কর্মস্থলে না গেলে চাকরি থাকবে না—শঙ্কায় ভ্যান-রিকশায় ছুটছেন তাঁরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

গণপরিবহন বন্ধ থাকায় ভ্যান, রিকশা ও বিভিন্ন ছোট যানবাহনে করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ছুটে যাচ্ছেন কর্মজীবী মানুষ। পোশাক কারখানা খোলার খবর পেয়ে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে কর্মক্ষেত্রে যেতে হচ্ছে তাঁদের। এতে পোহাতে হচ্ছে চরম ভোগান্তি।

রাজবাড়ী শহরের নতুনবাজার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কাল রোববার থেকে পোশাক কারখানা খুলে দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। শ্রমিকদের মুঠোফোনে খুদে বার্তা পাঠানো হয়েছে। কাউকে কাউকে জানানো হয়েছে ফোন করে।

এনআইডি ছাড়া যেভাবে টিকা পাওয়া যেতে পারে

সময়মতো কর্মস্থলে পৌঁছাতে না পারলে চাকরিতে সমস্যা হবে। চাকরি চলে যাওয়ারও আশঙ্কা রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে তাঁরা বাধ্য হয়ে কর্মস্থলে ছুটছেন। গণপরিবহন না থাকায় ভ্যান, রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ট্রাক, মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেলে করে তাঁরা গন্তব্যে যাচ্ছেন।

ঝিনাইদহের বাসিন্দা আল আমিন বলেন, ভোর সাড়ে পাঁচটায় তিনি বাড়ি থেকে বের হয়েছেন। রাজবাড়ী পৌঁছাতে সময় লেগেছে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা। ভেঙে ভেঙে আসতে হয়েছে। রাজবাড়ী আসতে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৮০০ টাকা। অথচ স্বাভাবিক সময়ে ৪০০-৫০০ টাকায় ঢাকা যাওয়া যায়।

রাশেদা পারভীন কুষ্টিয়া থেকে গাজীপুর যাচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘কারখানা খুলে দিয়েছে। আমরা কী করব ভাই। দায়িত্বশীলদের যেতে বলেছে। সরকার কেন এমন ঘোষণা দিল, বুঝতে পারলাম না। কর্মক্ষেত্রে যেভাবেই হোক আমাদের পৌঁছাতে হবে। আমার সঙ্গে আরও কয়েকজন আছে। আমার সঙ্গে ছোট এক বাচ্চাও আছে।’

মো. আবদুর রাজ্জাক বলেন, তাঁর বাড়ি পাংশার সাতরা এলাকায়। তিনি ঢাকায় রিকশা চালান। অনেক দিন বাড়িতে বসে আছেন। হাতের টাকাপয়সা শেষ হয়ে গেছে। বাড়িতে এখন বড় অভাব। এ কারণে তিনি ঢাকার পথে রওনা হয়েছেন। বাড়ি থেকে রাজবাড়ী পর্যন্ত ভ্যানে এসেছেন। বাকি রাস্তায় কীভাবে যাবেন বুঝতে পারছেন না।

কর্মস্থলে

নারায়ণগঞ্জ একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন কুষ্টিয়ার খোকসার বাসিন্দা ফজের আলী বিশ্বাস। কাল থেকে তাঁর কারখানা চালু। তাই ঢাকা যেতেই হবে। ভ্যানে খোকসা থেকে পাংশা এবং পাংশা থেকে রাজবাড়ী এসেছেন। ভাড়া দিতে হয়েছে মোট ২০০ টাকা।

পাংশা থেকে রাজবাড়ীর ভ্যানভাড়া নেওয়া হচ্ছে জনপ্রতি ১০০ টাকা। রাজবাড়ী থেকে দৌলতদিয়া ফেরিঘাট ১০০ টাকা ভাড়া। রাজবাড়ী থেকে দৌলতদিয়া বা ফরিদপুর মোটরসাইকেলেও যাতায়াত করা যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে জনপ্রতি ২০০ থেকে ৪০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। ছোট ট্রাক ও মাইক্রোবাসে ঢাকার পথে রওনা দিয়েছেন অনেকে। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর গাড়ি টহল দিতে দেখা গেছে।

 

যে যেভাবে পারছে ছুটছে মানুষ কর্মস্থলের দিকে

এদিকে রাজবাড়ী জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৯টি নমুনা পরীক্ষায় ৩৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ৪৬ দশমিক ৮৩ শতাংশ। এ নিয়ে জেলায় এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়াল ৮ হাজার ৪৩০। তাঁদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৬ হাজার ৬৫২ জন।

