আসছে আজিজুল হাকিম আশিকের মহাজোট

আজিজুল হাকিম আশিকের মহাজোট আসছে একটু ভিন্ন প্রকৃতির বা একটু ভিন্ন আঙ্গিকের গান করতে পছন্দ করেন আজিজুল হাকিম আশিক।

 

যেখানে থাকবে একটু শিক্ষামূলক কোনো কিছু। তাই দ্বিতীয়বারের মতো নিজের আরও একটি শিক্ষামূলক মৌলিক গান উপহার দিতে চলেছেন আশিক।

 

যার প্রতিটি লাইনে লুকিয়ে আছে নিজের আত্মসমালোচনাকারী শব্দ। শিল্পীর নিজেরই কথা, সুর ও কণ্ঠে আসছে মহাজোট। যার সঙ্গীতায়োজন করেছে ফ্রান্সের ডিমান্সি।

 

আশিক বলেন, আমি গানটি নিয়ে বেশ আশাবাদী। যারা প্রকৃত অর্থে নিজের পরিবর্তন চাই, তারা অবশ্যই নিজেকে পরিবর্তনের স্পৃহা পাবে আমার এই গানটির মাধ্যমে।

 

আর আমি বিশ্বাস করি, নিজেকে পরিবর্তন করতে পারলেই পৃথিবী আবারও সুন্দর হয়ে উঠবে।

 

গানটি রিলিজ হবে আগামী ১৫ই নভেম্বর ২০২১ আজিজুল হাকিম আশিকের অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেল, স্পটিফাই, এ্যাপল মিউজিক, আমাজন প্রাইম মিউজিকসহ বেশ কিছু অডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে। গানটির প্রযোজনা করছে, রেডিও কণ্ঠ মিউজিক।

 

 

 

 

Edited By: K F

 

 

তিনটি স্যাটেলাইটের সফল উৎক্ষেপণ চীনের

 

তিনটি রিমোট সেন্সিং স্যাটেলাইটের সফল উৎক্ষেপণ করেছে চীন। দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় সিচুয়ান প্রদেশের জিচাং স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে শনিবার স্যাটেলাইটগুলো উৎক্ষেপণ করা হয় বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে সিনহুয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

সিনহুয়া জানিয়েছে, ইয়াওগান-৩৫ পরিবারের অন্তর্ভুক্ত স্যাটেলাইটগুলো লং মার্চ-২ডি ক্যারিয়ার রকেটের মাধ্যমে উৎক্ষেপণ করা হয়। স্যাটেলাইটগুলো সফলভাবে কক্ষপথে প্রবেশ করেছে বলে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

 

চীনের লং মার্চ সিরিজের ক্যারিয়ার রকেটের ৩৯৬তম মিশন উপলক্ষে ওই স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হয়েছে।

 

১৯৭০ সালে চীন প্রথম লং মার্চ ওয়ান রকেট ক্যারিয়ারের সাহায্যে মহাকাশে তাদের প্রথম স্যাটেলাইন ডংফ্যানগং ওয়ান পাঠায়।

 

এরপর চীন আরও ১৭ ধরনের লং মার্চ রকেট তৈরি করে। ১৯৭০ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত চীন যতগুলো মহাকাশ অভিযান করেছে তারমধ্যে ৯৪.৪ শতাংশ মহাকাশ অভিযানই লং মার্চ রকেটের ওপর নির্ভর করে করা হয়েছে।

 

 

 

Edited By: K F

 

 

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডাকা সভা হঠাৎ স্থগিত

 

পরিবহন ধর্মঘট ইস্যুতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডাকা সভা স্থগিত করা হয়েছে। সভা শুরুর ৪০ মিনিট আগে হঠাৎ স্থগিতের ঘোষণা দেওয়া হয়।

 

পরিবহন ধর্মঘট ইস্যুতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সন্ধ্যা ৬ সভায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ছাড়া সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত থাকার কথা ছিল।

 

উন্নয়নের স্বার্থে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে উন্নয়নের স্বার্থে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফ মাহমুদ অপু জানান, সন্ধ্যা ৬টার সভা অনিবার্য কারণে স্থগিত করা হয়েছে। পরে সভা অনুষ্ঠিত হলে যথাসময়ে জানিয়ে দেওয়া হবে।

 

 

Edited By: K F

 

 

নোবেল শান্তি পুরস্কার কার হাতে উঠতে পারে

 

বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ পদক হিসেবে বিবেচনা করা হয় নোবেল শান্তি পুরস্কারকে। সোমবার থেকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার ঘোষণা করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার নরওয়ের রাজধানী অসলো থেকে ঘোষণা করা হবে ২০২১ সালে শান্তিতে নোবেল জয়ীর নাম।

চলতি বছর পুরস্কারটি কার হাতে উঠবে তা নিয়ে চলছে আলোচনা। চলতি বছর শান্তিতে নোবেল পুরস্কার জয়ের দৌঁড়ে রয়েছে ৩২৯ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান।

তবে পুরস্কার পাওয়ার দৌঁড়ে এগিয়ে রয়েছে— বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, সুইডিশ পরিবেশ আন্দোলনকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ, বেলারুশের মানবাধিকার কর্মী সেভেতলানা তিখানোভস্কায়া, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বা রাশিয়ার বিরোধী নেতা অ্যালেক্সি নাভালনি।

এদের যে কারও হাতে উঠতে পারে চলতি বছরের নোবেল পুরস্কার- ধারণা করছে।

এর আগে ২০২০ সালে পুরস্কারটি পেয়েছিল জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)।

 

 

 

 

 

Edited By: K F

 

ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব-৭

র‌্যাব এর অভিযানে আনুমানিক ৬০ লক্ষ টাকা মূল্যের ১৯,৫৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব-৭।

চট্টগ্রাম গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে যে, কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী যাত্রীবাহী বাস যোগে বিপুল পরিমান মাদকদ্রব্য নিয়ে কক্সবাজার হতে চট্টগ্রামের দিকে আসছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে অদ্য ২৮ সেপ্টেম্বর র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম এর একটি আভিযানিক দল চট্টগ্রাম মহানগরীর কর্ণফুলী থানাধীন শিকলবাহা এলাকায় কক্সবাজার-চট্টগ্রাম হাইওয়ে সড়কের পাকা রাস্তার উপর একটি বিশেষ চেকপোস্ট স্থাপন করে গাড়ি তল্লাশি শুরু করে।

এ সময় র‌্যাবের চেকপোস্টের দিকে আসা একটি যাত্রীবাহী বাস কে থামানোর সংকেত দিলে চালক বাসটি র‌্যাবের চেকপোস্ট এর সামনে থামায়। র‌্যাব সদস্যরা বাসের ভিতরে প্রবেশ করে বাস তল্লাশী শুরু করে। তল্লাশীকালে বাসের ভিতরে থাকা একজন যাত্রীর কথোপকথনে সন্দেহ হলে আসামী মোঃ আমিরুল ইসলাম মামুন, পিতা- মৃত হাকিম উদ্দিন শেখ, সাং- সাড়দিয়ার, থানা- আতাইকুলা, জেলা- পাবনাকে আটক করে।

পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে আটককৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে তার দেখানোমতে নিজ দখলে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করে ১৯,৫৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ আসামীকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায়, সে দীর্ঘদিন যাবত কক্সবাজার জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে পরবর্তীতে তা চট্টগ্রামসহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মাদক ব্যবসায়ীর নিকট পাচার করে আসছে। উদ্ধারকৃত মাদকের আনুমানিক মূল্য ৬০ লক্ষ টাকা।

গ্রেফতারকৃত আসামী ও উদ্ধারকৃত আলামত সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে চট্টগ্রাম মহানগরীর চান্দাগাঁও থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

 

 

 

Edited By: K F

 

ছুটির দিনেও যানজট

রাজধানীতে নগরবাসীর নিত্যদিনের সঙ্গী হলো যানজট। অফিস আওয়ার্স কিংবা ছুটির দিন নগরবাসী কখনো রেখাই পান না এই ভোগান্তি থেকে।

শনিবার রাজধানীর প্রতিটি পয়েন্ট ছিল অসহনীয় যানজট। আর বাসস্ট্যান্ডগুলোতে গাড়ির জন্য দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে যাত্রীদের। রাজধানীর সাত রাস্তা, মগবাজার, বাংলামোটর, শাহবাগ ও কাওরানবাজার সরেজমিন ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

১৫ মিনিটের রাস্তা ৪০ মিনিট পার হলেও গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেনি পাঠাও চালক মো. রাসেল। তিনি বলেন, গত কয়েক দিনের ধরেই সড়কে জ্যাম বেড়েছে, আজ তো দুপুরের একটু পর থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে। রাস্তায় রাস্তায় গাড়ির জট। এ কারণে গন্তব্যে পৌঁছাতে অনেক সময় নিচ্ছে। ১৫ মিনিটের সড়ক এক ঘণ্টা পর্যন্ত চলে যাচ্ছে।

কাওরানবাজার মোড়ে বঙ্গবন্ধু এভিনিউ বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলেন নাজমুল ইসলাম। অন্যান্য দিনের মতো আজ সহজে গাড়ি মিলছে না। তিনি বলেন, বনানী যাবো। গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছি। বৃষ্টি হওয়ায় গাড়ির সংখ্যা কমে গেছে। এজন্য হয়তো গাড়ি যানজটে আটকিয়ে আছে।

কাওরানবাজারে দায়িত্বরত তেজগাঁও বিভাগের ট্রাফিক সার্জেন মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, আজ ছুটির দিন হলেও সড়কে কিছুটা যানজট বেড়েছে। তবে, বৃষ্টি থামার পর এখন আর গাড়ি থেমে নেই। গাড়ি চলছে। কিছুক্ষণের মধ্যে নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে আশা করি।

এ প্রসঙ্গে রমনা ট্রাফিক জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. রেফাতুল ইসলাম বলেন, করোনার জন্য অনেক কাজ আটকে ছিল। লকডাউনের পরে দেশ অনেকটা স্বাভাবিক হওয়ায় অনেক কাজ একসঙ্গে শুরু হয়েছে। ফলে, বেশ কিছুদিন রাজধানীর ধরে সড়কে যানজট দেখা যাচ্ছে।

এছাড়া, আজ বৃষ্টি। আমরা সাধারণত ছুটির দিগুলোতে একটু অবসর থাকি অথচ আজ উল্টো চিত্র। বৃষ্টি হওয়ায় বিকেল ৫টা পরও সড়ক স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছি। মূলত বৃষ্টি ও সড়কে বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ চলায় এমন যানজট সৃষ্টি হয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

 

 

 

 

 

ভারতে ২০৪০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি

প্রতিবেশী দেশ ভারতে সীমিত আকারে পূজা স্পেশাল হিসেবে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। ৫২ ইলিশ রপ্তানিকারককে মোট দুই হাজার ৪০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

সোমবার ২০ সেপ্টেম্বর বিকেলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের রপ্তানি-২ শাখার উপসচিব তানিয়া ইসলাম সাক্ষরিত একটি চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।

চিঠিতে বলা হয়, দুর্গাপূজা উপলক্ষে আবেদনপত্র যাচাই-বাছাই করে শর্তসাপেক্ষে ৫২টি প্রতিষ্ঠানকে ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হলো।

এর আগে ২০১৯ সালে দুর্গাপূজা উপলক্ষে ৫০০ টন ইলিশ রপ্তানি হয় ভারতে। এরপর গতবছর দেশটিতে এক হাজার ৪৭৫ টন ইলিশ রপ্তানি করা হয়।

জানা গেছে, ইলিশ রপ্তানির জন্য কোয়ারেন্টাইন আদেশসহ নানা প্রস্তুতি চলছে। আগামী সপ্তাহ থেকেই এই মাছ রপ্তানি করা শুরু হবে।

 

 

 

 

 

Edited By: K F

 

 

বিগবস ওটিটির মঞ্চে বিজয়ী হলেন দিব্যা আগরওয়াল

প্রথম থেকেই জনপ্রিয়তায় এগিয়ে ছিলেন মডেল-অভিনেত্রী দিব্যা আগরওয়াল। দর্শকের ভোটে দিব্যাই হলেন বিগবস ওটিটির প্রথম বিজয়ী।

এদিন তার হাতে বিগবসের ট্রফি তুলে দেন সঞ্চালক করণ জোহার, সঙ্গে নগদ পঁচিশ লক্ষ টাকা। দ্বিতীয় স্থান পান নিশান্ত ভাট এবং তৃতীয় স্থানে আছেন শমিতা শেঠি।

ফিনালের মাঝেই টাকায় ভরা স্যুটকেস নিয়ে শো ছেড়ে বেরিয়ে যান প্রতীক সহেজপাল। বিগবস ১৫-র প্রথম নিশ্চিত প্রতিযোগী ঘোষণা করা হয় প্রতীককে। পাশাপাশি বিগবস ওটিটি-র বিজয়ী দিব্যা আগারওয়াল সরাসরি জায়গা করে নেন বিগবস ১৫ প্রতিযোগিতায়। পাঁচ ফাইনালিস্টের মধ্যে চতুর্থ স্থানে শেষ করেছেন রাকেশ বাপাট।

এবছরই প্রথম ওটিটি প্ল্যাটফর্মে শুরু হয় ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো বিগবস। শনিবার সেই শোয়ের গ্রান্ড ফিনালেতে ছিল নানা চমক। অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন রীতেশ দেশমুখ ও জেনেলিয়া জিসুজা। প্রথমদিন থেকেই আলোচনার শীর্ষে ছিল এই শো। এই শোয়ের বিশেষ চমক ছিল কানেকশন। একে অপরের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করার খেলায় সত্যি সত্যিই একে অপরের প্রেমে পড়ে যান রাকেশ ও শমিতা, এমনটাই খবর। শনিবার শেষ হল ওটিটির পর্ব।

 

 

Edited By: K F

 

চাকরি হারানো ব্যাংকারদের জন্য সুখবর

 

করোনায় ব্যাংক কর্মীদের ছাঁটাই বন্ধে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে সুনির্দিষ্ট ও প্রমাণিত অভিযোগ ছাড়া কর্মীদের চাকরিচ্যুত করা যাবে না।

 মহামারি কোভিডকালীন সময়ে চাকরিচ্যুত বা পদত্যাগে বাধ্য হওয়া ব্যাংক কর্মীদের চাকরিতে পুনর্বহালের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

এতে বলা হয়, সম্প্রতি কিছু সংখ্যক ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারী থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে সুনির্দিষ্ট ও প্রমাণিত কোনো অভিযোগ না থাকা সত্ত্বেও কোভিডকালীন শুধুমাত্র লক্ষ্যমাত্রা অর্জন না করা বা অদক্ষতার অজুহাতে কর্মকর্তা-কর্মচারিদের চাকরিচ্যুত ও চাকরি থেকে পদত্যাগে বাধ্য করা হচ্ছে। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে পদত্যাগ করার পর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রাপ্য আর্থিক সুবিধা দেওয়া হচ্ছে না। যা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনার পরিপন্থী।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ এর কারণে সৃষ্ট আর্থিক ক্ষতি থেকে দেশের অর্থনীতি পুনরুজ্জীবিত করতে সরকার এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব অর্থায়নে বিপুল অংকের আর্থিক প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে, যা তফসিলি ব্যাংকগুলো মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ সব প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়নসহ দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে ফ্রন্টলাইনার হিসেবে ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিরবচ্ছিন্নভাবে সর্বোচ্চ ঝুঁকি নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে যাচ্ছেন। এ সময় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারী করোনা আক্রান্ত হয়েছেন এবং অনেকে মৃত্যুবরণ করেছেন।

এমন পরিস্থিতিতে ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারীকে চাকরিচ্যুত করা হলে আতংক সৃষ্টি হবে এবং তাদের মনোবল ও কর্মস্পৃহা হ্রাস পাবে। ফলে ভবিষ্যতে মেধাবী ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিরা ব্যাংকে যোগদানে অনীহা প্রকাশ করবে, যা দীর্ঘ মেয়াদে ব্যাংকিং খাতের জন্য ক্ষতির আশংকা করা হচ্ছে। তাই সুনির্দিষ্ট ও প্রমাণিত কোনো অভিযোগ না থাকলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরিচ্যুত করা যাবে না। শুধুমাত্র লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থতা বা অদক্ষতার কারণ দেখিয়ে কাউকে চাকরিচ্যুত বা পদত্যাগে বাধ্য করা যাবে না।

২০২০ সালের ১ এপ্রিল থেকে চলতি বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকের যে সব কর্মকর্তা-কর্মচারী সুনির্দিষ্ট ও প্রমাণিত কোনো অভিযোগ না থাকা সত্ত্বেও চাকরিচ্যুত হয়েছে কিংবা চাকরি থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছে তাদেরকে বিধি মোতাবেক চাকরিতে বহাল করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

এছাড়া ২০২০ সালের ১ এপ্রিল থেকে চলতি বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যে সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে বা যারা চাকরি থেকে পদত্যাগ করেছেন তাদের তথ্য আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বিআরপিডিতে পাঠাতে হবে। এ নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে। ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

 

 

 

Edited By: K F

 

ইভ্যালির সিইও রাসেল ও তার স্ত্রী আটক

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাসেলকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। এ সময় তার স্ত্রী প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনকেও আটক করা হয়। বৃহস্পতিবার ১৬ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টা ২০ মিনিটে তাদের আটক করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এ সংস্থাটি। পরে র‌্যাবের গাড়িতে তাদের নিয়ে যাওয়া হয়। র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এর আগে বিকালে ৩টার দিকে রাসেলের মোহাম্মদপুরের বাসায় অভিযান শুরু করে র‌্যাব।

এদিকে বুধবার রাতে রাজধানীর গুলশান থানায় প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ইভ্যালির সিইও মো. রাসেল ও তার স্ত্রী চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের বিরুদ্ধে মামলা করেন আরিফ বাকের নামে এক গ্রাহক।

এজাহারের বরাত দিয়ে গুলশান থানার পুলিশ জানায়, ইভ্যালির চমকপ্রদ বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ট হয়ে গ্রাহক আরিফ বাকের ও তার বন্ধুরা ওই প্রতিষ্ঠানে কিছু পণ্যের অর্ডার দেন। এরপর গত ২৯ মে থেকে ১৬ জুন পর্যন্ত বিভিন্ন সময় পণ্যের মূল্য বাবদ ৩ লাখ ১০ হাজার ৫৯৭ টাকা অনলাইন ব্যাংকিং ও একটি ব্যাংকের কার্ডের মাধ্যমে পরিশোধ করেন আরেফ বাকের।

অর্ডার করা পণ্য ৭ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে দিতে ব্যর্থ হলে সম্পূর্ণ টাকা ফেরতের দেবে বলে জানায় প্রতিষ্ঠানটি। সবশেষ ৫ সেপ্টেম্বর ইভ্যালির কাস্টম কেয়ার সেন্টার এ যোগাযোগ করে পণ্য পেতে ব্যর্থ হন। এর আগে যতবার যোগাযোগ করা হয়, ততবারই দেব দিচ্ছি বলে টালবাহানা করে তারা।

গত ২৫ আগস্ট ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চেয়ারম্যানের সব ব্যাংক অ্যাকাউন্টের হিসাব চেয়েছিল বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট। চিঠিতে ইভ্যালি প্রতিষ্ঠান, চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন ও এমডি মোহাম্মদ রাসেলের ব্যাংক হিসাবের তথ্য পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে পাঠাতে বলা হয়েছিল। গত বছরের আগস্টে বিএফআইইউ নাসরিন ও রাসেলের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে দেয়।

 

 

 

Edited By: K F

 

ইভ্যালির রাসেল ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে গুলশান থানায় মামলা

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি ডটকম লিমিটেডের চমকপ্রদ বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ট হয়ে পণ্য কিনতে ওই প্রতিষ্ঠানকে ৩ লাখ ১০ হাজার ৫৯৭ টাকা দেন আরিফ বাকের নামের এক গ্রাহক। ৭ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে পণ্য দেওয়ার কথা থাকলেও তা না দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে ওই অর্থ আত্মসাৎ করেন প্রতিষ্ঠানের দুই কর্ণধার।

এ অভিযোগে গতকাল বুধবার গভীর রাতে গ্রাহক আরিফ বাকের গুলশান থানায় প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাসেল ও তাঁর স্ত্রী চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

এজাহারের বরাত দিয়ে গুলশান থানার পুলিশ জানায়, গ্রাহক আরিফ বাকের ও তাঁর বন্ধুরা ইভ্যালির চমকপ্রদ বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ট হয়ে ওই প্রতিষ্ঠানে কিছু পণ্যের অর্ডার দেন। গত ২৯ মে থেকে ১৬ জুন পর্যন্ত আরেফ বাকের বিভিন্ন সময় পণ্যের মূল্য বাবদ ৩ লাখ ১০ হাজার ৫৯৭ টাকা অনলাইন ব্যাংকিং ও একটি ব্যাংকের কার্ডের মাধ্যমে পরিশোধ করেন।

পণ্য ৭ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে দিতে ব্যর্থ হলে সম্পূর্ণ টাকা ফেরতের অঙ্গীকার করেছিল প্রতিষ্ঠানটি। সবশেষ ৫ সেপ্টেম্বর ইভ্যালির গ্রাহকসেবা শাখায় যোগাযোগ করে পণ্য পেতে ব্যর্থ হন। এর আগে যতবার যোগাযোগ করা হয়, ততবারই তারা দেব–দিচ্ছি বলে টালবাহানা করে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ৯ সেপ্টেম্বর বাকেরসহ তিনজন ধানমন্ডির ১৪ নম্বর রোডে ইভ্যালির ‍অফিসে যান ও প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী কর্মকর্তা রাসেলের সঙ্গে দেখা করতে চাইলে তাঁরা বাধার শিকার হন। পরে বাকের বন্ধুদের নিয়ে ইভ্যালির অফিসে প্রতিনিধিদের সঙ্গে পণ্যের বিষয়ে কথা বলতে গেলে তাঁরা চিৎকার–চেঁচামেচি করেন। একপর্যায়ে অফিসের ভেতর থেকে ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাসেল তাঁকে ভয়ভীতি দেখান ও তাঁদের টাকা দিতে অস্বীকার করেন। একপর্যায়ে তিনি তাঁদের প্রাণনাশের হুমকি দেন। তখন ইভ্যালির চেয়ারম্যান সেখানে উপস্থিত হয়ে পণ্য অথবা টাকা ফেরত দিতে অস্বীকার করেন। তিনিও তাঁদের ভয়ভীতি, হুমকি দেওয়াসহ চরম দুর্ব্যবহার করেন।

মামলায় বাদী উল্লেখ করেন, ইভ্যালি পণ্য বিক্রির নামে নানা প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে তাঁর মতো অসংখ্য গ্রাহকের ৭০০-৮০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।

 

 

Edited By: K F

যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে তিনি জেএফকে বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন বলে ভয়েস অব আমেরিকার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

 

এতে বলা হয়, আগামী সেপ্টেম্বর ২৪ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভাষণ দেবেন। এর আগে তিনি ১৭ বার জাতিসংঘে ভাষণ দিয়েছেন। এবার হবে ১৮তম ভাষণ। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দলে থাকছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, প্রধানমন্ত্রীর ছেলে ও তার তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ, পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেনসহ প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

 

সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণের পর নিউইয়র্কে কর্মরত সাংবাদিকদের সংবাদ সম্মেলনে ভার্চুয়ালি কথা বলবেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি প্রবাসীদের একটি সমাবেশে একইভাবে ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেবেন। এরপর ২৫ সেপ্টেম্বর শনিবার প্রধানমন্ত্রীর ওয়াশিংটন ডিসির উদ্দেশে নিউইয়র্ক ত্যাগের কথা রয়েছে। সেখানে চিকিৎসার ফলোআপ ছাড়াও তিনি মার্কিন প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে অংশ নিতে পারেন। এদিকে আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর ভার্জিনিয়া এবং নিউইয়র্কে প্রবাসীরা শেখ হাসিনার ৭৪তম জন্মদিন উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে।

 

 

 

Edited By: K F

 

গুজরাটের নতুন মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল

ভারতের গুজরাটের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন ভূপেন্দ্র প্যাটেল। তিনি বর্তমানে রাজ্যের ঘাটলোদিয়া বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

রোববার পরিষদীয় দলের বৈঠকে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদের সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনার পর পাতিদার সম্প্রদায়ের নেতা ভূপেন্দ্র প্যাটেলকেই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করে গুজরাট বিজেপি। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।

সর্বসম্মতিক্রমেই ভূপেন্দ্রকে বিজয় রূপানির উত্তরসূরি হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। নরেন্দ্র সিং তোমর, তরুণ চুঘ এবং প্রহ্লাদ যোশী পরিষদীয় দলের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক হিসেবে।

আজ রোববার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় তিনি রাজ্যের গভর্নরের সঙ্গে দেখা করতে পারেন। নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় প্যাটেল বলেন, আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, বিজেপি সভাপতি নাড্ডা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে ধন্যবাদ জানাই।

 

 

 

 

Edited By: K F

 

জনগণকে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৭৭৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষম ৫টি বিদ্যুৎকেন্দ্র উদ্বোধন করেছেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী জনগণকে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার পরামর্শ দেন।

 

আজ রোববার সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিদ্যুৎ ভবনে বিদ্যুৎ বিভাগ আয়োজিত মূল অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এই সময় সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোও ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত ছিল।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, উৎপাদনের চেয়ে অনেক কম মূল্য সরকার গ্রাহকদের কাছ থেকে নিচ্ছে। কাজেই ব্যবহারে সাশ্রয়ী হলে আরও বেশিসংখ্যক জনগণকে বিদ্যুতের আওতায় আনা সম্ভব হবে।

 

বিদ্যুৎকেন্দ্র পাঁচটি হলো হবিগঞ্জের জুলদায় বিবিয়ানা-৩ এর ৪০০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্র, চট্টগ্রামের ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র ইউনিট-২, নারায়ণগঞ্জের মেঘনা ঘাট ১০৪ মেগাওয়াট পাওয়ার প্ল্যান্ট, বাগেরহাটের মধুমতী ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সিলেটের ১৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ১৫০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্রে উত্তরণ।

 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ ভবনের বিজয় হল থেকে প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদবিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ওয়াসেকা আয়েশা খান, জ্বালানি বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আনিসুর রহমান, বিদ্যুৎ সচিব মো. হাবিবুর রহমান, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের  চেয়ারম্যান ও গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউস উপস্থিত ছিলেন।

বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের সূত্রমতে, ২০০৯ সালে কাজ শুরুর পর সরকার সফলভাবে ২০ হাজার ২৯৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষম ১১৯টি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার ২০২১ সাল নাগাদ ২৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল। তবে এর মধ্যে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়েছে। বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদন ২৫ হাজার ২৩৫ মেগাওয়াটে পৌঁছেছে, যা ২০০৯ সালে ছিল ৪ হাজার ৯৪২ মেগাওয়াট। ৯৯ দশমিক ৫ শতাংশ জনগণকে বিদ্যুতের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে।

 

 

 

Edited By: K F

 

ওমরাহ করতে পারবেন দৈনিক ৭০ হাজার মানুষ

করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল ওমরাহ। সৌদি আরব করোনাসংক্রান্ত বিধিনিষেধ শিথিল করার পর গত ১৫ আগস্ট থেকে বিদেশিরা দেশটিতে ওমরাহ আদায় করতে আসার সুযোগ পান। শুরুতে সীমিতসংখ্যক মানুষকে এ সুযোগ দেওয়া হলেও এখন তা বাড়িয়েছে কর্তৃপক্ষ। এখন থেকে দৈনিক ৭০ হাজার মানুষ ওমরাহ করতে পারবেন।

পবিত্র দুই মসজিদ সম্পর্কিত কার্যালয়ের প্রধান শেখ আব্দুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল-সোদাইসের নেতৃত্বে দৈনিক ৭০ হাজার মানুষ যেন ওমরাহ আদায় করতে পারেন সে রকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

দেশটির হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দৈনিক ওমরাহ আদায়কারীর সংখ্যা বাড়িয়ে ৭০ হাজার করা হলেও স্বাস্থ্য সচেতনতা ও করোনাবিধির প্রতি সম্পূর্ণরূপে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

এর আগে সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ সেক্রেটারি আব্দুল আজিজ ওয়াজান জানিয়েছিলেন, ওমরাহ আদায়কারীদের সংখ্যা ৬০ হাজার থেকে ৯০ হাজার এবং এক লাখ ২০ হাজার পর্যন্ত বাড়ানো হবে।

 

 

 

Edited By: K F

 

মসজিদে গানের ভিডিও, বলিউড অভিনেত্রীকে গ্রেফতারের নির্দেশ

ঐতিহাসিক মসজিদে গানের ভিডিও করার অভিযোগে এক বলিউড অভিনেত্রীকে গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছেন পাকিস্তান আদালত।

খবরে বলা হয়, বলিউডে ইরফানের বিপরীতে অভিনয় পাকিস্তানি অভিনেত্রী সাবা কামারের কবুল হ্যায় শিরোনামে একটি গানের দৃশ্য একটি ঐতিহাসিক মসজিদের সামনে করা হয়। এ ঘটনায়  তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

 

অভিনেত্রী সাবা কামারের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি এবং আরও কয়েকজন মিলে লাহোরের একটি ঐতিহাসিক মসজিদে নাচের ভিডিয়ো শ্যুট করেছেন।

শুনানির সময় একাধিকবার অনুপস্থিত থাকার কারণে সাবা এবং কণ্ঠশিল্পী বিলাল সাঈদের বিরুদ্ধে লাহোরের ম্যাজিস্ট্রেট আদালত জামিনযোগ্য পরোয়ানা জারি করেছে। ৬ অক্টোবর পর্যন্ত মামলার শুনানি স্থগিত রেখেছে আদালত।

 

