সাড়ে ৭ মাস পর সচল হলো ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেল স্টেশন

সাড়ে ৭ মাস পর সচল হলো ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেল স্টেশন

বিভিন্ন উশৃংখল লোকবলের তাণ্ডবে সাড়ে ৭ মাস পর চিরচেনা রূপে ফিরলো ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন।

সংস্কার শেষে শনিবার ১৩ নভেম্বর দুপুর ১টার দিকে স্টেশন চালু হওয়ার পর ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা সিলেটগামী জয়ন্তিকা এক্সপ্রেসের যাত্রাবিরতির মাধ্যমে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

 

এ সময় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী ব্রাহ্মণবাড়িয়ার যাত্রীদের স্বাগত জানান। ট্রেন বিরতির সময় হাজারো মানুষ স্টেশন ভিড় জমান।

এর আগে সকালে রাজধানীর কমলাপুর রেল স্টেশন সিলেটগামী জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস ট্রেনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার যাত্রীদের শুভেচ্ছা জানান রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন।

 

বিশিষ্ট আবৃত্তি শিল্পী মনির হোসেনের সঞ্চালনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেশনের উদ্বোধনীতে আরও উপস্থিত ছিলেন- জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাব সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন জামি, সাধারণ সম্পাদক জাবেদ রহিম বিজন, কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা আল আমিনুল হক, শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, জেলা যুবলীগের সভাপতি শাহানুর ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম ফেরদৌস, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল হোসেন রুবেল, সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত শোভন, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি লোকমান হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সায়েদুজ্জামান আরিফ প্রমুখ।

 

 

 

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনের সূত্রে জানা যায়, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের বিরোধিতা করে ২৬ মার্চ হেফাজতে ইসলামের কর্মীরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টেশনে ব্যাপক তাণ্ডব চালায়। স্টেশনমাস্টারের রুম, অপারেটিং রুম, ভিআইপি রুম, প্রধান বুকিং সহকারীর রুম, টিকিট কাউন্টার, প্যানেল বোর্ড, সিগন্যালিং যন্ত্রপাতি, পয়েন্টের সিগন্যাল বক্স, লেভেল ক্রসিং গেটসহ অন্যান্য স্থাপনা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।

এ ঘটনায় রেলওয়ের আড়াই কোটি টাকার ক্ষতি হয়। ধ্বংসস্তূপে পরিণত স্টেশনটিতে পরদিন থেকে সব ট্রেনের যাত্রাবিরতি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত রাখে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। কয়েকমাস পর যাত্রীদের দাবির মুখে একটি আন্তঃনগর ট্রেন ও চারটি লোকাল ট্রেন যাত্রাবিরতি অনুমতি দয়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

 

সিগন্যাল ও কন্ট্রোল রুমের সংস্কার না হওয়ায় এতদিন অন্যান্য আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি দেওয়া সম্ভব হয়নি। অবশেষে সব প্রকার সংস্কার কাজ শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে আবারও যাত্রাবিরতি দেওয়া ট্রেনগুলো দাঁড়াচ্ছে।

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রাবিরতি দেওয়া ট্রেন গুলো হলো- চট্টগ্রাম-ঢাকাগামী মহানগর প্রভাতি, মহানগর এক্সপ্রেস, চট্টলা এক্সপ্রেস, তুর্ণা নিশিতা, কর্ণফুলী এক্সপ্রেস, ঢাকা-সিলেটগামী জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস, পারাবত এক্সপ্রেস। এছাড়াও লোকাল নাসিরাবাদ এক্সপ্রেস, চাঁদপুর লোকাল ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে ছেড়ে যাওয়া তিতাস কমিউটার ট্রেন।

রেলওয়ের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া জাগো নিউজকে বলেন, বন্ধ হওয়ায় এ রেলস্টেশন ডি শ্রেণিতে রূপান্তরিত হয়ে যায়। আজকে চালু হওয়ার পর আবারো বি শ্রেণিতে উন্নীত হয়েছে। আগে যাত্রাবিরতি দেওয়া সব ট্রেন এখন থেকে এ স্টেশনে যাত্রাবিরতি দিবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন_মাস্টার এম এ সোয়েব আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, প্রতিদিন এ স্টেশন থেকে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের উদ্দেশ্যে ৪-৫ হাজার যাত্রী গমন করে। প্রতিমাসে প্রায় এক কোটি টাকা সরকার রাজস্ব পেয়ে থাকে। তাণ্ডবে বন্ধ থাকায় সরকার এ স্টেশন থেকে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারিয়েছে। আজ উদ্বোধনের পর সব ট্রেন আবারো যাত্রাবিরতি দিচ্ছে।

