শ্রাবন্তীও বিজেপি ছাড়লেন

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৩০মিনিট। কলকাতার অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের টুইট, ‘যে দলের হয়ে আমি গতবার নির্বাচনে লড়েছিলাম, সেই বিজেপির সঙ্গে সব সম্পর্ক ছিন্ন করছি। তাদের মধ্যে বাংলার স্বার্থ পূরণ করে আরও এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ ও আন্তরিকতার অভাব।’ ফেসবুকেও একই স্ট্যাটাস দিয়েছেন অভিনেত্রী। ৩০ মিনিটে দেড় হাজারের বেশি প্রতিক্রিয়া, ২০০ মন্তব্য জমা পড়েছে।

বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন শ্রাবন্তী। যোগ দিয়েই চলতি বছরের নির্বাচনে বেহালা পশ্চিম কেন্দ্র থেকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিজেপির প্রার্থী ছিলেন তিনি। ভোটে হেরে যাওয়ার পর থেকেই বাড়তে থাকে বিজেপির সঙ্গে দূরত্ব। অবশেষে দল ছেড়ে দিলেন এই অভিনেত্রী।

পশ্চিমবঙ্গের চলতি বছরের বিধানসভা ভোটের আগে বিজেপিতে যোগদানের হিড়িক পড়েছিল বিনোদনজগতের তারকাদের মধ্যে। চলচ্চিত্রের অনেক তারকাও বিজেপিতে শামিল হয়েছিলেন। এরই মধ্যে ১ মার্চ কৈলাস-দিলীপের উপস্থিতিতে বিজেপিতে যোগ দেন শ্রাবন্তী।

 

বিধানসভায় ভোটে পরাজয়ের পর বিজেপির সাবেক রাজ্য সভাপতি তথাগত রায় দলের তারকা প্রার্থীদের নানাভাবে কটাক্ষ করেছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য করে আক্রমণ করেছিলেন তথাগত রায়। এরই মধ্যে একাধিক নেতা বিজেপি ছেড়েছেন। জুলাই মাসে ফেসবুক পোস্টে ‘চললাম। বিদায়!’ লিখে বিজেপির রাজনীতির ময়দান ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী বাবুল সুপ্রিয়।

বিজেপিতে এই ভাঙনের মধ্যেই দল ছাড়লেন শ্রাবন্তী। বিভিন্ন ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, ভোটের পর প্রকাশ্যে বিজেপির হয়ে কোনো কর্মসূচিতে অভিনেত্রীকে দেখা যায়নি। ফলে তাঁকে নিয়ে জল্পনা ছিলই। এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দল ছাড়ার ঘোষণা করলেন তিনি।

তবে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বিবৃতি তিনি দেননি। বিজেপির পক্ষ থেকে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি। তবে ভারতীয় গণমাধ্যম আজকালকে বিজেপি মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘‌ভোটের আগে উনি দলে এসেছিলেন। একটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে তাঁকে প্রার্থী করা হয়েছিল। পরাজিত হয়েছিলেন। এর পর থেকে দলের তরফ থেকে যোগাযোগ করা হলেও তিনি দলের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ রাখেননি। এরা কী কারণে দলে আসে, তা সবারই জানা। তবুও চাইব, উনি দলেই থাকুন।’

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে সামরিক মহড়ার মধ্যেই দুটি মার্কিন ড্রোনের গতিরোধ করার দাবি করেছে ইরান।

 

মঙ্গলবার আরব সাগরে ইরানের আকাশসীমায় এ ঘটনা ঘটে বলে দাবি করেছে দেশটি। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থার বরাতে এএফপি জানিয়েছে, মার্কিন ড্রোন দুটি ইরানের সামরিক মহড়ার এলাকায় প্রবেশের চেষ্টা করলে তাদেরকে ওই এলাকা থেকে চলে যাওয়ার জন্য হুশিয়ারি দেওয়া হয়।

আরকিউ৪ এবং এমকিউ-৯ ড্রোনগুলো ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আওতায় ঢুকে দেশটির বার্ষিক সামরিক মহড়া সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে চেয়েছিল বলে দাবি করা হয়। তবে এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। ইরান দাবি করেছে, তাদের আকাশসীমার কয়েক কিলোমিটার দূরে থাকতেই এয়ার ডিফেন্স নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ড্রোনগুলোর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা হয়। ড্রোনগুলো মহড়াস্থলের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করলে ইরানের এয়ার ডিফেন্স ফোর্সের পক্ষ থেকে হুশিয়ারি করার পরপরই ড্রোন দুটি ওই এলাকা থেকে চলে যায়।

পারস্য উপসাগরের কৌশলগত হরমুজ প্রণালী, ওমান সাগর, ভারত মহাসাগরের উত্তরাংশ এবং লোহিত সাগরের অংশবিশেষে যৌথ মহড়া শুরু করেছে ইরানের সামরিক বাহিনী। দেশটির এয়ারবোর্ন ইউনিট, স্পেশাল ফোর্স এবং র‍্যাপিড রিঅ্যাকশন ব্রিগেডের সদস্যরা এতে অংশ নিয়েছেন।
বিশেষ এ মহড়ার নাম দেওয়া হয়েছে জুলফিকার-১৪০০। এ মহড়ায় নিজস্ব আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মেরসাদ-এর সাহায্যে আকাশে কল্পিত শত্রুর ওপর ব্যাপক হামলা চালায় এবং মেরসাদ থেকে ছোড়া । ক্ষেপণাস্ত্রগুলো নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে।

বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আসলে কথামালার চাতুরী দিয়ে জনগণের মন জয় করা যায় না, এ কথা বিএনপি বুঝেও বুঝতে চায় না।

তিনি বৃহস্পতিবার সকালে সরকারি বাসভবনে ব্রিফিংয়ে বিএনপি মহাসচিবের বক্তব্যের জবাবে এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশের মানুষ দেখতে চায় পলাতক তারেক জিয়া আগে দেশে ফিরে আসুক, তারপর দেখা যাবে বিএনপি’র মরা গাঙে ঢেউ আসে কিনা।

তারেক জিয়া দেশে আসবে কোন বছর- এমন প্রশ্ন রেখে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, এই বছর না ওই বছর, দেখতে দেখতে ১৩ বছর চলে গেলেও তারেক জিয়া দেশে আসার সৎ সাহস দেখাতে পারছেন না।

গত কয়েক বছর ধরে গণঅভ্যুত্থান, মুক্ত খালেদার চেয়ে বন্দি খালেদা অনেক শক্তিশালী, নির্বাচনে বিএনপির ভূমিধস বিজয়ের গল্প, আওয়ামী লীগের ৩০ আসন না পাওয়ার গল্পসহ বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্য প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, এসব বক্তব্যে কী হয়েছে, দেশের জনগণ তা দেখেছে।

পরে সেতুমন্ত্রী টাঙ্গাইলের ভাতকুড়া করোটিয়া-বাসাইল- সখিপুর সড়কের ওপর প্রায় সাড়ে ৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ৬৯ মিটার নাঙ্গালিয়া সেতুর উদ্বোধন করেন।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার টুয়েলভে টানা তিন ম্যাচ হেরে সেমিফাইনালের দৌঁড় থেকে অনেকটাই ছিটকে পড়েছে বাংলাদেশ। তবে সেমিফাইনালের স্বপ্ন একেবারেই গুড়িয়ে যায়নি মাহমুদউল্লাহদের। সেজন্য বেশ কিছু অসম্ভবকে সম্ভব করতে হবে। তাকিয়ে থাকতে হবে গ্রুপের অন্য ম্যাচগুলোর জয়-পরাজয়ের দিকে।

আপাতত হারের বৃত্ত ভাঙার চেষ্টায় টাইগাররা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে আজকের ম্যাচে জিতে হারের বৃত্ত থেকে বেরিয়ে আসতে প্রত্যয়ী মাহমুদউল্লাহরা। তবে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের অনুপস্থিতি দলকে ভোগাবে। ইনজুরির কারণে দলের সঙ্গে নেই অভিজ্ঞ ওপেনার তামিম ইকবাল। সেই দলে যোগ দিয়েছেন অলরাউন্ডার সাইফউদ্দিনও।

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি জেতার সুখস্মৃতি নেই বাংলাদেশের। এখন পর্যন্ত আফ্রিকার দেশটির বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ছয়টি ম্যাচ খেলে সবকটিতেই হেরেছে বাংলাদেশ। ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে ২০১৭ সালের পর এই প্রথমবার মুখোমুখি হবে টাইগাররা। বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টায় শুরু হবে ম্যাচটি।

সুপার টুয়েলভে নিজেদের প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কার কাছে ৫ উইকেটে হেরেছিল বাংলাদেশ। এরপর ইংল্যান্ডের কাছে হারে ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে। নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জিততে জিততে হেরে যায় বাংলাদেশ। শেষ বলে ৪ রান দরকার ছিল। ক্রিজে ছিলেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি দলকে জয়ের বন্দরে পৌছে দিতে ব্যর্থ হন। অঙ্কের হিসেবে বাংলাদেশের শেষ চারে খেলার সুযোগ থাকলেও অনেক যদি-কিন্তুর ওপর নির্ভর করছে তা।

টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত তিন ম্যাচে দুটি করে জয় পেয়ে দারুণ ফর্মে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়া। নিজেদের প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। আবার ইংল্যান্ডের কাছে পরাজিত হয়েছে অস্ট্রেলিয়া। গ্রুপ-১-এ পারফরম্যান্সের বিচারে ইংল্যান্ড দারুণ দল। এমন অবস্থায় গ্রুপ থেকে দ্বিতীয় দল হিসেবে সেমিফাইনালে যাওয়ার দৌঁড়ে টিকে থাকতে বাংলাদেশের বিপক্ষে নিজেদের ম্যাচগুলোতে জিততে চাইবে দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়া।

বাংলাদেশকে সেমিতে খেলতে হলে আজকের ম্যাচসহ অস্ট্রেলিয়াকে হারাতে হবে। বাংলাদেশ দলকে কেবল দ.আফ্রিকা-অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জিতলেই হবে না, অন্য দলগুলোর জয়-পরাজয়ের দিকেও তাকিয়ে থাকতে হবে। জটিল অর্থে সম্ভাবনা থাকলেও এই সমীকরণ মিলে যাওয়া খুবই কঠিন। সেমিফাইনালে যাওয়ার সামান্য সুযোগও কাজে লাগাতে চান অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ।

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স সন্তোষজনক নয়। এখন পর্যন্ত ১১৮ ম্যাচ খেলে ৪৩টি জিতেছে। ৭৩ ম্যাচে হার ও দুটি পরিত্যক্ত হয়েছে। আর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের পারফরমেন্স আরও অনুজ্জ্বল। এখন পর্যন্ত ৩০টি ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। মাত্র সাতটিতে জিতেছে তারা। আজকের ম্যাচে জিতে হারের বৃত্ত থেকে মাহমুদউল্লাহরা বের হতে পারবেন কিনা সেই প্রশ্নের উত্তর জানতে আরও কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে ক্রিকেটভক্তদের।

আগামী বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জনের জন্য মাহমুদউল্লাহদের দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জিততেই হবে। তাহলে অস্ট্রেলিয়াতে অনুষ্ঠেয় আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার সুযোগ করে নিতে পারবে তারা। আগামী ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ ৮ দল অস্ট্রেলিয়াতে সরাসরি বিশ্বকাপে অংশ নেবে।

