যে যেভাবে পারছে ছুটছে মানুষ কর্মস্থলের দিকে

শাকের আব্দুল্লাহ

ঢাকা-ময়মনসিংহ ও ঢাকা-টাঙ্গাইল দুই মহাসড়কে রাতেও মানুষের ঢল থামছে না। মহাসড়কে ট্রাক, পিকআপ, মাইক্রোসহ ছোট ছোট যানবাহনে রাজধানীর দিকে ছুটছে মানুষ কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে এসব যানবাহনের চাপে থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।

কল-কারখানা খোলার খবরে করোনার ঝুঁকি উপেক্ষা করে শত দুর্ভোগ মেনেও চাকরি হারানোর ভয়ে বিভিন্ন শিল্পকারখানার শ্রমিক কর্মস্থলে ফিরছেন।

গত শুক্রবার রাত থেকে শুরু হয়ে শনিবার সারা দিন এভাবে কর্মস্থলের দিকে ফিরতে থাকা মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। রাতেও একই পরিস্থিতি দেখা যায়। অনেকে যানবাহন না পেয়ে হেঁটেই গন্তব্যে রওনা হয়েছেন৷

 

করোনার আরও ভয়ঙ্কর রূপ প্রকাশ, শুধু ফুসফুস নয় বিকল করে দিচ্ছে কিডনিও!

 

নেত্রকোনার মদনপুর গ্রামের সাইদুর রহমান চাকরি করেন টঙ্গী গাজীপুরা এলাকার একটি পোশাক তৈরির কারখানায়। তিনি বলেন, দুপুরের পর বাড়ি থেকে রওনা হয়েছেন। ট্রাকে, পিকআপে ও কিছু দূর পায়ে হেঁটে রাত সাড়ে নয়টার দিকে চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় পৌঁছান। চৌরাস্তা এলাকায় কোনো যানবাহন না পেয়ে হেঁটেই রওনা হয়েছেন।

টাঙ্গাইলের আশিকুর রহমান স্ত্রী ও তিন সন্তান নিয়ে উঠেছেন একটি ভ্যানে। তাঁরা যাবেন ঢাকার মিরপুরে। জানতে চাইলে তিনি বলেন, চাকরি টেকানোর জন্য যেকোনোভাবে পৌঁছাতে হবে। জনপ্রতি ৩০০ টাকা ভাড়া দিয়ে আবদুল্লাহপুর পর্যন্ত যাচ্ছেন। সেখান থেকে অন্য উপায়ে যেতে হবে মিরপুরে।

 

তাঁদের মতো হাজারো শ্রমিক গাজীপুর, সাভার ও ঢাকায় ছুটছেন। সড়কে পণ্যবাহী পরিবহন গুলো এখন ‘গণপরিবহন’ হয়ে গেছে। এসব যানবাহন অতিরিক্ত ভাড়া নিয়ে বিভিন্ন গন্তব্যে যাচ্ছে।

 

ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা বলছেন, সারা দিন তুলনামূলক কম যানবাহন চলাচল করলেও সন্ধ্যার পর তা বাড়তে থাকে। সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে তাঁদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থাও নেওয়া যাচ্ছে না। অনেকেই শিশুদের নিয়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে চরমে দুর্ভোগে পড়েছেন। পণ্যবাহী ট্রাক-পিকআপে বসে ঝুঁকি নিয়ে গন্তব্যে যাচ্ছেন। মানবিক কারণে কিছু বলা যাচ্ছে না।

আরো উচ্চ মাত্রায় যাচ্ছে করোনা ভয়াল আগস্টের অপেক্ষায় দেশ

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, যানবাহনের চাপ বেড়ে যাওয়ায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে চান্দনা চৌরাস্তা, ভোগড়া, গাছা, কুণিয়া বড়বাড়িসহ আশপাশের এলাকায় থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।

 

অন্যদিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক বাজার, সফিপুর বাজার, আনসার একাডেমির সামনে, চন্দ্রা পল্লী বিদ্যুৎ এলাকাসহ বেশ কয়েকটি পয়েন্টে থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।

 

গাজীপুর মেট্রোপলিটনের ট্রাফিক পরিদর্শক তরিকুল আলম একেটিভিকে বলেন, মহাসড়কে সন্ধ্যার পর যানবাহন ও মানুষের চাপ বাড়ায় থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। রিকশা, ভ্যান ও অটোরিকশা চলাচল করায় মহাসড়কের কয়েকটি স্থানে থেমে থেমে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে।

আরও পড়ুন…..