গত বছর লাহোর পুলিশ সাবা এবং বিলালের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের দণ্ডবিধির ২৯৫ ধারায় একটি অভিযোগে দায়ের করে। তাদের অভিযোগ, অভিনেত্রী এবং গায়ক লাহৌরের ওয়াজির খান মসজিদে ‘অশোভন’ ক্রিয়াকলাপ করেছেন। এফআইআরে বলা হয়েছে, তাঁরা মসজিদের নাচের ভিডিয়ো শ্যুট করে সেখানকার পবিত্রতা নষ্ট করেছেন। পাকিস্তানের জনসাধারণও এই বিষয় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন।

 

সাবা বলেছিলেন, আমরা একটি বিয়ের দৃশ্য শ্যুট করেছিলাম। কিন্তু তার সঙ্গে কোনও গান ব্যবহার করা হয়নি বা পরবর্তী সময়েও প্রযুক্তির মাধ্যমে কোনও গান যোগ করা হয়নি।’

বলিউডেও কাজ করেছেন সাবা। ২০১৭ সালে হিন্দি মিডিয়াম ছবিতে ইরফান খানের বিপরীতে দেখা গিয়েছিল তাকে।

 

 

 

Edited By: K F

 

রিয়েলিটি শোতে আবার এক যুগ পর পড়শী

যে রিয়েলিটি শো থেকে উঠে এসেছিলেন, আবার সেই রিয়েলিটি শোতেই ফিরছেন কণ্ঠশিল্পী পড়শী। প্রায় এক যুগ আগে একটা গানের প্রতিযোগিতায় তিনি ছিলেন প্রতিযোগী। আর এবার বিচারকের আসনে বসবেন পড়শী।

 

বেসরকারি টিভি চ্যানেল আরটিভিতে শুরু হচ্ছে তরুণদের জন্য সংগীতবিষয়ক রিয়েলিটি শো ইয়াং স্টার। এতে বিচারক প‍্যানেলের অন্যতম বিচারক পড়শী। প্রথমবারের মতো কোনো রিয়েলিটি শোর বিচারকের আসনে বসতে যাচ্ছেন তিনি। এ নিয়ে এই গায়িকার উচ্ছ্বাসের সীমা নেই। কারণ, রিয়েলিটি শোর মাধ্যমেই তো তাঁর ক্যারিয়ারের শুরু। সেখানকার বিচারকদের অনুপ্রেরণাতেই তো সংগীতাঙ্গনে আজ এত দূর।

 

শুরুর সেই দিনগুলো স্মরণ করে পড়শী বলেন, তখন আমি মঞ্চে বিচারকদের সামনে গান গেয়েছি। এবার বিচারকের আসনে বসে প্রতিযোগীদের গান শুনব। একজন প্রতিযোগী যখন স্টেজে গান করতে আসেন, তখন তাঁর থাকে অনেক স্বপ্ন, তাঁর ভেতরে ভয়মিশ্রিত রোমাঞ্চ কাজ করে। সেই অভিজ্ঞতার মধ‍্য দিয়ে আমিও এসেছি। চেষ্টা করব আমার অভিজ্ঞতা দিয়ে প্রতিযোগীদের অনুপ্রাণিত করতে।

 

সংগীতজীবনের এতটা পথ পাড়ি দিতে পেরে নিজের বিচারকদের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন পড়শী। বিশেষ করে সামিনা চৌধুরী ও কুমার বিশ্বজিতের কাছে তাঁর অনেক ঋণ।

সেদিনের কথা মনে করে পড়শী বলেন, আমাকে একদিন কুমার বিশ্বজিৎ স্যার বলেছিলেন, তুইও একদিন বিচারক হবি। স্যারের সেদিনের আশীর্বাদ সত্যি হতে যাচ্ছে। আমি অনেক আনন্দিত। আমি আসলে বিচার করব না। গানের বিচার হয় না। নানা রকম গান শুনব সারা দেশ থেকে আসা প্রতিযোগীদের কাছ থেকে আর তাদের প্রেরণা দেব।

 

সোহাগ মাসুদ প্রযোজিত মিউজিক্যাল রিয়েলিটি শোটির নিবন্ধন শুরু হবে শুক্রবার। ১২ থেকে ২২ বছরের যে কেউ এতে অংশ নিতে পারবেন।

এ জন‍্য যেকোনো একটি বাংলা গান খালি গলায় অথবা যেকোনো একটি বাদ্যযন্ত্রের মাধ্যমে গেয়ে মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করে আরটিভি প্লাস অ্যাপ ইনস্টল করে রেজিস্ট্রেশন নাউ’ বাটনে ক্লিক করে যথাযথ তথ্য পূরণের মাধ্যমে ভিডিওটি পাঠিয়ে দিতে হবে rtv.youngstar@gmail.com ঠিকানায় অথবা www.facebook.com/Rtvrealityshows এর মাধ্যমেও প্রতিযোগীরা গান পাঠাতে পারবেন। গত সোমবার প্রয়াত ঢালিউড তারকা সালমান শাহ স্মরণে তাঁর সিনেমার একটি গান কাভার করেছেন পড়শী। সংগীতচিত্রসহ গানটি দেখা যাবে অনুপমের ইউটিউব চ‍্যানেলে।

 

 

 

Edited By: K F

 

খেলার মাঠেই ফুটবলারের মৃত্যু

খেলার মাঠেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তরুণ ফুটবলারের মৃত্যু হয়েছে। চেষ্টা করেও বাঁচানো গেল না ১৭ বছর বয়সী ওই ফুটবলারকে।

গত বৃহস্পতিবার এফএ ইয়ুথ কাপের ম্যাচ চলাকালীন সময়ে এমন ঘটনা ঘটে।

ওয়েস্ট ব্রিজফোর্ডের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার নটিংহ্যামের রেগাটা ওয়েতে খেলছিলেন ইংলিশ ফুটবলার ডিলান রিচ। ওয়েস্ট ব্রিজফোর্ড কোল্টস এবং বস্টন ইউনাইটেডের মধ্যে খেলা ছিল। খেলা চলাকালীন মাঠের মধ্যে হঠাৎ পড়ে জ্ঞান হারান তিনি।

খেলা থামিয়ে মাঠেই ডাকা হয় চিকিৎসকদের। মাঠের মধ্যেই ডিলান রিচের জ্ঞান ফেরানোর চেষ্টা করা হয়। ডেফিব্রিলেটর দিয়ে শকও দেওয়া হয়।

কিন্তু কিছুতেই কাজ হয়নি। সঙ্গে সঙ্গে নটিংহ্যামের ক্যুইন্স মেডিক্যাল সেন্টারে নিয়ে যাওয়া ডিলান রিচকে।  কিন্তু শনিবার না ফেরার দেশে পারি জমান ইংলিশ এ তরুণ ফুটবলার।

 

 

 

 

Edited By: K F

 

তানজিন তিশা, একদিন তুমি আমার অনুপস্থিতি টের পাবে

 

জনপ্রিয় মডেল ও নাট্যাভিনেত্রী তানজিন তিশা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ছবি পোস্ট করেছেন।

রোববার সকালে নিজের ভেরিফায়েড ইনস্টাগ্রাম অ্যাকান্টে পোস্ট করা ছবিটিতে লেখা রয়েছে – একদিন তুমি আমার উপস্থিতি অথবা অনুপস্থিতি অনুভব করতে পারবে।

ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে, একটি বড় নৌকার ডেকে বিরহ ভঙ্গিতে বসে আছেন অভিনেত্রী।

তিশার এই ছবি ও ক্যাপশন নিয়ে অনুরাগীদের মধ্যে কৌতূহল শুরু হয়েছে।  তবে কাকে উদ্দেশ করে তিনি এই পোস্ট দিয়েছেন তা স্পষ্ট নয়।

 

 

 

 

তুর্কি মন্ত্রীর বাসভবনে ক্যাটরিনাকে নিয়ে সালমান।

তুর্কি মন্ত্রীর আমন্ত্রণে সাড়া দেন সালমান। নায়িকা ক্যাটরিনা কাইফকে নিয়ে শুক্রবার ছুটে যান মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে। তারা সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে নৈশভোজেও অংশ নেন।

সালমান-ক্যাটরিনার সঙ্গে নৈশভোজের ছবি ইনস্টাগ্রামে নিজেই শেয়ার করেছেন মন্ত্রী মেহমেত নুরি এরসো।

তিনি ছবির ক্যাপশনে লেখেন আমরা বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা সালমান খান এবং ক্যাটরিনা কাইফের সঙ্গে একত্রিত হয়েছি, যারা তাদের নতুন প্রকল্পের জন্য আমাদের দেশে এসেছেন। তুরস্ক সবসময় আন্তর্জাতিক তারকাদের নিয়ে চলচ্চিত্র প্রকল্পের আয়োজন অব্যাহত রাখবে।

মেহমেত নুরি এরসোর শেয়ার করা ছবিতে ক্যাটরিনা ও সালমানকে মন্ত্রী এবং অন্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে পোজ দিতে দেখা যাচ্ছে। একটি ছবিতে সালমান খানকে মন্ত্রীর সঙ্গে হাত মেলাতেও দেখা যায়।

ছবিগুলো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। ভারতের নেটিজেনরা তাদের তারকাদের সম্মান জানানোর জন্য তুরস্ককে ধন্যবাদও জানাচ্ছেন।

প্রসঙ্গত যশরাজ ফিল্মস প্রযোজিত টাইগার থ্রি সিনেমার কাজ চলছে পুরোদমে। সালমান খান ও ক্যাটরিনা কাইফ রাশিয়ায় প্রথম অংশ নেন এই সিনেমার দৃশ্যধারণে। সেখানে কাজ শেষ করে তারা তুরস্কে গেছেন।

 

 

 

 

 

 

Edited By: K F

 

৫ মাস পর বাংলাদেশ-ভারত ফ্লাইট চালু

এয়ার বাবল চুক্তির আওতায় প্রায় পাঁচ মাস পর বাংলাদেশ-ভারত ফ্লাইট চালু হয়েছে।  রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের চেন্নাই ফ্লাইট দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে এই ফ্লাইট চলাচল।

এ সময় রাজধানীর শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ১৩৫ জন যাত্রী নিয়ে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিএস-২০৫ ফ্লাইটটি চেন্নাইয়ের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।  একই দিন ঢাকা থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট কলকাতা এবং ইন্ডিগো এয়ারের একটি ফ্লাইট কলকাতা থেকে ঢাকায় আসার কথা রয়েছে। তিনটি ফ্লাইট ফিরতি যাত্রী বহন করে আজই নিজ নিজ দেশে ফিরবে।

এর আগে শনিবার বেসামরিক বিমান পরিবহন কর্তৃপক্ষ  এক বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা দেয়।

সংস্থাটির চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম. মাফিদুর রহমান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সব ধরনের যাত্রীর ভ্রমণের ৭২ ঘণ্টা আগে করোনা পরীক্ষা সরকারি কেন্দ্র থেকে সম্পন্ন করতে হবে।  দুদেশের নিয়ম অনুসারে যাত্রীরা কোয়ারেন্টিনে থাকবেন।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স জানিয়েছে, রোববার থেকে ঢাকা-কলকাতা রুটে বিমানের প্রথম ফ্লাইট যাবে।  এরপর ৭ সেপ্টেম্বর থেকে ঢাকা-কলকাতা রুটে প্রতি মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার দুটি ফ্লাইট পরিচালনা করবে তারা। এছাড়া ঢাকা-দিল্লি রুটে বিমানের ফ্লাইট চালু হবে ৮ সেপ্টেম্বর। সপ্তাহে রোববার ও বুধবার দুটি ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে এ রুটে।

দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরুর পর চলতি বছরের ১৪ এপ্রিল বন্ধ ঘোষণা করা হয় সব আন্তর্জাতিক ফ্লাইট।  ১৬ দিন বন্ধ থাকার পর ১ মে থেকে ১২টি দেশ ছাড়া অন্যদের সঙ্গে আকাশপথ খুলে দেয়া হয়।  এই ১২টি দেশের মধ্যে ছিল ভারতও।

 

 

 

Edited By: K F

 

বার্বি, জোজো আর ক্যান্ডির জন্য মিমের ইনস্টাগ্রাম

বাইরে থেকে বাসায় ঢোকার সঙ্গে সঙ্গেই বিদ্যা সিনহা মিমের পিছু নেয় বার্বি, জোজো ও ক্যান্ডি। এগুলো তাঁর পোষ্য কুকুর ও বিড়াল। সময় পেলেই তাদের সঙ্গে খুনসুটিতে মেতে ওঠেন এই অভিনেত্রী। এসব মুহূর্ত আবার নিজেই ক্যামেরাবন্দী করে রাখেন তিনি। মজার সব ছবি। এগুলো দর্শকের সঙ্গে ভাগাভাগি করতে ইনস্টাগ্রামে এবার নতুন একটি আইডি খুলেছেন মিম।

এই আইডিতে তাঁর কাজ ও ব্যক্তিগত কোনো ছবি থাকবে না। থাকবে শুধু তাঁর কুকুর ও বিড়ালের ছবি।

মিম বলেন, আমার দুইটা বিড়াল ও একটি কুকুর আছে। শুটিং না থাকলে আমার এদের সঙ্গেই সময় কাটে। তাদের সঙ্গে অনেক মজার মুহূর্তের ছবি ওঠানো রয়েছে। তারা বললেই ক্যামেরার দিকে তাকায়। আমি নিজেই তাদের ছবি তুলি। আমর সঙ্গের ছবিগুলো মা এবং আমার সহকারী তুলে দেন। এই ছবিগুলো অনেক মজার। আমার বোন অস্ট্রেলিয়ায় থাকে। তাকে ছবিগুলো পাঠাই। সে ছবি দেখে বলল একটি ইনস্টাগ্রাম আইডি খুলে ছবিগুলো পোস্ট করতে। যাঁরা পশু পছন্দ করেন, তাঁরা ছবিগুলো দেখে মজা পাবেন। সে জন্য আইডি খুলে কুকুর-বিড়ালের কাণ্ডকারখানার ছবি শেয়ার করছি।

 

মিম এখন ‘অন্তর্জাল’ সিনেমা নিয়ে ব্যস্ত। সিনেমার তাঁর অংশের ৬০ ভাগ শুটিং শেষ হয়েছে। শিগগির বাকি অংশের শুটিংও শেষ হবে। সিনেমাটি নিয়ে তিনি আশাবাদী। মিম বলেন, যতটুকু শুটিং করেছি, ভিন্ন এক অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছি। দর্শক নতুন এক মিমকে পর্দায় দেখবেন।

 

এর মধ্যে আবার ১০ কেজির মতো ওজন কমিয়েছেন। শুটিং থাকলেও এক ঘণ্টা সময় শরীরচর্চা করেন। নতুন সিনেমার খবর কী? মিম বলেন, একটি সিনেমার কথা পাকা হয়ে আছে। এখনো চুক্তি হয়নি। শিগগির সুখবর জানাব। মিম অভিনীত ‘পরান’, ‘দামাল’, ‘ইত্তেফাক সহ একাধিক সিনেমা মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

 

 

 

Edited By: K F

 

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললে যেভাবে হবে ক্লাস

দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর বন্ধের পর ১২ সেপ্টেম্বর থেকে প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হলেও শুরুতে একসঙ্গে সব শ্রেণির ক্লাস হবে না।  ধাপে ধাপে বিভিন্ন শ্রেণির ক্লাস  হবে।

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি আজ শুক্রবার  বলেন, প্রথমে হয়তো এ বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থী এবং আগামী বছরের পরীক্ষার্থী প্রতিদিনই ক্লাস করবে। বাকি শ্রেণির ক্লাস হয়তো গোড়াতে এক দিন করে হবে। পরে অবস্থা বুঝে ধীরে ধীরে তা বাড়ানো হবে। একই সঙ্গে অনলাইন ও টেলিভিশনের ক্লাসও চলবে।

করোনার কারণে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি চলছে। সরকারের সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী চলতি বছরের ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ছুটি রয়েছে। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে ছুটি আর বাড়ছে না। শিক্ষামন্ত্রী আজ  বলেন, তাঁরা আশা করছেন ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ক্লাস শুরু হবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বৈঠক করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার পক্ষে মত দেয় করোনা সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শ কমিটি। বৈঠক শেষে রাত পৌনে ১২টায় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ সহিদুল্লা  বলেন, করোনা সংক্রমণের সর্বোচ্চ পজিটিভ হার থেকে ৭০ শতাংশ কমে যাওয়া এবং ধীরে ধীরে করোনার টিকা প্রাপ্তি নিশ্চিত হওয়ায়  সাবি৴ক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এবং জনস্বাস্থ্যবিষয়ক বেশ কিছু সতক৴তামূলক ব্যবস্থা নেওয়া সাপেক্ষে এখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া যায়।

 

একই দিন রাতে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের এক অনুষ্ঠানে ইঙ্গিত দেন, হয়তো ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ধাপে ধাপে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

গত ২৬ আগস্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এক সভায় পরিকল্পনা করা হয়, টিকা দেওয়া সাপেক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আগামী ১৫ অক্টোবরের পর থেকে খুলতে পারবে। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্রমতে, ১৫ অক্টোবরের পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার যে পরিকল্পনা করা হয়েছে, সেটি আলোচনা সাপেক্ষে পরিবর্তিত হতে পারে। অথা৴ৎ, এগিয়ে আসতে পারে। অবশ্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শিক্ষা বিষয়ে নিজেরাই সিদ্ধান্ত নেয়।

২৬ আগস্টের ওই সভায় উচ্চমাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত করোনা সংক্রমণের হার ৫ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশের মধ্যে নামলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা যায় কি না সে বিষয়ে করোনা সংক্রান্ত কারিগরি পরামর্শক কমিটির পরামর্শ চাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। সেই সিদ্ধান্ত চাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল রাতে বৈঠকে বসে কারিগরি কমিটি। সেখানেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার পক্ষে মত উঠে আসে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রমতে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার বিষয়ে আগামী রোববার আন্তমন্ত্রণালয় সভা ডাকা হয়েছে। সেখানে হয়তো আরও বিস্তারিত বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।

জাতিসংঘ শিশু তহবিল বা ইউনিসেফের ২৪ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোভিডের কারণে স্কুল বন্ধের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশ্বের দ্বিতীয় দীর্ঘতম দেশ। দীর্ঘ বন্ধের ফলে প্রাক্‌-প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা স্তর পর্যন্ত চার কোটির বেশি শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

 

প্রায় সবকিছু খুলে দেওয়ার পর এখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। ১৮ আগস্ট সচিব সভায় করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি এবং টিকা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকালও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় সংসদে বলেছেন, শিগগিরই স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়ার জন্য তিনি নির্দেশ দিয়েছেন। সে অনুযায়ী ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে।

 

 

 

 

 

Edited By: K F

 

মার্চেন্টদের কাছে ইভ্যালির দেনা ১৯০ কোটি টাকা

যেসব কোম্পানির কাছ থেকে ইভ্যালি বাকিতে পণ্য নিয়েও টাকা পরিশোধ করেনি, তাদের কাছে ইভ্যালির দেনা ১৯০ কোটি টাকা। গত ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংক কোম্পানিটির এ হিসাব দিয়েছিল।

এরপর বাণিজ্য মন্ত্রণালয় গত ১৫ জুলাই পর্যন্ত মার্চেন্টদের কাছে দেনার পরিমাণ জানতে চেয়ে ইভ্যালিকে চিঠি দিয়েছিল গত ১১ আগস্ট। জবাব দেওয়ার শেষ সময় ছিল গতকাল বৃহস্পতিবার।

ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রাসেল জানান, গতকাল জবাব দেওয়া হয়েছে। তবে মার্চেন্টদের সংখ্যা ও দেনার পরিমাণ জানাতে চাননি তিনি।

ইভ্যালির গতকালের জবাবটি ছিল তৃতীয় পর্যায়ের। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ইভ্যালিকে গত ১ আগস্টের মধ্যে তিন ধরনের হিসাব দিতে বলেছিল। এগুলো হচ্ছে কোম্পানির সম্পত্তি ও দায় গ্রাহকদের কাছে দায়, মার্চেন্টদের সংখ্যা ও তাদের কাছে দায় এবং দায় পরিশোধের পরিকল্পনা।

ইভ্যালি জবাব না দিয়ে ছয় মাসের সময় চেয়ে ১ আগস্ট আবেদন করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় তা না মেনে আন্তমন্ত্রণালয়ের বৈঠক ডাকে গত ১১ আগস্ট। সেই বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইভ্যালিকে ১৯ ও ২৬ আগস্ট এবং ২ সেপ্টেম্বর হিসাব দিতে বলা হয়।

ইভ্যালির তথ্যানুযায়ী, গত ১৫ জুলাই পর্যন্ত কোম্পানিটির মোট দায় ৫৪৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে স্থাবর সম্পত্তি ১০৫ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। আর অস্থাবর সম্পত্তি ৪৩৮ কোটি টাকা। অস্থাবর সম্পত্তির মধ্যে ৪২৩ কোটি টাকা হচ্ছে ইভ্যালির ব্র্যান্ড মূল্য, আর ১৫ কোটি ৮৩ লাখ টাকা হচ্ছে অদৃশ্যমান সম্পত্তি। এ ছাড়া ২ লাখ ৮ হাজার গ্রাহকের কাছে ইভ্যালির দেনার পরিমাণ ৩১১ কোটি টাকা।

 

 

 

 

 

Edited By: K F

 

 

মিরপুরের উইকেটের সমালোচনায় অলরাউন্ডার সাইফউদ্দিনও

টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে বুধবারের আগে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সেভাবে দাঁড়াতেই পারেনি বাংলাদেশ। ১০টি ম্যাচ খেলে সবগুলোতেই হেরেছে।

কিন্তু মিরপুর শেরেবাংলায় বুধবারের ম্যাচে দৃশ্যপটই পাল্টে গেল। কিউইয়ের পাত্তাই দিলেন না টাইগাররা। মোস্তাফিজ-সাকিবদের তোপে ৬০ রানেই গুঁড়িয়ে গেছে টম ল্যাথামের দল। পাঁচ ম্যাচের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ৭ উইকেটে জিতেছে বাংলাদেশ।

এমন জয়ের পরও উইকেটের সমালোচনা করেছেন ক্রিকেটবোদ্ধারা। তাদের মতে, এমন স্পিনসহায়ক ম্যাড়ম্যাড়ে উইকেটে খেলে বিশ্বকাপের সঠিক প্রস্তুতি নিচ্ছে না বাংলাদেশ।

সেসব বোদ্ধার কথায় সহমত বাংলাদেশ দলের পেস-অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। তিনিও জানালেন এমন উইকেটে অভ্যস্ত হওয়া যাবে না। মিরপুরের অভিজ্ঞতা আত্মবিশ্বাস জোগালেও বিশ্বকাপে কাজে দেবে না।

 

এর ব্যাখ্যায় বৃহস্পতিবার এক ভিডিওবার্তায় সাইফউদ্দিন বলেন, সামনে বিশ্বকাপের প্রথম পর্ব। এর পর সংযুক্ত আরব আমিরাতে খেলা হবে। তখন অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং হবে। হয়তোবা এখানকার অভিজ্ঞতাটা খুব একটা কাজে আসবে না। কিন্তু আÍবিশ্বাস নিয়ে যেতে চাই। শেষ কয়েকটা সিরিজে বাংলাদেশ দুর্দান্ত খেলছে। যদিও বিশ্বকাপ খেলতে গেলে কন্ডিশন একটু ভিন্ন হবে। বিষয়টি বুঝতে হবে ক্রিকেটপ্রেমীদেরও।

 

এমন দুর্দান্ত জয়ে উইকেটের ভূমিকাকেই বেশি বলে ধারণা দিলেন সাইফউদ্দিন। বললেন, মিরপুর চেনা কন্ডিশন। আমার ক্যারিয়ারের বেশিরভাগ ম্যাচই আমি এই উইকেটে খেলেছি। স্পিন উইকেট হওয়ায় পেসারদের আরও সুবিধা হয়েছে। কাটার বেশি ধরছে অন্য উইকেটের চেয়ে। তাই সুবিধাটা পেয়েছি। ওরা স্পিন বলে রান নিতে পারছিল না, চান্স নেওয়ার কারণে আমরা উইকেটগুলো পেয়েছি। এটা আমাদের জন্য ভালো একটা সুযোগ উইকেট বের করার।

 

তবে কি ভুল পথে এগোচ্ছে বাংলাদেশ?

ডান-হাতি অলরাউন্ডার বললেন, আমরা আত্মবিশ্বাস নিয়ে বিশ্বকাপ মঞ্চে যেতে চাই। শেষ কয়েকটা সিরিজে বাংলাদেশ দুর্দান্ত খেলেছে। এতে আত্মবিশ্বাস বাড়ছে। যদিও বিশ্বকাপ খেলতে গেলে কন্ডিশন একটু ভিন্ন হবে। তবে ওমানে অনুশীলনের সুযোগ পাব। আমরা বিভিন্ন কন্ডিশনে খেলেছি। মানিয়ে নিতে পারব। হয়তো কন্ডিশন একটু ভিন্ন। এটি সত্য যে, টি-টোয়েন্টি অনুযায়ী কম রান হচ্ছে। কিন্তু আমরা প্রত্যেকটা ম্যাচ জেতার জন্যই খেলি। সেটা ১৯০ রান চেজ করাই হোক আর ৯০ রান চেজ করাই হোক; আমাদের কাছে জয়টাই মুখ্য। আমরা জিতলে ক্রিকেটারদের সঙ্গে পুরো দেশবাসী খুশি হয়। দিনশেষে সবাই বাংলাদেশের জয় দেখতে চায়।

 

 

 

 

 

 

Edited By: K F

অপূর্বর তৃতীয় বিয়ের ছবি প্রকাশ

নাটকের জনপ্রিয় মুখ জিয়াউল ফারুক অপূর্ব ফের বিয়ে করেছেন। বৃহস্পতিবার ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের একটি কনভেনশন সেন্টারে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করেছেন বলে জানিয়েছে এ অভিনেতার পরিবার।

পাত্রী যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক শাম্মা দেওয়ান। তার জন্ম ও বেড়ে ওঠা আমেরিকাতেই। তার পৈত্রিক নিবাস ঢাকার লালমাটিয়া।

বিয়ের পর ভক্ত ও সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন অপূর্ব। তিনি বলেন, আলহামদুল্লিাহ, ছোট পরিসরে বিয়ের আয়োজন সম্পন্ন হলো। আপনার সবাই আমাদরে নতুন সম্পর্কের জন্য দোয়া করবেন।

 

এটি অপূর্বর তৃতীয় বিয়ে। এর আগে ২০১০ সালে অভিনেত্রী প্রভাকে বিয়ে করেন অপূর্ব। সে সংসার ভেঙে গেলে ২০১১ সালে নাজিয়া হাসান অদিতিকে বিয়ে করেন তিনি। তার সঙ্গেও সংসারের ইতি টানেন ২০২০ সালে।

অদিতির সংসারে আয়াশ নামে এক পুত্র সন্তান রয়েছে অপূর্বর। জানা গেছে অপূর্বর সাবেক স্ত্রী অদিতিও আবার বিয়ে করেছেন কয়েক মাস আগে।

 

 

 

 

Edited By: K F

 

ক্লিন ফিড ছাড়া বিদেশি চ্যানেল সম্প্রচার করা যাবে না

আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের পর থেকে ক্লিন ফিড ছাড়া (বিজ্ঞাপনমুক্ত) বিদেশি কোনো টিভি চ্যানেল দেশে সম্প্রচার চালাতে পারবে না বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, দেশে যেসব বিদেশি চ্যানেল আছে, আইন অনুযায়ী তারা ক্লিন ফিড চালাতে বাধ্য।

কিন্তু তাগাদা দেওয়া সত্ত্বেও এসব চ্যানেল ক্লিন ফিড করে পাঠাচ্ছে না। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, ৩০ সেপ্টেম্বরের পরে দেশে কোনো অবস্থাতেই ক্লিন ফিড ছাড়া বিদেশি চ্যানেলকে চালাতে দিতে পারি না। আইন অনুযায়ী, ক্লিন ফিড ছাড়া বিদেশি চ্যানেল আমাদের এখানে সম্প্রচার করতে পারে না।

 

হাছান মাহমুদ বলেন, আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহরের কেবল নেটওয়ার্কিং সিস্টেম ডিজিটালাইজড করা হবে। সেটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গ্রাহকদের অবহিত করতে একটি পরিপত্র জারি করা হবে। ৩০ নভেম্বরের পরে ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহরে অ্যানালগ সিস্টেম আর কাজ করবে না। ডিজিটাল সেটআপ বক্সের মাধ্যমেই সম্প্রচারটা হবে।

 

মন্ত্রী বলেন, এখন ডিজিটাল প্লার্টফর্ম রেডি, কিন্তু দর্শকদের যদি সেটআপ বক্স দেওয়া না হয় এবং তারা যদি না নেন তবে সেটা বাস্তবায়ন করা কঠিন। সেজন্য আমরা পরিপত্র জারি করব।

তিনি আরও বলেন, বিভাগীয় ও মেট্রোপলিটন শহর ছাড়াও কুমিল্লা, বগুড়া, দিনাজপুর, কুষ্টিয়া, রাঙ্গামাটি, কক্সবাজারকে আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে অপারেটিং সিস্টেম ডিজিটালাইড করতে হবে। পুরো দেশের বিষয়টি নভেম্বরে বসে ঠিক করব কীভাবে করা যায়।

 

 

 

 

Edited By: K F

 

 

 

শিল্পা শেঠি ডিভোর্স দিতে যাচ্ছেন রাজ কুন্দ্রাকে

পর্নোকাণ্ড মামলায় গ্রেফতার ধনকুবের রাজ কুন্দ্রার সঙ্গে আর থাকতে চাইছেন না বলিউড অভিনেত্রী শিল্পা শেঠি। স্বামী রাজকে ডিভোর্স দিয়ে আলাদা হয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