এই মুহূর্তে র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান নয় নম্বরে। বাংলাদেশের সমান ২৩৪ রেটিং পয়েন্ট হলেও ভগ্নাংশের ব্যবধানে এগিয়ে ৮ নম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। শ্রীলঙ্কা ২৩০ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে ১০ নম্বরে আছে। ২৩৫ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে সাতে আফগানিস্তান। দুই ম্যাচের দুটি ম্যাচ জিতলে আগামী টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের সরাসরি খেলার ভালো সম্ভাবনা থাকবে। একটি ম্যাচ জিতলেও সুযোগ থাকবে। সেক্ষেত্রে অন্য ম্যাচগুলির ফলাফলের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে। ফলে সেমিফাইনাল না হোক, অন্তত সরাসরি বিশ্বকাপ খেলার যোগত্য অর্জনের জন্য হলেও বাংলাদেশের ম্যাচ জিততে হবে।

টানা হারের বৃত্তে আটকে থাকা বাংলাদেশ দলও জয়ের জন্য মরিয়া। সোমবার আইসিসি ক্রিকেট একাডেমি মাঠে নির্ভার হয়ে মুশফিক-মাহমুদউল্লাহরা অনুশীলন করেছেন। যা সর্বশেষ ম্যাচগুলোর আগে-পরে দেখা যায়নি। হয়তো এই চনমনে ভাবই বাংলাদেশ দলকে জয় পেতে উজ্জীবিত করবে।

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বায়োপসি রিপোর্ট পাওয়া গেছে। সেই অনুযায়ী চিকিৎসকেরা তাঁর চিকিৎসা দিচ্ছেন। সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি আছেন তিনি। গত ২৫ অক্টোবর খালেদা জিয়ার শরীরে অস্ত্রোপচার করা হয়। ওই দিন বিএনপি চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত চিকিৎসক এ জেড এম জাহিদ হোসেন গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, ‘ওনার (খালেদা জিয়া) শরীরের এক জায়গায় ছোট একটা লাম্প আছে। এই লাম্পের ন্যাচার অব অরিজিন জানতে হলে বায়োপসি করা প্রয়োজন। সে জন্য ওনার বায়োপসির জন্য অপারেশন করা হয়েছে।

খালেদা জিয়া হাসপাতালে ভর্তির পর তাঁর দেখাশোনার জন্য যুক্তরাজ্য থেকে দেশে এসেছেন প্রয়াত ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সিঁথি রহমান। আজ দুপুরে বিএনপির একটি সূত্র জানিয়েছে, খালেদা জিয়ার অবস্থা স্থিতিশীল। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফলাফল অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বিএনপি চেয়ারপারসন চলতি বছরের এপ্রিলে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন। করোনা–পরবর্তী জটিলতা নিয়ে তিনি ৬ মে থেকে প্রায় এক মাস এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে ভর্তি ছিলেন।

আফগানিস্তানের নানগারহার প্রদেশে একসঙ্গে চার জুটির বিয়ে হচ্ছিল। বিয়ে উপলক্ষে সেখানে বাজছিল গান। সেই গান বন্ধ করতে বন্দুকধারীরা হামলা করে। হামলায় অন্তত দুজন নিহত হন। আহত হন ১০ জন। স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে আজ রোববার বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়। হামলাকারী বন্দুকধারীরা নিজেদের তালেবানের সদস্য বলে পরিচয় দিয়েছে। তবে হামলাকারীদের এই দাবি অস্বীকার করেছেন তালেবানের এক মুখপাত্র।

গত শুক্রবার রাতে এই যৌথ বিয়ের অনুষ্ঠান হচ্ছিল। সেদিন রাতে বিয়ের এ অনুষ্ঠানে হামলাকারী তিন বন্দুকধারীর মধ্যে দুজনকে গ্রেপ্তার করার কথা জানিয়েছেন তালেবানের এক মুখপাত্র। তাঁর ভাষ্য, বন্দুকধারীরা তালেবানের হয়ে বিয়েবাড়িতে হামলা চালায়নি। এক প্রত্যক্ষদর্শী বিবিসিকে বলেন, শুক্রবার রাতে নানগারহার প্রদেশের সুরখ রোড জেলায় একসঙ্গে চার জুটির বিয়ে হচ্ছিল। রাতে হঠাৎ বন্দুকধারীরা বিয়েবাড়িতে হামলা করে। এতে হতাহত হওয়ার এ ঘটনা ঘটে।

একই প্রত্যক্ষদর্শীর ভাষ্য, নারীদের জন্য সংরক্ষিত একটি স্থানে রেকর্ড করা গান বাজানোর জন্য স্থানীয় এক তালেবান নেতার কাছ থেকে অনুমতি নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু মধ্যরাতে হঠাৎ একদল বন্দুকধারী জোর করে বিয়েবাড়িতে ঢুকে পড়ে। তারা লাউডস্পিকার ভাঙার চেষ্টা করে। অতিথিরা বাধা দিলে বন্দুকধারীরা গুলি চালায়। তালেবানের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ বলেন, বিয়েবাড়িতে হামলার ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। গত আগস্টে আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নেয় তালেবান। পরের মাসে তারা সরকার গঠনের ঘোষণা দেয়।

১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আফগানিস্তানের ক্ষমতায় ছিল তালেবান। তখন তারা দেশটিতে গান নিষিদ্ধ করেছিল। তবে এবার তারা ক্ষমতায় এসে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো ডিক্রি জারি করেনি। আফগানিস্তানে তালেবানের প্রতিপক্ষ জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)। নানগারহার প্রদেশে আইএস সক্রিয় রয়েছে। আগে এ প্রদেশে একাধিক হামলার দায় নিয়েছে আইএস।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের মনে করেন, তারা পরমতসহিষ্ণু বলেই বিএনপি এখনো রাজনীতি করতে পারছে। তিনি বলেন, দেশে গণতন্ত্র আছে বলেই সরকারের সমালোচনা করতে পারছে বিএনপি। তারা বক্তৃতা, বিবৃতি, মানববন্ধন, আলোচনা, টকশোসহ নানা উপায়ে সমালোচনা করছে। এ জন্য সরকার তো তাদের কোনো শাস্তি দিচ্ছে না।
বিএনপি আন্দোলন ও নির্বাচনে ব্যর্থ হয়ে এখন সাম্প্রদায়িক শক্তিকে দেশ ও সরকারের বিরুদ্ধে উসকানি দিচ্ছে বলেও দাবি করেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, বহু বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে শেখ হাসিনা গণতন্ত্রকে সঠিক পথে এনেছেন। অন্যদিকে বিএনপি তাদের অগণতান্ত্রিক আচরণ এবং ষড়যন্ত্রের রাজনীতি দিয়ে গণতন্ত্র বিকাশে পদে পদে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে।
আজ শনিবার নিজের সরকারি বাসভবনে ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।

সরকারের পায়ের নিচে নাকি মাটি নেই —বিএনপি নেতারা এক যুগ ধরে এমন কথা বলে আসছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রকৃতপক্ষে সরকার নয়, বিএনপির পায়ের নিচেই মাটি নেই। তাদের পায়ের নিচে মাটি থাকলে তো তারা রাজপথে নামত, নির্বাচনেও থাকত। তিনি বলেন, নেতিবাচক ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতির জন্য বিএনপির পায়ের নিচে মাটি নেই। তাই তারা শিকড় থেকে বিচ্ছিন্ন এবং নির্বাচনবিমুখ। ১৫ ফেব্রুয়ারির ভোটারবিহীন নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপিই গণতন্ত্রকে বঙ্গোপসাগরে ফেলতে চেয়েছিল উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সোয়া এক কোটি ভুয়া ভোটার সৃষ্টি করে বিএনপিই গণতন্ত্রকে ধূলিসাৎ করতে চেয়েছিল। এমনকি বিএনপি সংবিধান থেকে গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের মূলোৎপাটনও করেছে।

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নামে ১১ মামলার শুনানির জন্য আগামী ২০ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ এ আদেশ দেন।

 

খালেদা জিয়ার নামে থাকা ১১ মামলার মধ্যে রাজধানীর দারুস সালাম থানায় ৮টি, যাত্রাবাড়ী থানায় ২টি ও রাষ্ট্রদ্রোহের ১টি মামলা রয়েছে।

 

ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে সরকারি কৌঁসুলি তাপস কুমার পাল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, করোনা সংক্রমণের কারণে আদালতের স্বাভাবিক বিচারকাজ স্থবির হয়ে পড়েছে। তবে এখন আদালতের কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়েছে। আদালত খালেদা জিয়ার নামে করা ১১ মামলার শুনানির জন্য ২০ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন।

 

বর্তমানে এসব মামলা ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন। মামলাগুলো অভিযোগ গঠনের শুনানির পর্যায়ে রয়েছে।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

 

 

গতকাল সোমবার সকাল থেকে আজ মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত সময়ে এসব ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। ডিএমপির গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগ এ তথ্য জানিয়েছেন।

 

 

 

পুলিশ বলছে, গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের কাছ থেকে ৪৮৮ গ্রাম হেরোইন, ৯ কেজি গাঁজা, ২ হাজার ২২৫টি ইয়াবা বড়ি ও ১ গ্রাম আইস উদ্ধার করা হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে এসব আসামির বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় ৪৩টি মামলা হয়েছে।

 

 

পুলিশ বলেছ, নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদকসহ আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়।

 

চিত্রনায়িকা পরীমনির সঙ্গে যা হচ্ছে, তা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেছেন তাঁর নানা শামসুল হক গাজী। সাবেক এই স্কুলশিক্ষক বলেন, তাঁর নাতনি ষড়যন্ত্রের শিকার। এটা গোটা দেশ এখন জানে।

 

৪ আগস্ট পরীমনির বনানীর বাসা কয়েক ঘণ্টা ঘিরে রেখে অভিযান চালায় র‌্যাব। ঘেরাওয়ের মধ্যে পরীমনি ফেসবুক লাইভে এসে বলেন, দিনদুপুরে কে বা কারা তাঁর বাসায় আক্রমণ চালাচ্ছে। তিনি এ সময় পুলিশের সহায়তা চান। অন্যদিকে র‌্যাব দাবি করে, এই অভিনেত্রীর বাসায় ‘অভিযান’ চালিয়ে তাঁরা বিপুল পরিমাণ মদ ছাড়াও এলএসডি ও আইসের মতো মাদক উদ্ধার করেছেন। পরে র‍্যাব বাদী হয়ে বনানী থানায় মামলাও করে। সেই মামলা এখন পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তদন্ত করছে।

 

 

এর আগে গত ১৩ জুন পরীমনি ঢাকা বোট ক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য নাসির ইউ মাহমুদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা মামলা করেন। এরপর থেকেই পরীমনি ছিলেন আলোচনায়।

র‌্যাবের করা মামলায় তৃতীয় দফায় রিমান্ড শেষে গতকাল পরীমনিকে আদালতে হাজির করে সিআইডি। পরে আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। রোববার দিনভর চেষ্টার পরও পরীমনির বিরুদ্ধে করা মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে সিআইডি কর্মকর্তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এই প্রেক্ষাপটে কথা বলা হয় পরীমনির নানা শামসুল হক গাজীর সঙ্গে।

 

 

শামসুল হক গাজী বলেন, ‘দেশের আশি ভাগ মানুষ জানে পরীমনিকে হয়রানি করছে। এটা তো আমার কথা না। সবাই তাই বলছে। সবারই একই কথা। অযথা হয়রানি। ষড়যন্ত্র করে তাকে হেনস্তা করছে এটা সবাই বলছে।’ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেছেন, তারা তাদের মতো কাজ করে যাচ্ছে। আইনজীবীর সঙ্গে পরীমনিকে কথা বলতে দেওয়া হয়নি। এতে তাঁর অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছে।

 

 

