বাংলাদেশী নাগরিক অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমকালে আটক

১। অদ্য ০৭ আগস্ট ২০২১ তারিখ আনুমানিক ০৫৩০ ঘটিকায় মহেশপুর ব্যাটালিয়ন (৫৮ বিজিবি) এর অধিনস্ত শ্রীনাথপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর থানার চাপাতলা মাঠের তোতা মিয়ার মেহগনি বাগানের মধ্যে হতে বাংলাদেশী ০১ জন (নারী) নাগরিককে অবৈধভাবে বাংলাদেশ হতে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করার অপরাধে আটক করা হয়। আটককৃত ব্যক্তি হলেন বাগেরহাট জেলার মোড়লগঞ্জ থানার হোগলবুনিয়া গ্রামের মৃত কবির শেখ এর স্ত্রী মোছাঃ লাবনী।

২। আটককৃত বাংলাদেশী নাগরিক কে অবৈধভাবে বাংলাদেশ হতে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করার অপরাধে পাসপোর্ট অধ্যাদেশ ১৯৭৩ এর ১১(১)(গ) ধারায় ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর থানায় মামলা দায়ের ও সোপর্দ করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বাংলাদেশী নাগরিক বাংলাদেশী নাগরিক বাংলাদেশী নাগরিক বাংলাদেশী নাগরিক বাংলাদেশী নাগরিক বাংলাদেশী নাগরিক বাংলাদেশী নাগরিক বাংলাদেশী নাগরিক বাংলাদেশী নাগরিক বাংলাদেশী নাগরিক বাংলাদেশী নাগরিক বাংলাদেশী নাগরিক বাংলাদেশী নাগরিক বাংলাদেশী নাগরিক বাংলাদেশী নাগরিক বাংলাদেশী নাগরিক বাংলাদেশী নাগরিক বাংলাদেশী নাগরিক বাংলাদেশী নাগরিক বাংলাদেশী নাগরিক বাংলাদেশী নাগরিক বাংলাদেশী নাগরিক বাংলাদেশী নাগরিক বাংলাদেশী নাগরিক বাংলাদেশী নাগরিক বাংলাদেশী নাগরিক বাংলাদেশী নাগরিক বাংলাদেশী নাগরিক বাংলাদেশী নাগরিক বাংলাদেশী নাগরিক বাংলাদেশী নাগরিক বাংলাদেশী নাগরিক বাংলাদেশী নাগরিক বাংলাদেশী নাগরিক বাংলাদেশী নাগরিক বাংলাদেশী নাগরিক বাংলাদেশী নাগরিক বাংলাদেশী নাগরিক বাংলাদেশী নাগরিক বাংলাদেশী নাগরিক বাংলাদেশী নাগরিক বাংলাদেশী নাগরিক 

 

ইরানের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি গতকাল বৃহস্পতিবার শপথ নিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ আরোপের মধ্যে দেশটির বিপর্যস্ত অর্থনীতি, দুর্বল স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও পারমাণবিক ইস্যুতে দেশটির বিপজ্জনক পরিস্থিতির মধ্যে তিনি শপথ নিলেন।

এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতিরক্ষণশীল ও সাবেক প্রধান বিচারপতি গত মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে চার বছরের মেয়াদে ক্ষমতা গ্রহণ করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খোমেনি উপস্থিত ছিলেন।

দেশটির মধ্যপন্থী প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানির দুই দফা মেয়াদ শেষে রাইসি দায়িত্ব নিলেন। ২০১৫ সাল থেকে দায়িত্ব পালনের সময় বিশ্বের ছয়টি ক্ষমতাধর দেশের সঙ্গে পারমাণবিক সমঝোতা করেন হাসান রুহানি।

গত ১৮ জুনের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হন রাইসি। নির্বাচনে অনেক হেভিওয়েট প্রতিদ্বন্দ্বীকে অংশ নিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে রাইসির বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় বিকেল পাঁচটায় পার্লামেন্ট অধিবেশনে অংশ নেন নতুন প্রেসিডেন্ট।

 

 

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে, এ সময় পার্লামেন্ট ভবনের পার্শ্ববর্তী সড়কগুলোতে যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়। এ ছাড়া তেহরানের সঙ্গে নিকটস্থ আলবুর্জ ও কাজবিন প্রদেশে আড়াই ঘণ্টা বিমান চলাচল বন্ধ থাকে।

 

পেন্টাগনের বাইরে হামলাকারীর পরিচয় প্রকাশ

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের বাইরে হামলা চালিয়ে পুলিশের এক কর্মকর্তাকে হত্যাকারীর পরিচয় প্রকাশ করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআই।

স্থানীয় সময় গত মঙ্গলবার পেন্টাগনের বাস প্ল্যাটফর্মে এই হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার পরপরই প্রতিরক্ষা দপ্তর সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়।

