আইএস বধূ শামীমা বাংলাদেশে আসতে চান না

বাংলাদেশে আসতে চান না আইএস বধূ হিসেবে পরিচিত ব্রিটিশ-বাংলাদেশি মেয়ে শামীমা বেগম

 

তিনি সন্ত্রাসবাদ দমনে ব্রিটেনকে সহায়তা করতে চান বলেও জানিয়েছেন।

 

 

শামীমা বেগম বুধবার সিরিয়ার এক শরণার্থী শিবির থেকে বিবিসি, বিবিসি ফাইভ লাইভ এবং আইটিভিকে পৃথক সাক্ষাৎকার দেন।

 

শামীমা বেগমকে সাক্ষাৎকারে জিজ্ঞাসা করা হয়, তিনি বংশগতভাবে বাংলাদেশের নাগরিক, কাজেই তিনি কেন বাংলাদেশে যাচ্ছেন না? জবাবে শামীমা বেগম বলেন, তিনি জীবনে কখনো বাংলাদেশে যাননি, বাংলাদেশি নাগরিকত্বের কোনো অধিকার তার নেই। আর বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষ এরই মধ্যে জানিয়ে দিয়েছেন, তাকে সেখানে যেতে দেওয়া হবে না এবং গেলে তাকে মৃত্যুদণ্ডের মুখোমুখি হতে হবে।

 

তিনি প্রশ্ন করেন, ব্রিটেনের মতো একটি গণতান্ত্রিক দেশ, যারা মৃত্যুদণ্ডে বিশ্বাস করে না, তারা কীভাবে আশা করে যে মৃত্যুদণ্ডের মুখোমুখি হওয়ার জন্য তিনি বাংলাদেশে যাবেন।

 

 

Edited by sa srk 

 

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৭১ তম জন্মদিনে একাত্তরটি লাল গোলাপের একটি ফুলের তোড়া পাঠিয়ে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

নরেন্দ্র মোদিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে শেখ হাসিনার পাঠানো ওই ফুলের তোড়া আজ শুক্রবার সকালে নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের মাধ্যমে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

 

আজ দুপুরে দিল্লি থেকে বাংলাদেশ হাইকমিশনের একটি সূত্র একেটিভিকে এ তথ্য জানিয়েছে।

শেখ হাসিনা

শেখ হাসিনা মোদিকে ৭১টি লাল গোলাপ পাঠিয়েছেন

১৯৫০ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর নরেন্দ্র মোদি ভারতের গুজরাটের ভাডনগর শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ২০০১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। ২০১৪ সাল থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন নরেন্দ্র মোদি।

 

Edited by sa srk 

 

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন

 

নিয়মিত অসত্য বক্তব্য উপস্থাপনকে রেওয়াজে পরিণত করেছে বিএনপি। তারা বাছ-বিচার না করে ঢালাওভাবে অপরাধীদের পক্ষ নিচ্ছে।

বৃহস্পতিবার সকালে তার সরকারি বাসভবনে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

 

 

সরকারের বিরুদ্ধে বিএনপির অভিযোগ কল্পিত উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, নিত্যদিন সরকারের বিরুদ্ধে নতুন নতুন অভিযোগ উত্থাপন বিএনপির রোজ নামচায় পরিণত হয়েছে।

 

সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, বিএনপি বাছ-বিচার না করে ঢালাওভাবে অপরাধীদের পক্ষ নিচ্ছে। অস্ত্র নিয়ে ধরা পড়েছে এমন অপরাধীদের পক্ষে তারা বিবৃতি দিয়ে মুক্তি দাবি করেছে। বিএনপি স্বাভাবিক আইনী প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপপ্রয়াস চালাচ্ছে। সরকারের অবস্থান হচ্ছে স্পষ্ট, তা হলো সরকার রাজনৈতিক নিপীড়নে বিশ্বাস করে না।

 

 

 

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপিই দেশকে মগের মুল্লুকে রূপান্তর করেছিলো। শেখ হাসিনা সরকার সে অবস্থা থেকে উদ্ধার করে দেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার জন্য অবিরাম প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন।

 

 

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ তৃণমূল থেকে গড়ে উঠা রাজনৈতিক দল। নেতাদের সম্মান আওয়ামী লীগই দিতে জানে।

 

 

Edited by sa srk 

 

 

 

 

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউ ইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

শুক্রবার সকাল ৯টা ২৩ মিনিটে শেখ হাসিনাকে বহনকারী বিমানটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব এম এম ইমরুল কায়েস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সফরসূচি অনুযায়ী, ফিনল্যান্ডের হেলসিঙ্কিতে ১৭ ও ১৮ সেপ্টেম্বর দুই দিনের যাত্রাবিরতির পর ১৯ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কে পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী। ১৯ থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর তিনি নিউ ইয়র্কে অবস্থান করবেন এবং ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ অধিবেশনে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

 

 

প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে গতকাল বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সশরীরে উপস্থিত থাকার পাশাপাশি ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে তিনি বাংলায় ভাষণ দেবেন। এর আগে জাতিসংঘে ১৭ বার ভাষণ দিয়েছেন শেখ হাসিনা। এবার হবে তার ১৮ তম ভাষণ।

 

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এবার সাধারণ পরিষদে প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে ‘আশা’। কোভিড মহামারির কারণে অর্থনীতি যে ধাক্কা খেয়েছে, সেটি দূর করে আশা জাগানোর জন্যই তা রাখা হয়েছে। এবারের অধিবেশনে আরেকটি বিষয় গুরুত্ব পাবে, তা হলো জলবায়ু পরিবর্তন। এছাড়া রোহিঙ্গা ইস্যুতেও বাংলাদেশ সাইডলাইনে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করবে।

 

 

জাতিসংঘের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় বেশ কয়েকটি বৈঠক হবে বলেও জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, মালদ্বীপ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের কথা রয়েছে। এ ছাড়া বারবাডোজের প্রধানমন্ত্রী ও জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গেও বৈঠক হবে।

প্রধানমন্ত্রী

আফগানিস্তান সমস্যার কারণে রোহিঙ্গা ইস্যু হারিয়ে যাচ্ছে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি হারিয়ে যাচ্ছে না। রোহিঙ্গা শব্দটি এখন সবাই জানে এবং বাংলাদেশের কারণে এটি পরিচিত একটি নাম। তারা যে নির্যাতিত হয়েছে, এটি সবাই জানে। রোহিঙ্গা নিয়ে নতুন কোনো প্রস্তাব থাকবে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রস্তাব আগেই দিয়েছি। নতুন করে আর কিছু দিতে চাই না।

 

জানা গেছে, এবার প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে বাংলাদেশের ৫০ জন ব্যবসায়ী রয়েছেন। এছাড়া থাকছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শাহরিয়ার আলম, বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র ও প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়, প্রধানমন্ত্রী তনয়া সায়মা ওয়াজেদ হোসেন পুতুল, সংসদ সদস্য আব্দুস সোবহান গোলাপ এবং পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন। এছাড়া থাকছেন প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। আগামী ১ অক্টোবর দেশে ফেরার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

 

Edited by sa srk

 

 

 

 

 

 

 

গ্রাহক ও সরবরাহকারীদের কাছে ইভ্যালির দেনা বেড়ে এক হাজার কোটি টাকা দাঁড়িয়েছে। র‌্যাব বলছে, তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. রাসেল এমন তথ্য দিয়েছেন। র‌্যাব জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে রাসেল জানান, গত ফেব্রুয়ারিতেও এই দেনার পরিমাণ ছিল ৪০৩ কোটি টাকা। গ্রাহকের এই টাকা কীভাবে ফেরত দেওয়া হবে-র‌্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে তার কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি তিনি। সর্বশেষ দায় মেটাতে ব্যর্থ হলে ইভ্যালিকে দেউলিয়া ঘোষণার পরিকল্পনাও ছিল রাসেলের।

আজ শুক্রবার র‌্যাব সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান বাহিনীটির আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন। প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার মো. রাসেল ও তাঁর স্ত্রী চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁদের র‍্যাব সদর দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হয়।

সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব কর্মকর্তা খন্দকার আল মঈন বলেন, ইভ্যালিতে মো. রাসেল ও তাঁর স্ত্রী শামীমা নাসরিনের বিনিয়োগ ছিল খুবই কম। তাঁদের ব্যবসায়িক কৌশল ছিল নতুন গ্রাহকের ওপর দায় চাপিয়ে দিয়ে পুরোনো গ্রাহক ও সরবরাহকারীদের দেনা আংশিক পরিশোধ করা। তাঁরা ‘দায় ট্রান্সফারের’ মাধ্যমে ব্যবসা করছিলেন। মো. রাসেল জেনেশুনেই এই নেতিবাচক কৌশল গ্রহণ করেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন।

র‌্যাবের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ইভ্যালির ভবিষ্যৎ কর্ম পরিকল্পনা সম্পর্কে গ্রেপ্তার দুজন জানান, তাঁদের লক্ষ্য ছিল প্রথমত ইভ্যালির ‘ব্রান্ড ভ্যালু’ তৈরি করা। পরে দায়সহ কোনো প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করে লভ্যাংশ নেওয়া। এ উদ্দেশ্যে তারা বিভিন্ন দেশও ভ্রমণ করছেন। অন্য পরিকল্পনার মধ্যে ছিল বিভিন্ন প্রতিষ্ঠিত কোম্পানির কাছে কোম্পানি শেয়ারের প্রস্তাব দিয়ে দায় চাপিয়ে দেওয়া। এ ছাড়া ইভ্যালির তিন বছর পূর্ণ হলে শেয়ার মার্কেটে অন্তর্ভুক্তির পর শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে দায় চাপানোর পরিকল্পনা নেন তাঁরা।

গ্রাহকদের দায় মেটাতে বিভিন্ন অজুহাতে সময় বাড়ানোর আবেদন মো. রাসেলের একটি কৌশল বলে সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন খন্দকার আল মঈন। তিনি জানান, দায় মেটাতে ব্যর্থ হলে সর্বশেষ পদক্ষেপ হিসেবে ইভ্যালির সিইও দেউলিয়া ঘোষণার পরিকল্পনা করেছিলেন।

