পেন্টাগনের বাইরে হামলা,পুলিশ কর্মকর্তা নিহত

একেটিভি ডেস্ক

বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটনের আরলিংটনে পেন্টাগনের ওই ভবনের প্রবেশপথ থেকে কয়েক মিটার দূরে একটি বাস এবং পাতাল রেলস্টেশনে গুলির শব্দ পাওয়া যায়। এই ঘটনার পরপরই পেন্টাগনে অবস্থানকারী লোকজনকে নিরাপদে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। গোলাগুলির ৯০ মিনিট পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে বলে উল্লেখ করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তবে কীভাবে ওই কর্মকর্তার মৃত্যু হয়েছে, তা নিশ্চিত করা হয়নি। এ ছাড়া এই ঘটনার বিস্তারিত ব্যাখ্যাও দেওয়া হয়নি।

এ ছাড়া ওই হামলার পর পাতাল রেলসেবা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। ওই রুটে চলাচলকারী বাসগুলো অন্য রাস্তায় ঘুরিয়ে নেওয়া হয়। পেন্টাগনের সদর দপ্তরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পেন্টাগন ফোর্স প্রোটেকশন এজেন্সির প্রধান উডরো কুসে বলেন, যেখানে গুলির ঘটনা ঘটেছে, সেই স্থান এখন নিরাপদ। এই মুহূর্তে কোনো হুমকি নেই। মঙ্গলবারের ঘটনায় অনেকেই আহত হয়েছেন। তবে ওই পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুর ঘটনা নিশ্চিত করেননি কুসে। যদিও কয়েকটি সূত্র বলেছে, ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। পরে হামলাকারী নিরাপত্তারক্ষীদের গুলিতে নিহত হন।

এদিকে নিহত ওই পুলিশ কর্মকর্তার মরদেহ জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। হাসপাতালের বাইরে পুলিশের অনেক সদস্য মোতায়েন রাখতে দেখা যায়।

পুলিশ কর্মকর্তাকে হত্যার ঘটনায় তদন্ত চলছে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী লয়েড অস্টিন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ওই কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। পেন্টাগনে কাজ করেন এবং সেখানে নিয়মিত যান, এমন হাজার কর্মীকে বাঁচিয়েছেন তিনি।

সৌদি সরকার হঠাৎ কেন এত কঠোর

সৌদি সরকার বলছে, ২৩ আগস্টের মধ্যে যাঁরা নিবন্ধন করবেন, তাঁরা সব ধরনের শাস্তি থেকে অব্যাহতি পাবেন। এই নিবন্ধনের মাধ্যমে বিদেশি নাগরিকেরা তাঁদের ব্যবসা, বিনিয়োগ ও অন্যান্য লাভজনক আর্থিক কার্যক্রমের বৈধ পূর্ণ ও আংশিক মালিকানার সুযোগ পাবেন।

এই আইনের আওতায় সাজাপ্রাপ্ত বিদেশি নাগরিকদের সাজা ভোগ শেষে সৌদি আরব থেকে বহিষ্কার করা হবে। ভবিষ্যতে সৌদি আরবে তাঁদের আর প্রবেশের সুযোগ থাকবে না।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কেউ যদি নিবন্ধন করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তাঁকে সর্বোচ্চ ৫ মিলিয়ন বা ৫০ লাখ সৌদি রিয়াল জরিমানা করা হবে। অথবা পাঁচ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। পাশাপাশি সব ব্যবসা ও সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হবে। এর আগের আইনে জরিমানার পরিমাণ ছিল মাত্র ৫০ হাজার রিয়াল। অথবা সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ডের বিধান ছিল। পাশাপাশি বাজেয়াপ্তের বিধান ছিল ব্যবসা ও সম্পদের ১০ শতাংশ। আইনটি সংশোধন করে এখন কঠোর করা হয়েছে। সব ক্ষেত্রেই বাড়ানো হয়েছে শাস্তি।

সৌদি সরকারের উদ্যোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিবাসীদের নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান রামরুর চেয়ারপারসন তাসনিম সিদ্দিকী একেটিভিকে বলেন, ‘আমরা অনেক সৌদি নাগরিককে দেখেছি নিজে বিনিয়োগ না করেও অর্ধেক মুনাফা নিয়ে যান। কারণ, ব্যবসা তাঁর নামে। কর্মী ভিসায় যাওয়া বাংলাদেশিদের জন্য ব্যবসা কিংবা বিনিয়োগ যেহেতু নিষিদ্ধ, এই সুযোগ নেন সৌদি নাগরিকেরা। সৌদি সরকার ভালো সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সমস্যা হবে যদি কর্মী ভিসায় যাওয়া বাংলাদেশি নাগরিকদের ব্যবসা ভিসায় স্থানান্তর করা না হয়। এ জন্য বাংলাদেশি দূতাবাসকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।’