এত দিনে মাত্র একবার নাতনির সঙ্গে কথা বলতে পেরেছেন বলে জানান শামসুল হক গাজী। প্রথম যেদিন পরীমনিকে আদালতে হাজির করা হয়, সেদিন তিনিও আদালতে উপস্থিত হয়েছিলেন। পরীমনি তাঁকে বলেছেন, নানুভাই তুমি কোনো দুশ্চিন্তা কোরো না। ঠিকমতো খাওয়াদাওয়া করো। নিজের বিষয়ে পরীমনি কিছুই বলেননি।

 

পরীমনির কষ্ট হলেও নানার কাছে লুকাবেন, কারণ তিনি সব সময় নানার সুস্থতার কথা চিন্তা করেন—এমন ধারণা শামসুল হক গাজীর। কারাগার থেকে ফোনে কথা বলার সুযোগ আছে এ বিষয়টি শামসুল হক গাজীর জানা। তবে এখনো পর্যন্ত নাতনির ফোন আসেনি। তিনি আছেন অপেক্ষায়।

 

আড়াই বছর বয়সে মা হারানোর পর থেকে পরীমনিকে কোলেপিঠে করে বড় করেছেন এই নানা। ২০১৭ সালের ১৮ জুন বাবা দিবসে পরীমনি ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছিলেন। ওই পোস্টে তিনি লেখেন, শামসুল হক গাজী তাঁকে জন্ম দেননি, তবে তিনিই তাঁর বাবা। পরীমনি লেখেন, ‘আজ সত্যি যদি বলি আমার বাবা হলেন আমার নানুভাই শামসুল হক গাজী। ওহ একটা মজার বিষয় বলি, অনেকেরই আমার নাম নিয়ে কৌতূহল দেখেছি। আসল নাম, ডাকনাম, কে রেখেছে ইত্যাদি ইত্যাদি…আমার সার্টিফিকেট নাম শামসুন্নাহার স্মৃতি। শামসুন মানে সূর্যের আলো। নানুভাইয়ের নামের সাথে মিল করে এই নাম।’

শামসুল হক গাজী গতকাল  বলেন, ‘আমার কাছে একদিকে পৃথিবী আরেক দিকে পরী। ও–ই আমার পৃথিবী।’ তিনি বলেন, তাঁর নাতনি উপার্জন করেছেন, কিন্তু সবটাই ব্যয় করেছেন ‘জনহিতকর কাজে’। প্রতিবছর এফডিসিতে দুস্থ শিল্পীদের জন্য কোরবানি দেন পরীমনি। অনাথাশ্রমে জন্মদিন পালন করেছেন। নিজের ঘরবাড়ি নেই। তিনি থাকতেন ভাড়া বাসায়। আর কিছুদিন পরপর নানাকে নিজের কাছে নিয়ে আসতেন। এবার নানা এসেছিলেন ২১ রমজানে। পরীমনি ঝামেলায় পড়ায় আর পিরোজপুরের বাড়িতে ফিরতে পারেননি। পরীমনি নেই, তাই ঘর নীরব। তিনি তাঁর নাতনির ঘরে ফেরার অপেক্ষায় আছেন। এই মুহূর্তে প্রার্থনা করা ছাড়া তাঁর আর কিছুই করার নেই।

 

শাকিব খান প্রায়ই বলেন, নায়করাজ রাজ্জাক তাঁর একজন অভিভাবক।

 

শাকিবের অভিনয় ও ব্যক্তিজীবনের যেকোনো দুঃসময়ে তিনি ছায়ার মতো পাশে ছিলেন। সাহস ও প্রেরণা জুগিয়েছেন। শাকিব খানের সেই অভিভাবক, বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের অভিভাবক নায়করাজ রাজ্জাকের মৃত্যুর আজ চার বছর অতিক্রান্ত হচ্ছে। দিনটিতে তাঁকে স্মরণ করে ফেসবুকে একটি স্মৃতিকথা লিখেছেন শাকিব খান।

শাকিব খান লিখেছেন, ‘নায়করাজ রাজ্জাক ছিলেন আমার মাথার ওপর সুবিশাল আকাশ। ছায়ায় ও মায়ায় আগলে রেখে ভালোবাসা ও পরামর্শ দিতেন। অনেক দিন দেখা না হলেও কীভাবে যেন বুঝে যেতেন কিসের মধ্যে আছি, এটাই বুঝি আত্মার সম্পর্ক!

বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের সেরা নায়ক হিসেবে ধরা হয় নায়করাজ রাজ্জাককে। দেশের চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি এই অভিনেতা ২০১৭ সালের ২১ আগস্ট মারা যান। চার বছর আগের এদিন বিকেল পাঁচটার দিকে অসুস্থ বোধ করলে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেদিন গুলশানের একটি হাসপাতালে সন্ধ্যায় তিনি মারা যান।

রাজ্জাকের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে শেষ হয় বাংলা চলচ্চিত্রের একটি বর্ণাঢ্য অধ্যায়। গত শতাব্দীর পঞ্চাশের দশক থেকে যাঁদের হাত ধরে আমাদের দেশে শিশু চলচ্চিত্র দাঁড়ানোর চেষ্টা করছিল, তাঁদের মধ্যে উজ্জ্বল এক নাম রাজ্জাক। দীর্ঘ অভিনয়জীবনের অভিজ্ঞতা দিয়ে তিনি জয় করেছিলেন এ দেশের চলচ্চিত্রপ্রেমী মানুষের হৃদয়।

 

 

 

শাকিব খান লিখেছেন, ‘দেশের চলচ্চিত্রশিল্পের কয়েক প্রজন্মের কাছে তিনি আইকনিক অধ্যায়। একটা সময় আমাদের দেশে ভিনদেশি সিনেমার প্রভাব ছিল। তখন যাঁর আবির্ভাব হয়, তিনি নায়করাজ রাজ্জাক। তিনি তাঁর অভিনয় দিয়ে দর্শকদের বাংলা সিনেমামুখী করেছিলেন। নিজেই তৈরি করেছিলেন এক স্বতন্ত্র অবস্থান। অভিনয়দক্ষতায় সব ধরনের মানুষের কাছে নায়কদের শিরোমণি হয়ে উঠেছিলেন নায়করাজ রাজ্জাক। তাই কোটি বাঙালির হৃদয়ে আজও তিনি বেঁচে আছেন। যত দিন বাংলাদেশ থাকবে, বাংলাদেশের সিনেমা থাকবে, তত দিনই তিনি আমাদের সবার হৃদয়ে অহংকার হয়ে থাকবেন।

 

নায়করাজ রাজ্জাকের জন্ম ১৯৪২ সালের ২৩ জানুয়ারি। অবিভক্ত ভারতের কলকাতার কালীগঞ্জের নাকতলায় তিনি জন্মেছিলেন। তাঁর আট বছর বয়সে বাবা আকবর হোসেন ও মা নিসারুন্নেসা দুজনই মারা যান। তিন ভাই, তিন বোনের সংসারে বড়রা রাজ্জাককে বুঝতেই দেননি মা–বাবার শূন্যতা। ছোটবেলায় পড়তেন খানপুর হাইস্কুলে। এ কথা এখন অনেকেই জানেন যে কৈশোরে রাজ্জাকের ইচ্ছা ছিল ফুটবলার হওয়ার। গোলরক্ষক হিসেবে খেলতেন ভালো। বিভিন্ন পাড়ায় ভাড়া করেও নিয়ে যাওয়া হতো তাঁকে।

রাজ্জাক যে পাড়ায় থাকতেন, সে পাড়ায়ই থাকতেন ছবি বিশ্বাস (‘কাঞ্চনজঙ্ঘা’, ‘জলসাঘর’সহ অসংখ্য বাংলা ছবির শক্তিমান অভিনেতা), সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়ের মতো অভিনয়শিল্পীরা। ছবি বিশ্বাস বিপুল উৎসাহ নিয়ে আবৃত্তি শেখাতেন পাড়ার শিশু-কিশোরদের। রাজ্জাকও তাঁর কাছে আবৃত্তি শিখেছেন।

মেসিকে পেয়ে উচ্ছ্বসিত পিএসজি তাড়াহুড়া করতে চায় না তাঁকে নিয়ে। আগস্টের একদম শেষ ম্যাচে তাঁকে মাঠে নামানোর পরিকল্পনা কোচ মরিসিও পচেত্তিনো। লিগে প্রথম ম্যাচে তো সুযোগ ছিলই না, পরের দুটি ম্যাচেও মেসিকে স্কোয়াডে রাখেননি কোচ। গতকাল ব্রেস্তের বিপক্ষে ৪-২ ব্যবধানে জেতা ম্যাচেও স্কোয়াডে ছিলেন না মেসি। ছিলেন না নেইমারও। আর এ সুযোগটাই নিয়েছেন দুজন। কাল দুই তারকাকেই বার্সেলোনা বিমানবন্দরে দেখা গেছে।

 

দুই তারকা অবশ্য একসঙ্গে ভ্রমণ করেননি। প্রাইভেট জেটে উড়াল দেওয়া দুজন নেমেছেন কিছুটা সময়ের ব্যবধানে। যদিও দুজনের গন্তব্য ছিল এক।

স্তেলদেফেলসে লুইস সুয়ারেজ ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে ডিনার করেছেন দুজন। লুইস সুয়ারেজ অবশ্য ছুটিতে নেই। আগামীকাল রোববার এলসের বিপক্ষে আতলেতিকো মাদ্রিদের জার্সিতে মূল একাদশে থাকার কথা তাঁর। তবে প্রিয় দুই বন্ধুর সঙ্গে দেখা করার জন্য ছুটি মিলেছিল তাঁর।

 

একসময় ইউরোপজুড়ে আতঙ্ক জাগানো এমএলএস-ত্রয়ী মাঠের বাইরেও দারুণ বন্ধু। এর আগেও যখন নেইমার বার্সেলোনা ছেড়ে গিয়েছিলেন, সেই সাড়া জাগানো দলবদলের পরপরই বার্সেলোনায় এসে মেসি-সুয়ারেজদের সঙ্গে সময় কাটিয়ে গিয়েছিলেন। বার্সেলোনার সঙ্গে চলা মামলার ঝামেলার সময়টাতেও এই অভ্যাসের ব্যত্যয় হয়নি।

সময়ের পালাবদলে এখন কেউই বার্সেলোনার নন। নেইমার চলে গেছেন ২০১৭ সালে। মেসির দুঃখ বাড়িয়ে ২০২০ সালে আতলেতিকোতে যেতে হয়েছে সুয়ারেজকে। আর এবার তো মেসিই চলে গেলেন শৈশবের ক্লাব ছেড়ে। তবু আরও একবার এমএসএনের দেখা তো মিলল বার্সেলোনায়। হোক না সেটা খাবারের টেবিল!

