সাংবাদিকদের হয়রানি বন্ধে তালেবান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা

 

 

আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ তালেবানের হাতে যাওয়ার পর থেকেই দেশটিতে সাংবাদিকদের হয়রানির নানা খবর সামনে আসছে।

 

এই হয়রানি বন্ধে তালেবানের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার এ তথ্য জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নেড প্রাইস। খবর বার্তা সংস্থা এএনআইয়ের।

গতকাল সংবাদ সম্মেলনে নেড প্রাইসের কাছে আফগানিস্তানে গণমাধ্যমের হয়রানি নিয়ে জানতে চান সাংবাদিকেরা। এ সময় তিনি বলেন,আমরা আমাদের প্রতিনিধির মাধ্যমে তাঁদের (তালেবান নেতা) সঙ্গে সব পর্যায়ে সংলাপ চালিয়ে যাচ্ছি।

 

 

 

গত রোববার আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের নিয়ন্ত্রণ নেয় তালেবান। পরের দিনই সংবাদ সম্মেলনে তালেবানের পক্ষ থেকে বলা হয়, তারা কারও বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক কিছু করবে না। দেশে সংবাদমাধ্যমকে কাজ করতে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিল তারা। তবে তাদের ওই কথার সঙ্গে কাজের মিল পাওয়া যাচ্ছে না।

গতকাল জার্মান সম্প্রচারমাধ্যম ডয়চে ভেলে জানায়, তাদের এক সাংবাদিকের বাড়িতে হানা দিয়ে তাঁকে না পেয়ে পরিবারের এক সদস্যকে গুলি করে হত্যা করেছেন তালেবান সদস্যরা।

এর আগে গত জুলাইয়ে আফগানিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলীয় জালালাবাদ শহরে আমদাদুল্লাহ হামদার্দ নামের এক সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা করে বন্দুকধারীরা।

 

 

 

হামলাকারীরা তালেবান সদস্য বলেই সন্দেহ করা হচ্ছে। আমদাদুল্লাহ হামদার্দ একটি জার্মান পত্রিকার হয়ে কাজ করতেন। এ ছাড়া এক আফগান নারী সাংবাদিক পরিচয় গোপন রেখে সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানকে লেখা একটি চিঠিতে তালেবানের রোষের মুখে নিজের ঘর ও প্রদেশ থেকে পালিয়ে থাকার বিবরণ দিয়েছেন।

এদিকে কাবুলে মার্কিন নাগরিকদের তালেবান হয়রানি এমনকি মারধরও করছে বলে খবর প্রকাশিত হয়। পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জন কিরবি জানান, মার্কিন সেনাবাহিনী বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছে। ঘটনাগুলোকে গভীরভাবে উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেন তিনি।

 

খেলার সঙ্গে রাজনীতি মেশাবেন না—লোকের মুখের কথা। খেলার প্রতি স্বচ্ছ আবেগের জায়গা থেকেই কথাটা বলা হয়। কিন্তু বাস্তবে কি তেমন হয়? না চাইলেও খেলার সঙ্গে রাজনীতি মিশে যায়।

 

আফগানিস্তান পরিস্থিতির কথাই ধরুন। তালেবান দেশটির ক্ষমতা দখলের পর দেশটিতে নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। শুধু আফগানিস্তান কেন, তালেবান ক্ষমতায় যাওয়ার পর আফগানিস্তানের পাশের দেশ ও আফগানিস্তানের বন্ধুরাষ্ট্র পাকিস্তানে সিরিজ খেলতে যাওয়া নিয়েও দুবার ভাবছে নিউজিল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের মতো দল।

এর মধ্যে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম দিচ্ছে নতুন খবর, এখন পাকিস্তানই আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ খেলা নিয়ে শঙ্কায়!

 

আফগানিস্তান-পাকিস্তান তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের ভেন্যু কিন্তু নিরপেক্ষ দেশ—শ্রীলঙ্কা। এই প্রথমবারের মতো দ্বিপক্ষীয় সিরিজে অংশ নেবে দুই দল। ৩ সেপ্টেম্বর থেকে সিরিজ শুরু হওয়ার কথা।

 

এই সিরিজ সামনে রেখে কাল থেকে অনুশীলন ক্যাম্প শুরুর সূচি ঠিক করেছিল পাকিস্তান। কিন্তু দেশটির সংবাদমাধ্যম ক্রিকেট পাকিস্তান জানিয়েছে, ক্যাম্প এখনো শুরু করেনি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। সিরিজের দল ঘোষণাও পিছিয়ে দিয়েছে।

 

 

আফগানিস্তান তালেবান শাসনের অধীনে আসায় দেশটির ক্রিকেট বোর্ড আপাতত সংকটময় পরিস্থিতি পার করছে। সিরিজ নিয়ে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (এসিবি) সবুজ সংকেত না পাওয়া পর্যন্ত দল গঠন কিংবা অনুশীলন ক্যাম্প—কিছুই শুরু করবে না পিসিবি। সূত্র মারফত পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, এই সিরিজ স্থগিতও হতে পারে।

 

এসিবির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ‘বিশ্বস্ত সূত্র’কে উদ্ধৃত করে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য নিউজ লিখেছে, তালেবান ক্ষমতা দখলের পর আফগানিস্তানের বাইরে আসতে কিছু বিষয় নিয়ে সমস্যায় পড়েছে দেশটির জাতীয় ক্রিকেট দল।

 

আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের ঘনিষ্ঠ সেই সূত্র সংবাদমাধ্যমটিকে বলেছেন, ‘আফগান ক্রিকেটাররা তালেবানের কাছ থেকে কীভাবে অনুমতি নেবে, সে বিষয় এখনো পরিষ্কার নয়। তারা কোন পতাকাতলে পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে, সেটি নিয়েও দ্বিমত আছে। পুরোনো পতাকা, নাকি কাবুলে যে নতুন পতাকা উড়িয়েছে তালেবান—কোনটা? আফগান ক্রিকেট বোর্ড আগের নিয়মেই চলবে, নাকি পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেবে?’

 

তালেবান ক্ষমতা দখল করায় আফগানিস্তানে যে সংকটময় পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে, তার সঙ্গে আফগান বোর্ড ও খেলোয়াড়দের মানিয়ে নেওয়া সহজ হবে না বলেই মনে করেন সেই সূত্র, ‘দেশ এবং বোর্ডের পতাকা, বোর্ডের অর্থনৈতিক বিষয়াদি সামলানো, টিম ম্যানেজমেন্ট—এসবই এখন প্রশ্নের মুখে। তালেবান মদদপুষ্ট ব্যবস্থাপনা বোর্ড এ মুহূর্তে আফগানিস্তান ক্রিকেট দলে গ্রহণযোগ্য হবে না। কাবুলে যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, তাতে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের নিশ্চয়তা দেওয়া যায় না। মনে রাখতে হবে, এটা কিন্তু প্রতিপক্ষের মাঠে আয়োজিত সিরিজ নয়, আফগানিস্তান এ সিরিজের আয়োজক। তাই শ্রীলঙ্কায় সিরিজ আয়োজনের আগে বেশ কিছু বাধা টপকাতে হবে আফগানিস্তানকে।’

 

পিসিবিও এই সিরিজ নিয়ে সেভাবে এগোচ্ছে না। সাধারণ পরিস্থিতিতে, এরই মধ্যে শ্রীলঙ্কাগামী চার্টার্ড বিমানের ভাড়া পরিশোধ করে রাখত পিসিবি। কিন্তু পিসিবি তা এখনো করেনি। পিসিবি অফিশিয়াল বলেছেন, ‘এখনো কিছুই নিশ্চিত নয়। ক্যাম্প কবে শুরু হবে কিংবা সম্ভাব্য তারিখও ঠিক হয়নি। আপাতত যেটা নিশ্চিত করতে পারি, আফগানিস্তান সিরিজে বিশ্রাম চেয়েছেন চার ক্রিকেটার—সেটা তাদের প্রাপ্যও। সিরিজ মাঠে গড়ালে বাবর আজম, মোহাম্মদ রিজওয়ান, শাহিন শাহ আফ্রিদি ও হাসান আলীকে পাওয়া যাবে না।’

ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর শেষে দেশে ফিরবে পাকিস্তান দল। এরপর রয়েছে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ, যা শুরু হওয়ার কথা ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে। এই সিরিজ নিয়ে এর আগে নিউজিল্যান্ডের সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, আফগানিস্তানে উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে পাকিস্তানে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে খেলোয়াড়েরা শঙ্কায় থাকায় সফর অনিশ্চিত।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, নিউজিল্যান্ড দলের নিরাপত্তা উপদেষ্টা রেগ ডিকেসন এ মাসের শেষ দিকে পাকিস্তানে যাবেন নিরাপত্তা পরিস্থিতি দেখতে। এদিকে পিসিবির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, আঞ্চলিক রাজনীতিতে কোনো পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটলে তার সঙ্গে এই সফর কিংবা সূচির কোনো সম্পর্ক নেই।

 

এদিকে অক্টোবরে পাকিস্তান সফরে যাওয়ার কথা ইংল্যান্ডের ছেলে ও মেয়েদের ক্রিকেট দলের। ডিকেসন ইসিবিরও নিরাপত্তা উপদেষ্টা। পাকিস্তানের নিরাপত্তা পরিস্থিতি দেখে তিনি ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডও (ইসিবি) তাঁর মূল্যায়নপত্র জমা দেবেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম মেইল অনলাইন এর আগেই জানিয়েছে, পাকিস্তানের নিরাপত্তা পরিস্থিতি মূল্যায়ন করবে ইসিবি।

 

তবে পিসিবি এসব বিষয়কে সিরিজ অনুষ্ঠিত হওয়ার পথে বাধা হিসেবে দেখছে না। নিরাপত্তাপ্রক্রিয়াকে সিরিজের অংশ বলেই মনে করছে পাকিস্তানের বোর্ড (পিসিবি)।

এডিটেডঃ কানিজ ফাতেমা

 

 

আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান 

আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান 

নিষেধাজ্ঞা ভেঙে সড়কে তাজিয়া মিছিল

 

 

সকাল থেকে পুরান ঢাকার ইমামবাড়া হোসেনি দালানে জড়ো হতে থাকেন শিয়া সম্প্রদায়ের মুসলমানরা। বিগত বছরের মতো এবারও তাজিয়া মিছিল না করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। গেলো বছরে হোসেনি দালানের ভেতরেই মিছিল করেন শিয়া সম্প্রদায়।

 

তবে এবার নিষেধাজ্ঞা ভেঙে সড়কে তাজিয়া মিছিল করতে দেখা গেছে।

শুক্রবার (২০ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে শত শত মানুষ হোসেনি দালানের ভেতরেই মিছিল করেন। সেই মিছিল থেকে অনেকেই বের হয়ে সড়কেও মিছিল করেছেন। কোনও কোনও জায়গায় পুলিশ বাধা দিলেও তাদের উপেক্ষা করে মিছিল বের হয়। বিক্ষিপ্তভাবে চকবাজার, লালবাগ, আজিমপুর এলাকায় মিছিল করেন তারা।

 

ইসলামি ইতিহাসে হিজরি বর্ষের প্রথম মাস মুহররমের দশ তারিখকে আশুরার দিন বলা হয়। ৬১ হিজরি সালের এ দিনে মহানবী (সা.)-এর প্রিয় দৌহিত্র ইমাম হুসাইন (রা.) কারবালার ময়দানে নির্মমভাবে শাহাদাতবরণ করেন। এই শোক ও স্মৃতিকে স্মরণ করে সারা বিশ্বে মুসলিমরা আশুরাকে ত্যাগ ও শোকের দিন হিসেবে পালন করেন। দেশে শিয়া সম্প্রদায় মুহররম মাসের প্রথম দশদিন শোক স্মরণে নানা কর্মসূচি পালন করেন। করোনা মহামারিতে এ আয়োজন হচ্ছে সীমিত আকারে।

 

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে সকল ধর্মীয় উপাসনালয়ে ইতোপূর্বে আরোপিত বিধিনিষেধ বহাল থাকবে। একইসঙ্গে পবিত্র মুহাররম উপলক্ষে সকল প্রকার তাজিয়া মিছিল, শোভাযাত্রা, মিছিল ইত্যাদি বন্ধ থাকবে। তবে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব অনুসরণপূর্বক আবশ্যক সকল ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান প্রতিপালিত হবে।

স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব অনুসরণের নির্দেশনা থাকলেও তা ছিলো উপেক্ষিত। হোসাইনি দালানে অনেকে ছিলেন মাস্ক ছাড়া। আর মানুষের ভিড় ছিলো অনিয়ন্ত্রিত। শোকের স্মৃতি নিয়ে হোসাইনি দালানের সীমানার ভেতরেই হয় তাজিয়া মিছিল। বুক চাপড়ে মাতম করছেন তারা। বেশির ভাগ মানুষ কালো পোষাকে এসেছেন শোকের বহিঃপ্রকাশে।

 

তাজিয়া মিছিল তাজিয়া মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল 

 

ধারণাতীত দ্রুততার সঙ্গে আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে তালেবান। ঘটনার আকস্মিকতায় বিস্মিত হয়েছেন বিশ্বের কূটনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকেরা। তালেবানের হাতে কাবুলের দখল চলে যাওয়ার পরপরই দেশগুলো আফগানিস্তানে থাকা তাদের কূটনীতিক ও নাগরিকদের দ্রুত ফিরিয়ে নেওয়া শুরু করে। আর ফেলে যায় আফগানিস্তানে তাদের দুই দশকের কাজ ও বিনিয়োগ।

তালেবানের জয় দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পাকিস্তান ও চীনের সঙ্গে ঐতিহাসিকভাবে উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্ক এবং সীমান্ত বিরোধের কারণে এটি ভারতকে বিশেষভাবে পরীক্ষায় ফেলতে পারে। কারণ, পাকিস্তান ও চীন আফগানিস্তানের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

আফগানিস্তান সীমান্তে পাকিস্তানের তেমন কড়াকড়ি নেই। তা ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে পাকিস্তান তার উত্তরের এ প্রতিবেশী দেশের বিষয়ে সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসছে। এখন চীনও আফগানিস্তানের বিষয়ে বেশ আগ্রহী হয়ে উঠেছে। গত মাসেই চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই জ্যেষ্ঠ তালেবান নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সেখানে তিনি এটা স্পষ্ট করেছেন, বেইজিং আর চুপ করে বসে থাকবে না (আফগানিস্তান ইস্যুতে)।

 

 

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ক্রমে বিকাশমান সম্পর্কে খুশি ছিল না পাকিস্তান। আফগানিস্তানের ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনির পাকিস্তানের সঙ্গে ‘ধরি মাছ না ছুঁই পানি’র মতো করে সম্পর্ক রাখাও ঠিকভাবে নিতে পারছিল না ইসলামাবাদ। পাকিস্তানের অর্থনৈতিক দুরবস্থাও তাদের মাথাব্যথার একটি কারণ
আফগানিস্তান ও সিরিয়ায় ভারতের নিযুক্ত সাবেক রাষ্ট্রদূত গৌতম মুখোপাধ্যায় বলেছেন, সম্ভাব্য ভূরাজনীতির এ চেহারা ‘সবকিছু ওলট–পালট করে দিতে পারে’।

পশ্চিমা বিশ্ব এবং ভারতের মতো অন্য গণতান্ত্রিক দেশগুলোর সঙ্গে আফগানিস্তান সরকারের যে মৈত্রী ছিল, তা খুব জোরালো ছিল না। কিন্তু খুব শিগগির সম্ভবত পাকিস্তান, রাশিয়া, ইরান ও চীনকে এ খেলার পরবর্তী অধ্যায়ে দেখা যাবে।

 

 

 

ভারতের অনেকেই একে দিল্লির পরাজয় এবং পাকিস্তানের বড় জয় হিসেবে দেখছেন। কিন্তু সাবেক ভারতীয় কূটনীতিক জিতেন্দ্র নাথ মিশ্র এভাবে ভাবতে নারাজ। তাঁর মতে, এটা খুব সরল ভাবনা। কারণ, পশতুন নেতৃত্বাধীন তালেবান কখনো আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের সীমান্তকে দুই দেশের সীমান্ত বলে বিবেচনা করে না। এটা ইসলামাবাদের জন্য সব সময় অস্বস্তির কারণ হয়ে আসছে। তিনি আরও বলেন, পাকিস্তান চাইবে তালেবান এটাকে সীমান্ত হিসেবে বিবেচনা করুক। এটিই হবে তাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।

তবে এটাও সত্য, আফগানিস্তানে তালেবানের শাসন পাকিস্তানকে ভারতের বিরুদ্ধে কৌশলগত সুবিধা দেয়। ওয়াশিংটনভিত্তিক থিঙ্কট্যাংক উইলসন সেন্টারের উপপরিচালক মাইকেল কুগেলমান বলেন, ইসলামাবাদ সব সময় যা চেয়েছিল, তা-ই পেয়েছে। তারা চেয়েছিল আফগানিস্তানে এমন একটি সরকার, যাদের সহজেই প্রভাবিত করতে পারবে। তিনি আরও বলেন, পাকিস্তানের কর্তাব্যক্তিরা এ ঘটনাকে ভারতের পরাজয় হিসেবে দেখাতে পারেন। কিন্তু এরপরও পাকিস্তানের আরও বড় কৌশলগত কিছু বিষয় থাকবে। এ মুহূর্তে তারা সত্যিই নিজেদের ওই অঞ্চলের সবচেয়ে বড় বিজয়ী হিসেবে দেখছে।

 

 

 

ওয়াশিংটনভিত্তিক থিঙ্কট্যাংক উইলসন সেন্টারের উপপরিচালক মাইকেল কুগেলমান বলেন, ইসলামাবাদ সব সময় যা চেয়েছিল, তা-ই পেয়েছে। তারা চেয়েছিল আফগানিস্তানে এমন একটি সরকার, যাদের সহজেই প্রভাবিত করতে পারবে
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ক্রমে বিকাশমান সম্পর্কে খুশি ছিল না পাকিস্তান। আফগানিস্তানের ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনির পাকিস্তানের সঙ্গে ‘ধরি মাছ না ছুঁই পানি’র মতো করে সম্পর্ক রাখাও ঠিকভাবে নিতে পারছিল না ইসলামাবাদ। পাকিস্তানের অর্থনৈতিক দুরবস্থাও তাদের মাথাব্যথার একটি কারণ।

এখন নিজেদের জয়ী ভাবার একটা উপলক্ষ পেয়েছে ইসলামাবাদ। কারণ, আফগানিস্তান ইস্যুতে চীনের সঙ্গে তাদের বন্ধুত্ব কাজে লাগবে। এ ছাড়া বেইজিংও এখন আর নিজেদের শক্তি দেখাতে রাখঢাক রাখছে না। ভারতীয় কূটনীতিক জিতেন্দ্র নাথ মিশ্র বলেন, চীন এখন নিজেদের মতো করে খেলবে।

 

 

 

আফগানিস্তানে অর্থনৈতিক স্বার্থও রয়েছে চীনের। দেশটির খনিজ সম্পদ চীনের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে সাহায্য করতে পারে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো চীন তালেবানকে ইস্ট তুর্কিস্তান ইসলামিক মুভমেন্ট (ইটিআইএম) নিষিদ্ধ করার জন্য চাপ প্রয়োগ করতে পারে। চীনের মুসলিম–অধ্যুষিত জিনজিয়ানে বিশৃঙ্খলার জন্য ইটিআইএমকে দায়ী করে আসছে চীন। ধারণা করা হয়, আফগানিস্তান থেকেই কার্যক্রম পরিচালনা করে এ ধর্মীয় সংগঠন।

গৌতম মুখোপাধ্যায় বলেন, আফগানিস্তানে চীন ও পাকিস্তান একে অন্যের ঘাড়ে চড়ে বসতে পারে। তিনি বলেন, অতীতের অন্যান্য বিশ্বশক্তির মতো কোনো ফাঁদে না পড়ার বিষয়ে বেইজিংকে সতর্ক থাকতে হবে।

 

শুধু চীন, পাকিস্তান নয়; রাশিয়া ও ইরানও একই পথে হাঁটছে বলে মনে করা হচ্ছে। এই দুই দেশ আফগানিস্তান থেকে এখনো তাদের দূতাবাস সরিয়ে নেয়নি। উভয় দেশের কূটনীতিকেরা এখনো কাবুলে কাজ করছেন।

প্রশ্ন হচ্ছে, এ পরিস্থিতিতে ভারত কী করবে? আফগানিস্তানে ভারত কখনোই পাকিস্তান, যুক্তরাষ্ট্র বা রাশিয়ার মতো প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি। যদিও দিল্লি বরাবরই নিরাপত্তা ও সাংস্কৃতিক বন্ধন উন্নয়নে কাজ করে গেছে। হাজার হাজার আফগান বর্তমানে পড়াশোনা, কাজ বা চিকিৎসার জন্য ভারতে রয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে শীর্ষ পর্যায়ের এক বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, বর্তমানে ভারতে থাকা আফগান নাগরিকদের সব রকমের সাহায্য করা হবে। দেখা হবে কেউ যেন অসহায় বোধ না করে। ওই বৈঠকে স্পষ্ট হয়, এ মুহূর্তে ঘটনাবলির দিকে নজর রাখা ছাড়া ভারতের করার কিছুই নেই।