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে নিবন্ধনের পর সৌদি সরকার আইনজীবীর মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করবে। কোনো ব্যবসায়ীর বার্ষিক লেনদেন (টার্নওভার) ২০ মিলিয়ন বা ২ কোটি রিয়ালের বেশি হয়, সে ক্ষেত্রে ৭৫ শতাংশ মালিকানা তাঁর নামে রাখা হবে। বাকি ২৫ শতাংশ থাকবে সরকারের মালিকানায়। কোনো বিনিয়োগকারীর বার্ষিক লেনদেন যদি ২ কোটি রিয়ালের কম হয়, সেই অনুপাতে তাঁর মালিকানা নির্ধারিত হবে। নিবন্ধনের সময় শেষ হওয়ার পর কেউ যদি অবৈধ ব্যবসার খবর সরকারের কাছে পৌঁছে দেয়, তখন সন্ধানদাতাকে ওই ব্যবসার ৩০ শতাংশ মালিকানা দিয়ে ৭০ শতাংশ সরকার নিয়ে নেবে। সৌদি আরবে এখন ২৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করছেন।

সৌদি সরকার হঠাৎ কেন এত কঠোর

বাংলাদেশিসহ বিদেশি নাগরিক সৌদি আরবে কর্মী ভিসায় গিয়ে গোপনে অন্য ব্যবসা করছেন—সরকারের কাছে এই খবর অনেক আগে থেকেই রয়েছে। কিন্তু এত বছর সৌদি সরকার ততটা কঠোর হয়নি। কিন্তু এবার এত কঠোর হওয়ার মূল কারণ, দেশটি ‘ভিশন ২০৩০’ নামে একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, যেখানে তেলের ওপর নির্ভরশীলতা কমানোর কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ অবারিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার। সে জন্য গোপনে যাঁরা ব্যবসা করছেন, তাঁদের মূল স্রোতে আনতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সৌদি ন্যাশনাল কমার্শিয়াল ব্যাংকের অপারেশন ম্যানেজার জালাল আহমেদ একেটিভিকে বলেন, বাংলাদেশ থেকে কর্মী ভিসায় সৌদি আরব গিয়ে অনেকে টাকাপয়সা জমিয়ে সৌদি নাগরিকের নামে ব্যবসা শুরু করেন। এসব ব্যবসার মধ্যে রয়েছে নির্মাণ ব্যবসা, সুপারমার্কেট, হোটেল, রেস্টুরেন্ট, গাড়ি, জনশক্তি রপ্তানি। যখন ব্যবসা বেশ বড় ও লাভজনক হয়, তখন ওই সৌদি নাগরিক বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে বের করে দেন। যেহেতু নিজের নামে ব্যবসার নিবন্ধন নেই, তাই আইনিভাবে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেন না বাংলাদেশিরা। এখন যদি অবৈধ ব্যবসাকে বৈধ করার সুযোগ দেওয়া হয়, তাহলে সে ব্যবসায় নিরাপত্তা থাকবে।

আফগান পুলিশ কর্মকর্তাকে হত্যার দায় নিলো তালেবান

 

আফগান পুলিশের এক কর্মকর্তাকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে তালেবান। গতকাল বৃহস্পতিবার তালেবান এ কথা স্বীকার করে। বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।

নিহত পুলিশ কর্মকর্তার নাম ফজল মোহাম্মদ। তিনি ‘খাসা জওয়ান’ নামে বেশি পরিচিত। অনলাইনে হাস্যরসাত্মক নানান ভিডিও পোস্ট করার জন্য আফগানদের কাছে তিনি তাঁর পুলিশ পরিচয়ের চেয়ে কৌতুক অভিনেতা হিসেবেই বেশি পরিচিতি অর্জন করেন।

ফজল কান্দাহার প্রদেশে কর্মরত ছিলেন। প্রায় দুই সপ্তাহ আগে বাড়িতে ফেরার পর তাঁকে তালেবান তুলে নিয়ে যায়। ফজলের এক সহকর্মী এই তথ্য জানান।

ফজলকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে হত্যার কথা শুরুতে অস্বীকার করে তালেবান। কিন্তু গত সপ্তাহে এ-সংক্রান্ত একাধিক ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে। তারপরই তাঁকে হত্যার কথা স্বীকার করে তালেবান।

একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ফজলের দুই হাত পিছমোড়া করে বাঁধা। সে অবস্থায় তিনি একটি গাড়িতে বসে আছেন। তাঁর দুই পাশে লোক বসা। এ সময় তাঁকে বারবার চড় মারা হচ্ছিল। অপর একটি ভিডিওতে ফজলের মরদেহ দেখা যায়।

আবারো সব নৌযান বন্ধ

ফজলকে ‘কৌতুক অভিনেতা’ মানতে নারাজ তালেবান। তালেবান মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ গতকাল বলেন, ‘তিনি (ফজল) কৌতুক অভিনেতা ছিলেন না। আমাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। তাঁকে আটক করার পর তিনি পালানোর চেষ্টা করেছিলেন। তখন আমাদের বন্দুকধারীরা তাঁকে গুলি করে।