এ দম্পতির ঘরে বিহান ও সামিশা নামে দুই সন্তান রয়েছে। দুই সন্তানকে নিয়েই রাজের ঘর ছাড়তে চলেছেন এ অভিনেত্রী। সন্তানদের বাবা রাজের সংস্পর্শে যেতে দিতে রাজি নন তিনি।

 

ব্রিটেনের ধনকুবের রাজ কুন্দ্রার দ্বিতীয় স্ত্রী শিল্পা। একে অপরকে ভালোবেসে ২০০৯ সালে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন তারা। এবং কোনোরকম ঝামেলা ছাড়াই গত ১২ বছর সুখের সংসার জীবন পার করেছেন এ দম্পতি।

কিন্তু চলতি বছরের ১৯ জুলাই পর্নো ছবি তৈরির অভিযোগে রাজ কুন্দ্রা গ্রেফতার হলে শিল্পার জীবন দুর্বিষহ হয়ে পড়ে।

পুলিশি জেরাসহ অনেক ঝক্কি ঝামেলা পোহাতে হচ্ছে তাকে। বলিউডে অপমানিত বোধ করেছেন তিনি। শুনতে হচ্ছে অনেক সমালোচনা ও তীর্যক বাক্য। এরই মধ্যে তার ও রাজের বাড়ি ও অফিসে একাধিকবার তল্লাশি চালিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তারা। বারবার থানা, আদালতে হাজিরা দিতে হয়েছে। তদন্তকারী কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদে নাস্তানাবুদ হয়েছেন। গণমাধ্যমেও নেতিবাচক শিরোনাম হয়েছেন।

সব মিলিয়ে স্বামী এ কর্মকাণ্ডে এত চাপ আর দুঃসহ জীবন আর মেনে নিতে পারছেন না তিনি।

তাই শেষমেষ বিচ্ছেদই যন্ত্রণা থেকে মুক্তির উপায় বলে মনে করছেন ‘বাজিগর’খ্যাত নায়িকা।

এই অভিনেত্রীর এক ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিলে স্বামীর সম্পত্তির একটি টাকাও নেবেন না শিল্পা। নিজের আয়ে সন্তানদের মানুষ করবেন তিনি। শিল্পা নিজেও যথেষ্ট টাকা উপার্জন করেন। ফলে রাজের আয়ের এক পয়সাও ছেলেমেয়েদের জন্য খরচ করতে নারাজ তিনি। যে কারণে বলিউডে আরও বেশি কাজ খুঁজতে মরিয়া তিনি। আশ্বাসের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন অনুরাগ বসু ও প্রিয়দর্শনের মতো পরিচালকরা।

 

 

 

 

 

 

Edited By: K F

 

মারা গেছেন বিগ বস বিজয়ী সিদ্ধার্থ শুক্লা

 

রিয়েলিটি শো বিগ বস ১৩ বিজয়ী সিদ্ধার্থ শুক্লা মারা গেছেন। আজ সকালে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হন তিনি। মুম্বাইয়ের কুপার হাসপাতালের বরাত দিয়ে খবরটি জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম। বিগ বস ১৩ আসরে বিজয়ী হয়ে আলোচনায় আসেন সিদ্ধার্থ শুক্লা। এরপর হিন্দি টেলিভিশন ধারাবাহিকে অভিনয় করে জনপ্রিয় হন।

একতা কাপুরের ‘ব্রোকেন বাট বিউটিফুল থ্রি’ ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন সিদ্ধার্থ। এ ছাড়া ‘বালিকা বধূ’ ও ‘দিল সে দিল তক’ ধারবাহিকেও অভিনয় করে আলোচিত হন।

 

বান্ধবী শেহনাজ গিলের সঙ্গে তাঁর বিগ বস ওটিটি সঞ্চালনা করার কথা ছিল।
১৯৮০ সালের ১২ ডিসেম্বর মুম্বাইয়ে সিদ্ধার্থ শুক্লার জন্ম। পরিবারে মা ও দুই বোন আছেন।

বিগ বস ছাড়াও ‘ঝলক দিকলা জা সিক্স’, ‘ফিয়ার ফ্যাক্টর: খঁতরো কি খিলাড়ি’তেও অংশগ্রহণ করেছেন শুক্লা।

 

 

 

 

 

 

 

Edited By: K F

তামিম কেন এমন সিদ্ধান্ত নিলেন

 

আজ সকালে পর্যন্তও তামিম ইকবাল ছিলেন বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ স্কোয়াডের ভাবনায়। কিন্তু বেলা বাড়তেই দৃশ্যপট পাল্টে গেল। নিজের ফেসবুক পেজে এক ভিডিও বার্তায় বাংলাদেশের ওপেনার নিজেই বিশ্বকাপ দল থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

 

কেন এই সিদ্ধান্ত নিলেন তামিম। ভিডিও বার্তায় তাঁর এ সিদ্ধান্তের কিছু কারণ জানিয়েছেন তামিম। কিন্তু হুট করে দল থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারটি সবাইকে চমকেই দিয়েছে। যতটুকু জানা গেছে, বিশ্বকাপের জন্য নির্বাচকদের খসড়া দলে তিনি ছিলেন। তাঁকে নিয়েই আগামী অক্টোবর-নভেম্বরে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমানে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে যাওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশের।

 

যা একটু শঙ্কা সেটা ছিল চোট সংক্রান্ত। হাঁটুর চোটের কারণে তামিম ঘরের মাঠের অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড সিরিজ থেকে নাম সরিয়ে নিয়েছেন। সেই চোটের কি অবস্থা, সে ব্যাপারে জাতীয় দলের ফিজিও জুলিয়ান ক্যালেফাতোর রিপোর্ট দেওয়ার কথা আগামী ১২ সেপ্টেম্বর। কিন্তু আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ দল দিতে হতো ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে।

 

সূত্র জানিয়েছে, তামিমের দিক থেকে বলা হয়েছিল যে তিনি বিশ্বকাপে সুস্থ হয়েই খেলতে পারবেন। তাঁর কথার ওপর ভিত্তি করেই বিশ্বকাপের খসড়া দলে তাঁকে রাখা হয়। কিন্তু এখন হুট করে তামিমের নাম সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তে সবাই একটু অবাকই।

 

তামিম দীর্ঘদিন টি-টোয়েন্টি খেলছেন না। করোনার বিরতি শেষে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরার পর থেকেই ছোট সংস্করণের ক্রিকেটের বাইরে তিনি। গত মার্চে নিউজিল্যান্ড সিরিজ দিয়ে শুরু। এরপর জিম্বাবুয়ে, অস্ট্রেলিয়া ও চলমান নিউজিল্যান্ড সিরিজের দলেও তামিম খেলছেন না। তবু তামিমকে রেখেই বাংলাদেশ আঁকছিল বিশ্বকাপের ছক।

 

কিন্তু টানা টি-টোয়েন্টি না খেলায় তিনি বিশ্বকাপ দলে ‘অটোমেটিক চয়েজ’ হতে পারেন কিনা, এ নিয়ে একটা আলোচনা ছিল। তামিমও একই উপলব্ধির কথা বলেছেন তাঁর ভিডিও বার্তায়, আমি এই সংস্করণের ক্রিকেট অনেক দিন ধরে খেলছি না। দ্বিতীয় কারণ হচ্ছে চোট, তবে আমি মনে করি না চোট খুব বড় সমস্যা। আশা করছি বিশ্বকাপের আগেই আমি চোট থেকে সেরে উঠব। কিন্তু যে জিনিসটা এ সিদ্ধান্ত নিতে আমাকে উদ্বুদ্ধ করেছে সেটি হচ্ছে, আমি শেষ ১৫-১৬টি টি-টোয়েন্টি খেলিনি। আর আমার জায়গায় এত দিন যারা খেলছিল, আমি মনে করি, সেটি কোনোভাবেই ঠিক হতো না যদি আমি হঠাৎ করে এসে ওদের জায়গাটা নিয়ে নিই।

 

 

 

 

 

Edited By: K F

 

 

টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দল থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলেন তামিম ইকবাল

টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাংলাদেশ দল থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলেন জাতীয় দলের ওপেনার তামিম ইকবাল।আজ নিজের ফেসবুক পেজে এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ ঘোষণা দিয়েছেন।

 

জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন জানিয়েছেন, তামিম আমাকে ফোন করেছিল। সে আমাকে তাঁর সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। একটু পরে আমরা তিন নির্বাচক বসব এটি নিয়ে। তামিমের সঙ্গেও কথা বলব। এরপর প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেব।

 

 

 

 

 

Edited By: K F

 

 

মানিকে মাগে হিতে গানটা কেন ভাইরাল

 

খুবই সাদাসিধে একটি ফেসবুক স্ট্যাটাস, ‘আমার নতুন গানের ভিডিও বের হয়েছে। গানের শিরোনাম “মানিকে মাগে হিতে”।’ সঙ্গে গানটির লিংক শেয়ার করেছিলেন শ্রীলঙ্কান র‍্যাপার ইয়োহানি। দিনটি ছিল ২২ মে। পরদিন ফেসবুকে আবার গানটির লিংক শেয়ার করে লেখেন, ‘হোয়াট ডু ইউ থিঙ্ক (আপনার কী মনে হয়)।’ গানের তেমন ভিউ নেই। সপ্তাহখানেক পরেই ৩০ জুন ফেসবুকে লিখলেন, ‘উই রিচ ওয়ান মিলিয়ন ভিউ।

তখনো জানতেন না তাঁর গানটি বিশ্বব্যাপী ভাইরাল হতে যাচ্ছে। তার কিছুদিন পরেই সিদ্ধান্ত নেন গানটি তামিল ও মালয়ালম ভাষায় কাভার করবেন। তার পর থেকে হঠাৎ করেই বাড়তে থাকে ভিউ। একসময় শ্রীলঙ্কার গানের ভিউয়ে রেকর্ড গড়ে। শ্রীলঙ্কার কোনো গান আগে এতবার শোনা হয়নি।

 

আর শুধু শ্রীলঙ্কাই–বা বলি কেন, এর মধ্যেই গানটি ভারতের ৫০ ভাইরাল গানের মধ্যে শীর্ষ ৬ নম্বরে উঠে গেছে, ১ নম্বরে উঠে গেলেও অবাক হব না। সেই খবর পেয়ে ইয়োহানি তাঁর ফেসবুকে লেখেন, ভারতে “মানিকে” ভাইরাল হয়েছে জেনে আমি আনন্দে অভিভূত। ভালোবাসা ও সমর্থনের জন্য সবাইকে ধন্যবাদ। তারপরও সিংহলি ভাষার এই গান ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে ভারতীয় উপমহাদেশে। ১ কোটি ভিউ নিয়ে খুশি থাকা মেয়েটির অফিশিয়াল গানের ভিউ এখন ৭ কোটি ৪০ লাখ। আর প্রতিদিনই বাড়ছে এই সংখ্যা।

 

গানটা শুনে অর্থ কিন্তু কিছুই বুঝবেন না। বোঝার কথাও নয়, সিংহলি তো আমার আপনার জানা কোনো ভাষা নয়। আর তামিল বা মালয়ালমের মতো সিংহলি সিনেমাও আমাদের এখানে জনপ্রিয় নয় যে দেখে বুঝে ফেলবেন। তারপরও কী এক জাদুতে যেন পুরো গান শুনতে চায় মন। গানটি মূলত প্রেমের গান। এখানে প্রেমিকার রূপের গুণকীর্তন করে তার মান ভাঙানোর চেষ্টা করছে প্রেমিক। ২ মিনিট ৪৮ সেকেন্ডের গানটি বারবার শুনতে ইচ্ছা করে। সংগীতের কোনো ভাষা নেই, দেশ নেই—এটা আবারও প্রমাণ করলেন ২৮ বছর বয়সী গায়িকা।

 

২ কোটি ২০ লাখ জনসংখ্যার দেশটিতে আগে কোনো গানের ভিউ এত হয়নি। শ্রীলঙ্কার কোনো গান নিয়ে আগে দেশের বাইরে এভাবে এত আলোচনা হয়নি। ট্রেন্ডিংয়ে আন্তর্জাতিক গানের সঙ্গে সেভাবে পাল্লা দিতে দেখা যায়নি। শুধু তা–ই নয়, তাঁর গানটি বাংলা, ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, থাই, নেপালিসহ বিশ্বের একাধিক ভাষায় কাভার হয়েছে। সেসব গানের ভিউ শত মিলিয়নের বেশি। গানের কথা অনেকটাই প্রথম দেখায় প্রেমে পড়ার মতো।

শ্রীলঙ্কান গায়িকার মিউজিক ভিডিও যেখানে মিলিয়ন ভিউ পেরোনো দুষ্কর হয়ে যায়, সেখানে ইয়োহানির গান সব রেকর্ড ভেঙেছে। তিন দিন ধরে গানটি প্রতিদিন গড়ে ২০ লাখ মানুষ দেখছেন। ইতিমধ্যে গানটি নিয়ে স্বয়ং অমিতাভ বচ্চন টুইটারে পোস্ট করে লিখেছেন,  শ্রীলঙ্কার “মানিকে মাগে হিতে” গানটি এককথায় দুর্দান্ত। আমার জিনিয়াস নাতনি কালিয়া ছবির গানের সঙ্গে এডিট করেছে গানটিকে।

সেই পোস্ট শেয়ার করে ইয়োহানি ফেসবুকে লিখেছেন, ওএমজি। এ ছাড়া গানটি এখন বিভিন্ন রিয়েলিটি শোতে জায়গা পাচ্ছে। কোটি ভক্তের মন জয় করা গানটির গায়িকা কে এই ইয়োহানি?

সেনা পরিবারে জন্ম নেওয়া গায়িকা ইয়োহানি ডি সিলভা। শৈশব থেকেই গান করেন। তাঁর বাবা সেনাবাহিনীতে চাকরি করতেন। সেই সুবাদে শ্রীলঙ্কার বিভিন্ন জেলা, মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশেও তাঁর সময় কেটেছে। শৈশব থেকেই বিভিন্ন ভাষায় সঙ্গে পরিচিত তিনি। মায়ের উৎসাহে গানের চর্চা। কিন্তু কখনোই পেশাদার গায়িকা হওয়ার পরিকল্পনা ছিল না।

লজিস্টিক ম্যানেজমেন্টে পড়াশোনার সময়ে সংগীতের প্রতি আগ্রহী হন। পরে অ্যাকাউন্টিংয়ে মাস্টার্স করতে অস্ট্রেলিয়ায় যান। সেখানে গিয়ে নিয়মিত গান কাভার করতে থাকেন। সেগুলো তাঁর ইউটিউব চ্যানেলে ছাড়তেন। সেই সময়েই তাঁর গাওয়া ‘ডেভিয়াঙ্গে বারে’ নামের একটি গান ভাইরাল হয়।

তিনি শ্রীলঙ্কান ইউটিউব স্টার। র‍্যাপার হিসেবে তিনি বেশ জনপ্রিয়। দেশের মধ্যে নিয়মিত স্টেজ শো করে থাকেন। বর্তমানে শ্রীলঙ্কার ‘র‍্যাপ প্রিন্সেস’ হিসেবে পরিচিত। প্রথমবারের মতো ‘মানিকে মাগে হিতে’ গানটি দিয়ে দেশের বাইরে থেকে গানের প্রস্তাব পাচ্ছেন। ইয়োহানির সঙ্গে এই গানে ছিলেন শ্রীলঙ্কার আরেক জনপ্রিয় র‍্যাপার সতীসন রত্নায়ক। সতীসনই প্রথমে এই গান গেয়েছিলেন। গানটির কথা লিখেছেন দুলান এআরএক্স। গানটি গত বছর জুলাই মাসে কোভিডের সময়ে তৈরি করলেও এক বছর পর আপলোড করা হয়।

 

 

 

Edited By: K F

ইউনাইটেডের সঙ্গে চুক্তি করে রোনালদো জানালেন ‘স্বপ্ন সত্যি হলো’

যে জায়গাটা আমার, সেখানে ফিরেছি’, কথাটা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সঙ্গে আজ দুই বছরের চুক্তি করলেন পর্তুগিজ তারকা। চাইলে মেয়াদ আরও এক বছর বাড়ানোর সুযোগ আছে।

 

এর মধ্য দিয়ে এক যুগ পর ওল্ড ট্র্যাফোর্ডের ক্লাবটিতে আনুষ্ঠানিকভাবে ফিরলেন রোনালদো। প্রিয় ক্লাবের প্রতি ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ থেকে ৩৬ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড ইনস্টাগ্রামে দেওয়া পোস্টে এ মন্তব্য করেন।

জুভেন্টাস ছেড়ে যাওয়ার সময় ক্লাবটিকে বিদায় জানিয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছিলেন রোনালদো। ইংলিশ ক্লাবটিতে ফেরা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিতের পর ইনস্টাগ্রামে রোনালদো লিখেছেন, আমাকে যাঁরা চেনেন, তাঁরা জানেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের প্রতি আমার ভালোবাসা কখনো শেষ হওয়ার নয়। এখানে কাটানো বছরগুলো ছিল দুর্দান্ত, যে পথ আমরা তৈরি করেছি, তা ক্লাবটির ইতিহাসে সোনার অক্ষরে লেখা থাকবে।

 

স্পোর্টিং লিসবন থেকে ২০০৩ সালে ইউনাইটেডে যোগ দিয়ে ছয় বছর পর রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেন রোনালদো। ইউনাইটেডে থাকতেই বিশ্বসেরাদের কাতারে উঠে আসেন। আবারও সেখানে ফেরার অনুভূতিটুকু রোনালদো বুঝিয়েছেন এভাবে, এখন কেমন লাগছে, তা বোঝাতে পারব না। এটা স্বপ্ন সত্যি হওয়ার মতো। এমনকি ইউনাইটেডের প্রতিপক্ষ হিসেবেও গ্যালারি থেকে ক্লাবটির সমর্থকদের কাছ থেকে ভালোবাসা পেয়েছি।

 

রোনালদো আরও লিখেছেন, আমার প্রথম ঘরোয়া লিগ, প্রথম কাপ, পর্তুগাল দলে প্রথম সুযোগ পাওয়া, প্রথম চ্যাম্পিয়নস লিগ, প্রথম গোল্ডেন বুট, প্রথম ব্যালন ডি’অর—এ সবকিছুই এই বিশেষ ক্লাবে পেয়েছি। অতীতে ইতিহাস গড়েছি আমরা একসঙ্গে, ভবিষ্যতেও গড়ব, কথা দিলাম। এই তো আমি! যে জায়গাটা আমার, সেখানে ফিরেছি! চলো, আবারও একসঙ্গে অভিযানে নামি। বি.দ্র. স্যার অ্যালেক্স, এ সবকিছুই আপনার জন্য।

 

স্পোর্টিং থেকে রোনালদোকে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে এনেছিলেন ক্লাবটির কিংবদন্তি কোচ স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসন। রোনালদোকে এখনো খুব স্নেহ করেন ফার্গি। তাঁর হাত ধরেই এই ক্লাবের হয়ে ব্যালন ডি’আর এবং ফিফা বর্ষসেরা হয়েছেন রোনালদো। জিতেছেন তিনটি লিগ ও চ্যাম্পিয়নস লিগ।

১ কোটি ৫০ লাখ ইউরোয় জুভেন্টাস থেকে রোনালদোকে কিনেছে ইউনাইটেড। শর্তসাপেক্ষে আরও ৮০ লাখ ইউরো দেওয়ার কথা রয়েছে ক্লাবটির।

 

চুক্তির পর সংবাদমাধ্যমকে রোনালদো বলেন, আমার হৃদয়ে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের জন্য সব সময়ই বিশেষ জায়গা ছিল। শুক্রবার রোনালদোর ইউনাইটেডে ফেরা ঘোষণার শুভেচ্ছাবার্তায় ভেসে গিয়েছি। ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে দর্শকদের সামনে খেলতে আর তর সইছে না। আন্তর্জাতিক দায়িত্ব শেষে দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ার জন্য মুখিয়ে আছি।

 

 

 

 

 

Edited By: K F

 

হলিউডে নতুন যাত্রা শুরু দীপিকার

বলিউডের জপ্রিয় অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন আবার হলিউডে পাড়ি দিচ্ছেন। একটি রোম্যান্টিক কমেডি ছবিতে অভিনয় করতে চলেছেন তিনি।

 

ইরস কর্পোরেট গ্লোবাল কর্পোরেশন ডিভিশনের প্রযোজনায় তৈরি হবে এই ছবি।

হলিউডের এই ছবিতে দীপিকা শুধু অভিনয় করবেন না। এই ছবির মাধ্যমেই প্রযোজক হিসেবে হাতেখড়ি হবে তার।

দীপিকার প্রযোজনা সংস্থা কা প্রোডাকশনস ছবিটির সহপ্রযোজনার দায়িত্বে থাকবে।

দীপিকা জানান, বিশ্বজুড়ে ভালো ও অর্থবহ ছবি পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্য নিয়েই তিনি তার প্রযোজনা সংস্থা তৈরি করেছিলেন। তাই এই ছবির সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে উচ্ছ্বসিত তিনি।

 

একইভাবে হলিউডের প্রযোজনা সংস্থাও খুশি দীপিকাকে তাদের সঙ্গে পেয়ে।

২০২০ সালে ‘ছপাক’ ছবির মাধ্যমে প্রযোজক হিসেবে নিজের যাত্রা শুরু করেছিলেন দীপিকা। হলিউডের ছবি ‘দ্য ইন্টার্ন’-এর পুনর্নির্মাণের কথাও ঘোষণা করেছিলেন তিনি। রবার্ট ডি নিরো যে চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন, সেই চরিত্রে দেখা যাবে অমিতাভ বচ্চনকে। অ্যান হ্যাথওয়ে অভিনীত চরিত্রে থাকবেন দীপিকা।

 

 

 

Edited By: K F

 

 

পাইলট নওশাদ মারা গেছেন

 

ভারতের নাগপুরে জরুরি অবতরণ করা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পাইলট নওশাদ আতাউল কাইয়ুম  আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি নাগপুরের কিংসওয়ে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে ‘কোমায়’ ছিলেন। তাঁকে ভেন্টিলেটর দেওয়া হয়েছিল।

আজ সোমবার বিকেল তিনটার দিকে প্রথম আলোর কাছে পাইলট নওশাদের মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ পাইলট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মাহবুবুর রহমান। আজ বেলা ১১টার দিকে পাইলট নওশাদের ভেন্টিলেটর খুলে দিয়ে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

এদিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের উপব্যবস্থাপক  তাহেরা খন্দকার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে প্রথম আলোকে বলেন, ক্যাপ্টেন নওশাদের মারা যাওয়ার বিষয়টি আমাদের কাছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। তাঁকে কখন দেশে আনা হবে, কখন তিনি মারা গেলেন এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানানো হবে।

 

গত শুক্রবার সকালে ওমানের মাসকাট থেকে ১২৪ জন যাত্রী নিয়ে বিজি-০২২ ফ্লাইটটি ঢাকায় আসার পথে ভারতের আকাশে থাকা অবস্থায় ক্যাপ্টেন কাইয়ুম অসুস্থ বোধ করেন। পরে বিমানটিকে মহারাষ্ট্রের নাগপুরের ড. বাবাসাহেব আম্বেদকর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করানো হয়।

 

বোয়িং ৭৩৭-৮০০ মডেলের বিমানটিতে ১২৪ জন যাত্রী ছিলেন। ওই ফ্লাইটটিতে যাত্রী ছাড়াও ছয়জন ক্রু সদস্য এবং একজন কো-পাইলট ছিলেন। তাঁরা সবাই নিরাপদে ছিলেন। শুক্রবারই আরেকটি ফ্লাইটে করে আট সদস্যের একটি উদ্ধারকারী দল নাগপুরে যায়। মধ্যরাতের পর বিমানটিকে যাত্রীসহ ঢাকার বিমানবন্দরে নিয়ে আসা হয়।

 

ক্যাপ্টেন কাইয়ুম ভারতের নাগপুরের কিংসওয়ে হাসপাতালের মেডিকেল সার্ভিসেসের পরিচালক সুভরজিৎ দাশগুপ্ত, ক্রিটিক্যাল কেয়ার ফিজিশিয়ান রঞ্জন বারোকার এবং বীরেন্দ্র বেলেকারের অধীনে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

 

 

 

 

Edited By: K F

 

 

 

কাল মধ্যরাত থেকে সংসদ ভবনের আশপাশে সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা

 

জাতীয় সংসদের চতুর্দশ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে। এ অধিবেশন উপলক্ষে চলাচল নির্বিঘ্ন করতে জাতীয় সংসদ ভবন ও এর আশপাশের এলাকায় যেকোনো অস্ত্র বহন, সমাবেশ, মিছিল ও শোভাযাত্রার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

 

ডিএমপির কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কাল মঙ্গলবার রাত ১২টা থেকে যেকোনো ধরনের অস্ত্র বহন, বিস্ফোরক দ্রব্য, অন্যান্য ক্ষতিকারক ও দূষণীয় দ্রব্য বহন এবং যেকোনো ধরনের সমাবেশ, মিছিল, শোভাযাত্রা, বিক্ষোভের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

 

সংসদ ভবন ও এর আশপাশের যেসব সড়কে এসব নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে, সেগুলো হলো ময়মনসিংহ রোডের মহাখালী ক্রসিং থেকে পুরোনো বিমানবন্দর হয়ে বাংলামোটর ক্রসিং, বাংলামোটর লিংক রোডের পশ্চিম প্রান্ত থেকে হোটেল সোনারগাঁও রোডের সার্ক ফোয়ারা পর্যন্ত, পান্থপথের পূর্বপ্রান্ত থেকে গ্রিন রোডের সংযোগস্থল হয়ে ফার্মগেট পর্যন্ত, মিরপুর রোডের শ্যামলী মোড় থেকে ধানমন্ডি-১৬  নম্বর সড়কের সংযোগস্থল, রোকেয়া সরণির সংযোগস্থল থেকে পুরাতন নবম ডিভিশন  ক্রসিং হয়ে বিজয় সরণির পর্যটন ক্রসিং, ইন্দিরা রোডের পূর্বপ্রান্ত থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউর পশ্চিম প্রান্ত, জাতীয় সংসদ ভবনের সংরক্ষিত এলাকা এবং এই সীমানার মধ্যে অবস্থিত সব রাস্তা ও গলিপথ।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সংসদের চতুর্দশ অধিবেশন শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ আদেশ থাকবে।

 

হারিকেন আইডায় লণ্ডভণ্ড যুক্তরাষ্ট্রের

যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানা অঙ্গরাজ্যে আঘাত হেনেছে শক্তিশালী হারিকেন ‘আইডা’। এরই মধ্যে নিউ অরলিন্স শহরটির বিদ্যুৎ সংযোগ সম্পূর্ণরূপে বিচ্ছিন্ন হয়েছে। শহরটিতে শুধুই জেনারেটর চলছে।

এই ঝড় শহরে আঘাত হানার সময় বাতাসের বেগ ছিল ঘণ্টায় ১৫০ মাইল বা ২৪০ কিলোমিটার। যারা আশ্রয়কেন্দ্রে না গিয়ে শহরে রয়ে গেছেন তাদের নিরাপদে আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে। খবর বিবিসির।

 

 

এরই মধ্যে গাছ ভেঙে পড়ে একজন মানুষের মৃত্যুর সংবাদ পাওয়া গেছে। ২০০৫ সালে হারিকেন ক্যাটরিনার আঘাতে ১৮০০ মানুষ মারা যাওয়ার পর নিউ অরলিন্সে একটি বন্যা প্রতিরোধ ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছে। হারিকেন আইডার মাধ্যমে সেই ব্যবস্থার একটা পরীক্ষা হয়ে যাবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, আইডা ‘প্রাণঘাতী’ হতে পারে, উপকূলে প্রচুর ধ্বংসযজ্ঞের আশঙ্কা ব্যক্ত করেছেন তিনি।

 

 

লুইজিয়ানা রাজ্যে সাড়ে সাত লাখের বেশি মানুষ এখন বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন, বাইডেন বলছেন বিদ্যুৎ পুনঃবহাল করতে কয়েক সপ্তাহ লেগে যেতে পারে।

মেক্সিকো উপসাগর থেকে শক্তি সঞ্চয় করে আমেরিকায় আঘাত করেছে আইডা। রোববার ক্যাটাগরি-৪ হারিকেন হিসেবে এটি নিউ অরলিন্সে আঘাত করে- এই ক্যাটাগরির ঝড় ভবন, গাছপালা ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় আঘাত হানে বলে আশঙ্কা করা হয়ে থাকে।

তবে এখন এটা দুর্বল হয়ে ক্যাটাগরি-৩ হারিকেনের রূপ ধারণ করেছে। কোথাও কোথাও ঝড়ের কারণে সমু্দ্রের পানি ১৬ ফুট পর্যন্ত উঠে গেছে, যার কারণে উপকূলের নিম্নভূমি প্লাবিত হয়েছে।

 

 

 

নিউ অরলিন্স এখন একটা ভীতিকর শহরে পরিণত হয়েছে, চারদিকে অন্ধকার, বিভিন্ন জায়গায় ধ্বংসস্তূপ পড়ে আছে, গাছপালা পড়ে আছে পথে-ঘাটে। রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকাও মুশকিল হয়ে গেছে, ৭০ মাইল বেগে হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি।

বেশিরভাগ মানুষ ঘরের ভেতর আশ্রয় নিয়েছে, তাদের জন্য হারিকেন জীবনের অংশ হয়ে গেছে।

 

edited by sa srk

 

গত বছরের ৮ মার্চ করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ার পর দেশের সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয় সরকার। এরমধ্যে কয়েকবার চেষ্টা করেও এই মহামারির কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো আর খোলা সম্ভব হয়নি।  তবে এবার খুব শিগগিরই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হচ্ছে- এমনটাই বক্তব্য আসছে সরকারের পক্ষ থেকে।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও দ্রুত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

 

এরপর থেকেই জোরেশোরে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন সংশ্লিষ্টরা।  গত ২৪ আগস্ট শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনিও রাজধানীর একটি অনুষ্ঠানে জানিয়েছেন, সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। খুব শিগগিরই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে।