স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার এফবিআই এক বিবৃতিতে জানায়, হামলাকারীর নাম অস্টিন উইলিয়াম ল্যাঞ্জ। ২৭ বছর বয়সী এই যুবক জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের বাসিন্দা। তিনি মঙ্গলবার সকালে পেন্টাগনের কাছেই একটি স্টপেজে বাস থেকে নামেন। তারপর কোনো ধরনের প্ররোচনা ছাড়াই পুলিশ কর্মকর্তা জর্জ গঞ্জালেজকে ছুরিকাঘাত করেন। পরে ওই পুলিশ কর্মকর্তার কাছে থাকা আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে অস্টিন নিজেই নিজেকে গুলি করেন।

 

এফবিআই আরও জানায়, এই হামলার পরপরই পুলিশের অন্য সদস্যরা সেখানে যান। ঘটনাস্থলেই হামলাকারীর মৃত্যু হয়। তবে হামলাকারীর ওপর অন্য পুলিশ সদস্যরা গুলি চালিয়েছিলেন কি না, তা উল্লেখ করেনি এফবিআই। ঘটনাস্থল থেকে গোলাগুলির শব্দ শুনতে পাওয়ার কথা জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।

হামলার পরপরই পুলিশ কর্মকর্তা গঞ্জালেজকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

গঞ্জালেজের মৃত্যুর ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে গঞ্জালেজ প্রাণ হারিয়েছেন। পেন্টাগনে কাজ করেন, সেখানে আসেন—এমন মানুষকে বাঁচাতে গিয়ে তিনি মারা গেছেন।

 

 

হামলার সময় ঘটনাস্থলে থাকা এক পথচারী সামান্য আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে এফবিআই।

অস্টিন কেন এই হামলা চালিয়েছেন, সে সম্পর্কে এফবিআইয়ের বিবৃতিতে কিছু বলা হয়নি।

অস্টিন আগে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন বলে জানিয়েছে জর্জিয়ার স্থানীয় একটি গণমাধ্যম। তাঁর বিরুদ্ধে আগে থেকেই পুলিশের ওপর হামলা, সন্ত্রাসী হুমকি, চুরিসহ নানা অভিযোগ আছে।

 

 

কর্মকর্তারা জানান, মঙ্গলবার ওয়াশিংটনের শহরতলি আরলিংটোনে পেন্টাগন ভবনের প্রবেশমুখের কয়েক মিটার দূরে হামলার ঘটনাটি ঘটে। এ সময় গোলাগুলির শব্দ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় পেন্টাগন সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়।

ঘটনার পরপরই পেন্টাগনে অবস্থানরত লোকজনকে অন্যত্র আশ্রয় নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়। তাঁরা এক ঘণ্টার বেশি সময় অন্যত্র আশ্রয় নিয়ে নিরাপদে থাকেন। ঘটনার ৯০ মিনিট পর এলাকাটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়।

 

পেন্টাগনের বাইরে হামলা,পুলিশ কর্মকর্তা নিহত

বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটনের আরলিংটনে পেন্টাগনের ওই ভবনের প্রবেশপথ থেকে কয়েক মিটার দূরে একটি বাস এবং পাতাল রেলস্টেশনে গুলির শব্দ পাওয়া যায়। এই ঘটনার পরপরই পেন্টাগনে অবস্থানকারী লোকজনকে নিরাপদে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। গোলাগুলির ৯০ মিনিট পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে বলে উল্লেখ করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তবে কীভাবে ওই কর্মকর্তার মৃত্যু হয়েছে, তা নিশ্চিত করা হয়নি। এ ছাড়া এই ঘটনার বিস্তারিত ব্যাখ্যাও দেওয়া হয়নি।

ইরানের ইরানের  ইরানের  ইরানের ইরানের  ইরানেইরানের ইরানের  ইরানের  ইরানের ইরানের  ইরানেইরানের ইরানের  ইরানের  ইরানের ইরানের  ইরানে

 

এ ছাড়া ওই হামলার পর পাতাল রেলসেবা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। ওই রুটে চলাচলকারী বাসগুলো অন্য রাস্তায় ঘুরিয়ে নেওয়া হয়। পেন্টাগনের সদর দপ্তরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পেন্টাগন ফোর্স প্রোটেকশন এজেন্সির প্রধান উডরো কুসে বলেন, যেখানে গুলির ঘটনা ঘটেছে, সেই স্থান এখন নিরাপদ। এই মুহূর্তে কোনো হুমকি নেই। মঙ্গলবারের ঘটনায় অনেকেই আহত হয়েছেন। তবে ওই পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুর ঘটনা নিশ্চিত করেননি কুসে। যদিও কয়েকটি সূত্র বলেছে, ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। পরে হামলাকারী নিরাপত্তারক্ষীদের গুলিতে নিহত হন।

এদিকে নিহত ওই পুলিশ কর্মকর্তার মরদেহ জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। হাসপাতালের বাইরে পুলিশের অনেক সদস্য মোতায়েন রাখতে দেখা যায়।

পুলিশ কর্মকর্তাকে হত্যার ঘটনায় তদন্ত চলছে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী লয়েড অস্টিন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ওই কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। পেন্টাগনে কাজ করেন এবং সেখানে নিয়মিত যান, এমন হাজার কর্মীকে বাঁচিয়েছেন তিনি।