ফজল আফগান পুলিশের একজন সক্রিয় সদস্য

ফজলকে আফগান পুলিশের একজন সক্রিয় সদস্য হিসেবে উল্লেখ করে তালেবান মুখপাত্র বলেন, তিনি অনেক মানুষের মৃত্যুর জন্য দায়ী।

আফগান

ফজল কখনো যুদ্ধক্ষেত্রে মোতায়েন ছিলেন না বলে জানান তাঁর সহকর্মী পুলিশ কমান্ডার সাইলাব। তিনি বলেন, এই মজাদার লোকটি বরং বিভিন্ন তল্লাশিচৌকিতে পুলিশ সদস্যদের আনন্দ দিতেন।

তালেবান যখন আফগানিস্তানের ক্ষমতায় ছিল, তখন তারা দেশটিতে সব ধরনের বিনোদন নিষিদ্ধ করেছিল। এখন তালেবান দেশটির বিভিন্ন এলাকা দখল করছে। আফগানিস্তানের অর্ধেকের বেশি এলাকা তালেবানের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে বলে খবর বেরিয়েছে।

ফজলকে হত্যার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। এ নিয়ে এক ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘খাশার নিষ্পাপ চেহারা সব মানুষের হৃদয়কে আহত করেছে। তালেবানরা তাঁকে গুলি করে হত্যা করেছে। তারা পৃথিবীর সবচেয়ে নিষ্ঠুর মানুষ।

ফের বাড়তে পারে বিধিনিষেধ

চলতি বছরের ৩১ আগস্টের মধ্যে আফগানিস্তান থেকে সব মার্কিন যুদ্ধসেনা প্রত্যাহারের কাজ শেষ হবে বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। সেনা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শুরুর পর থেকে তালেবান আফগানিস্তানে তাদের হামলা বাড়িয়ে দিয়েছে। তাদের হামলা ও অগ্রযাত্রার মুখে দেশটির সরকারি বাহিনীর অনেক সদস্যের পালিয়ে যাওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে। এ ছাড়া তারা আত্মসমর্পণ করা সরকারি বাহিনীর অনেক সদস্যকে হত্যা করেছে।

আফগান

আফগানিস্তানে চলমান সহিংসতায় অনেক বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন। এই সহিংসতা থামানো না গেলে আফগানিস্তানে গত এক দশকের মধ্যে সাধারণ মানুষের সর্বোচ্চ প্রাণহানি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে দেশটিতে জাতিসংঘের সহায়তা মিশন (ইউএনএএমএ)।

ইউএনএএমএর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২১ সালের প্রথমার্ধে আফগানিস্তানে ১ হাজার ৬৫৯ জন বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৩ হাজার ২৫৪ জন। গত বছরের তুলনায় এই সংখ্যা অনেক বেশি।

 

যুক্তরাজ্যের রণতরিবহরকে সতর্ক করল চীন

দক্ষিণ চীন সাগরের বেশির ভাগ অংশ নিজেদের বলে দাবি করে চীন। যদিও তাদের এই দাবি ২০১৬ সালে আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ের বিপরীত। তা সত্ত্বেও দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে নিজেদের একগুঁয়ে মনোভাব অব্যাহত রেখেছে চীন। তারা এই বিতর্কিত এলাকায় নানা স্থাপনা নির্মাণ করেছে। এ নিয়ে প্রতিবেশী দেশগুলোর ঘোর আপত্তি রয়েছে।

দক্ষিণ চীন সাগরে যুক্তরাজ্যের এই মহড়া ২০১৮ সালের উত্তেজনাকর পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি ঘটাতে পারে বলে মনে করছেন লন্ডনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের (রুসি) জ্যেষ্ঠ গবেষক ভিরলে নউইউন্স। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাজ্যের সঙ্গে চীন সরাসরি সংঘাতে জড়াবে না বলেও মনে করেন তিনি।

২০১৮ সালে দক্ষিণ চীন সাগর প্রবেশ করেছিল ব্রিটিশ রণতরি এইচএমএস অ্যালবিয়ন। তখন এই রণতরিটির ২০০ মিটারের মধ্যে চলে এসেছিল চীনের একটি যুদ্ধজাহাজ। যুক্তরাজ্যের রণতরিটিকে জলসীমা ত্যাগ করার জন্য সতর্ক করে চীন। এমনকি যুক্তরাজ্যের রণতরিটির ওপর দিয়ে চীন কয়েকটি যুদ্ধবিমান পর্যন্ত উড়িয়ে নেয়। এতে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের স্বঘোষিত মালিকানা যুক্তরাষ্ট্রও মেনে নেয়নি। সম্প্রতি এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র চ্যালেঞ্জ জানায়। এতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও চীনের উত্তেজনা দেখা দেয়।

পূর্ব এশিয়ায় রণতরিবহর পাঠানোর মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তায় যুক্তরাজ্য নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে চাইছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ফ্রান্সসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) কয়েকটি দেশও দক্ষিণ চীন সাগরের দিকে নজর রাখছে।

