লকডাউন বাড়ছে আরো ৭ দিন

করোনাভাইরাস সংক্রমণ বাড়ায় এবং স্বাস্থ্য অধিদফতরের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে আরেক দফা বিধি-নিষিধে বাড়ানো হচ্ছে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে তা শিথিল করা হবে।

মঙ্গলবার আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় তা চূড়ান্ত হবে বলে জানিয়েছে সরকারি সূত্র। এ লক্ষ্যে কোভিড-১৯ পরিস্থিতি পর্যালোচনা সংক্রান্ত বিষয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা ডেকেছে সরকার।

 

মঙ্গলবার বেলা ১১টায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে অনলাইনে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ১২ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী, ১৬ জন সচিব, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, পুলিশ মহাপরিদর্শক, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তা, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, আইইডিসিআর পরিচালকসহ সংশ্লিষ্টরা অংশ নেবেন।

সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত চিঠি সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

 

ঈদের সময় আটদিন বিরতি দিয়ে গত ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে কঠোর বিধি-নিষেধ আরোপ করে সরকার। তা শেষ হবে ৫ আগস্ট মধ্যরাতে।

এরই মধ্যে গত ১ আগস্ট থেকে রপ্তানিমুখী শিল্প-কলকারখানা খুলে দেওয়া হবে। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় কঠোর বিধি-নিষেধ বাড়ানোর আভাস পাওয়া গেছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চলমান বিধি-নিষেধ শেষে নতুন করে যে বিধি-নিষেধ দেয়া হবে তাতে সরকারি-বেসরকারি অফিস সীমিত পরিসরে খুলবে।

আর গণপরিবহন সীমিত পরিসরে চালু করা হতে পারে। সাথে রপ্তানিমুখী শিল্প-কলকারখানা চালু রাখা হবে।

 

লকডাউন আরও ১০ দিন বাড়ানোর সুপারিশ

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে চলমান লকডাউন আরও ১০ দিন বাড়ানোর সুপারিশ করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ বি এম খুরশীদ আলম বলেন, আমরা আরও ১০ দিন বিধি-নিষেধ বাড়ানোর সুপারিশ করেছি।

যেভাবে সংক্রমণ বাড়ছে, আমরা কীভাবে এ সংক্রমণ সামাল দেবো? রোগীদের কোথায় জায়গা দেবো? সংক্রমণ যদি এভাবে বাড়তে থাকে তাহলে কি পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব?

অবস্থা খুবই খারাপ হবে এতে কোনো সন্দেহ নেই। এসব বিবেচনাতেই আমরা বিধি-নিষেধ বাড়ানোর সুপারিশ করেছি।

 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সুপারিশের বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন সম্প্রতি জানান, সেটি অবশ্যই আমাদের মাথায় আছে। কারণ সবকিছুর সমন্বয় আমাদের করতে হবে। সেজন্য আমরা বলছি যে, একটু সময় নেবো। ৩ বা ৪ আগস্ট এ বিষয়টি পরিষ্কার করে দেয়া হবে বলেও তিনি জানান।

 

বিধিনিষেধ

 

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, পরিস্থিতি বিবেচনা করে সবার সঙ্গে আলাপ-আলোচনা এবং যেসব প্রস্তাব আছে, সেগুলো বিবেচনা করে কীভাবে করলে এ সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারি, সেটি আমাদের মূল লক্ষ্য।

যেসব কাজ একেবারেই অপরিহার্য, সেগুলো চালানোসহ কী করলে ভালো হবে, সেটা ঠিক করতে আরেকটু সময় লাগবে।

 

 

