একনেক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রকল্পে ধীরগতি হলে অবসরে গেলেও জড়িতদের রেহাই নেই,

কুষ্টিয়া মেডিক্যাল কলেজ স্থাপন প্রকল্পে অনিয়মে জড়িতরা অবসরে গেলেও ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মে জড়িতরা অবসরে গেলেও ছাড় পাবেন না। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে তিনি এ নির্দেশ দেন। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি সভাপতিত্ব করেন তিনি। একনেক ব্রিফিং এসব তথ্য জানান পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এবং আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো বিভাগের সদস্য মোসাম্মৎ নাসিমা বেগম।

 

পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়ে বলেছেন, কুষ্টিয়া মেডিক্যাল কলেজ প্রকল্প বাস্তবায়নে যারা অনিয়ম করেছে তাদের সবার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। জড়িতদের মধ্যে যারা অবসরে গেছেন, প্রয়োজনে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে বলেছেন তিনি। পরিকল্পনামন্ত্রী আরো জানান, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা শুধু ভেতরে নয় সার্বিকভাবে করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিনি বলেছেন, কারখানা এলাকায় ইটিপি, সিইটিপি স্থাপন করতে হবে। নদীতে বর্জ্য ফেলা যাবে না। এছাড়া কোনো প্রকল্পে বৈদেশিক সহায়তা পাওয়া না গেলে রিজার্ভ থেকেও ঋণ নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন শেখ হাসিনা।

 

তিনি (প্রধানমন্ত্রী) বলেছেন, আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৬ বিলিয়ন ডলারের বেশি। সেই অর্থ থেকে ঋণ নেয়া যেতে পারে। তবে তা অবশ্যই পরিশোধ করতে হবে বৈদেশিক মুদ্রায়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, দেশের সকল এলাকায় সমানভাবে উন্নয়ন কাজ করতে হবে। যাতে কোনো এলাকার মানুষ অভিযোগ করতে না পারে আমরা অবহেলিত। এছাড়া নদী, খাল নিয়মিত ড্রেজিংয়ের নির্দেশনাও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

 

 

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, সোনালী ৭৫ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানানো হয় পরিকল্পনা কমিশনের সকলের পক্ষ থেকে। জাতিসংঘের এসডিজি পুরস্কার পাওয়ার জন্যও অভিনন্দন জানানো হয়। একই সঙ্গে আমরা বলেছি আমরা রাজনীতিবিদ ও আমলারা সবাই মিলে আপনার উন্নয়ন কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে কাজ করে যাব। আমরা আবারও তার কাছে আনুগত্য প্রকাশ করে বলেছি আমরা আপনার পেছনে আছি।

 

 

এদিকে সভায় কুষ্টিয়া মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপনের সংশোধনী প্রস্তাবসহ ৯ প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এগুলো বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৬ হাজার ৫৫১ কোটি ২৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ৩ হাজার ৭৪২ কোটি ২৯ লাখ টাকা, বৈদেশিক ঋণ সহায়তা থেকে ২ হাজার ৭৮২ কোটি ৭৬ লাখ টাকা এবং বাস্তবায়নকারী সংস্থা থেকে ২৬ কোটি ২২ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে।

 

 

গণভবন থেকে একনেকে ভার্চুয়ালি সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা।

 

 

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বিফ্রিং করেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম, ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য মামুন-আল-রশীদ, আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো বিভাগের সদস্য মোসাম্মৎ নাসিমা বেগম এবং আইএমইডির সচিব প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তীসহ পরিকল্পনা কমিশনের অন্য সদস্যরা।

 

 

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, চূড়ান্তভাবে নোটিশ দেয়া হয়েছে যাতে কুষ্টিয়া মেডিক্যাল কলেজের কাজ বর্ধিত মেয়াদের মধ্যেই শেষ করা যায়। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন। যারা এই প্রকল্পের বিলম্বের ক্ষেত্রে জড়িত এবং নিয়মের বাইরে গিয়ে কাজ করেছেন তাদের শাস্তির জন্য পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আবারও অনুরোধ জানানো হয়েছে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী এর আগে একই সঙ্গে শাস্তিও দিতে বলেছেন, আবার কাজও চলমান রাখতে বলেছেন। যাতে এটি মৃত প্রকল্প না হয়। তিনি বলেন, এতদিন প্রকল্পটি ঝুলে ছিল। স্থানীয়রাও অপেক্ষা করেছিলেন। স্থানীয় যারা রাজনীতি করেন, তারাও প্রকল্প শেষ না হওয়ায় লজ্জায় পড়েছিলেন। আমার সঙ্গে অনেকেই যোগাযোগ করেছেন। আজ সংশোধনী প্রস্তাবটি অনুমোদন হওয়ায় আশা করা যাচ্ছে কাজে গতি আসবে।

 

 

ব্রিফিংয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, সময়ের আগেই শেষ হচ্ছে বঙ্গবন্ধু টানেলের কাজ। কর্ণফুলী নদীর নিচে নির্মাণাধীন এই ট্যানেল ২০২২ সালে শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু কাজের অগ্রগতি ভালো হওয়ায় অনেক আগেই শেষ হবে। একনেক বৈঠকে এসব তথ্য জানানো হয়। পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, এর আগে এই টানেলের প্রথম চ্যানেলের মুখ খুলে দেয়া হলেও আগামী শুক্রবার দ্বিতীয় চ্যানেলের মুখ খুলে দেয়া হবে। এর মধ্য দিয়ে ট্যানেলের কাজ অনেক দুর এগিয়ে যাবে। তারপর ঘষামাজা করে উদ্বোধনের দিন-তারিখ নির্ধারণ করবে সংশ্লিষ্ট সংস্থা।

 

 

সূত্র জানায়, কুষ্টিয়া মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপন প্রকল্পটি সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে মোট ২৭৫ কোটি ৪৩ লাখ ৫১ হাজার টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ২০১২ সালের জানুয়ারি হতে ২০১৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বাস্তবায়নের জন্য ২০১২ সালের ৬ মার্চ একনেকে অনুমোদিত হয়। এরপর প্রকল্পের মেয়াদ ব্যয় বৃদ্ধি ছাড়া প্রথম দফায় ২০১৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত এবং দ্বিতীয় দফায় ২০১৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়। এরপর মোট ৬১১ কোটি ৮৪ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে এবং বাস্তবায়ন মেয়াদ ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ৩ বছর বাড়িয়ে প্রকল্পটির প্রথম সংশোধন করা হয়। এতেও শেষ হয়নি বাস্তবায়ন। ফলে ২০১৯ সালের জুনে প্রকল্পটির আন্তঃখাত সমন্বয় করা হয়। কার্যক্রম বিভাগ ২০২০ সালের ২২ জুন প্রকল্পটির মেয়াদ ব্যয় বৃদ্ধি ছাড়া ২০২০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত এক বছর বৃদ্ধি করে। পরবর্তীতে দ্বিতীয় সংশোধনের মাধ্যমে প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ৭৪২ কোটি টাকা এবং মেয়াদ ২০১২ সালের জানুয়ারি হতে ২০২২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করে প্রস্তাব পাঠানো হয়।

 

 

 

এই প্রস্তাবের ওপর ২০২০ সালের ১২ মার্চ প্রথম প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটি (পিইসি) সভা অনুষ্ঠিত হয়। পুনর্গঠিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবে (ডিপিপি) প্রথম পিইসি সভার সিদ্ধান্ত সঠিকভাবে প্রতিপালন না করায় ২০২০ সালের ২৬ আগস্ট দ্বিতীয় পিইসি সভা অনুষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয় পিইসি সভার সিদ্ধান্তের আলোকে পুনর্গঠিত ডিপিপি চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত একনেক সভায় উপস্থাপন করা হয়। এ সময় এই প্রস্তাব অনুমোদন না করে প্রকল্পের বাস্তবায়ন দেরি হওয়ার কারণ এবং দায়দায়িত্ব নিরুপণ করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া এবং ভালোভাবে পরীক্ষা করে প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য যথানিয়মে পুনরায় একনেকে উপস্থাপনের নির্দেশনা দেয়া হয়। একনেক সভার সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৫ জানুয়ারি আইএমইডির সচিবকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়। এই প্রতিবেদন পাঠানো হয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে।

 

 

 

এরপর প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশ নিয়ে স্বাস্থ্য এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। এ পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। বর্তমানে ৬৮২ কোটি ৪৬ লাখ টাকা ব্যয় ধরে প্রকল্পটির সংশোধনী প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

একনেকে অনুমোদিত প্রকল্পগুলো হলো সায়েদাবাদ পানি শোধনাগার (ফেজ-৩) প্রকল্প। টাঙ্গাইল-দেলদুয়ার-লাউহাটি-সাটুরিয়া-কাওয়ালীপাড়া-কালামপুর বাসস্ট্যান্ড সড়ক আঞ্চলিক মহাসড়কের যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ প্রকল্প। এছাড়া কৃষি আবহাওয়া তথ্য পদ্ধতি উন্নতকরণ, জগন্নাথপুর ও মোহনগঞ্জ উপজেলায় দু’টি কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (এটিআই) স্থাপন এবং রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার নদীতীর সংরক্ষণ, ছোটনদী, খাল-বিল পুন: খনন ও জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প। এছাড়া শরীয়তপুর জেলার কীর্তিনাশা নদীর ডান ও বাম তীর রক্ষা প্রকল্প। বড়পুকুরিয়া-বগুড়া-কালিয়াকৈর ৪০০ কেভি লাইন স্থাপন এবং খুলনা হতে মংলা পোর্ট পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণ প্রকল্প।

 

Edited by sa srk

 

 

 

সেতুমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আগামী নির্বাচনে বর্তমান সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ থাকবে না।

 

দেশে নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ হলেই কেবল নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব হবে। এই লক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি সবাইকে নিয়ে সার্চ কমিটির মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন গঠন করবেন। নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে সংশয়ের কোনো সুযোগ নেই।

 

 

আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টায় সাভারের আমিনবাজারে নির্মাণাধীন ৮ লেনের সেতু পরিদর্শনে গিয়ে এসব কথা বলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

 

 

মন্ত্রী বলেন, আমিনবাজারে ২০৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ৮ লেনে ২৩২ দশমিক ৯৪ মিটার দৈর্ঘ্য ২য় সেতুর প্রায় ২৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। গত ফেব্রুয়ারিতে সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়, যা আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে শেষ হওয়ার কথা।

 

ওবায়দুল কাদের বলেন, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কেউ সহিসংতা করলে জনগণকে নিয়ে কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।

গত বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ পার্লামেন্ট সদস্য টিউলিপ সিদ্দিকের গাড়িতে দুর্বৃত্তদের হামলার নিন্দা জানিয়ে এই নেতা বলেন, এ ঘটনায় ব্রিটিশ সরকারকে দায়িত্ব নিতে হবে। এ বিষয়ে অন্য কিছু বলা ঠিক হবে না, ব্রিটিশ সরকার কী করছে, তা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