 

 

 

 

 

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে  সূত্রে জানা যায়, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের বিরোধিতা করে ২৬ মার্চ হেফাজতে ইসলামের কর্মীরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টেশনে ব্যাপক তাণ্ডব চালায়। স্টেশনমাস্টারের রুম, অপারেটিং রুম, ভিআইপি রুম, প্রধান বুকিং সহকারীর রুম, টিকিট কাউন্টার, প্যানেল বোর্ড, সিগন্যালিং যন্ত্রপাতি, পয়েন্টের সিগন্যাল বক্স, লেভেল ক্রসিং গেটসহ অন্যান্য স্থাপনা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।

এ ঘটনায় রেলওয়ের আড়াই কোটি টাকার ক্ষতি হয়। ধ্বংসস্তূপে পরিণত স্টেশনটিতে পরদিন থেকে সব ট্রেনের যাত্রাবিরতি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত রাখে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। কয়েকমাস পর যাত্রীদের দাবির মুখে একটি আন্তঃনগর ট্রেন ও চারটি লোকাল ট্রেন যাত্রাবিরতি অনুমতি দয়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

 

সিগন্যাল ও কন্ট্রোল রুমের সংস্কার না হওয়ায় এতদিন অন্যান্য আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি দেওয়া সম্ভব হয়নি। অবশেষে সব প্রকার সংস্কার কাজ শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে আবারও যাত্রাবিরতি দেওয়া ট্রেনগুলো দাঁড়াচ্ছে।

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে যাত্রাবিরতি দেওয়া ট্রেন গুলো হলো- চট্টগ্রাম-ঢাকাগামী মহানগর প্রভাতি, মহানগর এক্সপ্রেস, চট্টলা এক্সপ্রেস, তুর্ণা নিশিতা, কর্ণফুলী এক্সপ্রেস, ঢাকা-সিলেটগামী জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস, পারাবত এক্সপ্রেস। এছাড়াও লোকাল নাসিরাবাদ এক্সপ্রেস, চাঁদপুর লোকাল ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে ছেড়ে যাওয়া তিতাস কমিউটার ট্রেন।

রেলওয়ের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া জাগো নিউজকে বলেন, বন্ধ হওয়ায় এ রেলস্টেশন ডি শ্রেণিতে রূপান্তরিত হয়ে যায়। আজকে চালু হওয়ার পর আবারো বি শ্রেণিতে উন্নীত হয়েছে। আগে যাত্রাবিরতি দেওয়া সব ট্রেন এখন থেকে এ স্টেশনে যাত্রাবিরতি দিবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে  মাস্টার এম এ সোয়েব আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, প্রতিদিন এ স্টেশন থেকে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের উদ্দেশ্যে ৪-৫ হাজার যাত্রী গমন করে। প্রতিমাসে প্রায় এক কোটি টাকা সরকার রাজস্ব পেয়ে থাকে। তাণ্ডবে বন্ধ থাকায় সরকার এ স্টেশন থেকে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারিয়েছে। আজ উদ্বোধনের পর সব ট্রেন আবারো যাত্রাবিরতি দিচ্ছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের বিরোধিতা করে ২৬ মার্চ হেফাজতে ইসলামের কর্মীরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টেশনে ব্যাপক তাণ্ডব চালায়। স্টেশনমাস্টারের রুম, অপারেটিং রুম, ভিআইপি রুম, প্রধান বুকিং সহকারীর রুম, টিকিট কাউন্টার, প্যানেল বোর্ড, সিগন্যালিং যন্ত্রপাতি, পয়েন্টের সিগন্যাল বক্স, লেভেল ক্রসিং গেটসহ অন্যান্য স্থাপনা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।