দক্ষিণ চীন সাগরসহ এই অঞ্চল যখন নানা দেশের ভূরাজনৈতিক আগ্রহের একটি কেন্দ্র হয়ে উঠেছে, তখন চীনও থেমে নেই। তারা এই জলভাগে চলতি সপ্তাহে বড় আকারের সামরিক মহড়া চালিয়েছে। পারমাণবিক অস্ত্রের মজুত সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি তারা অন্যান্য সামরিক তৎপরতা জোরদার করেছে।

লকডাউন বাড়ছে আরো ৭ দিন

 

করোনাভাইরাস সংক্রমণ বাড়ায় এবং স্বাস্থ্য অধিদফতরের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে আরেক দফা বিধি-নিষিধে বাড়ানো হচ্ছে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে তা শিথিল করা হবে।

মঙ্গলবার আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় তা চূড়ান্ত হবে বলে জানিয়েছে সরকারি সূত্র। এ লক্ষ্যে কোভিড-১৯ পরিস্থিতি পর্যালোচনা সংক্রান্ত বিষয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা ডেকেছে সরকার।

 

মঙ্গলবার বেলা ১১টায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে অনলাইনে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ১২ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী, ১৬ জন সচিব, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, পুলিশ মহাপরিদর্শক, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তা, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, আইইডিসিআর পরিচালকসহ সংশ্লিষ্টরা অংশ নেবেন।

সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত চিঠি সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

 

ঈদের সময় আটদিন বিরতি দিয়ে গত ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে কঠোর বিধি-নিষেধ আরোপ করে সরকার। তা শেষ হবে ৫ আগস্ট মধ্যরাতে।

এরই মধ্যে গত ১ আগস্ট থেকে রপ্তানিমুখী শিল্প-কলকারখানা খুলে দেওয়া হবে। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় কঠোর বিধি-নিষেধ বাড়ানোর আভাস পাওয়া গেছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চলমান বিধি-নিষেধ শেষে নতুন করে যে বিধি-নিষেধ দেয়া হবে তাতে সরকারি-বেসরকারি অফিস সীমিত পরিসরে খুলবে।

আর গণপরিবহন সীমিত পরিসরে চালু করা হতে পারে। সাথে রপ্তানিমুখী শিল্প-কলকারখানা চালু রাখা হবে।

 

লকডাউন আরও ১০ দিন বাড়ানোর সুপারিশ

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে চলমান লকডাউন আরও ১০ দিন বাড়ানোর সুপারিশ করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ বি এম খুরশীদ আলম বলেন, আমরা আরও ১০ দিন বিধি-নিষেধ বাড়ানোর সুপারিশ করেছি।

যেভাবে সংক্রমণ বাড়ছে, আমরা কীভাবে এ সংক্রমণ সামাল দেবো? রোগীদের কোথায় জায়গা দেবো? সংক্রমণ যদি এভাবে বাড়তে থাকে তাহলে কি পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব?

অবস্থা খুবই খারাপ হবে এতে কোনো সন্দেহ নেই। এসব বিবেচনাতেই আমরা বিধি-নিষেধ বাড়ানোর সুপারিশ করেছি।

 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সুপারিশের বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন সম্প্রতি জানান, সেটি অবশ্যই আমাদের মাথায় আছে। কারণ সবকিছুর সমন্বয় আমাদের করতে হবে। সেজন্য আমরা বলছি যে, একটু সময় নেবো। ৩ বা ৪ আগস্ট এ বিষয়টি পরিষ্কার করে দেয়া হবে বলেও তিনি জানান।

 

বিধিনিষেধ

 

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, পরিস্থিতি বিবেচনা করে সবার সঙ্গে আলাপ-আলোচনা এবং যেসব প্রস্তাব আছে, সেগুলো বিবেচনা করে কীভাবে করলে এ সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারি, সেটি আমাদের মূল লক্ষ্য।

যেসব কাজ একেবারেই অপরিহার্য, সেগুলো চালানোসহ কী করলে ভালো হবে, সেটা ঠিক করতে আরেকটু সময় লাগবে।

 

আলোচিত মডেল পিয়াসা মদ, ইয়াবাসহ আটক

রাজধানীর বারিধারা এলাকা থেকে মডেল পিয়াসাকে মদ, ইয়াবা ও বিভিন্ন নেশা জাতীয় দ্রব্যসহ আটক করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ।⊇

রোববার রাতে গোয়েন্দা গুলশান বিভাগের একটি দল বারিধারার ৯ নং রোডের ৩ নং বাসায় এ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।

 

গুলশান গোয়েন্দা বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মহিদুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

 

বিস্তারিত আসছে…

পিয়াসা

আলোচিত মডেল পিয়াসা মদ, ইয়াবাসহ আটক

 

রাজধানীর বারিধারা এলাকা থেকে মডেল পিয়াসাকে মদ, ইয়াবা ও বিভিন্ন নেশা জাতীয় দ্রব্যসহ আটক করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। রোববার রাতে গোয়েন্দা গুলশান বিভাগের একটি দল বারিধারার ৯ নং রোডের ৩ নং বাসায় এ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। গুলশান গোয়েন্দা বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মহিদুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

