পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে তাজা গাঁজার গাছসহ গাঁজা চাষীকে আটক করেছে

পঞ্চগড় প্রতিনিধি

পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে তাজা গাঁজার গাছসহ গাঁজা চাষীকে আটক করেছে আটোয়ারী থানা পুলিশ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আটোয়ারী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইজার উদ্দীনের দিক নির্দেশনা মোতাবেক ওসি(তদন্ত) মোঃ দুলাল উদ্দীনের নেতৃত্বে এসআই মোকারম হোসেন, এসআই জাহাঙ্গীর আলম,এসআই শাহীন আল মামুন, এসআই সম্রাট খাঁন, এসআই অমৃত অধিকারী ,এএসআই আব্দুল মালেক, এএসআই পরিতোষ রায় আরো পুলিশ সদস্য গত শনিবার (৩১ জুলাই) সন্ধায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করেন।

 

 

এসময় চৌকশ অভিযানকারী দল বলরামপুর ইউনিয়নের লক্ষীদ্বার গ্রামে অভিযান চালিয়ে গাঁজার তাজা গাছ সহ গাঁজা চাষী ওই গ্রামের মোঃ মোসলেম উদ্দীনের পুত্র মোঃ নুরুজ্জামান(৩৫ ) কে আটক করতে সক্ষম হয়। ওসি (তদন্ত) দুলাল উদ্দীন জানান, থানা এলাকায় মাদক উদ্ধার ও বিশেষ অভিযান ডিউটি পরিচালনা কালে গোপন সংবাদ পেয়ে অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইজার উদ্দীনের নির্দেশনা মতে উপজেলার বলরামপুর ইউনিয়নের লক্ষীদ্বার গ্রামের গাঁজা চাষী নুরুজ্জামানের বাড়ীতে উপস্থিত হই। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়েনুরুজ্জামান দৌড়ায় পালানোর চেষ্টা কালে ঘটনাস্থলেই সঙ্গীয় অফিসার ফোর্সের সহায়তায় তাকে আটক করা সম্ভব হয়।

গাঁজা গাঁজা  গাঁজা  গাঁজা  গাঁজা  গাঁজা  গাঁজা 

গাঁজা গাঁজা  গাঁজা  গাঁজা  গাঁজা  গাঁজা  গাঁজা 

এসময় তার বাড়ী সংলগ্ন আমগাছ তলা হতে চাষ করা ২১টি ছোটবড় পাতা সহ তাজা গাঁজার গাছ উদ্ধার করা হয়। ওসি(তদন্ত) জানান, আটককৃত আসামী বসতবাড়ী সংলগ্ন আমগাছ তলায় তার চাষকৃত গাঁজার গাছ রোপন করে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে চাষাবাদ করে আসছে। তাজা গাঁজার গাছ সহ একজন আটকরে বিষয়টি ওসি ইজার উদ্দীন নিশ্চিত করেছেন। তিনি আরো জানান, ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ৩৬(১) এর ১৮(ক) ধারার অপরাধে আটোয়ারী থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু হয়েছে। মামলা নং-১৩, তারিখ- ৩১/০৭/২০২১ ইং। আটককৃত আসামীকে রবিবার (০১ আগস্ট) সকালে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

 

 

 

পরীমণির বিরুদ্ধে যতো অভিযোগ

 

ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়িকা পরীমণি’র বিরুদ্ধে রয়েছে অসংখ্য অভিযোগ। সর্বশেষ প্রায় চার ঘণ্টার অভিযানের পর বুধবার সন্ধ্যায় বনানীর বাসা থেকে তাকে আটক করে র‌্যাব।

তার বাসা থেকে উদ্ধার দেখানো হয়েছে— বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ, নতুন মাদক এলএসডি ও আইস।

তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি প্রায়ই রাতেই মাতাল হয়ে দলবেঁধে বিভিন্ন ক্লাব ও তারকা হোটেলে ঘুরে বেড়াতেন। কোনও নিয়মের তোয়াক্কা করতেন না। সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতেই তার বাসায় অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