আজকের সংবাদ সম্মেলন শেষে মো. রাসেল ও তাঁর স্ত্রী শামীমাকে গুলশান থানায় নেওয়া হয়। সেখান থেকে তাদের আদালতে পাঠানো হবে।

এর আগে গত বুধবার দিবাগত রাতে রাসেল ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ এনে মামলা করেন আরিফ বাকের নামের এক গ্রাহক। মামলায় তিনি অভিযোগ করেন, ইভ্যালি ডটকমের চমকপ্রদ বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ট হয়ে পণ্য কিনতে ওই প্রতিষ্ঠানকে ৩ লাখ ১০ হাজার ৫৯৭ টাকা দেন। ৭ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে পণ্য দেওয়ার কথা থাকলেও তা না দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে ওই অর্থ আত্মসাৎ করেন প্রতিষ্ঠানের দুই কর্ণধার।

মামলায় বাদী উল্লেখ করেন, ইভ্যালি পণ্য বিক্রির নামে নানা প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে তাঁর মতো অসংখ্য গ্রাহকের ৭০০-৮০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।

করোনার মধ্যেই গত বছর বিয়ে করেছেন সংগীতশিল্পী প্রতীক হাসান। তাঁর স্ত্রীর নাম মৌসুমি হাসান। তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েন। তবে এখনো পরিবারের বাইরে কাউকে খবরটা জানাননি এই গায়ক।

কিন্তু বিয়ে নিয়ে এত লুকোচুরি কেন? প্রতীক বলেন, ‘আমাদের অনেক আত্মীয়স্বজন। অনেকেই দেশের বাইরে থাকেন। সবাইকে নিয়েই বিয়ে করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু করোনা বাড়ায় কাউকে জানানো সম্ভব হয়নি। ঘরোয়া পরিবেশেই বিয়েটা সারতে হয়েছে। আক্দ, কাবিনের সময় আমাদের দুই পরিবারের ঘনিষ্ঠ কিছু আত্মীয় উপস্থিত ছিলেন। আমাদের পরিবারের মধ্যে আমার মা ও ভাই শুধু উপস্থিত ছিলেন। শিগগির বড় পরিসরে অনুষ্ঠান করব। তখন সবাইকে বলব।

এই মুহূর্তে কনে বা বিয়ের কোনো ছবিও প্রকাশ করতে চান না। কবে, কোথায় বিয়ে করলেন, তা–ও জানাতে নারাজ প্রতীক, ‘এগুলো কিছুই এই মুহূর্তে বলতে চাইছি না। আত্মীয়স্বজন কাউকে জানাতে পারিনি। এ জন্য বিয়ে গোপন করেছি। প্রচারও করিনি। এখন আমাদের দুই পরিবারের যাওয়া–আসা হয়। আমার স্ত্রী আমাদের বাসায় আসে, আমিও তাদের বাসায় যাই। এভাবেই চলছে। অনুষ্ঠান করে তাকে বাসায় নিয়ে আসব।

বর্তমানে গান নিয়েই ব্যস্ত প্রতীক হাসান। জানালেন, দুটি গানের রেকর্ডিং চলছে। এ ছাড়া আগের গানগুলো পর্যায়ক্রমে অনলাইনে প্রকাশ পাবে। গানের পাশাপাশি একটি রিয়েলিটি শোর বিচারকের ভূমিকায় তাকে দেখা যাবে। প্রতীক বলেন, ‘অনুষ্ঠান কর্তৃপক্ষ মনে করেছেন, তরুণদের গানের পালসটা আমি ধরতে পারব। বিচারক হিসেবে কাজ করার জন্য দেশ–বিদেশের অনুষ্ঠান দেখতে হচ্ছে। “এক্স ফ্যাক্টর”, “দ্য ভয়েস”সহ অনেক রিয়েলিটি শো আমার দেখা আছে। সেগুলো আমাকে অনুপ্রাণিত করে। আশা করছি, বিচারক হিসেবে সেসব অভিজ্ঞতা আমার কাজে আসবে,’ বলেন প্রতীক।

বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনাল ভবনের পাইলিংয়ের কাজ শেষ। সারি সারি পিলার এখন দাঁড়িয়ে গেছে। এক পাশে শত শত শ্রমিক রড বাঁধছেন। তারপরই হবে ঢালাইয়ের কাজ। সব মিলিয়ে রাজধানীর হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চলছে বিশাল কর্মযজ্ঞ। মেগা এই প্রকল্পের কাজ শেষ হলে আকাশপথে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে আধুনিক যুগে প্রবেশ করবে বাংলাদেশ।

দেশের নির্মাণাধীন বিভিন্ন মেগা প্রকল্পের মতোই বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণে দেশের বেশ কয়েকটি শীর্ষস্থানীয় কোম্পানির রড, সিমেন্ট, রেডি মিক্সড কংক্রিট ইত্যাদি ব্যবহৃত হচ্ছে। প্রকল্প পরিচালক মাকসুদুল ইসলাম বললেন, দেশীয় উপকরণেই নির্মিত হচ্ছে নতুন টার্মিনাল ভবনসহ আনুষঙ্গিক অবকাঠামো।

গত দুই দশকে দেশে যতগুলো মেগা প্রকল্প হয়েছে, তাতে দেশীয় নির্মাণসামগ্রী ব্যবহৃত হয়েছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পণ্য উৎপাদনে আধুনিক প্রযুক্তি সংযোজনে বিনিয়োগ করেছে বেসরকারি খাতের কোম্পানিগুলো। ফলে মেগা প্রকল্পের চাহিদা অনুযায়ী মানসম্মত পণ্য সরবরাহ করতে বড় বাধার মুখে পড়তে হয়নি তাদের। তাতে বৈদেশিক মুদ্রা ও সময় সাশ্রয় হচ্ছে।

পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, মাতারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র, রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্প, মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভার, চট্টগ্রামের আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারসহ অন্যান্য মেগা প্রকল্পের পাশাপাশি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নতুন টার্মিনাল ভবন নির্মাণে ব্যবহৃত হচ্ছে আবুল খায়ের গ্রুপের শাহ্ সিমেন্ট। দেশের শীর্ষস্থানীয় সিমেন্ট উৎপাদনকারী এই কোম্পানি ২০০২ সালের মার্চে যাত্রা শুরু করে।

মুন্সিগঞ্জের মুক্তারপুরে কারখানায় সিমেন্ট উৎপাদনে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভার্টিক্যাল রোলার মিল (ভিআরএম) স্থাপন করেছে শাহ্ সিমেন্ট। সিমেন্ট উৎপাদনে একই সঙ্গে আকারে বৃহৎ এবং সর্বাধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ের উদাহরণ পৃথিবীতে এটিই প্রথম। এ জন্য ২০১৯ সালে শাহ্ সিমেন্টের ভিআরএমকে ‘পৃথিবীর একক বৃহত্তম’ হিসেবে সত্যায়িত এবং নথিভুক্ত করেছে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস।

সিমেন্টের উন্নত মান নিশ্চিত করার পাশাপাশি জ্বালানিসাশ্রয়ী হিসেবে ভিআরএম প্রযুক্তি তিন দশকের বেশি সময় ধরে সারা বিশ্বে সমাদৃত। ভিআরএম প্রযুক্তিতে ডেনমার্কের এফএলস্মিথের বিশ্বব্যাপী সুখ্যাতি রয়েছে। শাহ্ সিমেন্টের নতুন এই ভিআরএম স্থাপনে কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা দিয়েছে এফএলস্মিথ।

নতুন এই ভার্টিক্যাল রোলার মিলে সর্বাধুনিক ডিজিটাল এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) প্রযুক্তি সংযুক্ত করা হয়েছে। নিজেদের অগ্রযাত্রাকে আরেক ধাপ এগিয়ে নিতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভিআরএম প্রযুক্তি সংযুক্ত করার পরিকল্পনা হাতে নেয় শাহ্ সিমেন্ট। ডেনমার্কের এফএলস্মিথ ও বাংলাদেশের শাহ্ সিমেন্টের পারস্পরিক সহযোগিতায় আলোর মুখ দেখে ‘পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ভার্টিক্যাল রোলার মিল’।

জানতে চাইলে স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন বলেন, দেশীয় কোম্পানিগুলো চাহিদা অনুযায়ী উন্নতমানের রড ও সিমেন্ট উৎপাদন করতে পারছে বলেই গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় সেগুলো ব্যবহার হচ্ছে। শীর্ষস্থানীয় কোম্পানিগুলো মানের ব্যাপারে আপস করছে না। অনেক ক্ষেত্রে তারা প্রয়োজনের থেকেও উচ্চ মানসম্পন্ন পণ্য উৎপাদন করছে। গত চার-পাঁচ বছরে মানের কারণে কোনো প্রকল্পের রড ও সিমেন্ট বাতিল করতে হয়নি।

বাইক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন দক্ষিণি জনপ্রিয় তারকা সাই ধরম তেজ। শুক্রবার হায়দরাবাদের কেবল ব্রিজ এলাকায় কাদার কারণে বাইকের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন এই অভিনেতা। স্থানীয় পুলিশ বলছে, মাত্রাতিরিক্ত গতিতে স্পোর্টস বাইক চালাতে গিয়েই দুর্ঘটনা ঘটিয়েছেন এ অভিনেতা। তিনি জনপ্রিয় অভিনেতা চিরঞ্জীবীর ভাগনে।

হায়দরাবাদ টাইমস সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে হায়দরাবাদের দুর্গমচেরুভু কেব্‌ল ব্রিজের ওপর দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন তিনি। দুর্ঘটনায় তাঁর হেলমেট উড়ে যায়। ডান চোখ, বুক ও পেটে আঘাত পান তিনি। এ সময় তাঁর স্পোর্টস বাইকের মাত্রাতিরিক্ত গতি ছিল, তার ওপর রাস্তায় কাদা থাকায় বাইকের চাকা পিছলে যায়। যে কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছিলেন এই অভিনেতা।

