এফবিআইয়ের সার্ভার থেকে এক লাখ ভুয়া ইমেইল পাঠিয়েছে হ্যাকাররা

এফবিআই সার্ভার থেকে এক লাখ ভুয়া ই-মেইল পাঠিয়েছে হ্যাকাররা

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের FEDERAL BUREAU OF INVESTIGATION (FBI) এর সার্ভার থেকে অন্তত এক লাখ ভুয়া ইমেইল পাঠিয়েছে হ্যাকাররা। হ্যাকাররা স্থানীয় সময় শনিবার এটি করেছে বলে জানিয়েছে থ্রেট ট্র্যাকিং সার্ভিস।

 

শনিবারই FBI এক বিবৃতিতে বিষয়টি স্বীকার করে জানিয়েছে, বিষয়টি নিয়ে তারা কাজ করছে। শনিবার সকালে এটি জানতে পারে এফবিআই এবং সিআইএ।  @ic.fbi.gov নামক ইমেইল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে ভুয়া মেইলগুলো পাঠানো হয়। 

এফবিআই আরো জানায়, হ্যাকারদের কার্যকলাপের বিষয়টি ধরে ফেলার পরপরই তা বন্ধ করে দেওয়া হয়।

ইমেইল ও সাইবার হুমকি নিয়ে কাজ করা অলাভজনক প্রতিষ্ঠান দ্য স্পামহাউস প্রজেক্ট এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, শনিবার ভোর ৫টা এবং সকাল ৭টায় দুইবার ইমেইল ক্যাম্পেইন হয়েছে।

তাদের ধারণা, এফবিআইর মেইল ব্যবহার করে প্রায় এক লাখ ই-মেইল পাঠিয়েছে হ্যাকাররা। তবে এটি আরো বৃহদাকারে হওয়ার শঙ্কা ছিল। যা পরে ঠেকানো গেছে।

সেই ই-মেইলগুলো পাঠানোর পেছনে হ্যাকারদের কী উদ্দেশ্য থাকতে পারে, সে ব্যাপারে এখনো কিছু জানানো হয়নি। কারণ, বিষয়টি এখন তদন্তাধীন রয়েছে।

 

 

…..

তাদের ধারণা, এফবিআইর মেইল ব্যবহার করে প্রায় এক লাখ ই-মেইল পাঠিয়েছে হ্যাকাররা। তবে এটি আরো বৃহদাকারে হওয়ার শঙ্কা ছিল। যা পরে ঠেকানো গেছে।

সেই ই-মেইলগুলো পাঠানোর পেছনে হ্যাকারদের কী উদ্দেশ্য থাকতে পারে, সে ব্যাপারে এখনো কিছু জানানো হয়নি। কারণ, বিষয়টি এখন তদন্তাধীন রয়েছে।

তাদের ধারণা, এফবিআইর মেইল ব্যবহার করে প্রায় এক লাখ ই-মেইল পাঠিয়েছে হ্যাকাররা। তবে এটি আরো বৃহদাকারে হওয়ার শঙ্কা ছিল। যা পরে ঠেকানো গেছে।

সেই ই-মেইলগুলো পাঠানোর পেছনে হ্যাকারদের কী উদ্দেশ্য থাকতে পারে, সে ব্যাপারে এখনো কিছু জানানো হয়নি। কারণ, বিষয়টি এখন তদন্তাধীন রয়েছে।

তাদের ধারণা, এফবিআইর মেইল ব্যবহার করে প্রায় এক লাখ ই-মেইল পাঠিয়েছে হ্যাকাররা। তবে এটি আরো বৃহদাকারে হওয়ার শঙ্কা ছিল। যা পরে ঠেকানো গেছে।

সেই ই-মেইলগুলো পাঠানোর পেছনে হ্যাকারদের কী উদ্দেশ্য থাকতে পারে, সে ব্যাপারে এখনো কিছু জানানো হয়নি। কারণ, বিষয়টি এখন তদন্তাধীন রয়েছে।

তাদের ধারণা, এফবিআইর মেইল ব্যবহার করে প্রায় এক লাখ ই-মেইল পাঠিয়েছে হ্যাকাররা। তবে এটি আরো বৃহদাকারে হওয়ার শঙ্কা ছিল। যা পরে ঠেকানো গেছে।