গণপরিবহন বন্ধ থাকায় ভ্যান, রিকশা ও বিভিন্ন ছোট যানবাহনে করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ছুটে যাচ্ছেন কর্মজীবী মানুষ। পোশাক কারখানা খোলার খবর পেয়ে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে কর্মক্ষেত্রে যেতে হচ্ছে তাঁদের। এতে পোহাতে হচ্ছে চরম ভোগান্তি।

রাজবাড়ী শহরের নতুনবাজার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কাল রোববার থেকে পোশাক কারখানা খুলে দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। শ্রমিকদের মুঠোফোনে খুদে বার্তা পাঠানো হয়েছে। কাউকে কাউকে জানানো হয়েছে ফোন করে।

এনআইডি ছাড়া যেভাবে টিকা পাওয়া যেতে পারে

সময়মতো কর্মস্থলে পৌঁছাতে না পারলে চাকরিতে সমস্যা হবে। চাকরি চলে যাওয়ারও আশঙ্কা রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে তাঁরা বাধ্য হয়ে কর্মস্থলে ছুটছেন। গণপরিবহন না থাকায় ভ্যান, রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ট্রাক, মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেলে করে তাঁরা গন্তব্যে যাচ্ছেন।

ঝিনাইদহের বাসিন্দা আল আমিন বলেন, ভোর সাড়ে পাঁচটায় তিনি বাড়ি থেকে বের হয়েছেন। রাজবাড়ী পৌঁছাতে সময় লেগেছে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা। ভেঙে ভেঙে আসতে হয়েছে। রাজবাড়ী আসতে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৮০০ টাকা। অথচ স্বাভাবিক সময়ে ৪০০-৫০০ টাকায় ঢাকা যাওয়া যায়।

রাশেদা পারভীন কুষ্টিয়া থেকে গাজীপুর যাচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘কারখানা খুলে দিয়েছে। আমরা কী করব ভাই। দায়িত্বশীলদের যেতে বলেছে। সরকার কেন এমন ঘোষণা দিল, বুঝতে পারলাম না। কর্মক্ষেত্রে যেভাবেই হোক আমাদের পৌঁছাতে হবে। আমার সঙ্গে আরও কয়েকজন আছে। আমার সঙ্গে ছোট এক বাচ্চাও আছে।’

মো. আবদুর রাজ্জাক বলেন, তাঁর বাড়ি পাংশার সাতরা এলাকায়। তিনি ঢাকায় রিকশা চালান। অনেক দিন বাড়িতে বসে আছেন। হাতের টাকাপয়সা শেষ হয়ে গেছে। বাড়িতে এখন বড় অভাব। এ কারণে তিনি ঢাকার পথে রওনা হয়েছেন। বাড়ি থেকে রাজবাড়ী পর্যন্ত ভ্যানে এসেছেন। বাকি রাস্তায় কীভাবে যাবেন বুঝতে পারছেন না।

কর্মস্থলে

নারায়ণগঞ্জ একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন কুষ্টিয়ার খোকসার বাসিন্দা ফজের আলী বিশ্বাস। কাল থেকে তাঁর কারখানা চালু। তাই ঢাকা যেতেই হবে। ভ্যানে খোকসা থেকে পাংশা এবং পাংশা থেকে রাজবাড়ী এসেছেন। ভাড়া দিতে হয়েছে মোট ২০০ টাকা।

পাংশা থেকে রাজবাড়ীর ভ্যানভাড়া নেওয়া হচ্ছে জনপ্রতি ১০০ টাকা। রাজবাড়ী থেকে দৌলতদিয়া ফেরিঘাট ১০০ টাকা ভাড়া। রাজবাড়ী থেকে দৌলতদিয়া বা ফরিদপুর মোটরসাইকেলেও যাতায়াত করা যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে জনপ্রতি ২০০ থেকে ৪০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। ছোট ট্রাক ও মাইক্রোবাসে ঢাকার পথে রওনা দিয়েছেন অনেকে। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর গাড়ি টহল দিতে দেখা গেছে।

যে যেভাবে পারছে ছুটছে মানুষ কর্মস্থলের দিকে

এদিকে রাজবাড়ী জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৯টি নমুনা পরীক্ষায় ৩৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ৪৬ দশমিক ৮৩ শতাংশ। এ নিয়ে জেলায় এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়াল ৮ হাজার ৪৩০। তাঁদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৬ হাজার ৬৫২ জন।