 

 

 

এদিকে রোববার দুপুরের দিকে সদর উপজেলার গড়পাড়া শুভ্র সেন্টারে উপজেলা যুবলীগ আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার ব্যাপারে তাগিদ দিচ্ছেন। দেড় বছর ধরে স্কুল-কলেজ বন্ধ রয়েছে। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের টিকা দিয়েই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, মেডিকেল সাইডে লেখাপড়া কিন্তু কখনোই বন্ধ হয়নি। ইতোমধ্যে আমরা এমবিবিএস প্রথম বর্ষের পরীক্ষা নিয়েছি। দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষারও ব্যবস্থা হয়ে গেছে। এ ছাড়া ৫ম বর্ষের পরীক্ষা চলমান রয়েছে।

 

 

 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রতিবেশী ভারতসহ ইউরোপের বিভিন্ন রাষ্ট্রের সঙ্গে তুলনা করে বলেন, ওই সব দেশের সরকার করোনা নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে।  মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডের মতো দেশ করোনার টিকার ব্যবস্থা করতে পারেনি। পক্ষান্তরে আমাদের ছোট দেশে প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনায় খুব সুষ্ঠুভাবে আমরা করোনা মোকাবিলা করে যাচ্ছি। করোনা পরীক্ষার একটি ল্যাব থেকে এখন দেশে সাড়ে ৭০০ ল্যাব হয়েছে।  দেশের মানুষ করোনা পরীক্ষা করতে পারছে। রাস্তাঘাটে পড়ে কেউ মারা যায়নি। হাসপাতালে পর্যাপ্ত বেড রয়েছে। সেখানে ওষুধপত্রসহ সব কিছুর ব্যবস্থা রয়েছে।

উল্লেখ্য, করোনাভাইরাসের কারণে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। চলমান এই ছুটি আরেক দফা বাড়ানো হয়েছে গত ২৬ আগস্ট।  সে অনুযায়ী, আগামী ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলমান ছুটি অব্যাহত থাকবে।

 

edited by sa srk

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কক্সবাজার হবে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ সমুদ্র সৈকত এবং পর্যটন কেন্দ্র। ভৌগলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ সম্ভাবনাময়। তাই বাংলাদেশকে সারা বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগের একটা কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে চাই।

রোববার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণ কাজের উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, সার্বিকভাবে ভৌগলিক অবস্থানটাকে সামনে রেখে সারাবিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগের একটা কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে চাই আমাদের দেশটাকে। তাতে আর্থিকভাবেও আমাদের দেশ অনেক বেশি লাভবান হবে।

বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ কয়েকটি দেশ বিশ্ব যোগাযোগের কেন্দ্রবিন্দু হলেও আগামীতে বাংলাদেশ সেই কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হবে।

 

 

 

কক্সবাজার ঘিরে সরকারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, অনেক চিন্তা ও পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে এবং কক্সবাজার নিয়ে তো আরও বেশি। কক্সবাজার হবে বিশ্বে সর্বশ্রেষ্ঠ সি বিচ এবং পর্যটন কেন্দ্র এবং অত্যন্ত আধুনিক শহর। সেইভাবে পুরো কক্সবাজারটাকে আমরা উন্নত-সমৃদ্ধ করব।

তিনি বলেন, দেশে প্রথমবারের মতো আধুনিক প্রযুক্তি দিয়ে এই যে জলভাগের ওপর আমরা একটা রানওয়ে নির্মাণ করছি সেটাও দৃষ্টিনন্দন হবে এবং অনেকে এটা দেখতে যাবে। তিনি জলভাগের ওপর এই রানওয়ে নির্মাণের সাহস নিয়ে কাজ শুরু করতে যাওয়া সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান।

 

 

 

যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন রুটে বিমানের ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনার কথা জানান সরকার প্রধান।

বিমানের সেবা বাড়াতে এবং এর আধুনিকায়নে সংশ্লিষ্টদের সততা এবং দক্ষতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই রানওয়ে সম্প্রসারণের মাধ্যমে আমি মনে করি‑ যে ওয়াদা জনগণের কাছে দিয়েছিলাম সেখানে আরও একটা ধাপ আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।

 

edited by sa srk

 

 

জিয়াউর রহমান, এরশাদ, খালেদা জিয়া সরকারের সমালোচনা করে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ২১টা বছর এদেশের মানুষের জীবনের কোনো উন্নয়নের দিকে যারা ক্ষমতায় এসেছিল তারা তাকায়নি।

 

 

ক্ষমতা তাদের কাছে ভোগের বস্তু ছিল, লুটপাটের জায়গা ছিল। নিজেদের আগের গোছানোর ছিল। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ যে অবহেলিত সেই অবহেলিত থেকে যায়। বাংলাদেশ যতটুকু জাতির পিতা করে গিয়েছিলেন তার থেকেও পেছনে নিয়ে যাওয়া হয়।

 

 

রোববার সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণ কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, দেশকে এগিয়ে নিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে স্বপ্ন দেখেছিলেন ১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট তাকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যার পর সেই স্বপ্ন অপূর্ণ রয়ে যায়।

কক্সবাজার বিমানবন্দর প্রান্ত থেকে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী, মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোকাম্মেল হোসেন, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম মফিদুর রহমান অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

বিমান বাহিনী প্রধান শেখ আব্দুল হান্নানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

 

 

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, যারা পরবর্তীতে ক্ষমতায় আসে তারা তো অনেক বড় বড় কথা বলেই এসেছিল। জাতির পিতার প্রতি অনেক কুৎসা রটনা করেছিল এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের সব চেতনাগুলো নষ্ট করেছিল। তারা তো দেশের উন্নয়নে কাজ করেনি। কারণ তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাসই করত না। জিয়াউর রহমান, এরশাদ, খালেদা জিয়া এরা কেউই বাংলাদেশের স্বাধীনতায়ও বিশ্বাস করে না, বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের উন্নতিতেও বিশ্বাস করে না। তাই যদি করত তাহলে ১২ বছরের মধ্যে আমরা যেটা করতে পেরেছি, ২১ বছরে তারা তা করতে পারত, করেনি। কারণ তারা করবে না।

 

 

বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, জাতির পিতা একটা স্বপ্ন নিয়েই এই দেশকে গড়তে চেয়েছিলেন। তার স্বাধীনতা অর্জনের পেছনে লক্ষ্যই ছিল বাংলাদেশটা উন্নত, সমৃদ্ধ হবে এবং বিশ্বের বুকে মর্যাদার সাথে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের পর মাত্র সাড়ে ৩ বছর তিনি সময় পেয়েছিলেন। হাতে সময় ছিল না, সময়ই দেয়নি। কিন্তু এই সাড়ে তিন বছরের মধ্যে বাংলাদেশকে একটা স্বল্পোন্নত রাষ্ট্র হিসেবে তিনি প্রতিষ্ঠা করে দিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু এরপরে যারা অবৈভভাবে সংবিধান লঙ্ঘন করে এবং মার্শাল ল জারি করে ক্ষমতা দখল করে, একের পর এক ছিল ক্ষমতা দখলের পালা। ২১টা বছর এদেশের মানুষের জীবন থেকে হারিয়ে যায়।

 

edited by sa srk

 

প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী 

 

 

দেশের ব্যাংক ও শেয়ার মার্কেট আগামীকাল (সোমবার) বন্ধ থাকবে। ফলে এদিন ব্যাংক ও শেয়ার মার্কেটে কোনো লেনদেন হবে না।

 

বাংলাদেশ ব্যাংক, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) ছুটির বিষয়টি জানিয়েছে।

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান জন্মাষ্টমী উপলক্ষে সোমবার সরকারি ছুটি রয়েছে। তবে মঙ্গলবার থেকে ব্যাংক ও শেয়ার মার্কেটে আবারও স্বাভাবিক লেনদেন চলবে।

 

edited by sa srk

 

পৃথিবীর সর্ব উত্তরের দ্বীপ কোনটি, জানতে চাইলে অনেকেই হয়তো বলবেন গ্রিনল্যান্ডের কথা।

কিন্তু গ্রিনল্যান্ড আসলে আর্কটিক অঞ্চলে বিশাল এক স্বায়ত্তশাসিত এলাকা। ডেনমার্কের নিয়ন্ত্রণাধীন এই এলাকায় রয়েছে অনেকগুলো দ্বীপ। এরই একটি দ্বীপকে পৃথিবীর সর্ব উত্তরের দ্বীপ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন বিজ্ঞানীরা।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানায়, বিজ্ঞানীরা এত দিন জানতেন, বিশ্বের সর্ব উত্তরের দ্বীপ গ্রিনল্যান্ডের ওদাক দ্বীপ। ১৯৭৮ সালে এই দ্বীপের সন্ধান পাওয়া যায়। গত জুলাইয়ে এক দল গবেষক ওই দ্বীপ থেকে নমুনা সংগ্রহের উদ্দেশে রওনা হন। ওই অভিযানে তাঁরা আবিষ্কার করে বসেন একেবারেই নতুন একটি দ্বীপ, যেখানে এর আগে মানুষের পা পড়েনি। বিজ্ঞানীরা বলছেন, দ্বীপটি উত্তর মেরুর সবচেয়ে নিকটবর্তী ভূখণ্ড। এটি দৈর্ঘ্যে ৬০ মিটার, প্রস্থে ৩০ মিটার।

 

 

 

ডেনমার্ক ও সুইজারল্যান্ডের এক দল গবেষক দ্বীপটি আবিষ্কার করেছেন। তাঁরা জানিয়েছেন, তাঁরা ওদাক দ্বীপ থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে গিয়েছিলেন। অবস্থানের হিসাব অনুযায়ী জায়গামতো পৌঁছে তাঁরা হেলিকপ্টার অবতরণ করান। কিন্তু কর্দমাক্ত সেই দ্বীপের সঙ্গে ওদাক দ্বীপের মিল খুঁজে পাচ্ছিলেন না গবেষকেরা। এই অবস্থায় তাঁরা আর্কটিক অঞ্চলে ডেনমার্কের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকার অবস্থান চিহ্নিতকরণ ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এ সময় তাঁরা জানতে পারেন, ওদাক দ্বীপ থেকে আরও ৮০০ মিটার উত্তরে চলে গেছেন তাঁরা।

ইউনিভার্সিটি অব কোপেনহেগেনের গ্রিনল্যান্ডে অবস্থিত আর্কটিক স্টেশনের প্রধান গবেষক মর্টেন রাশখ বলেন, ‘ওদাক দ্বীপটি এত দিন পৃথিবীর সর্ব উত্তরের দ্বীপ হিসেবে পরিচিত ছিল। আমরা ছয়জন একটা হেলিকপ্টারে চেপে রওনা হয়েছিলাম। কিন্তু মানচিত্র অনুযায়ী ওদাক দ্বীপের অবস্থানে পৌঁছানোর পরও দ্বীপটি খুঁজে পাচ্ছিলাম না।

 

 

মর্টেন রাশখ বলেন, ‘উত্তেজনাকর কয়েক মিনিট পার করার পর আমরা অদ্ভুত এক জমিতে নামলাম, যা ছিল নুড়িপাথর আর কাদায় পরিপূর্ণ। দ্বীপটির চারপাশ ঘিরে শুধু বরফ আর বরফ। মোটেই অনুকূল কোনো পরিবেশ নয় সেটি। সেখান থেকে ফিরে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বিস্তর আলোচনা শেষে আমরা এখন উপলব্ধি করতে পেরেছি, আমরা আসলে দুর্ঘটনাবশত বিশ্বের সর্ব উত্তরের দ্বীপটি আবিষ্কার করেছি।

 

edited by sa srk

 

 

 

ইতালির উপকূল থেকে পাঁচ শতাধিক অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করেছে দেশটির কোস্টগার্ড। আজ রোববার বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

গতকাল শনিবার ইতালির লামপেদুসা দ্বীপের কাছ থেকে ওই অভিবাসনপ্রত্যাশীদের উদ্ধার করা হয় বলে জানায় কর্তৃপক্ষ। উদ্ধার হওয়া অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মোট সংখ্যা ৫৩৯। তাদের মধ্যে নারী ও শিশু রয়েছে।

ইতালির কর্তৃপক্ষের ভাষ্যমতে, ওই অভিবাসনপ্রত্যাশীরা একটি জরাজীর্ণ মাছ ধরার নৌকায় ছিল। তারা সাগরপথ পাড়ি দিয়ে ইউরোপে প্রবেশের চেষ্টা করছিল।

 

 

উদ্ধারের পর অভিবাসনপ্রত্যাশীদের লামপেদুসা দ্বীপে আনা হয়। এ কাজে ইতালির কোস্টগার্ড ও অর্থসংক্রান্ত অপরাধ পুলিশের নৌযান সহায়তা করে।

সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে গতকাল ইতালির উপকূল থেকে এক দিনে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করা হলো।

লামপেদুসা দ্বীপের মেয়র তোতো মার্তেল্লো বলেন, সম্প্রতি বিভিন্ন উদ্ধার অভিযানের মাধ্যমে যত অভিবাসনপ্রত্যাশীকে এই দ্বীপে আনা হয়েছে, তার মধ্যে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক লোককে গতকাল আনা হয়েছে।

 

সাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে ঢুকতে আগ্রহী অভিবাসনপ্রত্যাশীদের অন্যতম একটি গন্তব্যস্থল ইতালির লামপেদুসা দ্বীপ।

উদ্ধার হওয়া অভিবাসনপ্রত্যাশীদের জন্য এই দ্বীপে আশ্রয়শিবির আছে। এই আশ্রয়শিবিরের ধারণক্ষমতা ৩০০ জন। কিন্তু সেখানে পাঁচ গুণ বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশী আছে।

ডক্টরস উইদাউট বর্ডারসের এক চিকিৎসক জানিয়েছেন, গতকাল যেসব অভিবাসনপ্রত্যাশী উদ্ধার হয়েছে, তাদের মধ্যে কিছুসংখ্যক সহিংসতার শিকার হয়েছে। ইউরোপে আসতে লিবিয়ায় নৌকার জন্য অপেক্ষায় থাকা অবস্থায় তারা সহিংসতার শিকার হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

 

উদ্ধার হওয়া অভিবাসনপ্রত্যাশীদের সঙ্গে লিবিয়ায় ঠিক কী হয়েছে, তা খতিয়ে দেখছেন ইতালির তদন্তকারীরা।

 

edited by sa srk

 

 

ওমানের মুদ্রা নিয়ে অভিনব কায়দায় প্রতারণার অভিযোগে সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

গতকাল শনিবার কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে ওই দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।এ তথ্য জানান পিবিআইয়ের ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার খোরশেদ আলম।

গ্রেপ্তার হওয়া দুই ব্যক্তির কাছ থেকে বৈদেশিক মুদ্রা জব্দ করা হয়েছে বলে পিবিআই জানায়। তবে গ্রেপ্তার হওয়া দুই ব্যক্তির নাম-পরিচয়সহ এ-সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানায়নি পিবিআই।

খোরশেদ আলম বলেন, ওমানের মুদ্রা নিয়ে একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন থেকে প্রতারণা করে আসছিল।

 

খোরশেদ আলম আরও বলেন, চক্রটি ওমানি মুদ্রা নিয়ে প্রলোভনের ফাঁদ পাতত। তারা সহজ-সরল মানুষকে এই ফাঁদে ফেলে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিল।

Edited By: Farhana Zerin

 

 

ওয়েবসাইটে তথ্য বদলে দিয়ে রিমতিকে এসএসসি পাশ করালেন তারা

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটের তথ্য পরিবর্তন করে জাল সনদ তৈরির অভিযোগে সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ । গতকাল শুক্রবার রাজধানীর মোহাম্মদপুর, রমনা ও চকবাজার এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

ডিবি বলছে, এই চক্রের সদস্যরা প্রথমে ঢাকা বোর্ডসহ অন্যান্য শিক্ষা বোর্ডের বিভিন্ন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের তথ্য পরিবর্তন করে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের তথ্য সংযোজন করে। তারপর জাল সনদ তৈরির মাধ্যমে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেয়।

 

গ্রেপ্তার সাতজন হলেন- নূর রিমতি, জামাল হোসেন, এ কে এম মোস্তফা কামাল, মো. মারুফ, ফারুক আহম্মেদ স্বপন, মাহবুব আলম ও মো. আবেদ আলী।

চক্রের সাত সদস্যকে গ্রেপ্তারের পর আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে এই চক্রের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানান ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার।

 

হাফিজ আক্তার বলেন, গ্রেপ্তার নূর রিমতি ২০১৯ সালে রাজধানীর সিটি মডেল কলেজ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় নিয়ে অকৃতকার্য হন। ইতালি যেতে এসএসসি পাশের সার্টিফিকেট প্রয়োজন। এ কারণে জাল সনদ তৈরি করতে তার মামা জামাল হোসেন তিন লাখ টাকায় এ কে এম মোস্তফা কামালের সঙ্গে চুক্তি করেন।

মোস্তফা কামাল শিক্ষা বোর্ডের দালাল মো. মারুফ, মাহবুব আলম, ফারুক আহম্মেদ স্বপন এবং আবেদ আলীর মাধ্যমে নূর তাবাসসুম নামে এক শিক্ষার্থীর জেএসসি এবং এসএসসি পাসের সব তথ্য সংগ্রহ করেন। তারপর নূর তাবাসসুমের জায়গায় নূর রিমতির সব তথ্য সংযোজন করতে শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত ফরমেটে আবেদন করেন।

চক্রের সদস্যরা বোর্ডের ওয়েবসাইটের ফলাফল আর্কাইভে সংরক্ষিত কৃতকার্য শিক্ষার্থী নূর তাবাসসুমের তথ্য পরিবর্তন করে অকৃতকার্য শিক্ষার্থী নুর রিমতির তথ্য আপলোড করে জাল সনদ তৈরি করে। তথ্য পরিবর্তনের পর শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে নূর তাবাসসুমের জায়গায় নূর রিমতির তথ্য প্রদর্শিত হয়।

এ কে এম হাফিজ আক্তার বলেন, ভুক্তভোগী নূর তাবাসসুম সুলতানা ২০১৯ সালে ধানমন্ডি কামরুননেছা গভঃ গার্লস হাই স্কুল থেকে এসএসসি পাশ করেন। গত ২১ আগস্ট শিক্ষা বোর্ডে দেওয়া মোবাইল নম্বরে জরুরি প্রয়োজনে যোগাযোগ করার জন্য একটি খুদে বার্তা আসে। ওই বার্তায় তার রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর ঠিক থাকলেও নিজের নাম ও পিতা-মাতার নামসহ জন্ম তারিখ পরিবর্তিত দেখতে পায়।

তখন তারা স্কুল কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে যোগাযোগ করে পরিবর্তনের বিষয়টি জানতে পারেন। এ ঘটনায় ধানমন্ডি মডেল থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা করেন তিনি। ওই মামলার তদন্তে এই চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। নূর তাবাসসুমের মতো কেউ যদি ভুক্তভোগী হয়ে থাকেন, তবে ডিবির সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানান তিনি।

 

Edited By: Farhana Zerin

 

রোনালদোর ঘরে ফেরার দিনে তাঁর বান্ধবী খোঁচালেন রিয়াল কোচকে

ঘরে অর্থাৎ ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে ফিরেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ইংল্যান্ডের এই ক্লাবের হয়েই প্রথম বিশ্বসেরা হওয়ার স্বাদ পেয়েছিলেন তিনি। প্রথম চ্যাম্পিয়নস লিগও জিতেছেন ওল্ড ট্র্যাফোর্ডের ক্লাবটির হয়ে। স্বাভাবিকভাবেই রোনালদোর এই ঘরে ফেরা উদ্‌যাপন করছেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। রোনালদোর প্রেমিকা জর্জিনা রদ্রিগেজ এই খুশিতে রিয়াল মাদ্রিদ কোচ কার্লো আনচেলত্তিকে খোঁচা মারার লোভ সামলাতে পারলেন না।

কাল রোনালদোর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে ফেরার খবর নিজেদের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে পোস্ট করে স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম এল চিরিঙ্গিতো টিভি। ঘরে স্বাগতম—লিখে পোস্টটি করে তারা। সেখানে জর্জিনা রদ্রিগেজের মন্তব্য, আশা করি আনচলেত্তি এখন যেন এটাও অস্বীকার না করে। মন্তব্যের শেষে হাসির ইমোজি।

 

জর্জিনার এমন মন্তব্যের পটভূমি রয়েছে। পর্তুগিজ তারকার দলবদল নিয়ে নাটক তো কম হলো না! গত সপ্তাহেও স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যমে হঠাৎ জোর আলোচনা শুরু হলো, রোনালদোকে ফেরাতে চান এই মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদে কোচ হয়ে ফেরা আনচেলত্তি।

এ নিয়ে জল্পনা–কল্পনা শুরু হলে রিয়াল কোচ আনচেলত্তি বাধ্য হয়ে টুইট করেন, ক্রিস্টিয়ানো রিয়াল মাদ্রিদ কিংবদন্তি। তাঁর প্রতি আমার ভালোবাসা ও সম্মান আছে। তাঁকে কখনো সই করানোর কথা ভাবিনি। আমরা ভবিষ্যতের দিকে তাকাচ্ছি। সংবাদমাধ্যম চিরিঙ্গিতো তাদের ইনস্টাগ্রাম একাউন্টে আনচেলত্তির এই টুইটের ছবি দিলে রোনালদো প্রেমিকা জর্জিনা সেখানে মন্তব্যের ঘরে লেখেন, হা হা হা হা…।

 

এবার রোনালদো ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে যোগ দেওয়ার পর আনচেলত্তির সঙ্গে মজা করার লোভ সামলাতে পারলেন না জর্জিনা। রোনালদো রিয়ালে থাকার সময়ে আনচেলত্তি যখন কোচ ছিলেন, তখন কিন্তু ইতালিয়ান এই কিংবদন্তি কোচের সঙ্গে দারুণ সম্পর্ক ছিল রোনালদোর।

তবে ৩৬ বছর বয়সী রোনালদোর পিছু ছোটা অস্বীকার করে আনচেলত্তির ভবিষ্যতে তাকানোর কথাটা জর্জিনার সম্ভবত ভালো লাগেনি। হাজার হোক রোনালদো এখনো বিশ্বসেরা খেলোয়াড়দের একজন।

কাল রোনালদোর দলবদল নিয়ে ভীষণ নাটকীয়তা চলেছে। শুরুতে খবর বেরোয়, রোনালদোর ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দেওয়া মোটামুটি নিশ্চিত। বেশ কিছু সংবাদমাধ্যম খবরটি নিশ্চিতও করে ফেলেছিল।

কিন্তু বাংলাদেশ সময় বিকেল থেকে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পাশার দান পুরো ১৮০ ডিগ্রি উল্টে যায়। রোনালদো ম্যানচেস্টারে গেলেন ঠিকই, তবে সেটি নীল অংশ নয়, লাল অংশে—ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে।

ক্লাবটি বিবৃতিতে লিখেছে, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড আনন্দের সঙ্গে নিশ্চিত করছে যে, ব্যক্তিগত চুক্তি, ভিসা ও স্বাস্থ্যপরীক্ষা সফলভাবে শেষ করার শর্তসাপেক্ষে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর দলবদলের জন্য আমাদের ক্লাব জুভেন্টাসের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছেছে। ক্লাবের অফিশিয়াল একাউন্টে লেখা হয়, ঘরে স্বাগতম, ক্রিস্টিয়ানো।

Edited By: Farhana Zerin

 

 

শরৎকালেও গ্রীষ্মকালের গরম

 

এখন শরৎকাল। এই সময়ে আকাশে সাদা মেঘের ওড়াউড়ি আর দমকা হাওয়া থাকার কথা। কিন্তু ঢাকায় এখন গ্রীষ্মকালের মতো ঠা ঠা রোদ আর রাতে ভ্যাপসা গরম। মৌসুমি বায়ু এখনো বিদায় নেয়নি। তাই মাঝেমধ্যে বৃষ্টি হচ্ছে। তাতে শহরের উষ্ণতা কিছুটা কমছে, কিন্তু বৃষ্টি শেষে আবারও সেই অস্বস্তিকর আবহাওয়া।

আগস্টে দেশের পাঁচটি প্রধান শহরে দিনে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা যেখানে থাকার কথা ৩২ থেকে ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সেখানে থাকছে ৩৪ থেকে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃষ্টিতে তাপমাত্রার খুব বেশি হেরফের হয়নি। গত এপ্রিল থেকে এই সময় পর্যন্ত দিনের বেলা গ্রীষ্মের সময়ের তাপমাত্রাই পরিলক্ষিত হচ্ছে।

 

বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে অস্ট্রেলিয়ার কার্টিন বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী ও সিলেট—এই পাঁচ প্রধান শহরের তাপমাত্রার পরিবর্তন নিয়ে একটি গবেষণা করেছে। তাতে দেখা গেছে, বর্ষা মৌসুমেও রাজধানীসহ এই শহরগুলোর দিনের তাপমাত্রা গ্রীষ্মকালের মতো উত্তপ্ত থাকে। ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহর থেকে দিনের বেলা শীতকাল হারিয়েই গেছে। এই দুই শহরে শীতকালে দিনের বেলা শরৎকালের মতো আধা উষ্ণ তাপমাত্রা থাকছে। গত ১৬ বছরে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা ও সিলেটের তাপমাত্রা বেড়েছে। এর মধ্যে ঢাকায় গড়ে ৩ ডিগ্রি আর চট্টগ্রামে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বেড়েছে।

 

বাংলাদেশে ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়কে শীতকাল ধরা হয়। এই সময়ে ঢাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ থেকে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকার কথা। চট্টগ্রামে ১৩ থেকে ১৬ ডিগ্রি। শীতে কোনো এলাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামলে সেখানে শৈত্যপ্রবাহ হচ্ছে বলে বলা হয়। দেশের বেশির ভাগ এলাকায় শীতকালে ছয় থেকে দশটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যায়। এই দুই শহরে গত পাঁচ বছরে শৈত্যপ্রবাহ হয়নি। শীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ থেকে ১৮ ডিগ্রি থাকছে।

 

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের আদাবরের বাসিন্দা আবদুর রহমান গরমের উত্তাপ থেকে কিছুটা স্বস্তি পেতে শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র লাগিয়েছেন। তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় একসময়ের বিলাসী পণ্য এসি এখন আর সেই তালিকায়ও থাকছে না।

 

গবেষণা দলের দলনেতা ও কার্টিন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আশরাফ দেওয়ান বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে আলোচনায় শুধু বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। কিন্তু এই তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে বড় শহরগুলোর অভ্যন্তরীণ কারণে বেড়ে যাওয়া তাপমাত্রা যোগ হচ্ছে না। ঢাকাসহ দেশের বড় শহরগুলো ধীরে ধীরে অসহনীয় হয়ে উঠছে। পরিকল্পিত বৃক্ষরোপণ ও জলাভূমি না করতে পারলে এই শহরগুলোকে বসবাসের উপযোগী রাখা যাবে না।

 

চলতি মাসে প্রকাশিত বিশ্বের জলবায়ু পরিবর্তনসংক্রান্ত বিজ্ঞানীদের প্যানেল-আইপিসিসির ষষ্ঠ মূল্যায়ন প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ৩০০ বছরে বিশ্বের তাপমাত্রা গড়ে ১ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়েছে। এই শতাব্দীর মধ্যে তাপমাত্রা দেড় ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি যাতে না বাড়ে, সে ব্যাপারে প্যারিস চুক্তির আওতায় বিশ্বের রাষ্ট্রগুলো কাজ করছে। অথচ ঢাকাসহ দেশের প্রধান পাঁচটি শহরের তাপমাত্রা গত ১৬ বছরে ৩০০ বছরের বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির তুলনায় অনেক বেশি।

 

ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী ও সিলেট বিভাগের ২০০৩ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত তাপমাত্রা কতটা বেড়েছে, তা বিশ্লেষণ করে গবেষণাটি করা হয়েছে। বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে এসব শহরে অপরিকল্পিত নগরায়ণের কারণে উষ্ণতা বেড়ে যাওয়ায় ঋতুচক্রের এ পরিবর্তন ঘটছে বলে গবেষণাটিতে বেরিয়ে এসেছে। চলতি মাসে বিজ্ঞান সাময়িকী সায়েন্স ডাইরেক্ট গবেষণাটির ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে।

 

গবেষণার জন্য ২০০৩ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত প্রতিদিনের চারটি সময়ের তাপমাত্রা বিশ্লেষণ করা হয়েছে। ওই পাঁচ শহরের সকাল সাড়ে ১০টা, বেলা দেড়টা আর রাত সাড়ে দশটা ও দেড়টার তাপমাত্রা স্যাটেলাইট থেকে চিত্র ও তথ্য–উপাত্ত নিয়ে বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, ওই পাঁচ নগরে শীতের সময়ে রাতে ও দিনের তাপমাত্রায় খুব বেশি পার্থক্য থাকছে না। ফলে গরম কাপড় কম পড়তে হচ্ছে। ঘরে বেশির ভাগ সময় বৈদ্যুতিক পাখা ব্যবহার করতে হচ্ছে। শীতাতপনিয়ন্ত্রিত যন্ত্রের ব্যবহার বাড়ছে। এতে নগরবাসীর ব্যয় ও বিদ্যুৎ খরচ বেড়েছে। আর বিদ্যুৎ ব্যবহারে বেড়ে গেছে কার্বন নিঃসরণের পরিমাণও।

 

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ঢাকার নতুন ১৮টি ওয়ার্ডের বিদ্যমান জলাভূমি ও সবুজ এলাকা রক্ষা, রাজধানীর খালগুলো দখলমুক্ত করে সবুজায়ন এবং বাড়ির ছাদে বাগান করলে ১০ শতাংশ গৃহ কর মওকুফ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। মেয়রের আশা, এতে রাজধানীর তাপমাত্রা বৃদ্ধির হার কমে আসবে।

 