গত ১৪ জুন প্রথমে ফেসবুকে ও পরে সংবাদ সম্মেলন করে নাসির ইউ মাহমুদ নামের এক আবাসন ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ তোলার পর নায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধেও পাল্টা অভিযোগ আসতে থাকে। তার উচ্ছৃঙ্খল জীবন-যাপনের নানা দিক নিয়ে শুরু হয় সমালোচনা।

 

১৪ জুন প্রথমে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে স্ট্যাটাস দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা কামনা করেন তিনি। ফেসবুকে অভিযোগ তোলার কয়েক ঘণ্টা পর ওইদিন রাতে নিজের বাসায় সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি।

 

 

সংবাদ সম্মেলনে আবাসন ব্যবসায়ী ও ঢাকা বোট ক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য নাসির ইউ মাহমুদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ তুলে চিত্রনায়িকা পরীমণি বলেন, ৮ জুন তিনি ঢাকা বোট ক্লাবে গেলে সেখানে তাকে ধর্ষণ ও হত্যার চেষ্টা করা হয়। তার সঙ্গীরা তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করেছেন।

 

 

পরদিন নাসির ইউ মাহমুদসহ ৬ জনকে আসামি করে মামলা করেন তিনি। ওই মামলায় নাসির ইউ মাহমুদসহ দুজনকে গ্রেফতারও করা হয়। ১৫ দিন কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পান নাসির ইউ মাহমুদ।

 

 

এর একদিন পর ১৬ জুন অল কমিউনিটি ক্লাবে ভাঙচুরের অভিযোগ আনা হয় পরীমণির বিরুদ্ধে। তখন অল কমিউনিটি ক্লাবের সভাপতি কে এম আলমগীর ইকবাল গণমাধ্যমকে জানান, বোট ক্লাবের ঘটনার আগের দিন পরীমণি একজন সদস্যের মাধ্যমে কয়েকজনকে নিয়ে কমিউনিটি ক্লাবে আসেন। তার পোশাক ও আচার-আচরণ দেখে তাকে চলে যাওয়ার জন্য বলা হয়।

 

 

তখন পরীমণি চিৎকার ও চেচামেচি শুরু করেন। ক্ষিপ্ত হয়ে ১৫-২০টি গ্লাস ও ছাইদানী ছুঁড়ে মারেন এবং ভাঙচুর করেন।

গুলশান থানা পুলিশও বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ৭ জুন গভীর রাতে ৯৯৯–এর একটি কলে গুলশান থানা-পুলিশের একটি দল অল কমিউনিটি ক্লাবে যায়। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, কথা-কাটাকাটির জেরে ক্লাবে গ্লাস ভাঙচুর করেছেন পরীমণি। পরে আর ওই ঘটনায় কেউ অভিযোগ করেননি।

 

 

পরীমণির বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ হচ্ছে— প্রায়ই তিনি মধ্য রাতে মাতাল হয়ে রাজধানীর বিভিন্ন ক্লাব ও তারকা হোটেলে ঘুরে বেড়াতেন। মানতেন না কোনও নিয়ম। নিজের খেয়াল ‍খুশি অনুযায়ী, গভীর রাতে তরুণ-তরুণীদের নিয়ে দল বেঁধে মদপান করতেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযোগ, তার কারণে প্রায়ই বিভিন্ন ক্লাবের আইন ভাঙা হতো। এক ক্লাবে কিছু সময় কাটিয়ে আর যেতেন অন্য ক্লাবে।

 

 

চিত্রনায়িকা পরীমনির বাসায় অভিযানের পর বিপুল পরিমাণ দেশি-বিদেশি মদসহ তাকে আটক করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন। র‍্যাব সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, বিপুল পরিমাণে মাদকসহ পরীমনিকে আটক করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত পরীমনিকে বাসা থেকে বের করা হয়নি।

