হাটুপানিতে নেমে জলবায়ু সম্মেলনের ভাষণ দিলেন টুভালুর পররাষ্ট্রমন্ত্রী

জলবায়ু পরিবর্তন বোঝাতে স্যুট-টাই পরে রীতিমতো হাঁটুপানিতে নেমেছেন টুভালুর পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইমন কোফে

জলবায়ু পরিবর্তন বোঝাতে স্যুট-টাই পরে রীতিমতো হাঁটুপানিতে নেমেছেন টুভালুর পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইমন কোফে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় তার দেশের ঝুঁকি বোঝাতেই মূলত তিনি এই অভিনব পন্থা বেছে নিয়েছেন।

 

সাইমন কোফে গ্লাসগোতে চলমান জলবায়ু সম্মেলনে অংশ নিতে একটি ভিডিও বার্তা পাঠিয়েছেন। সেখানেই তাকে হাঁটু পর্যন্ত পানিতে দাঁড়িয়ে বক্তব্য দিতে দেখা গেছে।

 

ছবিগুলোতে দেখা গেছে, সমুদ্রের পানিতে দাঁড়িয়ে আছেন সাইমন কোফে। ডায়াসের সামনে স্যুট-টাই পরে হাঁটুপানিতে দাঁড়িয়ে বক্তব্য দিচ্ছেন তিনি। পানির কারণে হাঁটুর ওপর পর্যন্ত গুটিয়ে রেখেছেন প্যান্ট। সাইমনের ঠিক পেছনেই জাতিসংঘ ও টুভালুর পতাকা।

 

জলবায়ু সম্মেলনে দেওয়া সেই ভিডিও বার্তার ব্যাপারে সাইমন কোফে বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাবের কারণে টুভালু বাস্তবে যে পরিস্থিতির মধ্যে আছে, তা কপ-২৬ সম্মেলনস্থলে উপস্থাপনের লক্ষ্যে ভিডিও বার্তাটি এভাবে দেওয়া হয়েছে।

 

দেশটির সরকারি এক কর্মকর্তা জানান, সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম টিভিবিসি ফুনাফুতির প্রধান দ্বীপ ফোনগাফালের শেষ প্রান্তে ভিডিওটি ধারণ করেছে। পরিবেশবিদেরা যখন জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাব কমিয়ে আনতে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বিশ্বনেতাদের চাপ দিয়ে যাচ্ছেন, তখনই এই ভিডিও বার্তা দিলেন কোফে।

 

  • এবারের জলবায়ু সম্মেলনে কার্বন নিঃসরণ কমাতে জোরালো পদক্ষেপ নেওয়ার অঙ্গীকার করেছে বিশ্বের অন্যতম দূষণকারী দেশগুলো। অনেক দেশই ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণ নেট জিরোতে নামিয়ে আনার ব্যাপারে আশাবাদী। তবে এসব আশ্বাসে ভরসা নেই জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলো। প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্রের নেতাদের দাবি, হুমকিতে থাকা নিম্নাঞ্চলের দেশগুলোকে বাঁচাতে অবিলম্বে পদক্ষেপ নিতে হবে।

 

আরো পড়ুনঃ

শত্রুদের চমকে দেওয়ার মতো অস্ত্র বানাতে চায় তুরস্ক

 

তুরস্ক প্রতিরক্ষাখাতে নিজেদের স্বয়ংসম্পূর্ণ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে অদূর ভবিষ্যতে দেশটি মনুষ্যবিহীন স্থলযানের (ইউজিভিএস) গণ উৎপাদন শুরু করার পরিকল্পনা নিয়েছে। এর মধ্যে থাকবে হালকা, মাঝারি ও ভারি ধরনের মনুষ্যবিহীন স্থলযান। এ ছাড়া তুরস্ক এমন অস্ত্র বানাতে চায় যা যুদ্ধক্ষেত্রে শত্রুদের চমকে দেবে। তুরস্কের গণমাধ্যম ডেইলি সাবাহ এ তথ্য জানায়। দেশটির রাজধানী আঙ্কারায় ইউজিভিএস নিয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বেশ কয়েকটি বিষয়ে চুক্তি সই হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডেন্সি অব ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিজসের (এসএসবি) প্রধান ইসমাইল দেমির। একই সঙ্গে তার্কিশ প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান আসেলসান, হ্যাভেলসান এবং কাটমারচিলেরের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। অনুষ্ঠানে দেমির বলেন, তুরস্কের প্রতিরক্ষা খাত মাথা তুলে দাঁড়াতে শুরু করেছে। মনুষ্যবিহীন ব্যবস্থার উন্নয়নের স্বপ্ন রয়েছে আমাদের প্রতিরক্ষা খাতের। এর মধ্যে মনুষ্যবিহীন স্থলযান (ইউজিভিএস) অন্যতম। দেমির বলেন, তুরস্কের লক্ষ্য হচ্ছে— যুদ্ধক্ষেত্রে এমন কিছু উপাদান উপস্থাপন করা যা দেখে শত্রুরা চমকে যাবে।