অবশ্য বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের (বিআইপি) সমীক্ষা অনুযায়ী, ১৯৯৯ সালে ঢাকা শহরের ৬৫ ভাগ কংক্রিট বা অবকাঠামোতে আচ্ছাদিত ছিল। ২০১৯ সালে তা বেড়ে হয় প্রায় ৮২ ভাগ। এই সময়ে জলাশয় ও খোলা জায়গা প্রায় ১৪ ভাগ থেকে কমে ৫ ভাগের নিচে নেমেছে।

 

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের শিক্ষক আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, ঢাকা বিশ্বের বসবাসের অযোগ্য নগরগুলোর শীর্ষে থাকছে। চট্টগ্রামসহ অন্য বড় শহরগুলোতেও একই ধরনের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এভাবে বেশি দিন চলতে থাকলে দেশের বেশির ভাগ বড় শহর ঢাকার মতো বসবাসের অনুপযুক্ত হয়ে উঠবে।

Edited By : Farhana Zerin

 

 

মিরপুরে গ্যাসলাইনে বিস্ফোরণ: দগ্ধ আরও দুজনের মৃত্যু

 

রাজধানীর মিরপুরে গ্যাসলাইন বিস্ফোরণে দগ্ধ আরও দুজন মারা গেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার গভীর রাতে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এই দুজন মারা যান।

সর্বশেষ মারা যাওয়া দুজন হলেন শফিকুল ইসলাম (৩৫) ও সুমন (৪০)। এই দুজনের মৃত্যুর তথ্য জানিয়ে পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মেহেদী হাসান প্রথম আলোকে বলেন, শফিকুলের শরীরের ৮৫ শতাংশ ও সুমনের ৪৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।

একই ঘটনায় দগ্ধ রিনা বেগম (৫০) গতকাল রাত ১০টার দিকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তাঁর শরীরের ৭০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।

 

এ নিয়ে এ ঘটনায় মোট তিনজন মারা গেলেন। মারা যাওয়া রিনা বেগম ভবনমালিক ফুল মিয়ার দ্বিতীয় স্ত্রী। মারা যাওয়া শফিকুল হলেন রিনা বেগমের ছেলে। মারা যাওয়া অপর ব্যক্তি সুমন হলেন গ্যাসমিস্ত্রি।

এ ঘটনায় দগ্ধ অন্যরা হলেন ফুল মিয়ার প্রথম স্ত্রী রওশন আরা বেগম (৭০), ভবনের নিচতলার ভাড়াটে রেনু বেগম (৩৫), পাশের বাসার বাসিন্দা নাজনীন (২৫) ও তাঁর মেয়ে নওশীন (৫)। সবাই শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন।

 

চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, রওশন আরা বেগমের শরীরের ৮৫ শতাংশ, রেনু বেগমের ৩৮ শতাংশ, নাজনীনের ২৭ শতাংশ ও শিশু নওশীনের শরীরের ২৭ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।

ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক পার্থ শংকর পাল প্রথম আলোকে বলেছেন, দগ্ধ ব্যক্তিদের সবার শ্বাসনালি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় কেউ শঙ্কামুক্ত নন। তাঁদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

গত বুধবার রাত ১১টার দিকে মিরপুর-১১ নম্বরের সি-ব্লকের ১১ নম্বর রোডের ছয়তলা বাড়ির গ্যাসলাইন মেরামত করার সময় বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণে নারী, শিশুসহ মোট সাতজন দগ্ধ হন।

ভবনমালিকের ছেলে রফিকুল ইসলামের ভাষ্য, কয়েক দিন ধরেই বাসার গ্যাসের লাইনে সমস্যা হচ্ছিল। বেশ কয়েকবার মিস্ত্রি ডেকে মেরামত করা হলেও গ্যাসলাইন পুরোপুরি ঠিক হয়নি। এ কারণে বুধবার রাতে মিস্ত্রি সুমন গ্যাস-সংযোগ মেরামত করতে আসেন। মেরামত শেষে লাইন পরীক্ষা করতে নিচতলার চুলা জ্বালালে বিস্ফোরণ ঘটে। এ সময় চারপাশে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।

Edit By : Farhana Zerin

 

 

কাবুলে ১৫ বাংলাদেশি অক্ষত, ফিরে গেছেন আবাসস্থলে

 

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বাইরে জোড়া বিস্ফোরণের ঘটনায় সেখানে আটকে থাকা ১৫ বাংলাদেশি অক্ষত আছেন। সুস্থ আছেন। এ ঘটনার পর তাঁরা বিমানবন্দর এলাকা থেকে যে যাঁর আবাসস্থলে চলে গেছেন। তাঁদের সঙ্গে চট্টগ্রামের এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের ১৬০ জন আফগান শিক্ষার্থীও নিজ নিজ আবাসে ফিরে গেছেন।

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার ব্যবস্থাপনায় একটি বিশেষ ফ্লাইটে গতকাল বৃহস্পতিবার ১৫ বাংলাদেশির দেশে আসার কথা ছিল। তাঁদের সঙ্গে চট্টগ্রামের এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের ১৬০ জন আফগান শিক্ষার্থীরও বাংলাদেশে আসার কথা ছিল। গত বুধবার দুপুর থেকে তাঁরা কাবুলের হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বাইরে অপেক্ষায় ছিলেন। গতকাল সন্ধ্যায় কাবুলে হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বাইরে ভয়াবহ জোড়া বিস্ফোরণের পর রাতে তাঁরা নিজ নিজ আবাসস্থলে ফিরে যান।

 

কাবুলের স্থানীয় সময় সন্ধ্যার দিকে বিমানবন্দরের আবে গেটের অদূরে প্রথম বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। দ্বিতীয় বিস্ফোরণ ঘটে কিছুটা দূরে ব্যারন হোটেলের কাছে। হামলায় অন্তত ৯০ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১৫০ জনের বেশি। হতাহত ব্যক্তিদের মধ্যে মার্কিন সেনা ও বেসামরিক আফগান নারী-শিশু রয়েছে।

১৫ বাংলাদেশির একজন রাজীব বিন ইসলাম গতকাল দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, বুধবার বেলা দুইটা থেকে আমরা বিমানবন্দরে প্রবেশের জন্য অপেক্ষায় ছিলাম। আমরা বিমানবন্দরের গেটের বাইরে ছিলাম। সন্ধ্যার দিকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তবে আমরা সবাই সুস্থ আছি। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আমরা বাংলাদেশিরা গত রাতে যে যার আবাসস্থলে চলে গেছি।

রাজীব বিন ইসলাম আফগানিস্তানের সবচেয়ে বড় মোবাইল অপারেটর ওয়্যারলেসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। তিনি বলেন, পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে তাঁরা আবার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। কর্তৃপক্ষ পরবর্তী সময়ে যখন তাঁদের বিমানবন্দরে আসতে বলবে, তখন তাঁরা আসবেন।

 

রাজীব জানান, গত মঙ্গলবার তাঁদের দেশের উদ্দেশে যাত্রার কথা ছিল। কিন্তু তখন অনুমতি না পাওয়ায় কাবুল বিমানবন্দরের উদ্দেশে যাত্রা করেও মাঝপথে তাঁদের ফিরে যেতে হয়েছিল। পরে বুধবার বিমানবন্দরে এসে তাঁরা জানতে পারেন, বৃহস্পতিবার তাঁদের জন্য অনুমতি রয়েছে। কিন্তু বোমা বিস্ফোরণের ঘটনার জেরে তাঁরা দ্বিতীয় দফার চেষ্টাতেও দেশে ফিরতে পারলেন না।

আটকে পড়া এই বাংলাদেশিদের দেশে ফেরানোর বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন গতকাল বিকেলে সাংবাদিকদের বলেন, তাঁদের দেশে ফিরিয়ে আনতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে। সেখানকার পরিস্থিতি এখনো ঘোলাটে।

অন্যদিকে চট্টগ্রামের এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের ১৬০ শিক্ষার্থী আফগানিস্তানে ছুটি কাটাতে গিয়েছিলেন। তালেবান দেশটির ক্ষমতা দখলের পর তাঁরা আটকে পড়েন।

এর আগে গত রোববার আফগানিস্তানে আটকে পড়া ২৯ বাংলাদেশির মধ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে কর্মরত ফারুক হোসেন ও মহিউদ্দিন যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর একটি ফ্লাইটে কাবুল থেকে কাতারে যান। একই দিনে ব্র্যাক ইন্টারন্যাশনালের তিন কর্মকর্তাকে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে কাবুল থেকে কাজাখস্তানের রাজধানী নুর সুলতানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।

 

 

 

 

মুক্তিপণের টাকা আনতে গিয়ে জনতার হাতে এএসপিসহ আটক ৩

 

দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলায় গতকাল মঙ্গলবার পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) রংপুরের তিন সদস্যকে আটক করে জনতা থানায় সোপর্দ করেছেন। তাদের মধ্যে সিআইডির একজন সহকারী পুলিশ সুপারও (এএসপি) আছেন। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাঁরা উপজেলার নান্দেরাই গ্রামে মা-ছেলেকে আটক করে মুক্তিপণ দাবি করেছিলেন।

 

আটক তিন পুলিশ সদস্য হলেন রংপুর সিআইডির এএসপি মো. সারোয়ার কবির, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. হাসিনুর রহমান ও কনস্টেবল আহসানুল হক। আর ওই মা-ছেলে হলেন চিরিরবন্দর উপজেলার নান্দেরাই গ্রামের সলেমান শাহ পাড়ার লুৎফর রহমানের স্ত্রী জহরা বেগম ও তাঁর ছেলে জাহাঙ্গীর আলম।

 

মা ও ছেলের স্বজন মো. মামুনের ভাষ্য, গত সোমবার রাত ১০টার দিকে সিআইডির সদস্য পরিচয়ে লুৎফর রহমানকে আটক করতে আসেন কয়েকজন। পরে লুৎফর রহমানকে না পেয়ে তাঁর স্ত্রী জহরা বেগম ও তাঁর ছেলে জাহাঙ্গীর আলমকে আটক করে নিয়ে যান তাঁরা। জাহাঙ্গীরের মোটরসাইকেলটিও নিয়ে যান তাঁরা। গতকাল মঙ্গলবার সকালে মা-ছেলেকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য জাহাঙ্গীরের ফোন থেকে তাঁর পরিবারের সদস্যদের কাছে প্রথমে ৫০ লাখ টাকা চাওয়া হয়। পরে ২০ লাখ, সর্বশেষ ৮ লাখ টাকা দাবি করা হয়।

 

জাহাঙ্গীরের পরিবারের লোকজন তখন বিষয়টি চিরিরবন্দর থানায় জানায়। দাবিকৃত টাকা নিয়ে মো. জাহাঙ্গীরের স্বজন মামুন ও আফতাবুর জামান এবং চিরিরবন্দর থানা-পুলিশ সদস্য মো. তাজুল ইসলামসহ কয়েকজন ঠিকানা অনুযায়ী রানীরবন্দর এলাকায় যান। সেখানে প্রায় ১ ঘণ্টা থাকার পরে তাদের বলা হয়, কাহারোল উপজেলার দশমাইল এলাকার তেলের পাম্পের কাছে যেতে।

এভাবে কয়েকবার জায়গা বদল করে হাজী দানেশ বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বাঁশের হাট এলাকায় যেতে বলেন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে। স্থানীয় লোকজন তখন সিআইডির সদস্যদের ধরে ফেলেন। পরে তাদের চিরিরবন্দর থানা-পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। বর্তমানে ৩ পুলিশ সদস্য দিনাজপুরের পুলিশ সুপারের (এসপি) হেফাজতে আছেন।

 

জানতে চাইলে চিরিরবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুব্রত কুমার সরকার বলেন, আটককৃতদের দিনাজপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। তিনি সেখানে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন।

এ বিষয়ে জানার জন্য দিনাজপুরের এসপি আনোয়ার হোসেনকে কল করলে তিনি বলেন, তাঁরা একটি বৈঠকে আছেন। পরে কথা বলবেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন রংপুর সিআইডির ভারপ্রাপ্ত এসপি আতোয়ার রহমান। তিনি বলেন, এএসআই ও কনস্টেবল ২১ আগস্ট থেকে ১০ দিনের ছুটিতে ছিলেন। তাঁরা একটি অভিযোগের ভিত্তিতে সেখানে যান। তিনি বলেন, সরকারি গাড়ি ব্যবহার না করে আমার অনুমতি ছাড়া ভাড়া করা একটি গাড়ি নিয়ে তাঁরা অপারেশনে যান। আটক হওয়ার পর আমাকে জানানো হয়েছে। তাঁরা যে আমাদের সদস্য, তা আমি জানিয়েছি। এর বাইরে কিছু জানি না।

 

ঘটনার বিষয়ে সিআইডির প্রধান কার্যালয়ের গণমাধ্যম শাখার অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার মো. আজাদ রহমান বলেন, অভিযোগ ওঠা সিআইডির চার সদস্যের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

 

 

আগামী নির্বাচনে ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে লড়বেন দুতার্তে

 

 

ফিলিপাইনে দুতার্তে ২০২২ সালের নির্বাচনে ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতার্তে। এ পদে নির্বাচিত হয়ে তিনি ফিলিপাইনে বিদ্রোহী ও মাদকের বিরুদ্ধে ক্রুসেড চালিয়ে যাবেন বলে উল্লেখ করেছেন। গতকাল মঙ্গলবার প্রকাশিত রেকর্ড করা এক বক্তব্যে এমন সিদ্ধান্তের কথা জানান দুতার্তে।

 

 

 

বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালে ফিলিপাইনে প্রেসিডেন্টের চেয়ারে বসেন দুতার্তে। আগামী বছরে জুনে তাঁর মেয়াদ শেষ হতে চলেছে। দেশটির সংবিধান অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট হিসেবে কেউ ছয় বছরের বেশি ক্ষমতায় থাকতে পারবেন না। ফলে, দুতার্তে আর প্রেসিডেন্ট পদে লড়তে পারবেন না।

 

গতকাল দেওয়া বক্তব্যে দুতার্তে বলেন, আমি ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে লড়ব। তারপর আমি ক্রুসেড চালিয়ে যাব। আমি মাদক ও বিদ্রোহ নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। ভাইস প্রেসিডেন্টের সরাসরি নির্দেশনা দেওয়ার ক্ষমতা না থাকলেও সাধারণ মানুষের কাছে নিজের মতাদর্শ প্রকাশ করে যাবেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

 

এদিকে ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচনে দাঁড়িয়ে দুতার্তে দেশটির শাসনক্ষমতা আঁকড়ে থাকতে চাইছেন বলে ধারণা করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। তাঁরা বলছেন, ক্ষমতা হাতছাড়া হলে তাঁর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ আনা হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন দুতার্তে।

ফিলিপাইনের ক্ষমতা গ্রহণের পর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন রদ্রিগো দুতার্তে। মাদকের বিরুদ্ধে এই লড়াইয়ে নিহত হয় বহু মানুষ।মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, এই সংখ্যা হাজার হাজার।

 

দুতার্তের এই কাজের ব্যাপক সমালোচনা রয়েছে দেশজুড়ে। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা তদন্তের জন্য মাঠে নামতে চাইছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের কৌঁসুলিরা। ফিলিপাইনে কয়েক দশক ধরে চলা বিদ্রোহ দমনের দিকেও নজর দেন দুতার্তে। তাঁর শাসনামলে বামপন্থী ও তাদের সমর্থকদের বিরুদ্ধেও অভিযান চালানো হয়।

 

 

লেডি ডেলিভারিম্যান, শুক্লার জীবনযুদ্ধ

 

 

সকাল আটটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত একটি বেসরকারি সংস্থার কাজ শেষ করেই শুক্লা হয়ে যান লেডি ডেলিভারিম্যান। রাত ১০টা পর্যন্ত ডেলিভারিম্যান হিসেবে কাজ করে বাসায় ফিরতে ফিরতে রাত ১১টা বেজে যায়। আগে বৃষ্টি হলে শুক্লা খুশিতে বলতেন—আহা। আর এখন আকাশে মেঘ দেখলেই প্রার্থনা করতে থাকেন যাতে বৃষ্টি না হয়। বৃষ্টি হলে মোটরসাইকেল চালিয়ে ভিজতে ভিজতেই গ্রাহকের বাড়ির দরজায় খাবার নিয়ে যেতে হয়। এক দিন কামাই করলেই তো মাসের মোট খরচে টান পড়বে।

শুক্লা জুলাই মাসের ৫ তারিখ থেকে খাবার পৌঁছে দেওয়া প্রতিষ্ঠান ফুডপান্ডায় ডেলিভারিম্যান হিসেবে কাজ শুরু করেছেন। হাসতে হাসতে বললেন, ২০১৮ সালে এ সংস্থাতেই হিসাব বিভাগে কাজ করার জন্য ডাক পেয়েছিলেন। তবে সাক্ষাৎকার দিতে যাওয়ার আগেই এক দুর্ঘটনায় পড়েন, সেখানে আর উপস্থিত হতে পারেননি। আর জীবনের তাগিদে এখন একই প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন ভিন্ন পরিচয়ে।

শুক্লা বললেন, বাবা স্ট্রোক করেন। এরপর থেকে চোখে প্রায় দেখতেনই না। তখন ভালো বেতনে একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতাম। ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে বাবাকে ২০১৯ সালে ভারতের চেন্নাই নিয়ে যাই। দেশে-বিদেশে চিকিৎসায় এখন বাবা একটু একটু দেখেন, তবে কোনো কাজ করতে পারেন না। বাবা স্ট্রোক করার আগপর্যন্ত সংসারটা দেখতেন বাবা, আর পরিবারের বড় সন্তান হিসেবে এখন দেখি আমি।

রাজধানীর মিরপুরে শুক্লার বাবা কোনো রকমে একটি ফ্ল্যাট কিনেছিলেন, তাই বাড়িভাড়াটা লাগছে না। তবে ফ্ল্যাটের মেইনটেইনেন্সের নানান খরচ, বাবা ও মায়ের ওষুধ, দশম শ্রেণিপড়ুয়া ভাইয়ের স্কুলের বেতন, একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করে বর্তমানে বেকার থাকা বোনের খরচের পাশাপাশি শুক্লার নিজের খরচ তো আছেই। এ ছাড়া আছে একটি ব্যাংকের ঋণ পরিশোধের চাপ। সব মিলে ফুডপান্ডার কাজটি করার সুযোগ পেয়ে শুক্লা একটু নিশ্বাস নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন বলে সংস্থাটির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন।

 

জোহা জামান কবির রশীদ ফার্ম থেকে শুক্লা চার বছরের চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের কোর্স করেছেন। তবে পরীক্ষায় পাস করতে পারেননি সংসারের নানান ঝামেলায়। একটি মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে ভালো বেতনে কাজ করতেন শুক্লা। গত বছর করোনার প্রাদুর্ভাবে সেই প্রতিষ্ঠান তাঁকে ছাঁটাই করে। এরপর বন্ধু, স্বজনদের কাছ থেকে ধারদেনা করে চলেন কিছুদিন। বর্তমানে একটি কোম্পানিতে কাজ আর ডেলিভারিম্যান হিসেবে যা পান, তা দিয়েই সংসার চালাচ্ছেন।

 

সোমবার শুক্লা জানান, তাঁর টিকে থাকার পেছনে অনেক বড় অবদান রেখেছেন তাঁর বন্ধু আনুশকা। শুক্লা আরও জানান, গানের শিক্ষক হিসেবে চাকরি করা বাবা সব সময় বলতেন, মেয়েদের সব কাজ শিখে রাখা প্রয়োজন, কখন কোনটা কাজে লাগবে তা তো বলা যায় না। মোটরসাইকেল চালানো শিখেছিলেন শুক্লা। বন্ধু আনুশকা বেশ কয়েক বছর আগে মূল্যছাড়ে ৩৩ হাজার টাকা দিয়ে একটি মোটরসাইকেল উপহার দিয়েছিলেন। এখন সেই মোটরসাইকেলটিও বেহাল। আস্তে চালাতে হয়। দুদিন চালালেই তাকে গ্যারেজে পাঠাতে হয়। এরপরও এটি ছিল বলেই কিছুদিন রাইডার হিসেবে এবং পরে ফুডপান্ডায় কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন।

 

শুক্লা জানান, করোনার প্রাদুর্ভাবে লকডাউনে জ্যাম ছিল না বলে খাবার ডেলিভারি করা অনেকটাই সহজ ছিল। তবে বর্তমানে জ্যাম বেড়ে যাওয়ায় কাজটা কঠিন হয়ে গেছে। একজন নারী খাবার পৌঁছে দেওয়ার কাজ করছেন, রাত করে বাড়ি ফিরছেন, তা অনেকেই পছন্দ করেন না। শুনতে হয় নানান কটু কথা। খাবার পৌঁছাতে দেরি হলে অনেকেই শেষ মুহূর্তে অর্ডার বাতিল করে দিলে তখন সময়-পরিশ্রম দুটিই বৃথা যায়। মেলে না পারিশ্রমিক।

 

কিছুদিন আগে সড়ক দুর্ঘটনায় পায়ে বেশ চোট পান শুক্লা। খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটতে হয়। তবে এ অবস্থাতেও বিশ্রাম নেননি। প্রতিদিনই ডেলিভারিম্যানের কাজটি করছেন। ফুডপান্ডা কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে শুক্লা বললেন, এখানে তিনিসহ মোট চারজন নারী কাজ করছেন। আর অন্যরা সবাই পুরুষ। তবে যৌন হয়রানি বা খারাপ আচরণ কেউ করেন না। রাতের বেলায় ঝুঁকিপূর্ণ কোনো এলাকায় কাজের অর্ডার পেলে তা কর্তৃপক্ষকে জানালে তারাই তা পাল্টে দেন।

 

শুক্লা জানান, তাঁর বোন ফার্মাসিস্ট হিসেবে একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন। করোনায় তাঁর চাকরিটিও চলে যায়। শুক্লা বাসায় ছাত্রছাত্রীদের ব্যাচ করে পড়াতেন, করোনায় তা ও বন্ধ হয়ে গেছে।

 

শুক্লা বললেন, কয়েক বছর আগেও আমাদের অবস্থা বেশ ভালো ছিল। বাবা আমাদের তাঁর সাধ্য অনুযায়ী ভালো রেখেছিলেন। বাবার অসুস্থতা, করোনা সবকিছু পাল্টে দিয়েছে। মায়ের হার্নিয়া অপারেশন হচ্ছে না টাকার অভাবে। আমি একসময় দেশের বাইরে যাওয়ার স্বপ্ন দেখতাম। স্বপ্ন দেখতাম নিজে প্রতিষ্ঠিত হয়ে বিয়ে করব। এখন নিজের পরিবার নিয়েই হিমশিম খাচ্ছি, তাই বিয়ের কথা মাথাতেও আনতে পারি না। আর মা–বাবার পাশে দাঁড়ানোর সৌভাগ্য সব মেয়ের হয় না। আমি সুযোগটা পেয়েছি, তাকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছি।

 

ডেলিভারিম্যান হিসেবে কাজ করতে গিয়ে তিক্ত অভিজ্ঞতাও হয়েছে শুক্লার। জানালেন, দুর্ঘটনায় পায়ে ব্যথার জন্য একজন গ্রাহককে তিনতালা থেকে একটু নিচে নেমে আসার অনুরোধ করেছিলেন। সেই গ্রাহক রেগে খাবারটাই বাতিল করে দেন। অনেকে অর্ডার করার পর থেকেই বিরক্তি প্রকাশ করতে থাকেন কেন এত দেরি হচ্ছে। ফোন করে ঠিকানা চাইলেও অনেক গ্রাহক খেপে যান। আবার অনেকে বলেন, আপনি লেডি ডেলিভারিম্যান, তা আগে বলবেন তো।

 

ফুডপান্ডার ভারী ব্যাগ নিয়ে কাজ করাটা অনেক পরিশ্রমের বলে জানালেন শুক্লা। রাত ১০টা পর্যন্ত প্রতিদিন গড়ে সাতটির মতো অর্ডার পান।

 

শুক্লা বললেন, বাবার অসুখের সময় ব্যাংক থেকে সাত লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিলাম। পাঁচ লাখ টাকা পরিশোধ করেছি। একবার ঋণের টাকা পরিশোধের জন্য মায়ের হাতের সোনার চুড়ি বন্ধক রেখেছিলাম। এ মাসেও ঋণের টাকা কোথা থেকে পরিশোধ করব, তা ভেবেই পাচ্ছি না। আর মেয়েরা সিএসিসি বা যা–ই পড়াশোনা করুক, চাকরির বাজারে এখনো বৈষম্যের শিকার হতেই হচ্ছে। একজন ছেলের যোগ্যতা কম থাকলেও বেশি বেতন দিতে সমস্যা হয় না, কিন্তু নারীদের বেলায় যোগ্যতা থাকলেও ভালো বেতন দিতে চায় না অনেক প্রতিষ্ঠান। নারীদের জন্য কাজের পরিবেশটাও এখনো বড় সমস্যা হিসেবে দেখা দেয়। লোকজনের কথা শোনার ভয়ে ফুডপান্ডার ড্রেসটাও পরতে পারি না।

 

 

 

২০ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি: প্রাথমিকের ফল প্রকাশ; সবাই মনোনীত মানবিক ও বাণিজ্যের

 

গুচ্ছভুক্ত ২০টি সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক আবেদনের ফল প্রকাশিত হয়েছে। আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার তথ্য দিয়ে অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে (https://gstadmission.ac.bd/reg/check-elegiblility) এ ফলাফল জানা যাবে।

 

মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগের যেসব শিক্ষার্থী প্রাথমিকভাবে আবেদন করেছেন, সবাই চূড়ান্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন। বিজ্ঞান বিভাগে ১ লাখ ৩১ হাজার শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষা দেওয়ার জন্য চূড়ান্ত আবেদন করতে পারবেন।

 

প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত ভর্তি পরীক্ষায় দেশের ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক প্রথম বর্ষে গুচ্ছভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে মোট ৩ লাখ ৬১ হাজার ৪০৬ শিক্ষার্থী প্রাথমিক আবেদন করেছেন। এতে বিজ্ঞান বিভাগে ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪১ জন, মানবিক বিভাগে ১ লাখ ৭ হাজার ৯৩৩ এবং বাণিজ্য বিভাগে আবেদন করেছেন ৫৮ হাজার ৬৩২ শিক্ষার্থী।

 

গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার টেকনিক্যাল কমিটির আহ্বায়ক ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য মুনাজ আহমেদ বলেন, শিক্ষার্থীরা আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে চূড়ান্ত আবেদন করতে পারবেন। এর অন্তত দুদিন আগেই নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা মুঠোফোনে খুদে বার্তার মাধ্যমে ফলাফল, ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড পাবেন।

 

উপাচার্য আরও বলেন, যেসব শিক্ষার্থীর মুঠোফোন নম্বরের সমস্যায় রয়েছেন, তাঁদের জন্য ওয়েবসাইটে একটি অপশন চালু করা হবে। সেখান থেকে মুঠোফোন নম্বর পরিবর্তন করা যাবে। তবে সেবাটি সব শিক্ষার্থী পাবেন না। শুধু যোগ্য শিক্ষার্থীরাই নম্বর পরিবর্তন করে আবেদন করতে পারবেন।

 

 

 

পরীক্ষার প্রস্তুতি আছে, না পারলে গতবারের মতো: প্রতিমন্ত্রী

 

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন বলেছেন, স্কুল খুলতে পারলে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা নেওয়া হবে। সেপ্টেম্বরে খুলতে পারলেও প্রস্তুতি আছে, অক্টোবরে খুলতে পারলেও প্রস্তুতি আছে।

তবে করোনা পরিস্থিতি অস্বাভাবিক থাকলে গতবারের মতো মূল্যায়ন করা হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন।

উল্লেখ্য, গতবার পরীক্ষা ছাড়াই শিক্ষার্থীদের ওপরের ক্লাসে ওঠানোর অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।

 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, তাঁরা চাচ্ছেন তাড়াতাড়ি স্কুল খুলে দিতে। প্রধানমন্ত্রী দুটি মিটিংয়ে বলেছেন। মন্ত্রণালয়সহ সবাই মিলে স্কুলগুলো সুন্দর রাখা হচ্ছে, যাতে যেকোনো সময় স্কুল খুলে দিয়ে কাজ করা যায়। আগে তাঁদের একটি পরিকল্পনা ছিল যে ধাপে ধাপে খোলা। তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম হয়তো দুই দিন করা; প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির জন্য সপ্তাহে এক দিন করে খোলা। এভাবেই করতে চাচ্ছেন।

 

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ আছে।
পরীক্ষার বিষয়ে জাকির হোসেন বলেন, তাঁরা সংক্ষিপ্ত পাঠ্যসূচির চিন্তা–ভাবনা করছেন। সেটা সমাপনীতেও ব্যবহার হবে। কে কীভাবে কী করল, তার মূল্যায়নের ভিত্তিতে রেজাল্ট দেওয়া হবে। সশরীর পরীক্ষা যদি নিতে না পারা যায়, তাহলে মূল্যায়নের ভিত্তিতে ফল দেওয়া হবে। স্কুল খুলতে পারলে পরীক্ষা নেওয়া হবে।

সেপ্টেম্বরে খুলতে পারলেও প্রস্তুতি আছে, অক্টোবরে খুলতে পারলেও প্রস্তুতি আছে। বাড়ির কাজ (ওয়ার্কসিট) দেওয়া হচ্ছে সিলেবোস অনুযায়ী, এটিও একটি মূল্যায়ন। এটি দেওয়ার কারণে সারা দেশে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শিক্ষকদের সম্পৃক্ততা রয়েছে। করোনা পরিস্থিতি অস্বাভাবিক থাকলে গতবারের মতো মূল্যায়ন করা হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা হলো, প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়া। পরে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা। তবে দিনক্ষণ এখনো ঠিক হয়নি।

 