দুর্ঘটনাস্থলেই জ্ঞান হারান সাই। দ্রুত তাঁকে হায়দরাবাদের জুবিলি হিলসের একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে গতকাল রাত পৌনে ১১টায় অ্যাপোলো হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। হাসপাতালের চিকিৎসকেরা আজ দুপুর সাড়ে ১২টায় হেলথ বুলেটিনে জানান, সাই ধরম তেজকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। চিকিৎসায় ভালো সাড়া দিচ্ছেন তিনি।

জখম গভীর তবে যুবক এ অভিনেতার মস্তিষ্ক, মেরুদণ্ড অথবা অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের ক্ষতি হয়নি। কলার বোনে চিড় ধরেছে এবং বেশ কিছু সফট টিস্যু জখম হয়েছে। আপাতত অস্ত্রোপচারের কোনো প্রয়োজন নেই।

সাইয়ের দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তাঁকে দেখতে হাসপাতালে ছুটে গেছেন মামা অভিনেতা চিরঞ্জীবী এবং আল্লু অরবিন্দ, পবন কল্যাণসহ পরিচিত অনেক দক্ষিণি তারকা।

সাই ধরম তেজের ইনস্টাগ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, একাধিক দামি গাড়ি থাকলেও তিনি বাইক চালাতে ভালোবাসেন। প্রায়ই বাইক নিয়ে বেরিয়ে পড়েন হায়দরাবাদের রাস্তায়। আগামী ১ অক্টোবর সাই ধরম তেজ অভিনীত ‘রিপাবলিক’ ছবি মুক্তি পাবে।

তখন পর্যন্ত বাস্তবে কারও ঠোঁটে ঠোঁট ছোঁয়াননি জেন্ডায়া। তাই ক্যামেরার সামনে প্রথমবার যখন তাঁকে কাজটা করতে বলা হলো, ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। অতটুকু বয়স! ১৪ কি ১৫ বছর! প্রিয়জনকে ভালোবাসা জানানোর এমন একটা কাজ প্রথমবার কিনা ক্যামেরার সামনে করতে হবে! রাজি হননি এই হলিউড অভিনেত্রী।

ব্রিটিশ ভোগ ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সেসব দিনকে নতুন করে স্মরণ করলেন জেন্ডায়া, ‘শেক ইট আপ সিরিজের কথা মনে পড়ে। আমার শুধু মনে হচ্ছিল, এ আমি পারব না। তার চেয়ে আমি বরং তাঁর গালে চুমু খাব। কারণ, জীবনে কখনো এর আগে চুমু খাইনি। তাই ক্যামেরার সামনে চুমু খেতে চাইনি।

এসবই ১০ বছর আগের কথা। ২০১০ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ডিজনির টিভি সিরিজ শেক ইট আপ-এ রকি ব্লু চরিত্রে তাঁকে দেখা গেছে। তবে এখন আর ছোটটি নেই জেন্ডায়া। প্রেম করছেন দিব্যি। ‘স্পাইডারম্যান’ টম হল্যান্ডের সঙ্গে তাঁর চুমুর ভিডিও অনলাইনে আলোচনার ঝড় তুলেছে। তবে কি সত্যিই প্রেম করছেন তাঁরা? ভক্তদের মনে এই প্রশ্ন। এই জল্পনা শেষ না হতেই পয়লা সেপ্টেম্বর ২৫তম জন্মদিনে প্রেমিকা জেন্ডায়ার একটা ছবি দিয়ে ব্যাপারটা যেন খোলাসাই করলেন টম।

রাজধানীর মতিঝিল থেকে ডিবি পরিচয়ে ছিনতাইকারী চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল বুধবার রাতে তাঁদের গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।

ডিবি বলছে, ব্যাংকে অর্থ তুলতে আসা গ্রাহকদের টার্গেট করত চক্রটি। ব্যাংক থেকে টাকা তুলে বের হওয়া গ্রাহকদের ডিবি পরিচয়ে তুলে নিত চক্রটি। পরে গ্রাহকদের কাছ থেকে তারা টাকা ছিনতাই করত। চক্রটি ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকায় সক্রিয় ছিল।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মামুন মণ্ডল (৩৩), আলী (৩২), আহম্মেদ (৩০) ও সুমন শেখ ওরফে আলী হোসেন। তাঁদের কাছ থেকে ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত একটি গাড়ি, একটি পিস্তল, একটি গুলি, একটি খেলনা পিস্তল, ডিবি লেখা একটি জ্যাকেট, একটি ওয়াকিটকি, ভুয়া নম্বর প্লেট ও ১৫ হাজার টাকা উদ্ধার করার কথা জানিয়েছে ডিবির মতিঝিল বিভাগ।

ডিবি মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) রিফাত রহমান বলেন, চক্রটির সদস্যরা কয়েকটি দলে ভাগ হয়ে ছিনতাইয়ের কাজ করতেন। কেউ টার্গেট ব্যক্তিকে অনুসরণ করতে তাঁর সঙ্গে ব্যাংকে যেতেন। টার্গেট গ্রাহক টাকা উত্তোলন করলে ভেতরে থাকা চক্রের সদস্য সঙ্গে সঙ্গে বাইরে থাকা সহযোগীদের মুঠোফোনে জানিয়ে প্রস্তুত হতে বলতেন। গ্রাহক টাকা নিয়ে ব্যাংক থেকে বের হলেই তাঁকে ডিবি পরিচয়ে গাড়িতে তুলে নিতেন চক্রের সদস্যরা। পরে গ্রাহকের কাছে থাকা টাকা ও মুঠোফোন ছিনতাই করে তাঁকে ফাঁকা রাস্তায় ফেলে পালিয়ে যেতেন চক্রের সদস্যরা।

ডিবি জানায়, গত ২৯ আগস্ট মালিবাগের একটি বেসরকারি ব্যাংক থেকে পাঁচ লাখ টাকা তুলে বাসায় ফিরছিলেন মোশারফ হোসেন নামের এক ব্যক্তি। ডিবি পরিচয়ে তাঁর কাছ থেকে টাকা ছিনিয়ে নেন এই চক্রের সদস্যরা। এই ছিনতাইয়ের ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে চক্রটির সন্ধান পায় ডিবি।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে রাজধানীর মুগদা থানায় মামলা করা হয়েছে বলে জানায় ডিবি।

পুরুষ টেনিসে গ্র্যান্ড স্লাম জয়ে সর্বকালের সেরা হওয়ার পথে আরেকটু এগোলেন নোভাক জোকোভিচ। সার্বিয়ান মহাতারকা বাংলাদেশ সময় আজ সকালে ইতালির মাত্তেও বেরেত্তিনিকে হারিয়ে উঠে গেছেন ইউএস ওপেনের সেমিফাইনালে।

 

রজার ফেদেরার ও রাফায়েল নাদালকে পেছনে ফেলে ২১তম গ্র্যান্ড স্লাম জয়ে অভিযানে নামা জোকোভিচও আগের দুই ম্যাচের মতো কোয়ার্টার ফাইনালও শুরু করেন প্রথম সেট হেরে। জুলাইয়ে উইম্বলডনের ফাইনালেও প্রথম সেটে বেরেত্তিনির কাছে হেরেছিলেন জোকোভিচ। এরপর সেই উইম্বলডনের ফাইনালের মতোই পরের তিন সেট কী অবলীলায় জিতে নিলেন ৩৪ বছর বয়সী তারকা। জোকোভিচ আজ জিতেছেন ৫-৭, ৬-২, ৬-২, ৬-৩ গেমে।

আগামীকাল শেষ চারে জার্মানির আলেক্সান্দার জভেরেভের বিপক্ষে খেলবেন জোকোভিচ। টোকিও অলিম্পিকে সোনাজয়ী চতুর্থ বাছাই জভেরেভ কোয়ার্টার ফাইনালে ৭-৬ (৮/৬), ৬-৩, ৬-৪ গেমে হারিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার অবাছাই লয়েড হ্যারিসকে। ছেলেদের অন্য সেমিফাইনালে দ্বিতীয় বাছাই দানিল মেদভেদেভ খেলবেন কানাডার ফেলিক্স অগার-আলিয়াসিমের বিপক্ষে।

র‌্যাঙ্কিংয়ে বিশ্বসেরা জোকোভিচকে গ্র্যান্ড স্লাম জয়ের রেকর্ড ছাড়াও হাতছানি দিচ্ছে ৫২ বছরের মধ্যে প্রথম পুরুষ খেলোয়াড় হিসেবে বছরের সব কটি গ্র্যান্ড স্লাম জয়। দুর্দান্ত ফর্মে থাকা জোকোভিচের হাতেই উঠেছে বছরের প্রথম তিনটি গ্র্যান্ড স্লাম শিরোপা। অস্ট্রেলিয়ান ওপেন, ফ্রেঞ্চ ওপেন ও উইম্বলডনে চ্যাম্পিয়ন জোকোভিচের ব্যর্থতা বলতে টোকিও অলিম্পিক। সার্বিয়ান তারকা কোনো পদকই জিততে পারেননি সেখানে।

নোভাক জোকোভিচ
তবে সেই ব্যর্থতা পেছনে ফেলে ফ্ল্যাশিং মিডোতে দুর্দান্ত গতিতে এগিয়ে চলেছেন জোকোভিচ। টুর্নামেন্টে সর্বকালের অন্যতম সেরা টেনিস খেলোয়াড়, যা একটু কষ্ট হচ্ছে প্রথম সেটেই। ক্যারিয়ারজুড়েই অবশ্য এই সমস্যার সঙ্গে লড়াই করেই এগিয়ে যাচ্ছেন জোকোভিচ।

বেরেত্তিনিকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ার পথে আরেক ধাপ এগোনোর পর কোর্টে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রশ্নকর্তাকে এক প্রশ্নের মাঝপথেই থামিয়ে দেন জোকোভিচ। কী প্রশ্ন হতে যাচ্ছে, সেটি তো জানাই ছিল তাঁর, ‘আমাকে ইতিহাস-টিতিহাস নিয়ে কোনো প্রশ্ন করবেন না। আমি জানি কী বলবেন।

