Ultimate magazine theme for WordPress.

নাটকীয় সুপার ওভারে চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড

একেই বলে নাটকীয়তা! নির্ধারিত সময় খেলার পর নিউজিল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচটি টাই হয়। তাতে ইতিহাসের প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে সুপার ওভার দেখলো বিশ্ব। মজার ব্যাপার সেই সুপার ওভারও টাই হয়। কিন্তু ম্যাচে বেশি বাউন্ডারি মারায় ম্যাচ জিতে নিলো ইংলিশরা। এতে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা জিতলো ইংল্যান্ড।

সুপার ওভারে প্রথমে ব্যাট করতে আসে ইংল্যান্ড। জস বাটলার ও বেন স্টোকস নামেন ব্যাটিংয়ে। নিউজিল্যান্ডের হয়ে বল করেন ট্রেন্ট বোল্ট। সুপার ওভারে স্কোরবোর্ডে মোট ১৫ রান যোগ করে ইংল্যান্ড।

জবাবে নিউজিল্যান্ডের হয়ে ব্যাট করতে নামেন মার্টিন গাপটিল ও জেমস নিশাম। প্রথমেই ওয়াইড দেন বোলার জোফরা আর্চার। প্রথম বলে নিশামের ব্যাট থেকে আসে ২ রান। দ্বিতীয় বলে দারুণ এক ছক্কা হাঁকান তিনি। তৃতীয় ও চতুর্থ বলে নেন ২ রান করে। শেষ ২ বলে দরকার ৩ রানের। পঞ্চম বলে সিঙ্গেলের বেশি আসেনি। শেষ বলে দরকার ছিল ২ রানের। কিন্তু ১ রানের বেশি নিতে পারেননি গাপটিল। রান আউট হন তিনি। ততক্ষণে জয়ের আনন্দে ফেটে পড়ে পুরো ইংল্যান্ড।

এর আগে রবিবার (১৪ জুলাই) লর্ডসে হালকা বৃষ্টির কারণে ১৫ মিনিট দেরিতে শুরু হওয়া ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামে নিউজিল্যান্ড। তবে ইংলিশ পেসারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৪১ রান তোলে কিউইরা।

শুরুতেই মার্টিন গাপটিলের বিদায়ের পর আরেক ওপেনার হেনরি নিকোলস ও অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন মিলে ৭৪ রানের জুটিতে নিউজিল্যান্ডকে গড়ে দেন বড় সংগ্রহের ভিত। কিন্তু বাকি ব্যাটসম্যানরা কাজে লাগাতে পারেননি সুযোগ। পাঁচে নামা টম ল্যাথামের কল্যাণে আড়াইশোর কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে নিউজিল্যান্ড।

নিকোলস ৫৫, ল্যাথাম ৪৭ ও উইলিয়ামসন ৩০ রান করেন।

ইংল্যান্ডের পক্ষে ওকস ও প্লাঙ্কেট তিনটি করে উইকেট নেন। একটি করে উইকেট দখল করেন মার্ক উড ও জোফরা আর্চার।

লক্ষ্য তাড়ায় ২৪তম ওভারে দলীয় ৮৬ রানের মধ্যে ৪ উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। দলকে চাপে ফেলে একে একে বিদায় নেন জেসন রয়, জো রুট, জনি বেয়ারস্টো ও অধিনায়ক ইয়ন মরগান।

এরপর জুটি বাঁধেন বেন স্টোকস ও জস বাটলার। পঞ্চম উইকেটে তারা যোগ করেন ১৩০ বলে ১১০ রান। দুজনেই তুলে নেন হাফসেঞ্চুরি। বাটলার ৫৯ রানে সাজঘরে ফিরেন।

একপ্রান্ত আগলে থাকা স্টোকসকে সঙ্গ দিতে পারেননি ক্রিস ওকসও। ফার্গুসনের বলে ফিরেন তিনি।

জিমি নিশামের করা ৪৯তম ওভারের তৃতীয় বলে ফিরে যান লিয়াম প্লাঙ্কেট। ওভারের শেষ বলে আবার উল্লাস নিশামের। বোল্ড হন জোফরা আর্চার।

তবে নাটকের শেষ অঙ্কটা মঞ্চায়ন হয় ম্যাচের শেষ ওভারে। স্টোকসের একক নৈপুণ্যে পুরো ৫০ ওভার খেলে ইংল্যান্ড অলআউট হয় ২৪১ রানেই। স্টোকস অপরাজিত থাকেন ৯৮ বলে ৮৪ রানে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.