প্যারিসের জীবনে এখনো গুছিয়ে ওঠেননি মেসি। বাড়ি কিনবেন, নাকি ভাড়া করবেন, সে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে আপাতত হোটেলে থাকছেন। তবে মেসির এই ভ্রমণের উদ্দেশ্য নাকি বার্সেলোনার জীবন গুটিয়ে ব্যক্তিগত সব জিনিসপত্র প্যারিসে নিয়েযাওয়া।

 

 

এডিটঃ কানিজ ফাতেমা।

 

বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা 

বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা

বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা

বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা 

খুব কষ্ট হচ্ছে, আমি তো পাগল হয়ে যাব: ক্ষুব্ধ পরীমনি

 

কেন আমার জামিন আবেদন করলেন না। আমি তো পাগল হয়ে যাব। আপনারা জামিন চান, আপনারা আমার সঙ্গে কী কথা বলবেন? আপনারা বুঝতেছেন, আমার কী কষ্ট হচ্ছে? আইনজীবীর উদ্দেশে কথাগুলো বলেছেন পরীমনি। কথা বলার সুযোগ পেয়ে আইনজীবীর উদ্দেশে এভাবেই কথাগুলো বলেন পরীমনি। সরেজমিনে দেখা যায়, বিচারক এজলাসকক্ষ ত্যাগ করার পর পরীমনির কাছে যান তাঁর আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত। তখন তাঁকে দেখে পরীমনি ক্ষুব্ধ কণ্ঠে এসব বলেন।

 

শুনানি শেষে পরীমনির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘পরীমনিকে দফায় দফায় রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। আমরা বারবার বলছি, পরীমনি অসুস্থ। শারীরিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত পরীমনি আমাকে বলেছেন, তিনি পাগল হয়ে যাবেন।’

মাদক মামলায় গ্রেপ্তার চিত্রনায়িকা পরীমনিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত  আজ শনিবার এই আদেশ দেন। একটি প্রিজন ভ্যানে করে বেলা ৩টা ১৪ মিনিটে তাঁকে আদালতের হাজতখানা থেকে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়। এর আগে এক দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাঁকে আজ শনিবার বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে আদালতে হাজির করা হয়।

 

শুনানি শেষে পরীমনির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘পরীমনিকে দফায় দফায় রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। আমরা বারবার বলছি, পরীমনি অসুস্থ। শারীরিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত পরীমনি আমাকে বলেছেন, তিনি পাগল হয়ে যাবেন।’

মাদক মামলায় গ্রেপ্তার চিত্রনায়িকা পরীমনিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত  আজ শনিবার এই আদেশ দেন। একটি প্রিজন ভ্যানে করে বেলা ৩টা ১৪ মিনিটে তাঁকে আদালতের হাজতখানা থেকে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়। এর আগে এক দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাঁকে আজ শনিবার বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে আদালতে হাজির করা হয়।

 

এদিন বনানী থানায় মাদকদ্রব্য আইনের দায়ের করা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক কাজী গোলাম মোস্তফা পরীমনিকে তৃতীয় দফায় এক দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করেন। এরপর তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত পরীমনিকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। তদন্ত কর্মকর্তা কারাগারে আটক রাখার আবেদনে বলেন, ‘আসামি পরীমনি মামলার বিষয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেছেন। তাঁর দেওয়া তথ্য-উপাত্ত তদন্তের স্বার্থে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। মামলার তদন্ত সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তাঁকে কারাগারে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন বলে মনে করছি।’

 

প্রসঙ্গত, গত ৪ আগস্ট রাতে ৪ ঘণ্টার অভিযান শেষে বনানীর বাসা থেকে পরীমনি ও তাঁর সহযোগীকে আটক করে র‍্যাব। তাঁর বাসা থেকে বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয় বলে জানানো হয়। আটকের পর তাঁদের নেওয়া হয় র‍্যাব সদর দপ্তরে। পরে র‍্যাব-১ বাদী হয়ে মাদক আইনে পরীমনির বিরুদ্ধে মামলা করে।

 

 

 

 

 

 

এডিটঃ কানিজ ফাতেমা।

রিয়াল মাদ্রিদ এর দোকানে ডাকাতি

 

রিয়াল মাদ্রিদ এর অফিশিয়াল দোকান তাদের স্টেডিয়াম সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে। কাল সকালে এ দোকানে হামলা চালিয়েছে দুস্কৃতকারীরা। গাড়ি নিয়ে দোকানে ঢুকে লুটপাট চালানো হয়।

নিরাপত্তা ক্যামেরার ফুটেজ দেখে মাদ্রিদের পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করছে। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মার্কা জানিয়েছে, নম্বর প্লেট দেখে এই ডাকাতির ঘটনায় ব্যবহার করা গাড়িগুলো শনাক্ত করার চেষ্টা করছে পুলিশ।

স্পেনের ডিজিটাল অর্থনৈতিক সংবাদমাধ্যম ভোজপোপুলি জানিয়েছে, চোরের দল একটি গাড়ি নিয়ে দোকানের সামনের কাচ ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়ে।

হাতের কাছে তারা যা কিছু পেয়েছে, প্রায় সবই নিয়ে গেছে। ক্লাবের অফিশিয়াল টি–শার্ট, টুপি থেকে অন্যান্য পণ্য নিয়ে পালিয়ে যায় তারা। ভোর ৬টা নাগাদ এই ঘটনা ঘটে। প্রায় ১৫ মিনিট পর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় পুলিশ।

তাদের ভাষ্য, মোট তিনটি গাড়ি ব্যবহার করা হয়েছে এ কাজে। যে গাড়ি দিয়ে কাচ ভেঙে দোকানের ভেতরে ঢোকা হয়েছে, চোরের দল সেটি নিয়ে যায়নি। অন্য দুটি গাড়িতে তারা পালিয়েছে।

রিয়াল মাদ্রিদের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, দুই তলার এই দোকান ৭০০ বর্গমিটার জায়গা নিয়ে করা হয়েছে। রিয়ালের সবধরনের অফিশিয়াল পণ্য এখানে পাওয়া যায়।

 

 

ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো জানা না গেলেও রিয়ালের সূত্র মারফত ভোজপোপুলি জানিয়েছে, এ নিয়ে হিসাব কষছে ক্লাবটি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনটি গাড়িই চুরি করা হয়েছে। এরপর তা রিয়ালের অফিশিয়াল দোকানে ডাকাতির কাজে ব্যবহার করা হয়।

 

মাদ্রিদের পাসেও দে লা কাস্তেলেনায় অবস্থিত রিয়ালের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাব্যু। ২০১৯ সাল থেকে এই স্টেডিয়ামের সংস্কারকাজ চলছে। এতে দুই মৌসুম ধরে ঘরের মাঠের ম্যাচগুলো রিয়ালকে খেলতে হচ্ছে তাদের অনুশীলন মাঠ দ্য স্তেফানো স্টেডিয়ামে।

 

 

পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল মাদ্রিদ পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি রিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল মাদ্রিদ পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি

 

 

ধারণাতীত দ্রুততার সঙ্গে আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে তালেবান। ঘটনার আকস্মিকতায় বিস্মিত হয়েছেন বিশ্বের কূটনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকেরা। তালেবানের হাতে কাবুলের দখল চলে যাওয়ার পরপরই দেশগুলো আফগানিস্তানে থাকা তাদের কূটনীতিক ও নাগরিকদের দ্রুত ফিরিয়ে নেওয়া শুরু করে। আর ফেলে যায় আফগানিস্তানে তাদের দুই দশকের কাজ ও বিনিয়োগ।

তালেবানের জয় দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পাকিস্তান ও চীনের সঙ্গে ঐতিহাসিকভাবে উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্ক এবং সীমান্ত বিরোধের কারণে এটি ভারতকে বিশেষভাবে পরীক্ষায় ফেলতে পারে। কারণ, পাকিস্তান ও চীন আফগানিস্তানের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

আফগানিস্তান সীমান্তে পাকিস্তানের তেমন কড়াকড়ি নেই। তা ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে পাকিস্তান তার উত্তরের এ প্রতিবেশী দেশের বিষয়ে সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসছে। এখন চীনও আফগানিস্তানের বিষয়ে বেশ আগ্রহী হয়ে উঠেছে। গত মাসেই চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই জ্যেষ্ঠ তালেবান নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সেখানে তিনি এটা স্পষ্ট করেছেন, বেইজিং আর চুপ করে বসে থাকবে না (আফগানিস্তান ইস্যুতে)।

 

 

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ক্রমে বিকাশমান সম্পর্কে খুশি ছিল না পাকিস্তান। আফগানিস্তানের ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনির পাকিস্তানের সঙ্গে ‘ধরি মাছ না ছুঁই পানি’র মতো করে সম্পর্ক রাখাও ঠিকভাবে নিতে পারছিল না ইসলামাবাদ। পাকিস্তানের অর্থনৈতিক দুরবস্থাও তাদের মাথাব্যথার একটি কারণ
আফগানিস্তান ও সিরিয়ায় ভারতের নিযুক্ত সাবেক রাষ্ট্রদূত গৌতম মুখোপাধ্যায় বলেছেন, সম্ভাব্য ভূরাজনীতির এ চেহারা ‘সবকিছু ওলট–পালট করে দিতে পারে’।

পশ্চিমা বিশ্ব এবং ভারতের মতো অন্য গণতান্ত্রিক দেশগুলোর সঙ্গে আফগানিস্তান সরকারের যে মৈত্রী ছিল, তা খুব জোরালো ছিল না। কিন্তু খুব শিগগির সম্ভবত পাকিস্তান, রাশিয়া, ইরান ও চীনকে এ খেলার পরবর্তী অধ্যায়ে দেখা যাবে।

 

 

 

ভারতের অনেকেই একে দিল্লির পরাজয় এবং পাকিস্তানের বড় জয় হিসেবে দেখছেন। কিন্তু সাবেক ভারতীয় কূটনীতিক জিতেন্দ্র নাথ মিশ্র এভাবে ভাবতে নারাজ। তাঁর মতে, এটা খুব সরল ভাবনা। কারণ, পশতুন নেতৃত্বাধীন তালেবান কখনো আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের সীমান্তকে দুই দেশের সীমান্ত বলে বিবেচনা করে না। এটা ইসলামাবাদের জন্য সব সময় অস্বস্তির কারণ হয়ে আসছে। তিনি আরও বলেন, পাকিস্তান চাইবে তালেবান এটাকে সীমান্ত হিসেবে বিবেচনা করুক। এটিই হবে তাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।

 

তবে এটাও সত্য, আফগানিস্তানে তালেবানের শাসন পাকিস্তানকে ভারতের বিরুদ্ধে কৌশলগত সুবিধা দেয়। ওয়াশিংটনভিত্তিক থিঙ্কট্যাংক উইলসন সেন্টারের উপপরিচালক মাইকেল কুগেলমান বলেন, ইসলামাবাদ সব সময় যা চেয়েছিল, তা-ই পেয়েছে। তারা চেয়েছিল আফগানিস্তানে এমন একটি সরকার, যাদের সহজেই প্রভাবিত করতে পারবে। তিনি আরও বলেন, পাকিস্তানের কর্তাব্যক্তিরা এ ঘটনাকে ভারতের পরাজয় হিসেবে দেখাতে পারেন। কিন্তু এরপরও পাকিস্তানের আরও বড় কৌশলগত কিছু বিষয় থাকবে। এ মুহূর্তে তারা সত্যিই নিজেদের ওই অঞ্চলের সবচেয়ে বড় বিজয়ী হিসেবে দেখছে।

 

 

 

ওয়াশিংটনভিত্তিক থিঙ্কট্যাংক উইলসন সেন্টারের উপপরিচালক মাইকেল কুগেলমান বলেন, ইসলামাবাদ সব সময় যা চেয়েছিল, তা-ই পেয়েছে। তারা চেয়েছিল আফগানিস্তানে এমন একটি সরকার, যাদের সহজেই প্রভাবিত করতে পারবে
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ক্রমে বিকাশমান সম্পর্কে খুশি ছিল না পাকিস্তান। আফগানিস্তানের ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনির পাকিস্তানের সঙ্গে ‘ধরি মাছ না ছুঁই পানি’র মতো করে সম্পর্ক রাখাও ঠিকভাবে নিতে পারছিল না ইসলামাবাদ। পাকিস্তানের অর্থনৈতিক দুরবস্থাও তাদের মাথাব্যথার একটি কারণ।