গণপরিবহন বন্ধ থাকায় ভ্যান, রিকশা ও বিভিন্ন ছোট যানবাহনে করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ছুটে যাচ্ছেন কর্মজীবী মানুষ। পোশাক কারখানা খোলার খবর পেয়ে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে কর্মক্ষেত্রে যেতে হচ্ছে তাঁদের। এতে পোহাতে হচ্ছে চরম ভোগান্তি।

রাজবাড়ী শহরের নতুনবাজার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কাল রোববার থেকে পোশাক কারখানা খুলে দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। শ্রমিকদের মুঠোফোনে খুদে বার্তা পাঠানো হয়েছে। কাউকে কাউকে জানানো হয়েছে ফোন করে।

এনআইডি ছাড়া যেভাবে টিকা পাওয়া যেতে পারে

সময়মতো কর্মস্থলে পৌঁছাতে না পারলে চাকরিতে সমস্যা হবে। চাকরি চলে যাওয়ারও আশঙ্কা রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে তাঁরা বাধ্য হয়ে কর্মস্থলে ছুটছেন। গণপরিবহন না থাকায় ভ্যান, রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ট্রাক, মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেলে করে তাঁরা গন্তব্যে যাচ্ছেন।

ঝিনাইদহের বাসিন্দা আল আমিন বলেন, ভোর সাড়ে পাঁচটায় তিনি বাড়ি থেকে বের হয়েছেন। রাজবাড়ী পৌঁছাতে সময় লেগেছে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা। ভেঙে ভেঙে আসতে হয়েছে। রাজবাড়ী আসতে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৮০০ টাকা। অথচ স্বাভাবিক সময়ে ৪০০-৫০০ টাকায় ঢাকা যাওয়া যায়।

রাশেদা পারভীন কুষ্টিয়া থেকে গাজীপুর যাচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘কারখানা খুলে দিয়েছে। আমরা কী করব ভাই। দায়িত্বশীলদের যেতে বলেছে। সরকার কেন এমন ঘোষণা দিল, বুঝতে পারলাম না। কর্মক্ষেত্রে যেভাবেই হোক আমাদের পৌঁছাতে হবে। আমার সঙ্গে আরও কয়েকজন আছে। আমার সঙ্গে ছোট এক বাচ্চাও আছে।’

মো. আবদুর রাজ্জাক বলেন, তাঁর বাড়ি পাংশার সাতরা এলাকায়। তিনি ঢাকায় রিকশা চালান। অনেক দিন বাড়িতে বসে আছেন। হাতের টাকাপয়সা শেষ হয়ে গেছে। বাড়িতে এখন বড় অভাব। এ কারণে তিনি ঢাকার পথে রওনা হয়েছেন। বাড়ি থেকে রাজবাড়ী পর্যন্ত ভ্যানে এসেছেন। বাকি রাস্তায় কীভাবে যাবেন বুঝতে পারছেন না।

কর্মস্থলে

নারায়ণগঞ্জ একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন কুষ্টিয়ার খোকসার বাসিন্দা ফজের আলী বিশ্বাস। কাল থেকে তাঁর কারখানা চালু। তাই ঢাকা যেতেই হবে। ভ্যানে খোকসা থেকে পাংশা এবং পাংশা থেকে রাজবাড়ী এসেছেন। ভাড়া দিতে হয়েছে মোট ২০০ টাকা।

পাংশা থেকে রাজবাড়ীর ভ্যানভাড়া নেওয়া হচ্ছে জনপ্রতি ১০০ টাকা। রাজবাড়ী থেকে দৌলতদিয়া ফেরিঘাট ১০০ টাকা ভাড়া। রাজবাড়ী থেকে দৌলতদিয়া বা ফরিদপুর মোটরসাইকেলেও যাতায়াত করা যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে জনপ্রতি ২০০ থেকে ৪০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। ছোট ট্রাক ও মাইক্রোবাসে ঢাকার পথে রওনা দিয়েছেন অনেকে। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর গাড়ি টহল দিতে দেখা গেছে।

যে যেভাবে পারছে ছুটছে মানুষ কর্মস্থলের দিকে

এদিকে রাজবাড়ী জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৯টি নমুনা পরীক্ষায় ৩৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ৪৬ দশমিক ৮৩ শতাংশ। এ নিয়ে জেলায় এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়াল ৮ হাজার ৪৩০। তাঁদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৬ হাজার ৬৫২ জন।