 

 

 

এদিকে পাকিস্তানের যে পথ ধরে ভারত ও আফগানিস্তানের মধ্যে পণ্য আদান-প্রদান হয়ে থাকে, কাবুলের পতনের পর থেকেই তা বন্ধ রয়েছে। তালেবান নেতাদের হুকুমেই এ নিষেধাজ্ঞা। ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান এক্সপোর্ট অর্গানাইজেশনের পরিচালক অজয় সহায় এ কথা জানিয়েছেন। সংবাদ সংস্থাকে তিনি বলেছেন, দুবাই হয়ে কিছু পণ্যের বাণিজ্য হয়। সেই পথ অবশ্য এখনো খোলা রয়েছে।
মিশ্র বলেন, দিল্লির হাতে এখন আর কোনো ভালো সুযোগ নেই। এখন যা আছে, তা খারাপ এবং ভবিষ্যতে আরও খারাপ হবে।

ভারত সবচেয়ে বড় যে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবে, তা হচ্ছে তারা তালেবানকে স্বীকৃতি দেবে কি না। এ সিদ্ধান্ত নেওয়া তাদের জন্য কঠিন হবে। বিশেষ করে মস্কো ও বেইজিং যদি তালেবানকে স্বীকৃতি দিয়ে দেয়, তখন বিষয়টা আরও কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাকিস্তান ১৯৯৯ সালের পথেই পা বাড়াবে। তালেবান সরকার গঠন করলে তাদের স্বীকৃতি দিয়ে দেওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

 

 

 

যুক্তরাজ্যের ল্যানচেস্টার ইউনিভার্সিটির রাজনীতির অধ্যাপক অমলেন্দু মিশ্র আফগানিস্তানের ওপর একটি বই লিখেছেন। তিনি বলেন, ভারতকে এখন একটি ‘কূটনৈতিক রশি’র ওপর হাঁটতে হবে। কাশ্মীরের বিরোধপূর্ণ অঞ্চলটি মুজাহিদদের পরবর্তী ঘাঁটিতে পরিণত হবে না—ভারতকে এটি নিশ্চিত করতে কৌশলী হতে হবে
এ মুহূর্তে ভারতের সামনে সবচেয়ে ভালো যে সুযোগ, তা হলো তালেবানের সঙ্গে যোগাযোগের রাস্তা খোলা রাখা। কিন্তু এটা খুব সহজ সম্পর্ক হবে না। দিল্লি ও তালেবানের অতীত ইতিহাস তা-ই বলে। ১৯৯৯ সালে ইন্ডিয়ান এয়ারলাইনসের একটি বিমান ছিনতাইকারীদের পালানোর নিরাপদ পথ তৈরি করে দিয়েছিল তালেবান। ওই ঘটনা এখনো ভারতীয়দের স্মৃতিতে ভেসে ওঠে। এরপর ১৯৯৬ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত তালেবানের বিরুদ্ধে লড়াই করা একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখে দিল্লি।

তবে নিজেদের স্বার্থরক্ষার্থেই ভারত ওই ঘটনা আপাতত চেপে রাখতে চাইবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেই তারা এমনটা করবে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে তালেবানের জয়ে অনুপ্রাণিত হয়ে জইশ-ই-মোহাম্মদ, লস্কর-ই-তাইয়েবার মতো জঙ্গি সংগঠন ভারতে হামলার পরিকল্পনা এবং তা বাস্তবায়ন করতে পারে।

 

 

 

যুক্তরাজ্যের ল্যানচেস্টার ইউনিভার্সিটির রাজনীতির অধ্যাপক অমলেন্দু মিশ্র আফগানিস্তানের ওপর একটি বই লিখেছেন। তিনি বলেন, ভারতকে এখন একটি ‘কূটনৈতিক রশি’র ওপর হাঁটতে হবে। কাশ্মীরের বিরোধপূর্ণ অঞ্চলটি মুজাহিদদের পরবর্তী ঘাঁটিতে পরিণত হবে না—ভারতকে এটি নিশ্চিত করতে কৌশলী হতে হবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতকে তালেবানের সঙ্গে কথা চালিয়ে যাওয়া দরকার। কিন্তু ভারতকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে তারা তালেবানবিরোধী গোষ্ঠীর সঙ্গে কতটুকু জড়াবে। আভাস পাওয়া গেছে, তালেবানের ওপর চাপ তৈরি করতে পশ্চিমারা একটি যুক্তফ্রন্ট গঠন করতে পারে। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ইতিমধ্যে পশ্চিমাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে তালেবানের জবাব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

 

 

 

এদিকে আফগানিস্তান যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন পশ্চিমা এবং চীন, রাশিয়া ও পাকিস্তানের মধ্যে আধিপত্যের লড়াইয়ের আরেকটি স্থান হয়ে উঠতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সুতরাং ভারতের হাতে আফগানিস্তান ইস্যুতে সহজ কোনো বিকল্প আপাতত নেই। কিন্তু ভারতের সিদ্ধান্তে ওপর অনেকটাই নির্ভর করছে আঞ্চলিক শান্তি এবং বৈশ্বিক ভূরাজনীতির পালাবদল।

 

 

আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান আফগানিস্তান

 

 

 

হেফাজতে ইসলামের আমির জুনায়েদ বাবুনগরীর জানাজার সময়সূচি পরিবর্তন করা হয়েছে।

 

আজ বৃহস্পতিবার রাত ১১টায় চট্টগ্রামের দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসায় তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

হাটহাজারী মাদ্রাসার জ্যেষ্ঠ শিক্ষক মাওলানা ইয়াহিয়া আজ বিকেলে প্রথম আলোকে বলেন, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তাঁর জানাজায় অংশ নিতে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে অনেকে রওনা দিয়েছেন। যাঁরা আসছেন, তাঁরা সবাই যাতে জানাজায় অংশ নিতে পারেন, সে জন্য জানাজার সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার পরিবর্তে রাত ১১টা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে বলা হয়েছিল জানাজা শেষে ফটিকছড়ির বাবুনগরে জুনায়েদ বাবুনগরীর মরদেহ দাফন করা হবে। কিন্তু এই সিদ্ধান্তেও পরিবর্তন এসেছে। মাওলানা ইয়াহিয়া বলেন, চট্টগ্রামের দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসায় জানার পর তাঁর মরদেহ দাফন করা হবে মাদ্রাসা মসজিদসংলগ্ন কবরস্থানে।

জুনায়েদ বাবুনগরী দীর্ঘদিন ডায়াবেটিসসহ নানা রোগে ভুগছিলেন। এরপর আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে চট্টগ্রাম নগরের বেসরকারি হাসপাতাল সিএসসিআরে নেওয়া হয়। সেখানে নেওয়ার পর দুপুর ১২টার দিকে হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

জুনায়েদ বাবুনগরী দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসার শিক্ষা পরিচালক ছিলেন। গত বছরের ১৫ নভেম্বর তিনি হেফাজতের আমির নির্বাচিত হন। এর আগে ২০১৩ সালে হেফাজত প্রতিষ্ঠার শুরু থেকে তিনি মহাসচিব ছিলেন।

চলতি বছর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশে আগমনকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে ২৬ মার্চের সহিংসতার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে জুনায়েদ বাবুনগরীর বিরুদ্ধে দুটি মামলা হয়েছিল। ২২ এপ্রিল হাটহাজারী থানায় মামলাগুলো হয়।

এর আগে শাপলা চত্বরের ঘটনায় মারধর, লুটতরাজ ও হত্যার অভিযোগ এনে মতিঝিল থানায়ও মামলা হয়েছিল বাবুনগরীর বিরুদ্ধে। সে মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছিল এবং পরে জামিন পান।

 

 

আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ 

আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ 

আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ 

আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ 

আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ 

আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ 

আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ 

আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ 

আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ 

আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ 

 

 

হেফাজতে ইসলামের আমির জুনায়েদ বাবুনগরী ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

 

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনি মারা যান। হাটহাজারী মাদ্রাসার জ্যেষ্ঠ শিক্ষক মাওলানা ইয়াহিয়া এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আজ সকালে সাড়ে ১০টার দিকে বাবুনগরীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। এরপর তাঁকে চট্টগ্রামের নগরের প্রবর্তক মোড় এলাকায় সিএসসিআর হাসপাতালে নেওয়া হয়। হাটহাজারী মাদ্রাসা থেকে প্রকাশিত মাসিক মঈনুল ইসলাম পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক মনির হোসেন বলেন, ওই হাসপাতালে নেওয়া হলে দুপুর ১২টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক বাবুনগরীকে মৃত ঘোষণা করেন।

২০২০ সালে হেফাজতের আমির হন জুনায়েদ বাবুনগরী। এর আগে তিনি এই সংগঠনের মহাসচিব পদে ছিলেন। এ ছাড়া তিনি চট্টগ্রামের মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসার শিক্ষা পরিচালক ছিলেন।

 

হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের  হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের

 

 

 

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ ৮ দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে তুরস্কে গেছেন।

 

বুধবার (১৮ আগস্ট) সকালে তুরস্কের উদ্দেশে তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) জানায়, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আট সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন।

আইএসপিআরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল শফিউদ্দিন আহমেদ তুরস্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রী, সহকারী প্রতিরক্ষামন্ত্রী, তুরস্কের ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিজের প্রেসিডেন্ট, তুর্কি সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ, ল্যান্ড ফোর্স কমান্ডার এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাগণের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। সাক্ষাৎকালে তিনি দু’দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যকার সম্পর্ক আরও জোরদার এবং পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করবেন।

এ সময় তিনি তুরস্কের সামরিক জাদুঘর, ওয়ার কলেজ, এ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ ও আর্মি এভিয়েশনসহ অন্যান্য ঐতিহাসিক স্থানসমুহ পরিদর্শন করবেন বলেও জানিয়েছে আইএসপিআর। এছাড়াও সফরকালে তিনি তুরস্কে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনে মত বিনিময় করবেন। সফর শেষে আগামী ২৬ আগস্ট সেনাবাহিনী প্রধানের দেশে ফিরে আসার কথা রয়েছে।

 

আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ
আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ
আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ
আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ
আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ
আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ
আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ
আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ
আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ
আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ 

 

বাংলাদেশের বেশ কয়েকজন ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) খেলার সুযোগ পেলেও সবচেয়ে সফল সাকিব আল হাসান ও মোস্তাফিজুর রহমান। এখানে খেলার ইতিবাচক দিকটি তুলে ধরেছেন কাটার মাস্টার।

তিনি মনে করেন,আইপিএল খেলাটা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট এ ভালো পারফর্ম করতে সহায়তা করে।

 

ক্রিকবাজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন মোস্তাফিজ।

 

আগামী ১৭ অক্টোবর শুরু হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ওমানে প্রাথমিক রাউন্ড খেলেই বাংলাদেশকে জায়গা পেতে হবে আরব আমিরাতের আসল লড়াইয়ে। তার আগে বাংলাদেশের দুই ক্রিকেটার মরুর বুকেই আইপিএল খেলে কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার বাড়তি সুযোগ পাচ্ছেন। মোস্তাফিজ বিশ্বাস করেন,আইপিএলের বাকি ম্যাচগুলোতে ভালো পারফরম্যান্স করলে তার আত্মবিশ্বাস আরও বেড়ে যাবে। তবে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অনুষ্ঠেয় পাঁচ টি-টোয়েন্টি খেলার পর অনাপত্তিপত্র পাওয়া সাপেক্ষেই সেখানে খেলতে যেতে পারবেন তিনি।

 

 

মঙ্গলবার ক্রিকবাজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মোস্তাফিজ বলেছেন, আমি ছন্দে আছি। আশা করি, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এই ছন্দ ধরে রাখতে পারবো। আইপিএলে খেলার সুযোগ পেলে সেখানেও এই ফর্ম ধরে রাখার চেষ্টা করবো। আমি মনে করি, আইপিএলে খেলার মাধ্যমে নিজের খেলার মান বাড়ানো যায়। কেননা সেখানে আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেটারদের বিপক্ষে খেলার সুযোগ পাওয়া যায়। আইপিএলে ভালো করতে পারলে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও পারফর্ম করা অনেক সহজ হয়ে যায়।

 

 

তাই বিশ্বকাপের আগে আইপিএল থেকে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে নিতে মুখিয়ে আছেন মোস্তাফিজ, বিশ্বের সেরা সেরা ক্রিকেটাররা আইপিএলে অংশ গ্রহণ করে। ওখানে ভালো করতে পারলে আত্মবিশ্বাস বেড়ে যাবে। সেটি করতে পারলে, বিশ্বকাপের আগে আমি অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী থাকবো।

 

 

বসুন্ধরা গ্রুপ এর চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সায়েম সোবহান আনভীরসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য ও হুইপ সামশুল হক চৌধুরী ৫০০ কোটি টাকার মানহানি মামলা করেছেন।

বুধবার পটিয়া যুগ্ম জেলা জজ আদালতে এ মামলা করা হয়। হুইপের পক্ষে পটিয়া আইনজীবী সমিতির সভাপতি সিনিয়র অ্যাডভোকেট দীপক কুমার শীল মামলাটি করেন।
দীপক কুমার শীল একেটিভিকে বলেন, হুইপ সামশুল হকের বিরুদ্ধে বসুন্ধরা গ্রুপের পত্রিকা, অনলাইন ও টিভিতে প্রায় ১০০টির বেশি মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করা হয়েছে। এসব মিথ্যা সংবাদ পরিবেশনের কারণে সামাজিক ও রাজনৈতিক সম্মানহানির শিকার হয়েছেন তিনি। পাশাপাশি তার শারীরিক, মানসিক ও আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। এসব অভিযোগে মামলা করা হয়েছে।
মামলার বিবাদীরা হলেন—বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান শাহ আলম, ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক ও নিউজ টোয়েন্টিফোরের প্রধান নির্বাহী (সিইও) নঈম নিজাম, কালের কণ্ঠের সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন, ডেইলি সান পত্রিকার সম্পাদক ইনামুল হক চৌধুরী, বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রতিবেদক সাইদুর রহমান রিমন, রিয়াজ হায়দার, কালের কণ্ঠের প্রতিবেদক এস এম রানা, বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রতিবেদক মোহাম্মদ সেলিম ও বাংলা নিউজের সম্পাদক।
এজাহারে বলা হয়েছে, বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান ও তার ছেলে সায়েম সোবহান আনভীর ব্যক্তিগত আক্রোশে ও শত্রুতামূলকভাবে বাদী ও তার ছেলে নাজমুল করিম চৌধুরী শারুনের বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করে আসছে। একাধারে মিথ্যা ও মানহানিকর সংবাদ প্রকাশের বিরুদ্ধে তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে ক্ষতিপূরণ মামলা করেছেন।
তবে মামলা সম্পর্কে জানতে হুইপ সামশুল হক চৌধুরীর মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের  হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের

 

 

সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনাগুলো সঠিক বাস্তবায়ন করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের প্রেক্ষিত পরিকল্পনা বা ডেল্টা প্ল্যান মাথায় রেখে উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং সেগুলোর বাস্তবায়ন যেন যথাযথভাবে হয়। লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা যেন কোনোভাবে ব্যর্থ না হয়।

 

তিনি বলেন, উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে ইতোমধ্যে আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি। ভবিষ্যতে আরও অনেক দূর যেতে হবে এবং সে পরিকল্পনাও হাতে নিয়েছি।

সরকার প্রধান বলেন, আমাদের একটিই লক্ষ্য, তৃণমূল পর্যায়ের মানুষগুলো যেন উন্নত জীবন পায়। দারিদ্র্যের হাত থেকে মুক্তি পায়। অন্ন-বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসার সুযোগ পায়।

বাংলাদেশ যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে ভবিষ্যতেও যেন এভাবেই এগিয়ে যেতে পারে। সেভাবে আমাদের কার্যক্রম চালাতে হবে। তার ভিত্তি আমরাই তৈরি করেছি, সেটা ধরে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন এবং দেশটাকে তিনি উন্নত সমৃদ্ধ করতে চেয়েছিলেন। আমরা সে লক্ষ্য পূরণে কাজ করছি।

আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ
আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ
আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ
আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ
আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ
আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ
আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ
আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ
আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ
আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ

 

রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও যাত্রাবাড়ী এলাকায় গতকাল মঙ্গলবার রাতে অভিযান চালিয়ে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন মাদক আইস (ক্রিস্টাল মেথ), বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ নয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁদের কাছ থেকে আধা কেজি আইস ও ৬৩ হাজার ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন নাজিমউদ্দিন, আব্বাসউদ্দিন, নাছিরউদ্দিন, মো. হোসেন, সঞ্জিত দাস, শিউলি আক্তার, কোহিনূর বেগম, রাশিদা বেগম ও মৌসুমী আক্তার।

আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডের ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানাতে সংবাদ সম্মেলন করা হয়। এতে ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান এ কে এম হাফিজ আক্তার বলেন, ডিবি গুলশান বিভাগের উপকমিশনার মশিউর রহমানের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে মাদক বেচাকেনার সঙ্গে জড়িত নয়জনকে গ্রেপ্তার করে তাঁদের কাছ থেকে আইস ও ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। তিনি আরও বলেন, মিয়ানমার থেকে আসা আইস কক্সবাজার থেকে ট্রাকে করে চট্টগ্রাম হয়ে কুমিল্লায় আসে। সেখান থেকে প্রাইভেট কারে বহনকারীরা তা ঢাকায় নিয়ে আসে। আইস শক্তিশালী মাদক। এটি সেবন করলে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোক হতে পারে। বিত্তবান ও তাদের সন্তানেরা দামি মাদক আইস সেবন করে।

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার হাফিজ আক্তার বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে ক্রেতা ও বহনকারী রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ইয়াবা ও আইস অবিচ্ছেদ অংশ। যারা ইয়াবার কারবার করে, তারাই আইসের কারবারে জড়িত। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করে মূল হোতাসহ করে পুরো চক্রকে গ্রেপ্তার করা হবে।

অভিযান পরিচালনকারী ডিবির উপকমিশনার মশিউর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মিরপুর ও মোহাম্মদপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একাধিক মামলা হয়েছে। এর আগেও তাঁদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে রাজধানীর একাধিক থানায় মামলা রয়েছে। এখন কক্সবাজার ও চট্টগ্রামে মাদক চক্র শনাক্ত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার পর সরবরাহকারীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, এক গ্রাম আইস দিয়ে কয়েক শ ইয়াবা বড়ি তৈরি করা সম্ভব।

 

 

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর আত্রাই রেলস্টেশনে আগমন উপলক্ষে স্থপিত স্মৃতিস্তম্ভের সংস্কার ও সৌন্দর্য্য বর্ধনের উদ্বোধন করা হয়েছে।  রোববার উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বিকাল চারটায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে নওগাঁর আত্রাই রেল স্টেশনে অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইকতেখারুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধন করেন আত্রাই- রাণীনগর নির্বাচন এলাকার সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আনোয়ার হোসেন হেলাল।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আত্রাই উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এবাদুর রহমান এবাদ। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি)মন্জুর মোরশেদ, আত্রাই থানা অফিসার ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদ,উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক ও আহসান গঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আক্কাছ আলী, আত্রাই উপজেলা প্রেস ক্লাব সভাপতি একেএম কামাল উদ্দিন, নওগাঁ জেলা পরিষদের সদস্য ফেরদৌসি চৌধুরী ডেজি,আহসানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন মাষ্টার মোঃ ছাইফুল ইসলাম,আত্রাই উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শেখ হাফিজুর রহমান হাফিজ,ভোঁ-পাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি আবুল কাশেম, আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল কুদ্দুস, উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মেহেদি মসনদ স্বরুপ, সাধারণ সম্পাদ সোহাগসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

 

অনুষ্ঠানটি সঞ্চলনা করেন উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার ফজলুল হক।অনুষ্ঠান পূর্বে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পন করা হয়। এছাড়া জাতীয় শোক দিবস উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আত্রাই মহিলা কলেজ রোডে ছয় চল্লিশটি ফলজ-বনজ গাছ রোপন করা হয়।

 

 

নওগাঁয় সারা দেশের ন্যায় যথাযোগ্য মর্যাদা বঙ্গবন্ধুর জাতীয় শোক দিবস পালিত।

 