শ্রমিকদের ফিরতে গণপরিবহন-লঞ্চ চলাচল শুরু

 

যে যেভাবে পারছে ছুটছে মানুষ কর্মস্থলের দিকে

 

ঢাকা-ময়মনসিংহ ও ঢাকা-টাঙ্গাইল দুই মহাসড়কে রাতেও মানুষের ঢল থামছে না। মহাসড়কে ট্রাক, পিকআপ, মাইক্রোসহ ছোট ছোট যানবাহনে রাজধানীর দিকে ছুটছে মানুষ কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে এসব যানবাহনের চাপে থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।

কল-কারখানা খোলার খবরে করোনার ঝুঁকি উপেক্ষা করে শত দুর্ভোগ মেনেও চাকরি হারানোর ভয়ে বিভিন্ন শিল্পকারখানার শ্রমিক কর্মস্থলে ফিরছেন।

গত শুক্রবার রাত থেকে শুরু হয়ে শনিবার সারা দিন এভাবে কর্মস্থলের দিকে ফিরতে থাকা মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। রাতেও একই পরিস্থিতি দেখা যায়। অনেকে যানবাহন না পেয়ে হেঁটেই গন্তব্যে রওনা হয়েছেন৷

নেত্রকোনার মদনপুর গ্রামের সাইদুর রহমান চাকরি করেন টঙ্গী গাজীপুরা এলাকার একটি পোশাক তৈরির কারখানায়। তিনি বলেন, দুপুরের পর বাড়ি থেকে রওনা হয়েছেন। ট্রাকে, পিকআপে ও কিছু দূর পায়ে হেঁটে রাত সাড়ে নয়টার দিকে চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় পৌঁছান। চৌরাস্তা এলাকায় কোনো যানবাহন না পেয়ে হেঁটেই রওনা হয়েছেন।

 

টাঙ্গাইলের আশিকুর রহমান স্ত্রী ও তিন সন্তান নিয়ে উঠেছেন একটি ভ্যানে। তাঁরা যাবেন ঢাকার মিরপুরে। জানতে চাইলে তিনি বলেন, চাকরি টেকানোর জন্য যেকোনোভাবে পৌঁছাতে হবে। জনপ্রতি ৩০০ টাকা ভাড়া দিয়ে আবদুল্লাহপুর পর্যন্ত যাচ্ছেন। সেখান থেকে অন্য উপায়ে যেতে হবে মিরপুরে।

তাঁদের মতো হাজারো শ্রমিক গাজীপুর, সাভার ও ঢাকায় ছুটছেন। সড়কে পণ্যবাহী পরিবহন গুলো এখন ‘গণপরিবহন’ হয়ে গেছে। এসব যানবাহন অতিরিক্ত ভাড়া নিয়ে বিভিন্ন গন্তব্যে যাচ্ছে।

ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা বলছেন, সারা দিন তুলনামূলক কম যানবাহন চলাচল করলেও সন্ধ্যার পর তা বাড়তে থাকে। সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে তাঁদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থাও নেওয়া যাচ্ছে না। অনেকেই শিশুদের নিয়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে চরমে দুর্ভোগে পড়েছেন। পণ্যবাহী ট্রাক-পিকআপে বসে ঝুঁকি নিয়ে গন্তব্যে যাচ্ছেন। মানবিক কারণে কিছু বলা যাচ্ছে না।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, যানবাহনের চাপ বেড়ে যাওয়ায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে চান্দনা চৌরাস্তা, ভোগড়া, গাছা, কুণিয়া বড়বাড়িসহ আশপাশের এলাকায় থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।

অন্যদিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক বাজার, সফিপুর বাজার, আনসার একাডেমির সামনে, চন্দ্রা পল্লী বিদ্যুৎ এলাকাসহ বেশ কয়েকটি পয়েন্টে থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।

গাজীপুর মেট্রোপলিটনের ট্রাফিক পরিদর্শক তরিকুল আলম একেটিভিকে বলেন, মহাসড়কে সন্ধ্যার পর যানবাহন ও মানুষের চাপ বাড়ায় থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। রিকশা, ভ্যান ও অটোরিকশা চলাচল করায় মহাসড়কের কয়েকটি স্থানে থেমে থেমে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে।