গণপরিবহন বন্ধ থাকায় ভ্যান, রিকশা ও বিভিন্ন ছোট যানবাহনে করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ছুটে যাচ্ছেন কর্মজীবী মানুষ। পোশাক কারখানা খোলার খবর পেয়ে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে কর্মক্ষেত্রে যেতে হচ্ছে তাঁদের। এতে পোহাতে হচ্ছে চরম ভোগান্তি।

রাজবাড়ী শহরের নতুনবাজার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কাল রোববার থেকে পোশাক কারখানা খুলে দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। শ্রমিকদের মুঠোফোনে খুদে বার্তা পাঠানো হয়েছে। কাউকে কাউকে জানানো হয়েছে ফোন করে।

এনআইডি ছাড়া যেভাবে টিকা পাওয়া যেতে পারে

সময়মতো কর্মস্থলে পৌঁছাতে না পারলে চাকরিতে সমস্যা হবে। চাকরি চলে যাওয়ারও আশঙ্কা রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে তাঁরা বাধ্য হয়ে কর্মস্থলে ছুটছেন। গণপরিবহন না থাকায় ভ্যান, রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ট্রাক, মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেলে করে তাঁরা গন্তব্যে যাচ্ছেন।

ঝিনাইদহের বাসিন্দা আল আমিন বলেন, ভোর সাড়ে পাঁচটায় তিনি বাড়ি থেকে বের হয়েছেন। রাজবাড়ী পৌঁছাতে সময় লেগেছে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা। ভেঙে ভেঙে আসতে হয়েছে। রাজবাড়ী আসতে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৮০০ টাকা। অথচ স্বাভাবিক সময়ে ৪০০-৫০০ টাকায় ঢাকা যাওয়া যায়।

রাশেদা পারভীন কুষ্টিয়া থেকে গাজীপুর যাচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘কারখানা খুলে দিয়েছে। আমরা কী করব ভাই। দায়িত্বশীলদের যেতে বলেছে। সরকার কেন এমন ঘোষণা দিল, বুঝতে পারলাম না। কর্মক্ষেত্রে যেভাবেই হোক আমাদের পৌঁছাতে হবে। আমার সঙ্গে আরও কয়েকজন আছে। আমার সঙ্গে ছোট এক বাচ্চাও আছে।’

মো. আবদুর রাজ্জাক বলেন, তাঁর বাড়ি পাংশার সাতরা এলাকায়। তিনি ঢাকায় রিকশা চালান। অনেক দিন বাড়িতে বসে আছেন। হাতের টাকাপয়সা শেষ হয়ে গেছে। বাড়িতে এখন বড় অভাব। এ কারণে তিনি ঢাকার পথে রওনা হয়েছেন। বাড়ি থেকে রাজবাড়ী পর্যন্ত ভ্যানে এসেছেন। বাকি রাস্তায় কীভাবে যাবেন বুঝতে পারছেন না।

কর্মস্থলে

নারায়ণগঞ্জ একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন কুষ্টিয়ার খোকসার বাসিন্দা ফজের আলী বিশ্বাস। কাল থেকে তাঁর কারখানা চালু। তাই ঢাকা যেতেই হবে। ভ্যানে খোকসা থেকে পাংশা এবং পাংশা থেকে রাজবাড়ী এসেছেন। ভাড়া দিতে হয়েছে মোট ২০০ টাকা।

পাংশা থেকে রাজবাড়ীর ভ্যানভাড়া নেওয়া হচ্ছে জনপ্রতি ১০০ টাকা। রাজবাড়ী থেকে দৌলতদিয়া ফেরিঘাট ১০০ টাকা ভাড়া। রাজবাড়ী থেকে দৌলতদিয়া বা ফরিদপুর মোটরসাইকেলেও যাতায়াত করা যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে জনপ্রতি ২০০ থেকে ৪০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। ছোট ট্রাক ও মাইক্রোবাসে ঢাকার পথে রওনা দিয়েছেন অনেকে। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর গাড়ি টহল দিতে দেখা গেছে।

যে যেভাবে পারছে ছুটছে মানুষ কর্মস্থলের দিকে

এদিকে রাজবাড়ী জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৯টি নমুনা পরীক্ষায় ৩৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ৪৬ দশমিক ৮৩ শতাংশ। এ নিয়ে জেলায় এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়াল ৮ হাজার ৪৩০। তাঁদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৬ হাজার ৬৫২ জন।