এর আগে আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমণির বাসায় বিকেল ৪টার দিকে এই অভিযান শুরু হয়। অভিযান শুরুর ৩০ মিনিট পর তার বাসায় একে একে তিন থেকে চারজন র‍্যাবের নারী সদস্যকে প্রবেশ করতে দেখা যায়। এরপরই পরীমণিকে আটক করা হতে পারে বা হয়েছে এমন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। তাকে আটক করার জন্যই র‍্যাবের নারী সদস্যরা বাসার ভেতরে গিয়েছেন বলে মনে করছেন উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীরা।

 

 

 

অভিযানে থাকা র‍্যাবের সদস্যরা ছাড়া বাসার ভেতরে আর কাউকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। গণমাধ্যমকর্মীরা বারবার চেষ্টা করেও ভেতরে প্রবেশ করতে ব্যর্থ হয়েছেন। বাসার প্রধান গেটে তালা লাগিয়ে অভিযান পরিচালনা করছে র‍্যাব।

বুধবার বিকেল ৪টার দিকে পরীমণির বনানীর লেক ভিউ ১৯/এ নম্বর রোডের ১২ নম্বর বাড়িতে র‍্যাবের এ অভিযান শুরু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক খন্দকার আল মঈন।

 

সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে পরীমণির বাসায় অভিযান

পরীমণির বাসার মূল গেটের সামনে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা র‍্যাব-১ এর কর্মকর্তা মুজিবুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, র‍্যাব সদর দফতরের একটি টিম এ অভিযান পরিচালনা করছে। আমরা সদরদফতরের টিমকে সাপোর্ট দেওয়ার জন্য ঘটনাস্থলে এসেছি। তিনি বলেন, আমরা মূলত অভিযানস্থলের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছি। তবে কী কারণে তার বাসায় অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং তাকে আটক করা হবে কি না এই বিষয়ে আমরা বিস্তারিত কিছু বলতে পারছি না।

 

এর আগে, র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক খন্দকার আল মঈন বলেন, সুনির্দিষ্ট কয়েকটি অভিযোগের ভিত্তিতে চিত্রনায়িকা পরীমণির বাসায় র‍্যাব অভিযান পরিচালনা করছে। অভিযান শেষে এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানানো হবে।

 

 

অভিযান চলাকালে বিকেল সাড়ে চারটার দিকে পরীমণি তার বাসার বারান্দায় এসে নিচে দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিকদের উপরে ওঠার জন্য ডাকতে থাকেন। এর আগে ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত নায়িকা পরীমণি ফেসবুক লাইভে এসে অভিযোগ করেছেন, তার বনানীর বাসায় কেউ হামলা চালিয়েছে। কিছুক্ষণের মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই লাইভ ভিডিও ভাইরাল হয়।

 

 

গত জুন মাসে রাজধানীর একটি ক্লাবে পরীমণিকে হেনস্তা করার অভিযোগ ওঠে নাসির ইউ আহমেদসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। সে অভিযোগও তিনি ফেসবুক লাইভে এসে জানান। এরপর তা আমলে নেয় প্রশাসন। পরবর্তী সময়ে পরীর মামলার পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়। যদিও প্রধান অভিযুক্ত নাসির ইউ আহমেদ গ্রেফতারের কয়েক দিন পরই জামিনে মুক্তি পেয়ে যান

 

চলমান কঠোর বিধিনিষেধ আবার বাড়লো

 

মঙ্গলবার করোনাভাইরাসের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ের এক সভা শেষে এ তথ্য জানান বৈঠকের সভাপতি ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

 

তিনি বলেন, দোকানপাট খোলা হলেও সংশ্লিষ্টদের টিকা নিয়ে খুলতে হবে। নিজ নিজ ওয়ার্ড থেকে সবাইকে টিকা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী, এখন ৫ আগস্ট পর্যন্ত বিধিনিষেধ রয়েছে। তবে ১ আগস্ট থেকে রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানা খুলে দেওয়ার পর প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে ৫ আগস্টের পর বিধিনিষেধ আর বাড়বে কি না।

করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ঈদের পর ২৩ জুলাই থেকে বিধিনিষেধ চলছে, যা ৫ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। এবার সরকার থেকে কঠোরতম বিধিনিষেধের কথা বলা হলেও শেষ পর্যন্ত ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে সেটা আর রাখতে পারেনি।

 

গত শুক্রবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক আদেশে জানানো হয়, ১ আগস্ট থেকে রপ্তানিমুখী সব শিল্প ও কলকারখানা চলমান বিধিনিষেধের আওতাবহির্ভূত করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পর শ্রমিকেরা গ্রামের বাড়ি থেকে দুর্ভোগ নিয়ে ঢাকাসহ বিভিন্ন কলকারখানার অভিমুখে রওনা হন।

 

একপর্যায়ে রোববার দুপুর পর্যন্ত গণপরিবহন চালুর অনুমোদন দেয় সরকার। লঞ্চের সময় অবশ্য গতকাল সোমবার ভোর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল।

 

কঠোর বিধিনিষেধ আবার বাড়লো

 

মঙ্গলবার করোনাভাইরাসের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ের এক সভা শেষে এ তথ্য জানান বৈঠকের সভাপতি ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

 

তিনি বলেন, দোকানপাট খোলা হলেও সংশ্লিষ্টদের টিকা নিয়ে খুলতে হবে। নিজ নিজ ওয়ার্ড থেকে সবাইকে টিকা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী, এখন ৫ আগস্ট পর্যন্ত বিধিনিষেধ রয়েছে। তবে ১ আগস্ট থেকে রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানা খুলে দেওয়ার পর প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে ৫ আগস্টের পর বিধিনিষেধ আর বাড়বে কি না।

করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ঈদের পর ২৩ জুলাই থেকে বিধিনিষেধ চলছে, যা ৫ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। এবার সরকার থেকে কঠোরতম বিধিনিষেধের কথা বলা হলেও শেষ পর্যন্ত ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে সেটা আর রাখতে পারেনি।

 

গত শুক্রবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক আদেশে জানানো হয়, ১ আগস্ট থেকে রপ্তানিমুখী সব শিল্প ও কলকারখানা চলমান বিধিনিষেধের আওতাবহির্ভূত করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পর শ্রমিকেরা গ্রামের বাড়ি থেকে দুর্ভোগ নিয়ে ঢাকাসহ বিভিন্ন কলকারখানার অভিমুখে রওনা হন।

 

একপর্যায়ে রোববার দুপুর পর্যন্ত গণপরিবহন চালুর অনুমোদন দেয় সরকার। লঞ্চের সময় অবশ্য গতকাল সোমবার ভোর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল।

 

কঠোর বিধিনিষেধ আবার বাড়লো

 

আবারো সব নৌযান বন্ধ

মহামারী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে গত ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত কঠোর লকডাউন ঘোষণা করে সরকার। তবে রপ্তানিমুখী সব পোশাক কারখানা খুলে দেওয়ায় কাজে যোগ দিতে শুক্রবার রাত থেকেই হাজার হাজার শ্রমিক ও সংশ্লিষ্টরা ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় যাত্রা শুরু করেন।

তাদের নিরাপদে কর্মস্থলে ফেরার সুযোগ দিতে সরকার শনিবার রাত থেকে রোববার দুপুর ১২টা পর্যন্ত গণপরিবহন চলাচলের অনুমতি দেয়। ভিড় থাকায় পরে রোববার ১২টায় লঞ্চ বন্ধ না করে চালু রাখার ঘোষণা দেয় সরকার।

৩৮ ঘণ্টা চালু থাকার পর সোমবার সকাল ১০টায় লঞ্চ চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এখনো পর্যন্ত সরকারি যে ঘোষণা রয়েছে, তাতে ৫ আগস্ট পর্যন্ত সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ থাকবে।