ঢাকা-ময়মনসিংহ ও ঢাকা-টাঙ্গাইল দুই মহাসড়কে রাতেও মানুষের ঢল থামছে না। মহাসড়কে ট্রাক, পিকআপ, মাইক্রোসহ ছোট ছোট যানবাহনে রাজধানীর দিকে ছুটছে মানুষ কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে এসব যানবাহনের চাপে থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।

কল-কারখানা খোলার খবরে করোনার ঝুঁকি উপেক্ষা করে শত দুর্ভোগ মেনেও চাকরি হারানোর ভয়ে বিভিন্ন শিল্পকারখানার শ্রমিক কর্মস্থলে ফিরছেন।

গত শুক্রবার রাত থেকে শুরু হয়ে শনিবার সারা দিন এভাবে কর্মস্থলের দিকে ফিরতে থাকা মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। রাতেও একই পরিস্থিতি দেখা যায়। অনেকে যানবাহন না পেয়ে হেঁটেই গন্তব্যে রওনা হয়েছেন৷

নেত্রকোনার মদনপুর গ্রামের সাইদুর রহমান চাকরি করেন টঙ্গী গাজীপুরা এলাকার একটি পোশাক তৈরির কারখানায়। তিনি বলেন, দুপুরের পর বাড়ি থেকে রওনা হয়েছেন। ট্রাকে, পিকআপে ও কিছু দূর পায়ে হেঁটে রাত সাড়ে নয়টার দিকে চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় পৌঁছান। চৌরাস্তা এলাকায় কোনো যানবাহন না পেয়ে হেঁটেই রওনা হয়েছেন।

টাঙ্গাইলের আশিকুর রহমান স্ত্রী ও তিন সন্তান নিয়ে উঠেছেন একটি ভ্যানে। তাঁরা যাবেন ঢাকার মিরপুরে। জানতে চাইলে তিনি বলেন, চাকরি টেকানোর জন্য যেকোনোভাবে পৌঁছাতে হবে। জনপ্রতি ৩০০ টাকা ভাড়া দিয়ে আবদুল্লাহপুর পর্যন্ত যাচ্ছেন। সেখান থেকে অন্য উপায়ে যেতে হবে মিরপুরে।

তাঁদের মতো হাজারো শ্রমিক গাজীপুর, সাভার ও ঢাকায় ছুটছেন। সড়কে পণ্যবাহী পরিবহন গুলো এখন ‘গণপরিবহন’ হয়ে গেছে। এসব যানবাহন অতিরিক্ত ভাড়া নিয়ে বিভিন্ন গন্তব্যে যাচ্ছে।

ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা বলছেন, সারা দিন তুলনামূলক কম যানবাহন চলাচল করলেও সন্ধ্যার পর তা বাড়তে থাকে। সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে তাঁদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থাও নেওয়া যাচ্ছে না। অনেকেই শিশুদের নিয়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে চরমে দুর্ভোগে পড়েছেন। পণ্যবাহী ট্রাক-পিকআপে বসে ঝুঁকি নিয়ে গন্তব্যে যাচ্ছেন। মানবিক কারণে কিছু বলা যাচ্ছে না।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, যানবাহনের চাপ বেড়ে যাওয়ায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে চান্দনা চৌরাস্তা, ভোগড়া, গাছা, কুণিয়া বড়বাড়িসহ আশপাশের এলাকায় থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।

অন্যদিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক বাজার, সফিপুর বাজার, আনসার একাডেমির সামনে, চন্দ্রা পল্লী বিদ্যুৎ এলাকাসহ বেশ কয়েকটি পয়েন্টে থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।

গাজীপুর মেট্রোপলিটনের ট্রাফিক পরিদর্শক তরিকুল আলম একেটিভিকে বলেন, মহাসড়কে সন্ধ্যার পর যানবাহন ও মানুষের চাপ বাড়ায় থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। রিকশা, ভ্যান ও অটোরিকশা চলাচল করায় মহাসড়কের কয়েকটি স্থানে থেমে থেমে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে।
ঢাকা-ময়মনসিংহ ও ঢাকা-টাঙ্গাইল দুই মহাসড়কে রাতেও মানুষের ঢল থামছে না। মহাসড়কে ট্রাক, পিকআপ, মাইক্রোসহ ছোট ছোট যানবাহনে রাজধানীর দিকে ছুটছে মানুষ কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে এসব যানবাহনের চাপে থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।