তিনি বলেন, বর্তমানে যুদ্ধক্ষেত্রে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে তৈরি যুদ্ধাস্ত্র ব্যবহৃত হয়। প্রযুক্তির উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে ইউজিভিএস ব্যবহার বাড়বে এবং এটি ভবিষ্যতে ব্যাপক সুবিধা দেবে। আমরা মনুষ্যবিহীন আকাশযানের (ইউএভি) ক্ষেত্রে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছি। এ সাফল্যের ওপর ভিত্তি করে অবশ্যই স্থল, সমুদ্র এমনকি সাবমেরিন যানের ক্ষেত্রেও এমন ব্যবস্থা চালু করা প্রয়োজন, যোগ করেন দেমির।

প্রেসিডেন্সি অব ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিজসের প্রধান ইউজিভিএস সম্পর্কে বলেন, মনুষ্যবিহীন স্থলযানের আকার ও সক্ষমতার ক্ষেত্রে পার্থক্য রয়েছে। ইতোমধ্যে এগুলো কতটুকু কার্যকর তা পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। ব্যবহারকারীদের প্রতিক্রিয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি পণ্যের মান বাড়ায়। অনুষ্ঠানে এসএসবি এবং হ্যাভেলসান হেভি ক্লাস ইউজিভিএসের উন্নয়নে একটি চুক্তি সই করে। একই সঙ্গে ‘মিডিয়াম ক্লাস ইউজিভিএসের গণউৎপাদন বিষয়ক ঘোষণা’ সংক্রান্ত চুক্তি সই হয় আসেলসান, বেস্ট গ্রুপ, ইলেক্ট্রোল্যান্ড ও হ্যাভেলসানের মধ্যে।

 

https://cdnews24.com/amp/%E0%A6%AD%E0%A7%82%E0%A6%AE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%A1%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%97%E0%A7%87/

উত্তাল ভূমধ্যসাগরে প্রাণ গেলো ১৭ অভিবাসন প্রত্যাশী বাংলাদেশির। নৌকায় করে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার পথে সাগরে ডুবে মারা যান তারা। তাদের মরদেহ উদ্ধার করেছে তিউনিসিয়ান কোস্টগার্ড।

বুধবার তিউনিসিয়ার রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, অবৈধ উপায়ে লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার চেষ্টা চালায় একদল অভিবাসন প্রত্যাশী। মাঝপথে নৌকাটি ডুবে গেলে তাদের মৃত্যু হয়। জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে বিভিন্ন দেশের আরও ৩৮০ অভিবাসন প্রত্যাশীকে।

নৌকাটি লিবিয়ার উত্তরপশ্চিম উপকূলের জুওয়ারা থেকে যাত্রা শুরু করে। সেখানে সিরিয়া, মিসর, সুদান, ইরিত্রিয়া, মালি ও বাংলাদেশের অভিবাসন প্রত্যাশীরা অবস্থান করছিল।

মৃতদের মধ্যে অধিকাংশই বাংলাদেশি বলে জানা গেছে। তবে তাদের পরিচয় এখনও নিশ্চিত করতে পারেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এ বছরেও ভূমধ্যসাগর হয়ে ইউরাপে যাওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। গত মাসেই ভূমধ্যসাগর থেকে ২৬৪ বাংলাদেশিকে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে উদ্ধার হয় মিসরের তিন নাগরিক। এর মধ্যেই নতুন করে আবারও সাগরে পথে উদ্ধার হল অভিবাসন প্রত্যাশী।

  • উন্নত জীবনের আশায় অবৈধভাবে প্রতি বছরেই সাগর পথে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা করে বহু মানুষ। এ যাত্রায় অনেকেই উত্তাল সাগরে ডুবে মারা যান।

 

Leave A Reply

Your email address will not be published.