এ বছর গ্র্যান্ড স্লামে টানা ২৬ ম্যাচ জেতা জোকোভিচ শেষ আটে আজ আনফোর্সড এরর করেছেন ১৭টি। বাকি তিন সেটে সংখ্যাটা মাত্র ১১। ওই তিন সেটে নিজের খেলায় রীতিমতো মুগ্ধ জোকোভিচ, ‘কোনো সন্দেহ নেই, টুর্নামেন্টে আমার সেরা তিন সেট খেললাম আজ।

শেষ চারে জোকোভিচের প্রতিপক্ষ জভেরেভও আছেন দুর্দান্ত ফর্মে। টানা ১৬টি ম্যাচ জিতেছেন জার্মান তারকা। পরিসংখ্যানটা জানেন জোকোভিচও। তবে এটাকেই অনুপ্রেরণা হিসেবে নিয়েছেন তিনি, ‘আমি রোমাঞ্চিত। চ্যালেঞ্জটা যত বড়, সেটি উতরে যাওয়াটাও তত গর্বের।

তারকার পিছু ছাড়ে না পাপারাজ্জির ক্যামেরার লেন্স। তারকার জীবন মানেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা, সমালোচনা, তর্কবিতর্ক। সাইবার বুলিং তো আছেই। এমনকি মৃত্যুর পরেও তাঁদের নিয়ে আলোচনা যেন থামেই না। এসব নিয়ে বেজায় বিরক্ত বিরাটবধূ। আনুশকা শর্মা রেগেমেগে জানিয়েই দিলেন, তারকার মৃত্যু তামাশা হয়ে দাঁড়িয়েছে আজকাল।

৪০ বছর বয়সে সদ্য প্রয়াত হয়েছেন ভারতীয় অভিনেতা সিদ্ধার্থ শুক্লা। তাঁকে নিয়ে অনলাইনে আলোচনার শেষ নেই। তাঁর মৃত্যুকে নানা দিক থেকে চকমকে করে তোলার চেষ্টা চলছে। আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাতে রং চড়াচ্ছেন নিন্দুকেরা। কেউ দোষারোপ করছেন তাঁর বান্ধবী শেহনাজ গিলকে। কেউ মিলিয়ে ফেলছেন সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর সঙ্গে! আর এসব দেখে স্ট্যান্ডআপ কমেডিয়ান জাকির খান ইনস্টাগ্রামে লিখেছেন প্রতিবাদী কবিতা। সেটিই শেয়ার দিয়েছেন আনুশকা শর্মা।

আনুশকার শেয়ার করা সেই পোস্টে জাকির খান বলছেন, ‘তারা তোমাকে মানুষ বলে মনে করে না। কারণটা এটা নয় যে এখানে না আছে কোনো লাইন কিংবা সীমানা। তাদের কাছে তোমার মৃতদেহ আত্মা থেকে বিচ্ছিন্ন কোনো শরীর নয়। শুধু একটা ছবি তোলার ধান্দা আরকি। যত খুশি ছবি তোলা যায়। এটা এ রকম যে দাঙ্গার সময় কারও জ্বলন্ত ঘর থেকে বাসন চুরি করার মতো। কারণ, এরপর তুমি আর কোনো কাজে আসবে না। বড়জোর ১০টা ছবি, ৫টা খবর, ৩টি ভিডিও, ২টি স্টোরি আর ১টা পোস্ট, ব্যস তারপরেই সব শেষ।

আর তাই তোমার মৃত্যু তাদের কাছে তামাশা ছাড়া আর কিছুই নয়। কান্নায় ভেঙে পড়া মা, শোকার্ত বাবা, অসুখী বোন আর আশা হারিয়ে ফেলা ভাই, আর তোমাকে যারা ভালোবাসে তারাও তাদের কাছে শুধু তামাশা। তুমি বেঁচে থাকলে, সে কথা আলাদা হতো। আর তোমার মৃত্যুর পরে তোমার শোকগ্রস্ত আপনজনেরা তাদের ক্ষুধা মেটাবে। শুধু এটা বলে রাখলাম…যে এই জীবনই আমি আর তুমি বেছে নিয়েছি।

এই দীর্ঘ কবিতার শেষ দিকে এসে জাকির খান আরও লিখেছেন, ‘শুধু তাদের জন্য বাঁচবে না। জীবনে যতটুকু সময় আছে নিজের জন্য বেঁচে থাকো। কারণ, তাদের কাছে তুমি মানুষ নও।

তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বেজায় সতর্ক আনুশকা শর্মা। এর আগে তাঁর মা হওয়ার সময় বাড়ির কাছে ভিড়তে দেননি কোনো পাপারাজ্জিকে।

উত্তর কখন মিলবে জানা নেই, তবে ব্রাজিলের স্বাস্থ্যসচেতনতা–বিষয়ক সংগঠন আনভিসার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে অনেক। তাদের বিতর্কিত ভূমিকার জেরেই গতকাল সাও পাওলোতে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচটি শুরু হয়েও স্থগিত হয়ে গেছে।

ইংল্যান্ডের ক্লাবে খেলা আর্জেন্টিনার চার খেলোয়াড় যে ব্রাজিলে ঢুকছেন, সেটি নিশ্চয়ই আগে থেকেই জানত আনভিসা। ম্যাচের তিন দিন আগেই ব্রাজিলে ঢুকেছে আর্জেন্টিনা দল। সে ক্ষেত্রে ওই খেলোয়াড়দের খেলতে পারা-না পারা নিয়ে প্রশ্ন কেন ম্যাচের দুই ঘণ্টা আগে তুলল আনভিসা, কেন ম্যাচ শুরু হওয়ার পর এসে ম্যাচ থামিয়ে দিল, সেসব নিয়ে প্রশ্ন তোলাই যায়। প্রশ্ন উঠছেও।

এর মধ্যে আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি ও আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ক্লদিও তাপিয়ার দুটি কথা আনভিসার ভূমিকাকে আরও বেশি করে প্রশ্নবিদ্ধ করবে। স্কালোনি বলছেন, ওই চার খেলোয়াড় যে খেলতে পারবেন না, সেটা ম্যাচের আগে তাঁদের কেউই জানায়নি। আর তাপিয়া জানাচ্ছেন, ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা খেলোয়াড়দের দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের বাছাইপর্বে নামার আগে কোয়ারেন্টিন-সংক্রান্ত বিধি কী হবে, এ নিয়ে দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলো আগেই একমত হয়েছিল। সব দেশের স্বাস্থ্য বিভাগই তা জানত!

‘আজ যেটা ঘটেছে, সেটা ফুটবলের জন্য খুবই দুর্ভাগ্যজনক। ফুটবলে কালি লেপে দিয়েছে এটা। চারজন লোক একটা খবর জানাতে (ইংল্যান্ডের ক্লাবে খেলা আর্জেন্টিনার চার খেলোয়াড় খেলতে পারবে না জানিয়ে) মাঠে ঢুকে পড়লেন, আর কনমেবল খেলোয়াড়দের বলল ড্রেসিংরুমে ঢুকে যেতে!’—ঘটনার ব্যাখ্যায় বলেছেন আর্জেন্টিনার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) সভাপতি তাপিয়া।

আনভিসা ম্যাচের দুই ঘণ্টা আগে জানায়, ইংল্যান্ডের ক্লাবে আর্জেন্টিনার ওই চার খেলোয়াড় এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, এমিলিয়ানো বুয়েন্দিয়া, জিওভান্নি লো সেলসো ও ক্রিস্টিয়ান রোমেরো ব্রাজিলে ঢোকার ক্ষেত্রে নাকি মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন। তাঁরা গত ১৪ দিনের মধ্যে ইংল্যান্ডে ছিলেন বলে জানিয়েছেন বলে দাবি ছিল আনভিসার। কিন্তু তাপিয়া বলছেন, ‘এখানে কোনো মিথ্যার আশ্রয় নেওয়া হয়েছে, এমনটা আপনি বলতে পারেন না। কারণ, এখানে (বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব উপলক্ষে) একটা নিয়মনীতি নির্ধারণ করা আছে, যেটার অধীনেই দক্ষিণ আমেরিকান অঞ্চলের সব ফুটবল ম্যাচ হয়। (লাতিন অঞ্চলের) প্রতিটি দেশের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষই একটা প্রটোকল অনুমোদন করেছে, যেটা আমরা পুরোপুরি মেনে চলেছি।

অন্যদিকে, আর্জেন্টিনা কোচ স্কালোনির দাবি, ওই চার খেলোয়াড় যে খেলতে পারবেন না, সেটা আর্জেন্টিনা দলকে ম্যাচের আগে জানানোই হয়নি! ‘আমাদের একবারও এমনটা বলা হয়নি যে আমরা ম্যাচটা খেলতে পারব না। আমরা ম্যাচটা খেলতে চেয়েছিলাম, ব্রাজিলের খেলোয়াড়েরাও চেয়েছিল,’ বলেছেন স্কালোনি।

আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যমে নিজের ও দলের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে আর্জেন্টিনা কোচ বলেছেন, ‘আমি এখানে এসেছি যাতে আমাদের দেশের মানুষ জানতে পারে যে আসলে কী হয়েছে। পুরো ঘটনায় আমি খুব হতাশ হয়েছি। আমি এখানে দায়টা কার, সেটা বের করতে বসিনি। যদি কিছু ঘটে থাকে বা হওয়ার কথা ছিল কিন্তু হয়নি—এমন কিছু যদি থেকেও থাকে, সেটা নিয়ে এ রকম ব্যবস্থা নেওয়ার যথোপযুক্ত সময় নিশ্চয়ই এটা (ম্যাচ শুরু হওয়ার পরে) নয়।’

এর আগে টিভিতে দেখা গেছে, আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসিও আনভিসার কর্মকর্তাদের বলেছেন, ‘আমরা এখানে আছি তিন দিন হলো। তাহলে আপনার এ ব্যবস্থা এখন কেন নিচ্ছেন?’