 

Edited by sa srk

 

 

আরো পড়ুন: নারী দেহের যে ৫টি অঙ্গ বড় হলে সৌভাগ্যবতী হিসেবে ভাবা হয়

জীবননগরে পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় নারী, গাছে বেঁধে নির্যাতন…

 

জনবল নিয়োগ দিবে একে টেলিভিশন

 

বদলে যাচ্ছে চাকরির বাজার এবং বাড়ছে ডিজিটাল কন্টেন্টের চাহিদা। সময় পরিবর্তনের সঙ্গে মিল রেখে একে টেলিভিশন এর ডিজিটাল বিভাগে তিন ক্যাটাগরিতে জনবল নিয়োগ করা হবে।

 

 

পদের নাম:
১. ডিজিটাল কন্টেন্ট এক্সিকিউটিভ

 

 

কাজের প্রকৃতি : ডেস্ক জব

কাজের ধরণ : ফুলটাইম

বেতন : ১৪ হাজার থেকে ১৬ হাজার

প্রয়োজনীয় যোগ্যতা:

*ইউটিউবসহ সোশ্যাল মিডিয়ার কপিরাইট পলিসি সম্পর্কে সম্যক ধারণা ও জ্ঞান

*ফটোশপের বেসিক ধারণা

*এসইও সম্পর্কে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা

*কাজের চাপ নেবার ইতিবাচক মানসিকতা

*প্রয়োজনে নতুন কিছু শেখার প্রতি আগ্রহ

 

*বাংলা ও ইংরেজিতে দ্রুত টাইপ করার ক্ষমতা

*সংবাদ সম্পাদনা সম্পর্কে জ্ঞান

*বাংলা শুদ্ধ বানান জানা

 

 

দায়িত্বসমূহ:

*দিন-রাত ২৪ ঘণ্টার যে কোনো সময়ে (রোস্টার/শিডিউলের ভিত্তিতে) কাজ করার মানসিকতা

*ফেসবুক ও ইউটিউব -এর কন্টেন্ট নিয়ে সৃজনশীলতা প্রদর্শন এবং নতুন নতুন পরিকল্পনা ও ভালো ফলাফল আনার মানসিকতা

*প্রতিযোগিতাপূর্ণ অনলাইন প্ল্যাটফর্মের নতুন নতুন ফিচার ও আপডেট সম্পর্কে অবগত থাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতা

স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন (সাংবাদিকতা এবং মার্কেটিং অভিজ্ঞদের অগ্রাধিকার)

প্রয়োজনীয় দক্ষতা

*ইউটিউব, ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম সম্পর্কে অভিজ্ঞতা

*একসঙ্গে একাধিক কাজ করার ইতিবাচক মানসিকতা

 

 

পদের নাম:
২. ভিডিও এডিটর

 

 

কাজের প্রকৃতি : প্রফেশনাল ভিডিও এডিটিং ও আফটার ইফেক্টস এ দক্ষতা

কাজের ধরণ : ফুলটাইম

বেতন : ১৮ থেকে ২০ হাজার

প্রয়োজনীয় যোগ্যতা:

*ইউটিউবসহ সোশ্যাল মিডিয়ার কপিরাইট পলিসি সম্পর্কে সম্যক ধারণা ও জ্ঞান

*ফটোশপের বেসিক ধারণা

*কাজের চাপ নেবার ইতিবাচক মানসিকতা

*প্রয়োজনে নতুন কিছু শেখার প্রতি আগ্রহ

*বাংলা শুদ্ধ বানান জানা

 

 

দায়িত্বসমূহ:

*দিন-রাত ২৪ ঘণ্টার যে কোনো সময়ে (রোস্টার/শিডিউলের ভিত্তিতে) কাজ করার মানসিকতা

*ফেসবুক ও ইউটিউব -এর কন্টেন্ট নিয়ে সৃজনশীলতা প্রদর্শন এবং নতুন নতুন পরিকল্পনা ও ভালো ফলাফল আনার মানসিকতা

শিক্ষাগত যোগ্যতা:

স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে ন্যূনতম এইচএসসি পাশ

প্রয়োজনীয় দক্ষতা:

*ইউটিউব, ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম এর ভিডিও সম্পর্কে ধারণা

*একসঙ্গে একাধিক কাজ করার ইতিবাচক মানসিকতা

 

 

পদের নাম
৩. স্ক্রিপ্ট রাইটার কাম প্রেজেন্টার:

 

 

কাজের প্রকৃতি : স্ক্রিপ্ট তৈরি এবং সমসাময়িক বিষয়ের উপর উপস্থাপনা

কাজের ধরণ : ফুলটাইম অথবা পার্ট টাইম

বেতন : আলোচনা সাপেক্ষে

প্রয়োজনীয় যোগ্যতা:

* বাংলায় শুদ্ধ উচ্চারণ

* সুন্দর বাচনভঙ্গি

*প্রয়োজনে নতুন কিছু শেখার প্রতি আগ্রহ

*একসঙ্গে একাধিক কাজ করার ইতিবাচক মানসিকতা

 

 

দায়িত্বসমূহ:

* প্রয়োজনে যে কোনো সময়ে (রোস্টার/শিডিউলের ভিত্তিতে) কাজ করার মানসিকতা

*ফেসবুক ও ইউটিউব -এর কন্টেন্ট নিয়ে সৃজনশীলতা প্রদর্শন এবং নতুন নতুন পরিকল্পনা ও ভালো ফলাফল আনার মানসিকতা

শিক্ষাগত যোগ্যতা:

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী (জার্নালিজমের স্টুডেন্ট বা প্রেজেন্টেশন কোর্স সম্পন্নদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে)

আগ্রহীদের উপরের শর্তাদি পূরণ করে info@aktvbd.com ইমেইলে অথবা সরাসরি আবেদন করার জন্য অনুরোধ করা হলো। আবেদনে অবশ্যই পদের নাম উল্লেখ করতে হবে। আবেদন করতে নিচের লিংক অথবা ছবিতে ক্লিক করুন….

 

 

সরাসরি যোগাযোগ:
একে টেলিভিশন
বাড়ি-১১, সড়ক-১১, ব্লক-ডি, মিরপুর-১২, ঢাকা-১২১৬
মুঠোফোন: ০১৯১৫-৫৪৭৬৬৬
web: www.aktvbd.com

 

 

 

বাড়তি খরচ আর দুর্ভোগ নিয়ে অধিকাংশ শ্রমিক ঢাকায় চলে আসার পর সরকার শ্রমিক আনার কাজে দেড় দিনের জন্য বাস চলতে পারবে বলে মৌখিক নির্দেশনা দেয়। কিন্তু অধিকাংশ শ্রমিক চলে আসার কারণে এই সিদ্ধান্তে শ্রমিকদের কোনো কাজে লাগেনি।

 

 

 

গত বছরও পোশাক কারখানা বন্ধ ও খোলা নিয়ে সিদ্ধান্তে নানা অসংগতি ছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে এই নিয়ে সমালোচনার পর সিদ্ধান্ত পাল্টানোর ঘটনা ঘটেছে।

একইভাবে ফেরি চালু রেখে বাস বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা এসেছে বিভিন্ন সময়। এ সময় ফেরিগুলোতে উপচে পড়া ভিড়ে স্বাস্থ্যবিধির কোনো বালাই ছিল না।

 

এ পর্যন্ত সরকারের লকডাউন এবং বিধিনিষেধসংক্রান্ত সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে কয়েকটি দুর্বলতা দেখা যাচ্ছে। এগুলো হচ্ছে—১. সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর ও অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা না করা। ২. পোশাক কারখানা খোলার ক্ষেত্রে এই খাতের মালিক সংগঠনগুলোর ইচ্ছাকেই গুরুত্ব দেওয়া। ৩. পোশাক খাতের শ্রমিক এবং নিম্ন আয়ের মানুষের দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় না নেওয়া। ৪. স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে বিজ্ঞান বা বাস্তবতার চেয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের বিবেচনাবোধকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া। ৫. ওপর থেকে নেওয়া সিদ্ধান্ত কীভাবে বাস্তবায়ন হবে, সেই বিষয়ে মাঠপর্যায়ে স্পষ্ট নির্দেশনা না থাকা।

এবার প্রতিদিন অর্ধেক গণপরিবহন চালু রাখার নতুন যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, এর মধ্যেও বিজ্ঞান বা বাস্তবতাবোধের অভাব দেখা যাচ্ছে। ফলে বেশ কিছু সমস্যার উদ্ভব হতে পারে।

 

 

 

পরিবহন ব্যবস্থাই এমন যে অর্ধেক চালু রাখা কঠিন
রাজধানী ঢাকাসহ বড় শহর এবং দূরপাল্লার পথে প্রায় এক লাখ বাস-মিনিবাস চলাচল করে। এসব বাসের মালিক আছেন প্রায় ৪০ হাজার। সবাই সংঘবদ্ধ বা বড় কোম্পানির অধীনে নয়। এমনও আছে যে তিন-চারজন ব্যক্তি মিলে একটা বাসের মালিক। একজনের একটি বাসের মালিকানাই বেশি। অনেক পরিবহনমালিক মিলে একটা কোম্পানি করে বাস চালিয়ে থাকেন। এর বাইরে দেশে বড় কোম্পানি আছে ২০টির মতো। এসব বড় কোম্পানিতে এক মালিকের অনেক বাস চলে।

এই জটিল মালিকানা ব্যবস্থায় অর্ধেক বাস চালু রাখার যে সিদ্ধান্ত, তা বাস্তবায়ন করা অত্যন্ত কঠিন। প্রথমত, যাঁর একটি বাস আছে বা একাধিক মালিকের যদি একটি বাস থাকে, তাহলে সেখানে অর্ধেক চালানোর সুযোগ নেই। এ ছাড়া প্রভাবশালী পরিবহনমালিক ও শ্রমিকনেতারা রুট কমিটির নামে বিভিন্ন বাস টার্মিনাল নিয়ন্ত্রণ করেন। কোন মালিকের বাস চলবে এবং কারটা বন্ধ থাকবে—এটা ঠিক করতে গিয়ে প্রভাবশালীরা চাঁদাবাজির আশ্রয় নিতে পারেন। মনে রাখা দরকার, গণপরিবহনে চাঁদাবাজি দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে।

 

ঢাকায় সব বাস চললেও যাত্রীদের চাপে এভাবে দাঁড়িয়ে যেতে বাধ্য হন অনেকে, সেখানে অর্ধেক বাস চললে স্বাস্থ্যবিধির কী হবে সেটাই বড় প্রশ্ন হয়ে দেখা দিয়েছে

 

এ ছাড়া দীর্ঘদিন শ্রমিকেরা বেকার। এখন অর্ধেক বাস চালাতে হলে কাকে বসিয়ে রেখে কাকে চালানোর সুযোগ দেওয়া হবে, এটাও একটি জটিল বিষয়।

