Ultimate magazine theme for WordPress.

ঢাকা-১০ আসনে ‘দূষণমুক্ত’ প্রচার চায় ইসি

ঢাকা-১০ আসনের উপ নির্বাচনের প্রচার থেকে ‘দূষণ’ দূর করতে পাঁচ দফা প্রস্তাব দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা সোয়া ১১ টায় রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ ৬ দলের প্রার্থীদের নিয়ে বৈঠকে এ প্রস্তাব দেওয়া হয়। এসময় প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ (সিইসি) অন্য চার কমিশনার উপস্থিত ছিলেন। ঢাকা-১০ আসনের মনোনীত প্রার্থীরা অংশ নেন।

বৈঠকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদা বলেন, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সিটি নির্বাচনে প্রচারে যে পরিমাণ পোস্টার ব্যানার টাঙানো হয়েছে তাতে শহরের খারাপ অবস্থা তৈরি হয়েছে। আমরা চাই সুষ্ঠু সুন্দর পরিবেশ বজায় থাকুক, তাই আমরা দূষণমুক্ত পরিবেশে ভোট করতে পাঁচদফা প্রস্তাব দিচ্ছি।

ইসির পাঁচ প্রস্তাব

১. নির্বাচনে প্রার্থীরা আচরণ বিধিমালায় বর্ণিত সংখ্যক নির্বাচনি ক্যাম্প অনুমোদিত স্থায়ী স্থাপনায় স্থাপন করবেন। ক্যাম্প সমূহে প্রার্থীরা পোস্টার, ব্যানার, ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ড স্থাপন করতে পারবেন। সিটি করপোরেশন আইনে অনুমোদিত ডেসিবেল মাত্রায় মাইক বা শব্দযন্ত্র ব্যবহার করতে পারবেন।

২. নির্বাচন কমিশন আসনের ২১টি জায়গা নির্ধারণ করেছে। সকল প্রার্থী সেখানে নিজ নিজ স্ট্যান্ড স্থাপন করে পোস্টার ঝুলাতে পারবেন। এক একটি জায়গায় পর্যায়ক্রমে সকল প্রার্থী শব্দযন্ত্র ব্যবহার করে অচরণ বিধিমালায় বর্ণিত সময়কালে প্রচারণা চালাতে পারবেন।

৩. প্রার্থীরা নির্ধারিত স্থানে শোভাযাত্রা, পদযাত্রা সীমিত রাখবেন। নির্ধারিত কর্তৃপক্ষ প্রত্যেক প্রার্থীকে এলক্ষ্যে নির্দিষ্ট দিন, সময় নির্ধারণ করে দিবেন।

৪. নির্বাচন কমিশন জনসভার জন্য এক বা একাধিক জায়গা নির্দিষ্ট করে দিবে। উক্ত নির্ধারিত স্থানে কর্তৃপক্ষের। অনুমোদন গ্রহণ করে তারা পর্যায়ক্রমে সভার আয়োজন করবেন।

৫. কোন তোরণ নির্মাণ করা হবে না, রাস্তার ফুটপাতে কোন ক্যাম্প করা যাবে না, রাস্তায় কোন পথসভা করা হবে না, সর্বোপরি নির্বাচনি পরিবেশ বিঘ্নিত হয় এমন কোন কার্যক্রম হতে সকলে বিরত থাকবেন।

সবার সম্মতি পেলে ঢাকার এ উপ নির্বাচনে দূষণমুক্ত প্রচার সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন ইসির উপ সচিব রিটার্নিং কর্মকর্তা জিএম সাহতাব উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘ভোটের প্রচারণার বিধি-নিষেধের বিষয়ে আচরণবিধি রয়েছে। এরমধ্যে থেকে প্রার্থীরা অনেক কিছুই করতে পারেন। কিন্তু লেমিনেটেড পোস্টার ও শব্দদূষণে মানুষের ভোগান্তি হচ্ছে। তাই এই নির্বাচনটি দূষণমুক্ত করা যায় কিনা সেই উদ্যোগই নেওয়া হয়েছে।’

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১৪, ১৫, ১৬, ১৭, ১৮ ও ২২ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ঢাকা ১০ আসন। একাদশ জাতীয় সংসদের সদস্য ছিলেন নব নির্বাচিত মেয়র তাপস। ঢাকা দক্ষিণের সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে অংশ নিতে তিনি পদত্যাগ করায় আসনটি শূন্য হয়।

এ আসনে ২১ মার্চ ভোটের দিন সামনে রেখে মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিন ছিল বুধবার। ২৩ ফেব্রুয়ারি মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ও ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রত্যাহারের সুযোগ শেষে ১ মার্চ প্রতীক বরাদ্দ হবে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.