উপহারের ঘর নিয়ে অভিযোগ আসছে সারা দেশ থেকেই

মুজিববর্ষে গৃহহীন ও ভূমিহীনদের জন্য আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নির্মাণ নিয়ে অভিযোগের শেষ নেই। সারা দেশ থেকে নানা অনিয়ম ও অভিযোগ জমা পড়ছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে। প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেয়েও কেউ বসবাসের সুযোগ পাচ্ছেন না। আবার কাগজে কলমে ঘর বুঝিয়ে দেওয়া হলেও ঘরের চালায় এখনো টিন লাগেনি। প্রকল্পের বিল তুলে খেয়েছেন সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ দায়িত্বপ্রাপ্তরা।

প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘরের এমন হাল দেখে হতবাক সবাই। বেশ কিছু ভাঙাচোরা ঘর পড়ে আছে; সেখানে আবার কোনোটি জোড়াতালি দিয়ে নতুন করা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসনের অসাধু কর্মকর্তাদের কারণে এমন পরিস্থিতি বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীরা।

দৌলতখানে কাজ অসমাপ্ত রেখেই বিল উত্তোলন :
দৌলতখান উপজেলায় মুজিববর্ষের ঘর নির্মাণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। কাগজ কলমে ছয় মাস আগে ঘর বুঝিয়ে দেওয়া হলেও সেসব ঘরের টিনও লাগেনি এখনো। অভিযোগ রয়েছে, ঘর নির্মাণের কাজ অসমাপ্ত রেখেই বিল উত্তোলন করেছেন সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাওসার হোসেন।

এ ছাড়া তার গাড়িচালক ও গৃহপরিচারিকার নামেও দুটি ঘর বরাদ্দ রয়েছে। অন্যদিকে উপজেলা ভূমি অফিসের নাজিরের দুজন গৃহপরিচারিকার নামেও দুটি ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া বেশ কিছু ঘর স্বজন ও সচ্ছল পরিবারকে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ রয়েছে নিজেকে মৃত দেখিয়ে স্ত্রীর নামে ঘর বরাদ্দ নিয়ে বিক্রি করে দিয়েছেন স্বামী। এমনকি সরকারি কর্মকর্তার বাবার নামেও ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

মুজিববর্ষে সারা দেশের মতো ভোলার দৌলতখান উপজেলায়ও গৃহহীন মানুষকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে প্রথম পর্যায়ে ৪২টি ঘর উপহার দেওয়া হয়। স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র জানান, সাদিয়া আফরোজ লিমা নামে এক গৃহবধূকে বিধবা দেখিয়ে তার নামে ঘর বরাদ্দ নেওয়া হয়। পরে তার স্বামী আল আমিন ঘরটি পারভীন নামে অন্য এক নারীর কাছে বিক্রি করে দেন। এমনকি এক সহকারী শিক্ষা অফিসারের বাবার নামেও ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ভূমি অফিসের এক স্টাফের বাসার কাজের লোকের নামে, ড্রাইভারের নামে। ঘরগুলো দেওয়ার কথা ভূমিহীন ও গৃহহীনদের। কিন্তু এদের প্রত্যেকেরই নিজস্ব ঘর রয়েছে। এসব ঘর বরাদ্দ দেওয়ার ক্ষেত্রে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উপজেলার চরপাতা হাইস্কুলসংলগ্ন খাসজমিতে নির্মিত একটি ঘর কাগজে কলমে নাজমা নামের এক গৃহহীন নারীকে বরাদ্দ দেখানো হলেও মূলত ঘরটির কাজ শেষ হয়নি। টিনের চালাই লাগানো হয়নি। বিল উত্তোলন করা হয়েছে। তবে সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে ছবিসহ সংবাদটি প্রকাশের পর গতকাল ওই ঘরে টিনের চাল লাগাতে দেখা গেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। স্থানীয়রা জানান, সচ্ছল ব্যক্তিদের নামে যে ঘরগুলো বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে সেগুলো খালি পড়ে আছে। এসব ঘর যাদের নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে তাদের সবাইকে ঘরে উঠে বসবাসে বাধ্য করা হলে অনিয়মের প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসবে। প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আনসার আলী গণমাধ্যমকে জানান, এসব ঘর নির্মাণে তিনি কেবল ডিজাইন অনুসারে শ্রমিকদের কাজ বুঝিয়ে দিয়েছেন।

