পদত্যাগ করলেন সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী স্টিফান লোফভেন

পদত্যাগ করলেন সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী স্টিফান লোফভেন

সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী স্টিফান লোফভেন আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেছেন। বুধবার দেশটির স্পিকার আন্দ্রিয়াস নোরলেনের কাছে পদত্যাগ পত্র জমা দেন তিনি।

 

আল জাজিরার খবরে বলা হয়, স্টিফান লোফভেন পদত্যাগ করায় ভাগ্য খুলতে যাচ্ছে অর্থমন্ত্রী ম্যাগডালেনা অ্যান্ডারসনের। সব ঠিক থাকলে তিনিই হতে পারেন সুইডেনের ইতিহাসের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী

২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে সুইডেনের জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। ৬৪ বছর বয়সী লোফভেন ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসেন। এর আগে আট বছর তিনি বিরোধী দলে ছিলেন।  

 

পদত্যাগ করায় প্রধান মন্ত্রী নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করবেন দেশটির স্পিকার আন্দ্রিয়াস নোরলেন। তবে নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত লোফভেনই দেশটির তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নেতৃত্ব দেবেন।

 

রয়টার্স জানিয়েছে, অর্থমন্ত্রী ম্যাগডালেনা অ্যান্ডারসন যদি পার্লামেন্টের অনুমোদন জিততে পারেন, তাহলে দেশটির প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথ খুলে যাবে তার।

 

 

প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী

 

আরো পড়ুনঃ

বরযাত্রা নানাভাবে স্মরণীয় করে রাখতে চান অনেকেই। এ জন্য কেউ হাতির পিঠে চড়ে, কেউবা হেলিকপ্টারে উড়ে যেতে চান বিয়ের আসরে। কেউ কেউ আবার দুর্লভ নকশার, অভিজাত ও দামি কিংবা বিচিত্র দেখতে গাড়ি ভাড়া করতে চান। এর মধ্য দিয়ে বিবাহযাত্রায় বৈচিত্র্য খোঁজা হয়। বিয়ে করতে যাওয়ার জন্য সাঁজোয়া যান ট্যাংক ভাড়া করার ঘটনা সচরাচর দেখা যায় না। তবে এমনই এক বিচিত্র সেবা চালু রয়েছে যুক্তরাজ্যে।

বিচিত্র এই সেবাকে ‘ট্যাংক ট্যাক্সি’ নামে ডাকা হচ্ছে। এই সেবা নিয়ে গত মঙ্গলবার একটি প্রতিবেদন প্রচার করেছে মার্কিন টিভি চ্যানেল সিবিএস। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুধু বিয়েতে নয়, আপনি চাইলে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আয়োজনেও এই ট্যাংক ভাড়া নিতে পারেন। সে জন্য আপনার পকেট থেকে গুনতে হবে এক হাজার মার্কিন ডলার।

দেখতে হুবহু সামরিক ট্যাংকের মতোই এই ট্যাংক ট্যাক্সি।

 একসময় অবশ্য সেনাবাহিনীর সদস্যদের বহন করা হতো এই যানে। বর্তমানে এই যানের মালিক মেরলিন ব্যাটচেলর। তাঁর বাড়ি যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডন থেকে ১৬০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে নরউইচ শহরে। সামরিক বাহিনীর কাছ থেকে পুরোনো এই যান কিনে নেন তিনি। এরপর বাণিজ্যিক ব্যবহারের উদ্দেশে সেটিকে নিজের মতো করে সাজিয়ে নিয়েছেন মেরলিন। এ জন্য তাঁর খরচ হয়েছে ৩৫ হাজার মার্কিন ডলার।

এখন বিয়ে ও অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আয়োজনে যানটি ভাড়া দিচ্ছেন মেরলিন। শুধু তা-ই নয়, এসব আয়োজনে নিজেই এই ট্যাংক ট্যাক্সি চালান। মেরলিন বলেন, ‘এই ট্যাংক ট্যাক্সি নিয়ে পথে নামলে সবাই তাকিয়ে থাকে, হাসে ও মজা করে। এটা খুবই মজার। আমার সন্তানেরা এটিতে চড়ে কেনাকাটা করতে যেতে খুব পছন্দ করে।’

