Ultimate magazine theme for WordPress.

আজ শুরু হচ্ছে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন

পূর্ব-নির্ধারিত সময় অনুযায়ী আজ বৃহস্পতিবার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু হচ্ছে। এ লক্ষে সকাল থেকে টেকনাফ থেকে ঘুমধুম ট্রানজিট ঘাট পর্যন্ত থাকবে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

কক্সবাজারে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ আবুল কালাম বুধবার সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত যেকোন সময়ে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সূচনার লক্ষ্যে পাঁচটি বাস ও পাঁচটি ট্রাক থাকবে। যারা মিয়ানমারে ফিরবেন তাদের মালামাল বহনে এসব পরিবহন রাখা হয়েছে।

মোহাম্মদ আবুল কালাম বলেন, মঙ্গলবার ও বুধবার দুদিনে মোট ২৩৫ রোহিঙ্গা পরিবারের মতামত নেওয়া সম্ভব হয়েছে। এদের মধ্যে যারা রাজি থাকবে তাদের দিয়েই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।

তিনি আরো বলেন, প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে মিয়ানমারকূলেও ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে কক্সবাজারে অবস্থান করছে চীন ও মিয়ানমারের দুজন প্রতিনিধি।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে মিয়ানমার সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের ওপর ‘জাতিগত নিধন’ অভিযান শুরু করে। ফলে প্রাণ বাঁচাতে প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়। পুরনোসহ উখিয়া-টেকনাফের ৩০টি শিবিরে এখন ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। তবে জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, এই সংখ্যা ১১ লাখ ৮৫ হাজার ৫৫৭। তাদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাই বেশি।

জাতিগত নিধন ও গণহত্যার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ-মিয়ানমার প্রত্যাবাসন চুক্তি সম্পন্ন হয়।

Leave A Reply

Your email address will not be published.