সোমবার রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে ঘুরে দেখা যায়, ভোর ৫টা থেকে ৬টা পর্যন্ত কর্মস্থলে ফেরা যাত্রীদের চাপ থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সে চাপ কমতে থাকে। ভোরে যাত্রীদের ভিড়ে পন্টুনে মানা হয়নি স্বাস্থ্যবিধি। সেখানে মাস্ক ছাড়াই যাত্রীদের যাতায়াত করতে দেখা গেছে।

লঞ্চ টার্মিনালে হকাররা ঝালমুড়ি, আম, আপেল, খেজুরসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র নিয়ে একজনের কাছ থেকে আরেকজনের কাছে গিয়ে বিক্রি করছেন। তাদের কারও মুখে নেই মাস্ক। হাত পরিষ্কার না করেই খাচ্ছেন কেউ কেউ।

 

অর্ধেক যাত্রী নিয়ে নৌযান চলাচল

এদিকে গত ১ জুলাই থেকে কঠোর লকডাউন ঘোষণা করে সরকার। এরপর মঙ্গলবার এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে কঠোর বিধি-নিষেধ শিথিল করায় ১৪ জুলাই মধ্যরাত থেকে ২৩ জুলাই সকাল ৬টা পর্যন্ত ধারণক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী নিয়ে নৌযান চলাচল করলেও ২৩ জুলাই ৬টার পর আবার সব বন্ধ হয়ে যায়।

কিন্তু ৩০ জুলাই দেশের সব রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানা খোলায় প্রথমে ১৬ ঘণ্টা, পরে আরো ২২ ঘণ্টাসহ মোট ৩৮ ঘণ্টার জন্য লঞ্চ চলাচলের অনুমতি দেয় সরকার। ৩৮ ঘণ্টা শেষে সোমবার সকাল ১০টা থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ নৌপথে সব ধরনের যাত্রীবাহী নৌযান চলাচল বন্ধ থাকবে।

 

ফের বাড়তে পারে বিধিনিষেধ

 

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার এখনো ঊর্ধ্বমুখী। এ অবস্থায় সরকারের দেয়া চলমান বিধিনিষেধের মেয়াদ আরও বাড়তে পারে।
তবে জীবন-জীবিকার স্বার্থে কিছুক্ষেত্রে শিথিলতাও থাকতে পারে। ১ আগস্ট রোববার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একজন কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বলেন, করোনায় মৃত্যুর হার এখনো দুইশর বেশি। এ অবস্থায় বিধিনিষেধ তুলে দেওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আরেকজন কর্মকর্তা একেটিভিকে বলেন, বর্তমানে করোনার যে পরিস্থিতি, তা বিবেচনা করে বিধিনিষেধ বাড়ানো হতে পারে। তবে জীবন-জীবিকার কথা চিন্তা করে কিছুক্ষেত্রে শিথিলতাও থাকতে পারে।

বিধিনিষেধ

সংক্রমণ ঠেকাতে অন্তত ১০ দিন বিধিনিষেধ বাড়ানোর জন্যে গত ৩০ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে সুপারিশ করা হয়।

এদিন অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ বি এম খুরশীদ আলম বলেন, যেভাবে করোনার সংক্রমণ বাড়ছে, আমরা কীভাবে এই সংক্রমণ সামাল দেব? রোগীদের কোথায় জায়গা দেব?

