এরা শিক্ষক নামের কলঙ্ক: মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ কামরুন নাহারের সঙ্গে এক অভিভাবকের ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভাইরাল হওয়া ওই ফোনালাপে অনেক কথার মধ্যে কিছু অশ্লীল কথাও রয়েছে। ‘বালিশের নিচে পিস্তল রাখার’ কথাও রয়েছে ওই ফোনালাপে। দুই দিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা–সমালোচনা চলছে।

অধ্যক্ষ কামরুন নাহার আজ একেটিভির কাছে দাবি করেন, ফোনালাপের কথাগুলো তাঁর নয়। যাঁরা অবৈধ ও অনৈতিক সুবিধা চেয়েও পাননি, তাঁরাই এসব ষড়যন্ত্র করছেন। তিনি মনে করছেন, ‘এডিট’ করে এটি করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ভিকারুননিসা নূন স্কুল এবং কলেজ দেশের অন্যতম সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানে অতীতে স্বনামধন্য, যোগ্য শিক্ষকেরাই দায়িত্ব পালন এবং দেশের অন্যতম সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছেন। কিন্তু দুর্ভাগ্য, বর্তমান সরকারের আমলে শুরু থেকেই ক্রমাগত নির্লজ্জ দলীয়করণ, ভর্তি–বাণিজ্য, অনিয়ম, দুর্নীতি ইত্যাদির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের মান-মর্যাদা ধূলিসাৎ করে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

বর্তমান দলবাজ সরকার দলীয় আধিপত্য বজায় রাখতে ‘লেডি সন্ত্রাসী’ বসিয়ে এই স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করতে চায় বলে দাবি করেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, যিনি কথায় কথায় ক্ষমতার দাপটে অস্ত্র ও লীগ নামধারী সন্ত্রাসী বাহিনীর হুমকি দেয়, প্রকাশের অনুপযোগী অশ্রাব্য-অশালীন ভাষা ব্যবহার করেন, তাঁর হাতে শিক্ষা, শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্রী, অভিভাবকসহ কেউই নিরাপদ নয়।

মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, দেশের প্রায় সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেরই একই অবস্থা।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দলীয় অনুগত, এমনকি নৈতিক স্খলন ও দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের উপাচার্য বা শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়ে শিক্ষার মর্যাদা ও শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস করা হচ্ছে।

বিবৃতিতে অবিলম্বে ভিকারুননিসা নূন স্কুল এবং কলেজের অধ্যক্ষকে অপসারণ করে আদর্শবান, সৎ ও নির্দলীয় শিক্ষককে নিয়োগ দেওয়ার আহ্বান জানান বিএনপি মহাসচিব।

Loading...