গণপরিবহন বন্ধ থাকায় ভ্যান, রিকশা ও বিভিন্ন ছোট যানবাহনে করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ছুটে যাচ্ছেন কর্মজীবী মানুষ। পোশাক কারখানা খোলার খবর পেয়ে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে কর্মক্ষেত্রে যেতে হচ্ছে তাঁদের। এতে পোহাতে হচ্ছে চরম ভোগান্তি।

রাজবাড়ী শহরের নতুনবাজার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কাল রোববার থেকে পোশাক কারখানা খুলে দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। শ্রমিকদের মুঠোফোনে খুদে বার্তা পাঠানো হয়েছে। কাউকে কাউকে জানানো হয়েছে ফোন করে।

এনআইডি ছাড়া যেভাবে টিকা পাওয়া যেতে পারে

সময়মতো কর্মস্থলে পৌঁছাতে না পারলে চাকরিতে সমস্যা হবে। চাকরি চলে যাওয়ারও আশঙ্কা রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে তাঁরা বাধ্য হয়ে কর্মস্থলে ছুটছেন। গণপরিবহন না থাকায় ভ্যান, রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ট্রাক, মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেলে করে তাঁরা গন্তব্যে যাচ্ছেন।

ঝিনাইদহের বাসিন্দা আল আমিন বলেন, ভোর সাড়ে পাঁচটায় তিনি বাড়ি থেকে বের হয়েছেন। রাজবাড়ী পৌঁছাতে সময় লেগেছে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা। ভেঙে ভেঙে আসতে হয়েছে। রাজবাড়ী আসতে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৮০০ টাকা। অথচ স্বাভাবিক সময়ে ৪০০-৫০০ টাকায় ঢাকা যাওয়া যায়।

রাশেদা পারভীন কুষ্টিয়া থেকে গাজীপুর যাচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘কারখানা খুলে দিয়েছে। আমরা কী করব ভাই। দায়িত্বশীলদের যেতে বলেছে। সরকার কেন এমন ঘোষণা দিল, বুঝতে পারলাম না। কর্মক্ষেত্রে যেভাবেই হোক আমাদের পৌঁছাতে হবে। আমার সঙ্গে আরও কয়েকজন আছে। আমার সঙ্গে ছোট এক বাচ্চাও আছে।’

মো. আবদুর রাজ্জাক বলেন, তাঁর বাড়ি পাংশার সাতরা এলাকায়। তিনি ঢাকায় রিকশা চালান। অনেক দিন বাড়িতে বসে আছেন। হাতের টাকাপয়সা শেষ হয়ে গেছে। বাড়িতে এখন বড় অভাব। এ কারণে তিনি ঢাকার পথে রওনা হয়েছেন। বাড়ি থেকে রাজবাড়ী পর্যন্ত ভ্যানে এসেছেন। বাকি রাস্তায় কীভাবে যাবেন বুঝতে পারছেন না।

কর্মস্থলে

নারায়ণগঞ্জ একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন কুষ্টিয়ার খোকসার বাসিন্দা ফজের আলী বিশ্বাস। কাল থেকে তাঁর কারখানা চালু। তাই ঢাকা যেতেই হবে। ভ্যানে খোকসা থেকে পাংশা এবং পাংশা থেকে রাজবাড়ী এসেছেন। ভাড়া দিতে হয়েছে মোট ২০০ টাকা।

পাংশা থেকে রাজবাড়ীর ভ্যানভাড়া নেওয়া হচ্ছে জনপ্রতি ১০০ টাকা। রাজবাড়ী থেকে দৌলতদিয়া ফেরিঘাট ১০০ টাকা ভাড়া। রাজবাড়ী থেকে দৌলতদিয়া বা ফরিদপুর মোটরসাইকেলেও যাতায়াত করা যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে জনপ্রতি ২০০ থেকে ৪০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। ছোট ট্রাক ও মাইক্রোবাসে ঢাকার পথে রওনা দিয়েছেন অনেকে। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর গাড়ি টহল দিতে দেখা গেছে।

যে যেভাবে পারছে ছুটছে মানুষ কর্মস্থলের দিকে

এদিকে রাজবাড়ী জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৯টি নমুনা পরীক্ষায় ৩৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ৪৬ দশমিক ৮৩ শতাংশ। এ নিয়ে জেলায় এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়াল ৮ হাজার ৪৩০। তাঁদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৬ হাজার ৬৫২ জন।