ভারতে নারী পাচারকাণ্ডের হোতা রিফাতুল ইসলাম হৃদয় ওরফে ‘টিকটক হৃদয় বাবু’র সহযোগী ও মগবাজারের শীর্ষ সন্ত্রাসী অনিক হাসান ওরফে হিরো অনিকসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। আজ সোমবার বিকালে কারওয়ান বাজারে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে যে, এই পাঁচজন লকডাউনে বিভিন্ন বাসায় ইয়াবা সরবরাহ করতেন। সেইসঙ্গে হাতিরঝিলে পথচারীদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি করতেন। এর আগে রবিবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাদের কাছ থেকে বিদেশি অস্ত্র, গুলি ও মাদক উদ্ধার করা হয়েছে। র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সহকারী পরিচালক এএসপি আ ন ম ইমরান খান এর আগে জানিয়েছিলেন, ২০১৬ সালের ১১ মে রাতে মগবাজার চেয়ারম্যান গলিতে আরিফ (২০) নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। হিরো অনিকসহ চার-পাঁচজন আরিফকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান। ভারতে নারী পাচারকাণ্ডের হোতা রিফাতুল ইসলাম হৃদয় ওরফে ‘টিকটক হৃদয় বাবু’র সহযোগী ও মগবাজারের শীর্ষ সন্ত্রাসী অনিক হাসান ওরফে হিরো অনিকসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। আজ সোমবার বিকালে কারওয়ান বাজারে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে যে, এই পাঁচজন লকডাউনে বিভিন্ন বাসায় ইয়াবা সরবরাহ করতেন। সেইসঙ্গে হাতিরঝিলে পথচারীদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি করতেন। এর আগে রবিবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাদের কাছ থেকে বিদেশি অস্ত্র, গুলি ও মাদক উদ্ধার করা হয়েছে। র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সহকারী পরিচালক এএসপি আ ন ম ইমরান খান এর আগে জানিয়েছিলেন, ২০১৬ সালের ১১ মে রাতে মগবাজার চেয়ারম্যান গলিতে আরিফ (২০) নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। হিরো অনিকসহ চার-পাঁচজন আরিফকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান।

 

লকডাউনে বাসায় ইয়াবা সরবরাহ করতেন টিকটক হৃদয়ের সহযোগীরা

 

ভারতে নারী পাচারকাণ্ডের হোতা রিফাতুল ইসলাম হৃদয় ওরফে ‘টিকটক হৃদয় বাবু’র সহযোগী ও মগবাজারের শীর্ষ সন্ত্রাসী অনিক হাসান ওরফে হিরো অনিকসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

আজ সোমবার বিকালে কারওয়ান বাজারে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে যে, এই পাঁচজন লকডাউনে বিভিন্ন বাসায় ইয়াবা সরবরাহ করতেন। সেইসঙ্গে হাতিরঝিলে পথচারীদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি করতেন।

এর আগে রবিবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাদের কাছ থেকে বিদেশি অস্ত্র, গুলি ও মাদক উদ্ধার করা হয়েছে।

র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সহকারী পরিচালক এএসপি আ ন ম ইমরান খান এর আগে জানিয়েছিলেন, ২০১৬ সালের ১১ মে রাতে মগবাজার চেয়ারম্যান গলিতে আরিফ (২০) নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। হিরো অনিকসহ চার-পাঁচজন আরিফকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান।

 

ভারতে নারী পাচারকাণ্ডের হোতা রিফাতুল ইসলাম হৃদয় ওরফে ‘টিকটক হৃদয় বাবু’র সহযোগী ও মগবাজারের শীর্ষ সন্ত্রাসী অনিক হাসান ওরফে হিরো অনিকসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। আজ সোমবার বিকালে কারওয়ান বাজারে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে যে, এই পাঁচজন লকডাউনে বিভিন্ন বাসায় ইয়াবা সরবরাহ করতেন। সেইসঙ্গে হাতিরঝিলে পথচারীদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি করতেন। এর আগে রবিবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাদের কাছ থেকে বিদেশি অস্ত্র, গুলি ও মাদক উদ্ধার করা হয়েছে। র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সহকারী পরিচালক এএসপি আ ন ম ইমরান খান এর আগে জানিয়েছিলেন, ২০১৬ সালের ১১ মে রাতে মগবাজার চেয়ারম্যান গলিতে আরিফ (২০) নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। হিরো অনিকসহ চার-পাঁচজন আরিফকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান। ভারতে নারী পাচারকাণ্ডের হোতা রিফাতুল ইসলাম হৃদয় ওরফে ‘টিকটক হৃদয় বাবু’র সহযোগী ও মগবাজারের শীর্ষ সন্ত্রাসী অনিক হাসান ওরফে হিরো অনিকসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। আজ সোমবার বিকালে কারওয়ান বাজারে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে যে, এই পাঁচজন লকডাউনে বিভিন্ন বাসায় ইয়াবা সরবরাহ করতেন। সেইসঙ্গে হাতিরঝিলে পথচারীদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি করতেন। এর আগে রবিবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাদের কাছ থেকে বিদেশি অস্ত্র, গুলি ও মাদক উদ্ধার করা হয়েছে। র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সহকারী পরিচালক এএসপি আ ন ম ইমরান খান এর আগে জানিয়েছিলেন, ২০১৬ সালের ১১ মে রাতে মগবাজার চেয়ারম্যান গলিতে আরিফ (২০) নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। হিরো অনিকসহ চার-পাঁচজন আরিফকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান।

