বাবু খাইছো গানের মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন হিরো আলম

মামলা থেকে মুক্তি পেলেন হিরো আলম

আলোচিত ‘বাবু খাইছো’ গানের শিরোনাম, কথা, সুর চুরি ও বিকৃত করার অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মামলা থেকে হিরো আলম ও আতাউর রহমান মমকে অব্যাহতি দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বুধবার ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আসসামছ জগলুল হোসেন মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে তাদের অব্যাহতি দেন। সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের পেশকার শামীম আল মামুন বিষয়টি কালের কণ্ঠকে নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে সাক্ষ্য প্রমাণে সত্যতা খুঁজে না পাওয়ায় গত ২১ সেপ্টেম্বর ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডি উপপরিদর্শক শাখাওয়াত হোসেন চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। এবিষয় শুনানির জন্য বুধবার দিন ধার্য ছিল। এর আগে গত বছরের ৬ ডিসেম্বর ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন হিরো আলম ও আতাউর রহমানের বিরুদ্ধে ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালে মীর শাহরিয়ার মাসুম বাদী হয়ে মামলা করেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে সিআইডিকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

মামলার অভিযোগে বাদী বলেন, সম্প্রতি তুমুল আলোচনায় আসা ‘বাবু খাইছো’ গানটি মীরের সুরে লিখেছেন ও গেয়েছেন তারই ছোট ভাই ডিজে মারুফ। এটি ৫ সেপ্টেম্বর ঈগল মিউজিকের ব্যানারে প্রকাশ হয়। এরপর ইউটিউব, ফেসবুক হয়ে তুমুল জনপ্রিয় ও ভাইরাল হয় গানটি। গানটির মাধ্যমে সাম্প্রতিক প্রেমিক-প্রেমিকাদের কিছু অসঙ্গতি বা কালচার মজার ছলে তুলে আনেন মীর ব্রাদার্স।

এ গানটির সাফল্য দেখে হিরো আলমও তার অনুকরণে নিজের গানটি তৈরি করেছেন। মীর ব্রাদার্সের অভিযোগ, গানটির শিরোনাম, চুম্বক অংশ ও সুর হুবহু নকল করেছেন হিরো আলম। তাদের আরও দাবি, এই গানটি তৈরির মাধ্যমে মূল গান, শিল্পী ও শিল্পের মানহানি করেছেন হিরো আলম।

 

 

 

আরো পড়ুনঃ

 

 

 

হিরো আলম হিরো আলম হিরো আলম হিরো আলম

 

 

মানিকে মাগে হিতে এবার ইংরেজিতে

মানিকে মাগে হিতে গান দিয়ে রাতারাতি বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পেয়েছেন শ্রীংলকার গায়িকা ইয়োহানি ডি সিলভা। তার গানটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হবার পর নানা দেশের শিল্পীরা গানটিকে কভার করেছেন। অনেক তারকাও গানটি গেয়েছেন।

 

এবার গানটি ইংরেজি ভাষায় গাইলেন ওলন্দাজ গায়িকা এমা হিস্টার্স। সুর, তাল এক রেখেই নিজের মতো করে এই গান সাজিয়েছেন এমা। ভিডিওটি পোস্ট হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই সেটি ভাইরাল হয়েছে।

 

প্রায় তিন লক্ষ মানুষ সেটি দেখে ফেলেছেন। এমাকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন তার অনুরাগীরা।

 

মানিকে মাগে হিতে’ একটি সিংহলী সিনেমার গান। গত বছরে সিনেমাটি মুক্তি পায়। চলতি বছরে ইয়োহানি দি সিলভা গানটি নতুন করে গেয়েছেন। এর পরেই আলোচনায় আসে গানটি। আলোচনায় আসেন শিল্পীও।

 

 

কবে যে সেই বিশেষ মানুষকে সবার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেব

জীবনের নতুন একটি বছরে পদার্পণ করলেন বিদ্যা সিনহা মিম। নতুন বছরে জীবন ও চলচ্চিত্র নিয়ে নতুন কী পরিকল্পনা, তা–ই জানালেন এই মডেল ও অভিনয়শিল্পী।

জন্মদিনের শুভেচ্ছা।

থ্যাংক ইউ।

বয়স কত হলো?