মেসি-দি মারিয়ার আর্জেন্টিনা, নেইমার-কাসেমিরোর ব্রাজিল…এমন একটা ম্যাচ মানে তো তারকার ছড়াছড়ি। পুরো বিশ্ব কাল ম্যাচটার জন্য উন্মুখ ছিল। কিন্তু সেই ম্যাচের হলো এমন পরিণতি! স্কালোনিও হতাশ, ‘ম্যাচটা সবার জন্যই একটা উৎসবের উপলক্ষ হওয়ার কথা ছিল। বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়দের খেলা উপভোগ করার সুযোগ ছিল এটা।’ আর্জেন্টিনা দল যে মাঠ ছেড়ে ড্রেসিংরুমে ফিরে গেছে, সেটার ব্যাখ্যায় স্কালোনি বললেন, ‘আমি চাই আর্জেন্টিনার মানুষ যেন এটা বোঝেন যে কোচ হিসেবে আমার খেলোয়াড়দের নিরাপত্তার দিকটি দেখতেই হতো, ওদের আগলে রাখতে হতো।

চীনে একটি প্রাচীন সমাধিক্ষেত্র থেকে ৯ হাজার বছরের পুরোনো মাটির পাত্রের সন্ধান পেয়েছেন প্রত্নতত্ত্ববিদেরা। এই পাত্রগুলো পানীয় পানে ব্যবহার করা হতো বলে মনে করছেন গবেষকেরা। সমাধিক্ষেত্রে পাত্রগুলো পাওয়ায় প্রাচীনকালে মৃত ব্যক্তিদের সম্মানে পানীয় পানের চল ছিল বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম ইনডিপেনডেন্ট-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ ঝিজিয়াংয়ের কিয়াওতো শহরে পাত্রগুলোর সন্ধান পান একদল গবেষক। মাটির পাত্রগুলো একটি টিলার মধ্যে ছিল। টিলার চারপাশে রয়েছে খাদ। প্রাচীনকালে এখানে মানুষকে সমাহিত করা হতো।

গবেষকদের মধ্যে ছিলেন জিয়াজিং ওয়াং। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ডার্টমাউথ কলেজের শিক্ষক। তিনি এই আবিষ্কারকে প্রাচীনকালে ‘সামাজিক সম্পর্কের’ অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন। তাঁদের গবেষণা প্রবন্ধটি গত সপ্তাহে প্রকাশিত হয়েছে প্লস ওয়ান নামের একটি আন্তর্জাতিক সাময়িকীতে। এই বিষয়ে এক বিবৃতিতে বিজ্ঞানীরা বলেছেন, ৯ হাজার বছরের পুরোনো এ রকম কোনো মাটির পাত্র এর আগে অন্য কোথায় পাওয়া যায়নি।

গবেষণা নিবন্ধে বলা হয়েছে, পাত্রগুলো খুব বেশি বড় নয়। ২০টি পাত্রের মধ্যে ৭টির গলা লম্বা। এগুলো ‘হু পাত্রের’ মতো, যা পানীয় পানের জন্য মানুষ আগে ব্যবহার করত। ওই মাটির পাত্রগুলো থেকে প্রাচীন জীবাশ্ম নমুনাও সংগ্রহ করেছেন গবেষকেরা। এই নমুনা পরীক্ষা করে দেখেছেন তাঁরা। পরীক্ষার পর পাত্রের ভেতর ভাতের শাঁস, লতাপাতার মিশ্রণ ও অন্যান্য গাছগাছালির উপাদান খুঁজে পেয়েছেন তাঁরা। প্রাচীনকালে পানীয় তৈরির জন্য এগুলো ব্যবহৃত হতো। গবেষকেরা বলছেন, পাত্রের ভেতর এগুলো প্রাকৃতিকভাবে উৎপন্ন হয়নি। পাত্রগুলোতে অ্যালকোহল অবশ্যই ছিল। পূর্ব এশিয়ায় ভাত পচিয়ে অ্যালকোহল তৈরির চল রয়েছে।

ওয়াং এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমাদের গবেষণায় দেখা গেছে, মাটির পাত্রগুলো পানীয় রাখার কাজে ব্যবহৃত হতো। এই পানীয় সাধারণত ভাত পচিয়ে তৈরি করা হতো।’ তিনি আরও বলেন, ৯ হাজার বছর আগে এই রকম পানীয় তৈরি খুব একটা সহজ ছিল না। কারণ, সে সময় ধান চাষ খুবই প্রাথমিক পর্যায়ে ছিল।

গবেষকেরা মনে করেন, ওই সময়কার অধিকাংশ অধিবাসী শিকারের ওপর নির্ভরশীল ছিল। বিশেষ রীতি মেনে চলতে হয়তো তারা পানীয় তৈরি করত।

করোনা মোকাবিলায় ঋণ পরিশোধে ঋণগ্রহীতাদের নতুন করে আবারও বড় ছাড় দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, কোনো ঋণগ্রহীতা তাঁর চলতি বছরের ঋণের কিস্তির ২৫ শতাংশ পরিশোধ করলেই ওই ঋণকে খেলাপি করা যাবে না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এ সিদ্ধান্তের ফলে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে আর কোনো ঋণ খেলাপি হবে না। কারণ, ডিসেম্বরের শেষ দিন পর্যন্ত এই সুবিধা নেওয়া যাবে। ব্যবসায়ীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গত বৃহস্পতিবার এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে তা প্রকাশ করা হয়েছে গতকাল শুক্রবার।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের নেতিবাচক প্রভাব প্রলম্বিত হওয়ায় চলমান অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের গতিশীলতা বজায় রাখা এবং বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহের গতিধারা স্বাভাবিক রাখার মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও রপ্তানি বাণিজ্য সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ঋণের কিস্তির ২৫ শতাংশ জমা দেওয়ার পর কিস্তির বাকি ৭৫ শতাংশ পরবর্তী এক বছরের মধ্যে জমা দিতে হবে। এ ছাড়া অন্যান্য কিস্তি যথাসময়ে পরিশোধ করতে হবে।

এর আগে ৩০ জুন পর্যন্ত শর্তসাপেক্ষে ঋণ পরিশোধের সীমা বেঁধে দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। তখন বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছিল, ঋণ বা ঋণের যেসব কিস্তি ৩০ জুনের মধ্যে বকেয়া হবে, সেসব ঋণ বা ঋণের কিস্তির কমপক্ষে ২০ শতাংশ ৩১ আগস্টের মধ্যে পরিশোধ করলে ওই ঋণ খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত হবে না। তবে ৩০ জুন পর্যন্ত ঋণ বা ঋণের কিস্তির বকেয়া অংশ সর্বশেষ কিস্তির সঙ্গে পরিশোধ করতে হবে। তার আগে গত ১ জানুয়ারি পর্যন্ত নিয়মিত যেসব ঋণের কিস্তি মার্চ পর্যন্ত বকেয়া ছিল, সেগুলো ৩০ জুনের মধ্যে ব্যাংক গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে পরিশোধ করলে ওই সব ঋণ খেলাপি করা যেত না।

করোনায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির হয়ে পড়ায় দেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই, পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএসহ ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো ঋণ পরিশোধের সময় বাড়ানোর দাবি করে আসছিল বরাবরই। সম্প্রতি তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকেরা এ বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত ঋণ শ্রেণিকরণ না করার অনুরোধ জানান। পাশাপাশি ঋণ পরিশোধে ব্যর্থতায় পুনঃতফসিলীকরণের অনুরোধও জানিয়েছেন তাঁরা। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবিরের কাছে এক চিঠির মাধ্যমে এ অনুরোধ জানান বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসান।

এদিকে, ঋণ খেলাপি না করতে নানা ছাড় দেওয়ার পরও সম্প্রতি খেলাপি ঋণ বাড়তে শুরু করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত মার্চে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ ছিল ৯৪ হাজার ২৬৫ কোটি টাকা। গত জুনে তা বেড়ে হয়েছে ৯৮ হাজার ১৬৪ কোটি টাকা। তাতে তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩ হাজার ৮৯৯ কোটি টাকা।

করোনা সংক্রমণে ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ২০২০ সালের পুরো সময় ঋণ পরিশোধে বিশেষ সুবিধা পেয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এ কারণে ঋণের কিস্তি পরিশোধ না করেও কেউ খেলাপি হননি ওই সময়ে।

 

মৌসুমি বৃষ্টিপাতে ডুবে গেছে চট্টগ্রাম শহরের অধিকাংশ এলাকা। গতকাল মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে থেমে থেমে মাঝারি বৃষ্টি শুরু হচ্ছিল। আজ বুধবার সকালের দিকে তা ভারী বৃষ্টিতে রূপ নেয়। এ কারণে ভোগান্তিতে পড়েন নগরের অফিসগামী মানুষ।

 

চট্টগ্রামের পতেঙ্গা আবহাওয়া দপ্তরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আজ সকাল নয়টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ২৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। আর নগরের আমবাগান আবহাওয়া দপ্তর বলেছে, একই সময়ের ব্যবধানে সেখানে ৬০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

পতেঙ্গা আবহাওয়া দপ্তরের আবহাওয়াবিদ শেখ ফরিদ আহমদ বলেন, আমবাগানকেন্দ্রিক এলাকাগুলোয় বৃষ্টির পরিমাণ বেশি ছিল। তিনি আরও বলেন, কোনো সতর্কসংকেত নেই। মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বৃষ্টি হচ্ছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।

গতকাল মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত বৃষ্টির কারণে চট্টগ্রাম নগরের জামালখান বাই লেন, রহমতগঞ্জ, কাপাসগোলা, ডিসি রোড, ষোলশহর, বাকলিয়া, হালিশহর, আগ্রাবাদ সিডিএ আবাসিক এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় কোথায় হাঁটু, কোথাও কোমরপানি জমেছে। এ কারণে সকালে ভোগান্তিতে পড়তে হয় অফিসগামী মানুষের।

চট্টগ্রামে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা সম্পদ দে। তিনি আজ সকাল পৌনে নয়টায় জামালখান বাই লেনের বাসা থেকে অফিসের উদ্দেশ্যে বের হন। কিন্তু বাই লেনের সেতুর কাছে পানি জমে থাকায় আটকে যান তিনি। এরপর তিনি একটি ভিডিও ফেসবুকে শেয়ার করেন। এর ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘জামালখান বাই লেনে আমাদের বাসার গলিতে বুকসমান পানি। স্মরণকালের রেকর্ড পরিমাণ পানি জমেছে এখানে। বাসার নিচতলা ডুবুডুবু হয়েছে। চট্টগ্রাম শহরের হেলদি ওয়ার্ডখ্যাত জামালখান ওয়ার্ডে এই জলাবদ্ধতা বিগত দিনে দেখিনি।’

