Ultimate magazine theme for WordPress.

করোনাভাইরাস: বিশ্ব কি জরুরি অবস্থা জারির দ্বারপ্রান্তে

চীন থেকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস। এরইমধ্যে শুধুমাত্র চীনে ১৭০ জন নিহত এবং সাত হাজারের বেশি লোক আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া বিশ্বের অন্তত ১৬টি দেশে করোনাভাইরাস শনাক্ত করা হয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে এখন বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা জারি করা উচিত কি না, সে বিষয়ে আজ বৃহস্পতিবার বৈঠকে বসছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। খবর বিবিসির।

চীনের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ বলছে দেশটিতে ২৯শে জানুয়ারি পর্যন্ত ৭ হাজার ৭১১ জন ব্যক্তি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। নিহত হয়েছেন ১৭০ জন।  এছাড়া আরো অন্তত ১৬টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে এই ভাইরাস।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মহাপরিচালক টেড্রোস অ্যাডানম গ্যাব্রিয়েসুস বুধবার বলেছেন, ‘গত কয়েক দিনে মানুষে-মানুষে সংস্পর্শের মাধ্যমে এই ভাইরাস যেভাবে কয়েকটি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে, তা উদ্বেগের ব্যাপার। যদিও চীনের বাইরে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা এখনো খুবই কম, কিন্তু তা সত্ত্বেও এটি মহামারির মত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্গা রয়েছে।’

যেহেতু করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে কোন নির্দিষ্ট চিকিৎসা বা কোন প্রতিষেধক নেই, ফলে অনেক মানুষ আছে যাদের এই ভাইরাস আক্রমণ করলেও তাদের মধ্যে লক্ষণগুলো হালকা দেখা দিয়ে আবার সেরেও গেছে। তবে শ্বাসতন্ত্রের মাধ্যমে বাহিত হয়ে মারাত্মক সংক্রমণ তৈরি করতে পারে এই ভাইরাস এবং তার ফলে আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যুও হতে পারে।

ধারণা করা হয়, সার্স এবং ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের মত নতুন এই করোনাভাইরাস বিশেষ করে বয়স্ক এবং আগে থেকে অসুস্থ মানুষকে বেশি আক্রমণ করে।

চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহর থেকে ছড়িয়ে পড়েছে এই ভাইরাস। সেখানেই হতাহতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। চীনা কর্তৃপক্ষ উহান শহরকে কার্যত অন্যান্য শহরের থেকে একেবারে বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে।

বাস-ট্রেন এবং বিমান চলাচলসহ বহির্গামী সব ধরনের যানবাহনের চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে অনেক শহরে। উহান শহর থেকে জাপান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর শত শত নাগরিককে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.