 

 

আবারো সব নৌযান বন্ধ

 

মহামারী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে গত ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত কঠোর লকডাউন ঘোষণা করে সরকার। তবে রপ্তানিমুখী সব পোশাক কারখানা খুলে দেওয়ায় কাজে যোগ দিতে শুক্রবার রাত থেকেই হাজার হাজার শ্রমিক ও সংশ্লিষ্টরা ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় যাত্রা শুরু করেন।

তাদের নিরাপদে কর্মস্থলে ফেরার সুযোগ দিতে সরকার শনিবার রাত থেকে রোববার দুপুর ১২টা পর্যন্ত গণপরিবহন চলাচলের অনুমতি দেয়। ভিড় থাকায় পরে রোববার ১২টায় লঞ্চ বন্ধ না করে চালু রাখার ঘোষণা দেয় সরকার।

 

 

৩৮ ঘণ্টা চালু থাকার পর সোমবার সকাল ১০টায় লঞ্চ চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এখনো পর্যন্ত সরকারি যে ঘোষণা রয়েছে, তাতে ৫ আগস্ট পর্যন্ত সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ থাকবে।

সোমবার রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে ঘুরে দেখা যায়, ভোর ৫টা থেকে ৬টা পর্যন্ত কর্মস্থলে ফেরা যাত্রীদের চাপ থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সে চাপ কমতে থাকে। ভোরে যাত্রীদের ভিড়ে পন্টুনে মানা হয়নি স্বাস্থ্যবিধি। সেখানে মাস্ক ছাড়াই যাত্রীদের যাতায়াত করতে দেখা গেছে।

লঞ্চ টার্মিনালে হকাররা ঝালমুড়ি, আম, আপেল, খেজুরসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র নিয়ে একজনের কাছ থেকে আরেকজনের কাছে গিয়ে বিক্রি করছেন। তাদের কারও মুখে নেই মাস্ক। হাত পরিষ্কার না করেই খাচ্ছেন কেউ কেউ।

আলোচিত মডেল পিয়াসা মদ, ইয়াবাসহ আটক

ফলে সরকার ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি রক্ষা হচ্ছে না কোথাও। তবে সব যাত্রী নিজ নিজ গন্তব্যে চলে যাওয়ায় সকাল ৭টার পরে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল একে বারে জনশূন্য হয়ে পড়ে।

টার্মিনালে সারি সারি লঞ্চ, কিন্তু কোনো যাত্রী নেই। নেই কোনো হাঁক ডাক৷ এরপর সকাল ১০টায় লঞ্চ চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

 

এমভি মোহনা-৭ লঞ্চের সুপারভাইজার মো. তিয়াস বলেন, তারা রাত সাড়ে ৪টায় সদরঘাট এসেছি। মাত্র জনা ৪০ যাত্রী নিয়ে এখন লঞ্চ ছেড়ে যাবে। কোনো যাত্রী নেই। আসার সময় হাজার দুই যাত্রী নিয়ে এসেছি। সবচেয়ে বেশি যাত্রী এসেছে বেতুয়া, ইলিশা থেকে। ১০টার পর থেকে আবার ৫ আগস্ট পর্যন্ত লঞ্চ চলাচল বন্ধ। এখানে থেকে কি করব, তাই চলে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, সকাল থেকে মাত্র পাঁচ/ছয়টি লঞ্চ ছেড়ে গেছে। প্রতি লঞ্চেই এ রকম ২৫/৩০ জন করে যাত্রী নিয়ে গেছে।