 

সৌদি সরকার হঠাৎ কেন এত কঠোর

সৌদি সরকার বলছে, ২৩ আগস্টের মধ্যে যাঁরা নিবন্ধন করবেন, তাঁরা সব ধরনের শাস্তি থেকে অব্যাহতি পাবেন। এই নিবন্ধনের মাধ্যমে বিদেশি নাগরিকেরা তাঁদের ব্যবসা, বিনিয়োগ ও অন্যান্য লাভজনক আর্থিক কার্যক্রমের বৈধ পূর্ণ ও আংশিক মালিকানার সুযোগ পাবেন।

এই আইনের আওতায় সাজাপ্রাপ্ত বিদেশি নাগরিকদের সাজা ভোগ শেষে সৌদি আরব থেকে বহিষ্কার করা হবে। ভবিষ্যতে সৌদি আরবে তাঁদের আর প্রবেশের সুযোগ থাকবে না।

 

 

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কেউ যদি নিবন্ধন করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তাঁকে সর্বোচ্চ ৫ মিলিয়ন বা ৫০ লাখ সৌদি রিয়াল জরিমানা করা হবে। অথবা পাঁচ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। পাশাপাশি সব ব্যবসা ও সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হবে। এর আগের আইনে জরিমানার পরিমাণ ছিল মাত্র ৫০ হাজার রিয়াল। অথবা সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ডের বিধান ছিল। পাশাপাশি বাজেয়াপ্তের বিধান ছিল ব্যবসা ও সম্পদের ১০ শতাংশ। আইনটি সংশোধন করে এখন কঠোর করা হয়েছে। সব ক্ষেত্রেই বাড়ানো হয়েছে শাস্তি।

সৌদি সরকারের উদ্যোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিবাসীদের নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান রামরুর চেয়ারপারসন তাসনিম সিদ্দিকী একেটিভিকে বলেন, ‘আমরা অনেক সৌদি নাগরিককে দেখেছি নিজে বিনিয়োগ না করেও অর্ধেক মুনাফা নিয়ে যান। কারণ, ব্যবসা তাঁর নামে। কর্মী ভিসায় যাওয়া বাংলাদেশিদের জন্য ব্যবসা কিংবা বিনিয়োগ যেহেতু নিষিদ্ধ, এই সুযোগ নেন সৌদি নাগরিকেরা। সৌদি সরকার ভালো সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সমস্যা হবে যদি কর্মী ভিসায় যাওয়া বাংলাদেশি নাগরিকদের ব্যবসা ভিসায় স্থানান্তর করা না হয়। এ জন্য বাংলাদেশি দূতাবাসকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

 

 

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে নিবন্ধনের পর সৌদি সরকার আইনজীবীর মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করবে। কোনো ব্যবসায়ীর বার্ষিক লেনদেন (টার্নওভার) ২০ মিলিয়ন বা ২ কোটি রিয়ালের বেশি হয়, সে ক্ষেত্রে ৭৫ শতাংশ মালিকানা তাঁর নামে রাখা হবে। বাকি ২৫ শতাংশ থাকবে সরকারের মালিকানায়। কোনো বিনিয়োগকারীর বার্ষিক লেনদেন যদি ২ কোটি রিয়ালের কম হয়, সেই অনুপাতে তাঁর মালিকানা নির্ধারিত হবে। নিবন্ধনের সময় শেষ হওয়ার পর কেউ যদি অবৈধ ব্যবসার খবর সরকারের কাছে পৌঁছে দেয়, তখন সন্ধানদাতাকে ওই ব্যবসার ৩০ শতাংশ মালিকানা দিয়ে ৭০ শতাংশ সরকার নিয়ে নেবে। সৌদি আরবে এখন ২৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করছেন।

সৌদি সরকার হঠাৎ কেন এত কঠোর

বাংলাদেশিসহ বিদেশি নাগরিক সৌদি আরবে কর্মী ভিসায় গিয়ে গোপনে অন্য ব্যবসা করছেন—সরকারের কাছে এই খবর অনেক আগে থেকেই রয়েছে। কিন্তু এত বছর সৌদি সরকার ততটা কঠোর হয়নি। কিন্তু এবার এত কঠোর হওয়ার মূল কারণ, দেশটি ‘ভিশন ২০৩০’ নামে একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, যেখানে তেলের ওপর নির্ভরশীলতা কমানোর কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ অবারিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার। সে জন্য গোপনে যাঁরা ব্যবসা করছেন, তাঁদের মূল স্রোতে আনতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সৌদি ন্যাশনাল কমার্শিয়াল ব্যাংকের অপারেশন ম্যানেজার জালাল আহমেদ একেটিভিকে বলেন, বাংলাদেশ থেকে কর্মী ভিসায় সৌদি আরব গিয়ে অনেকে টাকাপয়সা জমিয়ে সৌদি নাগরিকের নামে ব্যবসা শুরু করেন। এসব ব্যবসার মধ্যে রয়েছে নির্মাণ ব্যবসা, সুপারমার্কেট, হোটেল, রেস্টুরেন্ট, গাড়ি, জনশক্তি রপ্তানি। যখন ব্যবসা বেশ বড় ও লাভজনক হয়, তখন ওই সৌদি নাগরিক বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে বের করে দেন। যেহেতু নিজের নামে ব্যবসার নিবন্ধন নেই, তাই আইনিভাবে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেন না বাংলাদেশিরা। এখন যদি অবৈধ ব্যবসাকে বৈধ করার সুযোগ দেওয়া হয়, তাহলে সে ব্যবসায় নিরাপত্তা থাকবে।