এখন নিজেদের জয়ী ভাবার একটা উপলক্ষ পেয়েছে ইসলামাবাদ। কারণ, আফগানিস্তান ইস্যুতে চীনের সঙ্গে তাদের বন্ধুত্ব কাজে লাগবে। এ ছাড়া বেইজিংও এখন আর নিজেদের শক্তি দেখাতে রাখঢাক রাখছে না। ভারতীয় কূটনীতিক জিতেন্দ্র নাথ মিশ্র বলেন, চীন এখন নিজেদের মতো করে খেলবে।

 

 

 

আফগানিস্তানে অর্থনৈতিক স্বার্থও রয়েছে চীনের। দেশটির খনিজ সম্পদ চীনের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে সাহায্য করতে পারে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো চীন তালেবানকে ইস্ট তুর্কিস্তান ইসলামিক মুভমেন্ট (ইটিআইএম) নিষিদ্ধ করার জন্য চাপ প্রয়োগ করতে পারে। চীনের মুসলিম–অধ্যুষিত জিনজিয়ানে বিশৃঙ্খলার জন্য ইটিআইএমকে দায়ী করে আসছে চীন। ধারণা করা হয়, আফগানিস্তান থেকেই কার্যক্রম পরিচালনা করে এ ধর্মীয় সংগঠন।

গৌতম মুখোপাধ্যায় বলেন, আফগানিস্তানে চীন ও পাকিস্তান একে অন্যের ঘাড়ে চড়ে বসতে পারে। তিনি বলেন, অতীতের অন্যান্য বিশ্বশক্তির মতো কোনো ফাঁদে না পড়ার বিষয়ে বেইজিংকে সতর্ক থাকতে হবে।

 

শুধু চীন, পাকিস্তান নয়; রাশিয়া ও ইরানও একই পথে হাঁটছে বলে মনে করা হচ্ছে। এই দুই দেশ আফগানিস্তান থেকে এখনো তাদের দূতাবাস সরিয়ে নেয়নি। উভয় দেশের কূটনীতিকেরা এখনো কাবুলে কাজ করছেন।

প্রশ্ন হচ্ছে, এ পরিস্থিতিতে ভারত কী করবে? আফগানিস্তানে ভারত কখনোই পাকিস্তান, যুক্তরাষ্ট্র বা রাশিয়ার মতো প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি। যদিও দিল্লি বরাবরই নিরাপত্তা ও সাংস্কৃতিক বন্ধন উন্নয়নে কাজ করে গেছে। হাজার হাজার আফগান বর্তমানে পড়াশোনা, কাজ বা চিকিৎসার জন্য ভারতে রয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে শীর্ষ পর্যায়ের এক বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, বর্তমানে ভারতে থাকা আফগান নাগরিকদের সব রকমের সাহায্য করা হবে। দেখা হবে কেউ যেন অসহায় বোধ না করে। ওই বৈঠকে স্পষ্ট হয়, এ মুহূর্তে ঘটনাবলির দিকে নজর রাখা ছাড়া ভারতের করার কিছুই নেই।

 

 

 

এদিকে পাকিস্তানের যে পথ ধরে ভারত ও আফগানিস্তানের মধ্যে পণ্য আদান-প্রদান হয়ে থাকে, কাবুলের পতনের পর থেকেই তা বন্ধ রয়েছে। তালেবান নেতাদের হুকুমেই এ নিষেধাজ্ঞা। ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান এক্সপোর্ট অর্গানাইজেশনের পরিচালক অজয় সহায় এ কথা জানিয়েছেন। সংবাদ সংস্থাকে তিনি বলেছেন, দুবাই হয়ে কিছু পণ্যের বাণিজ্য হয়। সেই পথ অবশ্য এখনো খোলা রয়েছে।
মিশ্র বলেন, দিল্লির হাতে এখন আর কোনো ভালো সুযোগ নেই। এখন যা আছে, তা খারাপ এবং ভবিষ্যতে আরও খারাপ হবে।

ভারত সবচেয়ে বড় যে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবে, তা হচ্ছে তারা তালেবানকে স্বীকৃতি দেবে কি না। এ সিদ্ধান্ত নেওয়া তাদের জন্য কঠিন হবে। বিশেষ করে মস্কো ও বেইজিং যদি তালেবানকে স্বীকৃতি দিয়ে দেয়, তখন বিষয়টা আরও কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাকিস্তান ১৯৯৯ সালের পথেই পা বাড়াবে। তালেবান সরকার গঠন করলে তাদের স্বীকৃতি দিয়ে দেওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

 

 

 

যুক্তরাজ্যের ল্যানচেস্টার ইউনিভার্সিটির রাজনীতির অধ্যাপক অমলেন্দু মিশ্র আফগানিস্তানের ওপর একটি বই লিখেছেন। তিনি বলেন, ভারতকে এখন একটি ‘কূটনৈতিক রশি’র ওপর হাঁটতে হবে। কাশ্মীরের বিরোধপূর্ণ অঞ্চলটি মুজাহিদদের পরবর্তী ঘাঁটিতে পরিণত হবে না—ভারতকে এটি নিশ্চিত করতে কৌশলী হতে হবে
এ মুহূর্তে ভারতের সামনে সবচেয়ে ভালো যে সুযোগ, তা হলো তালেবানের সঙ্গে যোগাযোগের রাস্তা খোলা রাখা। কিন্তু এটা খুব সহজ সম্পর্ক হবে না। দিল্লি ও তালেবানের অতীত ইতিহাস তা-ই বলে। ১৯৯৯ সালে ইন্ডিয়ান এয়ারলাইনসের একটি বিমান ছিনতাইকারীদের পালানোর নিরাপদ পথ তৈরি করে দিয়েছিল তালেবান। ওই ঘটনা এখনো ভারতীয়দের স্মৃতিতে ভেসে ওঠে। এরপর ১৯৯৬ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত তালেবানের বিরুদ্ধে লড়াই করা একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখে দিল্লি।

তবে নিজেদের স্বার্থরক্ষার্থেই ভারত ওই ঘটনা আপাতত চেপে রাখতে চাইবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেই তারা এমনটা করবে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে তালেবানের জয়ে অনুপ্রাণিত হয়ে জইশ-ই-মোহাম্মদ, লস্কর-ই-তাইয়েবার মতো জঙ্গি সংগঠন ভারতে হামলার পরিকল্পনা এবং তা বাস্তবায়ন করতে পারে।

 

 

 

যুক্তরাজ্যের ল্যানচেস্টার ইউনিভার্সিটির রাজনীতির অধ্যাপক অমলেন্দু মিশ্র আফগানিস্তানের ওপর একটি বই লিখেছেন। তিনি বলেন, ভারতকে এখন একটি ‘কূটনৈতিক রশি’র ওপর হাঁটতে হবে। কাশ্মীরের বিরোধপূর্ণ অঞ্চলটি মুজাহিদদের পরবর্তী ঘাঁটিতে পরিণত হবে না—ভারতকে এটি নিশ্চিত করতে কৌশলী হতে হবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতকে তালেবানের সঙ্গে কথা চালিয়ে যাওয়া দরকার। কিন্তু ভারতকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে তারা তালেবানবিরোধী গোষ্ঠীর সঙ্গে কতটুকু জড়াবে। আভাস পাওয়া গেছে, তালেবানের ওপর চাপ তৈরি করতে পশ্চিমারা একটি যুক্তফ্রন্ট গঠন করতে পারে। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ইতিমধ্যে পশ্চিমাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে তালেবানের জবাব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

 

 

 

এদিকে আফগানিস্তান যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন পশ্চিমা এবং চীন, রাশিয়া ও পাকিস্তানের মধ্যে আধিপত্যের লড়াইয়ের আরেকটি স্থান হয়ে উঠতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সুতরাং ভারতের হাতে আফগানিস্তান ইস্যুতে সহজ কোনো বিকল্প আপাতত নেই। কিন্তু ভারতের সিদ্ধান্তে ওপর অনেকটাই নির্ভর করছে আঞ্চলিক শান্তি এবং বৈশ্বিক ভূরাজনীতির পালাবদল।

 

 

পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি

পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনির 

পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি

পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি

পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পসুয়ারেজের দাওয়াতে বার্সেলোনায় ফিরলেন মেসি-নেইমাররীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি 

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ ৮ দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে তুরস্কে গেছেন।

 

বুধবার (১৮ আগস্ট) সকালে তুরস্কের উদ্দেশে তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) জানায়, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আট সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন।

 

আইএসপিআরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল শফিউদ্দিন আহমেদ তুরস্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রী, সহকারী প্রতিরক্ষামন্ত্রী, তুরস্কের ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিজের প্রেসিডেন্ট, তুর্কি সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ, ল্যান্ড ফোর্স কমান্ডার এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাগণের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। সাক্ষাৎকালে তিনি দু’দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যকার সম্পর্ক আরও জোরদার এবং পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করবেন।

 

এ সময় তিনি তুরস্কের সামরিক জাদুঘর, ওয়ার কলেজ, এ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ ও আর্মি এভিয়েশনসহ অন্যান্য ঐতিহাসিক স্থানসমুহ পরিদর্শন করবেন বলেও জানিয়েছে আইএসপিআর। এছাড়াও সফরকালে তিনি তুরস্কে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনে মত বিনিময় করবেন। সফর শেষে আগামী ২৬ আগস্ট সেনাবাহিনী প্রধানের দেশে ফিরে আসার কথা রয়েছে।

 

আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ
আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ
আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ
আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ
আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ
আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ
আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ
আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ
আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ
আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ

 

বাংলাদেশের বেশ কয়েকজন ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) খেলার সুযোগ পেলেও সবচেয়ে সফল সাকিব আল হাসান ও মোস্তাফিজুর রহমান। এখানে খেলার ইতিবাচক দিকটি তুলে ধরেছেন কাটার মাস্টার।

তিনি মনে করেন,আইপিএল খেলাটা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট এ ভালো পারফর্ম করতে সহায়তা করে।

 

ক্রিকবাজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন মোস্তাফিজ।

 

আগামী ১৭ অক্টোবর শুরু হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ওমানে প্রাথমিক রাউন্ড খেলেই বাংলাদেশকে জায়গা পেতে হবে আরব আমিরাতের আসল লড়াইয়ে। তার আগে বাংলাদেশের দুই ক্রিকেটার মরুর বুকেই আইপিএল খেলে কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার বাড়তি সুযোগ পাচ্ছেন। মোস্তাফিজ বিশ্বাস করেন,আইপিএলের বাকি ম্যাচগুলোতে ভালো পারফরম্যান্স করলে তার আত্মবিশ্বাস আরও বেড়ে যাবে। তবে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অনুষ্ঠেয় পাঁচ টি-টোয়েন্টি খেলার পর অনাপত্তিপত্র পাওয়া সাপেক্ষেই সেখানে খেলতে যেতে পারবেন তিনি।

 

 

মঙ্গলবার ক্রিকবাজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মোস্তাফিজ বলেছেন, আমি ছন্দে আছি। আশা করি, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এই ছন্দ ধরে রাখতে পারবো। আইপিএলে খেলার সুযোগ পেলে সেখানেও এই ফর্ম ধরে রাখার চেষ্টা করবো। আমি মনে করি, আইপিএলে খেলার মাধ্যমে নিজের খেলার মান বাড়ানো যায়। কেননা সেখানে আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেটারদের বিপক্ষে খেলার সুযোগ পাওয়া যায়। আইপিএলে ভালো করতে পারলে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও পারফর্ম করা অনেক সহজ হয়ে যায়।

 

 

তাই বিশ্বকাপের আগে আইপিএল থেকে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে নিতে মুখিয়ে আছেন মোস্তাফিজ, বিশ্বের সেরা সেরা ক্রিকেটাররা আইপিএলে অংশ গ্রহণ করে। ওখানে ভালো করতে পারলে আত্মবিশ্বাস বেড়ে যাবে। সেটি করতে পারলে, বিশ্বকাপের আগে আমি অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী থাকবো।