স্কুল খোলার রূপরেখা নিয়ে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, ডব্লিউএইচও সবাই মিলে একটা সিদ্ধান্ত তো লাগবে। স্কুল হুট করে তো খুলে দেওয়া যাবে না। আরেকটু স্বাভাবিক হলে হয়তো খোলা যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে অক্টোবরের আগে সম্ভব কি না, জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটা ঠিক তিনি বলতে পারবেন না। যেকোনো সময় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিলে, তারা প্রস্তুত আছেন।

 

প্রাথমিকের ৮৫ শতাংশ শিক্ষক টিকা নিয়েছেন।প্রতিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ দেড় বছর থেকে বাচ্চারা বাড়িতে আছে। নানা ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত হচ্ছে। পড়াশোনা থেকে দূরে যাচ্ছে। গ্রামের বাচ্চারা তো খেলাধুলা নিয়ে মত্ত। অনলাইনে অনেকে বাজে গেমস খেলছে। যখন পড়াশোনা থাকে না, স্কুল থাকে না তখন বিভিন্নভাবে আড্ডা দেয়। চরের বাচ্চাদের বাল্যবিবাহের কিছুটা প্রবণতা বাড়ছে।

 

এসব মিলে তাঁরা চাচ্ছেন, যত তাড়াতাড়ি স্কুল খুলে দিতে। স্কুল খুললে কীভাবে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে, সেই নির্দেশনাও দেওয়া আছে। প্রাথমিকের ৮৫ শতাংশ শিক্ষক ইতিমধ্যে করোনার টিকা নিয়েছেন। সবাইকে টিকা দেওয়া হবে।

 

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ আছে। সরকারের সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী, এ ছুটি আছে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত। দীর্ঘ ১৭ মাস ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কারণে দেশের প্রায় ৪ কোটি শিক্ষার্থীর পড়াশোনা মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছে।

বিকল্প উপায়ে টিভি, অনলাইন, অ্যাসাইনমেন্টসহ বিভিন্নভাবে শিক্ষার্থীদের সক্রিয় রাখার চেষ্টা করা হলেও বাস্তবতা হলো শ্রেণিকক্ষে যেভাবে পড়াশোনা হতো, তা এসবের মাধ্যমে হচ্ছে না। আবার সবাই এসবের সুবিধাও পাচ্ছে না। শিশুদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা গেছে, তাদের পরিকল্পনা হলো, প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়া। পরে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা। তবে দিনক্ষণ এখনো ঠিক হয়নি।

 

নারী ব্যাংক কর্মকর্তার আপত্তিকর ভিডিও ছড়ানোর মামলায় কলেজছাত্র গ্রেপ্তার

 

রাজশাহীর বাগমারায় এক নারী ব্যাংক কর্মকর্তার (৩২) গোসলের দৃশ্য গোপনে ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় এক কলেজছাত্রকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তার ছাত্রের নাম মুরাদ হোসেন (২১)। তিনি একই উপজেলার বাসিন্দা ও নাটোর নবাব সিরাজ উদ দৌলা কলেজের সম্মান শ্রেণির ছাত্র।

আজ সোমবার সকালে মুরাদ হোসেনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগী ওই নারী ঢাকায় একটি বেসরকারি ব্যাংকে কাজ করেন।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ঈদুল আজহার ছুটিতে ওই নারী ব্যাংক কর্মকর্তা ঢাকা থেকে তাঁর শ্বশুরবাড়ি বাগমারার একটি গ্রামে আসেন। আবদুল আলিম নামের এক তরুণ গোপনে ওই নারীর গোসলের ভিডিও মুঠোফোনে ধারণ করেন। পরে সেটি তিনি তাঁর বন্ধু মুরাদ হোসেনকে দেন। মুরাদ ওই নারী ব্যাংক কর্মকর্তার কাছে ভিডিওটি পাঠিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। পরে টাকা না পেয়ে মুরাদ হোসেন ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে দেন। এ ঘটনায় ওই নারীর স্বামী বাদী হয়ে গতকাল রোববার রাতে থানায় পর্নোগ্রাফি আইনে দুই তরুণের নামে মামলা করেন। পুলিশ অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় রাতেই মুরাদ হোসেনকে গ্রেপ্তার করে।

তবে গ্রেপ্তার মুরাদ হোসেনের স্বজনদের দাবি, মুরাদের মুঠোফোন ব্যবহার করে এ কাজ করেছেন তাঁর বন্ধু আবদুল আলিম।

মামলার বাদী বলেন, তিনি ও তাঁর স্ত্রী এ ঘটনার পর সামাজিকভাবে হেয় হয়েছেন। তাঁরা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন।

উপজেলার ভাগনদি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) সাজ্জাদ হোসেন বলেন, রাতেই অভিযান চালিয়ে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপরজনকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

 

 

রাজধানীতে ট্রাকচাপায় শিশু নিহত

 

রাজধানীতে লালবাগ এলাকায় ট্রাকচাপায় চার বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল রোববার রাত সাড়ে ১২টার দিকে লালবাগ কেল্লার মোড় বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত শিশুটির নাম সামিয়ান। তার বাবা আরমান হোসেন পেশায় রিকশাচালক। শিশুটির মা আসমা বেগম গৃহকর্মীর কাজ করেন।

শিশুটির নানা জাকির হোসেন প্রথম আলোকে জানান, তাঁর মেয়ে আসমা বেগম লালবাগ কেল্লার মোড় বাজার এলাকায় থাকেন। গতকাল রাতে ছেলে সামিয়ানকে নিয়ে দুধ কিনতে বাসা থেকে বের হন তিনি। মোড় বাজারে যাওয়ার পরে একটি ট্রাক তাঁদের ধাক্কা দেয়। এতে গুরুতর আহত হয় সামিয়ান। এ সময় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সোমবার ভোররাত চারটার দিকে শিশুটির মৃত্যু হয়।

লালবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বিনয় কুমার রায় প্রথম আলোকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মৃত্যুর ঘটনায় ট্রাকচালক মো. নীরবকে আটক করা হয়েছে। শিশুটির মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

 

 

বরিশালে ইউএনওর বাড়িতে হামলা ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় বরিশাল সদর উপজেলার ইউএনও, কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি, এসআইয়ের বিরুদ্ধে করা পৃথক দুটি মামলার আবেদন আমলে নিয়ে আদালত পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

 

আজ রোববার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে বরিশালের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাসুম বিল্লাহ এ নির্দেশ দেন। মামলার অভিযোগ দুটি তদন্ত করে আগামী ২৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পিবিআইয়ের বরিশালের পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আদালতের বেঞ্চ সহকারী কামরুল হাসান প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

 

এর আগে সকালে বরিশালের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুনিবুর রহমান, কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল ইসলাম ও উপপরিদর্শক (এসআই) শাহজালাল মল্লিকের নামে পৃথক দুটি মামলার আবেদন করেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা বাবুল হালদার এবং বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম।

 

বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মো. ইউনুস প্রথম আলোকে বলেন, দুটি মামলার আবেদনেই ইউএনও মুনিবুরকে প্রধান আসামি করা হয়েছে।

 

আদালত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মামলার আবেদনে ইউএনও মুনিবুর রহমানকে আসামি করার পাশাপাশি তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পাঁচজন আনসার সদস্যকে আসামি করা হয়েছে। তবে তাঁদের নাম উল্লেখ নেই। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৪০-৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

 

মামলার ওই দুই আবেদনে বলা হয়, নগরের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার জন্য সিটি করপোরেশনের সভায় নগরের বিভিন্ন এলাকায় লাগানো ব্যানার-ফেস্টুন অপসারণের সিদ্ধান্ত হয়। এর ধারাবাহিকতায় ১৮ আগস্ট রাতে বরিশাল নগরের সিঅ্যান্ডবি সড়কে উপজেলা পরিষদ কম্পাউন্ডে সিটি করপোরেশনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা স্বপন কুমার দাসের নেতৃত্বে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা বিভিন্ন ব্যানার-ফেস্টুন অপসারণ করতে গেলে ইউএনওর নিরাপত্তায় নিয়োজিত আনসার সদস্যরা বাধা দেন ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। ঘটনাটি জেনে সিটি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ সিটি করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে সেখানে যান। এ সময় ইউএনও এবং তাঁর আনসার সদস্যরা মেয়রকে হত্যার উদ্দেশে গুলি ছোড়েন। সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মানববর্ম তৈরি করে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহকে রক্ষা করেন। এতে মেয়রের বেশ কয়েকজন কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

 

১৮ আগস্ট রাতে নগরের সিঅ্যান্ডবি সড়কে উপজেলা পরিষদ কম্পাউন্ডে শোক দিবসের ব্যানার অপসারণ নিয়ে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের মধ্যে রাতভর সংঘর্ষ হয়। এ সময় ইউএনওর সরকারি বাসভবনেও হামলার অভিযোগ করা হয়।

 

ইউএনও মুনিবুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে শোক দিবস উপলক্ষে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুকের ব্যানার ও পোস্টার লাগানো ছিল। রাতে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা এসব ছিঁড়তে আসেন। রাতে লোকজন ঘুমাচ্ছে জানিয়ে তাঁদের সকালে আসতে বলা হয়। এ কারণে তাঁরা গালিগালাজ করে। আমার বাসায় ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে হামলা চালায়।

 

এমন অভিযোগে বৃহস্পতিবার ইউএনও মুনিবুর রহমান বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলায় ২৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়া ৭০ থেকে ৮০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। এদিকে সরকারি কাজে বাধা ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই শাহজালাল মল্লিক বাদী হয়ে পৃথক অপর একটি মামলা করেন। দুটি মামলায় মেয়র সাদিক আবদুল্লাহকে প্রধান আসামি করা হয়।

 

এদিকে ইউএনও ও পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুটি মামলার আবেদন করা হলেও রোববার সকাল থেকে বরিশাল নগরে সার্বিক পরিস্থিতি শান্ত আছে। নগরের কোথাও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের টহল দিতে দেখা যায়নি।

 

করোনার বছরে দেশের স্থলবন্দরগুলোর জমজমাট ব্যবসা বেড়েছে। একদিকে যেমন আয় বেড়েছে, তেমনি পণ্য আমদানি-রপ্তানিও বেড়েছে। করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় বিদায়ী অর্থবছরে একাধিকবার নানা বিধিনিষেধ আরোপ করা হলেও স্থলবন্দরগুলো দিয়ে আমদানি-রপ্তানিতে তেমন প্রভাব পড়েনি। বিদায়ী অর্থবছরে এই প্রথম বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের আয় ২৫০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেল। এ ছাড়া স্থলবন্দর দিয়ে বার্ষিক আমদানি-রপ্তানি আবারও দুই লাখ টন ছাড়াল।

 

বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। দেশের সব স্থলবন্দর দেখভাল করে এই কর্তৃপক্ষ। পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর সঙ্গে বিশেষ করে ভারতসহ পার্শ্ববর্তী দেশের সঙ্গে বাণিজ্য সহজ করতে ২০০১ সালে স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ গঠিত হয়। বর্তমানে ২৪টি স্থলবন্দর থাকলেও কার্যকর আছে মাত্র ১২টি। তবে বেনাপোল, ভোমরা ও বুড়িমারী-আমদানি-রপ্তানিতে এই তিন স্থলবন্দরের ওপর নির্ভরশীলতা অতি মাত্রায়।

 

স্থলবন্দরের আয়ের প্রধান উৎসগুলো হলো খালাস হওয়ার অপেক্ষায় থাকা পণ্যের জন্য শেড ও ইয়ার্ড ভাড়া, ওজন মাপার মাশুল, প্রবেশ মাশুল, শ্রমিক মজুরি, দলিলাদি প্রক্রিয়াকরণ মাশুল ইত্যাদি।

 

এক বছরে স্থলবন্দরের আয় বেড়েছে ৩০%
স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, বিদায়ী অর্থবছরে স্থলবন্দরগুলো থেকে ২৬৭ কোটি টাকা আয় হয়েছে। এক বছরের ব্যবধানে ৩০ শতাংশের বেশি আয় বেড়েছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে সব মিলিয়ে আয় হয়েছিল ২০৩ কোটি টাকা। বেনাপোল, ভোমরা ও বুড়িমারী—এই তিনটি স্থলবন্দর থেকে মোট আয়ের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি এসেছে। এই তিনটি বন্দরের আয় ১৮৩ কোটি টাকা।

 

 

করোনার বছরে দেশের স্থলবন্দরগুলোর জমজমাট ব্যবসা বেড়েছে। একদিকে যেমন আয় বেড়েছে, তেমনি পণ্য আমদানি-রপ্তানিও বেড়েছে।

 

 

বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. আলমগীর বলেন, আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে বিধিনিষেধের আওতায় বাইরে ছিল স্থলবন্দরের কার্যক্রম। তাই আমদানি-রপ্তানিও বিঘ্নিত হয়। এ ছাড়া ব্যবসায়ীরা এই করোনার সময়ে আমদানি-রপ্তানি হ্রাস করেননি। ফলে স্থলবন্দরের আয় বেড়েছে। প্রতিটি স্থলবন্দরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কর্মীরা কাজ করেছেন। তিনি জানান, করোনার সময়ে দেশের পশ্চিম সীমান্ত দিয়ে তুলনামূলক বেশি আমদানি-রপ্তানি হয়েছে।

১০ বছরের ব্যবধানে স্থলবন্দর থেকে আয় প্রায় সাড়ে ছয় গুণ বেড়েছে। ২০১০-১১ অর্থবছরে বার্ষিক আয় ছিল ৪১ কোটি টাকা। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে স্থলবন্দরের আয় শত কোটি টাকা পেরিয়ে যায়। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে আয় ২০০ কোটি টাকা ছাড়ায়।

আমদানি-রপ্তানি আবার ২ লাখ টন ছাড়াল গত অর্থবছরে আবারও স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানির পরিমাণ দুই লাখ টন ছাড়াল। কয়েক বছর ধরেই স্থলপথে দুই লাখ টনের বেশি আমদানি-রপ্তানি হচ্ছিল। কিন্তু ২০১৯-২০ অর্থবছরের মার্চ মাসে করোনা সংক্রমণ শুরু হলে আমদানি-রপ্তানি কিছুটা শ্লথ হয়। ফলে ওই অর্থবছরে আমদানি-রপ্তানির পরিমাণ দাঁড়ায় দেড় লাখ টন। তবে বিদায়ী অর্থবছরে তা আবার বেড়ে ২ লাখ ১২ হাজার টন হয়। এর মধ্যে আমদানি হয় ২ লাখ ১ টন পণ্য। আর রপ্তানি হয় ১১ লাখ টনের মতো পণ্য।

 

স্থলবন্দর দিয়ে যত পণ্য আমদানি-রপ্তানি হয়, তার ৯৯ শতাংশের বেশি হয় ভারতের সঙ্গে। টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে শুধু মিয়ানমারের সঙ্গে বাণিজ্য হয়। বছরে এক লাখ টনের মতো পণ্য আসা-যাওয়া করে এই বন্দর দিয়ে। বেনাপোল, ভোমরা ও বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে প্রায় ৮৬ শতাংশ পণ্য আমদানি-রপ্তানি হয়েছে।

তবে বেনাপোল, বুড়িমারী, ভোমরাসহ হাতে গোনা স্থলবন্দর ছাড়া অন্য স্থলবন্দরগুলোর অবকাঠামো খুব উন্নত নয়। তাদের আয়ও খুব বেশি নয়।

 

 

 

স্বাস্থ্য খাতের চরম ব্যর্থতার দায় আড়াল করতেই সরকার গণটিকার ঘোষণা দিয়ে নতুন নাটকের মঞ্চায়ন করেছে। ফলশ্রুতিতে সরকারের গণটিকার কর্মসূচি গণভোগান্তিতে পরিণত হয়েছে। এক কোটিরও কম টিকা মজুত রেখে কিভাবে গণটিকার কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়, তা আমাদের বোধগম্য নয়।

আজ ১১ আগস্ট ২০২১ (বুধবার) ইসলামী যুব আন্দোলন-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা মুহাম্মাদ নেছার উদ্দিন ও সেক্রেটারি জেনারেল আতিকুর রহমান মুজাহিদ এক যুক্ত বিবৃতিতে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

নেতৃদ্বয় আরো বলেন, আমাদের মনে হয় করোনার সংক্রমণ রোধে সরকার শুধুমাত্র লকডাউনকেই একমাত্র সমাধান হিসেবে গ্রহণ করেছে। তাই গত দেড় বছরেও স্বাস্থ্যখাতে তেমন কোনো অগ্রগতি উল্লেখ করার মতো নেই।

 

বিবৃতিতে তারা বলেন, সরকার তার অবৈধ ক্ষমতাকে টিকিয়ে রাখতে শুধুমাত্র রাজনীতিতে দুর্বৃত্তায়ন নয়; প্রশাসন ও আমলাসহ সকল ক্ষেত্রে দুর্বৃত্তায়নের প্রসার ঘটিয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ের বিভিন্ন প্রতিবেদনে দেখা যায় যে, বিদেশে অবৈধ টাকা পাচারের এক্ষেত্রে অবৈধ ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদদের থেকে আমলারা কোন অংশেই পিছিয়ে নেই। বরং আমলারাই এখন বেশি টাকা পাচার করেছে। দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ গড়ার প্রতিরোধে সরকারের সকল দপ্তরে জবাবদিহীতামূলক ব্যবস্থা রাখতে হবে। গণটিকাদান কর্মসূচিতে মানুষের ভোগান্তি নিরসনকল্পে পর্যাপ্ত টিকা কেন্দ্র বাড়ানোর জন্য নেতৃবৃন্দ সরকারের প্রতি আহবান জানান।

 

 

 

 

গণপরিবহন সংকটের এই ঢাকা শহরে প্রতিনিয়ত নাগরিকদের বাসে উঠতে রীতিমতো লড়াই করতে হয়, সেখানে করোনা সংক্রমণের মধ্যে অর্ধেক বাস চালানো কতটা যুক্তিসঙ্গত তা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন

 

বুধবার থেকে দৈনিক মোট গণপরিবহনের অর্ধেক চলাচল করতে পারবে—সরকারের এমন সিদ্ধান্ত কতটা যৌক্তিক, সেই প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। আমাদের গণপরিবহন ব্যবস্থার মালিকানার ধরন, নিয়ন্ত্রণ সংস্থার সক্ষমতা এবং শ্রমিকদের নিয়োজিত করার পদ্ধতি—এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে অন্তরায়।

করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহন চালানোই যেখানে মূল লক্ষ্য, সেখানে সরকারের নতুন এই সিদ্ধান্ত তা আরও নাজুক করে তুলতে পারে। পাশাপাশি সাধারণ যাত্রীরাও দুর্ভোগে পড়তে পারেন, বাড়তি ব্যয়ের বোঝাও চাপবে।

প্রায় দেড় বছর ধরে দেশে করোনা মহামারি চলমান। করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এরই মধ্যে বিধিনিষেধ, কঠোর বিধিনিষেধ, শিথিল বিধিনিষেধ নামের নানা সিদ্ধান্ত দেখেছে দেশের মানুষ। বেশির ভাগ সিদ্ধান্তই এসেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে।

তবে বরাবরই বিধিনিষেধ বা লকডাউনের কেন্দ্রে থাকে গণপরিবহন তথা ট্রেন, লঞ্চ, বাস ও ফেরি। সাধারণ মানুষের এসব বাহনই বড় ভরসা। এগুলো ভিন্ন ভিন্ন সংস্থার নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়। অংশীজন হিসেবে আছেন বেসরকারি উদ্যোক্তারা।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সিদ্ধান্ত দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করা হচ্ছে না। ফলে সকালে সিদ্ধান্ত দিয়ে রাতে তা পাল্টাতে দেখা গেছে। বিধিনিষেধ বাস্তবায়নেও হযবরল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

 

এই অব্যবস্থাপনার পেছনে আমলাদের ওপর অতি নির্ভরতাকে দায়ী করে থাকেন অনেকে। যখনই কোনো নতুন সিদ্ধান্ত আসে, তখন অংশীজনদের কেউ কেউ তাই রসিকতা করে বলে থাকেন, এক দিন পর এই সিদ্ধান্তও পরিবর্তন হয় কি না দেখেন?

করোনার সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকির মধ্যেই সরকার হঠাৎ করে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ১৫ থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত বিধিনিষেধ শিথিলের ঘোষণা দেয়। তখনই জানিয়ে দেওয়া হয়, ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে। বন্ধ থাকবে সব শিল্পকারখানা। এই সুযোগে এক কোটির বেশি মানুষ ঢাকা ছাড়ে।

 

 

৩০ জুলাই হঠাৎ সিদ্ধান্ত দেওয়া হয় যে ১ আগস্ট থেকে রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানা খুলবে। গণপরিবহন বন্ধ রেখেই কারখানা খোলার এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ফলে শ্রমিকেরা দূরদূরান্ত থেকে ভ্যানে, ট্রাকে ও হেঁটে কাজে যোগ দেওয়ার জন্য রওনা দেন।

কিছু দিন আগে কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে গণপরিবহন বন্ধ রেখে কারখানা খোলার অনুমতি দেওয়া হয়, সে সময় ঢাকা ফিরতে মরিয়া শ্রমিকেরা এভাবে মাদারীপুরের বাংলাবাজার ফেরিঘাটে এসে ভিড় করেন

 

 

বাড়তি খরচ আর দুর্ভোগ নিয়ে অধিকাংশ শ্রমিক ঢাকায় চলে আসার পর সরকার শ্রমিক আনার কাজে দেড় দিনের জন্য বাস চলতে পারবে বলে মৌখিক নির্দেশনা দেয়। কিন্তু অধিকাংশ শ্রমিক চলে আসার কারণে এই সিদ্ধান্তে শ্রমিকদের কোনো কাজে লাগেনি।

 

 

 

গত বছরও পোশাক কারখানা বন্ধ ও খোলা নিয়ে সিদ্ধান্তে নানা অসংগতি ছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে এই নিয়ে সমালোচনার পর সিদ্ধান্ত পাল্টানোর ঘটনা ঘটেছে।

একইভাবে ফেরি চালু রেখে বাস বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা এসেছে বিভিন্ন সময়। এ সময় ফেরিগুলোতে উপচে পড়া ভিড়ে স্বাস্থ্যবিধির কোনো বালাই ছিল না।

 

এ পর্যন্ত সরকারের লকডাউন এবং বিধিনিষেধসংক্রান্ত সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে কয়েকটি দুর্বলতা দেখা যাচ্ছে। এগুলো হচ্ছে—১. সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর ও অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা না করা। ২. পোশাক কারখানা খোলার ক্ষেত্রে এই খাতের মালিক সংগঠনগুলোর ইচ্ছাকেই গুরুত্ব দেওয়া। ৩. পোশাক খাতের শ্রমিক এবং নিম্ন আয়ের মানুষের দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় না নেওয়া। ৪. স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে বিজ্ঞান বা বাস্তবতার চেয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের বিবেচনাবোধকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া। ৫. ওপর থেকে নেওয়া সিদ্ধান্ত কীভাবে বাস্তবায়ন হবে, সেই বিষয়ে মাঠপর্যায়ে স্পষ্ট নির্দেশনা না থাকা।

এবার প্রতিদিন অর্ধেক গণপরিবহন চালু রাখার নতুন যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, এর মধ্যেও বিজ্ঞান বা বাস্তবতাবোধের অভাব দেখা যাচ্ছে। ফলে বেশ কিছু সমস্যার উদ্ভব হতে পারে।

 

 

 

পরিবহন ব্যবস্থাই এমন যে অর্ধেক চালু রাখা কঠিন
রাজধানী ঢাকাসহ বড় শহর এবং দূরপাল্লার পথে প্রায় এক লাখ বাস-মিনিবাস চলাচল করে। এসব বাসের মালিক আছেন প্রায় ৪০ হাজার। সবাই সংঘবদ্ধ বা বড় কোম্পানির অধীনে নয়। এমনও আছে যে তিন-চারজন ব্যক্তি মিলে একটা বাসের মালিক। একজনের একটি বাসের মালিকানাই বেশি। অনেক পরিবহনমালিক মিলে একটা কোম্পানি করে বাস চালিয়ে থাকেন। এর বাইরে দেশে বড় কোম্পানি আছে ২০টির মতো। এসব বড় কোম্পানিতে এক মালিকের অনেক বাস চলে।

এই জটিল মালিকানা ব্যবস্থায় অর্ধেক বাস চালু রাখার যে সিদ্ধান্ত, তা বাস্তবায়ন করা অত্যন্ত কঠিন। প্রথমত, যাঁর একটি বাস আছে বা একাধিক মালিকের যদি একটি বাস থাকে, তাহলে সেখানে অর্ধেক চালানোর সুযোগ নেই। এ ছাড়া প্রভাবশালী পরিবহনমালিক ও শ্রমিকনেতারা রুট কমিটির নামে বিভিন্ন বাস টার্মিনাল নিয়ন্ত্রণ করেন। কোন মালিকের বাস চলবে এবং কারটা বন্ধ থাকবে—এটা ঠিক করতে গিয়ে প্রভাবশালীরা চাঁদাবাজির আশ্রয় নিতে পারেন। মনে রাখা দরকার, গণপরিবহনে চাঁদাবাজি দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে।

 

ঢাকায় সব বাস চললেও যাত্রীদের চাপে এভাবে দাঁড়িয়ে যেতে বাধ্য হন অনেকে, সেখানে অর্ধেক বাস চললে স্বাস্থ্যবিধির কী হবে সেটাই বড় প্রশ্ন হয়ে দেখা দিয়েছে

 

এ ছাড়া দীর্ঘদিন শ্রমিকেরা বেকার। এখন অর্ধেক বাস চালাতে হলে কাকে বসিয়ে রেখে কাকে চালানোর সুযোগ দেওয়া হবে, এটাও একটি জটিল বিষয়।

 

 

 

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে বলা হয়েছে, স্থানীয় প্রশাসন সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে অর্ধেক বাস চালানোর বিষয়টি নিশ্চিত করবে। মঙ্গলবার কিছু জেলা ও বিভাগীয় শহরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিবহনমালিক-শ্রমিকনেতাদের সঙ্গে বৈঠকের খবর পাওয়া গেছে। কিন্তু পরিবহন খাত নিয়ন্ত্রণ হয় ঢাকা থেকে। কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে কোনো বৈঠক বা আলোচনার খবর পাওয়া যায়নি।

স্বাস্থ্যবিধি মানা কঠিন হবে
সড়ক পরিবহনের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিআরটিএ মঙ্গলবার এক আদেশে বলেছে, যত আসন, তত যাত্রী পরিবহন করা যাবে। তবে কোনোভাবেই আসনের অতিরিক্ত বা দাঁড়িয়ে যাত্রী পরিবহন করা যাবে না। কিন্তু দীর্ঘদিন পরিবহন বন্ধ থাকার পর স্বাভাবিকভাবেই যাত্রীর চাপ বাড়বে। এ অবস্থায় আসনের অতিরিক্ত যাত্রী বহন না করার নির্দেশনা কতটা মানা হবে, সেই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

 

 

 

গত ৩১ জুলাই পোশাকশ্রমিকদের আনার জন্য বাস চলাচলে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হয়। কিন্তু শ্রমিকেরা আগেই ঢাকায় চলে আসার কারণে খুব বেশি বাস চলেনি। অর্থাৎ যাত্রী থাকলে পরিবহনমালিক–শ্রমিকেরা তাঁদের নেবেনই। না থাকলে বাস কম চলবে—এর জন্য নির্দেশনার দরকার নেই।

বাংলাদেশ রেলে স্বাভাবিক সময়ে দিনে সাড়ে ৩০০ যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল করে। সংস্থাটি ১১৪টি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পবিত্র ঈদুল আজহার সময়ও রেল একই পরিমাণ ট্রেন চালিয়েছিল। সে সময় অর্ধেক আসন ফাঁকা রাখার সিদ্ধান্ত থাকলেও গাদাগাদি করে যাত্রী পরিবহনের চিত্র আমরা দেখেছি। একই অবস্থা দেখা গেছে লঞ্চ ও ফেরিতে।

 

 

 

ভাড়া–নৈরাজ্য হতে পারে
একটা সময়ে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে ৬০ শতাংশ বাড়তি নেওয়ার শর্তে অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে বাস চালানোর সিদ্ধান্ত ছিল। এখন যত আসন, তত যাত্রী বহনের কারণে স্বভাবতই বাড়তি ভাড়া আদায় করা যাবে না। কিন্তু পরিবহন মালিকেরা বলছেন, অর্ধেক বাস চলাচল করলে তাঁদের আয় কমে যাবে। এ অবস্থায় নির্ধারিত ভাড়া হার মেনে সব পরিবহনের চলাচল নিশ্চিত করা কঠিন।

বিআরটিএ এ–সংক্রান্ত নির্দেশনা দিলেও সারা দেশে তা বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না, তা দেখার মতো লোকবল বা অবকাঠামো নেই সংস্থাটির। ফলে সাধারণ যাত্রীদের ওপর বাড়তি ভাড়ার বোঝা চাপতে পারে। এই নিয়ে যাত্রী ও পরিবহনশ্রমিকদের বচসারও আশঙ্কা আছে।

 

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হয়রানির আশঙ্কা
বিধিনিষেধে কিছু ক্ষেত্রে মাইক্রোবাস, ট্রাক, হিউম্যান হলার, মোটরসাইকেল ও ভ্যানে যাত্রী পরিবহন হয়েছে। এসব যানের মালিক-শ্রমিকদের কাছ থেকে চাঁদা নিয়ে চলাচল নির্বিঘ্ন করার অভিযোগ আছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে।

বিধিনিষেধের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চৌকি বসিয়ে যানবাহনে বিধি ভঙ্গ করে যাত্রী নেওয়া হচ্ছে কি না, তা দেখে পুলিশ

 

বিশৃঙ্খল ব্যবস্থার কারণে অর্ধেক গণপরিবহন হিসাব করার আসলে কোনো বাস্তবসম্মত ব্যবস্থা নেই। ফলে রাস্তায় নামানোর পর যেকোনো বাস আটকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হয়রানি করতে পারে। এতে চাঁদাবাজির সুযোগ তৈরি হবে।

