Ultimate magazine theme for WordPress.

রাতের খাবারে স্বামী রাঁধলেন মানুষের মাংস, পুলিশ ডাকলেন স্ত্রী

মানুষের মাংস কি খাওয়া যায়? কেউ কি কখনো খেয়ে দেখেছে কেমন লাগে? ব্যাপারটা চিন্তা করাই কতটা বীভৎস। এছাড়া লোক মুখে এমনও শোনা যায় মানুষের মাংস নাকি আর সব মাংসের চেয়ে মিষ্টি আর সুস্বাদু। আদৌ কি নরমাংস ভোজন বা ক্যানিবালিজমের সংস্কৃতি এখনো পৃথিবীতে আছে?

সুস্পষ্ট ভাবে না থাকলেও প্রতিবেশী দেশ ভারতে এমন ঘটনা ঘটেছে। সেখানে এরক ব্যক্তি শ্মশান থেকে মানুষের কাঁচা মাংস নিয়ে এসে তা রান্না করে নিজে ও স্ত্রীকে খাওয়ানোর চেষ্টা করেন। সোমবার এই পৈশাচিক ঘটনা ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের বিজনরের টিক্কোপুর গ্রামে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর চমকে উঠেছেন সবাই। যুবকটির মানসিক অবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

স্ত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে ৩২ বছরের ওই যুবক সঞ্জয়কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার বিকেলে টিক্কোপুর গ্রামের বাজারে গিয়েছিলেন সঞ্জয়ের স্ত্রী। সন্ধ্যাবেলায় বাড়ি ফিরে দেখেন রান্নাঘরে কিছু একটা রান্না করছেন মাতাল স্বামী। প্রথমে বিষয়টিতে গুরুত্ব না দিলেই পরে চুলায় চড়ানো বাসনের দিকে তাকিয়ে চোখ কপালে ওঠে তার।

তিনি দেখেন, মানুষের একটি হাত ও আঙুল রয়েছে সেখানে। আর সেটিই ভাজছে তার স্বামী। এই দৃশ্য দেখার পরেই আতঙ্কে চেঁচামেচি শুরু করেন তিনি। তারপর রান্নাঘরের মধ্যে স্বামীকে আটকে রেখে প্রতিবেশীদের খবর দিয়ে সোজা দৌড়ান স্থানীয় থানায়। সেখানে উপস্থিত পুলিশ কর্মীদের সমস্ত ঘটনার কথা খুলে বলেন। এরপর তার সঙ্গে গিয়ে বাড়িতে থেকে সঞ্জয় বলে ওই যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

তদন্তকারী পুলিশ আধিকারিক আরসি শর্মা জানান, স্থানীয় শ্মশানে পড়ে থাকা মানুষের মৃতদেহ থেকে মাংস কেটে একটি পলিব্যাগে করে বাড়িতে এনেছিল সঞ্জয়। তারপর তা দিয়ে রাতের খাবার তৈরি করছিল। তার স্ত্রী সেটা দেখতে পেয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হন। পরে তাদের বাড়িতে গিয়ে মানুষের মাংস পাওয়া যায়। অভিযুক্ত সঞ্জয়কে গ্রেপ্তার করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.