Ultimate magazine theme for WordPress.

২৩৩-এ থেমে গেল টাইগারদের প্রথম ইনিংস

শুরুতেই বড় ধাক্কা আর কাটিয়ে উঠা হলো না বাংলাদেশের। টপ অর্ডার, মিডল অর্ডার ব্যর্থ হওয়ার পরও খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে এগোনো টাইগারদের ইনিংস থেমেছে ২৩৩ রানে। বোলার তাইজুল ইসলামকে সঙ্গে নিয়েও শেষ পর্যন্ত ইনিংস বড় করতে পারেননি মোহাম্মদ মিথুন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ১০টায় রাউয়ালপিণ্ডিতে টসে জিতে সফরকারীদের ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান পাকিস্তানের অধিনায়ক আজহার আলী।

ব্যর্থতার বৃত্ত ভাঙার আশা নিয়ে ১৭ বছর পর পাকিস্তানের মাটিতে টেস্ট খেলতে নেমে শুরুতেই দুই অপেনারকে হারিয়ে চাপে পড়েছে বাংলাদেশ। দলীয় ৩ রানের মাথায় অভিষিক্ত সাইফ হাসানকে ফেরান শাহিন শাহ আফ্রিদি। এর ৭ বল পরেই মোহাম্মদ আব্বাসের এলবিডব্লিওর শিকার হন আরেক অভিজ্ঞ অপেনার তামিম ইকবাল।

শুরুতে এমন ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে চেষ্টা করেন মোহাম্মদ মিথুন ও নাজমুল ইসলাম শান্ত। সে চেষ্টাও ব্যর্থ হয় শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে। দলীয় ৬২ রানে তার দ্বিতীয় শিকার হয়ে ফিরে যান মুমিনুল হকও। ৫৯ বলে পাঁচ চারে ৩০ রান করেন টাইগার অধিনায়ক।

এরপর শান্ত ৯৫ রানের মাথায় মোহাম্মদ আব্বাসের এবং ১০৭ রানের মাথায় আফ্রিদির শিকার মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ফিরে গেলে চাপটা দ্বিগুণ হয়ে যায় মোহাম্মদ মিথুন ও লিটন দাসের। সেখান থেকে তারা টেনে তোলার চেষ্টা করেন।

দলীয় দেড় রান পার করে টপ অর্ডার আর মিডল অর্ডারের ব্যর্থতা পূর্ণ করেন লিটন দাস। হারিস সোহেলের এলবিডব্লিওর আবেদন সাড়া দেননি আম্পায়ার। কিন্তু সোহেলের চ্যালেঞ্জে রক্ষা পাননি লিটন। লিটন ফিরেছেন ৩৩ রান করে। এরপরই মিথুনের সঙ্গ দিতে প্যাভিলিয়ন থেকে নেমে পড়েন তাইজুল।

এদিন এই লেগ স্পিনার হয়ে উঠেন ব্যাটসম্যান। মিথুন তাকে সঙ্গে নিয়ে দলীয় স্কোর পার করেন ২০০ ওপর। ২১৪ রানে তাইজুল ব্যক্তিগত ২৪ রান করে ফিরে যান। এক ওভার পরেই শাহিন শাহ আফ্রিদির তৃতীয় শিকার হোন রুবেল। ১৪ ইনিংস খেলা মিথুন নিজের দ্বিতীয় ফিফটি তুলে বেশিক্ষণ টিকে থাকতে পারেননি। তার ফেরার পর বাংলাদেশের ইনিংসও আর বড় হয়নি। ২৩৩-তেই গুটিয়ে যায় টাইগারদের প্রথম ইনিংস।

বাংলাদেশের একাদশ:
তামিম ইকবাল, সাইফ হাসান, নাজমুল হাসান শান্ত, মুমিনুল হক সৌরভ (অধিনায়ক), মোহাম্মদ মিঠুন, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, লিটন দাস (উইকেটরক্ষক), তাইজুল ইসলাম, রুবেল হোসেন, আবু জায়েদ রাহি, ইবাদত হোসেন।

পাকিস্তানের একাদশ:
শান মাসুদ, আবিদ আলী, আহজার আলী (অধিনায়ক), বাবর আজম, হ্যারিস সোহাইল, আসাদ শফিক, মোহাম্মদ রিজওয়ান (উইকেটরক্ষক), ইয়াসির শাহ, মোহাম্মদ আব্বাস, নাসিম শাহ ও শাহিন আফ্রিদি।

Leave A Reply

Your email address will not be published.