 

 

 

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে বলা হয়েছে, স্থানীয় প্রশাসন সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে অর্ধেক বাস চালানোর বিষয়টি নিশ্চিত করবে। মঙ্গলবার কিছু জেলা ও বিভাগীয় শহরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিবহনমালিক-শ্রমিকনেতাদের সঙ্গে বৈঠকের খবর পাওয়া গেছে। কিন্তু পরিবহন খাত নিয়ন্ত্রণ হয় ঢাকা থেকে। কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে কোনো বৈঠক বা আলোচনার খবর পাওয়া যায়নি।

স্বাস্থ্যবিধি মানা কঠিন হবে
সড়ক পরিবহনের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিআরটিএ মঙ্গলবার এক আদেশে বলেছে, যত আসন, তত যাত্রী পরিবহন করা যাবে। তবে কোনোভাবেই আসনের অতিরিক্ত বা দাঁড়িয়ে যাত্রী পরিবহন করা যাবে না। কিন্তু দীর্ঘদিন পরিবহন বন্ধ থাকার পর স্বাভাবিকভাবেই যাত্রীর চাপ বাড়বে। এ অবস্থায় আসনের অতিরিক্ত যাত্রী বহন না করার নির্দেশনা কতটা মানা হবে, সেই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

 

 

 

গত ৩১ জুলাই পোশাকশ্রমিকদের আনার জন্য বাস চলাচলে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হয়। কিন্তু শ্রমিকেরা আগেই ঢাকায় চলে আসার কারণে খুব বেশি বাস চলেনি। অর্থাৎ যাত্রী থাকলে পরিবহনমালিক–শ্রমিকেরা তাঁদের নেবেনই। না থাকলে বাস কম চলবে—এর জন্য নির্দেশনার দরকার নেই।

বাংলাদেশ রেলে স্বাভাবিক সময়ে দিনে সাড়ে ৩০০ যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল করে। সংস্থাটি ১১৪টি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পবিত্র ঈদুল আজহার সময়ও রেল একই পরিমাণ ট্রেন চালিয়েছিল। সে সময় অর্ধেক আসন ফাঁকা রাখার সিদ্ধান্ত থাকলেও গাদাগাদি করে যাত্রী পরিবহনের চিত্র আমরা দেখেছি। একই অবস্থা দেখা গেছে লঞ্চ ও ফেরিতে।

 

 

 

ভাড়া–নৈরাজ্য হতে পারে
একটা সময়ে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে ৬০ শতাংশ বাড়তি নেওয়ার শর্তে অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে বাস চালানোর সিদ্ধান্ত ছিল। এখন যত আসন, তত যাত্রী বহনের কারণে স্বভাবতই বাড়তি ভাড়া আদায় করা যাবে না। কিন্তু পরিবহন মালিকেরা বলছেন, অর্ধেক বাস চলাচল করলে তাঁদের আয় কমে যাবে। এ অবস্থায় নির্ধারিত ভাড়া হার মেনে সব পরিবহনের চলাচল নিশ্চিত করা কঠিন।

বিআরটিএ এ–সংক্রান্ত নির্দেশনা দিলেও সারা দেশে তা বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না, তা দেখার মতো লোকবল বা অবকাঠামো নেই সংস্থাটির। ফলে সাধারণ যাত্রীদের ওপর বাড়তি ভাড়ার বোঝা চাপতে পারে। এই নিয়ে যাত্রী ও পরিবহনশ্রমিকদের বচসারও আশঙ্কা আছে।

 

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হয়রানির আশঙ্কা
বিধিনিষেধে কিছু ক্ষেত্রে মাইক্রোবাস, ট্রাক, হিউম্যান হলার, মোটরসাইকেল ও ভ্যানে যাত্রী পরিবহন হয়েছে। এসব যানের মালিক-শ্রমিকদের কাছ থেকে চাঁদা নিয়ে চলাচল নির্বিঘ্ন করার অভিযোগ আছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে।

বিধিনিষেধের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চৌকি বসিয়ে যানবাহনে বিধি ভঙ্গ করে যাত্রী নেওয়া হচ্ছে কি না, তা দেখে পুলিশ

 

বিশৃঙ্খল ব্যবস্থার কারণে অর্ধেক গণপরিবহন হিসাব করার আসলে কোনো বাস্তবসম্মত ব্যবস্থা নেই। ফলে রাস্তায় নামানোর পর যেকোনো বাস আটকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হয়রানি করতে পারে। এতে চাঁদাবাজির সুযোগ তৈরি হবে।

 

 

পরিবহন ব্যবস্থাই এমন যে অর্ধেক চালু রাখা কঠিন
রাজধানী ঢাকাসহ বড় শহর এবং দূরপাল্লার পথে প্রায় এক লাখ বাস-মিনিবাস চলাচল করে।

 

 

 

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নেওয়া সর্বশেষ সিদ্ধান্তের বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন খোদ সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। গত সোমবার তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন,অর্ধেক বাস চলবে, আর অর্ধেক চলবে না, এটার নিশ্চয়তা দেবে কে? বিষয়টি আমাদের মন্ত্রণালয়, বিআরটিএর সঙ্গে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে একটু আলোচনা করে নিলে ভালো হতো। বিষয়টি এখন জেলা প্রশাসন ও পুলিশের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে। তারা যদি সরকারের এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে পারে, ভালো কথা। এটা আমাদের এখতিয়ার নয়।

সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী এবং ক্ষমতাসীন দলের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতার এই প্রতিক্রিয়া বলে দেয়, যে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সমন্বয়হীনতা প্রকট। ফলে এর বাস্তবায়ন মাঠ প্রশাসনের ইচ্ছা-অনিচ্ছার ওপর নির্ভরশীল। এতে সরকারের লাভ-ক্ষতি যা-ই হোক, ভোগান্তির শিকার হতে হয়, খরচের বোঝা বাড়ে সাধারণ মানুষের। পরিতাপের বিষয় হচ্ছে, সাধারণ মানুষের সুবিধা–অসুবিধার বিষয়টি নীতিনির্ধারকদের বিবেচনায় কমই থাকে।

 

 

বাংলাদেশ থেকে বেশি পাচার হচ্ছে ইয়াবা। অন্যদিকে এ দেশে আসছে এলএসডি, খাট, আইসের মতো নতুন মাদক।

কুরিয়ারে বাংলাদেশ থেকে যাচ্ছে মাদক, আসছেও
তৈরি পোশাকের আড়ালে গত বছর অস্ট্রেলিয়ায় ইয়াবা তৈরির কাঁচামাল অ্যামফিটামিন পাচার করছিল একটি চক্র। ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজ থেকে ১২ কেজি অ্যামফিটামিন উদ্ধারের পর পাচারের সহযোগিতা করায় একটি বহুজাতিক কুরিয়ার সার্ভিসের তিন কর্মকর্তাসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)।

 

 

পরে অধিদপ্তরের তদন্তেই এই আসামিদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি উল্লেখ করে তাঁদের সবাইকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। আদালতে জমা দেওয়া অভিযোগপত্রে এ-ও বলা হয়, মাদক পাচারে কুরিয়ার সার্ভিসের দায় নেই।

 

অবশ্য মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে মাদক পাচারের ঘটনা ঘটে। ১২ কেজি অ্যামফিটামিন উদ্ধারের ঘটনায় কুরিয়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ কোনো ধরনের স্ক্যানিং ছাড়াই পার্সেলের চালান বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে পাঠিয়ে দিয়েছিল। এ ঘটনায় যাঁদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে, তাঁরাই কুরিয়ারে করে মাদকের চালান পাঠানোর কথা স্বীকার করেছেন। এ বিষয়টি এ মামলার অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

 

কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে বিদেশে মাদক পাচার যেমন হচ্ছে, তেমনি একইভাবে বিদেশ থেকে এ দেশে মাদক আসছে। পাচারকারীরা বাংলাদেশকে রুট হিসেবে ব্যবহার করছে।

 

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, কুরিয়ারে নতুন নতুন মাদক দেশে আসছে। সর্বশেষ দেশে আসা নতুন মাদক এলএসডি এসেছে একটি আন্তর্জাতিক কুরিয়ারে। আরও দুটি মাদকদ্রব্য খাট ও আইস বা ক্রিস্টাল মেথও একইভাবে দেশে আসে। কুরিয়ার সার্ভিসে মাদক পাচারের অভিযোগে গত এক বছরে ২০টি মামলা করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এগুলোর মধ্যে সাতটি মামলা বিচারাধীন। অন্য মামলাগুলোর তদন্ত এখনো শেষ হয়নি।

 

বাংলাদেশ থেকে বেশি পাচার হচ্ছে ইয়াবা। অন্যদিকে এ দেশে আসছে এলএসডি, খাট, আইসের মতো নতুন মাদক।

 

মামলাগুলোর তদন্ত করতে গিয়ে ডিএনসি জানতে পেরেছে, কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়াসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে মাদক পাচার হচ্ছে। বিভিন্ন কুরিয়ার সার্ভিসের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী মাদক চক্রে জড়িয়ে দেশি-বিদেশি পাচারকারীদের সহায়তা করছেন।

কুরিয়ারে মাদক পাচারের ঘটনায় ২০ মামলা। ৭টি বিচারাধীন, বাকিগুলোর তদন্ত চলছে। ১৭টি মামলাই হয়েছে ইয়াবা পাচার নিয়ে। বাংলাদেশি ও বিদেশি নাগরিকেরা জড়িত। কুরিয়ার সার্ভিসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয় না।
যে ২০টি মামলা হয়েছে, তার মধ্যে ১৭টি মামলা করা হয়েছে ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায়। এর মধ্যে একই চক্রের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা রয়েছে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায়। গত বছরের জুনের শুরুতে সৌদি আরবে পাঠানোর সময় এক হাজার ইয়াবা এবং পরে একই মাসে এই চক্রের ২ হাজার ৩০০ এবং ১ হাজার ২৫০টি ইয়াবার দুটি চালান ধরা পড়ে। এতে চক্রের মূল হোতা শাহ আলম এবং তাঁর দুই সহযোগী ইউসুফ মোল্লা ও সাদ্দাম হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

 

 

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক আবদুস সবুর মণ্ডল বলেন, কুরিয়ার সার্ভিসে মাদকের চোরাচালান রোধে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। পার্সেলে মাদক শনাক্তে কুরিয়ার সার্ভিসের কর্মীদের প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হচ্ছে। কুরিয়ার সার্ভিস ব্যবহার করে মাদক পাচারে জড়িত পুরো নেটওয়ার্ক শনাক্তে কাজ চলছে।