 

সুয়ারেজের দাওয়াতে বার্সেলোনায় ফিরলেন মেসি-নেইমার

বসুন্ধরা গ্রুপ এর চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সায়েম সোবহান আনভীরসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য ও হুইপ সামশুল হক চৌধুরী ৫০০ কোটি টাকার মানহানি মামলা করেছেন।

বুধবার পটিয়া যুগ্ম জেলা জজ আদালতে এ মামলা করা হয়। হুইপের পক্ষে পটিয়া আইনজীবী সমিতির সভাপতি সিনিয়র অ্যাডভোকেট দীপক কুমার শীল মামলাটি করেন।
দীপক কুমার শীল একেটিভিকে বলেন, হুইপ সামশুল হকের বিরুদ্ধে বসুন্ধরা গ্রুপের পত্রিকা, অনলাইন ও টিভিতে প্রায় ১০০টির বেশি মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করা হয়েছে। এসব মিথ্যা সংবাদ পরিবেশনের কারণে সামাজিক ও রাজনৈতিক সম্মানহানির শিকার হয়েছেন তিনি। পাশাপাশি তার শারীরিক, মানসিক ও আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। এসব অভিযোগে মামলা করা হয়েছে।
মামলার বিবাদীরা হলেন—বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান শাহ আলম, ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক ও নিউজ টোয়েন্টিফোরের প্রধান নির্বাহী (সিইও) নঈম নিজাম, কালের কণ্ঠের সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন, ডেইলি সান পত্রিকার সম্পাদক ইনামুল হক চৌধুরী, বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রতিবেদক সাইদুর রহমান রিমন, রিয়াজ হায়দার, কালের কণ্ঠের প্রতিবেদক এস এম রানা, বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রতিবেদক মোহাম্মদ সেলিম ও বাংলা নিউজের সম্পাদক।
এজাহারে বলা হয়েছে, বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান ও তার ছেলে সায়েম সোবহান আনভীর ব্যক্তিগত আক্রোশে ও শত্রুতামূলকভাবে বাদী ও তার ছেলে নাজমুল করিম চৌধুরী শারুনের বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করে আসছে। একাধারে মিথ্যা ও মানহানিকর সংবাদ প্রকাশের বিরুদ্ধে তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে ক্ষতিপূরণ মামলা করেছেন।
তবে মামলা সম্পর্কে জানতে হুইপ সামশুল হক চৌধুরীর মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও যাত্রাবাড়ী এলাকায় গতকাল মঙ্গলবার রাতে অভিযান চালিয়ে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন মাদক আইস (ক্রিস্টাল মেথ), বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ নয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁদের কাছ থেকে আধা কেজি আইস ও ৬৩ হাজার ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়েছে।

 

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন নাজিমউদ্দিন, আব্বাসউদ্দিন, নাছিরউদ্দিন, মো. হোসেন, সঞ্জিত দাস, শিউলি আক্তার, কোহিনূর বেগম, রাশিদা বেগম ও মৌসুমী আক্তার।

আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডের ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানাতে সংবাদ সম্মেলন করা হয়। এতে ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান এ কে এম হাফিজ আক্তার বলেন, ডিবি গুলশান বিভাগের উপকমিশনার মশিউর রহমানের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে মাদক বেচাকেনার সঙ্গে জড়িত নয়জনকে গ্রেপ্তার করে তাঁদের কাছ থেকে আইস ও ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। তিনি আরও বলেন, মিয়ানমার থেকে আসা আইস কক্সবাজার থেকে ট্রাকে করে চট্টগ্রাম হয়ে কুমিল্লায় আসে। সেখান থেকে প্রাইভেট কারে বহনকারীরা তা ঢাকায় নিয়ে আসে। আইস শক্তিশালী মাদক। এটি সেবন করলে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোক হতে পারে। বিত্তবান ও তাদের সন্তানেরা দামি মাদক আইস সেবন করে।

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার হাফিজ আক্তার বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে ক্রেতা ও বহনকারী রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ইয়াবা ও আইস অবিচ্ছেদ অংশ। যারা ইয়াবার কারবার করে, তারাই আইসের কারবারে জড়িত। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করে মূল হোতাসহ করে পুরো চক্রকে গ্রেপ্তার করা হবে।

অভিযান পরিচালনকারী ডিবির উপকমিশনার মশিউর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মিরপুর ও মোহাম্মদপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একাধিক মামলা হয়েছে। এর আগেও তাঁদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে রাজধানীর একাধিক থানায় মামলা রয়েছে। এখন কক্সবাজার ও চট্টগ্রামে মাদক চক্র শনাক্ত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার পর সরবরাহকারীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, এক গ্রাম আইস দিয়ে কয়েক শ ইয়াবা বড়ি তৈরি করা সম্ভব।

 

 

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর আত্রাই রেলস্টেশনে আগমন উপলক্ষে স্থপিত স্মৃতিস্তম্ভের সংস্কার ও সৌন্দর্য্য বর্ধনের উদ্বোধন করা হয়েছে।  রোববার উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বিকাল চারটায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে নওগাঁর আত্রাই রেল স্টেশনে অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইকতেখারুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধন করেন আত্রাই- রাণীনগর নির্বাচন এলাকার সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আনোয়ার হোসেন হেলাল।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আত্রাই উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এবাদুর রহমান এবাদ। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি)মন্জুর মোরশেদ, আত্রাই থানা অফিসার ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদ,উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক ও আহসান গঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আক্কাছ আলী, আত্রাই উপজেলা প্রেস ক্লাব সভাপতি একেএম কামাল উদ্দিন, নওগাঁ জেলা পরিষদের সদস্য ফেরদৌসি চৌধুরী ডেজি,আহসানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন মাষ্টার মোঃ ছাইফুল ইসলাম,আত্রাই উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শেখ হাফিজুর রহমান হাফিজ,ভোঁ-পাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি আবুল কাশেম, আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল কুদ্দুস, উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মেহেদি মসনদ স্বরুপ, সাধারণ সম্পাদ সোহাগসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

 

অনুষ্ঠানটি সঞ্চলনা করেন উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার ফজলুল হক।অনুষ্ঠান পূর্বে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পন করা হয়। এছাড়া জাতীয় শোক দিবস উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আত্রাই মহিলা কলেজ রোডে ছয় চল্লিশটি ফলজ-বনজ গাছ রোপন করা হয়।

 

 

নওগাঁয় সারা দেশের ন্যায় যথাযোগ্য মর্যাদা বঙ্গবন্ধুর জাতীয় শোক দিবস পালিত।

 

নওগাঁয় সারা দেশের ন্যায় যথাযোগ্য মর্যাদা বঙ্গবন্ধুর জাতীয় শোক দিবস ও ৪৬তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন নওগাঁ জেলা প্রশাসক হারুন অর রশিদ, জেলা পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান মিয়া বিপিএম, জেলা আওয়ামীলীগ ও আওয়ামী লীগের সহযোগী অঙ্গ সংগঠন , নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাব, সাংবাদিক ইউনিয়ন জেলা শাখা সহ বিভিন্ন সরকারী কর্মকর্তা বেসরকারী ও সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন আজ রোববার সকাল ০৯টায় জেলার প্রাণকেন্দ্র মুক্তিরমোড়ে  বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ  করেন।

 

 

 

 

স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬ তম শাহাদাতবার্ষিকী এবং জাতীয় শোক দিবস স্মরণে দোয়া মাহফিল কর্মসূচী পালন করেছে রিয়েল এস্টেট এ্যান্ড হাউজিং এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)।

 

১৫ আগস্ট, রবিবার দুপুরে রাজধানীর সোনারগাঁও রোডে রিহ্যাবের প্রধান কার্যালয়ে এই দোয়া মাহফিল কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠান শেষে হাজারের অধিক মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়।

দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে রিহ্যাব এর বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ বঙ্গবন্ধুর জীবন দর্শন তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন রিহ্যাব এর ভাইস প্রেসিডেন্ট কামাল মাহমুদ। তিনি বলেন, শুধুমাত্র স্বাধীনতা অর্জনই নয়, স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে সমহিমায় প্রতিষ্ঠা করতে বঙ্গবন্ধু নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে গেছেন। বঙ্গবন্ধু রাজনৈতিক স্বাধীনতার পাশাপাশি জনগণের অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জনের লক্ষ্যে সারাজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত ‘সোনার বাংলা’ প্রতিষ্ঠাই ছিল তার স্বপ্ন। বাঙালি ও বাংলাদেশের ইতিহাসে জাতির জনকের অবদান চিরদিন তাই স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে বলেও উল্লেখ করেন কামাল মাহমুদ।

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কালচারাল স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম (ইসলাম)। অনুষ্ঠানে রিহ্যাব ভাইস প্রেসিডেন্ট বৃন্দ এবং সদস্য প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিবৃন্দ সহ বিপুল সংখ্যক রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী উপস্থিত ছিলেন।

 

 

 

দেশের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে পাবজি ও ফ্রি ফায়ারের মতো ক্ষতিকারক গেম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ সোমবার রুলসহ এ আদেশ দেন।

দেশের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে টিকটক, বিগো লাইভ, পাবজি, ফ্রি ফায়ার, লাইকিসহ এ ধরনের অনলাইন গেম ও অ্যাপ বন্ধ করে অবিলম্বে অপসারণের ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা চেয়ে গত ২৪ জুন মানবাধিকার সংগঠন ল অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশনের পক্ষে রিটটি করা হয়।

 

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ হুমায়ন কবির। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী।

আদেশের বিষয়টি জানিয়ে আইনজীবী মোহাম্মদ হুমায়ন কবির প্রথম আলোকে বলেন, দেশের অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পাবজি ও ফ্রি ফায়ারের মতো ক্ষতিকারক গেমের লিংক-গেটওয়ে তিন মাসের জন্য বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। পাবজি, ফ্রি ফায়ার, লাইকি, বিগো লাইভসহ ক্ষতিকারক সব গেম ও লাইভ স্ট্রিমিং অ্যাপ দেশের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে অপসারণ করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, রুলে তা জানতে চাওয়া হয়েছে। এ ছাড়া অনলাইন গেমস-অ্যাপ তদারকি এবং এ বিষয়ে গাইডলাইন তৈরি করতে কারিগরি দক্ষতাসম্পন্ন একটি কমিটি গঠন করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা–ও জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।

ডাক ও টেলিযোগাযোগসচিব, বিটিআরসির চেয়ারম্যান, শিক্ষাসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, আইনসচিব, স্বাস্থ্যসচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ বিবাদীদের ১০ দিনের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে বলে জানান মোহাম্মদ হুমায়ন কবির।

ওই সব গেম ও অ্যাপের ক্ষতিকর দিক তুলে ধরে তা বন্ধে পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ জানিয়ে ল অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশনের পক্ষে ১৯ জুন সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বরাবর আইনি নোটিশ পাঠানো হয়। নোটিশের জবাব না পেয়ে রিটটি করা হয়।

রিটে বলা হয়, পাবজি ও ফ্রি ফায়ারের মতো গেমে দেশের যুবসমাজ ও শিশু-কিশোরেরা আসক্ত হয়ে পড়েছে। ফলে সামাজিক মূল্যবোধ, শিক্ষা–সংস্কৃতি বিনষ্ট হচ্ছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম হয়ে পড়ছে মেধাহীন। অন্যদিকে টিকটক ও লাইকির মতো অ্যাপ ব্যবহার করে দেশের শিশু-কিশোর ও যুবসমাজ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হচ্ছে। জড়িয়ে পড়ছে অপরাধে। দেশে কিশোর গ্যাংয়ের সংস্কৃতি তৈরি হচ্ছে। সম্প্রতি নারী পাচারের ঘটনা এবং দেশের বাইরে টিকটক, লাইকি ও বিগো লাইভের মাধ্যমে অর্থ পাচার হয়েছে, যা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক, দেশের জনস্বার্থ, শৃঙ্খলা ও মূল্যবোধের পরিপন্থী।

