Ultimate magazine theme for WordPress.

বাহিরে ‘ব্যাচধারীরা’ সরগরম, ভেতর ফাঁকা

ভোটকেন্দ্রের বাহিরে বিপুল লোকসমাগম। তাদের প্রায় সবাই গালায় ঝুলছে নৌকাসহ বিভিন্ন কাউন্সিল প্রার্থীদের ব্যাচ। কিন্তু তার উল্টো চিত্র দেখা গেছে ভোটকেন্দ্রের ভেতরে। প্রায় অধিকাংশ কেন্দ্রেই অলস সময় পার করছেন ভোটের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্ত।

শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানী হাবিবুল্লাহ বাহার ইউনিভার্সিটি কলেজ, সিদ্বেশ্বরী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, সিদ্বেশ্বরী বালক উচ্চ বিদ্যালয়, আবু জাফর গিফার কলেজ, ঢাকা বিজ্ঞান কলেজ, উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজসহ বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে এচিত্র দেখা গেছে।

বেলা ১১টার দিকে হাবিবুল্লাহ বাহার ইউনিভার্সিটি কলেজের সামনে গিয়ে দেখে যায়, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা অবস্থান নিয়েছে। এখানে ধানের শীষ বা অন্যান্য প্রার্থীদের লোকজনকে পাওয়া যায়নি।

সিদ্বেশ্বরী বালিকা ও বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে নৌকার ব্যাচধারীদের ব্যাপক উপস্থিতি। এখানে নেই ধানের শীষের লোকজন। তবে এখানে দুই-একজন পাওয়া গেছে হাতপাখার লোকজন। তবে ভেতরে চিত্র ঠিক উল্টো। ভেতরে ভোটার নেই বললেই চলে।

উত্তরের মিরপুরে মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে দেখা গেল বেঞ্চে হেলান দিয়ে গভীর ঘুমে নিরাপত্তাকর্মী। কেন্দ্রে ভোটারের উপস্থিতিও তেমন নেই। তবে কেন্দ্রের ভেতরে অবস্থান করছেন বেশ কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতা। তারা আঙুলের ছাপ নেয়ার পর নৌকায় ভোট দিতে বাধ্য করছেন।

দক্ষিণের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫টি কেন্দ্রের চিত্র একই। বাইরে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিপুল উপস্থিতি। তবে ভেতরে ভোটার নেই।  ঢাবির ৫টি কেন্দ্র হলো- কার্জন হল, উদয়ন স্কুল, ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি, জিমনেসিয়াম, এনএক্স ভবন।

জিমনেসিয়াম কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ধানের শীষের এখন কোন এজেন্ট নেই। তারা হয়তো দুপুরের খাওয়া খেতে গেছেন। কোন এজেন্টকে বের করে দেয়ার অভিযোগ করেনি।

এদিকে দুপুরে ডিএনসিসি নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে তাবিথের প্রতিনিধি জুলহাস উদ্দিন এ অভিযোগপত্র জমা দেন। এ সময় সিটির ৪৩টি ওয়ার্ডের পোলিং এজেন্টদের বের করে দেয়ার অভিযোগ লিখিতভাবে দেন তিনি।

Leave A Reply

Your email address will not be published.