Ultimate magazine theme for WordPress.

অহংকারই কাল হলো রাণু মণ্ডলের!

গতবছর সোস্যাল মিডিয়ার দৌলতে ভাইরাল হন ভারতের রানাঘাট স্টেশনের ভবঘুরে রাণু মণ্ডল। রাতারাতি পৌঁছে যান লাইমলাইটের কেন্দ্রবিন্দুতে। স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে লতার গান গেয়ে স্টার হয়ে যান তিনি। এরপর থেকে রাণু কী করছেন, কী পরছেন, কী গাইছেন তার প্রতিটি খবরই ছিলো শীর্ষে!

এরপর রাণু পাড়ি দেন বলিউডেও। গান গান হীমেশ রেশামিয়ার ‘হ্যাপি হার্ডি অ্যান্ড হীর’ ছবিতে। প্রতিটি গান সুপার-ডুপার হিট! আর পিছন ফিরে দেখতে হয়নি রাণুকে। পূজার থিম সং, দেশে-বিদেশে শো, তারকাদের সঙ্গে ওঠাবসা অব্যাহত থাকে রাণুর জয়যাত্রা।

কিন্তু অভিযোগ, রাতারাতি স্টার হয়ে গিয়ে নাকি বদলে গিয়েছেন রাণু মণ্ডল! অহংকার বেড়ে গিয়েছে। সেই সঙ্গে স্বভাবও গিয়েছে পাল্টে। নিন্দুকেরা বলছেন, সেই কারণেই নাকি ফ্যানেরাও আজকাল তাকে আর তেমন আদল দিচ্ছেন না!

অভিযোগ, যে সাধারণ মানুষ রাণুকে স্টার বানিয়েছিল, তাদের সঙ্গেই আর ঠিকঠাক ব্যবহার করেন না রাণু। ফ্যানেরা তাকে দেখে দৌড়ে এলে তিনি বিরক্ত হয়ে বলেন, গায়ের উপর না উঠতে! তাদের সঙ্গে সেলফি তুলতেও তার বড্ড অনীহা।

লাইমলাইটে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রাণাঘাটের পুরনো বাড়ি ছেড়ে নতুন বাড়িতে উঠে যান রাণু মণ্ডল। নিন্দুকেরা বলছেন, ইদানীং নাকি আর তেমন কাজ পাচ্ছেন না রাণু, তাই মিডিয়ার মুখোমুখি হচ্ছেন না। বলা যায়, মিডিয়া বিমুখ হয়ে পড়েছেন।

নেটিজেনরা এখনেকটা কথাই বলছেন, অহংকারই কাল হল রাণুর! ধরাকে সরা জ্ঞান করলেন রানাঘাটের রাণু মণ্ডল। অহংকারের কারণেই তার পতন।

Leave A Reply

Your email address will not be published.