Ultimate magazine theme for WordPress.

পাপিয়ার ঘটনা প্রধানমন্ত্রী জানতেন, তিনিই গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছেন: কাদের

বহুল আলোচিত-সমালোচিত নরসিংদী জেলা যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক শামীমা নূর পাপিয়ার নানা অপকর্ম প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘এই যে ঘটনাটি ঘটে গেলো, এ ঘটনা প্রধানমন্ত্রী নিজে জানতেন। তিনিই নির্দেশ দিয়েছেন তাকে (পাপিয়া) গ্রেফতার করার জন্য এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে বিচারের আওতায় আনার জন্য। কাজেই এখানে কেউ অপরাধ করে পার পেয়ে যাবে, এটা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলে তাঁর সরকার এলাউ করে না। ভবিষ্যতেও করবে না। এ ব্যাপারে জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত রয়েছে।’

মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বনানীস্থ সেতু ভবনে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

পাপিয়াদের পেছনে অনেক শক্তিশালীরা রয়েছে বলে যে অভিযোগ উঠছে সে বিষয়ে সরকারের ভাবনা জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সবার ব্যাপারে ভাবনা রয়েছে। অনেকেই আছেন হয়তো দৃশ্যপটের বাহিরে। দেখা যাচ্ছে পরবর্তীতে দলীয় কোনও পদায়ন অথবা সরকারের কোনও পদায়নে তারা হোঁচট খাচ্ছে, এটাও শাস্তি। শাস্তি অনেক রকম আছে।’

অভিযোগ ছাড়া বিএনপির কোনও রাজনীতি নেই বলে মন্তব্য করে কাদের বলেন, ‘বিএনপি অভিযোগ আনবেই। অভিযোগ আনা বিএনপির স্বভাব। বিএনপির রাজনীতিই অভিযোগের। তাদের আর কোনও রাজনীতি নেই।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি অপরাধ, খুন, সন্ত্রাস, দুর্নীতির একটা ঘটনার জন্যও তাদের দলের কাউকে বিচারের সম্মুখীন করেনি। আমরা একটা বড় দল, এ দলে ভালো-খারাপ সবাই আছে। এ দলে সব ভালো লোক এ দাবি আমি করিনি। তবে খারাপ লোক চিহ্নিত হলে, সেই খারাপকে অপকর্মের জন্য শান্তির দেয়ার কঠোর বিধান এ দলে আছে।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ কত কোটি লোকের দেশ? বাংলাদেশে আরও রাজনৈতিক দল আছে। তারা ক্ষমতায় ছিলো এর আগে। বিএনপি অভিযোগ করে, কিন্তু তারা কি তাদের কোনও নেতাকে, কোনও কর্মীকে অপকর্মের জন্য শাস্তি দিয়েছে? যে সৎ সাহস শেখ হাসিনা দেখিয়েছেন, সেই সৎ সাহস আর কেনও দল দেখাতে পারেনি। নিজের দলের লোককে অপরাধের জন্য, অপকর্মের জন্য শাস্তি দেয়ার ঘটনায় আমরাই বাংলাদেশে একটা এক্সাম্পল। সবার চোখের সামনে উদাহরণ সৃষ্টি করেছি। মুখে নয়, বাস্তবে।’

যুব মহিলা লীগের কমিটি ভেঙে নতুন কমিটি করা হবে কিনা- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ ধরনের সিদ্ধান্ত আমাদের দলের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। যেটা দলের অভ্যন্তরে আলোচনা হবে। এমনিতেও যুব মহিলা লীগের ‘টাইম ইস ওভার’। তাদের মার্চ মাসে সময় শেষ হবে। তাদেরকে কনফারেন্স এমনিতেই করতে হবে। কাজেই যেসব সংগঠনের সম্মেলনের সময় সমাগত তাদের সম্মেলন করতেই হবে। আমরা এর আগেও কয়েকটি সহযোগী সংগঠনের সম্মেলন করেছি।’

সড়কমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের ঢাকা সিটিসহ বাংলাদেশের আওয়ামী লীগেরও অনেকগুলো সম্মেলন হয়েছে। এখনও আমাদের তৃণমূলে বিভিন্ন সহযোগী ও মূল সংগঠনের সম্মেলন হচ্ছে। এটা আমাদের চলমান কাজ। এ কাজ চলতে থাকবে।’

Leave A Reply

Your email address will not be published.