পাচারের পেছনে যে কুরিয়ারের কর্মীরাও জড়িত, এর প্রমাণও রয়েছে ডিএনসির হাতে। গত বছরের ১০ আগস্ট আরেকটি বহুজাতিক কুরিয়ার সার্ভিসের ওয়্যারহাউস থেকে ছয়টি ট্রাভেল ব্যাগভর্তি ৩ হাজার ৫০০ ইয়াবা উদ্ধার করে সংস্থাটি। এই চালান সৌদি আরবে পাঠানো হচ্ছিল। এই ঘটনায় দেশীয় একটি কুরিয়ার সার্ভিসের কিশোরগঞ্জ শাখার ম্যানেজার মোস্তাফিজুর রহমান, তাঁর দুই সহযোগী আবু দারদা ও মোজাম্মেলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্তের পর জানা যায়, মোস্তাফিজ আর্থিক সুবিধা নিয়ে ইয়াবা সৌদি আরবে পাচার করছিলেন।

 

 

অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা জানান, কুরিয়ার সার্ভিসের প্রতিটি শাখায় ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরা স্থাপন ও ফুটেজ সংরক্ষণের জন্য বলা হয়েছে। প্রতিটি বুকিং সেন্টারে স্ক্যানার স্থাপনের কথাও বলা হয়েছে।

‍সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের স্বত্বাধিকারী ও কুরিয়ার সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি হাফিজুর রহমান একেটিভিকে বলেন, অধিকাংশ কুরিয়ার সার্ভিসের লাইসেন্স নেই। যাঁরা নিয়ম মেনে কুরিয়ার সার্ভিস পরিচালনা করছেন, তাঁরা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা মেনেই কাজ করছেন। মাদক পাচারে জড়িত ব্যক্তিদের ধরিয়েও দেওয়া হচ্ছে।

 

 

 

কুরিয়ার সার্ভিসের দায় পায়নি ডিএনসি
কয়েকটি মামলার তদন্তে মাদক পাচারে কুরিয়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলেও কুরিয়ার সার্ভিসের কোনো দায় বা অবহেলা এখন পর্যন্ত পায়নি ডিএনসি। গত বছরের সেপ্টেম্বরে বিমানবন্দরে কার্গো ভিলেজে ১২ কেজি অ্যামফিটামিন উদ্ধারের যে ঘটনা ঘটেছিল, তখন প্রশ্ন উঠেছিল স্ক্যানিং ছাড়া কীভাবে কার্গো ভিলেজে পার্সেল গেল।

তদন্তে উঠে আসে, এই চালানের গন্তব্য ছিল অস্ট্রেলিয়া। জুনায়েদ আহমেদ সিদ্দিকী নামে এক ব্যক্তি ও তাঁর স্ত্রী ফাতেমা তুজ জোহরা এই চালানের পেছনের মূল ভূমিকা রাখেন। তাঁদের সঙ্গে সতীশ কুমার সিলভারাজ নামের ভারতীয় এক নাগরিকও ছিলেন। এই ঘটনায় সংঘবদ্ধ চক্রের সাতজনকে শনাক্ত করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। তবে তদন্তে কুরিয়ার সার্ভিসের কোনো দায় খুঁজে পাননি তিনি।

বাংলাদেশ থেকে বাংলাদেশ থেকে বাংলাদেশ থেকে বাংলাদেশ থেকে বাংলাদেশ থেকে বাংলাদেশ থেকে বাংলাদেশ থেকে বাংলাদেশ থেকে বাংলাদেশ থেকে বাংলাদেশ থেকে বাংলাদেশ থেকে বাংলাদেশ থেকে

 

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিএনসির পরিদর্শক ফজলুল হক খান বলেন, কুরিয়ার সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানটির স্ক্যানার ছিল না। ম্যানুয়ালি (সনাতন পদ্ধতিতে) তাদের পরীক্ষা করার কথা। তদন্তে ওই মাদক পাচারের সঙ্গে তাদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি।

কুরিয়ার সার্ভিসের কর্মীদের এজাহারে কেন আসামি করা হয়েছিল, জানতে চাইলে মামলার বাদী পরিদর্শক হোসেন মিয়া একেটিভিকে বলেন, বিমানবন্দরের অন্য একটি সংস্থা আসামিদের আটক করে আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছিল। এ কারণে তাদের নামে মামলা হয়েছিল।

 

 

২০০০ সালে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার মামলায় ১০ জনকে বিচারিক আদালতের দেয়া মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে হাইকোর্টের রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ হয়েছে।

বাংলায় দেয়া এ রায় সোমবার প্রকাশিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ।

 

 

চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি এই রায় দেন বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি মো. বদরুজ্জামানের ভার্চ্যুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হিসেবে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এ মোহাম্মদ শাহীন মৃধা। পলাতক আসামিপক্ষের রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী ছিলেন অমূল্য কুমার সরকার। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী এসএম শাহজাহান, মোহাম্মদ আহাসান, ইমাদুল হক ও নাসির উদ্দিন।

 

 

 

এ মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ওয়াসিম আক্তার ওরফে তারেক ওরফে মারফত আলী, রাশেদ ড্রাইভার ওরফে আবুল কালাম ওরফে রাশেদুজ্জামান ওরফে শিমন খান, ইউসুফ ওরফে মোসাহাব মোড়ল ওরফে আবু মুসা হারুন, শেখ ফরিদ ওরফে মাওলানা শওকত ওসমান, হাফেজ জাহাঙ্গীর আলম বদর, মাওলানা আবু বকর ওরফে হাফেজ সেলিম হাওলাদার, হাফেজ মাওলানা ইয়াহিয়া, মুফতি শফিকুর রহমান, মুফতি আব্দুল হাই ও মাওলানা আব্দুর রউফ ওরফে আব্দুর রাজ্জাক ওরফে ওমর।

 

 

আসামি মেহেদী হাসান ওরফে আব্দুল ওয়াদুদ ওরফে গাজী খানকে বিচারিক আদালতের দেয়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ১৪ বছরের দণ্ডিত আসামি আনিসুল ইসলামের দণ্ড বহাল রেখেছেন উচ্চ আদালত।

তবে ১৪ বছরের দণ্ডিত মহিবুল্লাহ ওরফে মফিজুর রহমানের দণ্ড বহাল রেখে আদালত বলেন, দেখা যাচ্ছে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানোর পর থেকে তার ১৪ বছর দণ্ড ভোগ করা হয়ে গেছে। তাকে বিচারিক আদালত ১৪ বছর দণ্ডের পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছর করে কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন। সুতরাং জেল কোড অনুসারে এ আসামি তার ওপরে প্রদত্ত দণ্ড যদি ভোগ করে থাকেন, তবে তাকে মুক্তি দিতে (যদি অন্য কোনো মামলা না থাকে) নির্দেশ দেয়া হচ্ছে।

 

 

এছাড়া ১৪ বছরের অপর দণ্ডিত আসামি সারোয়ার হোসেন মিয়াকে খালাস দিয়েছেন উচ্চ আদালত। যদি অন্য মামলা না থাকে, তাহলে তাকে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছেন।

গত বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর এ আপিল শুনানি শুরু হয়। গত ১ ফেব্রুয়ারি শুনানি শেষে রায়ের জন্য ১৭ ফেব্রুয়ারি বুধবার দিন ধার্য করা হয়েছিল। সে অনুসারে রায় ঘোষণা করা হয়।

 

২০০০ সালে শেখ হাসিনার কোটালীপাড়ায় সফর ছিলো

 

২০০০ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরের অংশ হিসেবে কোটালীপাড়ার শেখ লুৎফর রহমান সরকারি আদর্শ কলেজ মাঠে ভাষণ দেয়ার কথা ছিল। সমাবেশের দু’দিন আগে ২০ জুলাই কলেজ প্রাঙ্গণে জনসভার প্যান্ডেল তৈরির সময় শক্তিশালী বোমার অস্তিত্ব পাওয়া যায়।

পরে ওই কলেজের উত্তর পাশে সন্তোষ সাধুর দোকানঘরের সামনে থেকে সেনাবাহিনীর একটি দল ৭৬ কেজি ওজনের বোমাটি উদ্ধার করে। পরদিন ২১ জুলাই গোপালগঞ্জ সদর থেকে ৮০ কেজি ওজনের আরও একটি শক্তিশালী বোমা উদ্ধার করা হয়।

 

 

এসব ঘটনায় আলাদা দু’টি মামলা দায়ের করা হয়। ২০১০ সালে মামলা দু’টি ঢাকার ২ নম্বর দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয়। জঙ্গি নেতা মুফতি আব্দুল হান্নানের অন্য মামলায় ফাঁসি কার্যকর হওয়ায় এ মামলা থেকে তাকে বাদ দেয়া হয়।

২০১৭ সালের ২০ আগস্ট দুই মামলার একটিতে ১০ আসামিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন আদালত।

 

এছাড়া একজন আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও তিনজনের ১৪ বছর করে কারাদণ্ড দেন ঢাকার ২ নম্বর দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মমতাজ বেগম।

 

 

রায় ঘোষণার এক সপ্তাহের মাথায় ২৭ আগস্ট বিচারিক আদালত থেকে পাঠানো ডেথ রেফারেন্স, রায় ও মামলার নথিপত্র হাইকোর্টে পাঠানো হয়।

এরপর নিয়ম অনুসারে প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্নের পর এ ডেথ রেফারেন্স শুনানির জন্য বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিমের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চের কার্যতালিকায় আসে। শুনানি শেষে ১৭ ফেব্রুয়ারি রায় দেন হাইকোর্ট।

 

 

শুভেচ্ছা কার্ড ছাড়া মিলছে না টিকা

 

চট্টগ্রাম মহানগরীতে গণটিকার ব্যাপক অনিয়ম চোখে পড়েছে। সারাদেশ ব্যাপি গণটিকাদান কর্মসূচির ‌প্রথম দিন মহানগরীতে নানা অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে নিজেদের অনুসারী ও পছন্দের লোকজনকে গত দু’দিন আগে থেকে শুভেচ্ছা কার্ড বিতরণ করেছেন বেশিরভাগ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। ফলে নিবন্ধন করেও সকাল থেকে ওয়ার্ডের টিকাকেন্দ্র থেকে টিকা না নিয়ে, লাঞ্চিত হয়েই ফিরে যেতে হয়েছে টিকা নিতে আসা সাধারণ জনগনকে।

শুভেচ্ছা কার্ড

 

ফেসবুকে মাসুদ করিম টিটু নামে এক বূক্তভোগি লিখেছেন, নিবন্ধন এর পর ম্যাসেজ তারপর টিকা গ্রহণ একটা সুন্দর প্রক্রিয়ায় ছিল। সময় লাগলেও সুন্দরভাবে হচ্ছিলো। চেয়ারম্যানের চামচা আর কাছের মানুষ দুই-চারশ’ জনকে টিকা দেয়ার প্রক্রিয়াকে গণটিকা কর্মসূচি নাম দিয়ে আওয়ামী লীগকে আমজনতার গালিগালাজ শােনানাে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার দেশপ্রেম এবং গণমুখী কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করা ছাড়া আর কিছুই না।