নওগাঁয় সারা দেশের ন্যায় যথাযোগ্য মর্যাদা বঙ্গবন্ধুর জাতীয় শোক দিবস ও ৪৬তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন নওগাঁ জেলা প্রশাসক হারুন অর রশিদ, জেলা পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান মিয়া বিপিএম, জেলা আওয়ামীলীগ ও আওয়ামী লীগের সহযোগী অঙ্গ সংগঠন , নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাব, সাংবাদিক ইউনিয়ন জেলা শাখা সহ বিভিন্ন সরকারী কর্মকর্তা বেসরকারী ও সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন আজ রোববার সকাল ০৯টায় জেলার প্রাণকেন্দ্র মুক্তিরমোড়ে  বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ  করেন।

 

 

 

 

স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬ তম শাহাদাতবার্ষিকী এবং জাতীয় শোক দিবস স্মরণে দোয়া মাহফিল কর্মসূচী পালন করেছে রিয়েল এস্টেট এ্যান্ড হাউজিং এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)।

 

১৫ আগস্ট, রবিবার দুপুরে রাজধানীর সোনারগাঁও রোডে রিহ্যাবের প্রধান কার্যালয়ে এই দোয়া মাহফিল কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠান শেষে হাজারের অধিক মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়।

দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে রিহ্যাব এর বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ বঙ্গবন্ধুর জীবন দর্শন তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন রিহ্যাব এর ভাইস প্রেসিডেন্ট কামাল মাহমুদ। তিনি বলেন, শুধুমাত্র স্বাধীনতা অর্জনই নয়, স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে সমহিমায় প্রতিষ্ঠা করতে বঙ্গবন্ধু নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে গেছেন। বঙ্গবন্ধু রাজনৈতিক স্বাধীনতার পাশাপাশি জনগণের অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জনের লক্ষ্যে সারাজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত ‘সোনার বাংলা’ প্রতিষ্ঠাই ছিল তার স্বপ্ন। বাঙালি ও বাংলাদেশের ইতিহাসে জাতির জনকের অবদান চিরদিন তাই স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে বলেও উল্লেখ করেন কামাল মাহমুদ।

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কালচারাল স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম (ইসলাম)। অনুষ্ঠানে রিহ্যাব ভাইস প্রেসিডেন্ট বৃন্দ এবং সদস্য প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিবৃন্দ সহ বিপুল সংখ্যক রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী উপস্থিত ছিলেন।

 

 

 

দেশের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে পাবজি ও ফ্রি ফায়ারের মতো ক্ষতিকারক গেম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ সোমবার রুলসহ এ আদেশ দেন।

দেশের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে টিকটক, বিগো লাইভ, পাবজি, ফ্রি ফায়ার, লাইকিসহ এ ধরনের অনলাইন গেম ও অ্যাপ বন্ধ করে অবিলম্বে অপসারণের ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা চেয়ে গত ২৪ জুন মানবাধিকার সংগঠন ল অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশনের পক্ষে রিটটি করা হয়।

 

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ হুমায়ন কবির। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী।

আদেশের বিষয়টি জানিয়ে আইনজীবী মোহাম্মদ হুমায়ন কবির প্রথম আলোকে বলেন, দেশের অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পাবজি ও ফ্রি ফায়ারের মতো ক্ষতিকারক গেমের লিংক-গেটওয়ে তিন মাসের জন্য বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। পাবজি, ফ্রি ফায়ার, লাইকি, বিগো লাইভসহ ক্ষতিকারক সব গেম ও লাইভ স্ট্রিমিং অ্যাপ দেশের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে অপসারণ করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, রুলে তা জানতে চাওয়া হয়েছে। এ ছাড়া অনলাইন গেমস-অ্যাপ তদারকি এবং এ বিষয়ে গাইডলাইন তৈরি করতে কারিগরি দক্ষতাসম্পন্ন একটি কমিটি গঠন করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা–ও জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।

ডাক ও টেলিযোগাযোগসচিব, বিটিআরসির চেয়ারম্যান, শিক্ষাসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, আইনসচিব, স্বাস্থ্যসচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ বিবাদীদের ১০ দিনের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে বলে জানান মোহাম্মদ হুমায়ন কবির।

ওই সব গেম ও অ্যাপের ক্ষতিকর দিক তুলে ধরে তা বন্ধে পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ জানিয়ে ল অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশনের পক্ষে ১৯ জুন সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বরাবর আইনি নোটিশ পাঠানো হয়। নোটিশের জবাব না পেয়ে রিটটি করা হয়।

রিটে বলা হয়, পাবজি ও ফ্রি ফায়ারের মতো গেমে দেশের যুবসমাজ ও শিশু-কিশোরেরা আসক্ত হয়ে পড়েছে। ফলে সামাজিক মূল্যবোধ, শিক্ষা–সংস্কৃতি বিনষ্ট হচ্ছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম হয়ে পড়ছে মেধাহীন। অন্যদিকে টিকটক ও লাইকির মতো অ্যাপ ব্যবহার করে দেশের শিশু-কিশোর ও যুবসমাজ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হচ্ছে। জড়িয়ে পড়ছে অপরাধে। দেশে কিশোর গ্যাংয়ের সংস্কৃতি তৈরি হচ্ছে। সম্প্রতি নারী পাচারের ঘটনা এবং দেশের বাইরে টিকটক, লাইকি ও বিগো লাইভের মাধ্যমে অর্থ পাচার হয়েছে, যা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক, দেশের জনস্বার্থ, শৃঙ্খলা ও মূল্যবোধের পরিপন্থী।

 

 

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল চারদিক থেকে ঘিরে ফেলেছে তালেবান বাহিনী।

পাশাপাশি রাজধানীতে ঢুকতেও শুরু তারা। এই পরিস্থিতিতে ধ্বংসযজ্ঞ এড়াতে ‘শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের’ আলোচনা শুরু হয়েছে তালেবান ও গণি সরকারের মধ্যে। বর্তমান সরকার ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের’ হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে। আর এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে প্রধান হিসেবে দেশটির সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কূটনীতিক আলী আহমাদ জালালি নাম শোনা যাচ্ছে।

আজ রোববার আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

 

আলী আহমাদ জালালি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হচ্ছে বলে জানিয়েছে আফগানিস্তানের সংবাদ সংস্থা খামা প্রেসও। বিশেষ সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে খামা প্রেসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তালেবান বাহিনী একের পর এক এলাকা দখল করে নেওয়ার পর আজ কাবুলে প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবনে জরুরি বৈঠকে বসেছেন প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি। আফগানিস্তানের হাই কাউন্সিল ফর ন্যাশনাল রিকনসিলিয়েশনের প্রধান আবদুল্লাহ আবদুল্লাহ ক্ষমতা হস্তান্তর শুরুর প্রক্রিয়ার মধ্যস্থতা করছেন বলে মনে করা হচ্ছে।

 

রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, এর আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল সাত্তার মিরজাকওয়াল এক টেলিভিশন ভাষণে বলেছেন, শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হবে। তবে এই ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।

তবে জালালির নিয়োগের চূড়ান্ত অনুমোদন তালেবান দেবে কি না, সেই ব্যাপারে স্পষ্ট করে কিছু জানা যায়নি। সূত্রগুলো বলছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধানের জন্য এখন পর্যন্ত জালালিই সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি।

জালালি ২০০৩ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত আফগানিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। আর জার্মানিতে আফগানিস্তানের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ২০১৭ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত।

এর আগে তালেবান এক বিবৃতি দিয়ে জানায়, কাবুলের বাসিন্দাদের ভয়ের কিছু নেই। শান্তিপূর্ণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তারা কাবুলে ঢুকবে।

 

 

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে ঢুকে পড়েছে তালেবান যোদ্ধারা। শহরটির চারদিক থেকে প্রবেশ করছে বাহিনীটির যোদ্ধারা।

আজ রোববার আফগানিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

 

কাতারের রাজধানী দোহায় অবস্থানকারী তালেবানের এক নেতার বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, রাজধানী শহরটিতে যোদ্ধাদের সহিংসতা থেকে বিরত থাকতে বলেছে তালেবান। কেউ শহরটি ত্যাগ করতে চাইলে, তাদের এ সুযোগ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বাহিনীটি। এ ছাড়া নারীদের নিরাপদে অবস্থান করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
কাবুলে তালেবানের প্রবেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদক ইয়ালদা হাকিমও। তিনি জানিয়েছেন, তালেবান যোদ্ধাদের কাবুলে তেমন কোনো প্রতিরোধের মুখে পড়তে হচ্ছে না।

 

 

 

 

এদিকে বিভিন্ন গণমাধ্যমে যখন কাবুলে তালেবানের প্রবেশের খবর প্রচারিত হচ্ছে, তখন শহরটির পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে দাবি করছে আফগান সরকার। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম টুইটারে আফগান প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে জানানো হয়, কাবুলে বিচ্ছিন্ন কিছু গোলাগুলি হয়েছে। তবে আক্রমণের ঘটনা ঘটেনি।

আফগানিস্তানের নিরাপত্তাকর্মী ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা তাঁদের বিদেশি অংশীদারদের সঙ্গে নিয়ে শহরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছেন।

 

 

 

এর আগে আজ সকালে আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় গুরুত্বপূর্ণ শহর জালালাবাদের দখল নেয় তালেবান। কোনো প্রতিরোধ ছাড়াই তালেবান শহরটির দখল নিতে সক্ষম হয়। জালালাবাদ দখলের মধ্য দিয়ে আফগানিস্তানের ৩৪টি প্রদেশের মধ্যে অন্তত ২০টির রাজধানীর নিয়ন্ত্রণ এখন তালেবানের হাতে।

 

 

 

 

বাঙালির স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সমবেদনা জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

 

রোববার বঙ্গবন্ধুর ৪৬তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার ইমরান খান প্রধানমন্ত্রীকে এক বার্তায় এই সমবেদনা জানান। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে ইমরান খান লিখেছেন, ‘আপনার বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং আপনার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের ৪৬তম শাহাদাতবার্ষিকীতে আপনার ও বাংলাদেশের জনগণের প্রতি আমাদের গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।

সর্বশক্তিমান আল্লাহ তাঁর (বঙ্গবন্ধু) ও আপনার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের জান্নাতবাসী করুন। আমিন!

 

 

 

বাঙালির জন্য আজকের দিনটি শোকের।

 

একই সঙ্গে হারানোরও। বিশ্ব মানবতার জন্যও আজকের দিনটি কলঙ্কের। স্বাধীনতার মহান স্থপতি বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হারানোর দিন আজ।

শুধু বাংলাদেশ ভূখণ্ডে নয়, দুনিয়াজুড়ে বিবেকবান মানুষের কাছে ভয়ংকর বিষাদের এক দিন ১৫ আগস্ট। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে সেনাবাহিনীর কিছুসংখ্যক বিপথগামী সদস্য ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাসভবনে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবার হত্যা করে। ইতিহাসের ঘৃণ্য ও নৃশংসতম হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে তারা কলঙ্কিত করে বাঙালি জাতিকে। তবে খুনিদের অনেকের ফাঁসি কার্যকরের মাধ্যমে জাতি কিছুটা হলেও কালিমামুক্ত হয়েছে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অর্জিত বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা ঘৃণিত খুনিরা আজ ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে।

 

 

 

 

বঙ্গবন্ধু ছাড়াও ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাতে তাঁর সহধর্মিণী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, তিন ছেলে শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশুপুত্র শেখ রাসেল, পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামাল, বঙ্গবন্ধুর একমাত্র ভাই শেখ আবু নাসের, বঙ্গবন্ধুর ফোন পেয়ে তাঁর জীবন বাঁচাতে ছুটে আসা কর্নেল জামিল, এসবির কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান ও সেনাসদস্য সৈয়দ মাহবুবুল হককে হত্যা করা হয়।

ওই কালরাতেই বিপথগামী সেনাসদস্যদের আরেকটি দল বঙ্গবন্ধুর ভাগনে যুবলীগের নেতা শেখ ফজলুল হক মনির বাসায় হামলা চালিয়ে তাঁকে, তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনিকে হত্যা করে। এ ছাড়া হত্যা করা হয় বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাতের বাসায় হামলা করে তাঁকে ও তাঁর কন্যা বেবি, পুত্র আরিফ সেরনিয়াবাত, নাতি সুকান্ত বাবু, সেরনিয়াবাতের বড় ভাইয়ের ছেলে সজীব সেরনিয়াবাত এবং এক আত্মীয় আবদুল নঈম খানকে।

ওই সময় বঙ্গবন্ধুর দুই মেয়ে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থান করায় বেঁচে যান।

 

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ইনডেমনিটি (দায়মুক্তি) অধ্যাদেশের মাধ্যমে বিচারের পথ রুদ্ধ করা হয়। এমনকি খুনিদের দেশের বাইরে বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়। দীর্ঘ ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রক্ষমতায় আসার পর খুনিদের বিচার শুরু হয়। একই সঙ্গে ১৫ আগস্টকে জাতীয় শোক দিবস ঘোষণা করা হয়। এই দিনে সরকারি ছুটিও ঘোষণা করা হয়।

১৯৯৬ সালের জুনে ক্ষমতায় এসে আওয়ামী লীগ সরকার তাদের পাঁচ বছরের মেয়াদে বিচারপ্রক্রিয়া শেষ করে যেতে পারেনি। এরপর ২০০৮ সালে ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ আবার জয়ী হয়ে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার বিচারপ্রক্রিয়া শেষ করার উদ্যোগ নেয়। আদালতের রায় অনুসারে, ২০১০ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার পাঁচ আসামি সৈয়দ ফারুক রহমান, বজলুল হুদা, এ কে এম মহিউদ্দিন আহমেদ, সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খান ও মুহিউদ্দিন আহমেদের ফাঁসি কার্যকর করা হয়। তখন পর্যন্ত মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ছিলেন ছয়জন। সর্বশেষ গত বছরের ৬ এপ্রিল ঢাকা থেকেই গ্রেপ্তার করা হয় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদকে। ওই এপ্রিল মাসের ১১ তারিখ রাতে তাঁর ফাঁসি কার্যকর হয়। এখন পলাতক আছেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ আসামি।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ তাঁর বাণীতে বঙ্গবন্ধুর নীতি-আদর্শ ও জীবনী থেকে শিক্ষা নিয়ে করোনার সংকটময় এই মুহূর্তে দেশবাসীর পাশে দাঁড়াতে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এটাই হবে মুজিব বর্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর একটি উত্তম প্রয়াস।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর বাণীতে বলেন, জাতির পিতার হত্যার বিচারের রায় কার্যকর করা হয়েছে। হত্যার ষড়যন্ত্রের পেছনে কারা ছিল, সেটাও একদিন বের হয়ে আসবে। তিনি বলেন, ঘাতক চক্র বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে হত্যা করলেও তাঁর স্বপ্ন ও আদর্শের মৃত্যু ঘটাতে পারেনি। স্বাধীনতাবিরোধী সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী এবং উন্নয়ন ও গণতন্ত্রবিরোধী চক্রের যেকোনো অপতৎপরতা-ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করার জন্য সর্বদা প্রস্তুত থাকতে হবে।

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদ্‌যাপন জাতীয় কমিটির পক্ষ থেকে পৃথক নকশার তিনটি পোস্টার প্রকাশ করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর ছবিসহ একটি পোস্টারে লেখা হয়েছে, ‘শোক থেকে শক্তি, শোক থেকে জাগরণ’।

আওয়ামী লীগের কর্মসূচি

করোনার সংক্রমণের কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে জাতীয় শোক দিবস যথাযথ মর্যাদায় পালন করতে মাসব্যাপী কর্মসূচি পালন করছে বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া দল আওয়ামী লীগ। আজ ১৫ আগস্ট সূর্যোদয়ের ক্ষণে ধানমন্ডির বঙ্গবন্ধু ভবন এবং আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশে সংগঠনের সব স্তরের কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ ও কালো পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দলীয় কর্মসূচি শুরু হবে।

সকাল সাতটায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্মৃতিবিজড়িত ধানমন্ডির বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে তাঁর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করবেন কেন্দ্রীয় নেতারা। এরপর ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ, সহযোগী সংগঠনসহ মহানগরের প্রতিটি শাখার নেতা-কর্মীরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।

 

সকাল পৌনে আটটায় বনানী কবরস্থানে ১৫ আগস্টে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, কবর জিয়ারত, ফাতেহা পাঠ, মোনাজাত ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। সকাল সাড়ে ১০টায় টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, ফাতেহা পাঠ, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

বাদ জোহর কেন্দ্রীয়ভাবে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমসহ দেশের মসজিদে মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। এ ছাড়া দেশব্যাপী মন্দির, প্যাগোডা, গির্জা, উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা কর্মসূচি পালন করা হবে।

অসচ্ছল, এতিম ও দুস্থদের মধ্যে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন কমিটির পক্ষ খাদ্য বিতরণ করা হবে। এ ছাড়া কাল সোমবার বেলা সাড়ে তিনটায় বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতি হিসেবে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হবেন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

 

আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ
আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ
আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ
আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ
আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ
আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ
আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ
আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ
আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ
আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ 

 

 

 

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আগত অতিথিদের যানবাহন সুষ্ঠুভাবে চলাচল ও যানজট এড়ানোর লক্ষ্যে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে ।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদাতবার্ষিকী এবং জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ১৫ আগস্ট রোববার ঢাকায় যান চলাচলে কয়েকটি নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

 

আজ শনিবার ডিএমপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জাতীয় শোক দিবসে রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আগত অতিথিদের যানবাহন সুষ্ঠুভাবে চলাচল ও যানজট এড়ানোর লক্ষ্যে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মিরপুর ও গাবতলীর দিক থেকে আগত রাসেল স্কয়ার–আজিমপুর অভিমুখী যাত্রীবাহী যানবাহন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ–ধানমন্ডি ২৭ থেকে ডানে মোড় নিয়ে শংকর–জিগাতলা–সায়েন্স ল্যাব হয়ে গন্তব্যে পৌঁছাবে। নিউমার্কেট ও সায়েন্স ল্যাব থেকে আগত রাসেল স্কোয়ার অভিমুখী যাত্রীবাহী যানবাহন ধানমন্ডি ২ নম্বর রোড থেকে বাঁয়ে মোড় নিয়ে জিগাতলা–শংকর হয়ে গন্তব্যে পৌঁছাবে। রেইনবো এফডিসি থেকে আগত রাসেল স্কয়ার অভিমুখী যাত্রীবাহী বাস সোনারগাঁও ক্রসিং থেকে বাঁয়ে মোড় নিয়ে বাংলামোটর দিয়ে শাহবাগ হয়ে গন্তব্যে পৌঁছাবে।

 

আমন্ত্রিত অতিথিদের গমনাগমনের পথ, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ–ধানমন্ডি ২৭–মেট্রো শপিং মল থেকে ডানে মোড় আহছানিয়া মিশন ক্রসিং থেকে বাঁয়ে মোড়–৩২ নম্বর পশ্চিম প্রান্তে পৌঁছাবে।

রোববার ভোর থেকে শ্রদ্ধা নিবেদনসহ যাবতীয় কর্মসূচি শেষ না হওয়া পর্যন্ত এসব নির্দেশনা মানতে হবে।

 

পার্কিং

ধানমন্ডির ৩২ নম্বর ব্রিজের উত্তরের ১১ নম্বর রোডের উত্তর ও পশ্চিম প্রান্তে থাকবে পতাকাবাহী, পিজিআর, এসএসএফ, ফায়ার সার্ভিস, বাহিনীর প্রধানসহ আইজিপি ও সিনিয়র সচিব বা সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের গাড়ি। ৩২ নম্বর ব্রিজের দক্ষিণে পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তে সাংসদসহ রাজনৈতিক নেতাদের গাড়ি থাকবে। আহসানিয়া মিশনের উত্তর রাস্তায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গাড়ি থাকবে।

 

 

 

বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফেসবুকের মাসিক সক্রিয় ব্যবহারকারী এখন ২৯০ কোটি।

অর্থাৎ বিশ্বব্যাপী এই পরিমাণ ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে মাসে একবার হলেও ফেসবুকে লগইন করা হয়। এই ব্যবহারকারীদের ৪ কোটি ৮০ লাখের বাস বাংলাদেশে।

এ খবর অবশ্য কয়েক দিন আগের। গত সোমবার ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের উপস্থিতিতে ফেসবুক ও বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) মধ্যে বিনিয়োগসংক্রান্ত ভার্চ্যুয়াল বৈঠক হয়। সেখানে এ তথ্য জানানো হয়।

 

 

 

পুরোনো খাবার নিয়ে জাবর কাটার চল আছে প্রাণিকুলে। আমরা পুরোনো খবর নিয়ে জাবর কাটি চলুন। ঠিক নিখুঁত না হোক, ৪ কোটি ৮০ লাখ সংখ্যাটা কেমন, তার সাধারণ একটা ধারণা পাওয়ার জন্য খাতা-কলম খুলে বসি।