এ ঘটনায় রেলওয়ের আড়াই কোটি টাকার ক্ষতি হয়। ধ্বংসস্তূপে পরিণত স্টেশনটিতে পরদিন থেকে সব ট্রেনের যাত্রাবিরতি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত রাখে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। কয়েকমাস পর যাত্রীদের দাবির মুখে একটি আন্তঃনগর ট্রেন ও চারটি লোকাল ট্রেন যাত্রাবিরতি অনুমতি দয়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

 

সিগন্যাল ও কন্ট্রোল রুমের সংস্কার না হওয়ায় এতদিন অন্যান্য আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি দেওয়া সম্ভব হয়নি। অবশেষে সব প্রকার সংস্কার কাজ শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে আবারও যাত্রাবিরতি দেওয়া ট্রেনগুলো দাঁড়াচ্ছে।

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে যাত্রাবিরতি দেওয়া ট্রেন গুলো হলো- চট্টগ্রাম-ঢাকাগামী মহানগর প্রভাতি, মহানগর এক্সপ্রেস, চট্টলা এক্সপ্রেস, তুর্ণা নিশিতা, কর্ণফুলী এক্সপ্রেস, ঢাকা-সিলেটগামী জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস, পারাবত এক্সপ্রেস। এছাড়াও লোকাল নাসিরাবাদ এক্সপ্রেস, চাঁদপুর লোকাল ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে ছেড়ে যাওয়া তিতাস কমিউটার ট্রেন।

রেলওয়ের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া জাগো নিউজকে বলেন, বন্ধ হওয়ায় এ রেলস্টেশন ডি শ্রেণিতে রূপান্তরিত হয়ে যায়। আজকে চালু হওয়ার পর আবারো বি শ্রেণিতে উন্নীত হয়েছে। আগে যাত্রাবিরতি দেওয়া সব ট্রেন এখন থেকে এ স্টেশনে যাত্রাবিরতি দিবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়েমাস্টার এম এ সোয়েব আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, প্রতিদিন এ স্টেশন থেকে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের উদ্দেশ্যে ৪-৫ হাজার যাত্রী গমন করে। প্রতিমাসে প্রায় এক কোটি টাকা সরকার রাজস্ব পেয়ে থাকে। তাণ্ডবে বন্ধ থাকায় সরকার এ স্টেশন থেকে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারিয়েছে। আজ উদ্বোধনের পর সব ট্রেন আবারো যাত্রাবিরতি দিচ্ছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের বিরোধিতা করে ২৬ মার্চ হেফাজতে ইসলামের কর্মীরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টেশনে ব্যাপক তাণ্ডব চালায়। স্টেশনমাস্টারের রুম, অপারেটিং রুম, ভিআইপি রুম, প্রধান বুকিং সহকারীর রুম, টিকিট কাউন্টার, প্যানেল বোর্ড, সিগন্যালিং যন্ত্রপাতি, পয়েন্টের সিগন্যাল বক্স, লেভেল ক্রসিং গেটসহ অন্যান্য স্থাপনা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।

এ ঘটনায় রেলওয়ের আড়াই কোটি টাকার ক্ষতি হয়। ধ্বংসস্তূপে পরিণত স্টেশনটিতে পরদিন থেকে সব ট্রেনের যাত্রাবিরতি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত রাখে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। কয়েকমাস পর যাত্রীদের দাবির মুখে একটি আন্তঃনগর ট্রেন ও চারটি লোকাল ট্রেন যাত্রাবিরতি অনুমতি দয়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

 

সিগন্যাল ও কন্ট্রোল রুমের সংস্কার না হওয়ায় এতদিন অন্যান্য আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি দেওয়া সম্ভব হয়নি। অবশেষে সব প্রকার সংস্কার কাজ শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে আবারও যাত্রাবিরতি দেওয়া ট্রেনগুলো দাঁড়াচ্ছে।

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে যাত্রাবিরতি দেওয়া ট্রেন গুলো হলো- চট্টগ্রাম-ঢাকাগামী মহানগর প্রভাতি, মহানগর এক্সপ্রেস, চট্টলা এক্সপ্রেস, তুর্ণা নিশিতা, কর্ণফুলী এক্সপ্রেস, ঢাকা-সিলেটগামী জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস, পারাবত এক্সপ্রেস। এছাড়াও লোকাল নাসিরাবাদ এক্সপ্রেস, চাঁদপুর লোকাল ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে ছেড়ে যাওয়া তিতাস কমিউটার ট্রেন।

