যাত্রাবাড়ীতে তেলের দাম বেশি রাখায় ডিলারের দোকান সিলগালা

সয়াবিন তেলের অতিরিক্ত দাম রাখায় রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর আবুল খায়ের ট্রেডার্স নামের একটি ডিলারের দোকান সিলগালা করা হয়েছে। এই ডিলারের কাছে থাকা ৬০ ব্যারেল ভোজ্যতেল জব্দ এবং দুই লাখ টাকা জরিমানাও করা হয়েছে।

 

আজ শনিবার দুপুরে অভিযান চালিয়ে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে এসব ব্যবস্থা নিয়েছেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের যৌথভাবে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত।

 

সরকারের এই দুটি প্রতিষ্ঠান বলছে, সরকার–নির্ধারিত প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম ১৪৩ টাকা। কিন্তু আবুল খায়ের ট্রেডার্স নিচ্ছিল প্রতি লিটারে ১৭৩ টাকা।

 

অভিযানের সময় আবুল খায়ের ট্রেডার্সে থাকা রিয়াদ বলেন, ‘প্রতি লিটার সয়াবিন তেল ১৭১ টাকা ৮০ পয়সা আমাদের কেনা পড়েছে। আমরা এক থেকে দুই টাকা বেশিতে খুচরা বিক্রি করছি।

 

রিয়াদ বলেন, তাঁরা মৌলভীবাজারের তিন-চার পার্টির কাছ থেকে বেশি দামে তেল আনেন। যাঁদের কাছ থেকে তেলে কেনেন, তাঁরা বিক্রির রসিদ দেন না । তাঁরা বলেন, ‘তোমাদের মালের দরকার হলে মাল নাও, রসিদ দিয়া কি করবা। তাঁরা হাজার হাজার গাড়ি বিক্রি করে। আমরা এক-দুই গাড়ি না আনলে তাঁদের কিছু যায়–আসে না। এ জন্য আমাদের মাল বাধ্য হয়ে আনতে হয়।

 

অভিযান শেষে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার বলেন, সরকার মিলমালিকসহ সবার সঙ্গে বসে সয়াবিনের প্রতি লিটারের দাম ১৪৩ টাকা নির্ধারণ করেছে। সেখানে এক লিটারে ৩০ টাকা বেশি মানে অনেক বেশি। এটা অসহনীয়। এখানে একটা কারসাজি হচ্ছে।

 

মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার আরও বলেন, ‘দেশে সয়াবিন ও পামওয়েল তেল বড় কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকেই সবাই কেনে। প্রতিবছর আমরা খুচরা পর্যায়ে দেখি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে আমরা এবার সাপ্লাই চেইনের ওপরের পর্যায়ে কাজ করছি। অসাধু চক্রের কারসাজির পরিপ্রেক্ষিতে তেলের দাম হু হু করে বেড়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে আমরা তথ্য নিচ্ছি। আগামী দুই-তিন দিনের মধ্যে আমরা তা পাব। অসাধুতা করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। প্রধানমন্ত্রী বলে দিয়েছেন, এ ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান থাকবে জিরো টলারেন্স ।

 

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ভ্রাম্যমাণ আদালতের নেতৃত্ব দেন উপসচিব মো. আবুল কালাম আজাদ। আজকের অভিযান সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘গতকাল শুক্রবার রাজধানীর দুটি এলাকায় অভিযান চালাই। এ সময় খুচরা বিক্রেতারা জানান, পাইকারি বিক্রেতারা তাঁদের কাছ থেকে তেলের দাম বেশি রাখেন। তাই তাঁরা বেশি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হন। সেই সূত্র ধরে আজকের অভিযান শুরুর পর সঠিক তথ্য নেওয়ার জন্য দুজন কর্মকর্তাকে পাইকারি বিক্রেতা আবুল খায়ের ট্রেডার্সের দোকানে পাঠাই। তাঁরা ক্রেতা সেজে তেল কিনতে চাইলে তাঁদের কাছে প্রথমে সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে ১৭৬ টাকা চান। তাঁরা দর–কষাকষি করলে ১৭৩ টাকায় দিতে রাজি হন। তাঁরা রসিদ চাইলে বলেন, রসিদ দেওয়া হবে না। নিজেরাই রসিদ কেটে নেন। তাঁরা দুর্ব্যবহার করেন। অন্য ক্রেতাদের সঙ্গেও একই আচরণ করেছেন।

 

জেলেনস্কি বলেন, ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলন দুর্বল ও বিভ্রান্তমূলক:

 

সিজারিয়ান ডেলিভারি কমিয়ে আনা জরুরি

যাত্রাবাড়ী যাত্রাবাড়ী যাত্রাবাড়ী যাত্রাবাড়ী

Leave A Reply

Your email address will not be published.