দেশ রূপান্তর পত্রিকার ফটো সাংবাদিক আকমল হোসেন ফেসবুকে লিখেছেন, এক মহিলা জনপ্রতিনিধির মেয়ে, ছেলেসহ কত কর্মী যে টিকা নিয়েছে তার হিসেব নাই। কিন্তু ভোর ৪টায় লাইনে দাঁড়ানো মানুষগুলোর জন্য উনি একবার নেমে এসে সহযোগিতা করলো না। এভাবে গণটিকা না দিয়ে বলে দিলেই হত যে টিকা জনপ্রতিনিধিরা তাদের সন্তান, বিশেষজন ও কর্মীদের দেয়ার পর অবশিষ্ট থাকলে সাধারণ মানুষ পাবে। এভাবে মানুষকে হয়রানি করার অর্থ নেই। মানুষের কান্না এবং দুর্দশার অভিশাপ লেগে যাবে।

 

 

ফেসবুকে এস এম সাব্বির লিখেছেন, গণটিকা হােক যাই হােক একটি বিষয়ে সাধারণ মানুষের মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া করবে। আপনার আরবান কমিউনিটি টিম যেটি সেটি করা উচিত ছিল, রাজনৈতিক দলীয় নেতা-কর্মীদের বাদ দিয়ে। এখানে যারা টিকাদান কমিটি যাদের নেতৃত্বে টিকাদান চলবে ওনারা স্বজনপ্রীতিকে প্রাধান্য দিবে সেটি শতভাগ।

শুভেচ্ছা কার্ড

অনেকে আবার হাস্যরসের মাধ্যমে প্রশ্ন তুলেছেন এই টিকা কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিয়ে। আবু রায়হান তানিন লিখেছেন, তৃণমূল পর্যায়ে গণভোগান্তি কর্মসূচি। ধন্যবাদ সংশ্লিষ্ট সকলকে।

 

চট্টগ্রাম নগরের ১৭নং পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ডের বাসিন্দা রোকেয়া বেগম বলেন, আমি গতকাল যখন ভোটার আইডি কার্ড নিয়ে এসেছিলাম তখন বারবার জিজ্ঞেস করেছি আর কিছু লাগবে কি না। তারা বলেছিলেন না লাগবে না। কিন্তু আজকে টিকা নিতে আসার পর তারা আমার কাছে শুভেচ্ছা কার্ড খুঁজে। এমন কোনো কার্ডই আমাকে দেওয়া হয়নি তাহলে আমি পাবো কোথা থেকে। গতকাল ভেবেছিলাম হয়তো টিকাটা দিতে পারবো। কিন্তু তা আর হলো না। বাসায় চলে যাচ্ছি।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ১৭নং পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোহাম্মদ শহিদুল আলম একেটিভিকে বলেন, আমার ওয়ার্ডে খুব সুন্দরভাবেই গণটিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। বয়োজ্যেষ্ঠ, প্রতিবন্ধী এদের টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।

 

রেজিষ্ট্রেশন ফর্ম পূরণ করেও টিকা নিতে না পারার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এসব মিথ্যা অভিযোগ। কতজন কত অভিযোগ করবে।

 

শুভেচ্ছা কার্ড

 

শুভেচ্ছা কার্ড বিতরণ করে টিকাদান প্রসঙ্গে কাউন্সিলর মোহাম্মদ শহিদুল আলম বলেন, শৃঙ্খলা বজায় রেখে টিকা দেওয়ার জন্য আমি শুভেচ্ছা কার্ডের মাধ্যমে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। না হলে কম্পিউটারের দোকানে যে কেউ নিবন্ধন স্লিপ বের করে লাইন ধরবে। এসব যাতে না হয় তাই আমার এই প্রচেষ্টা।

 

এদিকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পঞ্চাশের বেশি বয়সী জনগোষ্ঠী, নারী ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা দেওয়ার কথা থাকলেও নগরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে কাউন্সিলরের সরবরাহ করা বিশেষ টোকেন ছাড়া করোনার টিকা মিলেনি বলে অভিযোগ আছে। ভোর থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও টোকেন না থাকায় হতাশ হয়ে ফিরে গেছেন অসংখ্য সাধারণ মানুষ।

 

চট্টগ্রাম সিটিতে মডার্নার টিকা দেওয়ার জন্য ৪১টি ওয়ার্ডের ১২৩টি কেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়। সরেজমিন নগরের ১৬ নং চকবাজার, ১৭ নং পশ্চিম বাকলিয়া, ২৯ নং পশ্চিম মাদারবাড়ী, ৩৭ নং উত্তর মধ্যম হালিশহর ওয়ার্ড ঘুরে দেখা যায়, ছাত্রলীগের স্থানীয় কর্মীরা নিয়ন্ত্রণ করছেন টিকাদান কার্যক্রম। এসব ওয়ার্ডে ছাত্রলীগের কর্মীদের সঙ্গে টিকা নিতে আসা সাধারণ মানুষকে বাকবিতণ্ডায় লিপ্ত হতেও দেখা যায়।

 

সব বিষয় অবহিত করে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহীদুল আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি একেটিভিকে বলেন, আপনার এসব প্রশ্নের জবাব আমি দিতে পারবো না। কিছু জানার থাকলে আপনি প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

 

চসিকের স্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান ডা. সেলিম আকতার চৌধুরীর নাম্বারে বেশ কয়েকবার ফোন করলেও তিনি সাড়া দেননি।

 

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন সেখ ফজলে রাব্বি একেটিভিকে বলেন, আসলে এটা আমাদের একটা টেস্ট কেইস ছিল। সব ভুল-ত্রুটির অভিজ্ঞতা নিয়েই আমরা পরের ক্যাম্পেইন করবো। ১৪ আগস্ট আমাদের নেক্সট ক্যাম্পেইন। আশা করি, সেসময় আমরা এসব ভুল-ত্রুটি শোধরাতে পারবো।

 

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেইসবুকে অনেক সাধারণ মানুষ টিকা নিতে গিয়ে নিজের তিক্ত অভিজ্ঞতা ও ভোগান্তির কথা শেয়ার করেছেন।

বাপ্পী নীল নামে একজন লিখেছেন, ভ্যাক্সিন দিতে গিয়ে ইতিমধ্যে খারাপ আচরণের শিকার হয়েছে আজ এলাকার এক বয়স্ক মানুষ। আগামীতে আরও কী অপেক্ষা করছে সেটাই দেখার জন্য অপেক্ষা। ভ্যাক্সিন দিচ্ছে নেত্রী আর স্ট্যাটাস দিচ্ছে অমুক ভাই তমুক ভাইয়ের নির্দেশনায়।

 

সর্বশেষ টিকা নিয়েও হচ্ছে দূর্নীতি, অনিয়ম গণটিকা নিতে আসা জনগন দূর্ভোগে পড়েছে। চট্টগ্রামে ভ্যাক্সিনের জন্য এমন আহাজারি যেন দেখার কেউ নেই। নগরের কয়েকটি ওয়ার্ডে গণটিকার কর্মসুচির নামে দেখা গেছে শুভেচ্ছা কার্ড। যা সরকারের সাধারন মানুষের জন্য যে গণটিকাদান কর্মসুচি সেটিকে প্রশ্নবিদ্ধ করার প্রচেষ্টা।

 

 

 

মাত্র ৪৭ হাজার টাকায় নতুন বাইক, লিটারে মাইলেজ ৯০ কি.মি

উৎসবের মৌসুমে অতিরিক্ত বেশ কয়েকটি নতুন ফিচারসহ বাজারে এসেছে বাজাজে’র সিটি ১০০-এর নতুন মডেল। নতুন মডেলের নাম রাখা হয়েছে সিটি ১০০ কেএস।

 

এতে ৮টি নতুন ফিচার যোগ হয়েছে। আর মিলবে ৪৭ হাজার টাকারও কম দামে।

 

নতুন এই বাইকের সামনের সাসপেন্সর আগের থেকে আরামদায়ক এবং উন্নত করা হয়েছে। ফুয়েল মিটারে এমন প্রযুক্তি ব্যবহার হয়েছে যা বাইকে ঠিক কতটা পরিমান জ্বালানি রয়েছে তার সঠিক মাপ দেখাবে।

 

হ্যান্ডেলবারে ব্যবহার করা হয়েছে ক্রসটিউব, যা আরও বেশি স্টেবিলিটি দেবে। আরও আরামদায়ক সিট থাকছে নতুন মডেলে। এছাড়াও বেশ কিছু নতুন ফিচার যোগ হয়েছে বাইকটিতে।

 

 

৪৬ হাজার ৪৩২ টাকায় নতুন বাইক

গ্লস ইবনি ব্ল্যাকের সঙ্গে নীলের ছোঁয়া, ম্যাট অলিভ গ্রিনের সঙ্গে হলুদ এবং গ্লস ফ্লেম রেড এই তিনটি রঙে পাওয়া যাচ্ছে বাজাজের সিটি ১০০ কেএস এই বাইকটি। দিল্লিতে এক্স শোরুমে দাম রাখা হয়েছে ৪৬ হাজার ৪৩২ টাকা।

 

বাজাজ অটো লিমিটেডের মার্কেটিং হেড নারায়ণ সুন্দর রমন জানিয়েছেন, সিটি ব্র্যান্ডের সব মডেলই এর শক্তিশালী এবং সাশ্রয়কারী গুণের জন্য পরিচিত। এই মডেলটিও ক্রেতাদের মন কাড়বে বলে দাবি

করেছেন তিনি।

 

 

নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক

মাত্র ৯০০ টাকা কিস্তিতে লোন

 

আবাসন খাতে জমি বা ফ্ল্যাট কেনা ও বাড়ি নির্মাণ বা মেরামতে দীর্ঘমেয়াদী ঋণ দিচ্ছে বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন। ৯ শতাংশ সরল সুদে এই ঋণ পরিশোধ করা যাবে সর্বোচ্চ ২০ বছরে। আর প্রতি লাখে মাসিক কিস্তি দিতে হবে মাত্র ৯০০ টাকা।

বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশনের এমন ঋণ কার্যক্রম নিয়ে কর্পোরশনের ডিজিএম মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম জানান, পাঁচটি ক্যাটাগরিতে ঋণ দেওয়া হয়ে থাকে।

নগর এলাকায় যারা জমি বা প্লট কিনতে চান তাদের জন্য নগর বন্ধু, জেলা পর্যায়ে যারা ঋণ নিতে চান তাদের জন্য পল্লীমা, দেশের বাইরে থাকা যেসব প্রবাসীরা ঋণ নিতে চান তাদের জন্য প্রবাস বন্ধু, যারা নিজেদের স্থাপনা আরো ভালো করতে চান তাদের জন্য আবাসন উন্নয়ন আর সবশেষে যারা নিজেদের স্থাপনা মেরামত করতে চান তাদের জন্য আবাসন মেরামত নামের পাঁচটি প্যাকেজ রয়েছে।