ইলিশা থেকে ঢাকায় আসা রাকিব হাসান বলেন, গার্মেন্টসে চাকরি করি। ১ তারিখ থেকে খুলেছে, যেতে পারিনি। আজ যাব। অনেক কষ্টে ঢাকায় এসেছি। লঞ্চ না চললে আসতে পারতাম না। তখন হয়তো চাকরিটা থাকতো না। এজন্য সরকারকে ধন্যবাদ।

নৌযান

একই স্থান থেকে এসেছেন আরেক পোশাক শ্রমিক আয়শা আক্তার। তিনি জানান, অনেক কষ্টে লঞ্চে উঠেছেন। লঞ্চে পা ফেলার জায়গা ছিল না। কোনো রকমে এক কোণায় বসে এসেছেন। হঠাৎ করে গার্মেন্টস খোলায় এত ভিড়। আমাদের যদি আগে বলে দিতো, তাহলে ঢাকা ছেড়ে যেতাম না। আমাদের বলেছে ৫ তারিখের পড়ে খোলা হবে। মালিকরা শুধু আমাদের নিয়ে খেলা করে।

বাংলাদেশ লঞ্চ মালিক সমিতির সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান রিন্টু বলেন, দেড় দিন লঞ্চ চলার পর সোমবার সকাল ১০টা থেকে ফের বন্ধ হয়ে গেছে নৌযান। গত দেড় দিনে আমরা আশানুরূপ যাত্রী পাইনি। সরকার ধাপে ধাপে অনুমিত দেওয়ায় এ সুবিধা কেউ নিতে পারেনি। আমাদের যদি শুক্রবার দিন একবারে বলে দিতো যে রোববার সকাল পর্যন্ত লঞ্চ চলবে, তাহলে আমরা প্রচার করে দিতে পারতাম।

কিন্তু সেটা না হওয়ায় পাটুরিয়া-শিমুলিয়া ঘাটে যাত্রীদের দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে। আমরা আজ থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত সরকারের নির্দেশ মতো লঞ্চ বন্ধ রাখবো।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষের ট্রাফিক বিভাগ জানায়, দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম হলো নৌপথ। শনিবার রাত সাড়ে ১২টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন রুটে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে ছেড়ে গেছে মাত্র ১০টি লঞ্চ। এর মধ্যে পাঁচটি লঞ্চে কোনো যাত্রী ছিল না।

এসময়ে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে এসেছে প্রায় ৩৭টি লঞ্চ। দক্ষিণাঞ্চলে লঞ্চগুলো সাধারণত ভোর ৫ থেকে ৬টার মধ্যে চলে আসে।

 

মহামারী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে গত ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত কঠোর লকডাউন ঘোষণা করে সরকার। তবে রপ্তানিমুখী সব পোশাক কারখানা খুলে দেওয়ায় কাজে যোগ দিতে শুক্রবার রাত থেকেই হাজার হাজার শ্রমিক ও সংশ্লিষ্টরা ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় যাত্রা শুরু করেন।

তাদের নিরাপদে কর্মস্থলে ফেরার সুযোগ দিতে সরকার শনিবার রাত থেকে রোববার দুপুর ১২টা পর্যন্ত গণপরিবহন চলাচলের অনুমতি দেয়। ভিড় থাকায় পরে রোববার ১২টায় লঞ্চ বন্ধ না করে চালু রাখার ঘোষণা দেয় সরকার।

৩৮ ঘণ্টা চালু থাকার পর সোমবার সকাল ১০টায় লঞ্চ চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এখনো পর্যন্ত সরকারি যে ঘোষণা রয়েছে, তাতে ৫ আগস্ট পর্যন্ত সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ থাকবে।