আফগান পুলিশ কর্মকর্তাকে হত্যার দায় নিলো তালেবান

 

আফগান পুলিশের এক কর্মকর্তাকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে তালেবান। গতকাল বৃহস্পতিবার তালেবান এ কথা স্বীকার করে। বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।

নিহত পুলিশ কর্মকর্তার নাম ফজল মোহাম্মদ। তিনি ‘খাসা জওয়ান’ নামে বেশি পরিচিত। অনলাইনে হাস্যরসাত্মক নানান ভিডিও পোস্ট করার জন্য আফগানদের কাছে তিনি তাঁর পুলিশ পরিচয়ের চেয়ে কৌতুক অভিনেতা হিসেবেই বেশি পরিচিতি অর্জন করেন।

ফজল কান্দাহার প্রদেশে কর্মরত ছিলেন। প্রায় দুই সপ্তাহ আগে বাড়িতে ফেরার পর তাঁকে তালেবান তুলে নিয়ে যায়। ফজলের এক সহকর্মী এই তথ্য জানান।

 

 

ফজলকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে হত্যার কথা শুরুতে অস্বীকার করে তালেবান। কিন্তু গত সপ্তাহে এ-সংক্রান্ত একাধিক ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে। তারপরই তাঁকে হত্যার কথা স্বীকার করে তালেবান।

একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ফজলের দুই হাত পিছমোড়া করে বাঁধা। সে অবস্থায় তিনি একটি গাড়িতে বসে আছেন। তাঁর দুই পাশে লোক বসা। এ সময় তাঁকে বারবার চড় মারা হচ্ছিল। অপর একটি ভিডিওতে ফজলের মরদেহ দেখা যায়।

আবারো সব নৌযান বন্ধ

ফজলকে ‘কৌতুক অভিনেতা’ মানতে নারাজ তালেবান। তালেবান মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ গতকাল বলেন, ‘তিনি (ফজল) কৌতুক অভিনেতা ছিলেন না। আমাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। তাঁকে আটক করার পর তিনি পালানোর চেষ্টা করেছিলেন। তখন আমাদের বন্দুকধারীরা তাঁকে গুলি করে।

ফজল আফগান পুলিশের একজন সক্রিয় সদস্য

ফজলকে আফগান পুলিশের একজন সক্রিয় সদস্য হিসেবে উল্লেখ করে তালেবান মুখপাত্র বলেন, তিনি অনেক মানুষের মৃত্যুর জন্য দায়ী।

আফগান

ফজল কখনো যুদ্ধক্ষেত্রে মোতায়েন ছিলেন না বলে জানান তাঁর সহকর্মী পুলিশ কমান্ডার সাইলাব। তিনি বলেন, এই মজাদার লোকটি বরং বিভিন্ন তল্লাশিচৌকিতে পুলিশ সদস্যদের আনন্দ দিতেন।

তালেবান যখন আফগানিস্তানের ক্ষমতায় ছিল, তখন তারা দেশটিতে সব ধরনের বিনোদন নিষিদ্ধ করেছিল। এখন তালেবান দেশটির বিভিন্ন এলাকা দখল করছে। আফগানিস্তানের অর্ধেকের বেশি এলাকা তালেবানের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে বলে খবর বেরিয়েছে।

ইরানের ইরানের  ইরানের  ইরানের ইরানের  ইরানেইরানের ইরানের  ইরানের  ইরানের ইরানের  ইরানেইরানের ইরানের  ইরানের  ইরানের ইরানের  ইরানেইরানের ইরানের  ইরানের  ইরানের ইরানের  ইরানে

ফজলকে হত্যার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। এ নিয়ে এক ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘খাশার নিষ্পাপ চেহারা সব মানুষের হৃদয়কে আহত করেছে। তালেবানরা তাঁকে গুলি করে হত্যা করেছে। তারা পৃথিবীর সবচেয়ে নিষ্ঠুর মানুষ।

কেনো শান্তির ধর্ম ইসলাম গ্রহণ করলেন অভিনেত্রী আয়ানা মুন?