 

রাজধানীর বারিধারা এলাকা থেকে মডেল পিয়াসাকে মদ, ইয়াবা ও বিভিন্ন নেশা জাতীয় দ্রব্যসহ আটক করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। রোববার রাতে গোয়েন্দা গুলশান বিভাগের একটি দল বারিধারার ৯ নং রোডের ৩ নং বাসায় এ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। গুলশান গোয়েন্দা বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মহিদুল ইসলাম

যুক্তরাষ্ট্রের একগুঁয়ে দাবি মানবে না…

সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

৯ নং রোডের ৩ নং বাসায় এ অভিযান চালিয়ে তাকে আট

 

করোনার আরও ভয়ঙ্কর রূপ প্রকাশ, শুধু ফুসফুস নয় বিকল করে দিচ্ছে কিডনিও!

 

প্রকাশ্যে এল প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের আরও ভয়ঙ্কর রূপ। এই ভাইরাস সংক্রমণের পর আক্রান্তদের শুধুমাত্র ফুসফুসের ক্ষতি হচ্ছে না, গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ কিডনিও বিকল করে দিচ্ছে এটি।

সম্প্রতি ভারতের পশ্চিমবঙ্গে এমন ঘটনা ঘটেছে ৩ জন রোগীর ক্ষেত্রে।

ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে দেখা গেছে, কিডনির প্রচুর কোষের মৃত্যুর কারণে শরীরে বিপুল পরিমাণে দূষিত পদার্থ জমে গিয়েছিল তাদের ক্ষেত্রে। আর এ কারণেই তাদের মৃত্যু হয়েছে।

করোনার কারণে ফুসফুসের মতো ক্ষতি হতে পারে কি কিডনির?

এ ভারতের চিকিৎসক সুবর্ণ গোস্বামী বলেছেন, অবশ্যই পারে। “রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাসগুলো সব কোষের মাধ্যমে শরীরে ঢুকতে পারে না। দরকার ‘এসিই ২ রিসেপটর’ কোষ। শ্বাসনালী, ফুসফুস, অন্ত্র, হৃদযন্ত্র, কিডনিতে এই ধরনের কোষের পরিমাণ বেশি। ফুসফুস এবং শ্বাসনালীর ‘এসিই ২ রিসেপটর’গুলোতে প্রাথমিক সংক্রমণ হয়। তার পরে জীবাণুটি রক্তের সংস্পর্শে আসে। রক্তের রোগপ্রতিরোধকারী কোষগুলো এদের গিলে ফেলে। তাদের মাধ্যমেই করোনার মতো জীবাণু সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষুদ্রান্তে পৌঁছে আন্ত্রিকের সমস্যা সৃষ্টি করে। কিডনিতে পৌঁছে তার কোষও মারতে থাকে।”

পশ্চিমবঙ্গের ৩ রোগীর ময়নাতদন্তের পর চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, করোনার জীবাণু কিডনির কোষকে এমনভাবে মেরে ফেলেছিল, বর্জ্য পদার্থ ছেঁকে নিয়ে রক্ত শুদ্ধ করার ক্ষমতা হারিয়ে যায় ওই ৩ রোগীর কিডনি।

চিকিৎসকদের বক্তব্য, একেকটি জীবাণু আলাদা আলাদা পরিবেশে আলাদা আলাদাভাবে কাজ করে। ভারতীয় পরিবেশে করোনার জীবাণু ব্যাপক হারে কিডনির ক্ষতি করতে পারে। এমন আশঙ্কার কথা ভাবছেন তারা।

৮৫ টাকার জুয়া খেলে জিতলো ৬ কোটি টাকা

কথায় আছে না, রাখে আল্লাহ্ মারে কে! যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যের ফ্রেন্স লিক ক্যাসিনোতে মাত্র ১ ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৮৫ টাকা) জুয়া খেলে এক ব্যক্তি আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ জিতে নিয়েছেন ৬৯ হাজার ৬২৩ ডলার (যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬ কোটি টাকা)।

 

এই ঘটনা এই ক্যাসিনোর ইতিহাসে প্রথম কেউ এতো বিশাল বড় অংকের অর্থ জেতার ঘটনা ঘটল বলে গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

ফের বাড়তে পারে বিধিনিষেধ

ক্যাসিনোর স্লট মেশিনে মাত্র এক ডলার দিয়ে এতো বড় অংকের অর্থ জেতার ঘটনা সরাচর ঘটে না বলে ক্যাসিনো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

জুয়া

এই জ্যাকপটের ব্যাপারে ক্যাসিনোর স্লটের পরিচালক জেফ হুইরেট জানান, ইন্ডিয়ানায় ১৬বছরে এতো বিশাল অংকের অর্থ জ্যাকপট জেতার ঘটনা বিরল।

 

বিশেষ করে কোনো ব্যক্তি মালিকানাধীন ক্যাসিনোতে তো এতো বিশাল অংকের অর্থ জেতার ঘটনা ঘটে না বলেই চলে।