সেই ই-মেইলগুলো পাঠানোর পেছনে হ্যাকারদের কী উদ্দেশ্য থাকতে পারে, সে ব্যাপারে এখনো কিছু জানানো হয়নি। কারণ, বিষয়টি এখন তদন্তাধীন রয়েছে।

তাদের ধারণা, এফবিআইর মেইল ব্যবহার করে প্রায় এক লাখ ই-মেইল পাঠিয়েছে হ্যাকাররা। তবে এটি আরো বৃহদাকারে হওয়ার শঙ্কা ছিল। যা পরে ঠেকানো গেছে।

সেই ই-মেইলগুলো পাঠানোর পেছনে হ্যাকারদের কী উদ্দেশ্য থাকতে পারে, সে ব্যাপারে এখনো কিছু জানানো হয়নি। কারণ, বিষয়টি এখন তদন্তাধীন রয়েছে।

তাদের ধারণা, এফবিআইর মেইল ব্যবহার করে প্রায় এক লাখ ই-মেইল পাঠিয়েছে হ্যাকাররা। তবে এটি আরো বৃহদাকারে হওয়ার শঙ্কা ছিল। যা পরে ঠেকানো গেছে।

সেই ই-মেইলগুলো পাঠানোর পেছনে হ্যাকারদের কী উদ্দেশ্য থাকতে পারে, সে ব্যাপারে এখনো কিছু জানানো হয়নি। কারণ, বিষয়টি এখন তদন্তাধীন রয়েছে।

তাদের ধারণা, এফবিআইর মেইল ব্যবহার করে প্রায় এক লাখ ই-মেইল পাঠিয়েছে হ্যাকাররা। তবে এটি আরো বৃহদাকারে হওয়ার শঙ্কা ছিল। যা পরে ঠেকানো গেছে।

সেই ই-মেইলগুলো পাঠানোর পেছনে হ্যাকারদের কী উদ্দেশ্য থাকতে পারে, সে ব্যাপারে এখনো কিছু জানানো হয়নি। কারণ, বিষয়টি এখন তদন্তাধীন রয়েছে।

তাদের ধারণা, এফবিআইর মেইল ব্যবহার করে প্রায় এক লাখ ই-মেইল পাঠিয়েছে হ্যাকাররা। তবে এটি আরো বৃহদাকারে হওয়ার শঙ্কা ছিল। যা পরে ঠেকানো গেছে।

সেই ই-মেইলগুলো পাঠানোর পেছনে হ্যাকারদের কী উদ্দেশ্য থাকতে পারে, সে ব্যাপারে এখনো কিছু জানানো হয়নি। কারণ, বিষয়টি এখন তদন্তাধীন রয়েছে।

তাদের ধারণা, এফবিআইর মেইল ব্যবহার করে প্রায় এক লাখ ই-মেইল পাঠিয়েছে হ্যাকাররা। তবে এটি আরো বৃহদাকারে হওয়ার শঙ্কা ছিল। যা পরে ঠেকানো গেছে।

সেই ই-মেইলগুলো পাঠানোর পেছনে হ্যাকারদের কী উদ্দেশ্য থাকতে পারে, সে ব্যাপারে এখনো কিছু জানানো হয়নি। কারণ, বিষয়টি এখন তদন্তাধীন রয়েছে।

তাদের ধারণা, এফবিআইর মেইল ব্যবহার করে প্রায় এক লাখ ই-মেইল পাঠিয়েছে হ্যাকাররা। তবে এটি আরো বৃহদাকারে হওয়ার শঙ্কা ছিল। যা পরে ঠেকানো গেছে।

সেই ই-মেইলগুলো পাঠানোর পেছনে হ্যাকারদের কী উদ্দেশ্য থাকতে পারে, সে ব্যাপারে এখনো কিছু জানানো হয়নি। কারণ, বিষয়টি এখন তদন্তাধীন রয়েছে।

তাদের ধারণা, এফবিআইর মেইল ব্যবহার করে প্রায় এক লাখ ই-মেইল পাঠিয়েছে হ্যাকাররা। তবে এটি আরো বৃহদাকারে হওয়ার শঙ্কা ছিল। যা পরে ঠেকানো গেছে।

সেই ই-মেইলগুলো পাঠানোর পেছনে হ্যাকারদের কী উদ্দেশ্য থাকতে পারে, সে ব্যাপারে এখনো কিছু জানানো হয়নি। কারণ, বিষয়টি এখন তদন্তাধীন রয়েছে।