বরাদ্দের বিষয়ে তার কিছু জানা নেই। তবে সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাওসার হোসেন জানান, ৪২টি ঘরের জন্যই টিন আনা হয়েছিল। কিন্তু পরে একই পরিবারের জন্মান্ধ তিনজনের জন্য একটি এবং প্রতিবন্ধী জামালের জন্য একটি মোট দুটি অতিরিক্ত ঘর তৈরি করা হয়। একটি ঘর প্রশাসনের কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত অর্থায়নে এবং অন্যটি জাপানের অ্যাম্বাসাডর শাহাবুদ্দিন আহমেদের অর্থায়নে তৈরি করা হয়। এ বাড়তি দুটি ঘর করতে গিয়ে একটি ঘরের টিন সংকট দেখা দেয়। ওই সময় আবুল খায়ের গ্রুপ টিন সাপ্লাই দিতে না পারায় বিলম্ব হয়েছে মাত্র। এখানে কোনোরূপ অনিয়মের প্রশ্নই আসে না। বিষয়টি জেলা প্রশাসনসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ অবহিত রয়েছেন। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ তৌফিক ইলাহী সাংবাদিকদের বলেন, ‘কোনোরূপ অনিয়ম হয়ে থাকলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শাল্লা উপজেলার পর সদর উপজেলায় সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পে নির্মিত প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘরে ফাটল দেখা দিয়েছে। অনিয়ম, দুর্নীতি, নিম্নমানের কাঁচামাল ব্যবহার এবং কর্তৃপক্ষের ঢিলেঢালা তদারকি এজন্য দায়ী বলে মনে করেন উপকারভোগীরা। এর আগে জেলার দুর্গম হাওরের উপজেলা শাল্লার বিভিন্ন ইউনিয়নে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরে ধস ও ফাটল দেখা দেওয়ায় দায়িত্বে অবহেলার কারণে শাল্লা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল-মুক্তাদির হোসেনকে ওএসডি এবং তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।
সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের সদস্য আবু আবদুল্লাহ চৌধুরী জানান, শাল্লার বেশির ভাগ ইউনিয়নের তদারকির অভাবে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নির্মাণে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে। সরকারের এমন একটি মহৎ উদ্যোগকে বিতর্কিত করার পেছনে ইউএনও ছাড়া আরও যাদের হাত রয়েছে তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার। সদর উপজেলার কাঠইর ইউনিয়নের হোসেননগর গ্রামের আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৩৭টি ঘরের মধ্যে অন্তত ছয়টিতে ফাটল দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন উপকারভোগী ভূমিহীনরা। গ্রামের ভূমিহীন আলী রাজা, রমিজ আলী, হারুন রশিদ, আবদুল কাহার, আবদুল কালাম ও গোলাম রব্বানীর ঘরে ফাটল দেখা দিয়েছে।

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. মানিক মিয়া বলেন, ‘কাঠইর ইউনিয়নে ছয়টি ঘরে ফাটল দেখা দেওয়ার বিষয় আগে জানা ছিল না। এমনটা হয়ে থাকলে আমাদের মিস্ত্রি গিয়ে মেরামত করে আসবেন। মুজিববর্ষে দেওয়া প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ১১টি ঘর ভেঙে পড়েছে মেহেন্দীগঞ্জর শ্রীপুরে। এ ছাড়া জোয়ারের পানি আটকে থাকায় ওই ঘর বসবাসের অনুপযোগী। এ ছাড়া প্রকৃত ভূমি ও গৃহহীনদের ওই ঘর দেওয়ার কথা থাকলেও অর্থের বিনিময়ে সচ্ছলদের বরাদ্দ দেয়ওার অভিযোগ উঠেছে।
মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন মাসুদ জানান, ৩১৭টি ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রথম পর্যায়ে ২৫২টি। দ্বিতীয় পর্যায়ের ৬৫টি ঘর নির্মাণাধীন। প্রথম পর্যায়ের প্রতিটি ঘর নির্মাণে বরাদ্দ দেওয়া হয় ১ লাখ ৭১ হাজার এবং দ্বিতীয় পর্যায়ের ঘরের জন্য ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা। এর মধ্যে ২৩ জানুয়ারি শ্রীপুর ইউনিয়নের কাঠের পোল এলাকায় প্রথম পর্যায়ের ৪০টি ঘর ও জমি কাগজপত্রসহ সুবিধাভোগীদের হস্তান্তর করা হয়। ৪০টি ঘরের ১৬টির পিলার বালু ধসে বাঁকা হয়ে পড়েছে। কোনো ঘরের দেয়াল ধসে পড়েছে আবার কোনোটির দেয়ালে বড় ফাটল ধরা পড়েছে। ছুটে গেছে জানালার গ্রিল। খুলে গেছে টিনের ছাউনি। বৃষ্টির সময় টিনের ফাঁকা দিয়ে ঘরে পড়ছে পানি। ক্ষতিগ্রস্ত ঘরগুলো ব্যবহার-অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

এ ছাড়া জোয়ারের সময় পানি আটকে পড়ে প্রকল্পে সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতার। বৃষ্টি হলে ঘরগুলোর মেঝেতে পানি উঠে যায়। তলিয়ে যাওয়া ও দেয়াল ধসে পড়ায় ওই ১১টি ঘরে কেউ বসবাস করছে না। খবর পেয়ে বুধবার শ্রীপুর আশ্রয়ণ প্রকল্প পরিদর্শন করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক শহীদুল ইসলাম। তিনি বলেন, ঘর ভেঙে যাওয়ার ঘটনা তদন্তে বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় ৭ জুলাই অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি কমিটি করেছে। ওই কমিটির সদস্য হিসেবে বুধবার তিনি শ্রীপুর আসেন। এ সময় একটি ক্লাস্টারে থাকা ১৬টি ঘরের দুটি একটু বেশি এবং ১৪টি আশিংক ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় দেখতে পান। ঘরগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণ এবং এজন্য কারও গাফিলতি বা দুর্নীতি আছে কি না তদন্ত করে দ্রুত সময়ের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।

