Ultimate magazine theme for WordPress.

এতো বন্ধুত্ব হলে তিস্তা চুক্তি কই, সীমান্ত হত্যা বন্ধ হয়নি কেন? মির্জা ফখরুল

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ঢাকা সফর ইস্যুতে সরকারের কঠোর সমালোচনা করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘ভারতের সঙ্গে আওয়ামী লীগ সরকারের এতো যে বন্ধুত্বপূর্ণ ঘনিষ্ট সম্পর্ক, কিন্তু তিস্তা চুক্তি তো হয়নি, সীমান্ত হত্যাও তো চলছেই। শুধুমাত্র বর্ডার ক্রস করার জন্য গুলি করে হত্যার নজির পৃথিবীর কোনও সভ্য দেশে আছে কিনা আমার জানা নেই।

 

তিনি বলেছেন, ‘আজকে আমাদের এই সরকার ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক করেছে, অত্যন্ত ঘনিষ্টপূর্ণ সম্পর্ক। ভালো কথা। আমরাও চাই প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্ক সুন্দর হোক, সুষ্ঠু হোক। কিন্তু এখন পর্যন্ত তিস্তা পানি চুক্তি হয়নি, সীমান্তে হত্যাকাণ্ড বন্ধ হয়নি। বর্ডার ক্রসের জন্য বিচারব্যবস্থা থাকতে পারে, কিন্তু গুলি করে হত্যার বিধান পৃথিবীর কোনও দেশে আছে বলে আমার জানা নেই।’

ফখরুল বলেন, ‘তাদের (ভারত) সাথে আমাদের যে ব্যবসা-বাণিজ্য আছে সেগুলোরও কোনও সমাধান আমরা এখন পর্যন্ত পাইনি। এই সরকার এতোটাই নতজানু যে, ভারত কিংবা অন্যান্য দেশ থেকে কোনোভাবেই আমাদের ন্যায্য দাবিগুলো আদায় করতে পারছে না।’

সোমবার (২৯ মার্চ) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। স্বাধীনতা দিবসের দিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে হেফাজত কর্মীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষে নিরীহ মানুষকে হত্যার প্রতিবাদে দলের কেন্দ্রঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ সমাবেশ আয়োজন করে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘এই সরকার স্বাধীনতা দিবসের দিনে, ৫০ বছর পূর্তির দিনে সারা বাংলাদেশের মাটিতে সাধারণ মানুষের রক্ত জড়িয়েছে। গত তিন দিনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ঢাকা ও চট্টগ্রামে সাধারণ মানুষের যে প্রাণহানি এজন্য এই সরকার সম্পূর্ণভাবে দায়ী। সেজন্য এই সরকারকে জনগণের কাছে জবাব দিতে হবে এবং এই রক্তের ঋণ শোধ করতে হবে। এই সরকার খুব পরিকল্পিতভাবে অবৈধভাবে ক্ষমতায় আসার পর থেকে বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে। দেশের মানুষের যে আশা-ভরশা তা শেষ করে দিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘পরিকল্পিতভাবে একদলীয় শাসনব্যবস্থা বাকশাল প্রতিষ্ঠিত করেছে। আমরা গত কয়েকদিন ধরে লক্ষ করেছি, এই সরকার তার পেটুয়াবাহিনীসহ আওয়ামী ক্যাডারদের দিয়ে নিরীহ মানুষদের ওপর অত্যাচার করেছে, হত্যা করেছে, গ্রেফতার করেছে। আমাদের দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য নিপুন রায় চৌধুরীসহ ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবকদলের অনেক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে। আমরা খুব পরিষ্কার করে বলতে চাই, এভাবে কখনও একটি দেশ চলতে পারে না।’

ফখরুল বলেন, ‘স্বাধীনতার ৫০ বছর পরে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে পদদলিত করে ভূলুণ্ঠিত করে কখনোই এই আওয়ামী সরকার টিকে থাকতে পারবে না। তাদেরকে অবশ্যই চলে যেতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আজকে পরিকল্পিতভাবে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে পেটুয়াবাহিনীতে পরিণত করা হয়েছে। আজকে খবরের কাগজে দেখলাম, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম আকাশচুম্বী হয়ে গেছে। সময় এসেছে, এ সরকারকে বিদায় করতেই হবে।’