 

 

পরিবহন ব্যবস্থাই এমন যে অর্ধেক চালু রাখা কঠিন
রাজধানী ঢাকাসহ বড় শহর এবং দূরপাল্লার পথে প্রায় এক লাখ বাস-মিনিবাস চলাচল করে।

 

 

 

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নেওয়া সর্বশেষ সিদ্ধান্তের বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন খোদ সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। গত সোমবার তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন,অর্ধেক বাস চলবে, আর অর্ধেক চলবে না, এটার নিশ্চয়তা দেবে কে? বিষয়টি আমাদের মন্ত্রণালয়, বিআরটিএর সঙ্গে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে একটু আলোচনা করে নিলে ভালো হতো। বিষয়টি এখন জেলা প্রশাসন ও পুলিশের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে। তারা যদি সরকারের এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে পারে, ভালো কথা। এটা আমাদের এখতিয়ার নয়।

সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী এবং ক্ষমতাসীন দলের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতার এই প্রতিক্রিয়া বলে দেয়, যে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সমন্বয়হীনতা প্রকট। ফলে এর বাস্তবায়ন মাঠ প্রশাসনের ইচ্ছা-অনিচ্ছার ওপর নির্ভরশীল। এতে সরকারের লাভ-ক্ষতি যা-ই হোক, ভোগান্তির শিকার হতে হয়, খরচের বোঝা বাড়ে সাধারণ মানুষের। পরিতাপের বিষয় হচ্ছে, সাধারণ মানুষের সুবিধা–অসুবিধার বিষয়টি নীতিনির্ধারকদের বিবেচনায় কমই থাকে।

 

 

বাংলাদেশ থেকে বেশি পাচার হচ্ছে ইয়াবা। অন্যদিকে এ দেশে আসছে এলএসডি, খাট, আইসের মতো নতুন মাদক।

কুরিয়ারে বাংলাদেশ থেকে যাচ্ছে মাদক, আসছেও
তৈরি পোশাকের আড়ালে গত বছর অস্ট্রেলিয়ায় ইয়াবা তৈরির কাঁচামাল অ্যামফিটামিন পাচার করছিল একটি চক্র। ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজ থেকে ১২ কেজি অ্যামফিটামিন উদ্ধারের পর পাচারের সহযোগিতা করায় একটি বহুজাতিক কুরিয়ার সার্ভিসের তিন কর্মকর্তাসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)।

 

 

পরে অধিদপ্তরের তদন্তেই এই আসামিদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি উল্লেখ করে তাঁদের সবাইকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। আদালতে জমা দেওয়া অভিযোগপত্রে এ-ও বলা হয়, মাদক পাচারে কুরিয়ার সার্ভিসের দায় নেই।

 

অবশ্য মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে মাদক পাচারের ঘটনা ঘটে। ১২ কেজি অ্যামফিটামিন উদ্ধারের ঘটনায় কুরিয়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ কোনো ধরনের স্ক্যানিং ছাড়াই পার্সেলের চালান বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে পাঠিয়ে দিয়েছিল। এ ঘটনায় যাঁদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে, তাঁরাই কুরিয়ারে করে মাদকের চালান পাঠানোর কথা স্বীকার করেছেন। এ বিষয়টি এ মামলার অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

 

কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে বিদেশে মাদক পাচার যেমন হচ্ছে, তেমনি একইভাবে বিদেশ থেকে এ দেশে মাদক আসছে। পাচারকারীরা বাংলাদেশকে রুট হিসেবে ব্যবহার করছে।

 

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, কুরিয়ারে নতুন নতুন মাদক দেশে আসছে। সর্বশেষ দেশে আসা নতুন মাদক এলএসডি এসেছে একটি আন্তর্জাতিক কুরিয়ারে। আরও দুটি মাদকদ্রব্য খাট ও আইস বা ক্রিস্টাল মেথও একইভাবে দেশে আসে। কুরিয়ার সার্ভিসে মাদক পাচারের অভিযোগে গত এক বছরে ২০টি মামলা করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এগুলোর মধ্যে সাতটি মামলা বিচারাধীন। অন্য মামলাগুলোর তদন্ত এখনো শেষ হয়নি।

 

বাংলাদেশ থেকে বেশি পাচার হচ্ছে ইয়াবা। অন্যদিকে এ দেশে আসছে এলএসডি, খাট, আইসের মতো নতুন মাদক।

 

মামলাগুলোর তদন্ত করতে গিয়ে ডিএনসি জানতে পেরেছে, কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়াসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে মাদক পাচার হচ্ছে। বিভিন্ন কুরিয়ার সার্ভিসের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী মাদক চক্রে জড়িয়ে দেশি-বিদেশি পাচারকারীদের সহায়তা করছেন।

কুরিয়ারে মাদক পাচারের ঘটনায় ২০ মামলা। ৭টি বিচারাধীন, বাকিগুলোর তদন্ত চলছে। ১৭টি মামলাই হয়েছে ইয়াবা পাচার নিয়ে। বাংলাদেশি ও বিদেশি নাগরিকেরা জড়িত। কুরিয়ার সার্ভিসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয় না।
যে ২০টি মামলা হয়েছে, তার মধ্যে ১৭টি মামলা করা হয়েছে ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায়। এর মধ্যে একই চক্রের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা রয়েছে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায়। গত বছরের জুনের শুরুতে সৌদি আরবে পাঠানোর সময় এক হাজার ইয়াবা এবং পরে একই মাসে এই চক্রের ২ হাজার ৩০০ এবং ১ হাজার ২৫০টি ইয়াবার দুটি চালান ধরা পড়ে। এতে চক্রের মূল হোতা শাহ আলম এবং তাঁর দুই সহযোগী ইউসুফ মোল্লা ও সাদ্দাম হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

 

 

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক আবদুস সবুর মণ্ডল বলেন, কুরিয়ার সার্ভিসে মাদকের চোরাচালান রোধে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। পার্সেলে মাদক শনাক্তে কুরিয়ার সার্ভিসের কর্মীদের প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হচ্ছে। কুরিয়ার সার্ভিস ব্যবহার করে মাদক পাচারে জড়িত পুরো নেটওয়ার্ক শনাক্তে কাজ চলছে।

পাচারের পেছনে যে কুরিয়ারের কর্মীরাও জড়িত, এর প্রমাণও রয়েছে ডিএনসির হাতে। গত বছরের ১০ আগস্ট আরেকটি বহুজাতিক কুরিয়ার সার্ভিসের ওয়্যারহাউস থেকে ছয়টি ট্রাভেল ব্যাগভর্তি ৩ হাজার ৫০০ ইয়াবা উদ্ধার করে সংস্থাটি। এই চালান সৌদি আরবে পাঠানো হচ্ছিল। এই ঘটনায় দেশীয় একটি কুরিয়ার সার্ভিসের কিশোরগঞ্জ শাখার ম্যানেজার মোস্তাফিজুর রহমান, তাঁর দুই সহযোগী আবু দারদা ও মোজাম্মেলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্তের পর জানা যায়, মোস্তাফিজ আর্থিক সুবিধা নিয়ে ইয়াবা সৌদি আরবে পাচার করছিলেন।

 

 

অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা জানান, কুরিয়ার সার্ভিসের প্রতিটি শাখায় ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরা স্থাপন ও ফুটেজ সংরক্ষণের জন্য বলা হয়েছে। প্রতিটি বুকিং সেন্টারে স্ক্যানার স্থাপনের কথাও বলা হয়েছে।

‍সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের স্বত্বাধিকারী ও কুরিয়ার সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি হাফিজুর রহমান একেটিভিকে বলেন, অধিকাংশ কুরিয়ার সার্ভিসের লাইসেন্স নেই। যাঁরা নিয়ম মেনে কুরিয়ার সার্ভিস পরিচালনা করছেন, তাঁরা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা মেনেই কাজ করছেন। মাদক পাচারে জড়িত ব্যক্তিদের ধরিয়েও দেওয়া হচ্ছে।

 

 

 

কুরিয়ার সার্ভিসের দায় পায়নি ডিএনসি
কয়েকটি মামলার তদন্তে মাদক পাচারে কুরিয়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলেও কুরিয়ার সার্ভিসের কোনো দায় বা অবহেলা এখন পর্যন্ত পায়নি ডিএনসি। গত বছরের সেপ্টেম্বরে বিমানবন্দরে কার্গো ভিলেজে ১২ কেজি অ্যামফিটামিন উদ্ধারের যে ঘটনা ঘটেছিল, তখন প্রশ্ন উঠেছিল স্ক্যানিং ছাড়া কীভাবে কার্গো ভিলেজে পার্সেল গেল।

তদন্তে উঠে আসে, এই চালানের গন্তব্য ছিল অস্ট্রেলিয়া। জুনায়েদ আহমেদ সিদ্দিকী নামে এক ব্যক্তি ও তাঁর স্ত্রী ফাতেমা তুজ জোহরা এই চালানের পেছনের মূল ভূমিকা রাখেন। তাঁদের সঙ্গে সতীশ কুমার সিলভারাজ নামের ভারতীয় এক নাগরিকও ছিলেন। এই ঘটনায় সংঘবদ্ধ চক্রের সাতজনকে শনাক্ত করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। তবে তদন্তে কুরিয়ার সার্ভিসের কোনো দায় খুঁজে পাননি তিনি।

বাংলাদেশ থেকে বাংলাদেশ থেকে বাংলাদেশ থেকে বাংলাদেশ থেকে বাংলাদেশ থেকে বাংলাদেশ থেকে বাংলাদেশ থেকে বাংলাদেশ থেকে বাংলাদেশ থেকে বাংলাদেশ থেকে বাংলাদেশ থেকে বাংলাদেশ থেকে

 

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিএনসির পরিদর্শক ফজলুল হক খান বলেন, কুরিয়ার সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানটির স্ক্যানার ছিল না। ম্যানুয়ালি (সনাতন পদ্ধতিতে) তাদের পরীক্ষা করার কথা। তদন্তে ওই মাদক পাচারের সঙ্গে তাদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি।

কুরিয়ার সার্ভিসের কর্মীদের এজাহারে কেন আসামি করা হয়েছিল, জানতে চাইলে মামলার বাদী পরিদর্শক হোসেন মিয়া একেটিভিকে বলেন, বিমানবন্দরের অন্য একটি সংস্থা আসামিদের আটক করে আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছিল। এ কারণে তাদের নামে মামলা হয়েছিল।

 

 

২০০০ সালে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার মামলায় ১০ জনকে বিচারিক আদালতের দেয়া মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে হাইকোর্টের রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ হয়েছে।

বাংলায় দেয়া এ রায় সোমবার প্রকাশিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ।

 

 

চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি এই রায় দেন বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি মো. বদরুজ্জামানের ভার্চ্যুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হিসেবে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এ মোহাম্মদ শাহীন মৃধা। পলাতক আসামিপক্ষের রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী ছিলেন অমূল্য কুমার সরকার। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী এসএম শাহজাহান, মোহাম্মদ আহাসান, ইমাদুল হক ও নাসির উদ্দিন।

 

 

 

এ মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ওয়াসিম আক্তার ওরফে তারেক ওরফে মারফত আলী, রাশেদ ড্রাইভার ওরফে আবুল কালাম ওরফে রাশেদুজ্জামান ওরফে শিমন খান, ইউসুফ ওরফে মোসাহাব মোড়ল ওরফে আবু মুসা হারুন, শেখ ফরিদ ওরফে মাওলানা শওকত ওসমান, হাফেজ জাহাঙ্গীর আলম বদর, মাওলানা আবু বকর ওরফে হাফেজ সেলিম হাওলাদার, হাফেজ মাওলানা ইয়াহিয়া, মুফতি শফিকুর রহমান, মুফতি আব্দুল হাই ও মাওলানা আব্দুর রউফ ওরফে আব্দুর রাজ্জাক ওরফে ওমর।

 

 

আসামি মেহেদী হাসান ওরফে আব্দুল ওয়াদুদ ওরফে গাজী খানকে বিচারিক আদালতের দেয়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ১৪ বছরের দণ্ডিত আসামি আনিসুল ইসলামের দণ্ড বহাল রেখেছেন উচ্চ আদালত।

তবে ১৪ বছরের দণ্ডিত মহিবুল্লাহ ওরফে মফিজুর রহমানের দণ্ড বহাল রেখে আদালত বলেন, দেখা যাচ্ছে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানোর পর থেকে তার ১৪ বছর দণ্ড ভোগ করা হয়ে গেছে। তাকে বিচারিক আদালত ১৪ বছর দণ্ডের পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছর করে কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন। সুতরাং জেল কোড অনুসারে এ আসামি তার ওপরে প্রদত্ত দণ্ড যদি ভোগ করে থাকেন, তবে তাকে মুক্তি দিতে (যদি অন্য কোনো মামলা না থাকে) নির্দেশ দেয়া হচ্ছে।

 

 

এছাড়া ১৪ বছরের অপর দণ্ডিত আসামি সারোয়ার হোসেন মিয়াকে খালাস দিয়েছেন উচ্চ আদালত। যদি অন্য মামলা না থাকে, তাহলে তাকে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছেন।

গত বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর এ আপিল শুনানি শুরু হয়। গত ১ ফেব্রুয়ারি শুনানি শেষে রায়ের জন্য ১৭ ফেব্রুয়ারি বুধবার দিন ধার্য করা হয়েছিল। সে অনুসারে রায় ঘোষণা করা হয়।

 

২০০০ সালে শেখ হাসিনার কোটালীপাড়ায় সফর ছিলো

 

২০০০ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরের অংশ হিসেবে কোটালীপাড়ার শেখ লুৎফর রহমান সরকারি আদর্শ কলেজ মাঠে ভাষণ দেয়ার কথা ছিল। সমাবেশের দু’দিন আগে ২০ জুলাই কলেজ প্রাঙ্গণে জনসভার প্যান্ডেল তৈরির সময় শক্তিশালী বোমার অস্তিত্ব পাওয়া যায়।

পরে ওই কলেজের উত্তর পাশে সন্তোষ সাধুর দোকানঘরের সামনে থেকে সেনাবাহিনীর একটি দল ৭৬ কেজি ওজনের বোমাটি উদ্ধার করে। পরদিন ২১ জুলাই গোপালগঞ্জ সদর থেকে ৮০ কেজি ওজনের আরও একটি শক্তিশালী বোমা উদ্ধার করা হয়।

 

 

এসব ঘটনায় আলাদা দু’টি মামলা দায়ের করা হয়। ২০১০ সালে মামলা দু’টি ঢাকার ২ নম্বর দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয়। জঙ্গি নেতা মুফতি আব্দুল হান্নানের অন্য মামলায় ফাঁসি কার্যকর হওয়ায় এ মামলা থেকে তাকে বাদ দেয়া হয়।

২০১৭ সালের ২০ আগস্ট দুই মামলার একটিতে ১০ আসামিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন আদালত।

 

এছাড়া একজন আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও তিনজনের ১৪ বছর করে কারাদণ্ড দেন ঢাকার ২ নম্বর দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মমতাজ বেগম।

 

 

রায় ঘোষণার এক সপ্তাহের মাথায় ২৭ আগস্ট বিচারিক আদালত থেকে পাঠানো ডেথ রেফারেন্স, রায় ও মামলার নথিপত্র হাইকোর্টে পাঠানো হয়।

এরপর নিয়ম অনুসারে প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্নের পর এ ডেথ রেফারেন্স শুনানির জন্য বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিমের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চের কার্যতালিকায় আসে। শুনানি শেষে ১৭ ফেব্রুয়ারি রায় দেন হাইকোর্ট।

 

 

শুভেচ্ছা কার্ড ছাড়া মিলছে না টিকা

 

চট্টগ্রাম মহানগরীতে গণটিকার ব্যাপক অনিয়ম চোখে পড়েছে। সারাদেশ ব্যাপি গণটিকাদান কর্মসূচির ‌প্রথম দিন মহানগরীতে নানা অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে নিজেদের অনুসারী ও পছন্দের লোকজনকে গত দু’দিন আগে থেকে শুভেচ্ছা কার্ড বিতরণ করেছেন বেশিরভাগ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। ফলে নিবন্ধন করেও সকাল থেকে ওয়ার্ডের টিকাকেন্দ্র থেকে টিকা না নিয়ে, লাঞ্চিত হয়েই ফিরে যেতে হয়েছে টিকা নিতে আসা সাধারণ জনগনকে।

শুভেচ্ছা কার্ড

 

ফেসবুকে মাসুদ করিম টিটু নামে এক বূক্তভোগি লিখেছেন, নিবন্ধন এর পর ম্যাসেজ তারপর টিকা গ্রহণ একটা সুন্দর প্রক্রিয়ায় ছিল। সময় লাগলেও সুন্দরভাবে হচ্ছিলো। চেয়ারম্যানের চামচা আর কাছের মানুষ দুই-চারশ’ জনকে টিকা দেয়ার প্রক্রিয়াকে গণটিকা কর্মসূচি নাম দিয়ে আওয়ামী লীগকে আমজনতার গালিগালাজ শােনানাে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার দেশপ্রেম এবং গণমুখী কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করা ছাড়া আর কিছুই না।

দেশ রূপান্তর পত্রিকার ফটো সাংবাদিক আকমল হোসেন ফেসবুকে লিখেছেন, এক মহিলা জনপ্রতিনিধির মেয়ে, ছেলেসহ কত কর্মী যে টিকা নিয়েছে তার হিসেব নাই। কিন্তু ভোর ৪টায় লাইনে দাঁড়ানো মানুষগুলোর জন্য উনি একবার নেমে এসে সহযোগিতা করলো না। এভাবে গণটিকা না দিয়ে বলে দিলেই হত যে টিকা জনপ্রতিনিধিরা তাদের সন্তান, বিশেষজন ও কর্মীদের দেয়ার পর অবশিষ্ট থাকলে সাধারণ মানুষ পাবে। এভাবে মানুষকে হয়রানি করার অর্থ নেই। মানুষের কান্না এবং দুর্দশার অভিশাপ লেগে যাবে।

 

 

ফেসবুকে এস এম সাব্বির লিখেছেন, গণটিকা হােক যাই হােক একটি বিষয়ে সাধারণ মানুষের মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া করবে। আপনার আরবান কমিউনিটি টিম যেটি সেটি করা উচিত ছিল, রাজনৈতিক দলীয় নেতা-কর্মীদের বাদ দিয়ে। এখানে যারা টিকাদান কমিটি যাদের নেতৃত্বে টিকাদান চলবে ওনারা স্বজনপ্রীতিকে প্রাধান্য দিবে সেটি শতভাগ।

শুভেচ্ছা কার্ড

অনেকে আবার হাস্যরসের মাধ্যমে প্রশ্ন তুলেছেন এই টিকা কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিয়ে। আবু রায়হান তানিন লিখেছেন, তৃণমূল পর্যায়ে গণভোগান্তি কর্মসূচি। ধন্যবাদ সংশ্লিষ্ট সকলকে।

 

চট্টগ্রাম নগরের ১৭নং পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ডের বাসিন্দা রোকেয়া বেগম বলেন, আমি গতকাল যখন ভোটার আইডি কার্ড নিয়ে এসেছিলাম তখন বারবার জিজ্ঞেস করেছি আর কিছু লাগবে কি না। তারা বলেছিলেন না লাগবে না। কিন্তু আজকে টিকা নিতে আসার পর তারা আমার কাছে শুভেচ্ছা কার্ড খুঁজে। এমন কোনো কার্ডই আমাকে দেওয়া হয়নি তাহলে আমি পাবো কোথা থেকে। গতকাল ভেবেছিলাম হয়তো টিকাটা দিতে পারবো। কিন্তু তা আর হলো না। বাসায় চলে যাচ্ছি।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ১৭নং পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোহাম্মদ শহিদুল আলম একেটিভিকে বলেন, আমার ওয়ার্ডে খুব সুন্দরভাবেই গণটিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। বয়োজ্যেষ্ঠ, প্রতিবন্ধী এদের টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।

 

রেজিষ্ট্রেশন ফর্ম পূরণ করেও টিকা নিতে না পারার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এসব মিথ্যা অভিযোগ। কতজন কত অভিযোগ করবে।

 

শুভেচ্ছা কার্ড

 

শুভেচ্ছা কার্ড বিতরণ করে টিকাদান প্রসঙ্গে কাউন্সিলর মোহাম্মদ শহিদুল আলম বলেন, শৃঙ্খলা বজায় রেখে টিকা দেওয়ার জন্য আমি শুভেচ্ছা কার্ডের মাধ্যমে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। না হলে কম্পিউটারের দোকানে যে কেউ নিবন্ধন স্লিপ বের করে লাইন ধরবে। এসব যাতে না হয় তাই আমার এই প্রচেষ্টা।

 

এদিকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পঞ্চাশের বেশি বয়সী জনগোষ্ঠী, নারী ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা দেওয়ার কথা থাকলেও নগরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে কাউন্সিলরের সরবরাহ করা বিশেষ টোকেন ছাড়া করোনার টিকা মিলেনি বলে অভিযোগ আছে। ভোর থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও টোকেন না থাকায় হতাশ হয়ে ফিরে গেছেন অসংখ্য সাধারণ মানুষ।

 

চট্টগ্রাম সিটিতে মডার্নার টিকা দেওয়ার জন্য ৪১টি ওয়ার্ডের ১২৩টি কেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়। সরেজমিন নগরের ১৬ নং চকবাজার, ১৭ নং পশ্চিম বাকলিয়া, ২৯ নং পশ্চিম মাদারবাড়ী, ৩৭ নং উত্তর মধ্যম হালিশহর ওয়ার্ড ঘুরে দেখা যায়, ছাত্রলীগের স্থানীয় কর্মীরা নিয়ন্ত্রণ করছেন টিকাদান কার্যক্রম। এসব ওয়ার্ডে ছাত্রলীগের কর্মীদের সঙ্গে টিকা নিতে আসা সাধারণ মানুষকে বাকবিতণ্ডায় লিপ্ত হতেও দেখা যায়।

 

সব বিষয় অবহিত করে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহীদুল আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি একেটিভিকে বলেন, আপনার এসব প্রশ্নের জবাব আমি দিতে পারবো না। কিছু জানার থাকলে আপনি প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

 

চসিকের স্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান ডা. সেলিম আকতার চৌধুরীর নাম্বারে বেশ কয়েকবার ফোন করলেও তিনি সাড়া দেননি।

 

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন সেখ ফজলে রাব্বি একেটিভিকে বলেন, আসলে এটা আমাদের একটা টেস্ট কেইস ছিল। সব ভুল-ত্রুটির অভিজ্ঞতা নিয়েই আমরা পরের ক্যাম্পেইন করবো। ১৪ আগস্ট আমাদের নেক্সট ক্যাম্পেইন। আশা করি, সেসময় আমরা এসব ভুল-ত্রুটি শোধরাতে পারবো।

 

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেইসবুকে অনেক সাধারণ মানুষ টিকা নিতে গিয়ে নিজের তিক্ত অভিজ্ঞতা ও ভোগান্তির কথা শেয়ার করেছেন।

বাপ্পী নীল নামে একজন লিখেছেন, ভ্যাক্সিন দিতে গিয়ে ইতিমধ্যে খারাপ আচরণের শিকার হয়েছে আজ এলাকার এক বয়স্ক মানুষ। আগামীতে আরও কী অপেক্ষা করছে সেটাই দেখার জন্য অপেক্ষা। ভ্যাক্সিন দিচ্ছে নেত্রী আর স্ট্যাটাস দিচ্ছে অমুক ভাই তমুক ভাইয়ের নির্দেশনায়।

 

সর্বশেষ টিকা নিয়েও হচ্ছে দূর্নীতি, অনিয়ম গণটিকা নিতে আসা জনগন দূর্ভোগে পড়েছে। চট্টগ্রামে ভ্যাক্সিনের জন্য এমন আহাজারি যেন দেখার কেউ নেই। নগরের কয়েকটি ওয়ার্ডে গণটিকার কর্মসুচির নামে দেখা গেছে শুভেচ্ছা কার্ড। যা সরকারের সাধারন মানুষের জন্য যে গণটিকাদান কর্মসুচি সেটিকে প্রশ্নবিদ্ধ করার প্রচেষ্টা।

 

 

 

মাত্র ৪৭ হাজার টাকায় নতুন বাইক, লিটারে মাইলেজ ৯০ কি.মি

উৎসবের মৌসুমে অতিরিক্ত বেশ কয়েকটি নতুন ফিচারসহ বাজারে এসেছে বাজাজে’র সিটি ১০০-এর নতুন মডেল। নতুন মডেলের নাম রাখা হয়েছে সিটি ১০০ কেএস।

 

এতে ৮টি নতুন ফিচার যোগ হয়েছে। আর মিলবে ৪৭ হাজার টাকারও কম দামে।

 

নতুন এই বাইকের সামনের সাসপেন্সর আগের থেকে আরামদায়ক এবং উন্নত করা হয়েছে। ফুয়েল মিটারে এমন প্রযুক্তি ব্যবহার হয়েছে যা বাইকে ঠিক কতটা পরিমান জ্বালানি রয়েছে তার সঠিক মাপ দেখাবে।

 

হ্যান্ডেলবারে ব্যবহার করা হয়েছে ক্রসটিউব, যা আরও বেশি স্টেবিলিটি দেবে। আরও আরামদায়ক সিট থাকছে নতুন মডেলে। এছাড়াও বেশ কিছু নতুন ফিচার যোগ হয়েছে বাইকটিতে।

 

 

৪৬ হাজার ৪৩২ টাকায় নতুন বাইক

গ্লস ইবনি ব্ল্যাকের সঙ্গে নীলের ছোঁয়া, ম্যাট অলিভ গ্রিনের সঙ্গে হলুদ এবং গ্লস ফ্লেম রেড এই তিনটি রঙে পাওয়া যাচ্ছে বাজাজের সিটি ১০০ কেএস এই বাইকটি। দিল্লিতে এক্স শোরুমে দাম রাখা হয়েছে ৪৬ হাজার ৪৩২ টাকা।

 

বাজাজ অটো লিমিটেডের মার্কেটিং হেড নারায়ণ সুন্দর রমন জানিয়েছেন, সিটি ব্র্যান্ডের সব মডেলই এর শক্তিশালী এবং সাশ্রয়কারী গুণের জন্য পরিচিত। এই মডেলটিও ক্রেতাদের মন কাড়বে বলে দাবি

করেছেন তিনি।

 

 

নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক নতুন বাইক

মাত্র ৯০০ টাকা কিস্তিতে লোন

 

আবাসন খাতে জমি বা ফ্ল্যাট কেনা ও বাড়ি নির্মাণ বা মেরামতে দীর্ঘমেয়াদী ঋণ দিচ্ছে বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন। ৯ শতাংশ সরল সুদে এই ঋণ পরিশোধ করা যাবে সর্বোচ্চ ২০ বছরে। আর প্রতি লাখে মাসিক কিস্তি দিতে হবে মাত্র ৯০০ টাকা।

বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশনের এমন ঋণ কার্যক্রম নিয়ে কর্পোরশনের ডিজিএম মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম জানান, পাঁচটি ক্যাটাগরিতে ঋণ দেওয়া হয়ে থাকে।

নগর এলাকায় যারা জমি বা প্লট কিনতে চান তাদের জন্য নগর বন্ধু, জেলা পর্যায়ে যারা ঋণ নিতে চান তাদের জন্য পল্লীমা, দেশের বাইরে থাকা যেসব প্রবাসীরা ঋণ নিতে চান তাদের জন্য প্রবাস বন্ধু, যারা নিজেদের স্থাপনা আরো ভালো করতে চান তাদের জন্য আবাসন উন্নয়ন আর সবশেষে যারা নিজেদের স্থাপনা মেরামত করতে চান তাদের জন্য আবাসন মেরামত নামের পাঁচটি প্যাকেজ রয়েছে।

৫ বছর মেয়াদী ঋণের জন্য প্রতি মাসে দুই হাজার ৭৬ টাকা, ১০ বছরে মাসিক ১ হাজার ২৬৮ টাকা, ১৫ বছরের জন্য মাসিক ১ হাজার ১৪ টাকা আর ২০ বছরের জন্য প্রতি মাসে কিস্তি আসবে সর্বনিম্ন ৯০০ টাকা।

খায়রুল ইসলাম বলেন, তাদের প্রতিষ্ঠান দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান যেটি আর্থিক খাতে ঋণ দেয়। এক সংখ্যার অংকে সরল সুদে ঋণ দেয়া হয়। মোট পাঁচটি ক্যাটাগরিতে ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৮০ লাখ আর জমির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ দিয়ে থাকে প্রতিষ্ঠানটি।

 

 

বাংলাদেশি নাগরিকরা সর্বোচ্চ ২০ বছরে এবং যারা প্রবাসে আছেন তারা সর্বোচ্চ ২৫ বছরে মাসিক কিস্তিতে এই ঋণ পরিশোধ করতে পারবেন। ১৮ থেকে ৬৫ বছর বয়সী বাংলাদেশের যেকোন নাগরিক শর্ত সাপেক্ষে এই ঋণ সুবিধা নিতে পারবেন।

ব্যাংকের তুলনায় কর্পোরেশন থেকে ঋণ নেওয়া সুবিধা ও লাভজনক উল্লেখ করে প্রতিষ্ঠানটির এই কর্মকর্তা বলেন, যেহেতু এটা একটি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান তাই এটির সুধ সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হয়। গ্রাহক প্রতি মাসে যে কিস্তি পরিশোধ করবেন সেটি থেকে আসলের অংকও নিয়ে থাকে প্রতিষ্ঠানটি।

এছাড়াও ব্যাংক সাধারণত দুই অঙ্কের সংখ্যার সুদে ঋণ দেয়। তাই ব্যাংকের তুলনায় তাদের থেকে ঋণ নেওয়া লাভজনক।

 

 