সম্পদ দে বলেন, ‘প্রথম চেষ্টায় অফিস যেতে পারিনি। বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতা কিছুটা কমার পর এখন সোয়া ১০টায় বের হচ্ছি অফিসের উদ্দেশে।’

এ প্রসঙ্গে নগরের ডিসি রোডের বাসিন্দা সাহেদ মুরাদ বলেন, ডিসি রোডে হাঁটুপানি জমেছে। পাশের খালের পানিতে সড়ক ডুবে গেছে। চকবাজার ধোনির পুল থেকে ডিসি রোড যাওয়ার মুখে পানি প্রায় কোমরসমান। মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে। রিকশা ছাড়া অন্য যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

 

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নামে ১১ মামলার শুনানির জন্য আগামী ২০ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ এ আদেশ দেন।

 

খালেদা জিয়ার নামে থাকা ১১ মামলার মধ্যে রাজধানীর দারুস সালাম থানায় ৮টি, যাত্রাবাড়ী থানায় ২টি ও রাষ্ট্রদ্রোহের ১টি মামলা রয়েছে।

 

ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে সরকারি কৌঁসুলি তাপস কুমার পাল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, করোনা সংক্রমণের কারণে আদালতের স্বাভাবিক বিচারকাজ স্থবির হয়ে পড়েছে। তবে এখন আদালতের কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়েছে। আদালত খালেদা জিয়ার নামে করা ১১ মামলার শুনানির জন্য ২০ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন।

 

বর্তমানে এসব মামলা ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন। মামলাগুলো অভিযোগ গঠনের শুনানির পর্যায়ে রয়েছে।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

 

 

গতকাল সোমবার সকাল থেকে আজ মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত সময়ে এসব ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। ডিএমপির গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগ এ তথ্য জানিয়েছেন।

 

 

 

পুলিশ বলছে, গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের কাছ থেকে ৪৮৮ গ্রাম হেরোইন, ৯ কেজি গাঁজা, ২ হাজার ২২৫টি ইয়াবা বড়ি ও ১ গ্রাম আইস উদ্ধার করা হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে এসব আসামির বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় ৪৩টি মামলা হয়েছে।

 

 

পুলিশ বলেছ, নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদকসহ আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়।

 

চিত্রনায়িকা পরীমনির সঙ্গে যা হচ্ছে, তা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেছেন তাঁর নানা শামসুল হক গাজী। সাবেক এই স্কুলশিক্ষক বলেন, তাঁর নাতনি ষড়যন্ত্রের শিকার। এটা গোটা দেশ এখন জানে।

 

৪ আগস্ট পরীমনির বনানীর বাসা কয়েক ঘণ্টা ঘিরে রেখে অভিযান চালায় র‌্যাব। ঘেরাওয়ের মধ্যে পরীমনি ফেসবুক লাইভে এসে বলেন, দিনদুপুরে কে বা কারা তাঁর বাসায় আক্রমণ চালাচ্ছে। তিনি এ সময় পুলিশের সহায়তা চান। অন্যদিকে র‌্যাব দাবি করে, এই অভিনেত্রীর বাসায় ‘অভিযান’ চালিয়ে তাঁরা বিপুল পরিমাণ মদ ছাড়াও এলএসডি ও আইসের মতো মাদক উদ্ধার করেছেন। পরে র‍্যাব বাদী হয়ে বনানী থানায় মামলাও করে। সেই মামলা এখন পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তদন্ত করছে।

 

 

এর আগে গত ১৩ জুন পরীমনি ঢাকা বোট ক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য নাসির ইউ মাহমুদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা মামলা করেন। এরপর থেকেই পরীমনি ছিলেন আলোচনায়।

র‌্যাবের করা মামলায় তৃতীয় দফায় রিমান্ড শেষে গতকাল পরীমনিকে আদালতে হাজির করে সিআইডি। পরে আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। রোববার দিনভর চেষ্টার পরও পরীমনির বিরুদ্ধে করা মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে সিআইডি কর্মকর্তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এই প্রেক্ষাপটে কথা বলা হয় পরীমনির নানা শামসুল হক গাজীর সঙ্গে।

 

 

শামসুল হক গাজী বলেন, ‘দেশের আশি ভাগ মানুষ জানে পরীমনিকে হয়রানি করছে। এটা তো আমার কথা না। সবাই তাই বলছে। সবারই একই কথা। অযথা হয়রানি। ষড়যন্ত্র করে তাকে হেনস্তা করছে এটা সবাই বলছে।’ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেছেন, তারা তাদের মতো কাজ করে যাচ্ছে। আইনজীবীর সঙ্গে পরীমনিকে কথা বলতে দেওয়া হয়নি। এতে তাঁর অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছে।

 

 

এত দিনে মাত্র একবার নাতনির সঙ্গে কথা বলতে পেরেছেন বলে জানান শামসুল হক গাজী। প্রথম যেদিন পরীমনিকে আদালতে হাজির করা হয়, সেদিন তিনিও আদালতে উপস্থিত হয়েছিলেন। পরীমনি তাঁকে বলেছেন, নানুভাই তুমি কোনো দুশ্চিন্তা কোরো না। ঠিকমতো খাওয়াদাওয়া করো। নিজের বিষয়ে পরীমনি কিছুই বলেননি।

 

পরীমনির কষ্ট হলেও নানার কাছে লুকাবেন, কারণ তিনি সব সময় নানার সুস্থতার কথা চিন্তা করেন—এমন ধারণা শামসুল হক গাজীর। কারাগার থেকে ফোনে কথা বলার সুযোগ আছে এ বিষয়টি শামসুল হক গাজীর জানা। তবে এখনো পর্যন্ত নাতনির ফোন আসেনি। তিনি আছেন অপেক্ষায়।

 

আড়াই বছর বয়সে মা হারানোর পর থেকে পরীমনিকে কোলেপিঠে করে বড় করেছেন এই নানা। ২০১৭ সালের ১৮ জুন বাবা দিবসে পরীমনি ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছিলেন। ওই পোস্টে তিনি লেখেন, শামসুল হক গাজী তাঁকে জন্ম দেননি, তবে তিনিই তাঁর বাবা। পরীমনি লেখেন, ‘আজ সত্যি যদি বলি আমার বাবা হলেন আমার নানুভাই শামসুল হক গাজী। ওহ একটা মজার বিষয় বলি, অনেকেরই আমার নাম নিয়ে কৌতূহল দেখেছি। আসল নাম, ডাকনাম, কে রেখেছে ইত্যাদি ইত্যাদি…আমার সার্টিফিকেট নাম শামসুন্নাহার স্মৃতি। শামসুন মানে সূর্যের আলো। নানুভাইয়ের নামের সাথে মিল করে এই নাম।’

শামসুল হক গাজী গতকাল  বলেন, ‘আমার কাছে একদিকে পৃথিবী আরেক দিকে পরী। ও–ই আমার পৃথিবী।’ তিনি বলেন, তাঁর নাতনি উপার্জন করেছেন, কিন্তু সবটাই ব্যয় করেছেন ‘জনহিতকর কাজে’। প্রতিবছর এফডিসিতে দুস্থ শিল্পীদের জন্য কোরবানি দেন পরীমনি। অনাথাশ্রমে জন্মদিন পালন করেছেন। নিজের ঘরবাড়ি নেই। তিনি থাকতেন ভাড়া বাসায়। আর কিছুদিন পরপর নানাকে নিজের কাছে নিয়ে আসতেন। এবার নানা এসেছিলেন ২১ রমজানে। পরীমনি ঝামেলায় পড়ায় আর পিরোজপুরের বাড়িতে ফিরতে পারেননি। পরীমনি নেই, তাই ঘর নীরব। তিনি তাঁর নাতনির ঘরে ফেরার অপেক্ষায় আছেন। এই মুহূর্তে প্রার্থনা করা ছাড়া তাঁর আর কিছুই করার নেই।

 

শাকিব খান প্রায়ই বলেন, নায়করাজ রাজ্জাক তাঁর একজন অভিভাবক।

 

শাকিবের অভিনয় ও ব্যক্তিজীবনের যেকোনো দুঃসময়ে তিনি ছায়ার মতো পাশে ছিলেন। সাহস ও প্রেরণা জুগিয়েছেন। শাকিব খানের সেই অভিভাবক, বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের অভিভাবক নায়করাজ রাজ্জাকের মৃত্যুর আজ চার বছর অতিক্রান্ত হচ্ছে। দিনটিতে তাঁকে স্মরণ করে ফেসবুকে একটি স্মৃতিকথা লিখেছেন শাকিব খান।

শাকিব খান লিখেছেন, ‘নায়করাজ রাজ্জাক ছিলেন আমার মাথার ওপর সুবিশাল আকাশ। ছায়ায় ও মায়ায় আগলে রেখে ভালোবাসা ও পরামর্শ দিতেন। অনেক দিন দেখা না হলেও কীভাবে যেন বুঝে যেতেন কিসের মধ্যে আছি, এটাই বুঝি আত্মার সম্পর্ক!

বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের সেরা নায়ক হিসেবে ধরা হয় নায়করাজ রাজ্জাককে। দেশের চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি এই অভিনেতা ২০১৭ সালের ২১ আগস্ট মারা যান। চার বছর আগের এদিন বিকেল পাঁচটার দিকে অসুস্থ বোধ করলে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেদিন গুলশানের একটি হাসপাতালে সন্ধ্যায় তিনি মারা যান।

রাজ্জাকের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে শেষ হয় বাংলা চলচ্চিত্রের একটি বর্ণাঢ্য অধ্যায়। গত শতাব্দীর পঞ্চাশের দশক থেকে যাঁদের হাত ধরে আমাদের দেশে শিশু চলচ্চিত্র দাঁড়ানোর চেষ্টা করছিল, তাঁদের মধ্যে উজ্জ্বল এক নাম রাজ্জাক। দীর্ঘ অভিনয়জীবনের অভিজ্ঞতা দিয়ে তিনি জয় করেছিলেন এ দেশের চলচ্চিত্রপ্রেমী মানুষের হৃদয়।

 

 

 

শাকিব খান লিখেছেন, ‘দেশের চলচ্চিত্রশিল্পের কয়েক প্রজন্মের কাছে তিনি আইকনিক অধ্যায়। একটা সময় আমাদের দেশে ভিনদেশি সিনেমার প্রভাব ছিল। তখন যাঁর আবির্ভাব হয়, তিনি নায়করাজ রাজ্জাক। তিনি তাঁর অভিনয় দিয়ে দর্শকদের বাংলা সিনেমামুখী করেছিলেন। নিজেই তৈরি করেছিলেন এক স্বতন্ত্র অবস্থান। অভিনয়দক্ষতায় সব ধরনের মানুষের কাছে নায়কদের শিরোমণি হয়ে উঠেছিলেন নায়করাজ রাজ্জাক। তাই কোটি বাঙালির হৃদয়ে আজও তিনি বেঁচে আছেন। যত দিন বাংলাদেশ থাকবে, বাংলাদেশের সিনেমা থাকবে, তত দিনই তিনি আমাদের সবার হৃদয়ে অহংকার হয়ে থাকবেন।

 

নায়করাজ রাজ্জাকের জন্ম ১৯৪২ সালের ২৩ জানুয়ারি। অবিভক্ত ভারতের কলকাতার কালীগঞ্জের নাকতলায় তিনি জন্মেছিলেন। তাঁর আট বছর বয়সে বাবা আকবর হোসেন ও মা নিসারুন্নেসা দুজনই মারা যান। তিন ভাই, তিন বোনের সংসারে বড়রা রাজ্জাককে বুঝতেই দেননি মা–বাবার শূন্যতা। ছোটবেলায় পড়তেন খানপুর হাইস্কুলে। এ কথা এখন অনেকেই জানেন যে কৈশোরে রাজ্জাকের ইচ্ছা ছিল ফুটবলার হওয়ার। গোলরক্ষক হিসেবে খেলতেন ভালো। বিভিন্ন পাড়ায় ভাড়া করেও নিয়ে যাওয়া হতো তাঁকে।

রাজ্জাক যে পাড়ায় থাকতেন, সে পাড়ায়ই থাকতেন ছবি বিশ্বাস (‘কাঞ্চনজঙ্ঘা’, ‘জলসাঘর’সহ অসংখ্য বাংলা ছবির শক্তিমান অভিনেতা), সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়ের মতো অভিনয়শিল্পীরা। ছবি বিশ্বাস বিপুল উৎসাহ নিয়ে আবৃত্তি শেখাতেন পাড়ার শিশু-কিশোরদের। রাজ্জাকও তাঁর কাছে আবৃত্তি শিখেছেন।

মেসিকে পেয়ে উচ্ছ্বসিত পিএসজি তাড়াহুড়া করতে চায় না তাঁকে নিয়ে। আগস্টের একদম শেষ ম্যাচে তাঁকে মাঠে নামানোর পরিকল্পনা কোচ মরিসিও পচেত্তিনো। লিগে প্রথম ম্যাচে তো সুযোগ ছিলই না, পরের দুটি ম্যাচেও মেসিকে স্কোয়াডে রাখেননি কোচ। গতকাল ব্রেস্তের বিপক্ষে ৪-২ ব্যবধানে জেতা ম্যাচেও স্কোয়াডে ছিলেন না মেসি। ছিলেন না নেইমারও। আর এ সুযোগটাই নিয়েছেন দুজন। কাল দুই তারকাকেই বার্সেলোনা বিমানবন্দরে দেখা গেছে।

 

দুই তারকা অবশ্য একসঙ্গে ভ্রমণ করেননি। প্রাইভেট জেটে উড়াল দেওয়া দুজন নেমেছেন কিছুটা সময়ের ব্যবধানে। যদিও দুজনের গন্তব্য ছিল এক।

স্তেলদেফেলসে লুইস সুয়ারেজ ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে ডিনার করেছেন দুজন। লুইস সুয়ারেজ অবশ্য ছুটিতে নেই। আগামীকাল রোববার এলসের বিপক্ষে আতলেতিকো মাদ্রিদের জার্সিতে মূল একাদশে থাকার কথা তাঁর। তবে প্রিয় দুই বন্ধুর সঙ্গে দেখা করার জন্য ছুটি মিলেছিল তাঁর।

 

একসময় ইউরোপজুড়ে আতঙ্ক জাগানো এমএলএস-ত্রয়ী মাঠের বাইরেও দারুণ বন্ধু। এর আগেও যখন নেইমার বার্সেলোনা ছেড়ে গিয়েছিলেন, সেই সাড়া জাগানো দলবদলের পরপরই বার্সেলোনায় এসে মেসি-সুয়ারেজদের সঙ্গে সময় কাটিয়ে গিয়েছিলেন। বার্সেলোনার সঙ্গে চলা মামলার ঝামেলার সময়টাতেও এই অভ্যাসের ব্যত্যয় হয়নি।

সময়ের পালাবদলে এখন কেউই বার্সেলোনার নন। নেইমার চলে গেছেন ২০১৭ সালে। মেসির দুঃখ বাড়িয়ে ২০২০ সালে আতলেতিকোতে যেতে হয়েছে সুয়ারেজকে। আর এবার তো মেসিই চলে গেলেন শৈশবের ক্লাব ছেড়ে। তবু আরও একবার এমএসএনের দেখা তো মিলল বার্সেলোনায়। হোক না সেটা খাবারের টেবিল!

প্যারিসের জীবনে এখনো গুছিয়ে ওঠেননি মেসি। বাড়ি কিনবেন, নাকি ভাড়া করবেন, সে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে আপাতত হোটেলে থাকছেন। তবে মেসির এই ভ্রমণের উদ্দেশ্য নাকি বার্সেলোনার জীবন গুটিয়ে ব্যক্তিগত সব জিনিসপত্র প্যারিসে নিয়েযাওয়া।

 

 

এডিটঃ কানিজ ফাতেমা।

 

বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা 

বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা

বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা

বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা 

খুব কষ্ট হচ্ছে, আমি তো পাগল হয়ে যাব: ক্ষুব্ধ পরীমনি

 

কেন আমার জামিন আবেদন করলেন না। আমি তো পাগল হয়ে যাব। আপনারা জামিন চান, আপনারা আমার সঙ্গে কী কথা বলবেন? আপনারা বুঝতেছেন, আমার কী কষ্ট হচ্ছে? আইনজীবীর উদ্দেশে কথাগুলো বলেছেন পরীমনি। কথা বলার সুযোগ পেয়ে আইনজীবীর উদ্দেশে এভাবেই কথাগুলো বলেন পরীমনি। সরেজমিনে দেখা যায়, বিচারক এজলাসকক্ষ ত্যাগ করার পর পরীমনির কাছে যান তাঁর আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত। তখন তাঁকে দেখে পরীমনি ক্ষুব্ধ কণ্ঠে এসব বলেন।

 

শুনানি শেষে পরীমনির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘পরীমনিকে দফায় দফায় রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। আমরা বারবার বলছি, পরীমনি অসুস্থ। শারীরিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত পরীমনি আমাকে বলেছেন, তিনি পাগল হয়ে যাবেন।’

মাদক মামলায় গ্রেপ্তার চিত্রনায়িকা পরীমনিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত  আজ শনিবার এই আদেশ দেন। একটি প্রিজন ভ্যানে করে বেলা ৩টা ১৪ মিনিটে তাঁকে আদালতের হাজতখানা থেকে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়। এর আগে এক দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাঁকে আজ শনিবার বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে আদালতে হাজির করা হয়।

 

শুনানি শেষে পরীমনির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘পরীমনিকে দফায় দফায় রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। আমরা বারবার বলছি, পরীমনি অসুস্থ। শারীরিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত পরীমনি আমাকে বলেছেন, তিনি পাগল হয়ে যাবেন।’

মাদক মামলায় গ্রেপ্তার চিত্রনায়িকা পরীমনিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত  আজ শনিবার এই আদেশ দেন। একটি প্রিজন ভ্যানে করে বেলা ৩টা ১৪ মিনিটে তাঁকে আদালতের হাজতখানা থেকে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়। এর আগে এক দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাঁকে আজ শনিবার বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে আদালতে হাজির করা হয়।

 

এদিন বনানী থানায় মাদকদ্রব্য আইনের দায়ের করা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক কাজী গোলাম মোস্তফা পরীমনিকে তৃতীয় দফায় এক দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করেন। এরপর তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত পরীমনিকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। তদন্ত কর্মকর্তা কারাগারে আটক রাখার আবেদনে বলেন, ‘আসামি পরীমনি মামলার বিষয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেছেন। তাঁর দেওয়া তথ্য-উপাত্ত তদন্তের স্বার্থে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। মামলার তদন্ত সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তাঁকে কারাগারে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন বলে মনে করছি।’

 

প্রসঙ্গত, গত ৪ আগস্ট রাতে ৪ ঘণ্টার অভিযান শেষে বনানীর বাসা থেকে পরীমনি ও তাঁর সহযোগীকে আটক করে র‍্যাব। তাঁর বাসা থেকে বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয় বলে জানানো হয়। আটকের পর তাঁদের নেওয়া হয় র‍্যাব সদর দপ্তরে। পরে র‍্যাব-১ বাদী হয়ে মাদক আইনে পরীমনির বিরুদ্ধে মামলা করে।

 

 

 

 

 

 

এডিটঃ কানিজ ফাতেমা।

রিয়াল মাদ্রিদ এর দোকানে ডাকাতি

 

রিয়াল মাদ্রিদ এর অফিশিয়াল দোকান তাদের স্টেডিয়াম সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে। কাল সকালে এ দোকানে হামলা চালিয়েছে দুস্কৃতকারীরা। গাড়ি নিয়ে দোকানে ঢুকে লুটপাট চালানো হয়।

নিরাপত্তা ক্যামেরার ফুটেজ দেখে মাদ্রিদের পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করছে। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মার্কা জানিয়েছে, নম্বর প্লেট দেখে এই ডাকাতির ঘটনায় ব্যবহার করা গাড়িগুলো শনাক্ত করার চেষ্টা করছে পুলিশ।