জাতিসংঘের পপুলেশন ডিভিশনের ২০২০ সালের অনুমান অনুযায়ী বিশ্বের মোট জনসংখ্যা প্রায় ৭৮০ কোটি। আর ফেসবুকের মাসিক সক্রিয় ব্যবহারকারী যদি ২৯০ কোটি হয়, তবে তা বিশ্ববাসীর ৩৭ দশমিক ২ শতাংশ।

 

 

পপুলেশন ডিভিশনের প্রতিবেদনে ২০২০ সালে বাংলাদেশের জনসংখ্যা (আনুমানিক) বলা হয়েছে সাড়ে ১৬ কোটির কাছাকাছি। সে হিসাবে বাংলাদেশিদের ২৯ শতাংশের কিছু বেশি ফেসবুক ব্যবহার করেন। অর্থাৎ বৈশ্বিক গড়ের চেয়ে কম মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করেন বাংলাদেশে।

বৈশ্বিক গড়ের চেয়ে কম হলেও ৪ কোটি ৮০ লাখ সংখ্যাটা একদম কম নয়। ফেসবুকের তথ্য অনুযায়ী, ব্যবহারকারীর সংখ্যার বিচারে বাংলাদেশ বিশ্বে দশম। জার্মান বাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান স্ট্যাটিস্টার জরিপ অনুযায়ী, বাংলাদেশের চেয়ে বেশি ফেসবুক ব্যবহারকারী আছে ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, ইন্দোনেশিয়া, ব্রাজিল, মেক্সিকো, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড ও মিসরে।

 

 

 

৪ কোটি ৮০ লাখ সংখ্যাটা যে কম নয়, তা আপনি স্পেনে নজর দিলেও বুঝে যাবেন। জাতিসংঘের একই প্রতিবেদন অনুযায়ী ইউরোপের দেশটির মোট জনসংখ্যা ৪ কোটি ৬৮ লাখ। অর্থাৎ তা বাংলাদেশের মোট ফেসবুক ব্যবহারকারীর চেয়ে কম। অন্তত খাতা-কলমে তো বটেই।

 

তালেবানের ডাকে কিছু মানুষ আফগানিস্তানে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে: ডিএমপি কমিশনার 

অনলাইনে জঙ্গিরা কর্মী সংগ্রহ ও উদ্বুদ্ধ করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি বাংলাদেশে একটা প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, তালেবানের পক্ষ থেকে আফগানিস্তান যুদ্ধে যাওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে। আর বাংলাদেশ থেকে কিছু মানুষ ইতিমধ্যে তালেবানদের সঙ্গে যুদ্ধে যোগদানের জন্য উদ্বুদ্ধ হয়েছে। আমরা ধারণা করছি, কিছু মানুষ ভারতে ধরা পড়েছে, আর কিছু হেঁটে বিভিন্নভাবে আফগানিস্তানে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে।’

 

আজ শনিবার সকালে রাজধানীর ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন ডিএমপি কমিশনার। তিনি জানান, সাইবার ওয়ার্ল্ড ডিএমপিসহ সরকারের সব গোয়েন্দা সংস্থা এ বিষয়ে তৎপর।

আগামীকাল ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদাতবার্ষিকী এবং জাতীয় শোক দিবস উদ্‌যাপন উপলক্ষে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের নিরাপত্তাব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

 

 

শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘গত পরশু জঙ্গি সংগঠনের একজনকে গ্রেপ্তার করেছি। তিনি বোমা বিশেষজ্ঞ। অনলাইনে বোমা তৈরির প্রশিক্ষণ দিতেন। নারায়ণগঞ্জে শক্তিশালী বোমা উদ্ধার হয়েছে, সেটাও তাঁর সরাসরি তত্ত্বাবধানে তৈরি করা। এ মাসে উল্লেখ্যযোগ্যসংখ্যক জঙ্গি বা নাশকতাকারী গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অর্থাৎ তারা যে থেমে নেই, সেটা বলা যায়। কিন্তু আমরা সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করে যাচ্ছি, যাতে বাংলাদেশে আর একটি ঘটনাও না ঘটে।

ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, ‘যারা জঙ্গি হামলাগুলো করে, এখন যারা হামলা করার চেষ্টা করছে, তাদের প্রধান কাজই হলো আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে আসা। অর্থাৎ প্রতিটা ঘটনা ঘটিয়েই তাদের আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় আসতে হয়। এ ক্ষেত্রে ১৫ আগস্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তাদের ক্ষেত্রে। ১৫ আগস্টের ভেন্যুর আশপাশে না হোক, এর থেকে দুই কিলোমিটার দূরেও যদি বোমা ফাটাতে পারে, তাতেও আন্তর্জাতিক দৃষ্টি আকর্ষণ হবে। এদিক বিবেচনা করে তারা চেষ্টা করছে। কিন্তু যে গ্রুপ ডেভেলপ করে উঠছিল, সেই পুরো ট্র্যাক ধরা পড়ে গেছে। আমাদের আশঙ্কা আছে, কিন্তু সর্বোচ্চ মেধা ও চেষ্টা দিয়ে এ ধরনের ঘটনা যাতে না ঘটে, সেটার জন্য তৎপর আছি।

 

 

 

 

১৫ আগস্ট উপলক্ষে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে মাস্ক পরা ছাড়া কাউকে ঢুকতে দেওয়া হবে না। সারা দিন পুলিশের নিরাপত্তা থাকবে, তাই যেকোনো সময় শ্রদ্ধা জানানো যাবে। সেলফি তোলা থেকে বিরত থাকার জন্যও অনুরোধ জানানো হয়েছে ডিএমপি থেকে।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘এদিন যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রিত থাকবে। চেকপোস্টে ভালোভাবে পরীক্ষা করেই আমরা লোকজন এখানে ঢুকতে দেব। প্রধানমন্ত্রী যতক্ষণ এখানে থাকবেন, ততক্ষণ পর্যন্ত পুরো ভ্যানু জনশূন্য থাকবে। আশা করছি, সকাল সাড়ে সাতটার দিকে তিনি ভেন্যু ত্যাগ করবেন। এরপর আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ, তারপর সাধারণ মানুষের জন্য ভেন্যু উন্মুক্ত থাকবে।

খ   

 

অস্ত্র মামলায় পাপিয়া ও তাঁর স্বামীর ২০ বছরের কারাদণ্ড।

চার মাসে হোটেলে থেকে বিল দেন ৩ কোটি টাকার বেশি।

দুদক ৬ কোটি ২৪ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের তথ্য পেয়েছে।

 

 

 

নরসিংদী জেলা যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক শামীমা নুর পাপিয়ার সাড়ে ১১ কোটি টাকার সম্পদ থাকার তথ্য পেয়েছে পুলিশ ও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

 

দুটি সংস্থাই বলছে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে পাপিয়া এই সম্পদ অর্জন করেছেন।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ও দুদক বলছে, প্রতারণা, অনৈতিক কাজ, মাদক কারবার, চাঁদাবাজি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায় করতেন পাপিয়া। তাঁর স্বামী মফিজুর রহমানও (সুমন চৌধুরী) এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। দুদক ৬ কোটি ২৪ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের তথ্য পেয়েছে। সংস্থাটি পাপিয়া ও তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্রও দিয়েছে। অন্যদিকে অর্থ পাচার বা মানি লন্ডারিং আইনের মামলার তদন্তে সিআইডি ৫ কোটি ৯ লাখ টাকা অবৈধ বা অপরাধ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আয়ের প্রমাণ পেয়েছে। অর্থাৎ দুটি সংস্থার তদন্তে বহিষ্কৃত এই যুবলীগ নেত্রীর ১১ কোটি টাকার বেশি অর্থসম্পদ থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

 

 

 

স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে প্রতারণা, অনৈতিক কাজ, মাদক বিক্রি, চাঁদাবাজি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায় করতেন পাপিয়া।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, পাপিয়ার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে করা মামলা এবং অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনের আর দুটিসহ মোট তিনটি মামলায় অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। শুধু মানি লন্ডারিং আইনে করা মামলার তদন্ত এখনো শেষ করতে পারেনি সিআইডি। পাপিয়া এখন কাশিমপুর নারী কারাগারে বন্দী আছেন।

মামলাগুলো তদন্তের সঙ্গে যুক্ত সিআইডির কর্মকর্তারা বলেছেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতিতে মানি লন্ডারিং আইনে করা মামলার তদন্ত অনেক দিন থেমে ছিল। এখন এই মামলার তদন্ত আবার জোরেশোরে শুরু হয়েছে।

 

 

 

 

গত বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি শামীমা নুর পাপিয়া, তাঁর স্বামী মফিজুর রহমান চার সহযোগীসহ বিদেশে পাড়ি জমানোর চেষ্টা করেন। তখন হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উড্ডয়নের জন্য অপেক্ষারত একটি উড়োজাহাজ থেকে নামিয়ে এনে তাঁদের গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। ধরা পড়ার পর পাপিয়াকে নরসিংদী যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। সেই সময় পাপিয়া ও তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি, শেরেবাংলা নগর থানায় অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে পৃথক দুটি মামলা করে র‌্যাব। পরে সিআইডি পাপিয়া, তাঁর স্বামী ও সহযোগীদের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় মানি লন্ডারিং আইনে একটি মামলা করে। আর জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করে দুদক।

পাপিয়ার বিরুদ্ধে হওয়া মানি লন্ডারিং আইনের মামলার তদন্তসংশ্লিষ্ট সিআইডি কর্মকর্তারা প্রথম আলোকে বলেন, পাপিয়ার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমের ৫ কোটি ৯ লাখ টাকা আয় করেন। গ্রেপ্তারের আগে ২০১৯ সালের ১২ অক্টোবর থেকে ২০২০ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তিনি গুলশানের ‘ওয়েস্টিন’ হোটেলে ৪ মাস ১০ দিন অবস্থান করেন। পাপিয়ার নামে বরাদ্দ হোটেলটির প্রেসিডেনশিয়াল স্যুটের বিলই দেন ৩ কোটি ২৩ লাখ টাকা।

 

 

 

মামলার তদন্ত তদারক কর্মকর্তা সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার হুমায়ুন কবির প্রথম আলোকে বলেন, পাপিয়ার বিরুদ্ধে করা মানি লন্ডারিং মামলার তদন্ত শেষ পর্যায়ে। তদন্ত শেষে শিগগিরই এই মামলার অভিযোগপত্র দেওয়া হবে।

 

 

এখন পর্যন্ত র‌্যাবের দায়ের করা অবৈধ অস্ত্র রাখার মামলায় পাপিয়া ও তাঁর স্বামী মফিজুর রহমানকে ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন প্রথম আলোকে বলেন, অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা
আইনের তিন মামলায় র‌্যাব অভিযোগপত্র দিয়েছে। এর মধ্যে অস্ত্র মামলায় গত বছরের অক্টোবরে আদালত পাপিয়া ও তাঁর স্বামীকে সাজা দিয়েছেন নিম্ন আদালত।

 

 

 

 

 

একুশ শতকের সম্পদ হলো ডেটা। বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার যেমন বৃদ্ধি পেয়েছে, তেমনি সাইবার অপরাধও ব্যাপক হারে বেড়েছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও অপরাধী চক্রগুলো নানাভাবে ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে। সচেতনতার অভাব এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি দায়ী।

 

অনলাইন জগতের ব্যক্তিগত তথ্য, যেমন ই–মেইল, পাসওয়ার্ড, নাম, জন্মতারিখ, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুব সহজেই এখন অন্যরা হাতিয়ে নিতে পারছে এবং এসব তথ্য দিয়ে তারা বিভিন্ন ধরনের খারাপ কাজ করে যাচ্ছে। স্পাম লিংক, মেইল, পেনড্রাইভ কিংবা অ্যাপের মাধ্যমে এসব তথ্য চুরির ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটে।

আমরা কীভাবে স্পাম লিংক চিনব?

১. কাছের মানুষ যখন নীরব ঘাতক

আমরা আমাদের চারপাশের কাছের মানুষকে খুব বেশি বিশ্বাস করি। তাই তাঁরা যখন কোনো লিংক আমাদের বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বা ই–মেইলে পাঠান, তখন আমরা কোনো কিছু বিবেচনা না করেই সেটিতে প্রবেশ করি। হতে পারে তখন আপনার অজান্তেই আপনার সব ব্যক্তিগত তথ্য চুরি হয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি সচেতন থাকতে হবে। যদি আমাদের কোনো লিংক নিয়ে সন্দেহ হয়, তবে তা ক্লিক করার আগে যিনি পাঠিয়েছেন, তাঁর কাছ থেকে জিজ্ঞাসা করে নেবেন যে এটা কিসের লিংক। নাহলে একটি ভুল সিদ্ধান্ত আপনার নিজের অনেক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

 

২. সব লিংক কিন্তু লিংক নয়

ধরুন, আপনাকে কেউ একটি লিংক পাঠিয়েছে। আপনার প্রথম কাজ হবে লিংকটিকে ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করা। এ ক্ষেত্রে আপনি লিংকটির ডোমেইন ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন।

ধরুন, একটি লিংক https://facebok.com/prize এ রকম। কিন্তু এটি আসলে একটি ভুয়া লিংক। আপনি যদি লিংকটি ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করেন, তবে দেখবেন যে ফেসবুক বানানটি ভুল আছে। সঠিক বানানটি হবে Facebook। এভাবেও আপনারা সতর্ক হতে পারেন।

আবার ধরুন, এমন একটি লিংক https://arena.world.xyz/account । আগের লিংকটিতে হতে পারে ফেসবুক আপনি বেশি ব্যবহার করেন বলে সেটার বানান সম্পর্কে আপনার ধারণা আছে। কিন্তু এ লিংক সম্পর্কে আপনার কোনো ধারণা নেই। তাহলে লিংকটি আসলে কী বিষয়ক ওয়েবসাইট, সেটি দেখতে চাইলে শুধু arena. World লিখে ব্রাউজারে সার্চ করতে পারেন। পুরো লিংকটি কপি করে ব্রাউজারে ওপেন করবেন না। এরপর আপনি একটি ধারণা পাবেন। যদি আপনার মনে হয় যে লিংকটি স্পাম নয়, তাহলে আপনি সেটিতে প্রবেশ করতে পারেন।

 

 

৩. সাধারণ জ্ঞান হতে পারে বাঁচার হাতিয়ার

কিছুদিন আগে আমার মেসেঞ্জারে একটি লিংক এল। ফেসবুকের ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষে সে তার ব্যবহারকারীদের পুরস্কার দিচ্ছে। তারপর একটু চিন্তা করলাম। ২০০৪ সালে ফেসবুক যাত্রা শুরু করে। ২০ বছর পূর্তি হবে ২০২৪ সালে। তাহলে এটি নিঃসন্দেহে একটি স্পাম লিংক।

অনেকে বিভিন্ন বড় বড় প্রতিষ্ঠানের নামে এ রকম লিংক তৈরি করে মানুষকে ফাঁদে ফেলে। সে ক্ষেত্রে আমাদের ওই প্রতিষ্ঠানের সম্পর্কে আগে থেকেই যদি কোন ধারণা থাকে, তাহলে আমরা বিপদ এড়াতে পারব।

 

৪. লোভ খুব খারাপ জিনিস

লোভ শব্দটা অনেক ক্ষেত্রেই খারাপ অর্থে ব্যবহৃত হয়। আর সেটা যদি হয় টাকা কিংবা দামি কোনো পুরস্কারের, তাহলে তো কোনো কথাই নেই। এই ধরনের জাঁকজমকপূর্ণ বিজ্ঞাপন কিংবা লিংকে প্রবেশ করবেন না।

এত সহজেই যদি আপনি এত টাকার মালিক হয়ে যেতে পারেন, তাহলে তো পরিশ্রম শব্দটিই থাকত না। অনেকে আবার এ রকম লিংক শেয়ার করার জন্য টাকা পেয়ে থাকেন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে। তাঁরা তো নিজের ক্ষতি করেনই, সঙ্গে আরও দশজনের ক্ষতি করে বসেন। তাই কিছু বিষয়ে সংযত থাকা ভালো।

৫. যেকোনো লিংক থেকে অ্যাপ ইনস্টল নয়

 

একদম বিশ্বাসযোগ্য প্ল্যাটফর্ম থেকে মুঠোফোনের জন্য অ্যাপ্লিকেশন ইনস্টল করা উচিত। কেননা, কোনো অ্যাপের মাধ্যমেও আপনার সব তথ্য চুরি হয়ে যেতে পারে। এবং সেই অ্যাপ একবার আপনার ফোনে ইনস্টল হয়ে গেলে সেটি গুপ্তচরের কাজ করবে। তাই সন্দেহজনক কোনো লিংক থেকে অ্যাপ ইনস্টল করা থেকে বিরত থাকুন।

 

 

অনেকের মনের মধ্যে একটি প্রশ্ন থাকে, আমার তথ্য চুরি হলে কার কী লাভ হবে। আসলে আপনার তথ্য অনেক মূল্যবান। সেটি তারা আরও উচ্চমূল্যে কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছে বেচে দেবে। আবার খারাপ কোনো মানুষ আপনার ব্যক্তিগত তথ্য বা ছবি নিয়ে ব্ল্যাকমেল করতে পারে। তাই এ ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করুন।

আপনার যদি মনে হয় যে আপনার কোনো তথ্য চুরি হয়েছে বা কেউ আপনাকে ব্ল্যাকমেল করছে, তাহলে আপনার নিকটস্থ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাহায্য নিন। কোনো কিছু অন্যকে শেয়ার করার আগে তা অবশ্যই নিজে যাচাই করে নেবেন। অন্যকে ভালো রাখুন, নিজে ভালো থাকুন।

 

লিংক

 

 

 

 

 

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘পদ্মা সেতু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহস ও সক্ষমতার সোনালি ফসল। এই সেতু নিয়ে অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে।

এখনো পদ্মা সেতুর পেছনে দেশে-বিদেশে লোক লেগে আছে। শর্ষের মধ্যে ভূত আছে কি না, সেটা আমাদের খুঁজে বের করতে হবে।

 

আজ শুক্রবার সকালে পদ্মা সেতুর ১০ নম্বর পিলারে কে টাইপ ফেরি কাকলি ধাক্কা খায়। বিকেলে সেতুমন্ত্রী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, পদ্মা সেতুর পিলারে পরপর চারবার ফেরির ধাক্কার ঘটনায় কোনো ষড়যন্ত্র আছে কি না, কোনো অন্তর্ঘাত আছে কি না, তা তদন্ত করে দেখতে হবে। কেন পুনরাবৃত্তি ঘটছে। সারা দেশের মানুষের অনুভূতিতে আঘাত হানছে। পদ্মা সেতুর সঙ্গে গোটা জাতির সম্পর্ক।

 

 

সেতু আগামী বছর উদ্বোধন করা হবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘আগামী বছরের জুনের মধ্যে পদ্মা সেতু যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার জন্য আমরা কাজ করছি। করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে ঘোষিত বিধিনিষেধের কারণে অনেক জায়গার অনেক কাজ বন্ধ হয়ে গেছে। পদ্মা সেতু নির্মাণে ২৪ ঘণ্টাই আমাদের লোকজন কাজ করছে।’

 

সেতুর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সেনাবাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিষয়টি গভীরভাবে তদারক করা দরকার। বিষয়টি নিয়ে সেনাপ্রধান, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) প্রধান ও ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্সের (ডিজিএফআই) প্রধানের সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানান তিনি।

 

 

বিআইডব্লিউটিসি সূত্র জানায়, ২০ জুলাই প্রথম পদ্মা সেতুর ১৬ নম্বর পিলারের সঙ্গে ধাক্কা লেগে রো রো ফেরি শাহ মখদুমের তলা ছিদ্র হয়ে যায়। ২৩ জুলাই মাদারীপুরের বাংলাবাজার ঘাট থেকে ছেড়ে আসা রো রো ফেরি শাহজালাল ১৭ নম্বর পিলারে ধাক্কা দিলে তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর গত সোমবার সন্ধ্যায় রো রো ফেরি বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর ১০ নম্বর পিলারে সজোর ধাক্কা খায়। এসব ঘটনায় সেতুর পিলারের পানি লাগোয়া অংশে (পাইল ক্যাপ) পলেস্তারা উঠে গর্তের সৃষ্টি করেছে।

 

শেখ 

 

 

পদ্মা সেতুর পিলারে ফেরির ধাক্কা এড়াতে ঘাট স্থানান্তর করতে যাচ্ছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি ঘাট স্থানান্তর না হওয়া পর্যন্ত বাংলাবাজার-শিমুলিয়া রুটে রো রো ফেরি না চালানোরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পদ্মা সেতুর পিলারে পরপর চারবার ফেরির ধাক্কার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়।
তীব্র স্রোতের কারণে তৈরি ঘূর্ণিই ফেরির বারবার ধাক্কার কারণ উল্লেখ করে অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) চেয়ারম্যান সৈয়দ মো. তাজুল ইসলাম মুঠোফোনে একেটিভিকে বলেন, ফেরি চলাচলের পথে পদ্মা সেতু এলাকা এড়ানোর জন্য বাংলাবাজার ঘাট স্থানান্তরের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে সরকার। এই ঘাটটি শরীয়তপুরের জাজিরায় মাঝিরকান্দি ঘাটে নেওয়া হবে। এতে এক থেকে দেড় মাস সময় লাগবে।