জুয়া খেলে এক ব্যক্তি আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ

 

আরো পড়ুন…

মদ-জুয়া-ক্লাব নিয়ে সংসদে উত্তপ্ত আলোচনা

 

রাজধানীর বিভিন্ন ক্লাব, মদ ও জুয়া নিয়ে সংসদে উত্তপ্ত আলোচনা হয়েছে। চিত্রনায়িকা পরীমণির ঘটনার সূত্র ধরে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য মুজিবুল হক চুন্নু পয়েন্ট অব অর্ডারে আলোচনার সূত্রপাত ঘটালেও তাতে আওয়ামী লীগ-বিএনপিসহ অন্য দলের এমপিরা অংশ নেন। এ প্রেক্ষাপটে আলোচনায় কিছুক্ষণের জন্য সংসদ সরব হয় ওঠে। এ সময় মদের অনুমোদন নিয়ে পরস্পরের ওপর দোষারোপ করা হয়।

জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য মুজিবুল হক চুন্নু ছাড়াও আওয়ামী লীগের শেখ ফজলুল করিম সেলিম, বিএনপির একজন সংসদ সদস্য, তরীকত ফেডারেশনের সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী এবং বিরোধীদলীয় প্রধান হুইপ মশিউর রহমান রাঙ্গা আলোচনায় অংশ নেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ সময় সংসদে উপস্থিত ছিলেন।

চুন্নু আলোচনার শুরুতে বলেন, কয়েক দিন ধরে একজন চিত্রনায়িকার বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে। যেখানে ঘটনাটি ঘটেছে সেটি উত্তরা বোট ক্লাব। কে করল এই ক্লাব? এই ক্লাবের সদস্য কারা হয়। শুনেছি ৫০-৬০ লাখ টাকা দিয়ে এর সদস্য হতে হয়। এত টাকা দিয়ে কারা এর সদস্য হয়? আমরা তো ভাবতেই পারি না। সারা জীবন এত ইনকামও করি না।
রাজধানীর কয়েকটি ক্লাবের নাম উল্লেখ করে চুন্নু বলেন, এসব ক্লাবে মদ খাওয়া হয়। জুয়া খেলা হয়। বাংলাদেশে মদ খেতে হলে লাইসেন্স লাগে। সেখানে গ্যালন গ্যালন মদ বিক্রি হয়। লাইসেন্স নিয়ে খেতে হলে এত মদ তো বিক্রি হওয়ার কথা নয়। সরকারি কর্মকর্তারা এখানে কীভাবে সদস্য হয়? এত টাকা কোথা থেকে আসে?

রাজধানীর অভিজাত এলাকায় ডিজে পার্টি বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে তিনি বলেন, গুলশান-বারিধারা এলাকায় ডিজে পার্টি হয়। সেখানে ড্যান্স হয়। মদ খাওয়া হয়। এসব আমাদের আইনে নেই, সংস্কৃতিতে নেই, ধর্মে নেই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বলব, আপনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নির্দেশ দেন কেন এসব হচ্ছে? কেন বন্ধ করা হবে না? ওইসব ক্লাবের সদস্য কারা হয়? পরীমণির যে ঘটনা সেটা বোট ক্লাবে। ওই জায়গার একজন মালিক আছেন। তিনি যেতেও পারেন না। এসব দেখতে হবে।

জাপার এই সংসদ সদস্যের বক্তব্যের পর শেখ সেলিম ফ্লোর নিয়ে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশে মদ ও জুয়ার লাইসেন্স দেওয়ার জন্য বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে দায়ী করেন। তিনি বলেন, এ তো বোট ক্লাব, জিয়াউর রহমান স্টিমার ক্লাব করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু মদ-জুয়ার লাইসেন্স বন্ধ করে দিয়েছিলেন। জিয়াউর রহমান আবার চালু করেছিলেন। যারা অপরাধের শুরু করেছে তাদের আগে বিচার করা উচিত। ওখান থেকে ধরতে হবে।

বিএনপির একজন সংসদ সদস্য এ সময় স্পিকারের কাছ থেকে ফ্লোর নিয়ে বলেন, আমাদের বিরোধী দলের একজন সংসদ সদস্য একটি বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছেন। কিন্তু সিনিয়র এক সদস্য কোথায় চলে গেলেন? বাংলাদেশে অনেক বিদেশি থাকেন। এ ছাড়া অন্য ধর্মের মানুষদের জন্য, ডোমদের জন্য মদের বৈধতা আছে। কোনো মুসলমানের জন্য আইনে অনুমতি নেই। জিয়াউর রহমান যদি মুসলমানদের মদের লাইসেন্স দিয়ে থাকেন যদি প্রমাণ করতে পারেন আমি সদস্য পদ ছেড়ে দেব। তিনি বলেন, এসব ক্লাবে মদের ব্যবসার সঙ্গে সরকারি লোক জড়িত। আমি চ্যালেঞ্জ করছি। পুলিশ এসব জায়গা থেকে টাকা নেয়। প্রধানমন্ত্রী কোনো দলের নয়, তিনি রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী। এসব খুঁজে দেখা হোক। বিএনপির এই সংসদ সদস্যের বক্তব্যের পর শেখ সেলিম আবারও ফ্লোর নেন।