সোমবার রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে ঘুরে দেখা যায়, ভোর ৫টা থেকে ৬টা পর্যন্ত কর্মস্থলে ফেরা যাত্রীদের চাপ থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সে চাপ কমতে থাকে। ভোরে যাত্রীদের ভিড়ে পন্টুনে মানা হয়নি স্বাস্থ্যবিধি। সেখানে মাস্ক ছাড়াই যাত্রীদের যাতায়াত করতে দেখা গেছে।

লঞ্চ টার্মিনালে হকাররা ঝালমুড়ি, আম, আপেল, খেজুরসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র নিয়ে একজনের কাছ থেকে আরেকজনের কাছে গিয়ে বিক্রি করছেন। তাদের কারও মুখে নেই মাস্ক। হাত পরিষ্কার না করেই খাচ্ছেন কেউ কেউ।

আলোচিত মডেল পিয়াসা মদ, ইয়াবাসহ আটক

ফলে সরকার ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি রক্ষা হচ্ছে না কোথাও। তবে সব যাত্রী নিলকডাউনজ নিজ গন্তব্যে চলে যাওয়ায় সকাল ৭টার পরে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল একে বারে জনশূন্য হয়ে পড়ে।

টার্মিনালে সারি সারি লঞ্চ, কিন্তু কোনো যাত্রী নেই। নেই কোনো হাঁক ডাক৷ এরপর সকাল ১০টায় লঞ্চ চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

এমভি মোহনা-৭ লঞ্চের সুপারভাইজার মো. তিয়াস বলেন, তারা রাত সাড়ে ৪টায় সদরঘাট এসেছি। মাত্র জনা ৪০ যাত্রী নিয়ে এখন লঞ্চ ছেড়ে যাবে। কোনো যাত্রী নেই। আসার সময় হাজার দুই যাত্রী নিয়ে এসেছি। সবচেয়ে বেশি যাত্রী এসেছে বেতুয়া, ইলিশা থেকে। ১০টার পর থেকে আবার ৫ আগস্ট পর্যন্ত লঞ্চ চলাচল বন্ধ। এখানে থেকে কি করব, তাই চলে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, সকাল থেকে মাত্র পাঁচ/ছয়টি লঞ্চ ছেড়ে গেছে। প্রতি লঞ্চেই এ রকম ২৫/৩০ জন করে যাত্রী নিয়ে গেছে।

ইলিশা থেকে ঢাকায় আসা রাকিব হাসান বলেন, গার্মেন্টসে চাকরি করি। ১ তারিখ থেকে

 

খুলেছে, যেতে পারিনি। আজ যাব। অনেক কষ্টে ঢাকায় এসেছি। লঞ্চ না চললে আসতে পারতাম না। তখন হয়তো চাকরিটা থাকতো না। এজন্য সরকারকে ধন্যবাদ।

 

একই স্থান থেকে এসেছেন আরেক পোশাক শ্রমিক আয়শা আক্তার। তিনি জানান, অনেক কষ্টে লঞ্চে উঠেছেন। লঞ্চে পা ফেলার জায়গা ছিল না। কোনো রকমে এক কোণায় বসে এসেছেন। হঠাৎ করে গার্মেন্টস খোলায় এত ভিড়। আমাদের যদি আগে বলে দিতো, তাহলে ঢাকা ছেড়ে যেতাম না। আমাদের বলেছে ৫ তারিখের পড়ে খোলা হবে। মালিকরা শুধু আমাদের নিয়ে খেলা করে।

বাংলাদেশ লঞ্চ মালিক সমিতির সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান রিন্টু বলেন, দেড় দিন লঞ্চ চলার পর সোমবার সকাল ১০টা থেকে ফের বন্ধ হয়ে গেছে নৌযান। গত দেড় দিনে আমরা আশানুরূপ যাত্রী পাইনি। সরকার ধাপে ধাপে অনুমিত দেওয়ায় এ সুবিধা কেউ নিতে পারেনি। আমাদের যদি শুক্রবার দিন একবারে বলে দিতো যে রোববার সকাল পর্যন্ত লঞ্চ চলবে, তাহলে আমরা প্রচার করে দিতে পারতাম।