এদিকে, স্বাস্থ্য অধিদফতরের এ সুপারিশ নিয়ে পর্যালোচনা করছে সরকার। আগামী ৩ অথবা ৪ আগস্ট এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানা গেছে।

বিষয়টি নিয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, সুপারিশ অবশ্যই আমাদের মাথায় আছে। কারণ সবকিছুর সমন্বয় আমাদের করতে হবে। সেজন্য আমরা বলছি যে, একটু সময় নেব। ৩ বা ৪ তারিখে এ বিষয়টি পরিষ্কার করে দেব।

৫ তারিখের পর কী হবে- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কী হবে, সেটির এখনো সিদ্ধান্ত পাইনি। প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত জানাবেন। সে পরিপ্রেক্ষিতে আমরা ব্যবস্থা নেব।

 

এনআইডি ছাড়া যেভাবে টিকা পাওয়া যেতে পারে

 

 

প্রতিমন্ত্রী জানান, এনআইডি যাঁদের নেই, তাঁদের টিকা কীভাবে হবে এবং অনলাইনে নিবন্ধন করতে যাঁরা পারবেন না, তাঁরা কীভাবে টিকা পাবেন, সে বিষয়ে তাঁরা পরামর্শ দিয়েছেন। এ বিষয়ে জুনাইদ আহমেদ বলেন, নিবন্ধনের কারণে যেন টিকা থেকে কেউ বঞ্চিত না হন, এটা যখন বলা হলো, তখন ডিজিটাল নিবন্ধনের পদ্ধতিকে সমন্বয় করে নেওয়ার জন্য আইসিটি বিভাগ পরামর্শ দেয়। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে অন দ্য স্পট, অর্থাৎ কেন্দ্রে গিয়েই নিবন্ধন করে টিকা দেওয়া।

 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, যাঁর স্মার্টফোন নেই, ইন্টারনেট–সুবিধা অথবা প্রিন্টিংয়ের সুবিধা নেই, তাঁরা কেন্দ্র গিয়ে এনআইডি দেখালে সেখানে নিবন্ধন করে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এতে টিকার কার্ডও আলাদা করে নিতে হবে না। কেন্দ্রেই একটি কার্ড থাকবে। সেখানে নাম-ঠিকানা, টিকার তারিখ, কোন টিকা এবং পরবর্তী টিকার তারিখ উল্লেখ থাকবে। টিকার পরে কার্ড দিয়ে দেবে। তবে এভাবেই টিকা দেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সিদ্ধান্ত নেবেন।

 

দিনে এখন চার থেকে পাঁচ লাখ মানুষ টিকার জন্য নিবন্ধন করছেন। আর টিকা দেওয়া হচ্ছে দুই লাখ জানিয়ে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, সরকারের কাছে এখন টিকা আছে এবং আরও টিকা আসছে। এখন দিনে যেন ৫০ লাখ নিবন্ধন হলেও সুরক্ষা সাইট তা হ্যান্ডেল করতে পারে, এমন প্রস্তুতি আছে। প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি আছে। টিকা প্রদানের প্রস্তুতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিচ্ছে। তাদের সঙ্গে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও এটুআইকে বলা হয়েছে, সারা দেশের সাত হাজার ডিজিটাল সেন্টার যেন সব ধরনের সহযোগিতা করতে পারে। প্রধানমন্ত্রী চাইছেন সবাই যেন টিকা পান।

 

করোনা প্রতিরোধে দুই ডোজ টিকা নেওয়া হলে একটি সার্টিফিকেট দেওয়া হয়। এনআইডি ছাড়া টিকা নিলে টিকার সার্টিফিকেট পাওয়া বিষয়ে জুনাইদ আহমেদ একেটিভিকে বলেন, ‘শুধু বিদেশ যাওয়া বা ধনীদের জন্য সার্টিফিকেট দরকার, বিষয়টা তা নয়। ভবিষ্যেতের জন্য প্রয়োজন। আমরা উন্নত জীবনযাত্রা উপহার দিতে চাই। কেউ টিকা নিয়েছে কি না, তা সার্টিফিকেট থাকলে বোঝা যাবে। ডিজিটালি সম্ভব না হলে হার্ড কপি দিতে হবে। যেভাবে অন্যান্য টিকার ক্ষেত্রে দেওয়া হয়।

 

