Ultimate magazine theme for WordPress.

বিয়ের তথ্য গোপন : স্বামীর মামলায় জামিন পেলেন কণ্ঠশিল্পী মিলা

সাবেক স্বামীর কাছে বিয়ের তথ্য গোপন করে প্রতারণার অভিযোগে করা মামলায় কণ্ঠশিল্পী তাশবিহা বিনতে শহীদ ওরফে মিলা ও তার বাবা শহীদুল ইসলামের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত।
বুধবার (১১ মার্চ) ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর হাকিম আসাদুজ্জামান নূরের আদালতে তারা আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক তাদের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।
এর আগে ৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মহানগর হাকিম মোহাম্মদ জসিম এ সমন জারি করেন। সেখানে আগামী ১১ মার্চ তাদের আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৭ সালের ১২ মে মিলাকে বিয়ে করেন এস এম পারভেজ সানজারি। বিয়ের পর বুঝতে পারেন, মিলা বদমেজাজি, অহংকারী, নেশাগ্রস্ত ও অনৈতিক চরিত্রের অধিকারী। এ কারণে তাদের দাম্পত্য জীবনে কলহ শুরু হয়। সেই সুযোগে মিলা ২০১৭ সালের ৫ অক্টোবর যৌতুক আইনে এস এম পারভেজ সানজারি বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। মামলা দায়েরের পর সানজারিকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
এরপর তিনি জামিন পেয়ে ২০১৮ সালের ৩১ জানুয়ারি মিলাকে তালাক দেন। তালাক হওয়ার পর মিলা তার স্বামীর বাসা থেকে একটি কম্পিউটার ও একটি মোবাইল নিয়ে যান। এছাড়া তার মোটরবাইকে জিপিএস ট্র্যাকার স্থাপন করে তাকে উত্যক্ত ও অপমান করতে থাকেন। পরে তাকে হত্যার জন্য ২০১৯ সালের ২ জুন এসিড নিক্ষেপ করেন। ওই ঘটনায় তার বিরুদ্ধে সানজারি একটি মামলা করেছেন।

এরপর সানজারি জানতে পারেন, তার সাবেক স্ত্রী মিলা ২০০২ সালের ৩১ জুলাই অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ কে এম নুরুল হুদার ছেলে আবির আহম্মেদকে বিয়ে করেন। মিলা ও তার বাবা শহীদুল ইসলাম ওই বিয়ের তথ্য গোপন করে প্রতারণা করেন।
এছাড়া প্রথম বিয়েতে জন্মতারিখ ১৯৮৪ সালের ২৬ মার্চ উল্লেখ করলেও সানজারির সঙ্গে বিয়ের সময় ১৯৮৫ সালের ২৬ মার্চ উল্লেখ করেন।
এ ঘটনায় ২০১৯ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম মোহাম্মদ জসিমের আদালতে মিলার সাবেক স্বামী এস এম পারভেজ সানজারি বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। আদালত মামলাটি পল্লবী থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নির্দেশ দেন। তদন্ত শেষে পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক জহিরুল ইসলাম কণ্ঠশিল্পী মিলা ও তার বাবার বিরুদ্ধে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন।

Leave A Reply

Your email address will not be published.