ইসলাম শব্দের মূল ধাতু হচ্ছে সিলম, যার অর্থ শান্তি। অতএব ইসলাম-এর পারিভাষিক অর্থ হবে নবী (সা.)-এর ত্বরীক্বা মোতাবেক আল্লাহর বিধান পালন করে জীবন গঠন করে শান্তি লাভ করা।

পৃথিবীতে অনেক ধর্ম বিদ্যমান রয়েছে। এগুলোর মধ্যে ইসলামই হ’ল সঠিক ও সত্য ধর্ম। বাকী সব বাতিল। পৃথিবীতে যত নবী এসেছেন সকলেই ইসলামের ওপর প্রতিষ্ঠিত ছিলেন।

ইরানের

শান্তির ধর্ম ইসলাম সম্পর্কে জানার পর থেকেই ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হোন কোরিয়ান আলোচিত অভিনেত্রী আয়ানা মুন।

আয়ানা মুন বর্তমান যুগে এক জনপ্রিয় মুসলিম অভিনেত্রীর নাম। তিনি মূলত একজন কোরিয়ান অভিনেত্রী। ২০১০ সালে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন। অনেক বছর আগে ইসলাম গ্রহণ করলেও দীর্ঘ এক দশক পর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ পায় বিষয়টি।

 

মাত্র ১৬ বছর বয়সে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন

মুসলিম নারীদের ফ্যাশন মডেল আয়ানা মুন ১৯৯৫ সালে কোরিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। মাত্র ১৬ বছর বয়সে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন। এরপর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একজন মুসলিম অভিনেত্রী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে কাজ শুরু করেন।

একজন হিজাবি মডেল ও সমাজকর্মী হিসেবে ব্যাপক সুনাম কুড়ান আয়ানা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে তাঁর ৩০ লাখেরও বেশি ফলোয়ার। মালয়েশিয়া, কোরিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায় তাঁর তুমুল জনপ্রিয়তা রয়েছে। ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ায় বিনোদন জগতের একজন তারকা হিসেবে খ্যাতি আছে তাঁর। তা ছাড়া মুসলিম নারীদের ফ্যাশন মডেল হিসেবেও কাজ করেন তিনি।

ইরানের ইরানের  ইরানের  ইরানের ইরানের  ইরানেইরানের ইরানের  ইরানের  ইরানের ইরানের  ইরানেইরানের ইরানের  ইরানের  ইরানের ইরানের  ইরানেইরানের ইরানের  ইরানের  ইরানের ইরানের  ইরানে

পরিবারের মধ্যে আয়ানাই প্রথম ইসলাম গ্রহণ করেন। কৈশোর না পেরোতেই মুসলিম হিসেবে নতুন জীবন শুরু করতে পেরে তিনি মহান আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। তাঁর ইসলাম গ্রহণের পর তাঁর ভাই আদিয়ান মুন ইসলাম গ্রহণ করেন।

ইনস্টাগ্রামে নিজের ইসলাম গ্রহণের গল্প বর্ণনা করেন আয়ানা।

 

 

একটি ভিডিওতে তিনি বলেন, মাত্র সাত-আট বছর বয়সে তিনি ইসলাম সম্পর্কে জানতে পারেন। তখন ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়েছিল। তখন পর্যন্ত আমেরিকা সম্পর্কে জানা থাকলেও ইরাক সম্পর্কে জানাশোনা ছিল না।

ওই সময় তিনি প্রথমবারের মতো ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ পান। ইন্টারনেটে অনুসন্ধান করে ইরাকের অবস্থান ও সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে জানার চেষ্টা করেন। তখনই প্রথম ইরাকের বেশির ভাগ মানুষ ইসলাম ধর্ম অনুসরণ করে বলে জানতে পারেন।

আয়ানা জানতে পারেন যে ইসলাম একটি শান্তির ধর্ম। ইসলাম মানুষকে সুন্দর জীবন গঠনের নির্দেশনা দেয়। এ ছাড়া অনুসন্ধানকালে হিজাবি নারীদের অনেক ছবি দেখতে পান। নারীরা নিজেদের মুখ ঢেকে রাখছে দেখে তিনি কিছুটা বিস্মিত হন।

অবশ্য তার দাদা তখন তার সঙ্গে ইসলাম ও হিজাব নিয়ে আলোচনা করেন। প্রথম দিকে হিজাবের বিষয়টি তাঁর কাছে অযৌক্তিক মনে হয়।

এর পর থেকে নারীর মুখ ও সৌন্দর্য ঢেকে রাখার মূল কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করেন। ইসলাম সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে তাঁর মত পরিবর্তন করেন এবং ইসলামী জীবনাচারে মুগ্ধ হন। তখনই তিনি ইসলামের ছায়াতলে আশ্রয় গ্রহণ করেন।

এরপর থেকে তাঁর পরিচিত বিভিন্ন সেলিব্রিটি ও ব্যক্তির সঙ্গে ইসলাম সম্পর্কে তাঁর জ্ঞান শেয়ার করেন। তখন তিনি ইসলামের জীবনবিধান ও অন্যান্য বিষয় জানার চেষ্টা অব্যাহত রাখেন।

যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ আরোপের মধ্যে ইরানের বিপর্যস্ত অর্থনীতি, দুর্বল স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও পারমাণবিক ইস্যুতে দেশটির বিপজ্জনক পরিস্থিতির মধ্যে তিনি শপথ নিলেন।

 