কিন্তু সেটা না হওয়ায় পাটুরিয়া-শিমুলিয়া ঘাটে যাত্রীদের দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে। আমরা আজ থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত সরকারের নির্দেশ মতো লঞ্চ বন্ধ রাখবো।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষের ট্রাফিক বিভাগ জানায়, দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম হলো নৌপথ। শনিবার রাত সাড়ে ১২টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন রুটে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে ছেড়ে গেছে মাত্র ১০টি লঞ্চ। এর মধ্যে পাঁচটি লঞ্চে কোনো যাত্রী ছিল না।

এসময়ে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে এসেছে প্রায় ৩৭টি লঞ্চ। দক্ষিণাঞ্চলে লঞ্চগুলো সাধারণত ভোর ৫ থেকে ৬টার মধ্যে চলে আসে।

লকডাউন লকডাউন লকডাউন লকডাউন

লকডাউন লকডাউন লকডাউন লকডাউন

 

ফলে সরকার ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি রক্ষা হচ্ছে না কোথাও। তবে সব যাত্রী নিলকডাউনজ নিজ গন্তব্যে চলে যাওয়ায় সকাল ৭টার পরে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল একে বারে জনশূন্য হয়ে পড়ে।

টার্মিনালে সারি সারি লঞ্চ, কিন্তু কোনো যাত্রী নেই। নেই কোনো হাঁক ডাক৷ এরপর সকাল ১০টায় লঞ্চ চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

এমভি মোহনা-৭ লঞ্চের সুপারভাইজার মো. তিয়াস বলেন, তারা রাত সাড়ে ৪টায় সদরঘাট এসেছি। মাত্র জনা ৪০ যাত্রী নিয়ে এখন লঞ্চ ছেড়ে যাবে। কোনো যাত্রী নেই। আসার সময় হাজার দুই যাত্রী নিয়ে এসেছি। সবচেয়ে বেশি যাত্রী এসেছে বেতুয়া, ইলিশা থেকে। ১০টার পর থেকে আবার ৫ আগস্ট পর্যন্ত লঞ্চ চলাচল বন্ধ। এখানে থেকে কি করব, তাই চলে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, সকাল থেকে মাত্র পাঁচ/ছয়টি লঞ্চ ছেড়ে গেছে। প্রতি লঞ্চেই এ রকম ২৫/৩০ জন করে যাত্রী নিয়ে গেছে।

ইলিশা থেকে ঢাকায় আসা রাকিব হাসান বলেন, গার্মেন্টসে চাকরি করি। ১ তারিখ থেকে খুলেছে, যেতে পারিনি। আজ যাব। অনেক কষ্টে ঢাকায় এসেছি। লঞ্চ না চললে আসতে পারতাম না। তখন হয়তো চাকরিটা থাকতো না। এজন্য সরকারকে ধন্যবাদ।

 

একই স্থান থেকে এসেছেন আরেক পোশাক শ্রমিক আয়শা আক্তার। তিনি জানান, অনেক কষ্টে লঞ্চে উঠেছেন। লঞ্চে পা ফেলার জায়গা ছিল না। কোনো রকমে এক কোণায় বসে এসেছেন। হঠাৎ করে গার্মেন্টস খোলায় এত ভিড়। আমাদের যদি আগে বলে দিতো, তাহলে ঢাকা ছেড়ে যেতাম না। আমাদের বলেছে ৫ তারিখের পড়ে খোলা হবে। মালিকরা শুধু আমাদের নিয়ে খেলা করে।

বাংলাদেশ লঞ্চ মালিক সমিতির সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান রিন্টু বলেন, দেড় দিন লঞ্চ চলার পর সোমবার সকাল ১০টা থেকে ফের বন্ধ হয়ে গেছে নৌযান। গত দেড় দিনে আমরা আশানুরূপ যাত্রী পাইনি। সরকার ধাপে ধাপে অনুমিত দেওয়ায় এ সুবিধা কেউ নিতে পারেনি। আমাদের যদি শুক্রবার দিন একবারে বলে দিতো যে রোববার সকাল পর্যন্ত লঞ্চ চলবে, তাহলে আমরা প্রচার করে দিতে পারতাম।