কল-কারখানা খোলার খবরে করোনার ঝুঁকি উপেক্ষা করে শত দুর্ভোগ মেনেও চাকরি হারানোর ভয়ে বিভিন্ন শিল্পকারখানার শ্রমিক কর্মস্থলে ফিরছেন।

গত শুক্রবার রাত থেকে শুরু হয়ে শনিবার সারা দিন এভাবে কর্মস্থলের দিকে ফিরতে থাকা মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। রাতেও একই পরিস্থিতি দেখা যায়। অনেকে যানবাহন না পেয়ে হেঁটেই গন্তব্যে রওনা হয়েছেন৷মানুষ

নেত্রকোনার মদনপুর গ্রামের সাইদুর রহমান চাকরি করেন টঙ্গী গাজীপুরা এলাকার একটি পোশাক তৈরির কারখানায়। তিনি বলেন, দুপুরের পর বাড়ি থেকে রওনা হয়েছেন। ট্রাকে, পিকআপে ও কিছু দূর পায়ে হেঁটে রাত সাড়ে নয়টার দিকে চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় পৌঁছান। চৌরাস্তা এলাকায় কোনো যানবাহন না পেয়ে হেঁটেই রওনা হয়েছেন।

টাঙ্গাইলের আশিকুর রহমান স্ত্রী ও তিন সন্তান নিয়ে উঠেছেন একটি ভ্যানে। তাঁরা যাবেন ঢাকার মিরপুরে। জানতে চাইলে তিনি বলেন, চাকরি টেকানোর জন্য যেকোনোভাবে পৌঁছাতে হবে। জনপ্রতি ৩০০ টাকা ভাড়া দিয়ে আবদুল্লাহপুর পর্যন্ত যাচ্ছেন। সেখান থেকে অন্য উপায়ে যেতে হবে মিরপুরে।

তাঁদের মতো হাজারো শ্রমিক গাজীপুর, সাভার ও ঢাকায় ছুটছেন। সড়কে পণ্যবাহী পরিবহন গুলো এখন ‘গণপরিবহন’ হয়ে গেছে। এসব যানবাহন অতিরিক্ত ভাড়া নিয়ে বিভিন্ন গন্তব্যে যাচ্ছে।

ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা বলছেন, সারা দিন তুলনামূলক কম যানবাহন চলাচল করলেও সন্ধ্যার পর তা বাড়তে থাকে। সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে তাঁদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থাও নেওয়া যাচ্ছে না। অনেকেই শিশুদের নিয়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে চরমে দুর্ভোগে পড়েছেন। পণ্যবাহী ট্রাক-পিকআপে বসে ঝুঁকি নিয়ে গন্তব্যে যাচ্ছেন। মানবিক কারণে কিছু বলা যাচ্ছে না।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, যানবাহনের চাপ বেড়ে যাওয়ায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে চান্দনা চৌরাস্তা, ভোগড়া, গাছা, কুণিয়া বড়বাড়িসহ আশপাশের এলাকায় থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।

অন্যদিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক বাজার, সফিপুর বাজার, আনসার একাডেমির সামনে, চন্দ্রা পল্লী বিদ্যুৎ এলাকাসহ বেশ কয়েকটি পয়েন্টে থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।

গাজীপুর মেট্রোপলিটনের ট্রাফিক পরিদর্শক তরিকুল আলম একেটিভিকে বলেন, মহাসড়কে সন্ধ্যার পর যানবাহন ও মানুষের চাপ বাড়ায় থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। রিকশা, ভ্যান ও অটোরিকশা চলাচল করায় মহাসড়কের কয়েকটি স্থানে থেমে থেমে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে।

ঢাকা-ময়মনসিংহ ও ঢাকা-টাঙ্গাইল দুই মহাসড়কে রাতেও মানুষের ঢল থামছে না। মহাসড়কে ট্রাক, পিকআপ, মাইক্রোসহ ছোট ছোট যানবাহনে রাজধানীর দিকে ছুটছে মানুষ কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে এসব যানবাহনের চাপে থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।

কল-কারখানা খোলার খবরে করোনার ঝুঁকি উপেক্ষা করে শত দুর্ভোগ মেনেও চাকরি হারানোর ভয়ে বিভিন্ন শিল্পকারখানার শ্রমিক কর্মস্থলে ফিরছেন।