৫ বছর মেয়াদী ঋণের জন্য প্রতি মাসে দুই হাজার ৭৬ টাকা, ১০ বছরে মাসিক ১ হাজার ২৬৮ টাকা, ১৫ বছরের জন্য মাসিক ১ হাজার ১৪ টাকা আর ২০ বছরের জন্য প্রতি মাসে কিস্তি আসবে সর্বনিম্ন ৯০০ টাকা।

খায়রুল ইসলাম বলেন, তাদের প্রতিষ্ঠান দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান যেটি আর্থিক খাতে ঋণ দেয়। এক সংখ্যার অংকে সরল সুদে ঋণ দেয়া হয়। মোট পাঁচটি ক্যাটাগরিতে ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৮০ লাখ আর জমির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ দিয়ে থাকে প্রতিষ্ঠানটি।

 

 

বাংলাদেশি নাগরিকরা সর্বোচ্চ ২০ বছরে এবং যারা প্রবাসে আছেন তারা সর্বোচ্চ ২৫ বছরে মাসিক কিস্তিতে এই ঋণ পরিশোধ করতে পারবেন। ১৮ থেকে ৬৫ বছর বয়সী বাংলাদেশের যেকোন নাগরিক শর্ত সাপেক্ষে এই ঋণ সুবিধা নিতে পারবেন।

ব্যাংকের তুলনায় কর্পোরেশন থেকে ঋণ নেওয়া সুবিধা ও লাভজনক উল্লেখ করে প্রতিষ্ঠানটির এই কর্মকর্তা বলেন, যেহেতু এটা একটি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান তাই এটির সুধ সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হয়। গ্রাহক প্রতি মাসে যে কিস্তি পরিশোধ করবেন সেটি থেকে আসলের অংকও নিয়ে থাকে প্রতিষ্ঠানটি।

এছাড়াও ব্যাংক সাধারণত দুই অঙ্কের সংখ্যার সুদে ঋণ দেয়। তাই ব্যাংকের তুলনায় তাদের থেকে ঋণ নেওয়া লাভজনক।

 

 

অন্যদিকে ব্যাংকে সাধারণত তিন মাস কিস্তি বকেয়া পড়লেই কর্তৃপক্ষ মামলা-মোকদ্দমা বা অন্যান্য আইনানুগ পদক্ষেপে চলে যায়। কিন্তু এখানে সর্বোচ্চ ২৪ কিস্তি পর্যন্ত বকেয়ার সুবিধা দেওয়া হয় গ্রাহকদের।

তাই তুলনামূলকভাবে বিচার করলে হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন থেকে ঋণ নেওয়া সুবিধার ও লাভজনক।

খায়রুল ইসলাম আরো বলেন, অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যারা ঋণ দেয় কিন্তু প্রপার্টি কিনতে হবে তাদের পছন্দনীয় জায়গা থেকে। আমাদের এখানে এ ধরনের বাধ্যবাধকতা নেই, আমরা শুধু অর্থ ঋণ দিয়ে থাকি।

গ্রাহকের যেখানে সুবিধা মনে হবে তিনি এই অর্থ দিয়ে সেখানেই প্রপার্টি কিনতে পারবেন।

কম সুদে লোন পাবেন যেসব ব্যাংকে

দেশের ৫৭টি তফসিলি ব্যাংকের মধ্যে বর্তমানে ৩৭টি ব্যাংকের ঋণের সুদহার ১০ শতাংশের নিচে। যার মধ্যে ১০ ব্যাংকের ঋণের সুদহার ৮ শতাংশের নিচে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরের মে শেষে ঋণের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর গড় সুদহার ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ। ঋণের ক্ষেত্রে সবচেয়ে কম সুদ নিচ্ছে বিদেশি ব্যাংক। ঋণের ক্ষেত্রে বিদেশি ব্যাংকগুলোর গড় সুদহার ৭ দশমিক ৮৫ শতাংশ।

বিশেষায়িত ব্যাংকের সুদহার ৯ দশমিক ৭ শতাংশ। তবে বেসরকারি অনেক ব্যাংকে এখনো ঋণের সুদহার ১০ শতাংশের উপরে রয়েছে। ঋণের ক্ষেত্রে ৮ শতাংশের নিচে সুদ নেওয়া ব্যাংকগুলো হলো- রাষ্ট্রায়ত্ত বেসিক ব্যাংক এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।

 

 

বিদেশি হাবিব ব্যাংক, সিটি ব্যাংক এনএ, কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, ওয়ারি ব্যাংক, এইসএসবিসি এবং ব্যাংক আলফালাহ লিমিটেড। এছাড়া বেসরকারি আইসিবি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড।

এছাড়া ১০ শতাংশের নিচে ঋণ দিচ্ছে ইসলামী ব্যাংক, দ্য সিটি ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, সীমান্ত ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, আল আরাফা ইসলামী ব্যাংক, ডাচ-বাংলা ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, স্টান্ডার্ড ব্যাংক, বিসিবিএল, ব্যাংক এশিয়া, ট্রাস্ট ব্যাংক, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক এবং আইসিবি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড।

 

 

লোন

 

 

৬% সুদে ঋণ পাবেন ছোট উদ্যোক্তারা

মহামারী করোনাভাইরাসের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে ছোট উদ্যোক্তারা ছয় শতাংশ সুদে ঋণ পাবেন। সরকার ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের পুনঃঅর্থায়ন তহবিল থেকে দুই শতাংশ সুদে ঋণ নিয়ে ছোট উদ্যোক্তাদের এই ঋণ দেবে ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ।

সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের এক সার্কুলারে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা অক্ষুন্ন রাখা এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে সিএমএসএমই খাতে চলতি মূলধন ঋণের পাশাপাশি মেয়াদি ঋণপ্রবাহ বাড়াতে সরকার এবং এডিবির যৌথ অর্থায়নে পরিচালিত এসএমইডিপি-২ প্রকল্পের পুনঃঅর্থায়ন তহবিল বিষয়ে কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

 

 

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ঋণের সুদ হার অংশগ্রহণকারী ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে দুই এবং গ্রাহক পর্যায়ে সর্বোচ্চ ছয় শতাংশ পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে।

পুনঃনির্ধারিত সুদ হার এ তহবিলের আওতায় সকল ঋণের ক্ষেত্রে এ বছরের ১৮ নভেম্বর থেকে কার্যকর হবে। তহবিলের অন্য শর্ত অপরিবর্তিত থাকবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে বাস্তবায়নাধীন এই পুনঃঅর্থায়ন তহবিলটি ঢাকা ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে সুবিধাবঞ্চিত কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তাদের স্বল্প সুদে এবং সহজ শর্তে ঋণ বিতরণের লক্ষ্যে গঠন করা হয়।

এ প্রকল্পের আওতায় অক্টোবর ২০২০ পর্যন্ত প্রায় তিন হাজার এসএমই প্রতিষ্ঠানকে এক হাজার কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে। তহবিলের আওতায় এ পর্যন্ত মোট ৩৩টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান চুক্তিবদ্ধ রয়েছে।

 

 

গত এপ্রিল থেকে ক্রেডিট কার্ড ছাড়া সব ধরনের ঋণের সুদের হার নয় শতাংশ করা হয়েছে। তবে সরকার ও এডিবির অর্থায়নে পরিচালিত এই তহবিল থেকে ঋণ নিলে উদ্যোক্তাদের ছয় শতাংশ সুদ দিতে হবে।

গত মার্চে দেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ার পর সরকার এ পর্যন্ত মোট সোয়া লাখ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে অন্যতম ছিল সিএমএসএমই খাতের জন্য ২০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা। তবে বার বার তাগাদা এবং সময় বাড়িয়ে এ ঋণ বিতরণে কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া যাচ্ছে না।

এই তহবিল থেকে ব্যাংকের মাধ্যমে উদ্যোক্তারা নয় শতাংশ সুদে ঋণ নিতে পারবে। তবে ব্যাংকগুলোকে চার দশমিক পাঁচ শতাংশ সুদ পরিশোধ করতে হবে, বাকি সুদ সরকার ভর্তুকি হিসেবে দেবে।

 

লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন

 

 

লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন

 

 

 

হেলেনা জাহাঙ্গীরের উত্থান যেভাবে

 

ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তা হিসেবে হেলেনা জাহাঙ্গীরের উত্থান হয়েছে অল্প সময়ের মধ্যে। রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পাশাপাশি নানা কারণে তিনি বেশ কিছুদিন ধরে আলোচনায়।
ফেসবুকে ২০ লাখের বেশি ফলোয়ার হেলেনা জাহাঙ্গীরের। বেশ কয়েক বছর ধরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এই ব্যবসায়ী ও নারী উদ্যোক্তা, যিনি যুক্ত রাজনীতির সঙ্গেও।

সম্প্রতি ‘চাকরিজীবী লীগ’ নামে একটি সংগঠনের সূত্র ধরে তিনি আবারও আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছেন। ভুঁইফোড় এ সংগঠনের সভাপতি হিসেবে তার নাম এসেছে। যদিও তিনি বলেছেন, তিনি ওই পদ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেননি।

 

ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তা হিসেবে হেলেনা জাহাঙ্গীরের উত্থান হয়েছে অল্প সময়ের মধ্যে। অষ্টম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় বিয়ে হয়ে যায় তার। নামের সঙ্গে যুক্ত হয় জাহাঙ্গীর।

 

 

 

স্বামীর সংসারে  পড়াশোনা অব্যাহত রাখেন; শেষ করেন স্নাতকোত্তর। এরপর শুরু করেন তার উদ্যোক্তা জীবন।

তিনি একাধারে প্রিন্টিং, অ্যামব্রয়ডারি, প্যাকেজিং, স্টিকার এবং ওভেন গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার। জয়যাত্রা গ্রুপের আওতায় এসব শিল্প প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তিনি। সব মিলিয়ে ১২ হাজার কর্মী কাজ করছে এসব প্রতিষ্ঠানে।

 

 

হেলেনা জাহাঙ্গীর ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অফ বাংলাদেশ চেম্বার্স অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (এফবিসিসিআই) সদস্য ও নির্বাচিত পরিচালক। এ ছাড়া তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের দুই সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএরও সক্রিয় সদস্য তিনি।

এফবিসিসিআইয়ের সদস্যপদ পাওয়ার এক মাসের মাথায় নির্বাচনে নেমে ও পরিচালক নির্বাচিত হয়ে আলোচনার জন্ম দেন হেলেনা জাহাঙ্গীর। জয়যাত্রা নামে একটি স্যাটেলাইট টেলিভিশনেরও মালিক তিনি। প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক পুরস্কৃতও হয়েছেন রোটারি ক্লাবের একজন ডোনার হিসেবে।