ইরানের

হযরত নূহ (আ.) এর জীবনী, আল্লাহ’র নির্দেশে বানানো সেই নৌকার ইতিকথা

 

 

মুহাররাম মাস আরবী হিজরি সনের প্রথম মাস। মুহাররাম মাসে পৃথিবীতে প্রধান প্রধান উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটেছে। বিশেষ করে এ মাসের ১০ তারিখ দিনটি বারো মাসের শ্রেষ্টতম স্বরণীয় দিন গুলোর মধ্যে অন্যতম একটি দিন। আল্লাহর গজবে ধ্বংসপ্রাপ্ত পৃথিবীর আদি ছয়টি জাতির মধ্যে কওমে নূহ, ‘আদ, ছামূদ, লূত্ব, কওমে মাদইয়ান ও কাওমে ফেরাউন সম্পর্কে আল্লাহ তাআল কুরআনে আলোচনা করেছেন। ফলে তাদের সংশোধনের জন্য এবং পথভোলা মানুষদের সুপথে আনার জন্য তাদের মধ্যে হতে নবী ও রাসূল পাঠিয়েছিলেন। তন্মধ্যে প্রথম ধ্বংসপ্রাপ্ত জাতি হল নূহ আঃ এর জাতি বা কওমে নূহ। তাদের এ আজাবের সম্পাপ্তি মুহাররাম মাসের ১০ তারিখে হয়েছিল।

আদম আঃ থেকে নূহ আঃ পর্যন্ত দশ শতাব্দির ব্যবধান ছিল।  যার শেষ দিকে মানবকূল শিরক ও কুসংস্কারে নিমজ্জিত ছিল এবং তা বিস্তৃতি লাভ করে।  ফলে তাদের সংশোধনের জন্য আল্লাহ তাআলা নূহ আঃ কে তাদের মাঝে রাসূল রূপে প্রেরণ করেন।  তিনি ৯৫০ বছরে দীর্ঘ বয়স লাভ করেছিলেন এবং সারা জীবন পথভোলা মানুষকে সুপথে আনার জন্য দাওয়াতি কাজে অক্লান্ত পরিশ্রম করেন।

কিন্তু তার স্ব-জাতি তাকে প্রত্যাখ্যান করে। ফলে আল্লাহর গজবে তারা নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। এ জাতির ঘটনা কুরআনের বিভিন্ন স্থানে বর্ণিত হয়েছে এবং কুরআনের মাধ্যমে জগতবাসী জানতে পেরেছে। হযরত নূহ আঃ, হযরত আদম আঃ এর দশম বা অষ্টম অধঃস্তন পুরুষ ছিলেন। সে জন্য তাকে ‘‘আবুল বাশার সানী” বা দ্বিতীয় আদম বলা হয়। তিনি দুনিয়াতে প্রথম রাসূল ছিলেন।

বর্তমান ইরাকের মুছেল নগরীর উত্তর প্রান্তে নূহ আঃ এর জন্ম হয়েছিল। তার চারটি পুত্র ছিল। হাম, সাম, ইয়াফিস ও ইয়াম বা কেনআন। প্রথম তিন জন নূহ আঃ এর প্রতি ঈমান আনেন, শেষজন কাফের হয়ে মহা প্লাবনে ডুবে মারা যায়।  মহাপ্লাবনের শেষে তার তিন পুত্র হাম, সাম, ও ইয়াফিস এর বংশধর বেঁচে ছিলেন।

আল্লাহ তাআলা বলেন, আমি তার (নূহ আঃ) বংশধরগণকেই অবশিষ্ট রেখেছি।  রাসূল সাঃ বলেন, সাম আরব জাতির আদি পিতা, হাম আফ্রিকীয়দের আদি পিতা ও ইয়াফিস গ্রীক দের আদি পিতা।  ফলে ইহুদী খ্রিষ্টানসহ সকল ধর্মের লোকেরা নূহ আঃ কে তাদের আদি পিতা হিসেবে মর্যাদা দিয়ে থাকে।

ইবনে আব্বাস রাঃ বলেন, নূহ আঃ ৪০ বছর বয়সে নবুওয়াত প্রাপ্ত হন এবং মহাপ্লাবনের পর ৬০ বছর বেঁচে ছিলেন।

আদম আঃ এর সময় শিরক ও কুফরের মোকাবেলা ছিল না। তখন সবাই তাওহীদের অনুসারী ও একই উম্মত ছিলেন।  কিন্তু কালের বিবর্তনে মানুষের মধ্যে শিরকের অনুপ্রবেশ ঘটে। নূহ আঃ এর স্বজাতি ওয়াদ্দা, সুওয়া, ইয়াগুছ ও ইয়াউক এবং নাসর প্রমুখ নেককার লোকদের উসিলায় আখিরাতে মুক্তি পাবার আশায় তাদের কবর পাকা করে পূজা শুরু করে।

