Ultimate magazine theme for WordPress.

স্বাধীনতা দেশজ চিকিৎসক পরিষদের সংবাদ সম্মেলন

ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটে আয়োজিত স্বাধীনতা দেশজ চিকিৎসক পরিষদ (স্বাদেচিপ) কতৃক সংবাদ সম্মেলন ০৮.০৭.২০২০ সকাল ১১ঃ৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হয়।সে সময় স্বাদেচিপ’র মহাসচিব ডাঃ এ কে এম মামুন উর রশিদ চৌধুরী উপস্হিত সাংবাদিকদের বিইউএমএস ও বিএএমএস ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক গ্রাজুয়েট চিকিৎকদের আওয়ামী পেশাজীবী সংগঠন স্বাধীনতা দেশজ চিকিৎসক পরিষদের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন দিয়ে তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, স্বাধীনতা পরবর্তী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসার স্বীকৃতি প্রদান করেন।সেই ধারাবাহিকতায় তাঁর সুযোগ্য কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা ১৯৯৯ সালে দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে ৩০ জন বিইউএমএস ও বিএএমএস চিকিৎসক নিয়োগ প্রদান করেন।তারা সুনামের সহিত জনগণের চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছিলেন।

যার পরিপ্রেক্ষিতে আওয়ামী লীগ সরকার ২০১৪ ও ২০১৫ সালে দু’দফা আরো ২২৫ জন চিকিৎসক নিয়োগ দান করেন।তাদের সুনাম ও দক্ষতায় ঈর্ষান্বিত হয়ে কিছু ষড়যন্ত্রকারী আইন প্রয়োগকারী সংস্হাকে ভুল বুঝিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নকে ব্যহত করতে বিইউএমএস ও বিএএমএস চিকিৎসকদের হয়রানি করা হচ্ছে।তাদের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাউন্সিল থেকে প্রাকটিস রেজিষ্ট্রেশন দেওয়া হয় এবং তারা বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন।ইউনানি ও আয়ুর্বেদিকের কোর্স কারিকুলাম এমবিবিএস’র ন্যায়। তিনি তাদের ৫ দফা দাবী পেশ করেন।
১.”বাংলাদেশ ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল আইন”এর দ্রুত বাস্তবায়ন।
২.ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক বোর্ডেকে ব্যাচেলর ডিগ্রীধারী চিকিৎসকদের দ্বারা পুর্নগঠন করণ।
৩.ব্যাক্তিগত অপরাধের বিরুদ্ধে অবশ্যই ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হবে,তবে পূর্নাঙ্গ কাউন্সিল না হওয়া পর্যন্ত বিএএমএস ও বিইউএমএস চিকিৎসকগনের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করার সময় অবশ্যই হোমিও ও দেশজ চিকিৎসা,স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে দায়িত্বশীল ব্যক্তির উপস্থিতি থাকতে হবে।এছাড়া মহামান্য হাইকোর্টের রীট পিটিশন নং-৭০৪৩/২০১২ এর নির্দেশনাকে সম্মান করে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করার জন্য অনুরোধ করা হয়।
৪.বিএএমএস ও বিইউএমএস চিকিৎসকদের এএমসির চাকুরী নিয়মিত করণ প্রয়োজনে পিএসসির মাধ্যমে স্বাস্থ্য ক্যাডারে অন্তর্ভুক্তকরন এবং ১৪৩ টি পদের চাকুরীর পরীক্ষা দ্রুত সম্পন্ন করা।
৫.বিইউএমএস ও বিএএমএস চিকিৎসকগণের উচ্চ শিক্ষার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে বন্ধ ফ্যাকাল্টি চালুকরণ।
এগুলো বাস্তবায়নের জন্য জোর দাবি জানান।স্বাধীনতা দেশজ চিকিৎসক পরিষদের মহাসচিব। স্বাধীনতা দেশজ চিকিৎসক পরিষদ (স্বাদেচিপ) সভাপতি ডাঃ আ জ ম দৌলত আল মামুন অভিযোগ করে বলেন,দীর্ঘ প্রায় ৩০ বছর ধরে ব্যবসায়ী শ্রেণীর একই ব্যক্তির হাতে বোর্ড জিম্মি। তারা তাদের ব্যবসায়ীক চিন্তা মাথায় রেখে বোর্ডকে কুক্ষিগত করে রেখেছে।এতে ক্ষতিগ্রস্হ হচ্ছে ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক পেশার চিকিৎসকবৃন্দ।বোর্ড আজ পর্যন্ত কোন ডিপ্লোমা চিকিৎসককে সরকারী চাকুরী, তাদের পড়াশুনা ও প্রশিক্ষণের উন্নতিকরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে অথচ এই সরকার ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক বান্ধব সরকার।তিনি বোর্ডকে প্রকৃত ইউনানি আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক দ্বারা পুনর্গঠনের দাবী জানান।তিনি আরো বলেন একটি প্রতিষ্ঠান ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক কাউন্সিল গঠন প্রক্রিয়া বাঁধাগ্রস্ত করছে,যদি এই কাউন্সিল ব্যাচেলর ডিগ্রিধারীদের স্বার্থবিরোধী হয় তবে সকল চিকিৎসক রাজপথে নামতে বাধ্য হবে।অপরদিকে সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশ ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক সমন্বয় পরিষদের আহবায়ক ডাঃ আলমগীর হোসেন বলেন,বিএমডিসি কি শেষ কথা?দেখুন বাংলাদেশ সরকার ও ডব্লিউ এইচ ও স্বীকৃত ও পরিচালিত চিকিৎসা পদ্ধতি হলো ৬টি যথাঃএমবিবিএস,ডেন্টাল,
ইউনানি, আয়ুর্বেদিক,হোমিওপ্যাথিক ও ভেটেনারী।তন্মধ্যে বিএমডিসি নিয়ন্ত্রণ করে শুধুমাত্র এমবিবিএস ও ডেন্টাল চিকিৎসকদের।তাহলে বাকিরা কোথায়?ভেটেনারী চিকিৎসকরা তাদের নিজস্ব আইন দ্বারা পরিচালিত হয়।ইউনানি,আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকরা নিয়ন্ত্রিত হয় স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় গঠিত অস্হায়ী কাউন্সিল দ্বারা।সুতরাং তিনটিই রাষ্ট্রীয় সরকারী প্রতিষ্ঠান। যার কারণে কাউন্সিল আমাদের প্রাণের দাবীতে পরিণত হয়েছে।এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন স্বাধীনতা দেশজ চিকিৎসক পরিষদ (স্বাদেচিপ) এর যুগ্ম মহাসচিব ডাঃ জ্যোতিষ চন্দ্র মন্ডল, ডাঃইউসুফ,সাংগঠনিক সম্পাদক ডাঃ আবু বকর সিদ্দিক, ডাঃএএইচএম কামরুজ্জামান সুমন,ডাঃসোহরাব হোসেন বাদল,ডাঃমমিনুল হক রানা,দপ্তর সম্পাদক ডাঃ হাবিবুর রহমান মিন্টু,প্রচার সম্পাদক ডাঃ মইন উদ্দিন মামুন,ডাঃ তানজিলা,ডাঃ লিখন,ডাঃসোহেল আলম জয়,ডাঃমুহিন,ডাঃআরিফ,ডাঃরুহুল, সহ অন্যান্য চিকিৎসকবৃন্দ।

Leave A Reply

Your email address will not be published.