কিন্তু সেটা না হওয়ায় পাটুরিয়া-শিমুলিয়া ঘাটে যাত্রীদের দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে। আমরা আজ থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত সরকারের নির্দেশ মতো লঞ্চ বন্ধ রাখবো।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষের ট্রাফিক বিভাগ জানায়, দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম হলো নৌপথ। শনিবার রাত সাড়ে ১২টা থেকে সকাল ৯টা পর্য

 

ফলে সরকার ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি রক্ষা হচ্ছে না কোথাও। তবে সব যাত্রী নিলকডাউনজ নিজ গন্তব্যে চলে যাওয়ায় সকাল ৭টার পরে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল একে বারে জনশূন্য হয়ে পড়ে।

টার্মিনালে সারি সারি লঞ্চ, কিন্তু কোনো যাত্রী নেই। নেই কোনো হাঁক ডাক৷ এরপর সকাল ১০টায় লঞ্চ চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

এমভি মোহনা-৭ লঞ্চের সুপারভাইজার মো. তিয়াস বলেন, তারা রাত সাড়ে ৪টায় সদরঘাট এসেছি। মাত্র জনা ৪০ যাত্রী নিয়ে এখন লঞ্চ ছেড়ে যাবে। কোনো যাত্রী নেই। আসার সময় হাজার দুই যাত্রী নিয়ে এসেছি। সবচেয়ে বেশি যাত্রী এসেছে বেতুয়া, ইলিশা থেকে। ১০টার পর থেকে আবার ৫ আগস্ট পর্যন্ত লঞ্চ চলাচল বন্ধ। এখানে থেকে কি করব, তাই চলে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, সকাল থেকে মাত্র পাঁচ/ছয়টি লঞ্চ ছেড়ে গেছে। প্রতি লঞ্চেই এ রকম ২৫/৩০ জন করে যাত্রী নিয়ে গেছে।

ইলিশা থেকে ঢাকায় আসা রাকিব হাসান বলেন, গার্মেন্টসে চাকরি করি। ১ তারিখ থেকে

 

খুলেছে, যেতে পারিনি। আজ যাব। অনেক কষ্টে ঢাকায় এসেছি। লঞ্চ না চললে আসতে পারতাম না। তখন হয়তো চাকরিটা থাকতো না। এজন্য সরকারকে ধন্যবাদ।

 

একই স্থান থেকে এসেছেন আরেক পোশাক শ্রমিক আয়শা আক্তার। তিনি জানান, অনেক কষ্টে লঞ্চে উঠেছেন। লঞ্চে পা ফেলার জায়গা ছিল না। কোনো রকমে এক কোণায় বসে এসেছেন। হঠাৎ করে গার্মেন্টস খোলায় এত ভিড়। আমাদের যদি আগে বলে দিতো, তাহলে ঢাকা ছেড়ে যেতাম না। আমাদের বলেছে ৫ তারিখের পড়ে খোলা হবে। মালিকরা শুধু আমাদের নিয়ে খেলা করে।

বাংলাদেশ লঞ্চ মালিক সমিতির সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান রিন্টু বলেন, দেড় দিন লঞ্চ চলার পর সোমবার সকাল ১০টা থেকে ফের বন্ধ হয়ে গেছে নৌযান। গত দেড় দিনে আমরা আশানুরূপ যাত্রী পাইনি। সরকার ধাপে ধাপে অনুমিত দেওয়ায় এ সুবিধা কেউ নিতে পারেনি। আমাদের যদি শুক্রবার দিন একবারে বলে দিতো যে রোববার সকাল পর্যন্ত লঞ্চ চলবে, তাহলে আমরা প্রচার করে দিতে পারতাম।

কিন্তু সেটা না হওয়ায় পাটুরিয়া-শিমুলিয়া ঘাটে যাত্রীদের দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে। আমরা আজ থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত সরকারের নির্দেশ মতো লঞ্চ বন্ধ রাখবো।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষের ট্রাফিক বিভাগ জানায়, দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম হলো নৌপথ। শনিবার রাত সাড়ে ১২টা থেকে সকাল ৯টা পর্য

