নোবেলজয়ী ড. ইউনূসকে বিএনপির অভিনন্দন

নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস ক্রীড়া জগতের সর্বোচ্চ সম্মাননা অলিম্পিক লরেল অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হওয়ায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ড. ইউনূসকে অভিনন্দন জানিয়ে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলেছেন, “শান্তিতে নোবেল জয় করে আপনি বাংলাদেশকে গৌরবান্বিত করেছেন। তেমনি আপনার বিশ্ব ক্রীড়াজগতের সর্বোচ্চ এই সম্মানপ্রাপ্তিতে বাংলাদেশের জনগণ আনন্দিত ও গৌরবান্বিত।”

এদিকে  গত শুক্রবার ড. ইউনূসকে জাপানের রাজধানী টোকিওতে অলিম্পিক গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে খেলার জগতের সর্বোচ্চ সম্মাননা লরেল অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত করা হয়। তবে  টোকিওতে উপস্থিত হতে না পারলেও  ভার্চ্যুয়ালি এই অনুষ্ঠানে ঢাকা থেকে যোগ দেন মুহাম্মদ ইউনূস।

ডঃ মুহাম্মদ ইউনূসকে নিয়ে চীনের বার্তা সংস্থা সিনহুয়া লিখেছে, অলিম্পিক লরেল অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত দ্বিতীয় ব্যক্তিত্ব ড. ইউনূস।  মূলত অলিম্পিকে  যেসব ব্যক্তিবর্গ বা প্রতিষ্ঠান খেলাধুলার মাধ্যমে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও শান্তিতে গুরুত্বপূর্ণ  অবদান রাখেন  তাদের অবদানের স্বীকৃতি দিতে ২০১৬ সালে এই অ্যাওয়ার্ডের প্রবর্তন করা হয়। এছাড়া চীনের বার্তা সংস্থা সিনহুয়া, গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান সেই বিষয়টিও উল্লেখ করে।

বিএনপির মহাসচিব গণমাধ্যমে দেয়া বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করে বলেন, “বিশ্ব ক্রীড়াজগতের সর্বোচ্চ সম্মান “অলিম্পিক লরেল”–এ ভূষিত হওয়ায় বাংলাদেশের জনগণ ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল—বিএনপি এবং আমার নিজের পক্ষ থেকে আপনাকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। এই অ্যাওয়ার্ড প্রবর্তনের পর আপনি দ্বিতীয় ব্যক্তি, যিনি তা অর্জন করলেন। আপনাকে বিরল এই সম্মানে ভূষিত করার জন্য আমি আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানাই।”

বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের কর্মকর্তা শায়রুল কবির খান ড. ইউনুসের ব্যক্তিগত কর্মকর্তার কাছে বিএনপির মহাসচিবের অভিনন্দন জানানো চিঠিটি পৌঁছে দিয়েছেন। এছাড়া  মির্জা ফখরুল অভিনন্দন বার্তায় ডঃ মুহাম্মদ ইউনূসের দীর্ঘায়ু, সুস্বাস্থ্য ও সাফল্য কামনা করেন। 

 

সম্পাদনা: আরিফুল ইসলাম লিখন।

 

Loading...