গণপরিবহন বন্ধ থাকায় ভ্যান, রিকশা ও বিভিন্ন ছোট যানবাহনে করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ছুটে যাচ্ছেন কর্মজীবী মানুষ। পোশাক কারখানা খোলার খবর পেয়ে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে কর্মক্ষেত্রে যেতে হচ্ছে তাঁদের। এতে পোহাতে হচ্ছে চরম ভোগান্তি।

রাজবাড়ী শহরের নতুনবাজার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কাল রোববার থেকে পোশাক কারখানা খুলে দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। শ্রমিকদের মুঠোফোনে খুদে বার্তা পাঠানো হয়েছে। কাউকে কাউকে জানানো হয়েছে ফোন করে।

এনআইডি ছাড়া যেভাবে টিকা পাওয়া যেতে পারে

সময়মতো কর্মস্থলে পৌঁছাতে না পারলে চাকরিতে সমস্যা হবে। চাকরি চলে যাওয়ারও আশঙ্কা রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে তাঁরা বাধ্য হয়ে কর্মস্থলে ছুটছেন। গণপরিবহন না থাকায় ভ্যান, রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ট্রাক, মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেলে করে তাঁরা গন্তব্যে যাচ্ছেন।

ঝিনাইদহের বাসিন্দা আল আমিন বলেন, ভোর সাড়ে পাঁচটায় তিনি বাড়ি থেকে বের হয়েছেন। রাজবাড়ী পৌঁছাতে সময় লেগেছে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা। ভেঙে ভেঙে আসতে হয়েছে। রাজবাড়ী আসতে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৮০০ টাকা। অথচ স্বাভাবিক সময়ে ৪০০-৫০০ টাকায় ঢাকা যাওয়া যায়।

রাশেদা পারভীন কুষ্টিয়া থেকে গাজীপুর যাচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘কারখানা খুলে দিয়েছে। আমরা কী করব ভাই। দায়িত্বশীলদের যেতে বলেছে। সরকার কেন এমন ঘোষণা দিল, বুঝতে পারলাম না। কর্মক্ষেত্রে যেভাবেই হোক আমাদের পৌঁছাতে হবে। আমার সঙ্গে আরও কয়েকজন আছে। আমার সঙ্গে ছোট এক বাচ্চাও আছে।’

মো. আবদুর রাজ্জাক বলেন, তাঁর বাড়ি পাংশার সাতরা এলাকায়। তিনি ঢাকায় রিকশা চালান। অনেক দিন বাড়িতে বসে আছেন। হাতের টাকাপয়সা শেষ হয়ে গেছে। বাড়িতে এখন বড় অভাব। এ কারণে তিনি ঢাকার পথে রওনা হয়েছেন। বাড়ি থেকে রাজবাড়ী পর্যন্ত ভ্যানে এসেছেন। বাকি রাস্তায় কীভাবে যাবেন বুঝতে পারছেন না।

কর্মস্থলে

নারায়ণগঞ্জ একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন কুষ্টিয়ার খোকসার বাসিন্দা ফজের আলী বিশ্বাস। কাল থেকে তাঁর কারখানা চালু। তাই ঢাকা যেতেই হবে। ভ্যানে খোকসা থেকে পাংশা এবং পাংশা থেকে রাজবাড়ী এসেছেন। ভাড়া দিতে হয়েছে মোট ২০০ টাকা।

পাংশা থেকে রাজবাড়ীর ভ্যানভাড়া নেওয়া হচ্ছে জনপ্রতি ১০০ টাকা। রাজবাড়ী থেকে দৌলতদিয়া ফেরিঘাট ১০০ টাকা ভাড়া। রাজবাড়ী থেকে দৌলতদিয়া বা ফরিদপুর মোটরসাইকেলেও যাতায়াত করা যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে জনপ্রতি ২০০ থেকে ৪০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। ছোট ট্রাক ও মাইক্রোবাসে ঢাকার পথে রওনা দিয়েছেন অনেকে। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর গাড়ি টহল দিতে দেখা গেছে।

যে যেভাবে পারছে ছুটছে মানুষ কর্মস্থলের দিকে

এদিকে রাজবাড়ী জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৯টি নমুনা পরীক্ষায় ৩৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ৪৬ দশমিক ৮৩ শতাংশ। এ নিয়ে জেলায় এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়াল ৮ হাজার ৪৩০। তাঁদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৬ হাজার ৬৫২ জন।

 

Loading...