রাজনৈতিক অঙ্গনে রয়েছে তার দাপুটে উত্থান ও পদচারণা। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক উপকমিটির সদস্য ছিলেন। সাম্প্রতিক ঘটনার পর তাকে ওই কমিটি থেকে বাদ দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

 

হেলেনা

 

তবে হেলেনা জাহাঙ্গীর বলেছেন, তাকে এ ব্যাপারে কোনো আনুষ্ঠানিক চিঠি বা নোটিশ দেয়া হয়নি। এ ছাড়া তিনি কুমিল্লা জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ছিলেন; হয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কয়েকটি বিদেশযাত্রার সফরসঙ্গীও।

এখন আওয়ামী রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হলেও এর আগে তার জাতীয় পার্টিতে এবং তারও আগে বিএনপির রাজনীতিতে সংশ্লিষ্টতার খবর পাওয়া যায়। গণমাধ্যমে ওই দুটি দলের প্রধান খালেদা জিয়া ও হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদের সঙ্গে ছবিও প্রকাশ পেয়েছে।

 

প্রয়াত মেয়র আনিসুল হকের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ২০১৫ সালে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচন করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন হেলেনা জাহাঙ্গীর। তখন দাবি করতেন, তার কোনো রাজনৈতিক দল নেই। তিনি স্বতন্ত্র রাজনীতি করতে চান। যদিও পরে তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান।

বাংলাদেশ আওয়ামী চাকরিজীবী লীগ গঠনের ঘোষণা দিয়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন হেলেনা জাহাঙ্গীরশুধু রাজনৈতিকভাবেই নয়, বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমুলক সংগঠনগুলোর সঙ্গেও হেলেনা জাহাঙ্গীরের সম্পৃক্ততা রয়েছে। তিনি প্রায় এক ডজন সামাজিক সংগঠনের নেতৃস্থানীয় দায়িত্বে রয়েছেন।

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত ও বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব সেফায়েতুল্লাহ সেফুর (সেফুদা) সঙ্গে তার বিতর্কিত কথোপকথন সম্পর্কিত একাধিক ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। একটি গণমাধ্যমের মালিকের সঙ্গে তিনি গান গাওয়ার প্রস্তাব পেয়েছেন এমন দাবি সম্পর্কিত ফেসবুক স্ট্যাটাস এবং এ বিষয়ে ওই গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বের পাল্টা কঠোর প্রতিবাদ ফলোয়ারদের মধ্যে তুমুল আলোচনার খোড়াক জোগায়। ফেসবুকেও প্রায়শ তার নানা ধরনের পোস্ট ও লাইভ নানাভাবে আলোচিত-সমালোচিত হয়েছে।

 

 

হেলেনা জাহাঙ্গীরের জন্ম ১৯৭৪ সালের ২৯ আগস্ট ঢাকার তেজগাঁওয়ে। উইকি ফ্যাক্টসাইডার নামের একটি ওয়েবসাইটে তার পেশা হিসেবে অ্যাংকর বা উপস্থাপক উল্লেখ করা হয়েছে।

হেলেনার স্বামী জাহাঙ্গীর আলম একজন ব্যবসায়ী। ১৯৯০ সালে তারা বিয়ে করেন। তিনি তিন সন্তানের জননী।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, হেলেনা জাহাঙ্গীরের বাবা মরহুম আবদুল হক শরীফ ছিলেন জাহাজের ক্যাপ্টেন। সেই সূত্রে জন্ম কুমিল্লায় হলেও হেলেনা জাহাঙ্গীরের বেড়ে ওঠা চট্টগ্রামের হালিশহরের মাদারবাড়ী, সদরঘাট এলাকায়। পড়াশোনা স্থানীয় কৃষ্ণচূড়া স্কুলে।

চাকুরি সূত্রে তার বাবা প্রমোশনাল প্রস্তাব পেয়ে রাশিয়ায় চলে গেলে মায়ের সঙ্গে গ্রামের বাড়ি ফিরে যান হেলেনা।

 

এফবিসিসিআই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একাধিক গণমাধ্যমকে হেলেনা জাহাঙ্গীরের দেয়া সাক্ষাৎকার সূত্রে জানা যায়, বিয়ের সময় স্বামী জাহাঙ্গীর আলম নারায়ণগঞ্জের একটি প্রতিষ্ঠিত পোশাক কারখানার জিএম পদে চাকরি করতেন। পাশাপাশি সিএন্ডএফ এজেন্ট ব্যবসার সঙ্গেও সংশ্লিষ্টতা ছিল।

 

 

তবে গৃহিণী হিসেবে বসে না থেকে পড়াশোনা শেষ করে হেলেনা জাহাঙ্গীর শুরুতে চাকরির চেষ্টা করেন। বিভিন্ন জায়গায় চাকরির জন্য ইন্টারভিউও দিয়েছেন তিনি। একদিন চাকরি খোঁজার সূত্র ধরে চলে যান স্বামী জাহাঙ্গীর আলমের অফিসে। সেখানে স্বামীর অফিস কক্ষ দেখে তিনি ঠিক করেন নিজেই উদ্যোক্তা হওয়ার। স্ত্রীর প্রস্তাবে রাজি হয়ে যান স্বামী জাহাঙ্গীর আলম।

বিয়ের ছয় বছর পর ১৯৯৬ সালে রাজধানীর মিরপুর ১১ তে একটি ভবনের দুটি ফ্লোর নিয়ে তিনি শুরু করেন প্রিন্টিং ও অ্যামব্রয়ডারি ব্যবসা। পোশাক শিল্পের ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ হিসেবে নানান ধরনের পণ্যের জন্য লোগো ও স্টিকার প্রিন্ট করে এ প্রতিষ্ঠান। নিট কনসার্ন প্রিন্টিং ইউনিট লিমিটেড দিয়ে শুরু করে জয়যাত্রা গ্রুপের আওতায় একে একে হেলেনা গড়ে তোলেন জয় অটো গার্মেন্টস লিমিটেড, জেসি এমব্রয়ডারি অ্যান্ড প্রিন্টিং এবং হুমায়রা স্টিকার লিমিটেড, যার সবকটিরই ব্যবস্থাপনা পরিচালক তিনি।

হেলেনা জাহাঙ্গীর গুলশান ক্লাব, গুলশান নর্থ ক্লাব, বারিধারা ক্লাব, কুমিল্লা ক্লাব, গলফ ক্লাব, গুলশান অল কমিউনিটি ক্লাব, বিজিএমইএ অ্যাপারেল ক্লাব, বোট ক্লাব, গুলশান লেডিস ক্লাব, উত্তরা লেডিস ক্লাব, গুলশান ক্যাপিটাল ক্লাব, গুলশান সোসাইটি, বনানী সোসাইটি, গুলশান জগার্স সোসাইটি ও গুলশান হেলথ ক্লাবের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।

 

যা বললেন হেলেনা জাহাঙ্গীর

তাকে নিয়ে আলোচনার কারণ জানতে চাইলে হেলেনা জাহাঙ্গীর বলেন, ‘আমাকে ঘিরে রংচং মাখিয়ে যেসব কথাবার্তা বলা হচ্ছে, এর সবই অসত্য। এর কোনো ভিত্তি নেই। মূলত আমাকে ঘিরে স্বার্থান্বেষী মহল এক ধরনের ষড়যন্ত্র লিপ্ত। নানাভাবে তারা আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালায়। আমি যেখানে যে কাজে সম্পৃক্ত নই, সেখানেও আমাকে জড়িয়ে দেয়।’

হেলেনা জাহাঙ্গীর বলেন, ‘স্বার্থান্বেষীরা করোনা পরীক্ষা ইস্যুতে সাহেদ-সাবরিনা কেলেঙ্কারিতেও আমাকে জড়িয়েছে। এফবিসিসিআইএ নির্বাচনেও আমাকে ঘিরে অপপ্রচার হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হয়ে বিদেশযাত্রার আগে-পরেও আমাকে নিয়ে জল ঘোলা করা হয়েছে।’

আমি যা নই, আমাকে নিয়ে তা বলা হচ্ছে। আবার আমার সম্পর্কে ভাল কিছু উঠে আসলে তা নিয়ে তাদের গাত্রদাহ হয়।

 

হেলেনা জাহাঙ্গীর বলেন, ‘আমার অবস্থানে আমি পরিষ্কার। আমি অন্যায় কোনো কিছু করি না, তাই আমাকে নিয়ে যা হচ্ছে, সেগুলোর পরোয়াও আমি করি না। আমার বুকে সৎ সাহস আছে। আজকের হেলেনা জাহাঙ্গীর এমনি এমনি তৈরি হয়নি। অদম্য সাহস, সংসারের লোকদের ত্যাগ-তিতিক্ষা আর স্বামীর নিরবচ্ছিন্ন সমর্থন ও সহযোগিতার ওপর দাঁড়িয়ে আমি আজকের হেলেনা জাহাঙ্গীর।’

চাকরিজীবী লীগ করার উদ্যোগের কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি জীবনে অনেক কিছু পেয়েছি। যা পেয়েছি, তাতে আমি অনেক অনেক তৃপ্ত। নতুন করে পাওয়ার কিছু নেই, দেয়া ছাড়া। আমি চাকরিজীবী লীগ করতে যাইনি। আমাকে জড়ানো হয়েছে। ফাঁসানো হয়েছে। যার কারণে আমার নাম এখানে জড়িয়েছে, আমি তার নামে মামলা করেছি। চলতি সপ্তার মধ্যে প্রেস ব্রিফ করার ইচ্ছা আছে।’

জাতীয় পার্টি ও বিএনপিতে সংশ্লিষ্টতার হেলেনা জাহাঙ্গীর বলেন, ‘আমার বয়সই বা কত। বায়োগ্রাফি দেখুন, এতো অল্প সময়ে তিনটি রাজনৈতিক দল পরিবর্তন করা যায় কিনা বা এসব দলের প্রধানদের সংস্পর্শে যাওয়া সম্ভব হয় কিনা। আসলে দেশে একটা দল ছাড়া তো আর কোনো দল নেই। সেটা হচ্ছে আওয়ামী লীগ। আমি এই আওয়ামী লীগেই আছি। বেশ ভালভাবেই আছি। আগামীতেও থাকব।’

 

 

তিনি বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই দেশ ও সমাজের জন্য কিছু করব, সমাজে নিজের একটি অবস্থান তৈরি করব, এমন একটি স্বপ্ন মনের মধ্যে পুষে রাখতাম। আর এই স্বপ্নের অনুপ্রেরণা ছিলেন আমার বাবা। পরবর্তীতে আমার স্বপ্নের বাস্তব রূপায়নে কার্যকর সহায়তা করেছেন আমার স্বামী জাহাঙ্গীর আলম।