তিনি বলেন, লাকী খানের ঝাঁকি নাচের কথা কী ভুলে গেলেন? হিযবুল বাহার। জিয়াউর রহমান এগুলো করেছিলেন। সরকার কোনো মুসলমানকে মদের পারমিশন দেয়নি। বন্ধ করতে গেলেই আপনারা (বিএনপি) চিল্লাচিল্লি করবেন। বলবেন, ফরেনারদের পারমিশন লাগবে। তরীকত ফেডারেশনের নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে বলেন, হারুন সাহেবের সদস্য পদ আজই ছেড়ে দেওয়া উচিত। তিনি বললেন, জিয়াউর রহমান মুসলমানদের মদ খাওয়ার পারমিশন দেননি। তিনি দেখাক, আইনে কোথায় বলা আছে মুসলমানরা মদ খেতে পারবেন না। আইন এখানে এনে দেখাক। পদ ছেড়ে দিক।

পরে জাতীয় পার্টির সদস্য বিরোধীদলীয় প্রধান হুইপ মশিউর রহমান বলেন, এখানে রাষ্ট্রীয় কিছু বিষয় আছে। বঙ্গবন্ধু লাইসেন্স দেননি। ২১ বছরে আইনকে মিসইউজ করে এটা করা হয়েছে। বিদেশিদের অ্যারেঞ্জমেন্টের জন্য এটা করেছে। ক্লাবগুলোতে একজন ডাক্তার দিয়ে সার্টিফিকেট নিয়ে নেয়, দৈনিক মদ খেতে হবে। তারপর লাইসেন্স নেওয়া হয়। বিএনপি এই লাইসেন্স দিয়েছিল। এখন কোনো মুসলমান যদি মদ খায় সেখানে সরকারের কিছু করার নেই। বিরোধীদলীয় প্রধান হুইপ রংপুরের ইসলামিক বক্তা আবু ত্ব-হা মোহাম্মদ আদনানকে খুঁজে বের করার দাবি জানান।

পরীমণির মামলায় আটক জাতীয় পার্টির সভাপতিমন্ডলীর সদস্য নাসির উদ্দিন মাহমুদের বিষয়ে রাঙ্গা বলেন, পরীমণি অভিযোগ করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেছেন। একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দোষী হলে অবশ্যই বিচার হবে।

 

আরো পড়ুন…

বলিউড তারকা শিল্পা শেঠি ফেঁসে যাচ্ছেন!

 

বলিউড তারকা, অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী শিল্পা শেঠি তাঁর স্বামী রাজ কুন্দ্রার পর্ণো ব্যবসার সঙ্গে কোনোভাবে জড়িত আছে কিনা, তা বর্তমানে খতিয়ে দেখছে মুম্বাই পুলিশ। কারণ এই বলিউড অভিনেত্রী স্বামীর অধিকাংশ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত আছে বলে জেনেছে মুম্বাই পুলিশ। শিল্পা, বলিউড এই অভিনেত্রী তাঁর স্বামীর অবৈধ পর্ণোগ্রাফি ব্যবসা সম্পর্কে কতটুকু জানতেন তারই তদন্ত করছে ক্রাইম ব্রাঞ্চ। এ ব্যাপারে পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে জানতে গত ২৩ জুলাই শিল্পা আর রাজের বিলাসবহুল বাড়িতে অভিযানে গিয়েছিল মুম্বাই পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ।

অভিযানের সময় তাঁরা রাজ কুন্দ্রাকে সঙ্গে করে নিয়ে গিয়েছিল। শিল্পা ও রাজকে পাশাপাশি বসিয়ে তারা ছয় ঘণ্টার মতো জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। ৬ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মুম্বাই পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ জানতে পেরেছে যে শিল্পা ‘ভিয়ান ইন্ডাস্ট্রি’তে নির্দেশকের পদে নিযুক্ত ছিলেন। তবে কিছুদিন আগে এই পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন এই বলিউড নায়িকা। বর্তমানে তা তদন্ত করে দেখছে ক্রাইম ব্রাঞ্চ।

এছাড়া ভিয়ান ইন্ডাস্ট্রিজের থেকে কোন রকমের আর্থিক সুবিধা শিল্পা পেতেন কিনা সে ব্যাপারেও নজর রাখছে মুম্বাই পুলিশ। আর এজন্যই শিল্পার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখছে তাঁরা। তবে এখনো পর্যন্ত শিল্পা শেঠি কে গ্রেপ্তার করেনি ক্রাইম ব্রাঞ্চ। তবে সূত্রমতে আবারো তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ  করা হতে পারে। এরইমধ্যে ভারতের কিছু শীর্ষ সংবাদ মাধ্যম জল আরও ঘোলা করেছে। তাঁদের দাবি, রাজের ‘হটশটস’ অ্যাপের ব্যাপারে ভালোভাবেই জানতেন শিল্পা।

