Ultimate magazine theme for WordPress.

‘সরকার অনেক সহ্য করেছে আর না, আরও কড়া পদক্ষেপ নেওয়া উচিত’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক- সিএএ বিক্ষোভ ঘিরে জ্বলছে দিল্লি। বিভিন্ন জায়গায় জারি হয়েছে কারফিউ। একাধিক এলাকা থেকে আসছে সংঘর্ষের খবর। প্রশ্নের মুখে প্রশাসনের ভূমিকা। এই পরিস্থিতিতেও বেফাঁস মন্তব্য করলেন বিজেপির পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষ।

সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বললেন, “যারা পুলিশকে পাথর মারছে, তাঁদের সঙ্গে আরও কড়া আচরণ করা উচিত।” বিজেপি সাংসদের এই মন্তব্যেই শুরু বিতর্ক।

শনিবার থেকে লাগাতার হিংসার ঘটনায় উত্তপ্ত দিল্লি। আজ বুধবার সকালেও চলছে অশান্তি। উন্মত্ত জনতার রোষ থেকে বাদ যাচ্ছে না সমাজের কোনও অংশের মানুষই। প্রাথমিকভাবে নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষে জড়ালেও পরে তাদের ‘টার্গেট’ হয়ে উঠেছে পুলিশ ও নিরাপত্তাবাহিনী।

এরপর আক্রমণ করা হয় খবর সংগ্রহে আসা সাংবাদিকদেরও। মঙ্গলবার এক বৈদ্যুতিন মাধ‌্যমের কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে পুলিশ সূত্রে খবর। আহত হয়েছেন আরও পাঁচ জন। ইতিমধ্যেই মৃতের সংখ‌্যা ২০। আহত প্রায় দেড়শোর উপর। যার মধ্যে ৫৬ জন পুলিশকর্মী। এই ঘটনার প্রভাব পড়েছে গোটা দেশে।

এদিকে এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যবাসীর কাছে আইশৃঙ্খলা বজায় রাখার আবেদন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রত্যেক থানাকে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সাংবাদিক বৈঠকে সাংসদ তথা রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ দিল্লি ইস্যুতে আলটপকা মন্তব্য করতেই জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

পাশাপাশি জামিয়া প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ”যারা জামিয়াতে পুলিশ ঢুকে লাঠি চালিয়েছিল বলে গণতন্ত্র হত্যা হয়ে গেল, শিক্ষাঙ্গনে পুলিস ঢুকে গেল বলেছিলেন, তাঁরাই এখন বলছেন, সরকার কোথায়? জামিয়া থেকে ধৃত ১০ জনই ছাত্র ছিল না। ওদের সঙ্গে তো তখন সেলফি তুলেছিলেন বিরোধী নেতারা। সরকার অনেক সহ্য করেছে, আর না। বিদেশের পয়সায় বিরিয়ানি খেয়ে দেশে আগুন লাগাচ্ছে দুষ্কৃতীরা।”

দিল্লি মৃত্যু প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, “যারা পুলিশকে পাথর মারছে, গুলি করছে তাদের কি ডেকে চা খাওয়ানো উচিত ছিল?” এই দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে আরও কড়া পদক্ষেপ নেওয়া উচিত, এমনটাই দাবি তাঁর।

দিল্লি প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে গিয়ে কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরিকেও আ্ক্রমণ করেন তিনি।

Leave A Reply

Your email address will not be published.