Ultimate magazine theme for WordPress.

আপ্রাণ চেষ্টা ডাক্তারদের, সংকট কাটছেই না পিকের!

তাঁর রক্তচাপ একটা নির্দিষ্ট মাত্রায় ছিল। পিজি হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ ডাক্তার সোমনাথ কুন্ডু দেখতে গিয়েছিলেন পিকেকে। কিন্তু সোমবার বিকেল থেকেই ফের অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে তাঁর। নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে বাইপাসের ধারের হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন পিকে।

টানা ১৩ দিন ভেন্টিলেশনে থাকার পর বেশ কিছুটা সাড়া দিচ্ছিলেন কিংবদন্তি ফুটবলার পিকে বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু সোমবার সন্ধের পর থেকেই তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, অত্যন্ত সংকটজনক অবস্থায় রয়েছে প্রবাদপ্রতিম এই ফুটবলার-কোচ। সেপসিস ও মাল্টি অর্গ্যান ফেলিওর হয়েছে তাঁর। লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে তাঁকে। সোমবার রাতে তাঁকে হাসপাতালে দেখতে গিয়েছিলেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। হাসপাতালে গিয়ে দাদার এই অবস্থায় কথা শুনে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন পিকে বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাই তথা তৃণমূল সাংসদ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়।

শনিবার তাঁর চিকিৎসার দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক তন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছিলেন, তাঁরা পিকের ভেন্টিলেশন সাপোর্ট কমিয়ে আনার চেষ্টা করছেন। চোখও খুলছিলেন তিনি। কিছুটা সাড়াও দিচ্ছিলেন। তাঁর রক্তচাপ একটা নির্দিষ্ট মাত্রায় ছিল। পিজি হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ ডাক্তার সোমনাথ কুন্ডু দেখতে গিয়েছিলেন পিকেকে। কিন্তু সোমবার বিকেল থেকেই ফের অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে তাঁর।

নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে বাইপাসের ধারের হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন পিকে। শুধু এই অসুস্থতা নয়, তাঁর পার্কিনসন, হার্টের সমস্যা ও স্মৃতি বিভ্রমও হচ্ছিল। এর সঙ্গে রয়েছে বয়সজনিত সমস্যাও। ফলে তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছাড়তে পারেননি চিকিৎসকরা। তার মধ্যেই শ্বাসকষ্ট চরমে ওঠায় তাঁকে ভেন্টিলেশনে দেওয়া হয়।

হাসপাতাল থেকে বলা হয়েছে, চিকিৎসক বোর্ডের কড়া নজরে রয়েছেন পিকে। তাঁর পরিবারের অনুরোধে ডাঃ কুণাল সরকার ও ডাঃ রবীন চক্রবর্তীও পিকের চিকিৎসকের তালিকায় যুক্ত হয়েছেন। দিনকয়েক আগে পিকের মৃত্যুর ভুয়ো খবর ছড়িয়ে পড়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেই কারণে ফেসবুক লাইভ করে গুজব না ছড়ানোর অনুরোধ করেছিলেন তাঁর মেয়ে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.