গত শুক্রবার রাত থেকে শুরু হয়ে শনিবার সারা দিন এভাবে কর্মস্থলের দিকে ফিরতে থাকা মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। রাতেও একই পরিস্থিতি দেখা যায়। অনেকে যানবাহন না পেয়ে হেঁটেই গন্তব্যে রওনা হয়েছেন৷

নেত্রকোনার মদনপুর গ্রামের সাইদুর রহমান চাকরি করেন টঙ্গী গাজীপুরা এলাকার একটি পোশাক তৈরির কারখানায়। তিনি বলেন, দুপুরের পর বাড়ি থেকে রওনা হয়েছেন। ট্রাকে, পিকআপে ও কিছু দূর পায়ে হেঁটে রাত সাড়ে নয়টার দিকে চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় পৌঁছান। চৌরাস্তা এলাকায় কোনো যানবাহন না পেয়ে হেঁটেই রওনা হয়েছেন।

টাঙ্গাইলের আশিকুর রহমান স্ত্রী ও তিন সন্তান নিয়ে উঠেছেন একটি ভ্যানে। তাঁরা যাবেন ঢাকার মিরপুরে। জানতে চাইলে তিনি বলেন, চাকরি টেকানোর জন্য যেকোনোভাবে পৌঁছাতে হবে। জনপ্রতি ৩০০ টাকা ভাড়া দিয়ে আবদুল্লাহপুর পর্যন্ত যাচ্ছেন। সেখান থেকে অন্য উপায়ে যেতে হবে মিরপুরে।

তাঁদের মতো হাজারো শ্রমিক গাজীপুর, সাভার ও ঢাকায় ছুটছেন। সড়কে পণ্যবাহী পরিবহন গুলো এখন ‘গণপরিবহন’ হয়ে গেছে। এসব যানবাহন অতিরিক্ত ভাড়া নিয়ে বিভিন্ন গন্তব্যে যাচ্ছে।

ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা বলছেন, সারা দিন তুলনামূলক কম যানবাহন চলাচল করলেও সন্ধ্যার পর তা বাড়তে থাকে। সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে তাঁদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থাও নেওয়া যাচ্ছে না। অনেকেই শিশুদের নিয়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে চরমে দুর্ভোগে পড়েছেন। পণ্যবাহী ট্রাক-পিকআপে বসে ঝুঁকি নিয়ে গন্তব্যে যাচ্ছেন। মানবিক কারণে কিছু বলা যাচ্ছে না।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, যানবাহনের চাপ বেড়ে যাওয়ায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে চান্দনা চৌরাস্তা, ভোগড়া, গাছা, কুণিয়া বড়বাড়িসহ আশপাশের এলাকায় থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।

অন্যদিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক বাজার, সফিপুর বাজার, আনসার একাডেমির সামনে, চন্দ্রা পল্লী বিদ্যুৎ এলাকাসহ বেশ কয়েকটি পয়েন্টে থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।

গাজীপুর মেট্রোপলিটনের ট্রাফিক পরিদর্শক তরিকুল আলম একেটিভিকে বলেন, মহাসড়কে সন্ধ্যার পর যানবাহন ও মানুষের চাপ বাড়ায় থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। রিকশা, ভ্যান ও অটোরিকশা চলাচল করায় মহাসড়কের কয়েকটি স্থানে থেমে থেমে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে।

 

ঢাকা-ময়মনসিংহ ও ঢাকা-টাঙ্গাইল দুই মহাসড়কে রাতেও মানুষের ঢল থামছে না। মহাসড়কে ট্রাক, পিকআপ, মাইক্রোসহ ছোট ছোট যানবাহনে রাজধানীর দিকে ছুটছে মানুষ কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে এসব যানবাহনের চাপে থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।

কল-কারখানা খোলার খবরে করোনার ঝুঁকি উপেক্ষা করে শত দুর্ভোগ মেনেও চাকরি হারানোর ভয়ে বিভিন্ন শিল্পকারখানার শ্রমিক কর্মস্থলে ফিরছেন।

গত শুক্রবার রাত থেকে শুরু হয়ে শনিবার সারা দিন এভাবে কর্মস্থলের দিকে ফিরতে থাকা মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। রাতেও একই পরিস্থিতি দেখা যায়। অনেকে যানবাহন না পেয়ে হেঁটেই গন্তব্যে রওনা হয়েছেন৷