তাদের ধারণা, এফবিআইর মেইল ব্যবহার করে প্রায় এক লাখ ই-মেইল পাঠিয়েছে হ্যাকাররা। তবে এটি আরো বৃহদাকারে হওয়ার শঙ্কা ছিল। যা পরে ঠেকানো গেছে।

সেই ই-মেইলগুলো পাঠানোর পেছনে হ্যাকারদের কী উদ্দেশ্য থাকতে পারে, সে ব্যাপারে এখনো কিছু জানানো হয়নি। কারণ, বিষয়টি এখন তদন্তাধীন রয়েছে।\

তাদের ধারণা, এফবিআইর মেইল ব্যবহার করে প্রায় এক লাখ ই-মেইল পাঠিয়েছে হ্যাকাররা। তবে এটি আরো বৃহদাকারে হওয়ার শঙ্কা ছিল। যা পরে ঠেকানো গেছে।

সেই ই-মেইলগুলো পাঠানোর পেছনে হ্যাকারদের কী উদ্দেশ্য থাকতে পারে, সে ব্যাপারে এখনো কিছু জানানো হয়নি। কারণ, বিষয়টি এখন তদন্তাধীন রয়েছে।

তাদের ধারণা, এফবিআইর মেইল ব্যবহার করে প্রায় এক লাখ ই-মেইল পাঠিয়েছে হ্যাকাররা। তবে এটি আরো বৃহদাকারে হওয়ার শঙ্কা ছিল। যা পরে ঠেকানো গেছে।

সেই ই-মেইলগুলো পাঠানোর পেছনে হ্যাকারদের কী উদ্দেশ্য থাকতে পারে, সে ব্যাপারে এখনো কিছু জানানো হয়নি। কারণ, বিষয়টি এখন তদন্তাধীন রয়েছে।

তাদের ধারণা, এফবিআইর মেইল ব্যবহার করে প্রায় এক লাখ ই-মেইল পাঠিয়েছে হ্যাকাররা। তবে এটি আরো বৃহদাকারে হওয়ার শঙ্কা ছিল। যা পরে ঠেকানো গেছে।

সেই ই-মেইলগুলো পাঠানোর পেছনে হ্যাকারদের কী উদ্দেশ্য থাকতে পারে, সে ব্যাপারে এখনো কিছু জানানো হয়নি। কারণ, বিষয়টি এখন তদন্তাধীন রয়েছে।

তাদের ধারণা, এফবিআইর মেইল ব্যবহার করে প্রায় এক লাখ ই-মেইল পাঠিয়েছে হ্যাকাররা। তবে এটি আরো বৃহদাকারে হওয়ার শঙ্কা ছিল। যা পরে ঠেকানো গেছে।

সেই ই-মেইলগুলো পাঠানোর পেছনে হ্যাকারদের কী উদ্দেশ্য থাকতে পারে, সে ব্যাপারে এখনো কিছু জানানো হয়নি। কারণ, বিষয়টি এখন তদন্তাধীন রয়েছে।

তাদের ধারণা, এফবিআইর মেইল ব্যবহার করে প্রায় এক লাখ ই-মেইল পাঠিয়েছে হ্যাকাররা। তবে এটি আরো বৃহদাকারে হওয়ার শঙ্কা ছিল। যা পরে ঠেকানো গেছে।

সেই ই-মেইলগুলো পাঠানোর পেছনে হ্যাকারদের কী উদ্দেশ্য থাকতে পারে, সে ব্যাপারে এখনো কিছু জানানো হয়নি। কারণ, বিষয়টি এখন তদন্তাধীন রয়েছে।

তাদের ধারণা, এফবিআইর মেইল ব্যবহার করে প্রায় এক লাখ ই-মেইল পাঠিয়েছে হ্যাকাররা। তবে এটি আরো বৃহদাকারে হওয়ার শঙ্কা ছিল। যা পরে ঠেকানো গেছে।

সেই ই-মেইলগুলো পাঠানোর পেছনে হ্যাকারদের কী উদ্দেশ্য থাকতে পারে, সে ব্যাপারে এখনো কিছু জানানো হয়নি। কারণ, বিষয়টি এখন তদন্তাধীন রয়েছে।