আদম আঃ ও নূহ আঃ এর মধ্যবর্তী সময়কালে এই পাঁচ জন ব্যক্তি নেককার ও সৎকর্মশীল বান্দা হিসেবে প্রসিদ্ধ ছিলেন। তাদের মৃত্যুর পর তাদের ভক্ত অনুসারীদেরকে শয়তান এই বলে প্ররোচনা দেয় যে, এই সব নেককার মানুষের মূর্তি সামানে থাকলে তাদের দেখে আল্লাহ তাআলার প্রতি ইবাদতে অধিক আগ্রহ সৃষ্টি হবে। ফলে তারা তাদের মূর্তি বানিয়ে পূজা শুরু করে। তাদের মৃত্যুর পর তাদের বংশধরেরা মূর্তি পূজা অব্যহত রাখে, আর এভাবেই পৃথিবীতে প্রথম মূর্তি পূজার শিরকের সূচনা হয়।

অতএব, পৃথিবীর প্রাচীনতম শিরক হল নেককার মানুষের কবর পাকা করে ইবাদতগাহ বানানো এবং পরবর্তীতে তাদের মূর্তি বানিয়ে পূজা করা। যা, আজও প্রায় সকল ধর্মে রূপ নিয়েছে।

 

 

আল্লাহ তাআলা বলেন, আমি নূহ আঃ কে তার স্বজাতির নিকট প্রেরণ করলাম তাদের উপর মর্মান্তিক আজাব আসার পূর্বেই তাদেরকে সর্তক করার জন্যে। নূহ আঃ তাদের কে বললেন, হে আমার জাতি! আমি তোমাদের জন্য সুস্পষ্ট সতর্ককারী। এ বিষয়ে যে, তোমরা আল্লাহর ইবাদত কর, তাঁকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর। তাতে আল্লাহ তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করবেন এবং  নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অবকাশ দেবেন। তবে এটি নিশ্চিত যে, আল্লাহর নির্ধারিত সময় যখন এসে যাবে তখন তা এতটুকু পেছানো হবে না, যদি তোমরা জানতে।

 

 

 

নূহ আঃ স্বজাতিকে দিন-রাত, প্রকাশ্যে ও গোপনে দাওয়াত দেন। কিন্তু তারা তার দাওয়াতে অতিষ্ঠ হয়ে তাকে দেখলে পালিয়ে যেত, কখনো কানে আঙ্গুল দিত, কখনো তাদের চেহারা কাপড় দিয়ে ডেকে ফেলতো। তারা তাদের হঠকারীতা ও জেদে অটল থাকতো এবং চরম ঔদ্ধত্য প্রকাশ করতো।

আল্লাহ তাআলা নূহ আঃ কে ৯৫০ বছরে সুদীর্ঘ জীবন দান করেছিলেন, তিনি এক পুরুষ হতে দ্বিতীয় তৃতীয় পুরুষকে শুধু এ আশায় দাওয়াত দিয়ে যাচ্ছিলেন যে, তারা আল্লাহর প্রতি ঈমান আনবে। শতাব্দির পর শতাব্দির অক্লান্তভাবে দাওয়াত দেওয়ার পরও তার স্বজাতি ঈমান আনেনি।

মূলত এই সময় তার স্বজাতি জনবল ও অর্থবলে বিশ্বে অপ্রতিদ্বন্দ্বী ছিল। সংখ্যাধিক্যের কারণে ইরাকের ভূখন্ডের আবাস সংকুলান হচ্ছিল না। আল্লাহর চিরন্তন নীতি এই যে, তিনি অবাধ্য জাতিকে সাময়িক ভাবে অবকাশ দেন।

এই সুদীর্ঘ দাওয়াতি জিন্দেগিতে তিনি যেমন কখনো চেষ্টায় ক্ষান্ত হননি, তেমনি কখনো নিরাশও হননি। স্বজাতির পক্ষ হতে নানাবিধ নির্যাতানের সম্মুখিন হয়েও ধৈর্যধারণ করেন। তাদের অহংকার ও অত্যচার চরম সীমায় পৌঁছে গিয়েছিল এবং পাপ ষোলকলায় পূর্ণ হয়ে গিয়েছিল। ফলে নূহ আঃ বললেন-  হে আমার পালনকর্তা! আমাকে সাহায্য কর। কেননা ওরা আমাকে মিথ্যবাদী সাব্যস্ত করেছে।

 

 

 

তুমি আমার ও তাদের মাঝে চূড়ান্ত ফায়সালা করে দাও এবং আমাকে ও আমার সাথী মুমিনদেরকে তুমি মুক্ত কর।

আমি অপারগ হয়ে গেছি। এক্ষণে তুমি ওদের ওপর প্রতিশোধ নাও।

হে আমার প্রভু! পৃথিবীতে একটি কাফের গৃহবাসীকেও তুমি ছেড়ে দিওনা। যদি তুমি ওদের রেহাই দাও তাহলে ওরা তোমার সৎ বান্দাদেরকে পথভ্রষ্ট করবে এবং ওরা পাপাচারী ও কাফের ব্যতীত কোনো সন্তান জন্ম দিবে না।

