নিখিলকে বিয়ের পাঁচ মাসের মধ্যেই আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন নুসরাত!

২০১৯ সালের ১৯ জুন বেশ ঢাকঢোল পিটিয়েই বিয়েটা হয়েছিল কলকাতার নায়িকা নুসরাত জাহান ও অবাঙালি ব্যবসায়ী নিখিল জৈনের। সুদূর তুরস্কে হয়েছিল সেই আনুষ্ঠানিকতা। সেখানে হাতেগোনা কয়েকজন মাত্র দাওয়াত পেয়েছিলেন।

বিয়ের ঠিক পাঁচ মাসের মাথায় ২০১৯-এর নভেম্বরে আচমকা খবর রটে, নুসরাত হাসপাতালে। একসঙ্গে অনেক ওষুধ খেয়ে নেওয়ায় অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তিনি।

অনেকেরই ধারণা, ঘুমের ওষুধ খেয়েছিলেন নায়িকা। প্রাথমিকভাবে তাকে আইসিইউতে রাখা হয়। কলকাতার ফুলবাগান থানায় তার ‘ড্রাগ ওভারডোজ’ নিয়ে রিপোর্টও করেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সেখান থেকে গুঞ্জন রটে, আত্মহত্যার চেষ্টা করছিলেন অভিনেত্রী। তবে ঘুমের ওষুধ খেয়ে অসুস্থতার কথা ভিত্তিহীন বলে জানায় নুসরাতের পরিবার।

সম্প্রতি নুসরাত ও নিখিলের বিচ্ছেদের আলোচনায় আগের সেই ঘটনাটি আবারও নতুন করে মাত্রা পেয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে এখনও মুখ খোলেননি এ নায়িকা।

এদিকে, মা হতে যাচ্ছেন ‍নুসরাত জাহান- চাউর হয়েছে এমনটাই। করছেন প্রেমও। অন্যদিকে, অনাগত সন্তানের বিষয়ে জানেন না বলে জানিয়েছেন স্বামী নিখিল জৈন। আর এতে  নেটিজেনদের একাংশ একহাত নিচ্ছেন নুসরাতকে।

যদি নতুন সম্পর্কে জড়ান এ নায়িকা তাহলে নিখিলকে কেন তালাক দিচ্ছেন না তিনি- প্রশ্ন রেখেছেন তারা।

এদিকে, নিখিলের সঙ্গে তার সম্পর্কের নিরিখে অবশেষে মুখ খুললেন নুসরাত। তুরস্কে বিয়ে হয়েছিল তাদের। সেই প্রসঙ্গ টেনে নুসরাত জানালেন, তুরস্কের বিবাহ আইন অনুসারে এই অনুষ্ঠান অবৈধ। এছাড়াও হিন্দু-মুসলিম বিবাহের ক্ষেত্রে বিশেষ বিবাহ আইন অনুসারে বিয়ে করা উচিত। যা এক্ষেত্রে মানা হয়নি। এ কারণে মূলত নিখিলের সঙ্গে তার আইনত বিয়েই হয়নি।

৯ জুন এক বিবৃতিতে এ কথা দাবি করেন অভিনেত্রী ও সংসদ সদস্য নুসরাত জাহান। এতে তিনি উল্লেখ করেন, ‘নিখিল ও আমি একসঙ্গে থেকেছি, বিয়ে নয়। ফলে বিবাহবিচ্ছেদের প্রশ্নই ওঠে না’।

এদিকে নিখিল জানিয়েছেন, নুসরাতের বিরুদ্ধে দেওয়ানি মামলা দায়ের করেছেন তিনি। তার ভাষ্য, ‘যেদিন জানলাম নুসরাত আমার সঙ্গে থাকতে চায় না, অন্য কারও সঙ্গে থাকতে চায়, সেদিনই দেওয়ানি মামলা দায়ের করেছি আমি। নুসরাত প্রেগনেন্ট হওয়ার পরে এই সিদ্ধান্ত নিইনি আমি।’

Loading...