মনের দিক থেকে যদি বলি, কাজ শুরু করেছি যে বয়সে, সেখানেই থেমে আছি। এখনো মনে হয়, মাত্রই তো কাজ শুরু করলাম।

তার মানে মেয়েদের বয়স জিজ্ঞাসা করতে নেই, এই তত্ত্বে বিশ্বাসী।

না না, তা নয়। এখনো কেউ বয়স জিজ্ঞাসা করলে মনে হয়, স্কুলের সেই বয়সেই আটকে আছি। এখনো আমি ম্যাচিউরড হইনি। সিনিয়র যে হয়েছি, এই ফিল আমার মধ্যে কখনোই আসে না। আমার চারপাশে যাঁরা থাকেন, তাঁরাও এমনটাই বলেন। তবে আমার বয়স কিন্তু ওপেন, ১৯৯২ সালে জন্ম।

জন্মদিন নিয়ে বিশেষ কোনো পরিকল্পনা?

বার্থডে বরাবরই আমার কাছে স্পেশাল। তবে কখনোই বড়সড় করে উদ্‌যাপন করিনি। ছোটবেলায় বাবা চাকরিসূত্রে যখন ভোলায় ছিল, তখন বড় আয়োজনে জন্মদিন উদ্‌যাপন করা হতো। বুদ্ধিসুদ্ধি হওয়ার পর বাসার সবাই মিলেই শুধু করতাম। এখন ভালো লাগে, রাত ১২টা বাজলেই নানা সারপ্রাইজ ও গুড উইশ পাই। আমার বিশেষ কোনো পরিকল্পনা সেভাবে না থাকলেও সন্ধ্যায় একটা পরিকল্পনা আছে, ওটার কথা তো আর আগে থেকে বলা যায় না।

এই বিশেষ মানুষকে প্রকাশ্যে আনবেন কবে?

কবে যে সেই বিশেষ মানুষকে সবার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেব, তার কোনো পরিকল্পনা এখনো করিনি। আজ সন্ধ্যায়ও হতে পরে। আমি তো মাঝেমধ্যে ফেসবুকে ছবি দিই, কিন্তু সবাই বুঝতে পারে না।

কত বছর ধরে মানুষটা বিশেষ?

ইশ্‌, এত কিছু কেন জানাতে হবে এখন (হাসি)!

জীবনের আরেকটা বছরে পদার্পণ করলেন, জীবন নিয়ে পরিকল্পনা কী শুনি তো?

সৃষ্টিকর্তা আমাকে যা দিয়েছেন, তাতেই আমি হ্যাপি। চাইব, একইভাবে যেন জীবনের আগামী দিনগুলো পার করতে পারি। আমার কিছু স্বপ্ন আছে, সেগুলো পূরণ করতে চাই। ভালো কিছু কাজ যেন দর্শকদের উপহার দিতে পারি। করোনার কারণে প্রায় দুই বছর তো জীবন থেকে নেই হয়ে গেছে। সামনের দিনে কাজের মাধ্যমে পূরণ করতে পারি।

চলচ্চিত্রের খবর বলুন?

মুক্তির অপেক্ষায় আছে ‘পরাণ’ ও ‘দামাল’। শুটিং বাকি আছে ‘ইত্তেফাক’ ও ‘অন্তর্জাল’ চলচ্চিত্রের। কথা হচ্ছে আরও কয়েকটি চলচ্চিত্রের।

১৬ বছরের পেশাগত জীবনে অনেকের সঙ্গেই কাজ করেছেন। কার সঙ্গে জড়িয়ে গুঞ্জন হয়েছে বেশি?

অনেক আগে যখন নাটকে অভিনয় করতাম, তখন সজল ভাইয়াকে নিয়ে বেশি গসিপ হতো। এমনও শুনতে হতো, সজলের সঙ্গে আমার প্রেমের সম্পর্ক। যখন তাহসান ভাইয়ের সঙ্গে কাজ শুরু করলাম, তখনো শুনেছি, আমরা প্রেম করছি। বাপ্পীর সঙ্গে পরপর তিনটা সিনেমা যখন হয়েছে, আমাকে তো তার সঙ্গে বিয়ে দিয়ে হানিমুনেও পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমি যার সঙ্গে কাজ করেছি, তাকে ঘিরেই গসিপ হয়েছে।

 

Leave A Reply

Your email address will not be published.