ধীরে ধীরে ব্যবসা জমে উঠছে মেরলিনের। এই বিষয়ে তিনি বলেন, শুরুতে শুধু প্রতিবেশী-বন্ধুরা এই সেবা নিয়েছে। পরে ধীরে ধীরে এটি জনপ্রিয় হয়েছে। এখন অপরিচিত অনেকেই বিভিন্ন আয়োজনে এই সেবা নেন।

বিচিত্র এই যানের বিমা করেছেন মেরলিন। এটির ভেতরে যাত্রীদের বসার জন্য রয়েছে আরামদায়ক গদিওয়ালা আসন। আপাতত শুধু বিয়ে ও অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় ব্যবহারের জন্য এটির লাইসেন্স দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এখন মেরলিন আশা করছেন, শিগগিরই জন্মদিনসহ ব্যক্তিগত ও সামাজিক অন্যান্য আয়োজনেও ব্যবহারের জন্য এই ট্যাংক ট্যাক্সির অনুমোদন পাওয়া যাবে।

 

জলবায়ু পরিবর্তন বোঝাতে স্যুট-টাই পরে রীতিমতো হাঁটুপানিতে নেমেছেন টুভালুর পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইমন কোফে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় তার দেশের ঝুঁকি বোঝাতেই মূলত তিনি এই অভিনব পন্থা বেছে নিয়েছেন।

 

সাইমন কোফে গ্লাসগোতে চলমান জলবায়ু সম্মেলনে অংশ নিতে একটি ভিডিও বার্তা পাঠিয়েছেন। সেখানেই তাকে হাঁটু পর্যন্ত পানিতে দাঁড়িয়ে বক্তব্য দিতে দেখা গেছে।

 

ছবিগুলোতে দেখা গেছে, সমুদ্রের পানিতে দাঁড়িয়ে আছেন সাইমন কোফে। ডায়াসের সামনে স্যুট-টাই পরে হাঁটুপানিতে দাঁড়িয়ে বক্তব্য দিচ্ছেন তিনি। পানির কারণে হাঁটুর ওপর পর্যন্ত গুটিয়ে রেখেছেন প্যান্ট। সাইমনের ঠিক পেছনেই জাতিসংঘ ও টুভালুর পতাকা।

 

জলবায়ু সম্মেলনে দেওয়া সেই ভিডিও বার্তার ব্যাপারে সাইমন কোফে বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাবের কারণে টুভালু বাস্তবে যে পরিস্থিতির মধ্যে আছে, তা কপ-২৬ সম্মেলনস্থলে উপস্থাপনের লক্ষ্যে ভিডিও বার্তাটি এভাবে দেওয়া হয়েছে।

 

দেশটির সরকারি এক কর্মকর্তা জানান, সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম টিভিবিসি ফুনাফুতির প্রধান দ্বীপ ফোনগাফালের শেষ প্রান্তে ভিডিওটি ধারণ করেছে। পরিবেশবিদেরা যখন জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাব কমিয়ে আনতে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বিশ্বনেতাদের চাপ দিয়ে যাচ্ছেন, তখনই এই ভিডিও বার্তা দিলেন কোফে।

 

এবারের জলবায়ু সম্মেলনে কার্বন নিঃসরণ কমাতে জোরালো পদক্ষেপ নেওয়ার অঙ্গীকার করেছে বিশ্বের অন্যতম দূষণকারী দেশগুলো। অনেক দেশই ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণ নেট জিরোতে নামিয়ে আনার ব্যাপারে আশাবাদী। তবে এসব আশ্বাসে ভরসা নেই জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলো। প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্রের নেতাদের দাবি, হুমকিতে থাকা নিম্নাঞ্চলের দেশগুলোকে বাঁচাতে অবিলম্বে পদক্ষেপ নিতে হবে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.