 

চার দিনের ব্যবধানে আজ শুক্রবার পদ্মা সেতুর ১০ নম্বর পিলারে কাকলি নামে ছোট একটি ফেরির ধাক্কা লাগে। সকাল পৌনে সাতটার দিকে মাদারীপুরের বাংলাবাজার থেকে মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া যাওয়ার পথে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় সকালে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘হালকা আঘাত লাগলেও আমরা এটাকে হালকাভাবে দেখছি না। চালকদের দায়িত্বে উদাসীনতার কারণগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পরে প্রয়োজনীয় ব‍্যবস্থা নেওয়া হবে। পদ্মা সেতু পুরোপরি চালু হলে মাদারীপুরের বাংলাবাজার ঘাটের বাঁধ রক্ষায় শরীয়তপুরের জাজিরায় মাঝিরকান্দিতে ফেরিঘাট স্থানান্তরের বিষয়টি পরিকল্পনায় রয়েছে।

 

প্রতিমন্ত্রী আজ মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ফেরিঘাট, শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুট ও শরীয়তপুরের মাঝিরকান্দি ঘাট পরিদর্শন করেন।

এ সময় অন‍্যদের মধ‍্যে নৌপরিবহন সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী, বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম‍্যান সৈয়দ মো. তাজুল ইসলাম, বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম‍্যান কমোডর গোলাম সাদেক এবং পদ্মা সেতুর নিরাপত্তার ব্রিগেড প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ কামরুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।

এ নিয়ে গত জুলাই ও আগস্টে পদ্মা সেতুর তিনটি পিলারে চারবার ফেরির ধাক্কা লাগার ঘটনা ঘটল।

বিআইডব্লিউটিসি সূত্র জানায়, ২০ জুলাই প্রথম পদ্মা সেতুর ১৬ নম্বর পিলারের সঙ্গে ধাক্কা লেগে রো রো ফেরি শাহ মখদুমের তলা ছিদ্র হয়ে যায়। ২৩ জুলাই মাদারীপুরের বাংলাবাজার ঘাট থেকে ছেড়ে আসা রো রো ফেরি শাহজালাল ১৭ নম্বর পিলারে ধাক্কা দিলে তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর গত সোমবার সন্ধ্যায় রো রো ফেরি বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর ১০ নম্বর পিলারে সজোর ধাক্কা খায়। এসব ঘটনায় সেতুর পিলারের পানি লাগোয়া অংশে (পাইল ক্যাপ) পলেস্তারা উঠে গর্তের সৃষ্টি করেছে।

 

 

করোনার বছরে দেশের স্থলবন্দরগুলোর জমজমাট ব্যবসা বেড়েছে। একদিকে যেমন আয় বেড়েছে, তেমনি পণ্য আমদানি-রপ্তানিও বেড়েছে। করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় বিদায়ী অর্থবছরে একাধিকবার নানা বিধিনিষেধ আরোপ করা হলেও স্থলবন্দরগুলো দিয়ে আমদানি-রপ্তানিতে তেমন প্রভাব পড়েনি। বিদায়ী অর্থবছরে এই প্রথম বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের আয় ২৫০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেল। এ ছাড়া স্থলবন্দর দিয়ে বার্ষিক আমদানি-রপ্তানি আবারও দুই লাখ টন ছাড়াল।

বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। দেশের সব স্থলবন্দর দেখভাল করে এই কর্তৃপক্ষ। পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর সঙ্গে বিশেষ করে ভারতসহ পার্শ্ববর্তী দেশের সঙ্গে বাণিজ্য সহজ করতে ২০০১ সালে স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ গঠিত হয়। বর্তমানে ২৪টি স্থলবন্দর থাকলেও কার্যকর আছে মাত্র ১২টি। তবে বেনাপোল, ভোমরা ও বুড়িমারী-আমদানি-রপ্তানিতে এই তিন স্থলবন্দরের ওপর নির্ভরশীলতা অতি মাত্রায়।

স্থলবন্দরের আয়ের প্রধান উৎসগুলো হলো খালাস হওয়ার অপেক্ষায় থাকা পণ্যের জন্য শেড ও ইয়ার্ড ভাড়া, ওজন মাপার মাশুল, প্রবেশ মাশুল, শ্রমিক মজুরি, দলিলাদি প্রক্রিয়াকরণ মাশুল ইত্যাদি।

এক বছরে স্থলবন্দরের আয় বেড়েছে ৩০%
স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, বিদায়ী অর্থবছরে স্থলবন্দরগুলো থেকে ২৬৭ কোটি টাকা আয় হয়েছে। এক বছরের ব্যবধানে ৩০ শতাংশের বেশি আয় বেড়েছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে সব মিলিয়ে আয় হয়েছিল ২০৩ কোটি টাকা। বেনাপোল, ভোমরা ও বুড়িমারী—এই তিনটি স্থলবন্দর থেকে মোট আয়ের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি এসেছে। এই তিনটি বন্দরের আয় ১৮৩ কোটি টাকা।

 

 

করোনার বছরে দেশের স্থলবন্দরগুলোর জমজমাট ব্যবসা বেড়েছে। একদিকে যেমন আয় বেড়েছে, তেমনি পণ্য আমদানি-রপ্তানিও বেড়েছে।

 

 

বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. আলমগীর বলেন, আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে বিধিনিষেধের আওতায় বাইরে ছিল স্থলবন্দরের কার্যক্রম। তাই আমদানি-রপ্তানিও বিঘ্নিত হয়। এ ছাড়া ব্যবসায়ীরা এই করোনার সময়ে আমদানি-রপ্তানি হ্রাস করেননি। ফলে স্থলবন্দরের আয় বেড়েছে। প্রতিটি স্থলবন্দরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কর্মীরা কাজ করেছেন। তিনি জানান, করোনার সময়ে দেশের পশ্চিম সীমান্ত দিয়ে তুলনামূলক বেশি আমদানি-রপ্তানি হয়েছে।

১০ বছরের ব্যবধানে স্থলবন্দর থেকে আয় প্রায় সাড়ে ছয় গুণ বেড়েছে। ২০১০-১১ অর্থবছরে বার্ষিক আয় ছিল ৪১ কোটি টাকা। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে স্থলবন্দরের আয় শত কোটি টাকা পেরিয়ে যায়। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে আয় ২০০ কোটি টাকা ছাড়ায়।

আমদানি-রপ্তানি আবার ২ লাখ টন ছাড়াল গত অর্থবছরে আবারও স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানির পরিমাণ দুই লাখ টন ছাড়াল। কয়েক বছর ধরেই স্থলপথে দুই লাখ টনের বেশি আমদানি-রপ্তানি হচ্ছিল। কিন্তু ২০১৯-২০ অর্থবছরের মার্চ মাসে করোনা সংক্রমণ শুরু হলে আমদানি-রপ্তানি কিছুটা শ্লথ হয়। ফলে ওই অর্থবছরে আমদানি-রপ্তানির পরিমাণ দাঁড়ায় দেড় লাখ টন। তবে বিদায়ী অর্থবছরে তা আবার বেড়ে ২ লাখ ১২ হাজার টন হয়। এর মধ্যে আমদানি হয় ২ লাখ ১ টন পণ্য। আর রপ্তানি হয় ১১ লাখ টনের মতো পণ্য।

স্থলবন্দর দিয়ে যত পণ্য আমদানি-রপ্তানি হয়, তার ৯৯ শতাংশের বেশি হয় ভারতের সঙ্গে। টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে শুধু মিয়ানমারের সঙ্গে বাণিজ্য হয়। বছরে এক লাখ টনের মতো পণ্য আসা-যাওয়া করে এই বন্দর দিয়ে। বেনাপোল, ভোমরা ও বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে প্রায় ৮৬ শতাংশ পণ্য আমদানি-রপ্তানি হয়েছে।

তবে বেনাপোল, বুড়িমারী, ভোমরাসহ হাতে গোনা স্থলবন্দর ছাড়া অন্য স্থলবন্দরগুলোর অবকাঠামো খুব উন্নত নয়। তাদের আয়ও খুব বেশি নয়।

 

 

 

স্বাস্থ্য খাতের চরম ব্যর্থতার দায় আড়াল করতেই সরকার গণটিকার ঘোষণা দিয়ে নতুন নাটকের মঞ্চায়ন করেছে। ফলশ্রুতিতে সরকারের গণটিকার কর্মসূচি গণভোগান্তিতে পরিণত হয়েছে। এক কোটিরও কম টিকা মজুত রেখে কিভাবে গণটিকার কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়, তা আমাদের বোধগম্য নয়।

আজ ১১ আগস্ট ২০২১ (বুধবার) ইসলামী যুব আন্দোলন-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা মুহাম্মাদ নেছার উদ্দিন ও সেক্রেটারি জেনারেল আতিকুর রহমান মুজাহিদ এক যুক্ত বিবৃতিতে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

নেতৃদ্বয় আরো বলেন, আমাদের মনে হয় করোনার সংক্রমণ রোধে সরকার শুধুমাত্র লকডাউনকেই একমাত্র সমাধান হিসেবে গ্রহণ করেছে। তাই গত দেড় বছরেও স্বাস্থ্যখাতে তেমন কোনো অগ্রগতি উল্লেখ করার মতো নেই।

 

বিবৃতিতে তারা বলেন, সরকার তার অবৈধ ক্ষমতাকে টিকিয়ে রাখতে শুধুমাত্র রাজনীতিতে দুর্বৃত্তায়ন নয়; প্রশাসন ও আমলাসহ সকল ক্ষেত্রে দুর্বৃত্তায়নের প্রসার ঘটিয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ের বিভিন্ন প্রতিবেদনে দেখা যায় যে, বিদেশে অবৈধ টাকা পাচারের এক্ষেত্রে অবৈধ ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদদের থেকে আমলারা কোন অংশেই পিছিয়ে নেই। বরং আমলারাই এখন বেশি টাকা পাচার করেছে। দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ গড়ার প্রতিরোধে সরকারের সকল দপ্তরে জবাবদিহীতামূলক ব্যবস্থা রাখতে হবে। গণটিকাদান কর্মসূচিতে মানুষের ভোগান্তি নিরসনকল্পে পর্যাপ্ত টিকা কেন্দ্র বাড়ানোর জন্য নেতৃবৃন্দ সরকারের প্রতি আহবান জানান।

 

কর্মসূচি কর্মসূচি কর্মসূচি কর্মসূচি কর্মসূচি কর্মসূচি কর্মসূচি কর্মসূচি কর্মসূচি কর্মসূচি কর্মসূচি কর্মসূচি কর্মসূচি কর্মসূচি

 

 

গণপরিবহন সংকটের এই ঢাকা শহরে প্রতিনিয়ত নাগরিকদের বাসে উঠতে রীতিমতো লড়াই করতে হয়, সেখানে করোনা সংক্রমণের মধ্যে অর্ধেক বাস চালানো কতটা যুক্তিসঙ্গত তা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন

 

বুধবার থেকে দৈনিক মোট গণপরিবহনের অর্ধেক চলাচল করতে পারবে—সরকারের এমন সিদ্ধান্ত কতটা যৌক্তিক, সেই প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। আমাদের গণপরিবহন ব্যবস্থার মালিকানার ধরন, নিয়ন্ত্রণ সংস্থার সক্ষমতা এবং শ্রমিকদের নিয়োজিত করার পদ্ধতি—এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে অন্তরায়।

করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহন চালানোই যেখানে মূল লক্ষ্য, সেখানে সরকারের নতুন এই সিদ্ধান্ত তা আরও নাজুক করে তুলতে পারে। পাশাপাশি সাধারণ যাত্রীরাও দুর্ভোগে পড়তে পারেন, বাড়তি ব্যয়ের বোঝাও চাপবে।

প্রায় দেড় বছর ধরে দেশে করোনা মহামারি চলমান। করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এরই মধ্যে বিধিনিষেধ, কঠোর বিধিনিষেধ, শিথিল বিধিনিষেধ নামের নানা সিদ্ধান্ত দেখেছে দেশের মানুষ। বেশির ভাগ সিদ্ধান্তই এসেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে।

তবে বরাবরই বিধিনিষেধ বা লকডাউনের কেন্দ্রে থাকে গণপরিবহন তথা ট্রেন, লঞ্চ, বাস ও ফেরি। সাধারণ মানুষের এসব বাহনই বড় ভরসা। এগুলো ভিন্ন ভিন্ন সংস্থার নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়। অংশীজন হিসেবে আছেন বেসরকারি উদ্যোক্তারা।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সিদ্ধান্ত দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করা হচ্ছে না। ফলে সকালে সিদ্ধান্ত দিয়ে রাতে তা পাল্টাতে দেখা গেছে। বিধিনিষেধ বাস্তবায়নেও হযবরল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

 

এই অব্যবস্থাপনার পেছনে আমলাদের ওপর অতি নির্ভরতাকে দায়ী করে থাকেন অনেকে। যখনই কোনো নতুন সিদ্ধান্ত আসে, তখন অংশীজনদের কেউ কেউ তাই রসিকতা করে বলে থাকেন, এক দিন পর এই সিদ্ধান্তও পরিবর্তন হয় কি না দেখেন?

করোনার সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকির মধ্যেই সরকার হঠাৎ করে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ১৫ থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত বিধিনিষেধ শিথিলের ঘোষণা দেয়। তখনই জানিয়ে দেওয়া হয়, ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে। বন্ধ থাকবে সব শিল্পকারখানা। এই সুযোগে এক কোটির বেশি মানুষ ঢাকা ছাড়ে।

 

 

৩০ জুলাই হঠাৎ সিদ্ধান্ত দেওয়া হয় যে ১ আগস্ট থেকে রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানা খুলবে। গণপরিবহন বন্ধ রেখেই কারখানা খোলার এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ফলে শ্রমিকেরা দূরদূরান্ত থেকে ভ্যানে, ট্রাকে ও হেঁটে কাজে যোগ দেওয়ার জন্য রওনা দেন।

কিছু দিন আগে কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে গণপরিবহন বন্ধ রেখে কারখানা খোলার অনুমতি দেওয়া হয়, সে সময় ঢাকা ফিরতে মরিয়া শ্রমিকেরা এভাবে মাদারীপুরের বাংলাবাজার ফেরিঘাটে এসে ভিড় করেন

 

 

বাড়তি খরচ আর দুর্ভোগ নিয়ে অধিকাংশ শ্রমিক ঢাকায় চলে আসার পর সরকার শ্রমিক আনার কাজে দেড় দিনের জন্য বাস চলতে পারবে বলে মৌখিক নির্দেশনা দেয়। কিন্তু অধিকাংশ শ্রমিক চলে আসার কারণে এই সিদ্ধান্তে শ্রমিকদের কোনো কাজে লাগেনি।

 

 

 

গত বছরও পোশাক কারখানা বন্ধ ও খোলা নিয়ে সিদ্ধান্তে নানা অসংগতি ছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে এই নিয়ে সমালোচনার পর সিদ্ধান্ত পাল্টানোর ঘটনা ঘটেছে।

একইভাবে ফেরি চালু রেখে বাস বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা এসেছে বিভিন্ন সময়। এ সময় ফেরিগুলোতে উপচে পড়া ভিড়ে স্বাস্থ্যবিধির কোনো বালাই ছিল না।

 

এ পর্যন্ত সরকারের লকডাউন এবং বিধিনিষেধসংক্রান্ত সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে কয়েকটি দুর্বলতা দেখা যাচ্ছে। এগুলো হচ্ছে—১. সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর ও অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা না করা। ২. পোশাক কারখানা খোলার ক্ষেত্রে এই খাতের মালিক সংগঠনগুলোর ইচ্ছাকেই গুরুত্ব দেওয়া। ৩. পোশাক খাতের শ্রমিক এবং নিম্ন আয়ের মানুষের দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় না নেওয়া। ৪. স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে বিজ্ঞান বা বাস্তবতার চেয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের বিবেচনাবোধকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া। ৫. ওপর থেকে নেওয়া সিদ্ধান্ত কীভাবে বাস্তবায়ন হবে, সেই বিষয়ে মাঠপর্যায়ে স্পষ্ট নির্দেশনা না থাকা।

এবার প্রতিদিন অর্ধেক গণপরিবহন চালু রাখার নতুন যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, এর মধ্যেও বিজ্ঞান বা বাস্তবতাবোধের অভাব দেখা যাচ্ছে। ফলে বেশ কিছু সমস্যার উদ্ভব হতে পারে।

 

 

 

পরিবহন ব্যবস্থাই এমন যে অর্ধেক চালু রাখা কঠিন
রাজধানী ঢাকাসহ বড় শহর এবং দূরপাল্লার পথে প্রায় এক লাখ বাস-মিনিবাস চলাচল করে। এসব বাসের মালিক আছেন প্রায় ৪০ হাজার। সবাই সংঘবদ্ধ বা বড় কোম্পানির অধীনে নয়। এমনও আছে যে তিন-চারজন ব্যক্তি মিলে একটা বাসের মালিক। একজনের একটি বাসের মালিকানাই বেশি। অনেক পরিবহনমালিক মিলে একটা কোম্পানি করে বাস চালিয়ে থাকেন। এর বাইরে দেশে বড় কোম্পানি আছে ২০টির মতো। এসব বড় কোম্পানিতে এক মালিকের অনেক বাস চলে।

এই জটিল মালিকানা ব্যবস্থায় অর্ধেক বাস চালু রাখার যে সিদ্ধান্ত, তা বাস্তবায়ন করা অত্যন্ত কঠিন। প্রথমত, যাঁর একটি বাস আছে বা একাধিক মালিকের যদি একটি বাস থাকে, তাহলে সেখানে অর্ধেক চালানোর সুযোগ নেই। এ ছাড়া প্রভাবশালী পরিবহনমালিক ও শ্রমিকনেতারা রুট কমিটির নামে বিভিন্ন বাস টার্মিনাল নিয়ন্ত্রণ করেন। কোন মালিকের বাস চলবে এবং কারটা বন্ধ থাকবে—এটা ঠিক করতে গিয়ে প্রভাবশালীরা চাঁদাবাজির আশ্রয় নিতে পারেন। মনে রাখা দরকার, গণপরিবহনে চাঁদাবাজি দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে।

 

ঢাকায় সব বাস চললেও যাত্রীদের চাপে এভাবে দাঁড়িয়ে যেতে বাধ্য হন অনেকে, সেখানে অর্ধেক বাস চললে স্বাস্থ্যবিধির কী হবে সেটাই বড় প্রশ্ন হয়ে দেখা দিয়েছে

 

এ ছাড়া দীর্ঘদিন শ্রমিকেরা বেকার। এখন অর্ধেক বাস চালাতে হলে কাকে বসিয়ে রেখে কাকে চালানোর সুযোগ দেওয়া হবে, এটাও একটি জটিল বিষয়।

 

 

 

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে বলা হয়েছে, স্থানীয় প্রশাসন সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে অর্ধেক বাস চালানোর বিষয়টি নিশ্চিত করবে। মঙ্গলবার কিছু জেলা ও বিভাগীয় শহরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিবহনমালিক-শ্রমিকনেতাদের সঙ্গে বৈঠকের খবর পাওয়া গেছে। কিন্তু পরিবহন খাত নিয়ন্ত্রণ হয় ঢাকা থেকে। কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে কোনো বৈঠক বা আলোচনার খবর পাওয়া যায়নি।

স্বাস্থ্যবিধি মানা কঠিন হবে
সড়ক পরিবহনের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিআরটিএ মঙ্গলবার এক আদেশে বলেছে, যত আসন, তত যাত্রী পরিবহন করা যাবে। তবে কোনোভাবেই আসনের অতিরিক্ত বা দাঁড়িয়ে যাত্রী পরিবহন করা যাবে না। কিন্তু দীর্ঘদিন পরিবহন বন্ধ থাকার পর স্বাভাবিকভাবেই যাত্রীর চাপ বাড়বে। এ অবস্থায় আসনের অতিরিক্ত যাত্রী বহন না করার নির্দেশনা কতটা মানা হবে, সেই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

 

 

 

গত ৩১ জুলাই পোশাকশ্রমিকদের আনার জন্য বাস চলাচলে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হয়। কিন্তু শ্রমিকেরা আগেই ঢাকায় চলে আসার কারণে খুব বেশি বাস চলেনি। অর্থাৎ যাত্রী থাকলে পরিবহনমালিক–শ্রমিকেরা তাঁদের নেবেনই। না থাকলে বাস কম চলবে—এর জন্য নির্দেশনার দরকার নেই।