‘তার অনুপ্রেরণা ও সান্নিধ্য আমাকে এতদূর নিয়ে এসেছে। জীবনে যা অর্জন করেছি, তা পেয়েছি কষ্টসাধ্য পরিশ্রম, ত্যাগ, স্বামীর সূত্রে পাওয়া বিনিয়োগ এবং স্থির পরিকল্পনায় মেধা খাটিয়ে। কারো দয়ায় নয়।’

 

আরো পড়ুন: নারী দেহের যে ৫টি অঙ্গ বড় হলে সৌভাগ্যবতী হিসেবে ভাবা হয়

জীবননগরে পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় নারী, গাছে বেঁধে নির্যাতন…

 

জনবল নিয়োগ দিবে একে টেলিভিশন

 

বদলে যাচ্ছে চাকরির বাজার এবং বাড়ছে ডিজিটাল কন্টেন্টের চাহিদা। সময় পরিবর্তনের সঙ্গে মিল রেখে একে টেলিভিশন এর ডিজিটাল বিভাগে তিন ক্যাটাগরিতে জনবল নিয়োগ করা হবে।

 

 

পদের নাম:
১. ডিজিটাল কন্টেন্ট এক্সিকিউটিভ

 

 

কাজের প্রকৃতি : ডেস্ক জব

কাজের ধরণ : ফুলটাইম

বেতন : ১৪ হাজার থেকে ১৬ হাজার

প্রয়োজনীয় যোগ্যতা:

*ইউটিউবসহ সোশ্যাল মিডিয়ার কপিরাইট পলিসি সম্পর্কে সম্যক ধারণা ও জ্ঞান

*ফটোশপের বেসিক ধারণা

*এসইও সম্পর্কে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা

*কাজের চাপ নেবার ইতিবাচক মানসিকতা

*প্রয়োজনে নতুন কিছু শেখার প্রতি আগ্রহ

 

*বাংলা ও ইংরেজিতে দ্রুত টাইপ করার ক্ষমতা

*সংবাদ সম্পাদনা সম্পর্কে জ্ঞান

*বাংলা শুদ্ধ বানান জানা

 

 

দায়িত্বসমূহ:

*দিন-রাত ২৪ ঘণ্টার যে কোনো সময়ে (রোস্টার/শিডিউলের ভিত্তিতে) কাজ করার মানসিকতা

*ফেসবুক ও ইউটিউব -এর কন্টেন্ট নিয়ে সৃজনশীলতা প্রদর্শন এবং নতুন নতুন পরিকল্পনা ও ভালো ফলাফল আনার মানসিকতা

*প্রতিযোগিতাপূর্ণ অনলাইন প্ল্যাটফর্মের নতুন নতুন ফিচার ও আপডেট সম্পর্কে অবগত থাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতা

স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন (সাংবাদিকতা এবং মার্কেটিং অভিজ্ঞদের অগ্রাধিকার)

প্রয়োজনীয় দক্ষতা

*ইউটিউব, ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম সম্পর্কে অভিজ্ঞতা

*একসঙ্গে একাধিক কাজ করার ইতিবাচক মানসিকতা

 

 

পদের নাম:
২. ভিডিও এডিটর

 

 

কাজের প্রকৃতি : প্রফেশনাল ভিডিও এডিটিং ও আফটার ইফেক্টস এ দক্ষতা

কাজের ধরণ : ফুলটাইম

বেতন : ১৮ থেকে ২০ হাজার

প্রয়োজনীয় যোগ্যতা:

*ইউটিউবসহ সোশ্যাল মিডিয়ার কপিরাইট পলিসি সম্পর্কে সম্যক ধারণা ও জ্ঞান

*ফটোশপের বেসিক ধারণা

*কাজের চাপ নেবার ইতিবাচক মানসিকতা

*প্রয়োজনে নতুন কিছু শেখার প্রতি আগ্রহ

*বাংলা শুদ্ধ বানান জানা

 

 

দায়িত্বসমূহ:

*দিন-রাত ২৪ ঘণ্টার যে কোনো সময়ে (রোস্টার/শিডিউলের ভিত্তিতে) কাজ করার মানসিকতা

*ফেসবুক ও ইউটিউব -এর কন্টেন্ট নিয়ে সৃজনশীলতা প্রদর্শন এবং নতুন নতুন পরিকল্পনা ও ভালো ফলাফল আনার মানসিকতা

শিক্ষাগত যোগ্যতা:

স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে ন্যূনতম এইচএসসি পাশ

প্রয়োজনীয় দক্ষতা:

*ইউটিউব, ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম এর ভিডিও সম্পর্কে ধারণা

*একসঙ্গে একাধিক কাজ করার ইতিবাচক মানসিকতা

 

 

পদের নাম
৩. স্ক্রিপ্ট রাইটার কাম প্রেজেন্টার:

 

 

কাজের প্রকৃতি : স্ক্রিপ্ট তৈরি এবং সমসাময়িক বিষয়ের উপর উপস্থাপনা

কাজের ধরণ : ফুলটাইম অথবা পার্ট টাইম

বেতন : আলোচনা সাপেক্ষে

প্রয়োজনীয় যোগ্যতা:

* বাংলায় শুদ্ধ উচ্চারণ

* সুন্দর বাচনভঙ্গি

*প্রয়োজনে নতুন কিছু শেখার প্রতি আগ্রহ

*একসঙ্গে একাধিক কাজ করার ইতিবাচক মানসিকতা

 

 

দায়িত্বসমূহ:

* প্রয়োজনে যে কোনো সময়ে (রোস্টার/শিডিউলের ভিত্তিতে) কাজ করার মানসিকতা

*ফেসবুক ও ইউটিউব -এর কন্টেন্ট নিয়ে সৃজনশীলতা প্রদর্শন এবং নতুন নতুন পরিকল্পনা ও ভালো ফলাফল আনার মানসিকতা

শিক্ষাগত যোগ্যতা:

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী (জার্নালিজমের স্টুডেন্ট বা প্রেজেন্টেশন কোর্স সম্পন্নদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে)

আগ্রহীদের উপরের শর্তাদি পূরণ করে info@aktvbd.com ইমেইলে অথবা সরাসরি আবেদন করার জন্য অনুরোধ করা হলো। আবেদনে অবশ্যই পদের নাম উল্লেখ করতে হবে। আবেদন করতে নিচের লিংক অথবা ছবিতে ক্লিক করুন….

 

 

সরাসরি যোগাযোগ:
একে টেলিভিশন
বাড়ি-১১, সড়ক-১১, ব্লক-ডি, মিরপুর-১২, ঢাকা-১২১৬
মুঠোফোন: ০১৯১৫-৫৪৭৬৬৬
web: www.aktvbd.com

 

 

লাফালাফি করলে আবার ভিডিও ভাইরাল হবে -অভিনেত্রী কেয়া

 

 

পরিচিতির কারণে এখন সেভাবে বাইরে ঘুরতে পারেন না। তারপরও বিধিনিষেধের আগে ইচ্ছামতো সময়গুলো কাটানোর চেষ্টা করেছেন। এখন বাসায় নিজের নাটকগুলো দেখছেন।

পায়েল বলেন, ঈদ নিয়ে এখন আর আগের মতো উৎসব–উৎসব ভাব পাই না। আগে পরিকল্পনা করে শপিং করতাম। ঈদের সাত দিন পেরিয়ে গেলেও ঈদ ফুরাত না। বন্ধু আর কাজিনদের সঙ্গে আড্ডা দিতাম।

এখনো আড্ডা হয়। কিন্তু অভিনয়ের জন্য নিজের স্বাধীনতা কমে গেছে। বিরতিতে চেষ্টা করছি নিজের মতো করে সময় কাটানোর।

 

ঈদে পায়েলের ২০টি নাটক বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল ও অনলাইনে প্রচারিত হচ্ছে। তাঁর অভিনীত রাফাত মজুমদারের স্বপ্নের নায়িকা, মিজানুর রহমান আরিয়ানের শুভ প্লাস নিলা, মাহমুদুর রহমানের কাবিননামাসহ একাধিক নাটক উল্লেখযোগ্য।

এখনো বেশ কিছু নাটক মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। তিনি বলেন, ‘দর্শক আমাকে চিনছেন, আমার নাটক দেখে মন্তব্য ও সমালোচনা করছেন, এগুলোই বড় পাওয়া। আমি যদি একটুও খ্যাতি পেয়ে থাকি, সেটা ধরে রাখাই আমার কাছে বড় কথা। আমি নিয়মিত অভিনয় শিখছি। এই শেখা আমি সব সময় চালিয়ে যেতে চাই।

এবার ঈদের নাটক নিয়ে পায়েলের মন খারাপ। অনেকগুলো কাজে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পর কঠোর বিধিনিষেধের কারণে কিছু নাটকের শুটিং করতে পারেননি।

তা ছাড়া শুটিং হাউসের বাইরে বা রাস্তায় শুটিং করতে হবে, এমন গল্পে নাম লেখাননি তিনি।

পায়েল বলেন, এবার ঈদুল ফিতরের চেয়ে বেশি নাটক মুক্তির সম্ভাবনা ছিল। বিধিনিষেধে বেশ কিছু কাজ হলো না। তা ছাড়া তৌসিফ ভাইয়ের করোনা হলো।

এ ছাড়া বাইরে অনেক ভালো কিছু গল্পের চিত্রনাট্য ছিল, সেগুলো করোনা সতর্কতার কারণে করতে রাজি হইনি। সেসব গল্পের জন্য আফসোস হচ্ছে। তবে ঈদের পর এগুলোর শুটিং করব।

 

 

শে

অতিরিক্ত পড়ুন…

 

করোনার আরও ভয়ঙ্কর রূপ প্রকাশ, শুধু ফুসফুস নয় বিকল করে দিচ্ছে কিডনিও!

হযরত নূহ (আ.) এর জীবনী, আল্লাহ’র নির্দেশে বানানো সেই নৌকার ইতিকথা

এনআইডি ছাড়া যেভাবে টিকা পাওয়া যেতে পারে

৮৫ টাকার জুয়া খেলে জিতলো ৬ কোটি টাকা

শিল্পার স্বামীর পর্নো ব্যবসার জাল কলকাতা পর্যন্ত ছড়ানো

আমি দুঃখিত, লজ্জিত, বিব্রত এবং অনুতপ্ত

ভারতে ২০ লাখ অ্যাকাউন্ট বন্ধ করেছে হোয়াটসঅ্যাপ

অগ্রিম ৩৩৯ কোটি টাকার হদিস নেই, মামলার সুপারিশ ইভ্যালির বিরুদ্ধে

দেখা মিললো সাকিবের ছেলের

মাহমুদউল্লাহর অবসর নিয়ে তোলপাড়; যা বললেন আশরাফুল

বলিউড তারকা শিল্পা শেঠি ফেঁসে যাচ্ছেন!

এক গানে তিন কোটি রুপি

এবারের ঈদেও গান শোনাবেন ড. মাহফুজুর রহমান

একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক

একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক একনেক

Leave A Reply

Your email address will not be published.