রেলওয়ের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া জাগো নিউজকে বলেন, বন্ধ হওয়ায় এ রেলস্টেশন ডি শ্রেণিতে রূপান্তরিত হয়ে যায়। আজকে চালু হওয়ার পর আবারো বি শ্রেণিতে উন্নীত হয়েছে। আগে যাত্রাবিরতি দেওয়া সব ট্রেন এখন থেকে এ স্টেশনে যাত্রাবিরতি দিবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে মাস্টার এম এ সোয়েব আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, প্রতিদিন এ স্টেশন থেকে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের উদ্দেশ্যে ৪-৫ হাজার যাত্রী গমন করে। প্রতিমাসে প্রায় এক কোটি টাকা সরকার রাজস্ব পেয়ে থাকে। তাণ্ডবে বন্ধ থাকায় সরকার এ স্টেশন থেকে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারিয়েছে। আজ উদ্বোধনের পর সব ট্রেন আবারো যাত্রাবিরতি দিচ্ছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়েসূত্রে জানা যায়, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের বিরোধিতা করে ২৬ মার্চ হেফাজতে ইসলামের কর্মীরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টেশনে ব্যাপক তাণ্ডব চালায়। স্টেশনমাস্টারের রুম, অপারেটিং রুম, ভিআইপি রুম, প্রধান বুকিং সহকারীর রুম, টিকিট কাউন্টার, প্যানেল বোর্ড, সিগন্যালিং যন্ত্রপাতি, পয়েন্টের সিগন্যাল বক্স, লেভেল ক্রসিং গেটসহ অন্যান্য স্থাপনা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।

এ ঘটনায় রেলওয়ের আড়াই কোটি টাকার ক্ষতি হয়। ধ্বংসস্তূপে পরিণত স্টেশনটিতে পরদিন থেকে সব ট্রেনের যাত্রাবিরতি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত রাখে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। কয়েকমাস পর যাত্রীদের দাবির মুখে একটি আন্তঃনগর ট্রেন ও চারটি লোকাল ট্রেন যাত্রাবিরতি অনুমতি দয়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

 

সিগন্যাল ও কন্ট্রোল রুমের সংস্কার না হওয়ায় এতদিন অন্যান্য আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি দেওয়া সম্ভব হয়নি। অবশেষে সব প্রকার সংস্কার কাজ শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে আবারও যাত্রাবিরতি দেওয়া ট্রেনগুলো দাঁড়াচ্ছে।

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে ত্রাবিরতি দেওয়া ট্রেন গুলো হলো- চট্টগ্রাম-ঢাকাগামী মহানগর প্রভাতি, মহানগর এক্সপ্রেস, চট্টলা এক্সপ্রেস, তুর্ণা নিশিতা, কর্ণফুলী এক্সপ্রেস, ঢাকা-সিলেটগামী জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস, পারাবত এক্সপ্রেস। এছাড়াও লোকাল নাসিরাবাদ এক্সপ্রেস, চাঁদপুর লোকাল ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে ছেড়ে যাওয়া তিতাস কমিউটার ট্রেন।

রেলওয়ের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া জাগো নিউজকে বলেন, বন্ধ হওয়ায় এ  ডি শ্রেণিতে রূপান্তরিত হয়ে যায়। আজকে চালু হওয়ার পর আবারো বি শ্রেণিতে উন্নীত হয়েছে। আগে যাত্রাবিরতি দেওয়া সব ট্রেন এখন থেকে এ স্টেশনে যাত্রাবিরতি দিবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়েস্টার এম এ সোয়েব আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, প্রতিদিন এ স্টেশন থেকে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের উদ্দেশ্যে ৪-৫ হাজার যাত্রী গমন করে। প্রতিমাসে প্রায় এক কোটি টাকা সরকার রাজস্ব পেয়ে থাকে। তাণ্ডবে বন্ধ থাকায় সরকার এ স্টেশন থেকে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারিয়েছে। আজ উদ্বোধনের পর সব ট্রেন আবারো যাত্রাবিরতি দিচ্ছে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.