 

ফলে সরকার ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি রক্ষা হচ্ছে না কোথাও। তবে সব যাত্রী নিলকডাউনজ নিজ গন্তব্যে চলে যাওয়ায় সকাল ৭টার পরে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল একে বারে জনশূন্য হয়ে পড়ে।

টার্মিনালে সারি সারি লঞ্চ, কিন্তু কোনো যাত্রী নেই। নেই কোনো হাঁক ডাক৷ এরপর সকাল ১০টায় লঞ্চ চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

এমভি মোহনা-৭ লঞ্চের সুপারভাইজার মো. তিয়াস বলেন, তারা রাত সাড়ে ৪টায় সদরঘাট এসেছি। মাত্র জনা ৪০ যাত্রী নিয়ে এখন লঞ্চ ছেড়ে যাবে। কোনো যাত্রী নেই। আসার সময় হাজার দুই যাত্রী নিয়ে এসেছি। সবচেয়ে বেশি যাত্রী এসেছে বেতুয়া, ইলিশা থেকে। ১০টার পর থেকে আবার ৫ আগস্ট পর্যন্ত লঞ্চ চলাচল বন্ধ। এখানে থেকে কি করব, তাই চলে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, সকাল থেকে মাত্র পাঁচ/ছয়টি লঞ্চ ছেড়ে গেছে। প্রতি লঞ্চেই এ রকম ২৫/৩০ জন করে যাত্রী নিয়ে গেছে।

ইলিশা থেকে ঢাকায় আসা রাকিব হাসান বলেন, গার্মেন্টসে চাকরি করি। ১ তারিখ থেকে খুলেছে, যেতে পারিনি। আজ যাব। অনেক কষ্টে ঢাকায় এসেছি। লঞ্চ না চললে আসতে পারতাম না। তখন হয়তো চাকরিটা থাকতো না। এজন্য সরকারকে ধন্যবাদ।

 

একই স্থান থেকে এসেছেন আরেক পোশাক শ্রমিক আয়শা আক্তার। তিনি জানান, অনেক কষ্টে লঞ্চে উঠেছেন। লঞ্চে পা ফেলার জায়গা ছিল না। কোনো রকমে এক কোণায় বসে এসেছেন। হঠাৎ করে গার্মেন্টস খোলায় এত ভিড়। আমাদের যদি আগে বলে দিতো, তাহলে ঢাকা ছেড়ে যেতাম না। আমাদের বলেছে ৫ তারিখের পড়ে খোলা হবে। মালিকরা শুধু আমাদের নিয়ে খেলা করে।

বাংলাদেশ লঞ্চ মালিক সমিতির সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান রিন্টু বলেন, দেড় দিন লঞ্চ চলা

 

র পর সোমবার সকাল ১০টা থেকে ফের বন্ধ হয়ে গেছে নৌযান। গত দেড় দিনে আমরা আশানুরূপ যাত্রী পাইনি। সরকার ধাপে ধাপে অনুমিত দেওয়ায় এ সুবিধা কেউ নিতে পারেনি। আমাদের যদি শুক্রবার দিন একবারে বলে দিতো যে রোববার সকাল পর্যন্ত লঞ্চ চলবে, তাহলে আমরা প্রচার করে দিতে পারতাম।

কিন্তু সেটা না হওয়ায় পাটুরিয়া-শিমুলিয়া ঘাটে যাত্রীদের দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে। আমরা আজ থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত সরকারের নির্দেশ মতো লঞ্চ বন্ধ রাখবো।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষের ট্রাফিক বিভাগ জানায়, দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম হলো নৌপথ। শনিবার রাত সাড়ে ১২টা থেকে সকাল ৯টা পর্য

 

আরো পড়ুন: নারী দেহের যে ৫টি অঙ্গ বড় হলে সৌভাগ্যবতী হিসেবে ভাবা হয়

 

লকডাউন  লকডাউন

Loading...