গুলি বুকে নিয়ে ফিলিস্তিনি কিশোরের মৃত্যু

একেটিভি ডেস্ক

এ নিয়ে গত কয়েক দিনের মধ্যে ইসরায়েলি সেনাদের গুলিতে ফিলিস্তিনের দুই কিশোরের মৃত্যু হলো।

আল-আলামিকে গুলির ঘটনা নিয়ে বিবৃতি দিয়েছে ইসরায়েল সেনাবাহিনী। তাদের ভাষ্য, একটি ইসরায়েলি সেনা তল্লাশিচৌকির কাছে গাড়ি থেকে কয়েকজন নেমে মাটি খুঁড়তে শুরু করে। তারপর সেনারা সতর্কতার সঙ্গে সেখানে যান। তাঁরা দুটি ব্যাগ দেখতে পান। একটি ব্যাগে এক নবজাতককে দেখা যায়। গাড়ি চলে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর আবার সেখানে আসে। তখন সেনারা গাড়িটিকে থামতে বলেন। গাড়িটি থামানোর জন্য তারা ফাঁকা গুলি চালান। এরপরও না থামলে এক সেনা গাড়িটির টায়ারে গুলি করেন।

ইসরায়েল সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গোলাগুলিতে এক ফিলিস্তিনি কিশোরের মৃত্যুর অভিযোগটি তারা খতিয়ে দেখছে। সেনা পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করছে।

গত শনিবার মোহাম্মদ মুনির আল-তামিমি নামের ১৭ বছরের এক কিশোর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। তার এক দিন আগেই সে বেইতা গ্রামে গুলিতে আহত হয়।

ইসরায়েলের অবৈধ বসতি স্থাপনের প্রতিবাদে গত শুক্রবার বেইতা গ্রামে শত শত ফিলিস্তিনি জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন। সেখানে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, শুক্রবারের সংঘর্ষে অন্তত ৩২০ জন ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন। তার মধ্যে ২১ জন গুলিবিদ্ধ হন। রাবার বুলেট ও কাঁদানে গ্যাসের শেলে আহত হয়েছেন অনেকে।

গত মে মাসের পর থেকে বেইতা গ্রামে প্রায়ই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। আন্তর্জাতিক আইনের তোয়াক্কা না করেই নাবলুসের কাছে বসতি স্থাপন শুরু করেছে ইসরায়েলিরা। সেখানে ফিলিস্তিনিরা তাঁদের জমি জোরপূর্বক দখলের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করছেন।

ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের হিসাব অনুযায়ী, অধিকৃত পশ্চিম তীরে সাড়ে ছয় লাখের বেশি বসতি রয়েছে। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, অধিকৃত অঞ্চলের সব ইসরায়েলি বসতি অবৈধ।

Loading...