অন্যদিকে ব্যাংকে সাধারণত তিন মাস কিস্তি বকেয়া পড়লেই কর্তৃপক্ষ মামলা-মোকদ্দমা বা অন্যান্য আইনানুগ পদক্ষেপে চলে যায়। কিন্তু এখানে সর্বোচ্চ ২৪ কিস্তি পর্যন্ত বকেয়ার সুবিধা দেওয়া হয় গ্রাহকদের।

তাই তুলনামূলকভাবে বিচার করলে হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন থেকে ঋণ নেওয়া সুবিধার ও লাভজনক।

খায়রুল ইসলাম আরো বলেন, অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যারা ঋণ দেয় কিন্তু প্রপার্টি কিনতে হবে তাদের পছন্দনীয় জায়গা থেকে। আমাদের এখানে এ ধরনের বাধ্যবাধকতা নেই, আমরা শুধু অর্থ ঋণ দিয়ে থাকি।

গ্রাহকের যেখানে সুবিধা মনে হবে তিনি এই অর্থ দিয়ে সেখানেই প্রপার্টি কিনতে পারবেন।

কম সুদে লোন পাবেন যেসব ব্যাংকে

দেশের ৫৭টি তফসিলি ব্যাংকের মধ্যে বর্তমানে ৩৭টি ব্যাংকের ঋণের সুদহার ১০ শতাংশের নিচে। যার মধ্যে ১০ ব্যাংকের ঋণের সুদহার ৮ শতাংশের নিচে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরের মে শেষে ঋণের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর গড় সুদহার ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ। ঋণের ক্ষেত্রে সবচেয়ে কম সুদ নিচ্ছে বিদেশি ব্যাংক। ঋণের ক্ষেত্রে বিদেশি ব্যাংকগুলোর গড় সুদহার ৭ দশমিক ৮৫ শতাংশ।

বিশেষায়িত ব্যাংকের সুদহার ৯ দশমিক ৭ শতাংশ। তবে বেসরকারি অনেক ব্যাংকে এখনো ঋণের সুদহার ১০ শতাংশের উপরে রয়েছে। ঋণের ক্ষেত্রে ৮ শতাংশের নিচে সুদ নেওয়া ব্যাংকগুলো হলো- রাষ্ট্রায়ত্ত বেসিক ব্যাংক এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।

 

 

বিদেশি হাবিব ব্যাংক, সিটি ব্যাংক এনএ, কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, ওয়ারি ব্যাংক, এইসএসবিসি এবং ব্যাংক আলফালাহ লিমিটেড। এছাড়া বেসরকারি আইসিবি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড।

এছাড়া ১০ শতাংশের নিচে ঋণ দিচ্ছে ইসলামী ব্যাংক, দ্য সিটি ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, সীমান্ত ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, আল আরাফা ইসলামী ব্যাংক, ডাচ-বাংলা ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, স্টান্ডার্ড ব্যাংক, বিসিবিএল, ব্যাংক এশিয়া, ট্রাস্ট ব্যাংক, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক এবং আইসিবি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড।

 

 

লোন

 

 

৬% সুদে ঋণ পাবেন ছোট উদ্যোক্তারা

মহামারী করোনাভাইরাসের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে ছোট উদ্যোক্তারা ছয় শতাংশ সুদে ঋণ পাবেন। সরকার ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের পুনঃঅর্থায়ন তহবিল থেকে দুই শতাংশ সুদে ঋণ নিয়ে ছোট উদ্যোক্তাদের এই ঋণ দেবে ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ।

সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের এক সার্কুলারে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা অক্ষুন্ন রাখা এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে সিএমএসএমই খাতে চলতি মূলধন ঋণের পাশাপাশি মেয়াদি ঋণপ্রবাহ বাড়াতে সরকার এবং এডিবির যৌথ অর্থায়নে পরিচালিত এসএমইডিপি-২ প্রকল্পের পুনঃঅর্থায়ন তহবিল বিষয়ে কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

 

 

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ঋণের সুদ হার অংশগ্রহণকারী ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে দুই এবং গ্রাহক পর্যায়ে সর্বোচ্চ ছয় শতাংশ পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে।

পুনঃনির্ধারিত সুদ হার এ তহবিলের আওতায় সকল ঋণের ক্ষেত্রে এ বছরের ১৮ নভেম্বর থেকে কার্যকর হবে। তহবিলের অন্য শর্ত অপরিবর্তিত থাকবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে বাস্তবায়নাধীন এই পুনঃঅর্থায়ন তহবিলটি ঢাকা ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে সুবিধাবঞ্চিত কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তাদের স্বল্প সুদে এবং সহজ শর্তে ঋণ বিতরণের লক্ষ্যে গঠন করা হয়।

এ প্রকল্পের আওতায় অক্টোবর ২০২০ পর্যন্ত প্রায় তিন হাজার এসএমই প্রতিষ্ঠানকে এক হাজার কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে। তহবিলের আওতায় এ পর্যন্ত মোট ৩৩টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান চুক্তিবদ্ধ রয়েছে।

 

 

গত এপ্রিল থেকে ক্রেডিট কার্ড ছাড়া সব ধরনের ঋণের সুদের হার নয় শতাংশ করা হয়েছে। তবে সরকার ও এডিবির অর্থায়নে পরিচালিত এই তহবিল থেকে ঋণ নিলে উদ্যোক্তাদের ছয় শতাংশ সুদ দিতে হবে।

গত মার্চে দেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ার পর সরকার এ পর্যন্ত মোট সোয়া লাখ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে অন্যতম ছিল সিএমএসএমই খাতের জন্য ২০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা। তবে বার বার তাগাদা এবং সময় বাড়িয়ে এ ঋণ বিতরণে কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া যাচ্ছে না।

এই তহবিল থেকে ব্যাংকের মাধ্যমে উদ্যোক্তারা নয় শতাংশ সুদে ঋণ নিতে পারবে। তবে ব্যাংকগুলোকে চার দশমিক পাঁচ শতাংশ সুদ পরিশোধ করতে হবে, বাকি সুদ সরকার ভর্তুকি হিসেবে দেবে।

 

লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন

 

 

লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন লোন

 

 

 

হেলেনা জাহাঙ্গীরের উত্থান যেভাবে

 

ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তা হিসেবে হেলেনা জাহাঙ্গীরের উত্থান হয়েছে অল্প সময়ের মধ্যে। রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পাশাপাশি নানা কারণে তিনি বেশ কিছুদিন ধরে আলোচনায়।
ফেসবুকে ২০ লাখের বেশি ফলোয়ার হেলেনা জাহাঙ্গীরের। বেশ কয়েক বছর ধরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এই ব্যবসায়ী ও নারী উদ্যোক্তা, যিনি যুক্ত রাজনীতির সঙ্গেও।

সম্প্রতি ‘চাকরিজীবী লীগ’ নামে একটি সংগঠনের সূত্র ধরে তিনি আবারও আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছেন। ভুঁইফোড় এ সংগঠনের সভাপতি হিসেবে তার নাম এসেছে। যদিও তিনি বলেছেন, তিনি ওই পদ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেননি।

 

ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তা হিসেবে হেলেনা জাহাঙ্গীরের উত্থান হয়েছে অল্প সময়ের মধ্যে। অষ্টম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় বিয়ে হয়ে যায় তার। নামের সঙ্গে যুক্ত হয় জাহাঙ্গীর।

 

 

 

স্বামীর সংসারে  পড়াশোনা অব্যাহত রাখেন; শেষ করেন স্নাতকোত্তর। এরপর শুরু করেন তার উদ্যোক্তা জীবন।

তিনি একাধারে প্রিন্টিং, অ্যামব্রয়ডারি, প্যাকেজিং, স্টিকার এবং ওভেন গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার। জয়যাত্রা গ্রুপের আওতায় এসব শিল্প প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তিনি। সব মিলিয়ে ১২ হাজার কর্মী কাজ করছে এসব প্রতিষ্ঠানে।

 

 

হেলেনা জাহাঙ্গীর ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অফ বাংলাদেশ চেম্বার্স অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (এফবিসিসিআই) সদস্য ও নির্বাচিত পরিচালক। এ ছাড়া তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের দুই সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএরও সক্রিয় সদস্য তিনি।

এফবিসিসিআইয়ের সদস্যপদ পাওয়ার এক মাসের মাথায় নির্বাচনে নেমে ও পরিচালক নির্বাচিত হয়ে আলোচনার জন্ম দেন হেলেনা জাহাঙ্গীর। জয়যাত্রা নামে একটি স্যাটেলাইট টেলিভিশনেরও মালিক তিনি। প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক পুরস্কৃতও হয়েছেন রোটারি ক্লাবের একজন ডোনার হিসেবে।

রাজনৈতিক অঙ্গনে রয়েছে তার দাপুটে উত্থান ও পদচারণা। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক উপকমিটির সদস্য ছিলেন। সাম্প্রতিক ঘটনার পর তাকে ওই কমিটি থেকে বাদ দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

 

হেলেনা

 

তবে হেলেনা জাহাঙ্গীর বলেছেন, তাকে এ ব্যাপারে কোনো আনুষ্ঠানিক চিঠি বা নোটিশ দেয়া হয়নি। এ ছাড়া তিনি কুমিল্লা জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ছিলেন; হয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কয়েকটি বিদেশযাত্রার সফরসঙ্গীও।

এখন আওয়ামী রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হলেও এর আগে তার জাতীয় পার্টিতে এবং তারও আগে বিএনপির রাজনীতিতে সংশ্লিষ্টতার খবর পাওয়া যায়। গণমাধ্যমে ওই দুটি দলের প্রধান খালেদা জিয়া ও হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদের সঙ্গে ছবিও প্রকাশ পেয়েছে।

 

প্রয়াত মেয়র আনিসুল হকের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ২০১৫ সালে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচন করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন হেলেনা জাহাঙ্গীর। তখন দাবি করতেন, তার কোনো রাজনৈতিক দল নেই। তিনি স্বতন্ত্র রাজনীতি করতে চান। যদিও পরে তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান।

বাংলাদেশ আওয়ামী চাকরিজীবী লীগ গঠনের ঘোষণা দিয়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন হেলেনা জাহাঙ্গীরশুধু রাজনৈতিকভাবেই নয়, বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমুলক সংগঠনগুলোর সঙ্গেও হেলেনা জাহাঙ্গীরের সম্পৃক্ততা রয়েছে। তিনি প্রায় এক ডজন সামাজিক সংগঠনের নেতৃস্থানীয় দায়িত্বে রয়েছেন।

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত ও বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব সেফায়েতুল্লাহ সেফুর (সেফুদা) সঙ্গে তার বিতর্কিত কথোপকথন সম্পর্কিত একাধিক ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। একটি গণমাধ্যমের মালিকের সঙ্গে তিনি গান গাওয়ার প্রস্তাব পেয়েছেন এমন দাবি সম্পর্কিত ফেসবুক স্ট্যাটাস এবং এ বিষয়ে ওই গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বের পাল্টা কঠোর প্রতিবাদ ফলোয়ারদের মধ্যে তুমুল আলোচনার খোড়াক জোগায়। ফেসবুকেও প্রায়শ তার নানা ধরনের পোস্ট ও লাইভ নানাভাবে আলোচিত-সমালোচিত হয়েছে।

 

 

হেলেনা জাহাঙ্গীরের জন্ম ১৯৭৪ সালের ২৯ আগস্ট ঢাকার তেজগাঁওয়ে। উইকি ফ্যাক্টসাইডার নামের একটি ওয়েবসাইটে তার পেশা হিসেবে অ্যাংকর বা উপস্থাপক উল্লেখ করা হয়েছে।

হেলেনার স্বামী জাহাঙ্গীর আলম একজন ব্যবসায়ী। ১৯৯০ সালে তারা বিয়ে করেন। তিনি তিন সন্তানের জননী।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, হেলেনা জাহাঙ্গীরের বাবা মরহুম আবদুল হক শরীফ ছিলেন জাহাজের ক্যাপ্টেন। সেই সূত্রে জন্ম কুমিল্লায় হলেও হেলেনা জাহাঙ্গীরের বেড়ে ওঠা চট্টগ্রামের হালিশহরের মাদারবাড়ী, সদরঘাট এলাকায়। পড়াশোনা স্থানীয় কৃষ্ণচূড়া স্কুলে।

চাকুরি সূত্রে তার বাবা প্রমোশনাল প্রস্তাব পেয়ে রাশিয়ায় চলে গেলে মায়ের সঙ্গে গ্রামের বাড়ি ফিরে যান হেলেনা।

 

এফবিসিসিআই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একাধিক গণমাধ্যমকে হেলেনা জাহাঙ্গীরের দেয়া সাক্ষাৎকার সূত্রে জানা যায়, বিয়ের সময় স্বামী জাহাঙ্গীর আলম নারায়ণগঞ্জের একটি প্রতিষ্ঠিত পোশাক কারখানার জিএম পদে চাকরি করতেন। পাশাপাশি সিএন্ডএফ এজেন্ট ব্যবসার সঙ্গেও সংশ্লিষ্টতা ছিল।

 

 

তবে গৃহিণী হিসেবে বসে না থেকে পড়াশোনা শেষ করে হেলেনা জাহাঙ্গীর শুরুতে চাকরির চেষ্টা করেন। বিভিন্ন জায়গায় চাকরির জন্য ইন্টারভিউও দিয়েছেন তিনি। একদিন চাকরি খোঁজার সূত্র ধরে চলে যান স্বামী জাহাঙ্গীর আলমের অফিসে। সেখানে স্বামীর অফিস কক্ষ দেখে তিনি ঠিক করেন নিজেই উদ্যোক্তা হওয়ার। স্ত্রীর প্রস্তাবে রাজি হয়ে যান স্বামী জাহাঙ্গীর আলম।

বিয়ের ছয় বছর পর ১৯৯৬ সালে রাজধানীর মিরপুর ১১ তে একটি ভবনের দুটি ফ্লোর নিয়ে তিনি শুরু করেন প্রিন্টিং ও অ্যামব্রয়ডারি ব্যবসা। পোশাক শিল্পের ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ হিসেবে নানান ধরনের পণ্যের জন্য লোগো ও স্টিকার প্রিন্ট করে এ প্রতিষ্ঠান। নিট কনসার্ন প্রিন্টিং ইউনিট লিমিটেড দিয়ে শুরু করে জয়যাত্রা গ্রুপের আওতায় একে একে হেলেনা গড়ে তোলেন জয় অটো গার্মেন্টস লিমিটেড, জেসি এমব্রয়ডারি অ্যান্ড প্রিন্টিং এবং হুমায়রা স্টিকার লিমিটেড, যার সবকটিরই ব্যবস্থাপনা পরিচালক তিনি।

হেলেনা জাহাঙ্গীর গুলশান ক্লাব, গুলশান নর্থ ক্লাব, বারিধারা ক্লাব, কুমিল্লা ক্লাব, গলফ ক্লাব, গুলশান অল কমিউনিটি ক্লাব, বিজিএমইএ অ্যাপারেল ক্লাব, বোট ক্লাব, গুলশান লেডিস ক্লাব, উত্তরা লেডিস ক্লাব, গুলশান ক্যাপিটাল ক্লাব, গুলশান সোসাইটি, বনানী সোসাইটি, গুলশান জগার্স সোসাইটি ও গুলশান হেলথ ক্লাবের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।

 

যা বললেন হেলেনা জাহাঙ্গীর

তাকে নিয়ে আলোচনার কারণ জানতে চাইলে হেলেনা জাহাঙ্গীর বলেন, ‘আমাকে ঘিরে রংচং মাখিয়ে যেসব কথাবার্তা বলা হচ্ছে, এর সবই অসত্য। এর কোনো ভিত্তি নেই। মূলত আমাকে ঘিরে স্বার্থান্বেষী মহল এক ধরনের ষড়যন্ত্র লিপ্ত। নানাভাবে তারা আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালায়। আমি যেখানে যে কাজে সম্পৃক্ত নই, সেখানেও আমাকে জড়িয়ে দেয়।’

হেলেনা জাহাঙ্গীর বলেন, ‘স্বার্থান্বেষীরা করোনা পরীক্ষা ইস্যুতে সাহেদ-সাবরিনা কেলেঙ্কারিতেও আমাকে জড়িয়েছে। এফবিসিসিআইএ নির্বাচনেও আমাকে ঘিরে অপপ্রচার হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হয়ে বিদেশযাত্রার আগে-পরেও আমাকে নিয়ে জল ঘোলা করা হয়েছে।’

আমি যা নই, আমাকে নিয়ে তা বলা হচ্ছে। আবার আমার সম্পর্কে ভাল কিছু উঠে আসলে তা নিয়ে তাদের গাত্রদাহ হয়।

 

হেলেনা জাহাঙ্গীর বলেন, ‘আমার অবস্থানে আমি পরিষ্কার। আমি অন্যায় কোনো কিছু করি না, তাই আমাকে নিয়ে যা হচ্ছে, সেগুলোর পরোয়াও আমি করি না। আমার বুকে সৎ সাহস আছে। আজকের হেলেনা জাহাঙ্গীর এমনি এমনি তৈরি হয়নি। অদম্য সাহস, সংসারের লোকদের ত্যাগ-তিতিক্ষা আর স্বামীর নিরবচ্ছিন্ন সমর্থন ও সহযোগিতার ওপর দাঁড়িয়ে আমি আজকের হেলেনা জাহাঙ্গীর।’

চাকরিজীবী লীগ করার উদ্যোগের কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি জীবনে অনেক কিছু পেয়েছি। যা পেয়েছি, তাতে আমি অনেক অনেক তৃপ্ত। নতুন করে পাওয়ার কিছু নেই, দেয়া ছাড়া। আমি চাকরিজীবী লীগ করতে যাইনি। আমাকে জড়ানো হয়েছে। ফাঁসানো হয়েছে। যার কারণে আমার নাম এখানে জড়িয়েছে, আমি তার নামে মামলা করেছি। চলতি সপ্তার মধ্যে প্রেস ব্রিফ করার ইচ্ছা আছে।’

জাতীয় পার্টি ও বিএনপিতে সংশ্লিষ্টতার হেলেনা জাহাঙ্গীর বলেন, ‘আমার বয়সই বা কত। বায়োগ্রাফি দেখুন, এতো অল্প সময়ে তিনটি রাজনৈতিক দল পরিবর্তন করা যায় কিনা বা এসব দলের প্রধানদের সংস্পর্শে যাওয়া সম্ভব হয় কিনা। আসলে দেশে একটা দল ছাড়া তো আর কোনো দল নেই। সেটা হচ্ছে আওয়ামী লীগ। আমি এই আওয়ামী লীগেই আছি। বেশ ভালভাবেই আছি। আগামীতেও থাকব।’

 

 

তিনি বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই দেশ ও সমাজের জন্য কিছু করব, সমাজে নিজের একটি অবস্থান তৈরি করব, এমন একটি স্বপ্ন মনের মধ্যে পুষে রাখতাম। আর এই স্বপ্নের অনুপ্রেরণা ছিলেন আমার বাবা। পরবর্তীতে আমার স্বপ্নের বাস্তব রূপায়নে কার্যকর সহায়তা করেছেন আমার স্বামী জাহাঙ্গীর আলম।

‘তার অনুপ্রেরণা ও সান্নিধ্য আমাকে এতদূর নিয়ে এসেছে। জীবনে যা অর্জন করেছি, তা পেয়েছি কষ্টসাধ্য পরিশ্রম, ত্যাগ, স্বামীর সূত্রে পাওয়া বিনিয়োগ এবং স্থির পরিকল্পনায় মেধা খাটিয়ে। কারো দয়ায় নয়।’

 

আরো পড়ুন: নারী দেহের যে ৫টি অঙ্গ বড় হলে সৌভাগ্যবতী হিসেবে ভাবা হয়

জীবননগরে পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় নারী, গাছে বেঁধে নির্যাতন…

 

জনবল নিয়োগ দিবে একে টেলিভিশন

 

বদলে যাচ্ছে চাকরির বাজার এবং বাড়ছে ডিজিটাল কন্টেন্টের চাহিদা। সময় পরিবর্তনের সঙ্গে মিল রেখে একে টেলিভিশন এর ডিজিটাল বিভাগে তিন ক্যাটাগরিতে জনবল নিয়োগ করা হবে।

 

 

পদের নাম:
১. ডিজিটাল কন্টেন্ট এক্সিকিউটিভ

 

 

কাজের প্রকৃতি : ডেস্ক জব

কাজের ধরণ : ফুলটাইম

বেতন : ১৪ হাজার থেকে ১৬ হাজার

প্রয়োজনীয় যোগ্যতা:

*ইউটিউবসহ সোশ্যাল মিডিয়ার কপিরাইট পলিসি সম্পর্কে সম্যক ধারণা ও জ্ঞান

*ফটোশপের বেসিক ধারণা

*এসইও সম্পর্কে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা

*কাজের চাপ নেবার ইতিবাচক মানসিকতা

*প্রয়োজনে নতুন কিছু শেখার প্রতি আগ্রহ

 

*বাংলা ও ইংরেজিতে দ্রুত টাইপ করার ক্ষমতা

*সংবাদ সম্পাদনা সম্পর্কে জ্ঞান

*বাংলা শুদ্ধ বানান জানা

 

 

দায়িত্বসমূহ:

*দিন-রাত ২৪ ঘণ্টার যে কোনো সময়ে (রোস্টার/শিডিউলের ভিত্তিতে) কাজ করার মানসিকতা

*ফেসবুক ও ইউটিউব -এর কন্টেন্ট নিয়ে সৃজনশীলতা প্রদর্শন এবং নতুন নতুন পরিকল্পনা ও ভালো ফলাফল আনার মানসিকতা

*প্রতিযোগিতাপূর্ণ অনলাইন প্ল্যাটফর্মের নতুন নতুন ফিচার ও আপডেট সম্পর্কে অবগত থাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতা

স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন (সাংবাদিকতা এবং মার্কেটিং অভিজ্ঞদের অগ্রাধিকার)

প্রয়োজনীয় দক্ষতা

*ইউটিউব, ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম সম্পর্কে অভিজ্ঞতা

*একসঙ্গে একাধিক কাজ করার ইতিবাচক মানসিকতা

 

 

পদের নাম:
২. ভিডিও এডিটর

 

 

কাজের প্রকৃতি : প্রফেশনাল ভিডিও এডিটিং ও আফটার ইফেক্টস এ দক্ষতা

কাজের ধরণ : ফুলটাইম

বেতন : ১৮ থেকে ২০ হাজার

প্রয়োজনীয় যোগ্যতা:

*ইউটিউবসহ সোশ্যাল মিডিয়ার কপিরাইট পলিসি সম্পর্কে সম্যক ধারণা ও জ্ঞান

*ফটোশপের বেসিক ধারণা

*কাজের চাপ নেবার ইতিবাচক মানসিকতা

*প্রয়োজনে নতুন কিছু শেখার প্রতি আগ্রহ

*বাংলা শুদ্ধ বানান জানা

 

 

দায়িত্বসমূহ:

*দিন-রাত ২৪ ঘণ্টার যে কোনো সময়ে (রোস্টার/শিডিউলের ভিত্তিতে) কাজ করার মানসিকতা

*ফেসবুক ও ইউটিউব -এর কন্টেন্ট নিয়ে সৃজনশীলতা প্রদর্শন এবং নতুন নতুন পরিকল্পনা ও ভালো ফলাফল আনার মানসিকতা

শিক্ষাগত যোগ্যতা:

স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে ন্যূনতম এইচএসসি পাশ

প্রয়োজনীয় দক্ষতা:

*ইউটিউব, ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম এর ভিডিও সম্পর্কে ধারণা

*একসঙ্গে একাধিক কাজ করার ইতিবাচক মানসিকতা

 

 

পদের নাম
৩. স্ক্রিপ্ট রাইটার কাম প্রেজেন্টার:

 

 

কাজের প্রকৃতি : স্ক্রিপ্ট তৈরি এবং সমসাময়িক বিষয়ের উপর উপস্থাপনা

কাজের ধরণ : ফুলটাইম অথবা পার্ট টাইম

বেতন : আলোচনা সাপেক্ষে

প্রয়োজনীয় যোগ্যতা:

* বাংলায় শুদ্ধ উচ্চারণ

* সুন্দর বাচনভঙ্গি

*প্রয়োজনে নতুন কিছু শেখার প্রতি আগ্রহ

*একসঙ্গে একাধিক কাজ করার ইতিবাচক মানসিকতা

 

 

দায়িত্বসমূহ:

* প্রয়োজনে যে কোনো সময়ে (রোস্টার/শিডিউলের ভিত্তিতে) কাজ করার মানসিকতা

*ফেসবুক ও ইউটিউব -এর কন্টেন্ট নিয়ে সৃজনশীলতা প্রদর্শন এবং নতুন নতুন পরিকল্পনা ও ভালো ফলাফল আনার মানসিকতা

শিক্ষাগত যোগ্যতা:

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী (জার্নালিজমের স্টুডেন্ট বা প্রেজেন্টেশন কোর্স সম্পন্নদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে)

আগ্রহীদের উপরের শর্তাদি পূরণ করে info@aktvbd.com ইমেইলে অথবা সরাসরি আবেদন করার জন্য অনুরোধ করা হলো। আবেদনে অবশ্যই পদের নাম উল্লেখ করতে হবে। আবেদন করতে নিচের লিংক অথবা ছবিতে ক্লিক করুন….

 

 

সরাসরি যোগাযোগ:
একে টেলিভিশন
বাড়ি-১১, সড়ক-১১, ব্লক-ডি, মিরপুর-১২, ঢাকা-১২১৬
মুঠোফোন: ০১৯১৫-৫৪৭৬৬৬
web: www.aktvbd.com

 

 

লাফালাফি করলে আবার ভিডিও ভাইরাল হবে -অভিনেত্রী কেয়া

 

 

পরিচিতির কারণে এখন সেভাবে বাইরে ঘুরতে পারেন না। তারপরও বিধিনিষেধের আগে ইচ্ছামতো সময়গুলো কাটানোর চেষ্টা করেছেন। এখন বাসায় নিজের নাটকগুলো দেখছেন।

পায়েল বলেন, ঈদ নিয়ে এখন আর আগের মতো উৎসব–উৎসব ভাব পাই না। আগে পরিকল্পনা করে শপিং করতাম। ঈদের সাত দিন পেরিয়ে গেলেও ঈদ ফুরাত না। বন্ধু আর কাজিনদের সঙ্গে আড্ডা দিতাম।

এখনো আড্ডা হয়। কিন্তু অভিনয়ের জন্য নিজের স্বাধীনতা কমে গেছে। বিরতিতে চেষ্টা করছি নিজের মতো করে সময় কাটানোর।

 

ঈদে পায়েলের ২০টি নাটক বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল ও অনলাইনে প্রচারিত হচ্ছে। তাঁর অভিনীত রাফাত মজুমদারের স্বপ্নের নায়িকা, মিজানুর রহমান আরিয়ানের শুভ প্লাস নিলা, মাহমুদুর রহমানের কাবিননামাসহ একাধিক নাটক উল্লেখযোগ্য।

এখনো বেশ কিছু নাটক মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। তিনি বলেন, ‘দর্শক আমাকে চিনছেন, আমার নাটক দেখে মন্তব্য ও সমালোচনা করছেন, এগুলোই বড় পাওয়া। আমি যদি একটুও খ্যাতি পেয়ে থাকি, সেটা ধরে রাখাই আমার কাছে বড় কথা। আমি নিয়মিত অভিনয় শিখছি। এই শেখা আমি সব সময় চালিয়ে যেতে চাই।

এবার ঈদের নাটক নিয়ে পায়েলের মন খারাপ। অনেকগুলো কাজে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পর কঠোর বিধিনিষেধের কারণে কিছু নাটকের শুটিং করতে পারেননি।

তা ছাড়া শুটিং হাউসের বাইরে বা রাস্তায় শুটিং করতে হবে, এমন গল্পে নাম লেখাননি তিনি।

পায়েল বলেন, এবার ঈদুল ফিতরের চেয়ে বেশি নাটক মুক্তির সম্ভাবনা ছিল। বিধিনিষেধে বেশ কিছু কাজ হলো না। তা ছাড়া তৌসিফ ভাইয়ের করোনা হলো।

এ ছাড়া বাইরে অনেক ভালো কিছু গল্পের চিত্রনাট্য ছিল, সেগুলো করোনা সতর্কতার কারণে করতে রাজি হইনি। সেসব গল্পের জন্য আফসোস হচ্ছে। তবে ঈদের পর এগুলোর শুটিং করব।

 

 

শে

অতিরিক্ত পড়ুন…

 

করোনার আরও ভয়ঙ্কর রূপ প্রকাশ, শুধু ফুসফুস নয় বিকল করে দিচ্ছে কিডনিও!

হযরত নূহ (আ.) এর জীবনী, আল্লাহ’র নির্দেশে বানানো সেই নৌকার ইতিকথা

এনআইডি ছাড়া যেভাবে টিকা পাওয়া যেতে পারে

৮৫ টাকার জুয়া খেলে জিতলো ৬ কোটি টাকা

শিল্পার স্বামীর পর্নো ব্যবসার জাল কলকাতা পর্যন্ত ছড়ানো

আমি দুঃখিত, লজ্জিত, বিব্রত এবং অনুতপ্ত

ভারতে ২০ লাখ অ্যাকাউন্ট বন্ধ করেছে হোয়াটসঅ্যাপ

অগ্রিম ৩৩৯ কোটি টাকার হদিস নেই, মামলার সুপারিশ ইভ্যালির বিরুদ্ধে

দেখা মিললো সাকিবের ছেলের

মাহমুদউল্লাহর অবসর নিয়ে তোলপাড়; যা বললেন আশরাফুল

বলিউড তারকা শিল্পা শেঠি ফেঁসে যাচ্ছেন!

এক গানে তিন কোটি রুপি

এবারের ঈদেও গান শোনাবেন ড. মাহফুজুর রহমান

আসছে আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে v আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে  আসছে 

লাইট স্যাটেলাইট স্যাটেলাইট  

Leave A Reply

Your email address will not be published.