নেত্রকোনার মদনপুর গ্রামের সাইদুর রহমান চাকরি করেন টঙ্গী গাজীপুরা এলাকার একটি পোশাক তৈরির কারখানায়। তিনি বলেন, দুপুরের পর বাড়ি থেকে রওনা হয়েছেন। ট্রাকে, পিকআপে ও কিছু দূর পায়ে হেঁটে রাত সাড়ে নয়টার দিকে চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় পৌঁছান। চৌরাস্তা এলাকায় কোনো যানবাহন না পেয়ে হেঁটেই রওনা হয়েছেন।

টাঙ্গাইলের আশিকুর রহমান স্ত্রী ও তিন সন্তান নিয়ে উঠেছেন একটি ভ্যানে। তাঁরা যাবেন ঢাকার মিরপুরে। জানতে চাইলে তিনি বলেন, চাকরি টেকানোর জন্য যেকোনোভাবে পৌঁছাতে হবে। জনপ্রতি ৩০০ টাকা ভাড়া দিয়ে আবদুল্লাহপুর পর্যন্ত যাচ্ছেন। সেখান থেকে অন্য উপায়ে যেতে হবে মিরপুরে।

চাকরি করেন টঙ্গী গাজীপুরা এলাকার একটি পোশাক তৈরির কারখানায়। তিনি বলেন, দুপুরের পর বাড়ি থেকে রওনা হয়েছেন। ট্রাকে, পিকআপে ও কিছু দূর পায়ে হেঁটে রাত সাড়ে নয়টার দিকে চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় পৌঁছান। চৌরাস্তা এলাকায় কোনো যানবাহন না পেয়ে হেঁটেই রওনা হয়েছেন।

টাঙ্গাইলের আশিকুর রহমান স্ত্রী ও তিন সন্তান নিয়ে উঠেছেন একটি ভ্যানে। তাঁরা যাবেন ঢাকার মিরপুরে। জানতে চাইলে তিনি বলেন, চাকরি টেকানোর জন্য যেকোনোভাবে পৌঁছাতে হবে। জনপ্রতি ৩০০ টাকা ভাড়া দিয়ে আবদুল্লাহপুর পর্যন্ত যাচ্ছেন। সেখান থেকে অন্য উপায়ে যেতে হবে মিরপুরে।

 

তাঁদের মতো হাজারো শ্রমিক গাজীপুর, সাভার ও ঢাকায় ছুটছেন। সড়কে পণ্যবাহী পরিবহন গুলো এখন ‘গণপরিবহন’ হয়ে গেছে। এসব যানবাহন অতিরিক্ত ভাড়া নিয়ে বিভিন্ন গন্তব্যে যাচ্ছে।

 

তাঁদের মতো হাজারো শ্রমিক গাজীপুর, সাভার ও ঢাকায় ছুটছেন। সড়কে পণ্যবাহী পরিবহন গুলো এখন ‘গণপরিবহন’ হয়ে গেছে। এসব যানবাহন অতিরিক্ত ভাড়া নিয়ে বিভিন্ন গন্তব্যে যাচ্ছে।

 

ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা বলছেন, সারা দিন তুলনামূলক কম যানবাহন চলাচল করলেও সন্ধ্যার পর তা বাড়তে থাকে। সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে তাঁদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থাও নেওয়া যাচ্ছে না। অনেকেই শিশুদের নিয়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে চরমে দুর্ভোগে পড়েছেন। পণ্যবাহী ট্রাক-পিকআপে বসে ঝুঁকি নিয়ে গন্তব্যে যাচ্ছেন। মানবিক কারণে কিছু বলা যাচ্ছে না।

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, যানবাহনের চাপ বেড়ে যাওয়ায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে চান্দনা চৌরাস্তা, ভোগড়া, গাছা, কুণিয়া বড়বাড়িসহ আশপাশের এলাকায় থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।

 

অন্যদিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক বাজার, সফিপুর বাজার, আনসার একাডেমির সামনে, চন্দ্রা পল্লী বিদ্যুৎ এলাকাসহ বেশ কয়েকটি পয়েন্টে থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।

 

গাজীপুর মেট্রোপলিটনের ট্রাফিক পরিদর্শক তরিকুল আলম একেটিভিকে বলেন, মহাসড়কে সন্ধ্যার পর যানবাহন ও মানুষের চাপ বাড়ায় থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। রিকশা, ভ্যান ও অটোরিকশা চলাচল করায় মহাসড়কের কয়েকটি স্থানে থেমে থেমে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে।

Loading...