বাংলাদেশ রেলে স্বাভাবিক সময়ে দিনে সাড়ে ৩০০ যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল করে। সংস্থাটি ১১৪টি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পবিত্র ঈদুল আজহার সময়ও রেল একই পরিমাণ ট্রেন চালিয়েছিল। সে সময় অর্ধেক আসন ফাঁকা রাখার সিদ্ধান্ত থাকলেও গাদাগাদি করে যাত্রী পরিবহনের চিত্র আমরা দেখেছি। একই অবস্থা দেখা গেছে লঞ্চ ও ফেরিতে।

 

 

 

ভাড়া–নৈরাজ্য হতে পারে
একটা সময়ে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে ৬০ শতাংশ বাড়তি নেওয়ার শর্তে অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে বাস চালানোর সিদ্ধান্ত ছিল। এখন যত আসন, তত যাত্রী বহনের কারণে স্বভাবতই বাড়তি ভাড়া আদায় করা যাবে না। কিন্তু পরিবহন মালিকেরা বলছেন, অর্ধেক বাস চলাচল করলে তাঁদের আয় কমে যাবে। এ অবস্থায় নির্ধারিত ভাড়া হার মেনে সব পরিবহনের চলাচল নিশ্চিত করা কঠিন।

বিআরটিএ এ–সংক্রান্ত নির্দেশনা দিলেও সারা দেশে তা বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না, তা দেখার মতো লোকবল বা অবকাঠামো নেই সংস্থাটির। ফলে সাধারণ যাত্রীদের ওপর বাড়তি ভাড়ার বোঝা চাপতে পারে। এই নিয়ে যাত্রী ও পরিবহনশ্রমিকদের বচসারও আশঙ্কা আছে।

 

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হয়রানির আশঙ্কা
বিধিনিষেধে কিছু ক্ষেত্রে মাইক্রোবাস, ট্রাক, হিউম্যান হলার, মোটরসাইকেল ও ভ্যানে যাত্রী পরিবহন হয়েছে। এসব যানের মালিক-শ্রমিকদের কাছ থেকে চাঁদা নিয়ে চলাচল নির্বিঘ্ন করার অভিযোগ আছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে।

বিধিনিষেধের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চৌকি বসিয়ে যানবাহনে বিধি ভঙ্গ করে যাত্রী নেওয়া হচ্ছে কি না, তা দেখে পুলিশ

 

বিশৃঙ্খল ব্যবস্থার কারণে অর্ধেক গণপরিবহন হিসাব করার আসলে কোনো বাস্তবসম্মত ব্যবস্থা নেই। ফলে রাস্তায় নামানোর পর যেকোনো বাস আটকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হয়রানি করতে পারে। এতে চাঁদাবাজির সুযোগ তৈরি হবে।

 

 

পরিবহন ব্যবস্থাই এমন যে অর্ধেক চালু রাখা কঠিন
রাজধানী ঢাকাসহ বড় শহর এবং দূরপাল্লার পথে প্রায় এক লাখ বাস-মিনিবাস চলাচল করে।

 

 

 

 

শেষ কথা
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নেওয়া সর্বশেষ সিদ্ধান্তের বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন খোদ সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। গত সোমবার তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন,অর্ধেক বাস চলবে, আর অর্ধেক চলবে না, এটার নিশ্চয়তা দেবে কে? বিষয়টি আমাদের মন্ত্রণালয়, বিআরটিএর সঙ্গে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে একটু আলোচনা করে নিলে ভালো হতো। বিষয়টি এখন জেলা প্রশাসন ও পুলিশের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে। তারা যদি সরকারের এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে পারে, ভালো কথা। এটা আমাদের এখতিয়ার নয়।

সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী এবং ক্ষমতাসীন দলের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতার এই প্রতিক্রিয়া বলে দেয়, যে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সমন্বয়হীনতা প্রকট। ফলে এর বাস্তবায়ন মাঠ প্রশাসনের ইচ্ছা-অনিচ্ছার ওপর নির্ভরশীল। এতে সরকারের লাভ-ক্ষতি যা-ই হোক, ভোগান্তির শিকার হতে হয়, খরচের বোঝা বাড়ে সাধারণ মানুষের। পরিতাপের বিষয় হচ্ছে, সাধারণ মানুষের সুবিধা–অসুবিধার বিষয়টি নীতিনির্ধারকদের বিবেচনায় কমই থাকে।

 

 

বাংলাদেশ থেকে বেশি পাচার হচ্ছে ইয়াবা। অন্যদিকে এ দেশে আসছে এলএসডি, খাট, আইসের মতো নতুন মাদক।

কুরিয়ারে বাংলাদেশ থেকে যাচ্ছে মাদক, আসছেও
তৈরি পোশাকের আড়ালে গত বছর অস্ট্রেলিয়ায় ইয়াবা তৈরির কাঁচামাল অ্যামফিটামিন পাচার করছিল একটি চক্র। ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজ থেকে ১২ কেজি অ্যামফিটামিন উদ্ধারের পর পাচারের সহযোগিতা করায় একটি বহুজাতিক কুরিয়ার সার্ভিসের তিন কর্মকর্তাসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)।

 

 

পরে অধিদপ্তরের তদন্তেই এই আসামিদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি উল্লেখ করে তাঁদের সবাইকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। আদালতে জমা দেওয়া অভিযোগপত্রে এ-ও বলা হয়, মাদক পাচারে কুরিয়ার সার্ভিসের দায় নেই।

 

অবশ্য মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে মাদক পাচারের ঘটনা ঘটে। ১২ কেজি অ্যামফিটামিন উদ্ধারের ঘটনায় কুরিয়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ কোনো ধরনের স্ক্যানিং ছাড়াই পার্সেলের চালান বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে পাঠিয়ে দিয়েছিল। এ ঘটনায় যাঁদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে, তাঁরাই কুরিয়ারে করে মাদকের চালান পাঠানোর কথা স্বীকার করেছেন। এ বিষয়টি এ মামলার অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

 

কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে বিদেশে মাদক পাচার যেমন হচ্ছে, তেমনি একইভাবে বিদেশ থেকে এ দেশে মাদক আসছে। পাচারকারীরা বাংলাদেশকে রুট হিসেবে ব্যবহার করছে।

 

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, কুরিয়ারে নতুন নতুন মাদক দেশে আসছে। সর্বশেষ দেশে আসা নতুন মাদক এলএসডি এসেছে একটি আন্তর্জাতিক কুরিয়ারে। আরও দুটি মাদকদ্রব্য খাট ও আইস বা ক্রিস্টাল মেথও একইভাবে দেশে আসে। কুরিয়ার সার্ভিসে মাদক পাচারের অভিযোগে গত এক বছরে ২০টি মামলা করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এগুলোর মধ্যে সাতটি মামলা বিচারাধীন। অন্য মামলাগুলোর তদন্ত এখনো শেষ হয়নি।

 

বাংলাদেশ থেকে বেশি পাচার হচ্ছে ইয়াবা। অন্যদিকে এ দেশে আসছে এলএসডি, খাট, আইসের মতো নতুন মাদক।

 

মামলাগুলোর তদন্ত করতে গিয়ে ডিএনসি জানতে পেরেছে, কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়াসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে মাদক পাচার হচ্ছে। বিভিন্ন কুরিয়ার সার্ভিসের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী মাদক চক্রে জড়িয়ে দেশি-বিদেশি পাচারকারীদের সহায়তা করছেন।

কুরিয়ারে মাদক পাচারের ঘটনায় ২০ মামলা। ৭টি বিচারাধীন, বাকিগুলোর তদন্ত চলছে। ১৭টি মামলাই হয়েছে ইয়াবা পাচার নিয়ে। বাংলাদেশি ও বিদেশি নাগরিকেরা জড়িত। কুরিয়ার সার্ভিসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয় না।
যে ২০টি মামলা হয়েছে, তার মধ্যে ১৭টি মামলা করা হয়েছে ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায়। এর মধ্যে একই চক্রের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা রয়েছে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায়। গত বছরের জুনের শুরুতে সৌদি আরবে পাঠানোর সময় এক হাজার ইয়াবা এবং পরে একই মাসে এই চক্রের ২ হাজার ৩০০ এবং ১ হাজার ২৫০টি ইয়াবার দুটি চালান ধরা পড়ে। এতে চক্রের মূল হোতা শাহ আলম এবং তাঁর দুই সহযোগী ইউসুফ মোল্লা ও সাদ্দাম হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

 

 

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক আবদুস সবুর মণ্ডল বলেন, কুরিয়ার সার্ভিসে মাদকের চোরাচালান রোধে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। পার্সেলে মাদক শনাক্তে কুরিয়ার সার্ভিসের কর্মীদের প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হচ্ছে। কুরিয়ার সার্ভিস ব্যবহার করে মাদক পাচারে জড়িত পুরো নেটওয়ার্ক শনাক্তে কাজ চলছে।

পাচারের পেছনে যে কুরিয়ারের কর্মীরাও জড়িত, এর প্রমাণও রয়েছে ডিএনসির হাতে। গত বছরের ১০ আগস্ট আরেকটি বহুজাতিক কুরিয়ার সার্ভিসের ওয়্যারহাউস থেকে ছয়টি ট্রাভেল ব্যাগভর্তি ৩ হাজার ৫০০ ইয়াবা উদ্ধার করে সংস্থাটি। এই চালান সৌদি আরবে পাঠানো হচ্ছিল। এই ঘটনায় দেশীয় একটি কুরিয়ার সার্ভিসের কিশোরগঞ্জ শাখার ম্যানেজার মোস্তাফিজুর রহমান, তাঁর দুই সহযোগী আবু দারদা ও মোজাম্মেলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্তের পর জানা যায়, মোস্তাফিজ আর্থিক সুবিধা নিয়ে ইয়াবা সৌদি আরবে পাচার করছিলেন।

 

 

অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা জানান, কুরিয়ার সার্ভিসের প্রতিটি শাখায় ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরা স্থাপন ও ফুটেজ সংরক্ষণের জন্য বলা হয়েছে। প্রতিটি বুকিং সেন্টারে স্ক্যানার স্থাপনের কথাও বলা হয়েছে।

‍সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের স্বত্বাধিকারী ও কুরিয়ার সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি হাফিজুর রহমান একেটিভিকে বলেন, অধিকাংশ কুরিয়ার সার্ভিসের লাইসেন্স নেই। যাঁরা নিয়ম মেনে কুরিয়ার সার্ভিস পরিচালনা করছেন, তাঁরা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা মেনেই কাজ করছেন। মাদক পাচারে জড়িত ব্যক্তিদের ধরিয়েও দেওয়া হচ্ছে।

 

 

 

কুরিয়ার সার্ভিসের দায় পায়নি ডিএনসি
কয়েকটি মামলার তদন্তে মাদক পাচারে কুরিয়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলেও কুরিয়ার সার্ভিসের কোনো দায় বা অবহেলা এখন পর্যন্ত পায়নি ডিএনসি। গত বছরের সেপ্টেম্বরে বিমানবন্দরে কার্গো ভিলেজে ১২ কেজি অ্যামফিটামিন উদ্ধারের যে ঘটনা ঘটেছিল, তখন প্রশ্ন উঠেছিল স্ক্যানিং ছাড়া কীভাবে কার্গো ভিলেজে পার্সেল গেল।

তদন্তে উঠে আসে, এই চালানের গন্তব্য ছিল অস্ট্রেলিয়া। জুনায়েদ আহমেদ সিদ্দিকী নামে এক ব্যক্তি ও তাঁর স্ত্রী ফাতেমা তুজ জোহরা এই চালানের পেছনের মূল ভূমিকা রাখেন। তাঁদের সঙ্গে সতীশ কুমার সিলভারাজ নামের ভারতীয় এক নাগরিকও ছিলেন। এই ঘটনায় সংঘবদ্ধ চক্রের সাতজনকে শনাক্ত করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। তবে তদন্তে কুরিয়ার সার্ভিসের কোনো দায় খুঁজে পাননি তিনি।

বাংলাদেশ থেকে বাংলাদেশ থেকে বাংলাদেশ থেকে বাংলাদেশ থেকে বাংলাদেশ থেকে বাংলাদেশ থেকে বাংলাদেশ থেকে বাংলাদেশ থেকে বাংলাদেশ থেকে বাংলাদেশ থেকে বাংলাদেশ থেকে বাংলাদেশ থেকে

 

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিএনসির পরিদর্শক ফজলুল হক খান বলেন, কুরিয়ার সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানটির স্ক্যানার ছিল না। ম্যানুয়ালি (সনাতন পদ্ধতিতে) তাদের পরীক্ষা করার কথা। তদন্তে ওই মাদক পাচারের সঙ্গে তাদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি।

কুরিয়ার সার্ভিসের কর্মীদের এজাহারে কেন আসামি করা হয়েছিল, জানতে চাইলে মামলার বাদী পরিদর্শক হোসেন মিয়া একেটিভিকে বলেন, বিমানবন্দরের অন্য একটি সংস্থা আসামিদের আটক করে আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছিল। এ কারণে তাদের নামে মামলা হয়েছিল।

 

 

২০০০ সালে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার মামলায় ১০ জনকে বিচারিক আদালতের দেয়া মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে হাইকোর্টের রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ হয়েছে।

বাংলায় দেয়া এ রায় সোমবার প্রকাশিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ।

 

 

চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি এই রায় দেন বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি মো. বদরুজ্জামানের ভার্চ্যুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হিসেবে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এ মোহাম্মদ শাহীন মৃধা। পলাতক আসামিপক্ষের রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী ছিলেন অমূল্য কুমার সরকার। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী এসএম শাহজাহান, মোহাম্মদ আহাসান, ইমাদুল হক ও নাসির উদ্দিন।

 

 

 

এ মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ওয়াসিম আক্তার ওরফে তারেক ওরফে মারফত আলী, রাশেদ ড্রাইভার ওরফে আবুল কালাম ওরফে রাশেদুজ্জামান ওরফে শিমন খান, ইউসুফ ওরফে মোসাহাব মোড়ল ওরফে আবু মুসা হারুন, শেখ ফরিদ ওরফে মাওলানা শওকত ওসমান, হাফেজ জাহাঙ্গীর আলম বদর, মাওলানা আবু বকর ওরফে হাফেজ সেলিম হাওলাদার, হাফেজ মাওলানা ইয়াহিয়া, মুফতি শফিকুর রহমান, মুফতি আব্দুল হাই ও মাওলানা আব্দুর রউফ ওরফে আব্দুর রাজ্জাক ওরফে ওমর।

 

 

আসামি মেহেদী হাসান ওরফে আব্দুল ওয়াদুদ ওরফে গাজী খানকে বিচারিক আদালতের দেয়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ১৪ বছরের দণ্ডিত আসামি আনিসুল ইসলামের দণ্ড বহাল রেখেছেন উচ্চ আদালত।

তবে ১৪ বছরের দণ্ডিত মহিবুল্লাহ ওরফে মফিজুর রহমানের দণ্ড বহাল রেখে আদালত বলেন, দেখা যাচ্ছে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানোর পর থেকে তার ১৪ বছর দণ্ড ভোগ করা হয়ে গেছে। তাকে বিচারিক আদালত ১৪ বছর দণ্ডের পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছর করে কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন। সুতরাং জেল কোড অনুসারে এ আসামি তার ওপরে প্রদত্ত দণ্ড যদি ভোগ করে থাকেন, তবে তাকে মুক্তি দিতে (যদি অন্য কোনো মামলা না থাকে) নির্দেশ দেয়া হচ্ছে।

 

 

এছাড়া ১৪ বছরের অপর দণ্ডিত আসামি সারোয়ার হোসেন মিয়াকে খালাস দিয়েছেন উচ্চ আদালত। যদি অন্য মামলা না থাকে, তাহলে তাকে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছেন।

গত বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর এ আপিল শুনানি শুরু হয়। গত ১ ফেব্রুয়ারি শুনানি শেষে রায়ের জন্য ১৭ ফেব্রুয়ারি বুধবার দিন ধার্য করা হয়েছিল। সে অনুসারে রায় ঘোষণা করা হয়।

 

২০০০ সালে শেখ হাসিনার কোটালীপাড়ায় সফর ছিলো

 

২০০০ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরের অংশ হিসেবে কোটালীপাড়ার শেখ লুৎফর রহমান সরকারি আদর্শ কলেজ মাঠে ভাষণ দেয়ার কথা ছিল। সমাবেশের দু’দিন আগে ২০ জুলাই কলেজ প্রাঙ্গণে জনসভার প্যান্ডেল তৈরির সময় শক্তিশালী বোমার অস্তিত্ব পাওয়া যায়।

পরে ওই কলেজের উত্তর পাশে সন্তোষ সাধুর দোকানঘরের সামনে থেকে সেনাবাহিনীর একটি দল ৭৬ কেজি ওজনের বোমাটি উদ্ধার করে। পরদিন ২১ জুলাই গোপালগঞ্জ সদর থেকে ৮০ কেজি ওজনের আরও একটি শক্তিশালী বোমা উদ্ধার করা হয়।

 

 

এসব ঘটনায় আলাদা দু’টি মামলা দায়ের করা হয়। ২০১০ সালে মামলা দু’টি ঢাকার ২ নম্বর দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয়। জঙ্গি নেতা মুফতি আব্দুল হান্নানের অন্য মামলায় ফাঁসি কার্যকর হওয়ায় এ মামলা থেকে তাকে বাদ দেয়া হয়।

২০১৭ সালের ২০ আগস্ট দুই মামলার একটিতে ১০ আসামিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন আদালত।

 

এছাড়া একজন আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও তিনজনের ১৪ বছর করে কারাদণ্ড দেন ঢাকার ২ নম্বর দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মমতাজ বেগম।

 

 

রায় ঘোষণার এক সপ্তাহের মাথায় ২৭ আগস্ট বিচারিক আদালত থেকে পাঠানো ডেথ রেফারেন্স, রায় ও মামলার নথিপত্র হাইকোর্টে পাঠানো হয়।

এরপর নিয়ম অনুসারে প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্নের পর এ ডেথ রেফারেন্স শুনানির জন্য বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিমের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চের কার্যতালিকায় আসে। শুনানি শেষে ১৭ ফেব্রুয়ারি রায় দেন হাইকোর্ট।

 

 

শুভেচ্ছা কার্ড ছাড়া মিলছে না টিকা

 

চট্টগ্রাম মহানগরীতে গণটিকার ব্যাপক অনিয়ম চোখে পড়েছে। সারাদেশ ব্যাপি গণটিকাদান কর্মসূচির ‌প্রথম দিন মহানগরীতে নানা অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে নিজেদের অনুসারী ও পছন্দের লোকজনকে গত দু’দিন আগে থেকে শুভেচ্ছা কার্ড বিতরণ করেছেন বেশিরভাগ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। ফলে নিবন্ধন করেও সকাল থেকে ওয়ার্ডের টিকাকেন্দ্র থেকে টিকা না নিয়ে, লাঞ্চিত হয়েই ফিরে যেতে হয়েছে টিকা নিতে আসা সাধারণ জনগনকে।

 

 

ফেসবুকে মাসুদ করিম টিটু নামে এক বূক্তভোগি লিখেছেন, নিবন্ধন এর পর ম্যাসেজ তারপর টিকা গ্রহণ একটা সুন্দর প্রক্রিয়ায় ছিল। সময় লাগলেও সুন্দরভাবে হচ্ছিলো। চেয়ারম্যানের চামচা আর কাছের মানুষ দুই-চারশ’ জনকে টিকা দেয়ার প্রক্রিয়াকে গণটিকা কর্মসূচি নাম দিয়ে আওয়ামী লীগকে আমজনতার গালিগালাজ শােনানাে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার দেশপ্রেম এবং গণমুখী কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করা ছাড়া আর কিছুই না।

দেশ রূপান্তর পত্রিকার ফটো সাংবাদিক আকমল হোসেন ফেসবুকে লিখেছেন, এক মহিলা জনপ্রতিনিধির মেয়ে, ছেলেসহ কত কর্মী যে টিকা নিয়েছে তার হিসেব নাই। কিন্তু ভোর ৪টায় লাইনে দাঁড়ানো মানুষগুলোর জন্য উনি একবার নেমে এসে সহযোগিতা করলো না। এভাবে গণটিকা না দিয়ে বলে দিলেই হত যে টিকা জনপ্রতিনিধিরা তাদের সন্তান, বিশেষজন ও কর্মীদের দেয়ার পর অবশিষ্ট থাকলে সাধারণ মানুষ পাবে। এভাবে মানুষকে হয়রানি করার অর্থ নেই। মানুষের কান্না এবং দুর্দশার অভিশাপ লেগে যাবে।

 

 

