Ultimate magazine theme for WordPress.

করোনায় বন্ধ হলো স্ট্যাচু অব লিবার্টি

করোনা ভাইরাসের কারণে এবার স্ট্যাচু অব লিবার্টি ও এলিস আইল্যান্ড বন্ধ ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে আলকাত্রাজ, গোল্ডেন গেট ওয়েলকাম সেন্টার এবং ওয়াশিংটন ডিসি এলাকা বন্ধ করে দিয়েছে ন্যাশনাল পার্ক সার্ভিস। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় চিড়িয়াখানা এবং স্মিথসোনিয়ান ইন্সটিটিউশনও তাদের কার্যক্রম বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে।

করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে এসব স্থানে পর্যটকদের আনাগোনাও অনেকটা কমে গিয়েছিল। বিশ্বব্যাপী করোনার প্রভাব ছড়িয়ে পড়ায় বিভিন্ন দেশ এবং শহর ইতিমধ্যে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্য, বিমানের ফ্লাইট, পর্যটন শিল্পে ব্যাপক ধস নেমেছে। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্বরণকালের ভয়াবহ অবস্থায় রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থানে ইতোমধ্যেই বার, রেস্টুরেন্ট, স্কুলে, দোকান-পাট বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এদিকে দেশটির এমজিএম রিসোর্ট ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে, তারা লাস ভেগাসে তাদের সব হোটেল এবং ক্যাসিনো বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে নতুন করে ৪৯ জন মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজার ৭২৭ জন। দেশটিতে নতুন ৫ জনসহ মারা গেছে ৯৩ জন।

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে করোনার প্রকোপ বাড়ছে, সঙ্গে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। সে কারণেই বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে এই ভাইরাসের প্রকোপ ঠেকাতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে স্থানীয় প্রশাসন।

উল্লেখ্য, চীনে করোনা ভাইরাস প্রায় নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে। কিন্তু চীনের বাইরে অন্যান্য দেশে ব্যাপক আকারে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। এতে বিশ্বব্যাপী প্রচণ্ড আতঙ্ক ও ভয়ের সৃষ্টি হয়েছে।

করোনা ভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বজুড়ে ৬৬৯ জনসহ মোট মৃত্যু হয়েছে ৭ হাজার ১৭১ জনের। শুধু চীনেই মৃতের সংখ্যা ৩ হাজার ২২৬। চীনের বাইরে মারা গেছে ৩ হাজার ৯৪৫ জন।

এ ভাইরাসে বিশ্বজুড়ে মোট আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ৮২ হাজার ৬০৫ জন। এর মধ্যে ৭৯ হাজার ৮৮১ জন সুস্থ হয়েছে বাড়ি ফিরেছেন। এছাড়া চীনে আক্রান্তের সংখ্যা ৮০ হাজার ৮৮১ এবং চীনের বাইরে ১ লাখ ১ হাজার ৭২৪ জন মানুষ।

বর্তমানে ৯৫ হাজার ৫৫৩ জন আক্রান্ত রয়েছেন। তাদের মধ্যে ৮৯ হাজার ৩৯০ জনের অবস্থা সাধারণ (স্থিতিশীল অথবা উন্নতির দিকে) এবং বাকি ৬ হাজার ১৬৩ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আক্রান্তের অনুপাতে মৃত্যুর হার ৮ শতাংশ এবং সুস্থতার হার ৯২ শতাংশ।

এর আগে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রধান ড. টেড্রস আধানম গেব্রেইয়সুস অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেছেন, সরকারগুলো এই বৈশ্বিক মহামারি ঠেকাতে যথেষ্ট পদক্ষেপ নিচ্ছে না। তিনি সরকারগুলোকে নিজ নিজ দেশের করোনাভাইরাস পরীক্ষার ব্যবস্থা আরও বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন।

চীনে উদ্ভূত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিনই বাড়ছে মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা। এখন পর্যন্ত বিশ্বের ১৬২টি দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে।

যেসব দেশে করোনা ভাইরাস আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে-

এর মধ্যে চীনে ৩ হাজার ২২৬, ইটালি ২ হাজার ১৫৮, ইরান ৮৫৩, স্পেন ৩৪২, ফ্রান্স ১৪৮, যুক্তরাষ্ট্র ৯১, দক্ষিণ কোরিয়া ৮১, যুক্তরাজ্যে ৫৫ জন সহ ১৬২টি দেশে মৃত্যু হয়েছে ৭ হাজার ১৭১ জনের।

1 Comment
  1. ปั้มไลค์ says

    Like!! I blog quite often and I genuinely thank you for your information. The article has truly peaked my interest.

Leave A Reply

Your email address will not be published.