি।

যেভাবে সংক্রমণ বাড়ছে, আমরা কীভাবে এ সংক্রমণ সামাল দেবো? রোগীদের কোথায় জায়গা দেবো? সংক্রমণ যদি এভাবে বাড়তে থাকে তাহলে কি পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব?

অবস্থা খুবই খারাপ হবে এতে কোনো সন্দেহ নেই। এসব বিবেচনাতেই আমরা বিধি-নিষেধ বাড়ানোর সুপারিশ করেছি।

 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সুপারিশের বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন সম্প্রতি জানান, সেটি অবশ্যই আমাদের মাথায় আছে। কারণ সবকিছুর সমন্বয় আমাদের করতে হবে। সেজন্য আমরা বলছি যে, একটু সময় নেবো। ৩ বা ৪ আগস্ট এ বিষয়টি পরিষ্কার করে দেয়া হবে বলেও তিনি জানান।

 

বিধিনিষেধ

 

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, পরিস্থিতি বিবেচনা করে সবার সঙ্গে আলাপ-আলোচনা এবং যেসব প্রস্তাব আছে, সেগুলো বিবেচনা করে কীভাবে করলে এ সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারি, সেটি আমাদের মূল লক্ষ্য।

যেসব কাজ একেবারেই অপরিহার্য, সেগুলো চালানোসহ কী করলে ভালো হবে, সেটা ঠিক করতে আরেকটু সময় লাগবে।

 

আলোচিত মডেল পিয়াসা মদ, ইয়াবাসহ আটক

রাজধানীর বারিধারা এলাকা থেকে মডেল পিয়াসাকে মদ, ইয়াবা ও বিভিন্ন নেশা জাতীয় দ্রব্যসহ আটক করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ।⊇

রোববার রাতে গোয়েন্দা গুলশান বিভাগের একটি দল বারিধারার ৯ নং রোডের ৩ নং বাসায় এ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।

 

গুলশান গোয়েন্দা বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মহিদুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

 

বিস্তারিত আসছে…

পিয়াসা

আলোচিত মডেল পিয়াসা মদ, ইয়াবাসহ আটক

 

রাজধানীর বারিধারা এলাকা থেকে মডেল পিয়াসাকে মদ, ইয়াবা ও বিভিন্ন নেশা জাতীয় দ্রব্যসহ আটক করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। রোববার রাতে গোয়েন্দা গুলশান বিভাগের একটি দল বারিধারার ৯ নং রোডের ৩ নং বাসায় এ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। গুলশান গোয়েন্দা বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মহিদুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

 

রাজধানীর বারিধারা এলাকা থেকে মডেল পিয়াসাকে মদ, ইয়াবা ও বিভিন্ন নেশা জাতীয় দ্রব্যসহ আটক করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। রোববার রাতে গোয়েন্দা গুলশান বিভাগের একটি দল বারিধারার ৯ নং রোডের ৩ নং বাসায় এ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। গুলশান গোয়েন্দা বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মহিদুল ইসলাম

যুক্তরাষ্ট্রের একগুঁয়ে দাবি মানবে না…

সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

৯ নং রোডের ৩ নং বাসায় এ অভিযান চালিয়ে তাকে আট

 

করোনার আরও ভয়ঙ্কর রূপ প্রকাশ, শুধু ফুসফুস নয় বিকল করে দিচ্ছে কিডনিও!

 

প্রকাশ্যে এল প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের আরও ভয়ঙ্কর রূপ। এই ভাইরাস সংক্রমণের পর আক্রান্তদের শুধুমাত্র ফুসফুসের ক্ষতি হচ্ছে না, গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ কিডনিও বিকল করে দিচ্ছে এটি।

সম্প্রতি ভারতের পশ্চিমবঙ্গে এমন ঘটনা ঘটেছে ৩ জন রোগীর ক্ষেত্রে।

ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে দেখা গেছে, কিডনির প্রচুর কোষের মৃত্যুর কারণে শরীরে বিপুল পরিমাণে দূষিত পদার্থ জমে গিয়েছিল তাদের ক্ষেত্রে। আর এ কারণেই তাদের মৃত্যু হয়েছে।

করোনার কারণে ফুসফুসের মতো ক্ষতি হতে পারে কি কিডনির?

এ ভারতের চিকিৎসক সুবর্ণ গোস্বামী বলেছেন, অবশ্যই পারে। “রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাসগুলো সব কোষের মাধ্যমে শরীরে ঢুকতে পারে না। দরকার ‘এসিই ২ রিসেপটর’ কোষ। শ্বাসনালী, ফুসফুস, অন্ত্র, হৃদযন্ত্র, কিডনিতে এই ধরনের কোষের পরিমাণ বেশি। ফুসফুস এবং শ্বাসনালীর ‘এসিই ২ রিসেপটর’গুলোতে প্রাথমিক সংক্রমণ হয়। তার পরে জীবাণুটি রক্তের সংস্পর্শে আসে। রক্তের রোগপ্রতিরোধকারী কোষগুলো এদের গিলে ফেলে। তাদের মাধ্যমেই করোনার মতো জীবাণু সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষুদ্রান্তে পৌঁছে আন্ত্রিকের সমস্যা সৃষ্টি করে। কিডনিতে পৌঁছে তার কোষও মারতে থাকে।”