ফেসবুকে এস এম সাব্বির লিখেছেন, গণটিকা হােক যাই হােক একটি বিষয়ে সাধারণ মানুষের মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া করবে। আপনার আরবান কমিউনিটি টিম যেটি সেটি করা উচিত ছিল, রাজনৈতিক দলীয় নেতা-কর্মীদের বাদ দিয়ে। এখানে যারা টিকাদান কমিটি যাদের নেতৃত্বে টিকাদান চলবে ওনারা স্বজনপ্রীতিকে প্রাধান্য দিবে সেটি শতভাগ।

শুভেচ্ছা কার্ড

অনেকে আবার হাস্যরসের মাধ্যমে প্রশ্ন তুলেছেন এই টিকা কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিয়ে। আবু রায়হান তানিন লিখেছেন, তৃণমূল পর্যায়ে গণভোগান্তি কর্মসূচি। ধন্যবাদ সংশ্লিষ্ট সকলকে।

 

চট্টগ্রাম নগরের ১৭নং পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ডের বাসিন্দা রোকেয়া বেগম বলেন, আমি গতকাল যখন ভোটার আইডি কার্ড নিয়ে এসেছিলাম তখন বারবার জিজ্ঞেস করেছি আর কিছু লাগবে কি না। তারা বলেছিলেন না লাগবে না। কিন্তু আজকে টিকা নিতে আসার পর তারা আমার কাছে শুভেচ্ছা কার্ড খুঁজে। এমন কোনো কার্ডই আমাকে দেওয়া হয়নি তাহলে আমি পাবো কোথা থেকে। গতকাল ভেবেছিলাম হয়তো টিকাটা দিতে পারবো। কিন্তু তা আর হলো না। বাসায় চলে যাচ্ছি।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ১৭নং পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোহাম্মদ শহিদুল আলম একেটিভিকে বলেন, আমার ওয়ার্ডে খুব সুন্দরভাবেই গণটিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। বয়োজ্যেষ্ঠ, প্রতিবন্ধী এদের টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।

 

রেজিষ্ট্রেশন ফর্ম পূরণ করেও টিকা নিতে না পারার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এসব মিথ্যা অভিযোগ। কতজন কত অভিযোগ করবে।

 

শুভেচ্ছা কার্ড

 

শুভেচ্ছা কার্ড বিতরণ করে টিকাদান প্রসঙ্গে কাউন্সিলর মোহাম্মদ শহিদুল আলম বলেন, শৃঙ্খলা বজায় রেখে টিকা দেওয়ার জন্য আমি শুভেচ্ছা কার্ডের মাধ্যমে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। না হলে কম্পিউটারের দোকানে যে কেউ নিবন্ধন স্লিপ বের করে লাইন ধরবে। এসব যাতে না হয় তাই আমার এই প্রচেষ্টা।

 

এদিকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পঞ্চাশের বেশি বয়সী জনগোষ্ঠী, নারী ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা দেওয়ার কথা থাকলেও নগরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে কাউন্সিলরের সরবরাহ করা বিশেষ টোকেন ছাড়া করোনার টিকা মিলেনি বলে অভিযোগ আছে। ভোর থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও টোকেন না থাকায় হতাশ হয়ে ফিরে গেছেন অসংখ্য সাধারণ মানুষ।

 

চট্টগ্রাম সিটিতে মডার্নার টিকা দেওয়ার জন্য ৪১টি ওয়ার্ডের ১২৩টি কেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়। সরেজমিন নগরের ১৬ নং চকবাজার, ১৭ নং পশ্চিম বাকলিয়া, ২৯ নং পশ্চিম মাদারবাড়ী, ৩৭ নং উত্তর মধ্যম হালিশহর ওয়ার্ড ঘুরে দেখা যায়, ছাত্রলীগের স্থানীয় কর্মীরা নিয়ন্ত্রণ করছেন টিকাদান কার্যক্রম। এসব ওয়ার্ডে ছাত্রলীগের কর্মীদের সঙ্গে টিকা নিতে আসা সাধারণ মানুষকে বাকবিতণ্ডায় লিপ্ত হতেও দেখা যায়।

 

সব বিষয় অবহিত করে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহীদুল আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি একেটিভিকে বলেন, আপনার এসব প্রশ্নের জবাব আমি দিতে পারবো না। কিছু জানার থাকলে আপনি প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

 

চসিকের স্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান ডা. সেলিম আকতার চৌধুরীর নাম্বারে বেশ কয়েকবার ফোন করলেও তিনি সাড়া দেননি।

 

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন সেখ ফজলে রাব্বি একেটিভিকে বলেন, আসলে এটা আমাদের একটা টেস্ট কেইস ছিল। সব ভুল-ত্রুটির অভিজ্ঞতা নিয়েই আমরা পরের ক্যাম্পেইন করবো। ১৪ আগস্ট আমাদের নেক্সট ক্যাম্পেইন। আশা করি, সেসময় আমরা এসব ভুল-ত্রুটি শোধরাতে পারবো।

 

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেইসবুকে অনেক সাধারণ মানুষ টিকা নিতে গিয়ে নিজের তিক্ত অভিজ্ঞতা ও ভোগান্তির কথা শেয়ার করেছেন।

বাপ্পী নীল নামে একজন লিখেছেন, ভ্যাক্সিন দিতে গিয়ে ইতিমধ্যে খারাপ আচরণের শিকার হয়েছে আজ এলাকার এক বয়স্ক মানুষ। আগামীতে আরও কী অপেক্ষা করছে সেটাই দেখার জন্য অপেক্ষা। ভ্যাক্সিন দিচ্ছে নেত্রী আর স্ট্যাটাস দিচ্ছে অমুক ভাই তমুক ভাইয়ের নির্দেশনায়।

 

সর্বশেষ টিকা নিয়েও হচ্ছে দূর্নীতি, অনিয়ম গণটিকা নিতে আসা জনগন দূর্ভোগে পড়েছে। চট্টগ্রামে ভ্যাক্সিনের জন্য এমন আহাজারি যেন দেখার কেউ নেই। নগরের কয়েকটি ওয়ার্ডে গণটিকার কর্মসুচির নামে দেখা গেছে শুভেচ্ছা কার্ড। যা সরকারের সাধারন মানুষের জন্য যে গণটিকাদান কর্মসুচি সেটিকে প্রশ্নবিদ্ধ করার প্রচেষ্টা।

 

 

 

মাত্র ৪৭ হাজার টাকায় নতুন বাইক, লিটারে মাইলেজ ৯০ কি.মি

উৎসবের মৌসুমে অতিরিক্ত বেশ কয়েকটি নতুন ফিচারসহ বাজারে এসেছে বাজাজে’র সিটি ১০০-এর নতুন মডেল। নতুন মডেলের নাম রাখা হয়েছে সিটি ১০০ কেএস।

 

এতে ৮টি নতুন ফিচার যোগ হয়েছে। আর মিলবে ৪৭ হাজার টাকারও কম দামে।

 

নতুন এই বাইকের সামনের সাসপেন্সর আগের থেকে আরামদায়ক এবং উন্নত করা হয়েছে। ফুয়েল মিটারে এমন প্রযুক্তি ব্যবহার হয়েছে যা বাইকে ঠিক কতটা পরিমান জ্বালানি রয়েছে তার সঠিক মাপ দেখাবে।

 

হ্যান্ডেলবারে ব্যবহার করা হয়েছে ক্রসটিউব, যা আরও বেশি স্টেবিলিটি দেবে। আরও আরামদায়ক সিট থাকছে নতুন মডেলে। এছাড়াও বেশ কিছু নতুন ফিচার যোগ হয়েছে বাইকটিতে।

 

 

৪৬ হাজার ৪৩২ টাকায় নতুন বাইক

গ্লস ইবনি ব্ল্যাকের সঙ্গে নীলের ছোঁয়া, ম্যাট অলিভ গ্রিনের সঙ্গে হলুদ এবং গ্লস ফ্লেম রেড এই তিনটি রঙে পাওয়া যাচ্ছে বাজাজের সিটি ১০০ কেএস এই বাইকটি। দিল্লিতে এক্স শোরুমে দাম রাখা হয়েছে ৪৬ হাজার ৪৩২ টাকা।

 

বাজাজ অটো লিমিটেডের মার্কেটিং হেড নারায়ণ সুন্দর রমন জানিয়েছেন, সিটি ব্র্যান্ডের সব মডেলই এর শক্তিশালী এবং সাশ্রয়কারী গুণের জন্য পরিচিত। এই মডেলটিও ক্রেতাদের মন কাড়বে বলে দাবি

করেছেন তিনি।

 

নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক

মাত্র ৯০০ টাকা কিস্তিতে লোন

 

আবাসন খাতে জমি বা ফ্ল্যাট কেনা ও বাড়ি নির্মাণ বা মেরামতে দীর্ঘমেয়াদী ঋণ দিচ্ছে বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন। ৯ শতাংশ সরল সুদে এই ঋণ পরিশোধ করা যাবে সর্বোচ্চ ২০ বছরে। আর প্রতি লাখে মাসিক কিস্তি দিতে হবে মাত্র ৯০০ টাকা।

বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশনের এমন ঋণ কার্যক্রম নিয়ে কর্পোরশনের ডিজিএম মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম জানান, পাঁচটি ক্যাটাগরিতে ঋণ দেওয়া হয়ে থাকে।

লো লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন

লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন

নগর এলাকায় যারা জমি বা প্লট কিনতে চান তাদের জন্য নগর বন্ধু, জেলা পর্যায়ে যারা ঋণ নিতে চান তাদের জন্য পল্লীমা, দেশের বাইরে থাকা যেসব প্রবাসীরা ঋণ নিতে চান তাদের জন্য প্রবাস বন্ধু, যারা নিজেদের স্থাপনা আরো ভালো করতে চান তাদের জন্য আবাসন উন্নয়ন আর সবশেষে যারা নিজেদের স্থাপনা মেরামত করতে চান তাদের জন্য আবাসন মেরামত নামের পাঁচটি প্যাকেজ রয়েছে।

৫ বছর মেয়াদী ঋণের জন্য প্রতি মাসে দুই হাজার ৭৬ টাকা, ১০ বছরে মাসিক ১ হাজার ২৬৮ টাকা, ১৫ বছরের জন্য মাসিক ১ হাজার ১৪ টাকা আর ২০ বছরের জন্য প্রতি মাসে কিস্তি আসবে সর্বনিম্ন ৯০০ টাকা।

খায়রুল ইসলাম বলেন, তাদের প্রতিষ্ঠান দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান যেটি আর্থিক খাতে ঋণ দেয়। এক সংখ্যার অংকে সরল সুদে ঋণ দেয়া হয়। মোট পাঁচটি ক্যাটাগরিতে ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৮০ লাখ আর জমির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ দিয়ে থাকে প্রতিষ্ঠানটি।

 

 

বাংলাদেশি নাগরিকরা সর্বোচ্চ ২০ বছরে এবং যারা প্রবাসে আছেন তারা সর্বোচ্চ ২৫ বছরে মাসিক কিস্তিতে এই ঋণ পরিশোধ করতে পারবেন। ১৮ থেকে ৬৫ বছর বয়সী বাংলাদেশের যেকোন নাগরিক শর্ত সাপেক্ষে এই ঋণ সুবিধা নিতে পারবেন।

ব্যাংকের তুলনায় কর্পোরেশন থেকে ঋণ নেওয়া সুবিধা ও লাভজনক উল্লেখ করে প্রতিষ্ঠানটির এই কর্মকর্তা বলেন, যেহেতু এটা একটি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান তাই এটির সুধ সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হয়। গ্রাহক প্রতি মাসে যে কিস্তি পরিশোধ করবেন সেটি থেকে আসলের অংকও নিয়ে থাকে প্রতিষ্ঠানটি।

এছাড়াও ব্যাংক সাধারণত দুই অঙ্কের সংখ্যার সুদে ঋণ দেয়। তাই ব্যাংকের তুলনায় তাদের থেকে ঋণ নেওয়া লাভজনক।

 

 

অন্যদিকে ব্যাংকে সাধারণত তিন মাস কিস্তি বকেয়া পড়লেই কর্তৃপক্ষ মামলা-মোকদ্দমা বা অন্যান্য আইনানুগ পদক্ষেপে চলে যায়। কিন্তু এখানে সর্বোচ্চ ২৪ কিস্তি পর্যন্ত বকেয়ার সুবিধা দেওয়া হয় গ্রাহকদের।

তাই তুলনামূলকভাবে বিচার করলে হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন থেকে ঋণ নেওয়া সুবিধার ও লাভজনক।

খায়রুল ইসলাম আরো বলেন, অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যারা ঋণ দেয় কিন্তু প্রপার্টি কিনতে হবে তাদের পছন্দনীয় জায়গা থেকে। আমাদের এখানে এ ধরনের বাধ্যবাধকতা নেই, আমরা শুধু অর্থ ঋণ দিয়ে থাকি।

গ্রাহকের যেখানে সুবিধা মনে হবে তিনি এই অর্থ দিয়ে সেখানেই প্রপার্টি কিনতে পারবেন।

কম সুদে লোন পাবেন যেসব ব্যাংকে

দেশের ৫৭টি তফসিলি ব্যাংকের মধ্যে বর্তমানে ৩৭টি ব্যাংকের ঋণের সুদহার ১০ শতাংশের নিচে। যার মধ্যে ১০ ব্যাংকের ঋণের সুদহার ৮ শতাংশের নিচে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরের মে শেষে ঋণের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর গড় সুদহার ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ। ঋণের ক্ষেত্রে সবচেয়ে কম সুদ নিচ্ছে বিদেশি ব্যাংক। ঋণের ক্ষেত্রে বিদেশি ব্যাংকগুলোর গড় সুদহার ৭ দশমিক ৮৫ শতাংশ।

বিশেষায়িত ব্যাংকের সুদহার ৯ দশমিক ৭ শতাংশ। তবে বেসরকারি অনেক ব্যাংকে এখনো ঋণের সুদহার ১০ শতাংশের উপরে রয়েছে। ঋণের ক্ষেত্রে ৮ শতাংশের নিচে সুদ নেওয়া ব্যাংকগুলো হলো- রাষ্ট্রায়ত্ত বেসিক ব্যাংক এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।

 

 

বিদেশি হাবিব ব্যাংক, সিটি ব্যাংক এনএ, কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, ওয়ারি ব্যাংক, এইসএসবিসি এবং ব্যাংক আলফালাহ লিমিটেড। এছাড়া বেসরকারি আইসিবি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড।

এছাড়া ১০ শতাংশের নিচে ঋণ দিচ্ছে ইসলামী ব্যাংক, দ্য সিটি ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, সীমান্ত ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, আল আরাফা ইসলামী ব্যাংক, ডাচ-বাংলা ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, স্টান্ডার্ড ব্যাংক, বিসিবিএল, ব্যাংক এশিয়া, ট্রাস্ট ব্যাংক, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক এবং আইসিবি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড।

 

 

লোন

 

 

৬% সুদে ঋণ পাবেন ছোট উদ্যোক্তারা

মহামারী করোনাভাইরাসের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে ছোট উদ্যোক্তারা ছয় শতাংশ সুদে ঋণ পাবেন। সরকার ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের পুনঃঅর্থায়ন তহবিল থেকে দুই শতাংশ সুদে ঋণ নিয়ে ছোট উদ্যোক্তাদের এই ঋণ দেবে ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ।

সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের এক সার্কুলারে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা অক্ষুন্ন রাখা এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে সিএমএসএমই খাতে চলতি মূলধন ঋণের পাশাপাশি মেয়াদি ঋণপ্রবাহ বাড়াতে সরকার এবং এডিবির যৌথ অর্থায়নে পরিচালিত এসএমইডিপি-২ প্রকল্পের পুনঃঅর্থায়ন তহবিল বিষয়ে কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

 

 

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ঋণের সুদ হার অংশগ্রহণকারী ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে দুই এবং গ্রাহক পর্যায়ে সর্বোচ্চ ছয় শতাংশ পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে।

পুনঃনির্ধারিত সুদ হার এ তহবিলের আওতায় সকল ঋণের ক্ষেত্রে এ বছরের ১৮ নভেম্বর থেকে কার্যকর হবে। তহবিলের অন্য শর্ত অপরিবর্তিত থাকবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে বাস্তবায়নাধীন এই পুনঃঅর্থায়ন তহবিলটি ঢাকা ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে সুবিধাবঞ্চিত কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তাদের স্বল্প সুদে এবং সহজ শর্তে ঋণ বিতরণের লক্ষ্যে গঠন করা হয়।

এ প্রকল্পের আওতায় অক্টোবর ২০২০ পর্যন্ত প্রায় তিন হাজার এসএমই প্রতিষ্ঠানকে এক হাজার কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে। তহবিলের আওতায় এ পর্যন্ত মোট ৩৩টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান চুক্তিবদ্ধ রয়েছে।

 

 

গত এপ্রিল থেকে ক্রেডিট কার্ড ছাড়া সব ধরনের ঋণের সুদের হার নয় শতাংশ করা হয়েছে। তবে সরকার ও এডিবির অর্থায়নে পরিচালিত এই তহবিল থেকে ঋণ নিলে উদ্যোক্তাদের ছয় শতাংশ সুদ দিতে হবে।

গত মার্চে দেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ার পর সরকার এ পর্যন্ত মোট সোয়া লাখ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে অন্যতম ছিল সিএমএসএমই খাতের জন্য ২০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা। তবে বার বার তাগাদা এবং সময় বাড়িয়ে এ ঋণ বিতরণে কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া যাচ্ছে না।

এই তহবিল থেকে ব্যাংকের মাধ্যমে উদ্যোক্তারা নয় শতাংশ সুদে ঋণ নিতে পারবে। তবে ব্যাংকগুলোকে চার দশমিক পাঁচ শতাংশ সুদ পরিশোধ করতে হবে, বাকি সুদ সরকার ভর্তুকি হিসেবে দেবে।

 

 

 

 

হেলেনা জাহাঙ্গীরের উত্থান যেভাবে

 

ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তা হিসেবে হেলেনা জাহাঙ্গীরের উত্থান হয়েছে অল্প সময়ের মধ্যে। রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পাশাপাশি নানা কারণে তিনি বেশ কিছুদিন ধরে আলোচনায়।
ফেসবুকে ২০ লাখের বেশি ফলোয়ার হেলেনা জাহাঙ্গীরের। বেশ কয়েক বছর ধরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এই ব্যবসায়ী ও নারী উদ্যোক্তা, যিনি যুক্ত রাজনীতির সঙ্গেও।

সম্প্রতি ‘চাকরিজীবী লীগ’ নামে একটি সংগঠনের সূত্র ধরে তিনি আবারও আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছেন। ভুঁইফোড় এ সংগঠনের সভাপতি হিসেবে তার নাম এসেছে। যদিও তিনি বলেছেন, তিনি ওই পদ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেননি।

 

ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তা হিসেবে হেলেনা জাহাঙ্গীরের উত্থান হয়েছে অল্প সময়ের মধ্যে। অষ্টম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় বিয়ে হয়ে যায় তার। নামের সঙ্গে যুক্ত হয় জাহাঙ্গীর।

 

 

 

স্বামীর সংসারে  পড়াশোনা অব্যাহত রাখেন; শেষ করেন স্নাতকোত্তর। এরপর শুরু করেন তার উদ্যোক্তা জীবন।

তিনি একাধারে প্রিন্টিং, অ্যামব্রয়ডারি, প্যাকেজিং, স্টিকার এবং ওভেন গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার। জয়যাত্রা গ্রুপের আওতায় এসব শিল্প প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তিনি। সব মিলিয়ে ১২ হাজার কর্মী কাজ করছে এসব প্রতিষ্ঠানে।

 

 

হেলেনা জাহাঙ্গীর ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অফ বাংলাদেশ চেম্বার্স অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (এফবিসিসিআই) সদস্য ও নির্বাচিত পরিচালক। এ ছাড়া তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের দুই সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএরও সক্রিয় সদস্য তিনি।

এফবিসিসিআইয়ের সদস্যপদ পাওয়ার এক মাসের মাথায় নির্বাচনে নেমে ও পরিচালক নির্বাচিত হয়ে আলোচনার জন্ম দেন হেলেনা জাহাঙ্গীর। জয়যাত্রা নামে একটি স্যাটেলাইট টেলিভিশনেরও মালিক তিনি। প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক পুরস্কৃতও হয়েছেন রোটারি ক্লাবের একজন ডোনার হিসেবে।

রাজনৈতিক অঙ্গনে রয়েছে তার দাপুটে উত্থান ও পদচারণা। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক উপকমিটির সদস্য ছিলেন। সাম্প্রতিক ঘটনার পর তাকে ওই কমিটি থেকে বাদ দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

 

হেলেনা

 

তবে হেলেনা জাহাঙ্গীর বলেছেন, তাকে এ ব্যাপারে কোনো আনুষ্ঠানিক চিঠি বা নোটিশ দেয়া হয়নি। এ ছাড়া তিনি কুমিল্লা জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ছিলেন; হয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কয়েকটি বিদেশযাত্রার সফরসঙ্গীও।