গত ৭ ফেব্রুয়ারি দেশে গণটিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়। তখন বয়সসীমা ছিল ৫৫ বছর। কিন্তু ৮ ফেব্রুয়ারি থেকেই নিবন্ধনের জন্য ৪০ বছর বয়সসীমা নির্ধারণ করে সরকার। এরপর তা আরেক ধাপ কমিয়ে ৩৫ বছর করা হয়। এরপর ১৯ জুলাই থেকে ৩০ বছর বয়সীরাও নিবন্ধন করতে পেরেছেন। সর্বশেষ গত ২৯ জুলাই বয়সসীমা আরও কমিয়ে ২৫ বছর করা হয়। আর এখন তা ১৮ বছর করা হচ্ছে।

 

আরো-ভয়ংকর-হচ্ছে-করোনা

সারাবিশ্বে উদ্বেগ সৃষ্টিকারী করোনা ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের দাপটে বাংলাদেশেও দৈনিক রোগী শনাক্ত ও মৃত্যু বেড়েছে বেশ কয়েকগুণ। আরো উচ্চ মাত্রায় যাচ্ছে করোনা ভয়াল আগস্টের অপেক্ষায় দেশ

 

করোনার ঊর্ধ্বগতির ফলে জুলাইয়ের শুরুতে দেশে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে সরকার। পরে ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে লকডাউন শিথিল করে সরকার। এই সুযোগে ঢাকা ছেড়ে গ্রামে গেছে অসংখ্য মানুষ।

 

প্রাইভেট কার, মাইক্রো, বাসে, লঞ্চে কিংবা ফেরিতে গাদাগাদি করে গ্রামে গিয়েছেন ঈদ উদযাপন করতে। আবার ঈদের পরের কয়েকদিনে কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যেই একইভাবে ঢাকায় ফিরেছে মানুষ।

 

কঠোর বিধিনিষেধ শিথিল ঘোষণার পরেই কোভিড-১৯ বিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সদস্যরা বলছেন, শিথিলতার এ নির্দেশনায় তাদের সায় ছিলো না। সরকারের শিথিল বিধিনিষেধের এ ঘোষণা তাদের পরামর্শের উল্টো চিত্র।

 

এ সময় এ ধরনের শিথিলতা বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ারই শামিল। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছিলো, স্বাস্থ্য অধিদফতর যেখানে বারবার ভিড় এড়িয়ে চলার কথা বলছে, সেখানে সংক্রমণের পিক টাইমে এ ধরনের ঘোষণা আমাদের আরও খারাপ অবস্থায় নিয়ে যাবে।

সে আশঙ্কাকে সত্যি করে দেশে ঈদের পর থেকে দৈনিক রোগী শনাক্ত ও মৃত্যুর একের পর এক রেকর্ড দেখতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। আর এতে করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার করা তালিকায় বিশ্বে এখন যেসব দেশে দৈনিক রোগী শনাক্ত ও মৃত্যু সবচেয়ে বেশি হচ্ছে, সেই তালিকায় অষ্টম অবস্থানে বাংলাদেশ।

 

এদিকে, কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যেই রোববার থেকে পোশাক কারখানা খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে সরকার। ঈদের পরও যেসব পোশাক কর্মী গ্রামে অবস্থান করছিলেন এমন খবরে তারা এরই মধ্যে ঢাকায় আসতে শুরু করেছেন।

 

গণপরিবহন চলাচল বন্ধ থাকায় শ্রমিকরা পিকআপ, ট্রাক ও ইঞ্জিনচালিত ভ্যান ও রিকশায় বাড়ি থেকে রওয়া হয়েছেন। যানবাহন না পেয়ে অনেকে হেঁটে ছুটছেন গন্তব্যের পথে। আবার অনেকে গাড়ি পাওয়ার আশায় বিভিন্ন স্ট্যান্ডে ও সড়কের গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে মোড়ে জড়ো হয়ে অপেক্ষা করছেন দীর্ঘক্ষণ।

 

করোনা সংক্রমণের মারাত্মক ঝুঁকি থাকলেও এসব শ্রমিকের কাছে চাকরি রক্ষা করাটা বেশি প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেছেন তারা।

