নিজেই যখন ত্বককে করে তুলছেন তৈলাক্ত

ত্বকের সমস্যা ঘোচাতে আমরা কত কিছুই-না করি। এতে ত্বকের ক্ষতি না লাভ হচ্ছে, তা কিন্তু অনেকেই জানি না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অজান্তে এমন কিছু ভুল আমরা করে বসি, যা আমাদের স্বাভাবিক ত্বককে করে তোলে তৈলাক্ত, আর তৈলাক্ত ত্বককে করে তোলে আরও তৈলাক্ত।

 

গরমের এই সময়টাতেই ভুলের এই পরিমাণটা থাকে বেশি। বলুন তো কীভাবে? অনেককেই দেখবেন ত্বকের তৈলাক্ত ভাব এড়াতে এ সময় মুখে ক্রিম বা ময়েশ্চারাইজার দেওয়া এড়িয়ে চলেন। বারবার মুখ ধোয়ার অভ্যাস করেন। আবার কেউ কেউ এ সময় তো মুখে স্ক্রাবিংয়ের পরিমাণ বাড়িয়ে দেন মাত্রাতিরিক্ত।

 

 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিছু ভুলের কারণেই অয়েলি স্কিনের সঠিক পরিচর্যা ব্যাহত হয়। তাই ত্বকের সুরক্ষায় কোন ভুলগুলো এড়িয়ে চলবেন–আসুন, তা জেনে নিই আজকের আয়োজনে।

 

ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর করতে প্রথমেই আমরা যে ভুলটি করি তা হলো ঘনঘন মুখ ধোয়া। মুখ শুষ্ক রাখার জন্য এই অভ্যাস করতে গিয়ে ত্বকের ন্যাচারাল অয়েল খুব তাড়াতাড়ি ত্বক থেকে বের হতে শুরু করে, যা ত্বককে আরও তৈলাক্ত করে তোলে।

 

অতিরিক্ত ন্যাচারাল অয়েল ত্বক থেকে বের হওয়ায় নির্দিষ্ট সময় পর এই প্রয়োজনীয় উপাদানটি ত্বক থেকে হারিয়ে যায়। হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধোয়ার অভ্যাসেও একই পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে পারেন।

 

অতিরিক্ত স্ক্রাবিং বা এক্সফোলিয়েট করার কারণেও ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পাশাপাশি ত্বক হয়ে ওঠে তৈলাক্ত। অনেকেই অ্যালকোহলমুক্ত টোনার ব্যবহার করেন না। এতে মুখের ত্বক অনেকটা তৈলাক্ত হয়ে যায়।

 

এ ছাড়া অনেকেই স্কিন কেয়ার বা বিউটি প্রোডাক্ট ঘনঘন পরিবর্তন করে থাকেন। দ্রুত এই প্রোডাক্ট পরিবর্তন করে ত্বকে ব্যবহার করার কারণে অনেক সময় আমাদের ত্বক এই পরিবর্তনের সঙ্গে সহজে মানিয়ে নিতে পারে না। তাই ত্বকের সুরক্ষায় যেকোনো স্কিন প্রোডাক্ট অন্তত ২-৩ মাস ব্যবহার করুন।

 

এবারও বিদেশে ঈদ করবেন অনন্ত-বর্ষা

 

পরিবারের সঙ্গে মিমের ইফতার, ফেসবুকে প্রশংসিত

 

Leave A Reply

Your email address will not be published.