শিল্পা শেঠির বিরুদ্ধে প্রধান অভিযোগ তিনি তাঁর স্বামীর সব কীর্তি আড়াল করেছেন। ক্রাইম ব্রাঞ্চের জালে আটক হওয়ার পর জানা গিয়েছে যে, ‘হটশটস’ অ্যাপে ২০ লাখের বেশি গ্রাহক ছিলেন। গভীর তদন্তের মাধ্যমে পুলিশ এক ভয়াবহ তথ্য জানতে পারে। তদন্তের মাধ্যমে তাঁরা জানতে পেরেছে যে ১০ কোটি রুপির বিনিময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে ১২১ পর্ণো ভিডিও  শিল্পার স্বামী বিক্রি করতে চলেছিলেন।

তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে পর্ণোগ্রাফি আইন অনুযায়ী মামলা হয়েছে। এ মামলায় ভিয়ান ইন্ডাস্ট্রিজের সংশ্লিষ্টতা আছে কিনা তা জানার জন্য উক্ত প্রতিষ্ঠানের সিসিটিভি ফুটেজ গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে পুলিশ। রাজ কুন্দ্রা গ্রেফতার হবার পরেই  বিভিন্ন তথ্য ও ভিডিও ডিলিট করার প্রমাণ পেয়েছে ক্রাইম ব্রাঞ্চ। এক্ষেত্রে ডিলিট করা ডেটা পুনরায় উদ্ধার করার চেষ্টা করছে ফরেনসিক বিভাগ। ইতোমধ্যে পুলিশের তদন্তে  জানা গিয়েছে একটা মোটা অঙ্কের টাকা রাজের অ্যাকাউন্টে এসেছে কোনো এক জুয়া কোম্পানী থেকে।

অপরদিকে রাজ তাঁর গ্রেপ্তার অবৈধ উল্লেখ করে মুম্বাই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন।  তাঁর অভিযোগ, অবৈধ ভাবে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত ২৩ জুলাই রাজ ও এই মামলায় অন্যতম মূল অভিযুক্ত রায়ন থার্পের রিমান্ড শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ক্রাইম ব্রাঞ্চের আবেদনে ২৭ জুলাই অব্দি তাঁদের রিমান্ড আরো বৃদ্ধি করেছেন আদালত। রিপোর্ট লেখা অব্দি শিল্পার স্বামী রাজ কুন্দ্রা সহ এই কান্ড সর্বমোট ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে মুম্বাই পুলিশ।

রাজ সম্পর্কে ক্রাইম ব্রাঞ্চের আরো একটি অভিযোগ যে পুলিশের তদন্তকার্যে কোনরকম সাহায্য করছেন না তিনি। গত ১৯ জুলাই রাতে রাজ কে গ্রেফতার করে  কারাগারে পাঠায় মুম্বাই পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ।

 

আরো পড়ুন…

 

পৃথিবীর সবচেয়ে পাপ হয় যে শহরে

 

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেভাডা অঙ্গরাজ্যের একটি শহর লাস ভেগাস। সারাবিশ্বে এটি প্রমোদ নগরী হিসাবে পরিচিত। মনোরঞ্জনের রাজধানীও বলা হয়! সব ধরনের পাপ কর্ম শহরটিতে হরহামেশাই হয়ে থাকে। জুয়ার ক্যাসিনো, পতিতাবৃত্তি ও অর্থ-পাচারের জন্য এটাকে পাপের শহর বলা হয়। পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গা থেকে হাজার হাজার মাইল পেরিয়ে পর্যটকরা এখানে শুধু মনোরঞ্জনের জন্যই আসেন প্রতি বছর। সব সময়ে তাই ভিড় লেগেই থাকে। এই শহরেই চলে সব ধরনের পাপ কর্ম।

জুয়া খেলার জন্য পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বড় ক্যাসিনোসহ সারা বিশ্বের বৃহত্তম বিলাসবহুল হোটেলের অধিকাংশই সেখানে অবস্থিত। অর্থ-পাচারের রাজধানী হিসেবেও খ্যাতির চূড়ায় রয়েছে শহরটি। তবে মজার বিষয় হলো, বহু ধর্ম, জাতিগোষ্ঠীর বসবাসে সমৃদ্ধ নিউইয়র্ক নগরীতে পতিতাবৃত্তি এখনো আইনত নিষিদ্ধ। অর্থের বিনিময়ে যৌনকর্মের জন্য জেল জরিমানার দণ্ড রয়েছে। এ আইনের কড়াকড়ি আরোপ থাকার ফলে নিউইয়র্কে যৌনকর্মীদের গোপন আস্তানায় প্রায়ই ধরপাকড় হয়। যৌন অপরাধের জন্য আইন লঙ্ঘনকারীদের প্রায়ই দণ্ড পেতে হয়। যদিও পতিতাবৃত্তি বৈধ করার আন্দোলনে সোচ্চার পতিতারা। তবে এখনো আশার মুখ দেখেনি তারা।

Loading...