পশ্চিমবঙ্গের ৩ রোগীর ময়নাতদন্তের পর চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, করোনার জীবাণু কিডনির কোষকে এমনভাবে মেরে ফেলেছিল, বর্জ্য পদার্থ ছেঁকে নিয়ে রক্ত শুদ্ধ করার ক্ষমতা হারিয়ে যায় ওই ৩ রোগীর কিডনি।

চিকিৎসকদের বক্তব্য, একেকটি জীবাণু আলাদা আলাদা পরিবেশে আলাদা আলাদাভাবে কাজ করে। ভারতীয় পরিবেশে করোনার জীবাণু ব্যাপক হারে কিডনির ক্ষতি করতে পারে। এমন আশঙ্কার কথা ভাবছেন তারা।

লাফালাফি করলে আবার ভিডিও ভাইরাল হবে -অভিনেত্রী কেয়া

 

 

পরিচিতির কারণে এখন সেভাবে বাইরে ঘুরতে পারেন না। তারপরও বিধিনিষেধের আগে ইচ্ছামতো সময়গুলো কাটানোর চেষ্টা করেছেন। এখন বাসায় নিজের নাটকগুলো দেখছেন।

পায়েল বলেন, ঈদ নিয়ে এখন আর আগের মতো উৎসব–উৎসব ভাব পাই না। আগে পরিকল্পনা করে শপিং করতাম। ঈদের সাত দিন পেরিয়ে গেলেও ঈদ ফুরাত না। বন্ধু আর কাজিনদের সঙ্গে আড্ডা দিতাম।

এখনো আড্ডা হয়। কিন্তু অভিনয়ের জন্য নিজের স্বাধীনতা কমে গেছে। বিরতিতে চেষ্টা করছি নিজের মতো করে সময় কাটানোর।

 

কেয়া পায়েল লাফালাফি

ঈদে পায়েলের ২০টি নাটক বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল ও অনলাইনে প্রচারিত হচ্ছে। তাঁর অভিনীত রাফাত মজুমদারের স্বপ্নের নায়িকা, মিজানুর রহমান আরিয়ানের শুভ প্লাস নিলা, মাহমুদুর রহমানের কাবিননামাসহ একাধিক নাটক উল্লেখযোগ্য।

এখনো বেশ কিছু নাটক মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। তিনি বলেন, ‘দর্শক আমাকে চিনছেন, আমার নাটক দেখে মন্তব্য ও সমালোচনা করছেন, এগুলোই বড় পাওয়া। আমি যদি একটুও খ্যাতি পেয়ে থাকি, সেটা ধরে রাখাই আমার কাছে বড় কথা। আমি নিয়মিত অভিনয় শিখছি। এই শেখা আমি সব সময় চালিয়ে যেতে চাই।

এবার ঈদের নাটক নিয়ে পায়েলের মন খারাপ। অনেকগুলো কাজে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পর কঠোর বিধিনিষেধের কারণে কিছু নাটকের শুটিং করতে পারেননি।

তা ছাড়া শুটিং হাউসের বাইরে বা রাস্তায় শুটিং করতে হবে, এমন গল্পে নাম লেখাননি তিনি।

পায়েল বলেন, এবার ঈদুল ফিতরের চেয়ে বেশি নাটক মুক্তির সম্ভাবনা ছিল। বিধিনিষেধে বেশ কিছু কাজ হলো না। তা ছাড়া তৌসিফ ভাইয়ের করোনা হলো।

এ ছাড়া বাইরে অনেক ভালো কিছু গল্পের চিত্রনাট্য ছিল, সেগুলো করোনা সতর্কতার কারণে করতে রাজি হইনি। সেসব গল্পের জন্য আফসোস হচ্ছে। তবে ঈদের পর এগুলোর শুটিং করব।

 

অতিরিক্ত পড়ুন…

করোনার আরও ভয়ঙ্কর রূপ প্রকাশ, শুধু ফুসফুস নয় বিকল করে দিচ্ছে কিডনিও!

হযরত নূহ (আ.) এর জীবনী, আল্লাহ’র নির্দেশে বানানো সেই নৌকার ইতিকথা

এনআইডি ছাড়া যেভাবে টিকা পাওয়া যেতে পারে

৮৫ টাকার জুয়া খেলে জিতলো ৬ কোটি টাকা

শিল্পার স্বামীর পর্নো ব্যবসার জাল কলকাতা পর্যন্ত ছড়ানো

আমি দুঃখিত, লজ্জিত, বিব্রত এবং অনুতপ্ত

ভারতে ২০ লাখ অ্যাকাউন্ট বন্ধ করেছে হোয়াটসঅ্যাপ

অগ্রিম ৩৩৯ কোটি টাকার হদিস নেই, মামলার সুপারিশ ইভ্যালির বিরুদ্ধে

দেখা মিললো সাকিবের ছেলের

মাহমুদউল্লাহর অবসর নিয়ে তোলপাড়; যা বললেন আশরাফুল

বলিউড তারকা শিল্পা শেঠি ফেঁসে যাচ্ছেন!

এক গানে তিন কোটি রুপি

এবারের ঈদেও গান শোনাবেন ড. মাহফুজুর রহমান

ভূমধ্যসাগরে ডুবে মারা গেলো ১৭ বাংলাদেশি

 

Loading...