Ultimate magazine theme for WordPress.

বৃষ্টির বিরাম নেই, অঝোর ধারা চলবে কয়েক দিন

সাদী আব্দুল্লাহ্ ঢাকা প্রকাশ: ২২ অগাস্ট ২০২০

শরতের শুরু থেকে বৃষ্টির বিরাম নেই। ভাদ্র যেন সেই আষাঢ়ে ফিরে গেছে। কখনো ঝুম বৃষ্টি, কখনো ঝিরিঝিরি—অঝোর ধারা চলছেই। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ু ও লঘুচাপের প্রভাবে আরও কয়েক দিন এমন বৃষ্টি হবে।

আজ শনিবার সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে জানানো হয়, মধ্যপ্রদেশ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত স্পষ্ট লঘুচাপটি বর্তমানে ভারতের মধ্যপ্রদেশের পশ্চিম ভাগ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমি বায়ুর অক্ষ রাজস্থান, লঘুচাপের কেন্দ্রস্থল বিহার, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যে অঞ্চল হয় আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থা বিরাজ করছে। এ কারণে ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বৃষ্টির কারণে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে। আগামী তিন দিন বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি সরে গেছে। তবে এর প্রভাবে জলীয় বাষ্প দেশের অভ্যন্তরে আসছে। তা ছাড়া মৌসুমি বায়ু সক্রিয় রয়েছে। আর এই কারণে সারা দেশে বৃষ্টি হচ্ছে৷

বৃষ্টি শিগগিরই কমছে না বলে মন্তব্য করে আবহাওয়াবিদ আবদুল মান্নান একেটিভিকে বলেন, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি সরে গেছে। তবে এর প্রভাবে জলীয় বাষ্প দেশের অভ্যন্তরে আসছে। তা ছাড়া মৌসুমি বায়ু সক্রিয় রয়েছে। আর এই কারণে সারা দেশে বৃষ্টি হচ্ছে। সাগর এলাকায় পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও স্থলভাগের ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। তা ছাড়া এখন অমাবস্যার সময়। এ সময় জোয়ার কিছুটা বেশি হয়। যেহেতু এখন বৃষ্টির মাত্রা বেশি, তাই দক্ষিণাঞ্চলে স্বাভাবিকের চেয়ে ১ থেকে ২ ফুট বেশি জোয়ার হতে পারে।
বিজ্ঞাপন
গতকাল শুক্রবার সকাল ছয়টা থেকে আজ শনিবার সকাল ছয়টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানী ঢাকায় ২৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এরপরে সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ঢাকায় বৃষ্টি হয়েছে ২২ মিলিমিটার।

গতকাল সকাল ৬টা থেকে আজ সকাল ৬টা পর্যন্ত বেশি বৃষ্টি হয়েছে উপকূলীয় অঞ্চলে। এর মধ্যে যশোরে ৮৮, সাতক্ষীরায় ৮৪, চট্টগ্রামে ৬১, সন্দ্বীপে ৫৭, সীতাকুণ্ডে ৫৪ এবং টাঙ্গাইলে ৫১ মিলিমিটার রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

Leave A Reply

Your email address will not be published.