এদিকে আর্থিক সুবিধা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর প্রকৃত গৃহ ও ভূমিহীনদের বঞ্চিত করে সচ্ছলদের দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শ্রীপুর ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। চেয়ারম্যানের আত্মীয় মো. রাকিব এবং আনসার সদস্য মিজানুর রহমানও ঘর পেয়েছেন। চেয়ারম্যানের প্রচেষ্টায় ক্লাস্টার ছাড়িয়ে অদূরে শ্রীপুর বাজারের ব্যবসায়ী মো. মাসুদ এবং চৌচালা ঘরের মালিক মাছ ব্যবসায়ী মো. রফিকের বসতঘর লাগোয়া দুটি ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তারা সেই ঘরে থাকেন না। তবে রান্না ও লাকড়ির ঘর হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর ব্যবহার করেন।

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. হারুন-অর রশিদ জানান, ঘর বরাদ্দে তিনি কোনো আর্থিক সুবিধা নেননি। যাদের ঘর নেই তাদের বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। কোনো দুর্নীতি কিংবা স্বজনপ্রীতি হয়নি। মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন মাসুদ বলেন, দুই মাস আগে তিনি এ উপজেলায় এসেছেন। তিনি যোগদানের আগেই প্রকল্পের সুবিধাভোগী নির্ধারিত হয়েছে। ঘর বরাদ্দে কোনো অনিয়ম-দুর্নীতি হয়েছে কি না তার জানা নেই।

অন্যদিকে, নন্দীগ্রামে সরকারি ঘর বরাদ্দ পেলেও দেয়াল ধসে দুর্ঘটনার শঙ্কায় ভূমিহীনরা এখনো ঘরে ওঠেননি। ঘরের মেঝেতে ফাটল ধরেছে। সিমেন্টের পলেস্তারা উঠে যাচ্ছে। টিন চুয়ে বৃষ্টির পানি পড়ছে। ফাটল ধরা ঘরগুলো দ্রুত মেরামত করা হচ্ছে বলে উপজেলা প্রশাসন দাবি করছে। ঘর বরাদ্দ পেয়ে যেসব ভূমিহীন এখনো ঘরে ওঠেননি তাদের এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে ঘর নির্মাণ করায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। অনেকটাই তড়িঘড়ি করে ঘরগুলো নির্মাণ ও মানসম্মত উপকরণ ব্যবহার না করায় এমন অবস্থা।

জানা গেছে, মুজিববর্ষে আশ্রয়ণ প্রকল্প-২-এর অধীনে ২০২০-২১ অর্থবছরে প্রথম পর্যায়ে নন্দীগ্রাম উপজেলায় ১৫৬ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার ঘর পায়। ঘর পাওয়া ভূমিহীনরা জানান, গোছন ও গোপালপুর পুকুরপাড়ের অনেক ঘরে ছয় মাসের মধ্যেই দেখা দিয়েছে দেয়াল, মেঝে ও বারান্দার পিলারে ফাটল। দাসগ্রাম পুকুরপাড়ে নির্মিত ১৭টি ঘরে কেউ এখনো ওঠেননি। সেখানে যাওয়ার মতো কোনো রাস্তা নেই। ফলে পরিত্যক্ত পড়ে আছে ঘরগুলো।

গোপালপুর পুকুরপাড়ে ঘর বরাদ্দ পান জালাল মন্ডল। তিনি ঘরে ওঠেননি। তার ঘরের বারান্দার পিলার ভেঙে পড়লে তড়িঘড়ি মেরামত করা হয়।সরকারের ঘর পাওয়া রিয়াজ উদ্দিন, শাহীনুর, হালিমা বিবি, আশরাফ আলীসহ অনেকে জানান, তাদের বেশ কয়েকটি ঘরের মেঝেতে ফাটল ধরেছে। নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারে এ অবস্থা। এখন ছেলেমেয়ে নিয়ে এসব ফাটল ধরা ঘরে থাকতে ভয় লাগছে। তিনি বলেন, ‘এমন ঘর পেলাম যে ঘরে থাকা ঝুঁকির ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আবু তাহের বলেন, ‘কোনো ঘরের বারান্দার পিলার ভেঙে পড়েনি। কেউ ঠেলা দিয়ে ফেলে দিয়েছে। যে ঘরগুলো একটু ফাটল ধরেছে সেগুলো মেরামত করে দেওয়া হচ্ছে।’ নন্দীগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিফা নুসরাত বলেন, ‘আমার সময়ে কাজগুলো হয়নি। ঘর বরাদ্দ পেয়ে যেসব ভূমিহীন এখনো ঘরে ওঠেননি তাদের এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে। এর পরও যদি ঘরে না ওঠেন তাহলে ঘর বাতিল করা হবে।’

Loading...