 

 

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল চারদিক থেকে ঘিরে ফেলেছে তালেবান বাহিনী।

পাশাপাশি রাজধানীতে ঢুকতেও শুরু তারা। এই পরিস্থিতিতে ধ্বংসযজ্ঞ এড়াতে ‘শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের’ আলোচনা শুরু হয়েছে তালেবান ও গণি সরকারের মধ্যে। বর্তমান সরকার ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের’ হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে। আর এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে প্রধান হিসেবে দেশটির সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কূটনীতিক আলী আহমাদ জালালি নাম শোনা যাচ্ছে।

আজ রোববার আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

 

আলী আহমাদ জালালি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হচ্ছে বলে জানিয়েছে আফগানিস্তানের সংবাদ সংস্থা খামা প্রেসও। বিশেষ সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে খামা প্রেসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তালেবান বাহিনী একের পর এক এলাকা দখল করে নেওয়ার পর আজ কাবুলে প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবনে জরুরি বৈঠকে বসেছেন প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি। আফগানিস্তানের হাই কাউন্সিল ফর ন্যাশনাল রিকনসিলিয়েশনের প্রধান আবদুল্লাহ আবদুল্লাহ ক্ষমতা হস্তান্তর শুরুর প্রক্রিয়ার মধ্যস্থতা করছেন বলে মনে করা হচ্ছে।

 

রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, এর আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল সাত্তার মিরজাকওয়াল এক টেলিভিশন ভাষণে বলেছেন, শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হবে। তবে এই ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।

তবে জালালির নিয়োগের চূড়ান্ত অনুমোদন তালেবান দেবে কি না, সেই ব্যাপারে স্পষ্ট করে কিছু জানা যায়নি। সূত্রগুলো বলছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধানের জন্য এখন পর্যন্ত জালালিই সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি।

জালালি ২০০৩ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত আফগানিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। আর জার্মানিতে আফগানিস্তানের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ২০১৭ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত।

এর আগে তালেবান এক বিবৃতি দিয়ে জানায়, কাবুলের বাসিন্দাদের ভয়ের কিছু নেই। শান্তিপূর্ণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তারা কাবুলে ঢুকবে।

 

 

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে ঢুকে পড়েছে তালেবান যোদ্ধারা। শহরটির চারদিক থেকে প্রবেশ করছে বাহিনীটির যোদ্ধারা।

আজ রোববার আফগানিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

 

কাতারের রাজধানী দোহায় অবস্থানকারী তালেবানের এক নেতার বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, রাজধানী শহরটিতে যোদ্ধাদের সহিংসতা থেকে বিরত থাকতে বলেছে তালেবান। কেউ শহরটি ত্যাগ করতে চাইলে, তাদের এ সুযোগ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বাহিনীটি। এ ছাড়া নারীদের নিরাপদে অবস্থান করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
কাবুলে তালেবানের প্রবেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদক ইয়ালদা হাকিমও। তিনি জানিয়েছেন, তালেবান যোদ্ধাদের কাবুলে তেমন কোনো প্রতিরোধের মুখে পড়তে হচ্ছে না।

 

 

 

 

এদিকে বিভিন্ন গণমাধ্যমে যখন কাবুলে তালেবানের প্রবেশের খবর প্রচারিত হচ্ছে, তখন শহরটির পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে দাবি করছে আফগান সরকার। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম টুইটারে আফগান প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে জানানো হয়, কাবুলে বিচ্ছিন্ন কিছু গোলাগুলি হয়েছে। তবে আক্রমণের ঘটনা ঘটেনি।

আফগানিস্তানের নিরাপত্তাকর্মী ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা তাঁদের বিদেশি অংশীদারদের সঙ্গে নিয়ে শহরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছেন।

 

 

 

এর আগে আজ সকালে আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় গুরুত্বপূর্ণ শহর জালালাবাদের দখল নেয় তালেবান। কোনো প্রতিরোধ ছাড়াই তালেবান শহরটির দখল নিতে সক্ষম হয়। জালালাবাদ দখলের মধ্য দিয়ে আফগানিস্তানের ৩৪টি প্রদেশের মধ্যে অন্তত ২০টির রাজধানীর নিয়ন্ত্রণ এখন তালেবানের হাতে।

 

 

 

 

বাঙালির স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সমবেদনা জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

 

রোববার বঙ্গবন্ধুর ৪৬তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার ইমরান খান প্রধানমন্ত্রীকে এক বার্তায় এই সমবেদনা জানান। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে ইমরান খান লিখেছেন, ‘আপনার বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং আপনার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের ৪৬তম শাহাদাতবার্ষিকীতে আপনার ও বাংলাদেশের জনগণের প্রতি আমাদের গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।

সর্বশক্তিমান আল্লাহ তাঁর (বঙ্গবন্ধু) ও আপনার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের জান্নাতবাসী করুন। আমিন!

 

 

 

বাঙালির জন্য আজকের দিনটি শোকের।

 

একই সঙ্গে হারানোরও। বিশ্ব মানবতার জন্যও আজকের দিনটি কলঙ্কের। স্বাধীনতার মহান স্থপতি বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হারানোর দিন আজ।

শুধু বাংলাদেশ ভূখণ্ডে নয়, দুনিয়াজুড়ে বিবেকবান মানুষের কাছে ভয়ংকর বিষাদের এক দিন ১৫ আগস্ট। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে সেনাবাহিনীর কিছুসংখ্যক বিপথগামী সদস্য ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাসভবনে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবার হত্যা করে। ইতিহাসের ঘৃণ্য ও নৃশংসতম হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে তারা কলঙ্কিত করে বাঙালি জাতিকে। তবে খুনিদের অনেকের ফাঁসি কার্যকরের মাধ্যমে জাতি কিছুটা হলেও কালিমামুক্ত হয়েছে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অর্জিত বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা ঘৃণিত খুনিরা আজ ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে।

 

 

 

 

বঙ্গবন্ধু ছাড়াও ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাতে তাঁর সহধর্মিণী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, তিন ছেলে শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশুপুত্র শেখ রাসেল, পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামাল, বঙ্গবন্ধুর একমাত্র ভাই শেখ আবু নাসের, বঙ্গবন্ধুর ফোন পেয়ে তাঁর জীবন বাঁচাতে ছুটে আসা কর্নেল জামিল, এসবির কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান ও সেনাসদস্য সৈয়দ মাহবুবুল হককে হত্যা করা হয়।

ওই কালরাতেই বিপথগামী সেনাসদস্যদের আরেকটি দল বঙ্গবন্ধুর ভাগনে যুবলীগের নেতা শেখ ফজলুল হক মনির বাসায় হামলা চালিয়ে তাঁকে, তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনিকে হত্যা করে। এ ছাড়া হত্যা করা হয় বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাতের বাসায় হামলা করে তাঁকে ও তাঁর কন্যা বেবি, পুত্র আরিফ সেরনিয়াবাত, নাতি সুকান্ত বাবু, সেরনিয়াবাতের বড় ভাইয়ের ছেলে সজীব সেরনিয়াবাত এবং এক আত্মীয় আবদুল নঈম খানকে।

ওই সময় বঙ্গবন্ধুর দুই মেয়ে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থান করায় বেঁচে যান।

 

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ইনডেমনিটি (দায়মুক্তি) অধ্যাদেশের মাধ্যমে বিচারের পথ রুদ্ধ করা হয়। এমনকি খুনিদের দেশের বাইরে বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়। দীর্ঘ ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রক্ষমতায় আসার পর খুনিদের বিচার শুরু হয়। একই সঙ্গে ১৫ আগস্টকে জাতীয় শোক দিবস ঘোষণা করা হয়। এই দিনে সরকারি ছুটিও ঘোষণা করা হয়।

১৯৯৬ সালের জুনে ক্ষমতায় এসে আওয়ামী লীগ সরকার তাদের পাঁচ বছরের মেয়াদে বিচারপ্রক্রিয়া শেষ করে যেতে পারেনি। এরপর ২০০৮ সালে ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ আবার জয়ী হয়ে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার বিচারপ্রক্রিয়া শেষ করার উদ্যোগ নেয়। আদালতের রায় অনুসারে, ২০১০ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার পাঁচ আসামি সৈয়দ ফারুক রহমান, বজলুল হুদা, এ কে এম মহিউদ্দিন আহমেদ, সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খান ও মুহিউদ্দিন আহমেদের ফাঁসি কার্যকর করা হয়। তখন পর্যন্ত মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ছিলেন ছয়জন। সর্বশেষ গত বছরের ৬ এপ্রিল ঢাকা থেকেই গ্রেপ্তার করা হয় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদকে। ওই এপ্রিল মাসের ১১ তারিখ রাতে তাঁর ফাঁসি কার্যকর হয়। এখন পলাতক আছেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ আসামি।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ তাঁর বাণীতে বঙ্গবন্ধুর নীতি-আদর্শ ও জীবনী থেকে শিক্ষা নিয়ে করোনার সংকটময় এই মুহূর্তে দেশবাসীর পাশে দাঁড়াতে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এটাই হবে মুজিব বর্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর একটি উত্তম প্রয়াস।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর বাণীতে বলেন, জাতির পিতার হত্যার বিচারের রায় কার্যকর করা হয়েছে। হত্যার ষড়যন্ত্রের পেছনে কারা ছিল, সেটাও একদিন বের হয়ে আসবে। তিনি বলেন, ঘাতক চক্র বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে হত্যা করলেও তাঁর স্বপ্ন ও আদর্শের মৃত্যু ঘটাতে পারেনি। স্বাধীনতাবিরোধী সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী এবং উন্নয়ন ও গণতন্ত্রবিরোধী চক্রের যেকোনো অপতৎপরতা-ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করার জন্য সর্বদা প্রস্তুত থাকতে হবে।

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদ্‌যাপন জাতীয় কমিটির পক্ষ থেকে পৃথক নকশার তিনটি পোস্টার প্রকাশ করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর ছবিসহ একটি পোস্টারে লেখা হয়েছে, ‘শোক থেকে শক্তি, শোক থেকে জাগরণ’।

আওয়ামী লীগের কর্মসূচি

করোনার সংক্রমণের কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে জাতীয় শোক দিবস যথাযথ মর্যাদায় পালন করতে মাসব্যাপী কর্মসূচি পালন করছে বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া দল আওয়ামী লীগ। আজ ১৫ আগস্ট সূর্যোদয়ের ক্ষণে ধানমন্ডির বঙ্গবন্ধু ভবন এবং আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশে সংগঠনের সব স্তরের কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ ও কালো পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দলীয় কর্মসূচি শুরু হবে।

সকাল সাতটায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্মৃতিবিজড়িত ধানমন্ডির বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে তাঁর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করবেন কেন্দ্রীয় নেতারা। এরপর ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ, সহযোগী সংগঠনসহ মহানগরের প্রতিটি শাখার নেতা-কর্মীরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।

 

সকাল পৌনে আটটায় বনানী কবরস্থানে ১৫ আগস্টে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, কবর জিয়ারত, ফাতেহা পাঠ, মোনাজাত ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। সকাল সাড়ে ১০টায় টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, ফাতেহা পাঠ, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