এখন আওয়ামী রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হলেও এর আগে তার জাতীয় পার্টিতে এবং তারও আগে বিএনপির রাজনীতিতে সংশ্লিষ্টতার খবর পাওয়া যায়। গণমাধ্যমে ওই দুটি দলের প্রধান খালেদা জিয়া ও হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদের সঙ্গে ছবিও প্রকাশ পেয়েছে।

 

প্রয়াত মেয়র আনিসুল হকের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ২০১৫ সালে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচন করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন হেলেনা জাহাঙ্গীর। তখন দাবি করতেন, তার কোনো রাজনৈতিক দল নেই। তিনি স্বতন্ত্র রাজনীতি করতে চান। যদিও পরে তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান।

বাংলাদেশ আওয়ামী চাকরিজীবী লীগ গঠনের ঘোষণা দিয়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন হেলেনা জাহাঙ্গীরশুধু রাজনৈতিকভাবেই নয়, বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমুলক সংগঠনগুলোর সঙ্গেও হেলেনা জাহাঙ্গীরের সম্পৃক্ততা রয়েছে। তিনি প্রায় এক ডজন সামাজিক সংগঠনের নেতৃস্থানীয় দায়িত্বে রয়েছেন।

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত ও বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব সেফায়েতুল্লাহ সেফুর (সেফুদা) সঙ্গে তার বিতর্কিত কথোপকথন সম্পর্কিত একাধিক ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। একটি গণমাধ্যমের মালিকের সঙ্গে তিনি গান গাওয়ার প্রস্তাব পেয়েছেন এমন দাবি সম্পর্কিত ফেসবুক স্ট্যাটাস এবং এ বিষয়ে ওই গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বের পাল্টা কঠোর প্রতিবাদ ফলোয়ারদের মধ্যে তুমুল আলোচনার খোড়াক জোগায়। ফেসবুকেও প্রায়শ তার নানা ধরনের পোস্ট ও লাইভ নানাভাবে আলোচিত-সমালোচিত হয়েছে।

 

 

হেলেনা জাহাঙ্গীরের জন্ম ১৯৭৪ সালের ২৯ আগস্ট ঢাকার তেজগাঁওয়ে। উইকি ফ্যাক্টসাইডার নামের একটি ওয়েবসাইটে তার পেশা হিসেবে অ্যাংকর বা উপস্থাপক উল্লেখ করা হয়েছে।

হেলেনার স্বামী জাহাঙ্গীর আলম একজন ব্যবসায়ী। ১৯৯০ সালে তারা বিয়ে করেন। তিনি তিন সন্তানের জননী।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, হেলেনা জাহাঙ্গীরের বাবা মরহুম আবদুল হক শরীফ ছিলেন জাহাজের ক্যাপ্টেন। সেই সূত্রে জন্ম কুমিল্লায় হলেও হেলেনা জাহাঙ্গীরের বেড়ে ওঠা চট্টগ্রামের হালিশহরের মাদারবাড়ী, সদরঘাট এলাকায়। পড়াশোনা স্থানীয় কৃষ্ণচূড়া স্কুলে।

চাকুরি সূত্রে তার বাবা প্রমোশনাল প্রস্তাব পেয়ে রাশিয়ায় চলে গেলে মায়ের সঙ্গে গ্রামের বাড়ি ফিরে যান হেলেনা।

 

এফবিসিসিআই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একাধিক গণমাধ্যমকে হেলেনা জাহাঙ্গীরের দেয়া সাক্ষাৎকার সূত্রে জানা যায়, বিয়ের সময় স্বামী জাহাঙ্গীর আলম নারায়ণগঞ্জের একটি প্রতিষ্ঠিত পোশাক কারখানার জিএম পদে চাকরি করতেন। পাশাপাশি সিএন্ডএফ এজেন্ট ব্যবসার সঙ্গেও সংশ্লিষ্টতা ছিল।

 

 

তবে গৃহিণী হিসেবে বসে না থেকে পড়াশোনা শেষ করে হেলেনা জাহাঙ্গীর শুরুতে চাকরির চেষ্টা করেন। বিভিন্ন জায়গায় চাকরির জন্য ইন্টারভিউও দিয়েছেন তিনি। একদিন চাকরি খোঁজার সূত্র ধরে চলে যান স্বামী জাহাঙ্গীর আলমের অফিসে। সেখানে স্বামীর অফিস কক্ষ দেখে তিনি ঠিক করেন নিজেই উদ্যোক্তা হওয়ার। স্ত্রীর প্রস্তাবে রাজি হয়ে যান স্বামী জাহাঙ্গীর আলম।

বিয়ের ছয় বছর পর ১৯৯৬ সালে রাজধানীর মিরপুর ১১ তে একটি ভবনের দুটি ফ্লোর নিয়ে তিনি শুরু করেন প্রিন্টিং ও অ্যামব্রয়ডারি ব্যবসা। পোশাক শিল্পের ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ হিসেবে নানান ধরনের পণ্যের জন্য লোগো ও স্টিকার প্রিন্ট করে এ প্রতিষ্ঠান। নিট কনসার্ন প্রিন্টিং ইউনিট লিমিটেড দিয়ে শুরু করে জয়যাত্রা গ্রুপের আওতায় একে একে হেলেনা গড়ে তোলেন জয় অটো গার্মেন্টস লিমিটেড, জেসি এমব্রয়ডারি অ্যান্ড প্রিন্টিং এবং হুমায়রা স্টিকার লিমিটেড, যার সবকটিরই ব্যবস্থাপনা পরিচালক তিনি।

হেলেনা জাহাঙ্গীর গুলশান ক্লাব, গুলশান নর্থ ক্লাব, বারিধারা ক্লাব, কুমিল্লা ক্লাব, গলফ ক্লাব, গুলশান অল কমিউনিটি ক্লাব, বিজিএমইএ অ্যাপারেল ক্লাব, বোট ক্লাব, গুলশান লেডিস ক্লাব, উত্তরা লেডিস ক্লাব, গুলশান ক্যাপিটাল ক্লাব, গুলশান সোসাইটি, বনানী সোসাইটি, গুলশান জগার্স সোসাইটি ও গুলশান হেলথ ক্লাবের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।

 

যা বললেন হেলেনা জাহাঙ্গীর

তাকে নিয়ে আলোচনার কারণ জানতে চাইলে হেলেনা জাহাঙ্গীর বলেন, ‘আমাকে ঘিরে রংচং মাখিয়ে যেসব কথাবার্তা বলা হচ্ছে, এর সবই অসত্য। এর কোনো ভিত্তি নেই। মূলত আমাকে ঘিরে স্বার্থান্বেষী মহল এক ধরনের ষড়যন্ত্র লিপ্ত। নানাভাবে তারা আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালায়। আমি যেখানে যে কাজে সম্পৃক্ত নই, সেখানেও আমাকে জড়িয়ে দেয়।’

হেলেনা জাহাঙ্গীর বলেন, ‘স্বার্থান্বেষীরা করোনা পরীক্ষা ইস্যুতে সাহেদ-সাবরিনা কেলেঙ্কারিতেও আমাকে জড়িয়েছে। এফবিসিসিআইএ নির্বাচনেও আমাকে ঘিরে অপপ্রচার হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হয়ে বিদেশযাত্রার আগে-পরেও আমাকে নিয়ে জল ঘোলা করা হয়েছে।’

‘আমি যা নই, আমাকে নিয়ে তা বলা হচ্ছে। আবার আমার সম্পর্কে ভাল কিছু উঠে আসলে তা নিয়ে তাদের গাত্রদাহ হয়।’

 

হেলেনা জাহাঙ্গীর বলেন, ‘আমার অবস্থানে আমি পরিষ্কার। আমি অন্যায় কোনো কিছু করি না, তাই আমাকে নিয়ে যা হচ্ছে, সেগুলোর পরোয়াও আমি করি না। আমার বুকে সৎ সাহস আছে। আজকের হেলেনা জাহাঙ্গীর এমনি এমনি তৈরি হয়নি। অদম্য সাহস, সংসারের লোকদের ত্যাগ-তিতিক্ষা আর স্বামীর নিরবচ্ছিন্ন সমর্থন ও সহযোগিতার ওপর দাঁড়িয়ে আমি আজকের হেলেনা জাহাঙ্গীর।’

চাকরিজীবী লীগ করার উদ্যোগের কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি জীবনে অনেক কিছু পেয়েছি। যা পেয়েছি, তাতে আমি অনেক অনেক তৃপ্ত। নতুন করে পাওয়ার কিছু নেই, দেয়া ছাড়া। আমি চাকরিজীবী লীগ করতে যাইনি। আমাকে জড়ানো হয়েছে। ফাঁসানো হয়েছে। যার কারণে আমার নাম এখানে জড়িয়েছে, আমি তার নামে মামলা করেছি। চলতি সপ্তার মধ্যে প্রেস ব্রিফ করার ইচ্ছা আছে।’

জাতীয় পার্টি ও বিএনপিতে সংশ্লিষ্টতার হেলেনা জাহাঙ্গীর বলেন, ‘আমার বয়সই বা কত। বায়োগ্রাফি দেখুন, এতো অল্প সময়ে তিনটি রাজনৈতিক দল পরিবর্তন করা যায় কিনা বা এসব দলের প্রধানদের সংস্পর্শে যাওয়া সম্ভব হয় কিনা। আসলে দেশে একটা দল ছাড়া তো আর কোনো দল নেই। সেটা হচ্ছে আওয়ামী লীগ। আমি এই আওয়ামী লীগেই আছি। বেশ ভালভাবেই আছি। আগামীতেও থাকব।’

 

 

তিনি বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই দেশ ও সমাজের জন্য কিছু করব, সমাজে নিজের একটি অবস্থান তৈরি করব, এমন একটি স্বপ্ন মনের মধ্যে পুষে রাখতাম। আর এই স্বপ্নের অনুপ্রেরণা ছিলেন আমার বাবা। পরবর্তীতে আমার স্বপ্নের বাস্তব রূপায়নে কার্যকর সহায়তা করেছেন আমার স্বামী জাহাঙ্গীর আলম।

‘তার অনুপ্রেরণা ও সান্নিধ্য আমাকে এতদূর নিয়ে এসেছে। জীবনে যা অর্জন করেছি, তা পেয়েছি কষ্টসাধ্য পরিশ্রম, ত্যাগ, স্বামীর সূত্রে পাওয়া বিনিয়োগ এবং স্থির পরিকল্পনায় মেধা খাটিয়ে। কারো দয়ায় নয়।’

 

আরো পড়ুন: নারী দেহের যে ৫টি অঙ্গ বড় হলে সৌভাগ্যবতী হিসেবে ভাবা হয়

জীবননগরে পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় নারী, গাছে বেঁধে নির্যাতন…

 

জনবল নিয়োগ দিবে একে টেলিভিশন

 

বদলে যাচ্ছে চাকরির বাজার এবং বাড়ছে ডিজিটাল কন্টেন্টের চাহিদা। সময় পরিবর্তনের সঙ্গে মিল রেখে একে টেলিভিশন এর ডিজিটাল বিভাগে তিন ক্যাটাগরিতে জনবল নিয়োগ করা হবে।

 

 

পদের নাম:
১. ডিজিটাল কন্টেন্ট এক্সিকিউটিভ

 

 

কাজের প্রকৃতি : ডেস্ক জব

কাজের ধরণ : ফুলটাইম

বেতন : ১৪ হাজার থেকে ১৬ হাজার

প্রয়োজনীয় যোগ্যতা:

*ইউটিউবসহ সোশ্যাল মিডিয়ার কপিরাইট পলিসি সম্পর্কে সম্যক ধারণা ও জ্ঞান

*ফটোশপের বেসিক ধারণা

*এসইও সম্পর্কে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা

*কাজের চাপ নেবার ইতিবাচক মানসিকতা

*প্রয়োজনে নতুন কিছু শেখার প্রতি আগ্রহ

 

*বাংলা ও ইংরেজিতে দ্রুত টাইপ করার ক্ষমতা

*সংবাদ সম্পাদনা সম্পর্কে জ্ঞান

*বাংলা শুদ্ধ বানান জানা

 

 

দায়িত্বসমূহ:

*দিন-রাত ২৪ ঘণ্টার যে কোনো সময়ে (রোস্টার/শিডিউলের ভিত্তিতে) কাজ করার মানসিকতা

*ফেসবুক ও ইউটিউব -এর কন্টেন্ট নিয়ে সৃজনশীলতা প্রদর্শন এবং নতুন নতুন পরিকল্পনা ও ভালো ফলাফল আনার মানসিকতা

*প্রতিযোগিতাপূর্ণ অনলাইন প্ল্যাটফর্মের নতুন নতুন ফিচার ও আপডেট সম্পর্কে অবগত থাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতা

স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন (সাংবাদিকতা এবং মার্কেটিং অভিজ্ঞদের অগ্রাধিকার)

প্রয়োজনীয় দক্ষতা

*ইউটিউব, ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম সম্পর্কে অভিজ্ঞতা

*একসঙ্গে একাধিক কাজ করার ইতিবাচক মানসিকতা

 

 

পদের নাম:
২. ভিডিও এডিটর

 

 

কাজের প্রকৃতি : প্রফেশনাল ভিডিও এডিটিং ও আফটার ইফেক্টস এ দক্ষতা

কাজের ধরণ : ফুলটাইম

বেতন : ১৮ থেকে ২০ হাজার

প্রয়োজনীয় যোগ্যতা:

*ইউটিউবসহ সোশ্যাল মিডিয়ার কপিরাইট পলিসি সম্পর্কে সম্যক ধারণা ও জ্ঞান

*ফটোশপের বেসিক ধারণা

*কাজের চাপ নেবার ইতিবাচক মানসিকতা

*প্রয়োজনে নতুন কিছু শেখার প্রতি আগ্রহ

*বাংলা শুদ্ধ বানান জানা

 

 

দায়িত্বসমূহ:

*দিন-রাত ২৪ ঘণ্টার যে কোনো সময়ে (রোস্টার/শিডিউলের ভিত্তিতে) কাজ করার মানসিকতা

*ফেসবুক ও ইউটিউব -এর কন্টেন্ট নিয়ে সৃজনশীলতা প্রদর্শন এবং নতুন নতুন পরিকল্পনা ও ভালো ফলাফল আনার মানসিকতা

শিক্ষাগত যোগ্যতা:

স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে ন্যূনতম এইচএসসি পাশ

প্রয়োজনীয় দক্ষতা:

*ইউটিউব, ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম এর ভিডিও সম্পর্কে ধারণা

*একসঙ্গে একাধিক কাজ করার ইতিবাচক মানসিকতা

 

 

পদের নাম
৩. স্ক্রিপ্ট রাইটার কাম প্রেজেন্টার:

 

 

কাজের প্রকৃতি : স্ক্রিপ্ট তৈরি এবং সমসাময়িক বিষয়ের উপর উপস্থাপনা

কাজের ধরণ : ফুলটাইম অথবা পার্ট টাইম

বেতন : আলোচনা সাপেক্ষে

প্রয়োজনীয় যোগ্যতা:

* বাংলায় শুদ্ধ উচ্চারণ

* সুন্দর বাচনভঙ্গি

*প্রয়োজনে নতুন কিছু শেখার প্রতি আগ্রহ

*একসঙ্গে একাধিক কাজ করার ইতিবাচক মানসিকতা

 

 

দায়িত্বসমূহ:

* প্রয়োজনে যে কোনো সময়ে (রোস্টার/শিডিউলের ভিত্তিতে) কাজ করার মানসিকতা

*ফেসবুক ও ইউটিউব -এর কন্টেন্ট নিয়ে সৃজনশীলতা প্রদর্শন এবং নতুন নতুন পরিকল্পনা ও ভালো ফলাফল আনার মানসিকতা

শিক্ষাগত যোগ্যতা:

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী (জার্নালিজমের স্টুডেন্ট বা প্রেজেন্টেশন কোর্স সম্পন্নদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে)

আগ্রহীদের উপরের শর্তাদি পূরণ করে info@aktvbd.com ইমেইলে অথবা সরাসরি আবেদন করার জন্য অনুরোধ করা হলো। আবেদনে অবশ্যই পদের নাম উল্লেখ করতে হবে। আবেদন করতে নিচের লিংক অথবা ছবিতে ক্লিক করুন….

 

 

সরাসরি যোগাযোগ:
একে টেলিভিশন
বাড়ি-১১, সড়ক-১১, ব্লক-ডি, মিরপুর-১২, ঢাকা-১২১৬
মুঠোফোন: ০১৯১৫-৫৪৭৬৬৬
web: www.aktvbd.com

 

 

লাফালাফি করলে আবার ভিডিও ভাইরাল হবে -অভিনেত্রী কেয়া

 

 

পরিচিতির কারণে এখন সেভাবে বাইরে ঘুরতে পারেন না। তারপরও বিধিনিষেধের আগে ইচ্ছামতো সময়গুলো কাটানোর চেষ্টা করেছেন। এখন বাসায় নিজের নাটকগুলো দেখছেন।

পায়েল বলেন, ঈদ নিয়ে এখন আর আগের মতো উৎসব–উৎসব ভাব পাই না। আগে পরিকল্পনা করে শপিং করতাম। ঈদের সাত দিন পেরিয়ে গেলেও ঈদ ফুরাত না। বন্ধু আর কাজিনদের সঙ্গে আড্ডা দিতাম।

এখনো আড্ডা হয়। কিন্তু অভিনয়ের জন্য নিজের স্বাধীনতা কমে গেছে। বিরতিতে চেষ্টা করছি নিজের মতো করে সময় কাটানোর।

 

ঈদে পায়েলের ২০টি নাটক বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল ও অনলাইনে প্রচারিত হচ্ছে। তাঁর অভিনীত রাফাত মজুমদারের স্বপ্নের নায়িকা, মিজানুর রহমান আরিয়ানের শুভ প্লাস নিলা, মাহমুদুর রহমানের কাবিননামাসহ একাধিক নাটক উল্লেখযোগ্য।

এখনো বেশ কিছু নাটক মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। তিনি বলেন, ‘দর্শক আমাকে চিনছেন, আমার নাটক দেখে মন্তব্য ও সমালোচনা করছেন, এগুলোই বড় পাওয়া। আমি যদি একটুও খ্যাতি পেয়ে থাকি, সেটা ধরে রাখাই আমার কাছে বড় কথা। আমি নিয়মিত অভিনয় শিখছি। এই শেখা আমি সব সময় চালিয়ে যেতে চাই।

এবার ঈদের নাটক নিয়ে পায়েলের মন খারাপ। অনেকগুলো কাজে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পর কঠোর বিধিনিষেধের কারণে কিছু নাটকের শুটিং করতে পারেননি।

তা ছাড়া শুটিং হাউসের বাইরে বা রাস্তায় শুটিং করতে হবে, এমন গল্পে নাম লেখাননি তিনি।

পায়েল বলেন, এবার ঈদুল ফিতরের চেয়ে বেশি নাটক মুক্তির সম্ভাবনা ছিল। বিধিনিষেধে বেশ কিছু কাজ হলো না। তা ছাড়া তৌসিফ ভাইয়ের করোনা হলো।

এ ছাড়া বাইরে অনেক ভালো কিছু গল্পের চিত্রনাট্য ছিল, সেগুলো করোনা সতর্কতার কারণে করতে রাজি হইনি। সেসব গল্পের জন্য আফসোস হচ্ছে। তবে ঈদের পর এগুলোর শুটিং করব।

 

অতিরিক্ত পড়ুন…

 

করোনার আরও ভয়ঙ্কর রূপ প্রকাশ, শুধু ফুসফুস নয় বিকল করে দিচ্ছে কিডনিও!

হযরত নূহ (আ.) এর জীবনী, আল্লাহ’র নির্দেশে বানানো সেই নৌকার ইতিকথা

এনআইডি ছাড়া যেভাবে টিকা পাওয়া যেতে পারে

৮৫ টাকার জুয়া খেলে জিতলো ৬ কোটি টাকা

শিল্পার স্বামীর পর্নো ব্যবসার জাল কলকাতা পর্যন্ত ছড়ানো

আমি দুঃখিত, লজ্জিত, বিব্রত এবং অনুতপ্ত

ভারতে ২০ লাখ অ্যাকাউন্ট বন্ধ করেছে হোয়াটসঅ্যাপ

অগ্রিম ৩৩৯ কোটি টাকার হদিস নেই, মামলার সুপারিশ ইভ্যালির বিরুদ্ধে

দেখা মিললো সাকিবের ছেলের

মাহমুদউল্লাহর অবসর নিয়ে তোলপাড়; যা বললেন আশরাফুল

বলিউড তারকা শিল্পা শেঠি ফেঁসে যাচ্ছেন!

এক গানে তিন কোটি রুপি

এবারের ঈদেও গান শোনাবেন ড. মাহফুজুর রহমান

তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান তালেবান 

 

Leave A Reply

Your email address will not be published.