Ultimate magazine theme for WordPress.

মসজিদে হামলার পর জাতির মধ্যে পরিবর্তন এসেছে: জেসিন্ডা

গত বছরের ১৫ মার্চ, দিনটি ছিল শুক্রবার জুমার দিন। মহান আল্লাহর প্রতি সিজদাবনত ছিলেন ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা। কিন্তু ঠিক সেই সময়ে ব্রেন্টন ট্যারেন্ট (২৯) নামের মুসলিমবিদ্বেষী অস্ট্রেলিয়ান এক নাগরিক শুরু করেন এলোপাতারি গুলি। রক্তাক্ত হয় নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের লিনউড মসজিদ।  নৃশংস ওই হত্যাকাণ্ডের পুরো ঘটনা ফেসবুক লাইভে প্রচার করে হামলাকারী।

পাঁচজন বাংলাদেশিসহ ৫১ জন নিহত ও অর্ধ-শতাধিক ব্যক্তি আহত হলেও সেদিন সেখানে অবস্থান করা বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেছেন। তারা ওই মসজিদে নামাজ পড়তে যাচ্ছিলেন। তারা মসজিদে প্রবেশের মুহূর্তে এই হামলা চালানো। ক্রিকেটাররা দৌড়ে সেখান থেকে নিরাপদে আশ্রয় নেন।

সেইদিনটিকে স্মরণ করে আজকের জুমার দিন ওই মসজিদে বিশেষ আয়োজন ছিল। নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে ক্রাইস্টচার্চে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত হোন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্ন।

দেশের মুসলমান সম্প্রদায়ের সঙ্গে কিউই জনগণ আরও বেশি সম্পৃক্ত হয়েছেন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কিউই জনগণ তাকে জানিয়েছে যে তারা ওই হামলার পর প্রথমবারের মতো মসজিদে যায় এবং তারা বিশ্বাসের পার্থক্যের বিষয়ে আরও প্রকাশ্য আলোচনা করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এক বছর পরে, আমি বিশ্বাস করি, নিউজিল্যান্ড এবং এর জনগণ মৌলিকভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। তবে আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জটি নিশ্চিত করতে হবে দৈনন্দিন কাজকর্মে। আমরা বর্বরতা, হয়রানি, বর্ণবাদ, বৈষম্যমুক্ত একটি জাতি গড়ে তুলব।’

নামাজে সময় হামলার সময় আল নুর মসজিদ থেকে ওইদিন বেঁচে যাওয়া ফরিদ আহমেদও ছিলেন, যার স্ত্রী হামলায় নিহত হয়।

তিনি বলেন, ‘যদি কারও মত ও বিশ্বাসের পার্থক্য থাকে, তবে সে ব্যাপারে আমাদের আলোচনা করা উচিত, একে অপরকে প্রশ্ন করা উচিত। তবে একে অপরকে ভয় পাওয়া উচিত নয়।’

Leave A Reply

Your email address will not be published.