উপস্থিত দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আপনাদের শুধু এটা বলতে চাই, এই সরকারকে রেখে জনগণের যে আশা-আকাঙ্ক্ষা সেই স্বাধীনতা রক্ষা হবে না। দেশনেত্রী খালেদা জিয়া এই সরকারের চক্রান্তের ফলে গত তিন বছর ধরে আটক আছেন। তাঁকে অবশ্যই আমাদের মুক্ত করতে হবে। তারেক জিয়া নির্বাসিত, তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে।’

বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, ‘আজকে আহবান জানাতে চাই। আসুন আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই ভয়াবহ দানবের সরকারকে সরিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করি।’

তিনি বলেন, ‘আমি স্পষ্ট ভাষায় আওয়ামী লীগকে বলতে চাই, আপনারা অবিলম্বে পদত্যাগ করুন, নিরপেক্ষ সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করুন। অন্যথায় প্রতিটি বিকৃত সরকারকে যেভাবে পদত্যাগ নিতে হয়েছে,  আপনাদেরও একইভাবে বিদায় নিতে হবে।’

সমাবেশে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, আব্দুস সালাম, হাবিবুর রহমান হাবিব, যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, সহ-জলবায়ুবিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মুন্সি বজলুল বাসিত আঞ্জু, সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশিদ হাবিব, যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নীরব, সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দীন টুকু, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোর্তাজুল করিম বাদরু, স্বেচ্ছাসেবক দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, সিনিয়র সহ-সভাপতি গোলাম সরোয়ার, সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাবেক মেয়র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন, ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি মিজানুর রহমান রাজ, ছাত্রদলের সাবেক নেত্রী আরিফা সুলতানা রুমা, স্বেচ্ছাসেবকদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক কাজী ইফতেখায়রুজ্জামান শিমুল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 