তাদের ধারণা, এফবিআইর মেইল ব্যবহার করে প্রায় এক লাখ ই-মেইল পাঠিয়েছে হ্যাকাররা। তবে এটি আরো বৃহদাকারে হওয়ার শঙ্কা ছিল। যা পরে ঠেকানো গেছে।

সেই ই-মেইলগুলো পাঠানোর পেছনে হ্যাকারদের কী উদ্দেশ্য থাকতে পারে, সে ব্যাপারে এখনো কিছু জানানো হয়নি। কারণ, বিষয়টি এখন তদন্তাধীন রয়েছে।

ইমেইল 

ইমেইল 

ইমেইল 

ইমেইল 

ইমেইল 

ইমেইল 

ইমেইল 

ইমেইল 

ইমেইল 

ইমেইল 

তাদের ধারণা, এফবিআইর মেইল ব্যবহার করে প্রায় এক লাখ ই-মেইল পাঠিয়েছে হ্যাকাররা। তবে এটি আরো বৃহদাকারে হওয়ার শঙ্কা ছিল। যা পরে ঠেকানো গেছে।

সেই ই-মেইলগুলো পাঠানোর পেছনে হ্যাকারদের কী উদ্দেশ্য থাকতে পারে, সে ব্যাপারে এখনো কিছু জানানো হয়নি। কারণ, বিষয়টি এখন তদন্তাধীন রয়েছে।

তাদের ধারণা, এফবিআইর মেইল ব্যবহার করে প্রায় এক লাখ ই-মেইল পাঠিয়েছে হ্যাকাররা। তবে এটি আরো বৃহদাকারে হওয়ার শঙ্কা ছিল। যা পরে ঠেকানো গেছে।

সেই ই-মেইলগুলো পাঠানোর পেছনে হ্যাকারদের কী উদ্দেশ্য থাকতে পারে, সে ব্যাপারে এখনো কিছু জানানো হয়নি। কারণ, বিষয়টি এখন তদন্তাধীন রয়েছে।

তাদের ধারণা, এফবিআইর মেইল ব্যবহার করে প্রায় এক লাখ ই-মেইল পাঠিয়েছে হ্যাকাররা। তবে এটি আরো বৃহদাকারে হওয়ার শঙ্কা ছিল। যা পরে ঠেকানো গেছে।

সেই ই-মেইলগুলো পাঠানোর পেছনে হ্যাকারদের কী উদ্দেশ্য থাকতে পারে, সে ব্যাপারে এখনো কিছু জানানো হয়নি। কারণ, বিষয়টি এখন তদন্তাধীন রয়েছে।

তাদের ধারণা, এফবিআইর মেইল ব্যবহার করে প্রায় এক লাখ ই-মেইল পাঠিয়েছে হ্যাকাররা। তবে এটি আরো বৃহদাকারে হওয়ার শঙ্কা ছিল। যা পরে ঠেকানো গেছে।

সেই ই-মেইলগুলো পাঠানোর পেছনে হ্যাকারদের কী উদ্দেশ্য থাকতে পারে, সে ব্যাপারে এখনো কিছু জানানো হয়নি। কারণ, বিষয়টি এখন তদন্তাধীন রয়েছে।

তাদের ধারণা, এফবিআইর মেইল ব্যবহার করে প্রায় এক লাখ ই-মেইল পাঠিয়েছে হ্যাকাররা। তবে এটি আরো বৃহদাকারে হওয়ার শঙ্কা ছিল। যা পরে ঠেকানো গেছে।

সেই ই-মেইলগুলো পাঠানোর পেছনে হ্যাকারদের কী উদ্দেশ্য থাকতে পারে, সে ব্যাপারে এখনো কিছু জানানো হয়নি। কারণ, বিষয়টি এখন তদন্তাধীন রয়েছে।

তাদের ধারণা, এফবিআইর মেইল ব্যবহার করে প্রায় এক লাখ ই-মেইল পাঠিয়েছে হ্যাকাররা। তবে এটি আরো বৃহদাকারে হওয়ার শঙ্কা ছিল। যা পরে ঠেকানো গেছে।

সেই ই-মেইলগুলো পাঠানোর পেছনে হ্যাকারদের কী উদ্দেশ্য থাকতে পারে, সে ব্যাপারে এখনো কিছু জানানো হয়নি। কারণ, বিষয়টি এখন তদন্তাধীন রয়েছে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.