৫ আগস্টের পরও কি ‘কঠোরতম’ বিধিনিষেধ, না বিকল্প কিছু

বিধিনিষেধে ফেরিতে যাত্রী পারাপার নিষিদ্ধ হলেও যাত্রীরা তা মানছেন না বলে জানিয়েছেন বিআইডব্লিউটিসির আরিচা কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক মো. জিল্লুর রহমান।

একেটিভিকে তিনি বলেন, বিধিনিষেধের আওতাভুক্ত যানবাহন পারাপারে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে মাত্র ছয়টি ফেরি চালু রাখা হয়েছে। জরুরি পরিষেবায় নিয়োজিত যানবাহন পারাপারের সময় যাত্রীরা ফেরিতে ওঠে পড়েন। চেষ্টা করেও তাদের ফেরি থেকে নামানো যাচ্ছে না।

অন্যদিকে, সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় চলমান কঠোর লকডাউন আরও বাড়াতে চেয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশিদ আলম একেটিভিকে জানিয়েছেন, তারা চান লকডাউন কন্টিনিউ হোক।

 

করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় সুপারিশ

যদিও এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। চলমান করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় আমাদের সুপারিশ এটা কনটিনিউ করার। কেবল অতি জরুরি সেবা ছাড়া যেভাবেই হোক সবকিছু সীমিত রাখতে হবে। এগুলো মনিটর করতে হবে। সব খুলে দিলে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাবে, অবশ্যই বেড়ে যাবে।

 

গত ২৫ জুলাই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় কনভেনশন সেন্টারে ফিল্ড হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক সাংবাদিকদের বলেন, যেভাবে রোগী বাড়ছে, হাসপাতালে বেড সংকট দেখা দিতে পারে।

 

ইতোমধ্যে ৮০ শতাংশ বেড রোগীতে ভর্তি হয়ে গেছে। দেশে ঈদুল আজহার ছুটিতে গ্রামে যাওয়া আসার কারণে নভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণ বেড়েছে পাঁচ থেকে ছয় গুণ। এছাড়া শহরের হাসপাতালে ভর্তি করোনা রোগীর ৭৫ শতাংশই গ্রাম থেকে আসা।

 

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ আবারও বাড়তে শুরু করেছে। যেভাবে রোগী বাড়ছে তাতে হাসপাতালের বেড সংকট দেখা দিতে পারে। ইতোমধ্যে ৮০ শতাংশ বেড রোগীতে ভর্তি হয়ে গেছে বলেও জানান তিনি।

 

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এর আগে বলেছিলেন, ঈদের সময়ের শিথিল লকডাউনের প্রভাব দেখা যাবে আরও দুই সপ্তাহ পর। এখন যে সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি এবং মৃত্যু সংখ্যা দেখা যাচ্ছে সেটা আগের শিথিল লকডাউনের প্রভাব।

 

সংক্রমণের এই ঊর্ধ্বগতির জন্য মানুষের স্বাস্থ্যবিধি না মানার সঙ্গে সঙ্গে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টকেও দায়ী করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

কেবল বাংলাদেশ নয়, বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের ঊর্ধ্বগতির জন্য প্রধানতম কারণ হিসেবে মনে করা হচ্ছে ডেল্টা

ভ্যারিয়েন্টকে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, গত বছরের শেষ দিকে যুক্তরাজ্যে প্রথম শনাক্ত হয় করোনার আলফা ধরন।

এই ধরনকে অতি সংক্রামক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ভারতে করোনার ডেলটা ধরন শনাক্তের পর তা দ্রুত দেশটিতে ছড়িয়ে পড়ে।

 

ব্রিটেনে করোনাভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্স উদ্যোগের প্রধান মাইক্রোবায়োলজিস্ট শ্যারক পিকক বলেন, এই মুহূর্তে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ঝুঁকি ডেল্টা।

Loading...