এতো বন্ধুত্ব হলে তিস্তা চুক্তি কই, সীমান্ত হত্যা বন্ধ হয়নি কেন? মির্জা ফখরুল
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ঢাকা সফর ইস্যুতে সরকারের কঠোর সমালোচনা করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘ভারতের সঙ্গে আওয়ামী লীগ সরকারের এতো যে বন্ধুত্বপূর্ণ ঘনিষ্ট সম্পর্ক, কিন্তু তিস্তা চুক্তি তো হয়নি, সীমান্ত হত্যাও তো চলছেই। শুধুমাত্র বর্ডার ক্রস করার জন্য গুলি করে হত্যার নজির পৃথিবীর কোনও সভ্য দেশে আছে কিনা আমার জানা নেই।’
তিনি বলেছেন, ‘আজকে আমাদের এই সরকার ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক করেছে, অত্যন্ত ঘনিষ্টপূর্ণ সম্পর্ক। ভালো কথা। আমরাও চাই প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্ক সুন্দর হোক, সুষ্ঠু হোক। কিন্তু এখন পর্যন্ত তিস্তা পানি চুক্তি হয়নি, সীমান্তে হত্যাকাণ্ড বন্ধ হয়নি। বর্ডার ক্রসের জন্য বিচারব্যবস্থা থাকতে পারে, কিন্তু গুলি করে হত্যার বিধান পৃথিবীর কোনও দেশে আছে বলে আমার জানা নেই।’
ফখরুল বলেন, ‘তাদের (ভারত) সাথে আমাদের যে ব্যবসা-বাণিজ্য আছে সেগুলোরও কোনও সমাধান আমরা এখন পর্যন্ত পাইনি। এই সরকার এতোটাই নতজানু যে, ভারত কিংবা অন্যান্য দেশ থেকে কোনোভাবেই আমাদের ন্যায্য দাবিগুলো আদায় করতে পারছে না।’
সোমবার (২৯ মার্চ) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। স্বাধীনতা দিবসের দিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে হেফাজত কর্মীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষে নিরীহ মানুষকে হত্যার প্রতিবাদে দলের কেন্দ্রঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ সমাবেশ আয়োজন করে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘এই সরকার স্বাধীনতা দিবসের দিনে, ৫০ বছর পূর্তির দিনে সারা বাংলাদেশের মাটিতে সাধারণ মানুষের রক্ত জড়িয়েছে। গত তিন দিনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ঢাকা ও চট্টগ্রামে সাধারণ মানুষের যে প্রাণহানি এজন্য এই সরকার সম্পূর্ণভাবে দায়ী। সেজন্য এই সরকারকে জনগণের কাছে জবাব দিতে হবে এবং এই রক্তের ঋণ শোধ করতে হবে। এই সরকার খুব পরিকল্পিতভাবে অবৈধভাবে ক্ষমতায় আসার পর থেকে বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে। দেশের মানুষের যে আশা-ভরশা তা শেষ করে দিয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘পরিকল্পিতভাবে একদলীয় শাসনব্যবস্থা বাকশাল প্রতিষ্ঠিত করেছে। আমরা গত কয়েকদিন ধরে লক্ষ করেছি, এই সরকার তার পেটুয়াবাহিনীসহ আওয়ামী ক্যাডারদের দিয়ে নিরীহ মানুষদের ওপর অত্যাচার করেছে, হত্যা করেছে, গ্রেফতার করেছে। আমাদের দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য নিপুন রায় চৌধুরীসহ ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবকদলের অনেক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে। আমরা খুব পরিষ্কার করে বলতে চাই, এভাবে কখনও একটি দেশ চলতে পারে না।’
ফখরুল বলেন, ‘স্বাধীনতার ৫০ বছর পরে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে পদদলিত করে ভূলুণ্ঠিত করে কখনোই এই আওয়ামী সরকার টিকে থাকতে পারবে না। তাদেরকে অবশ্যই চলে যেতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘আজকে পরিকল্পিতভাবে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে পেটুয়াবাহিনীতে পরিণত করা হয়েছে। আজকে খবরের কাগজে দেখলাম, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম আকাশচুম্বী হয়ে গেছে। সময় এসেছে, এ সরকারকে বিদায় করতেই হবে।’
উপস্থিত দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আপনাদের শুধু এটা বলতে চাই, এই সরকারকে রেখে জনগণের যে আশা-আকাঙ্ক্ষা সেই স্বাধীনতা রক্ষা হবে না। দেশনেত্রী খালেদা জিয়া এই সরকারের চক্রান্তের ফলে গত তিন বছর ধরে আটক আছেন। তাঁকে অবশ্যই আমাদের মুক্ত করতে হবে। তারেক জিয়া নির্বাসিত, তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে।’
বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, ‘আজকে আহবান জানাতে চাই। আসুন আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই ভয়াবহ দানবের সরকারকে সরিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করি।’
তিনি বলেন, ‘আমি স্পষ্ট ভাষায় আওয়ামী লীগকে বলতে চাই, আপনারা অবিলম্বে পদত্যাগ করুন, নিরপেক্ষ সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করুন। অন্যথায় প্রতিটি বিকৃত সরকারকে যেভাবে পদত্যাগ নিতে হয়েছে,  আপনাদেরও একইভাবে বিদায় নিতে হবে।’
সমাবেশে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, আব্দুস সালাম, হাবিবুর রহমান হাবিব, যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, সহ-জলবায়ুবিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মুন্সি বজলুল বাসিত আঞ্জু, সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশিদ হাবিব, যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নীরব, সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দীন টুকু, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোর্তাজুল করিম বাদরু, স্বেচ্ছাসেবক দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, সিনিয়র সহ-সভাপতি গোলাম সরোয়ার, সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাবেক মেয়র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন, ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি মিজানুর রহমান রাজ, ছাত্রদলের সাবেক নেত্রী আরিফা সুলতানা রুমা, স্বেচ্ছাসেবকদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক কাজী ইফতেখায়রুজ্জামান শিমুল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Leave A Reply

Your email address will not be published.