নূহ আঃ কে যখন জাহাজ তৈরীর নির্দেশ দেওয়া হয় তখন তিনি জাহাজ চিনতেন না, তৈরী করতেও জানতেন না। আর সে কারণেই তাঁকে আল্লাহ তাআলা নির্দেশ দিলেন, ‘তুমি আমার চোখের সামনে জাহাজ তৈরী কর আমার ওহী অনুসারে।’

এভাবে সরাসরি অহীর মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা নূহ আঃ এর হাতে জাহাজ শিল্পের গোড়া পত্তন করেন। যুগে যুগে উন্নত সাধিত হয়েছে, আজ আধুনিক বিশ্ব সভ্যতা যার উপরে দাড়িয়ে আছে।

 

ইরান

আল্লাহ তাআলা বলেন, অবশেষে যখন আমার আদেশ আসল এবং চুলা উথলে উঠল।

ইরাকের মুছেল নগরীতে অবস্থিত নূহ আঃ এর পারিবারিক চুলা থেকে পানি উথলে বের হয়। এটি ছিল মহা প্লাবনের প্রাথমিক আলামত।

আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তখন আমি আকাশ সমূহের দুয়ার খুলে দিলাম প্রবল বারিপাতের মাধ্যমে এবং আমি ভূমি থেকে প্রবাহিত করলাম ঝর্ণা সমূহকে। অতঃপর উভয় পানি মিলিত হল পূর্ব নির্ধারিত ডুবিয়ে মারার কাজে।

১০ রযব মাসের শুরু হওয়া এই মহা প্লাবনের সমাপ্তি ঘটে, ইরাকের মুছেল নগরীর উত্তরে ‘‘ইবনে ওমর” দ্বীপের অদূরে আর্মেনিয়া সীমান্তে অবস্থিত যুদি পবর্ত মালায়, ১০ মহাররাম তারিখে জাহাজটি মাটি স্পর্শ করার মাধ্যমে।

 

২৪ আগস্ট বাংলাদেশে আসছে নিউজিল্যান্ড দল

সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি হবে ১ সেপ্টেম্বর। ১০ সেপ্টেম্বরের পঞ্চম টি-টোয়েন্টি দিয়ে শেষ হবে নিউজিল্যান্ডের বাংলাদেশ সফর। অস্ট্রেলিয়া সিরিজের মতো নিউজিল্যান্ড সিরিজেরও সবকটি ম্যাচ হবে মিরপুরের শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে। অবশ্য ম্যাচ শুরুর সময় এখনও নিশ্চিত করা হয়নি। তবে সবকটি ম্যাচই হবে দিবারাত্রির। অস্ট্রেলিয়া সিরিজের ম্যাচগুলো শুরু হচ্ছে সন্ধ্যা ৬টায়।

২০১৩ সালের পর এই প্রথম দ্বিপক্ষীয় সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে আসছে নিউজিল্যান্ড। অবশ্য এ সময়ের মাঝে তিন দফা নিউজিল্যান্ড সফরে গেছে বাংলাদেশ। সর্বশেষ এ বছরের শুরুতে সীমিত ওভারের সিরিজ খেলে এসেছে বাংলাদেশ।

গত বছর এমন সময়েই আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অধীনে দুটি ম্যাচ খেলতে বাংলাদেশ আসার কথা ছিল নিউজিল্যান্ডের। তবে করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে স্থগিত হয়ে যায় সে সফর। শেষ পর্যন্ত সে সিরিজ আর হয়নি।

নিউজিল্যান্ডের এ সফরের পর সীমিত ওভারের সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে আসার কথা ছিল ইংল্যান্ডেরও। তবে ২০২৩ সালের মার্চে পিছিয়ে নেওয়া হয়েছে সেটি। ফলে এ বছরের অক্টোবরে শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশের জন্য শেষ সিরিজ হচ্ছে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেই।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে কাল টি-টোয়েন্টিতে প্রথম জয়ের দেখা পাওয়া বাংলাদেশের জন্য নিউজিল্যান্ড সিরিজেও এই কীর্তি গড়ার হাতছানি থাকছে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মুখোমুখি পঞ্চম টি-টোয়েন্টিতে কাল প্রথম জয়ের দেখা পেয়েছে বাংলাদেশ, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে রেকর্ডটা আরেকটু মলিন। এখন পর্যন্ত নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১০টি টি-টোয়েন্টি খেলেও কখনো জেতেনি বাংলাদেশ, হেরেছে দশটিতেই!

নিউজিল্যান্ডের বাংলাদেশ সফরের সূচি

২৯ আগস্ট – প্রস্তুতি ম্যাচ, বিকেএসপি

১ সেপ্টেম্বর – ১ম টি-টোয়েন্টি, মিরপুর

৩ সেপ্টেম্বর – ২য় টি-টোয়েন্টি, মিরপুর

৫ সেপ্টেম্বর – ৩য় টি-টোয়েন্টি, মিরপুর

৮ সেপ্টেম্বর – ৪র্থ টি-টোয়েন্টি, মিরপুর

১০ সেপ্টেম্বর – ৫ম টি-টোয়েন্টি, মিরপুর

পর্যটকশূন্য বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজার

 

Loading...