Ultimate magazine theme for WordPress.

নতুন মাইলফলকের সামনে রোনালদো!

স্পালের বিপক্ষে আজ রাতে লিগ ম্যাচে মাঠে নামবে জুভেন্টাস। অবাক করার মতো কিছু না ঘটলে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো খেলবেন এই ম্যাচে। জুভদের হয়ে মাঠে নামলেই সর্বোচ্চ পর্যায়ে এক হাজার ম্যাচ খেলার মাইলফলক স্পর্শ করবেন পর্তুগিজ যুবরাজ। ঢুকে যাবেন সর্বোচ্চ পর্যায়ে এক হাজার ম্যাচ খেলাদের তালিকায়।

সর্বোচ্চ পর্যায়ের ফুটবলে রোনালদোর পথচলা প্রায় ২০ বছরের। নিজ দেশের ক্লাব স্পোর্টিং লিসবন দিয়ে শুরু করেছিলেন তিনি। এরপর ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ, লা লিগার পর ইতালিয়ান সিরি আ‘তে মাঠ মাতাচ্ছেন তিনি। ক্লাব ক্যারিয়ারে তিনি খেলেছেন ৮৩৫ ম্যাচ। জাতীয় দলের হয়ে রোনালদো মাঠে নেমেছেন ১৬৪ ম্যাচে।

২০০২ মৌসুমে ক্যারিয়ার শুরু করা রোনালদো নিজ দেশের ক্লাব স্পোর্টিং লিসবনের হয়ে খেলেছেন ৩১ ম্যাচ। তার আগে স্পোর্টিং লিসবন সিপি বি দলের হয়ে দুই ম্যাচ খেলেছেন তিনি। এরপর প্রিমিয়ার লিগে তিনি কাটিয়েছেন ছয় বছর। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে খেলেছেন ২৯২ ম্যাচ। লা লিগায় সবচেয়ে বেশি সময় পার করেছেন সিআরসেভেন। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে সাফল্যের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছেন তিনি। রিয়ালের হয়ে খেলেছেন ৪৩৮ ম্যাচ। আর জুভদের হয়ে তিনি খেলেছেন ৭২ ম্যাচে।

রোনালদো তার মোট ম্যাচের মধ্যে ১৬৮বার চ্যাম্পিয়নস লিগ খেলতে নেমেছেন। কোপা দেল রেতে ৩০ ম্যাচ এবং ২৬ ম্যাচ খেলেছেন এফএ কাপে। এছাড়া আটটি ক্লাব বিশ্বকাপ ও সাতটি সুপার কোপা খেলেছেন তিনি। রোনালদো অবশ্য বয়সভিত্তিকের ৩৪ ম্যাচ ধরলে আগেই এক হাজারের মাইলফলক ছাড়িয়ে গেছেন। তবে বয়সভিত্তিকের ওই ৩৪ ম্যাচ সর্বোচ্চ পর্যায়ের ম্যাচ হিসেবে স্বীকৃত না।

তবে বয়সভিত্তিক এবং সর্বোচ্চ পর্যায় মিলিয়ে ম্যাচ খেলার দিক থেকে ২০তম অবস্থানে আছেন রোনালদো। সব মিলিয়ে ইংল্যান্ডের পিটার শেলটনের অধীনে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার রেকর্ড। তার পরে আছেন ব্রাজিলের রজারিও কেনি এবং রর্বাতো কার্লোস। এছাড়া ইকার ক্যাসিয়াস, জিয়ানলুইজি বুফন, ফ্রাঙ্ক ল্যাম্পার্ড, পাওলো মালদিনি, রায়ান গিগসরা হাজারের মাইলফলক ছুঁয়েছেন।

Leave A Reply

Your email address will not be published.