বাদ জোহর কেন্দ্রীয়ভাবে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমসহ দেশের মসজিদে মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। এ ছাড়া দেশব্যাপী মন্দির, প্যাগোডা, গির্জা, উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা কর্মসূচি পালন করা হবে।

অসচ্ছল, এতিম ও দুস্থদের মধ্যে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন কমিটির পক্ষ খাদ্য বিতরণ করা হবে। এ ছাড়া কাল সোমবার বেলা সাড়ে তিনটায় বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতি হিসেবে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হবেন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের  হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের

 

 

সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনাগুলো সঠিক বাস্তবায়ন করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের প্রেক্ষিত পরিকল্পনা বা ডেল্টা প্ল্যান মাথায় রেখে উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং সেগুলোর বাস্তবায়ন যেন যথাযথভাবে হয়। লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা যেন কোনোভাবে ব্যর্থ না হয়।

 

তিনি বলেন, উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে ইতোমধ্যে আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি। ভবিষ্যতে আরও অনেক দূর যেতে হবে এবং সে পরিকল্পনাও হাতে নিয়েছি।

সরকার প্রধান বলেন, আমাদের একটিই লক্ষ্য, তৃণমূল পর্যায়ের মানুষগুলো যেন উন্নত জীবন পায়। দারিদ্র্যের হাত থেকে মুক্তি পায়। অন্ন-বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসার সুযোগ পায়।

বাংলাদেশ যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে ভবিষ্যতেও যেন এভাবেই এগিয়ে যেতে পারে। সেভাবে আমাদের কার্যক্রম চালাতে হবে। তার ভিত্তি আমরাই তৈরি করেছি, সেটা ধরে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন এবং দেশটাকে তিনি উন্নত সমৃদ্ধ করতে চেয়েছিলেন। আমরা সে লক্ষ্য পূরণে কাজ করছি।

 

বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা 

বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা

বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা

বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা 

বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা 

বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা

বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা

বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা 

শিগগিরই একুশে আগস্ট মামলার রায় কার্যকর হবে, প্রধানমন্ত্রীর আশাবাদ

সাংবাদিকদের হয়রানি বন্ধে…

 

 

সকাল থেকে পুরান ঢাকার ইমামবাড়া হোসেনি দালানে জড়ো হতে থাকেন শিয়া সম্প্রদায়ের মুসলমানরা। বিগত বছরের মতো এবারও তাজিয়া মিছিল না করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। গেলো বছরে হোসেনি দালানের ভেতরেই মিছিল করেন শিয়া সম্প্রদায়।

 

তবে এবার নিষেধাজ্ঞা ভেঙে সড়কে তাজিয়া মিছিল করতে দেখা গেছে।

শুক্রবার (২০ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে শত শত মানুষ হোসেনি দালানের ভেতরেই মিছিল করেন। সেই মিছিল থেকে অনেকেই বের হয়ে সড়কেও মিছিল করেছেন। কোনও কোনও জায়গায় পুলিশ বাধা দিলেও তাদের উপেক্ষা করে মিছিল বের হয়। বিক্ষিপ্তভাবে চকবাজার, লালবাগ, আজিমপুর এলাকায় মিছিল করেন তারা।

 

ইসলামি ইতিহাসে হিজরি বর্ষের প্রথম মাস মুহররমের দশ তারিখকে আশুরার দিন বলা হয়। ৬১ হিজরি সালের এ দিনে মহানবী (সা.)-এর প্রিয় দৌহিত্র ইমাম হুসাইন (রা.) কারবালার ময়দানে নির্মমভাবে শাহাদাতবরণ করেন। এই শোক ও স্মৃতিকে স্মরণ করে সারা বিশ্বে মুসলিমরা আশুরাকে ত্যাগ ও শোকের দিন হিসেবে পালন করেন। দেশে শিয়া সম্প্রদায় মুহররম মাসের প্রথম দশদিন শোক স্মরণে নানা কর্মসূচি পালন করেন। করোনা মহামারিতে এ আয়োজন হচ্ছে সীমিত আকারে।

 

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে সকল ধর্মীয় উপাসনালয়ে ইতোপূর্বে আরোপিত বিধিনিষেধ বহাল থাকবে। একইসঙ্গে পবিত্র মুহাররম উপলক্ষে সকল প্রকার তাজিয়া মিছিল, শোভাযাত্রা, মিছিল ইত্যাদি বন্ধ থাকবে। তবে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব অনুসরণপূর্বক আবশ্যক সকল ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান প্রতিপালিত হবে।

স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব অনুসরণের নির্দেশনা থাকলেও তা ছিলো উপেক্ষিত। হোসাইনি দালানে অনেকে ছিলেন মাস্ক ছাড়া। আর মানুষের ভিড় ছিলো অনিয়ন্ত্রিত। শোকের স্মৃতি নিয়ে হোসাইনি দালানের সীমানার ভেতরেই হয় তাজিয়া মিছিল। বুক চাপড়ে মাতম করছেন তারা। বেশির ভাগ মানুষ কালো পোষাকে এসেছেন শোকের বহিঃপ্রকাশে।

 

তাজিয়া মিছিল তাজিয়া মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল 

 

ধারণাতীত দ্রুততার সঙ্গে আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে তালেবান। ঘটনার আকস্মিকতায় বিস্মিত হয়েছেন বিশ্বের কূটনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকেরা। তালেবানের হাতে কাবুলের দখল চলে যাওয়ার পরপরই দেশগুলো আফগানিস্তানে থাকা তাদের কূটনীতিক ও নাগরিকদের দ্রুত ফিরিয়ে নেওয়া শুরু করে। আর ফেলে যায় আফগানিস্তানে তাদের দুই দশকের কাজ ও বিনিয়োগ।

তালেবানের জয় দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পাকিস্তান ও চীনের সঙ্গে ঐতিহাসিকভাবে উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্ক এবং সীমান্ত বিরোধের কারণে এটি ভারতকে বিশেষভাবে পরীক্ষায় ফেলতে পারে। কারণ, পাকিস্তান ও চীন আফগানিস্তানের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

আফগানিস্তান সীমান্তে পাকিস্তানের তেমন কড়াকড়ি নেই। তা ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে পাকিস্তান তার উত্তরের এ প্রতিবেশী দেশের বিষয়ে সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসছে। এখন চীনও আফগানিস্তানের বিষয়ে বেশ আগ্রহী হয়ে উঠেছে। গত মাসেই চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই জ্যেষ্ঠ তালেবান নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সেখানে তিনি এটা স্পষ্ট করেছেন, বেইজিং আর চুপ করে বসে থাকবে না (আফগানিস্তান ইস্যুতে)।

 

 

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ক্রমে বিকাশমান সম্পর্কে খুশি ছিল না পাকিস্তান। আফগানিস্তানের ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনির পাকিস্তানের সঙ্গে ‘ধরি মাছ না ছুঁই পানি’র মতো করে সম্পর্ক রাখাও ঠিকভাবে নিতে পারছিল না ইসলামাবাদ। পাকিস্তানের অর্থনৈতিক দুরবস্থাও তাদের মাথাব্যথার একটি কারণ
আফগানিস্তান ও সিরিয়ায় ভারতের নিযুক্ত সাবেক রাষ্ট্রদূত গৌতম মুখোপাধ্যায় বলেছেন, সম্ভাব্য ভূরাজনীতির এ চেহারা ‘সবকিছু ওলট–পালট করে দিতে পারে’।

পশ্চিমা বিশ্ব এবং ভারতের মতো অন্য গণতান্ত্রিক দেশগুলোর সঙ্গে আফগানিস্তান সরকারের যে মৈত্রী ছিল, তা খুব জোরালো ছিল না। কিন্তু খুব শিগগির সম্ভবত পাকিস্তান, রাশিয়া, ইরান ও চীনকে এ খেলার পরবর্তী অধ্যায়ে দেখা যাবে।

 

 

 

ভারতের অনেকেই একে দিল্লির পরাজয় এবং পাকিস্তানের বড় জয় হিসেবে দেখছেন। কিন্তু সাবেক ভারতীয় কূটনীতিক জিতেন্দ্র নাথ মিশ্র এভাবে ভাবতে নারাজ। তাঁর মতে, এটা খুব সরল ভাবনা। কারণ, পশতুন নেতৃত্বাধীন তালেবান কখনো আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের সীমান্তকে দুই দেশের সীমান্ত বলে বিবেচনা করে না। এটা ইসলামাবাদের জন্য সব সময় অস্বস্তির কারণ হয়ে আসছে। তিনি আরও বলেন, পাকিস্তান চাইবে তালেবান এটাকে সীমান্ত হিসেবে বিবেচনা করুক। এটিই হবে তাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।

তবে এটাও সত্য, আফগানিস্তানে তালেবানের শাসন পাকিস্তানকে ভারতের বিরুদ্ধে কৌশলগত সুবিধা দেয়। ওয়াশিংটনভিত্তিক থিঙ্কট্যাংক উইলসন সেন্টারের উপপরিচালক মাইকেল কুগেলমান বলেন, ইসলামাবাদ সব সময় যা চেয়েছিল, তা-ই পেয়েছে। তারা চেয়েছিল আফগানিস্তানে এমন একটি সরকার, যাদের সহজেই প্রভাবিত করতে পারবে। তিনি আরও বলেন, পাকিস্তানের কর্তাব্যক্তিরা এ ঘটনাকে ভারতের পরাজয় হিসেবে দেখাতে পারেন। কিন্তু এরপরও পাকিস্তানের আরও বড় কৌশলগত কিছু বিষয় থাকবে। এ মুহূর্তে তারা সত্যিই নিজেদের ওই অঞ্চলের সবচেয়ে বড় বিজয়ী হিসেবে দেখছে।

 

 

 

ওয়াশিংটনভিত্তিক থিঙ্কট্যাংক উইলসন সেন্টারের উপপরিচালক মাইকেল কুগেলমান বলেন, ইসলামাবাদ সব সময় যা চেয়েছিল, তা-ই পেয়েছে। তারা চেয়েছিল আফগানিস্তানে এমন একটি সরকার, যাদের সহজেই প্রভাবিত করতে পারবে
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ক্রমে বিকাশমান সম্পর্কে খুশি ছিল না পাকিস্তান। আফগানিস্তানের ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনির পাকিস্তানের সঙ্গে ‘ধরি মাছ না ছুঁই পানি’র মতো করে সম্পর্ক রাখাও ঠিকভাবে নিতে পারছিল না ইসলামাবাদ। পাকিস্তানের অর্থনৈতিক দুরবস্থাও তাদের মাথাব্যথার একটি কারণ।

এখন নিজেদের জয়ী ভাবার একটা উপলক্ষ পেয়েছে ইসলামাবাদ। কারণ, আফগানিস্তান ইস্যুতে চীনের সঙ্গে তাদের বন্ধুত্ব কাজে লাগবে। এ ছাড়া বেইজিংও এখন আর নিজেদের শক্তি দেখাতে রাখঢাক রাখছে না। ভারতীয় কূটনীতিক জিতেন্দ্র নাথ মিশ্র বলেন, চীন এখন নিজেদের মতো করে খেলবে।

সুয়ারেজের দাওয়াতে বার্সেলোনায় ফিরলেন মেসি-নেইমার

চুয়াডাঙ্গা শহীদ দিবস; মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতি ইতিহাস হয়ে থাক

 

এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা এলাকা 

 

খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা

পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু পরমতসহিষ্ণু

আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে আফগানিস্তানে

খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা খালেদা

হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের হারের

কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার কথামালার

সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক সামরিক

Leave A Reply

Your email address will not be published.