স্পেনের ডিজিটাল অর্থনৈতিক সংবাদমাধ্যম ভোজপোপুলি জানিয়েছে, চোরের দল একটি গাড়ি নিয়ে দোকানের সামনের কাচ ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়ে।

হাতের কাছে তারা যা কিছু পেয়েছে, প্রায় সবই নিয়ে গেছে। ক্লাবের অফিশিয়াল টি–শার্ট, টুপি থেকে অন্যান্য পণ্য নিয়ে পালিয়ে যায় তারা। ভোর ৬টা নাগাদ এই ঘটনা ঘটে। প্রায় ১৫ মিনিট পর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় পুলিশ।

তাদের ভাষ্য, মোট তিনটি গাড়ি ব্যবহার করা হয়েছে এ কাজে। যে গাড়ি দিয়ে কাচ ভেঙে দোকানের ভেতরে ঢোকা হয়েছে, চোরের দল সেটি নিয়ে যায়নি। অন্য দুটি গাড়িতে তারা পালিয়েছে।

রিয়াল মাদ্রিদের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, দুই তলার এই দোকান ৭০০ বর্গমিটার জায়গা নিয়ে করা হয়েছে। রিয়ালের সবধরনের অফিশিয়াল পণ্য এখানে পাওয়া যায়।

 

 

ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো জানা না গেলেও রিয়ালের সূত্র মারফত ভোজপোপুলি জানিয়েছে, এ নিয়ে হিসাব কষছে ক্লাবটি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনটি গাড়িই চুরি করা হয়েছে। এরপর তা রিয়ালের অফিশিয়াল দোকানে ডাকাতির কাজে ব্যবহার করা হয়।

 

মাদ্রিদের পাসেও দে লা কাস্তেলেনায় অবস্থিত রিয়ালের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাব্যু। ২০১৯ সাল থেকে এই স্টেডিয়ামের সংস্কারকাজ চলছে। এতে দুই মৌসুম ধরে ঘরের মাঠের ম্যাচগুলো রিয়ালকে খেলতে হচ্ছে তাদের অনুশীলন মাঠ দ্য স্তেফানো স্টেডিয়ামে।

 

 

পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল মাদ্রিদ পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি রিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল মাদ্রিদ পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি

 

 

ধারণাতীত দ্রুততার সঙ্গে আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে তালেবান। ঘটনার আকস্মিকতায় বিস্মিত হয়েছেন বিশ্বের কূটনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকেরা। তালেবানের হাতে কাবুলের দখল চলে যাওয়ার পরপরই দেশগুলো আফগানিস্তানে থাকা তাদের কূটনীতিক ও নাগরিকদের দ্রুত ফিরিয়ে নেওয়া শুরু করে। আর ফেলে যায় আফগানিস্তানে তাদের দুই দশকের কাজ ও বিনিয়োগ।

তালেবানের জয় দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পাকিস্তান ও চীনের সঙ্গে ঐতিহাসিকভাবে উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্ক এবং সীমান্ত বিরোধের কারণে এটি ভারতকে বিশেষভাবে পরীক্ষায় ফেলতে পারে। কারণ, পাকিস্তান ও চীন আফগানিস্তানের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

আফগানিস্তান সীমান্তে পাকিস্তানের তেমন কড়াকড়ি নেই। তা ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে পাকিস্তান তার উত্তরের এ প্রতিবেশী দেশের বিষয়ে সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসছে। এখন চীনও আফগানিস্তানের বিষয়ে বেশ আগ্রহী হয়ে উঠেছে। গত মাসেই চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই জ্যেষ্ঠ তালেবান নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সেখানে তিনি এটা স্পষ্ট করেছেন, বেইজিং আর চুপ করে বসে থাকবে না (আফগানিস্তান ইস্যুতে)।

 

 

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ক্রমে বিকাশমান সম্পর্কে খুশি ছিল না পাকিস্তান। আফগানিস্তানের ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনির পাকিস্তানের সঙ্গে ‘ধরি মাছ না ছুঁই পানি’র মতো করে সম্পর্ক রাখাও ঠিকভাবে নিতে পারছিল না ইসলামাবাদ। পাকিস্তানের অর্থনৈতিক দুরবস্থাও তাদের মাথাব্যথার একটি কারণ
আফগানিস্তান ও সিরিয়ায় ভারতের নিযুক্ত সাবেক রাষ্ট্রদূত গৌতম মুখোপাধ্যায় বলেছেন, সম্ভাব্য ভূরাজনীতির এ চেহারা ‘সবকিছু ওলট–পালট করে দিতে পারে’।

পশ্চিমা বিশ্ব এবং ভারতের মতো অন্য গণতান্ত্রিক দেশগুলোর সঙ্গে আফগানিস্তান সরকারের যে মৈত্রী ছিল, তা খুব জোরালো ছিল না। কিন্তু খুব শিগগির সম্ভবত পাকিস্তান, রাশিয়া, ইরান ও চীনকে এ খেলার পরবর্তী অধ্যায়ে দেখা যাবে।

 

 

 

ভারতের অনেকেই একে দিল্লির পরাজয় এবং পাকিস্তানের বড় জয় হিসেবে দেখছেন। কিন্তু সাবেক ভারতীয় কূটনীতিক জিতেন্দ্র নাথ মিশ্র এভাবে ভাবতে নারাজ। তাঁর মতে, এটা খুব সরল ভাবনা। কারণ, পশতুন নেতৃত্বাধীন তালেবান কখনো আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের সীমান্তকে দুই দেশের সীমান্ত বলে বিবেচনা করে না। এটা ইসলামাবাদের জন্য সব সময় অস্বস্তির কারণ হয়ে আসছে। তিনি আরও বলেন, পাকিস্তান চাইবে তালেবান এটাকে সীমান্ত হিসেবে বিবেচনা করুক। এটিই হবে তাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।

 

তবে এটাও সত্য, আফগানিস্তানে তালেবানের শাসন পাকিস্তানকে ভারতের বিরুদ্ধে কৌশলগত সুবিধা দেয়। ওয়াশিংটনভিত্তিক থিঙ্কট্যাংক উইলসন সেন্টারের উপপরিচালক মাইকেল কুগেলমান বলেন, ইসলামাবাদ সব সময় যা চেয়েছিল, তা-ই পেয়েছে। তারা চেয়েছিল আফগানিস্তানে এমন একটি সরকার, যাদের সহজেই প্রভাবিত করতে পারবে। তিনি আরও বলেন, পাকিস্তানের কর্তাব্যক্তিরা এ ঘটনাকে ভারতের পরাজয় হিসেবে দেখাতে পারেন। কিন্তু এরপরও পাকিস্তানের আরও বড় কৌশলগত কিছু বিষয় থাকবে। এ মুহূর্তে তারা সত্যিই নিজেদের ওই অঞ্চলের সবচেয়ে বড় বিজয়ী হিসেবে দেখছে।

 

 

 

ওয়াশিংটনভিত্তিক থিঙ্কট্যাংক উইলসন সেন্টারের উপপরিচালক মাইকেল কুগেলমান বলেন, ইসলামাবাদ সব সময় যা চেয়েছিল, তা-ই পেয়েছে। তারা চেয়েছিল আফগানিস্তানে এমন একটি সরকার, যাদের সহজেই প্রভাবিত করতে পারবে
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ক্রমে বিকাশমান সম্পর্কে খুশি ছিল না পাকিস্তান। আফগানিস্তানের ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনির পাকিস্তানের সঙ্গে ‘ধরি মাছ না ছুঁই পানি’র মতো করে সম্পর্ক রাখাও ঠিকভাবে নিতে পারছিল না ইসলামাবাদ। পাকিস্তানের অর্থনৈতিক দুরবস্থাও তাদের মাথাব্যথার একটি কারণ।

এখন নিজেদের জয়ী ভাবার একটা উপলক্ষ পেয়েছে ইসলামাবাদ। কারণ, আফগানিস্তান ইস্যুতে চীনের সঙ্গে তাদের বন্ধুত্ব কাজে লাগবে। এ ছাড়া বেইজিংও এখন আর নিজেদের শক্তি দেখাতে রাখঢাক রাখছে না। ভারতীয় কূটনীতিক জিতেন্দ্র নাথ মিশ্র বলেন, চীন এখন নিজেদের মতো করে খেলবে।

 

 

 

আফগানিস্তানে অর্থনৈতিক স্বার্থও রয়েছে চীনের। দেশটির খনিজ সম্পদ চীনের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে সাহায্য করতে পারে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো চীন তালেবানকে ইস্ট তুর্কিস্তান ইসলামিক মুভমেন্ট (ইটিআইএম) নিষিদ্ধ করার জন্য চাপ প্রয়োগ করতে পারে। চীনের মুসলিম–অধ্যুষিত জিনজিয়ানে বিশৃঙ্খলার জন্য ইটিআইএমকে দায়ী করে আসছে চীন। ধারণা করা হয়, আফগানিস্তান থেকেই কার্যক্রম পরিচালনা করে এ ধর্মীয় সংগঠন।

গৌতম মুখোপাধ্যায় বলেন, আফগানিস্তানে চীন ও পাকিস্তান একে অন্যের ঘাড়ে চড়ে বসতে পারে। তিনি বলেন, অতীতের অন্যান্য বিশ্বশক্তির মতো কোনো ফাঁদে না পড়ার বিষয়ে বেইজিংকে সতর্ক থাকতে হবে।

 

শুধু চীন, পাকিস্তান নয়; রাশিয়া ও ইরানও একই পথে হাঁটছে বলে মনে করা হচ্ছে। এই দুই দেশ আফগানিস্তান থেকে এখনো তাদের দূতাবাস সরিয়ে নেয়নি। উভয় দেশের কূটনীতিকেরা এখনো কাবুলে কাজ করছেন।

প্রশ্ন হচ্ছে, এ পরিস্থিতিতে ভারত কী করবে? আফগানিস্তানে ভারত কখনোই পাকিস্তান, যুক্তরাষ্ট্র বা রাশিয়ার মতো প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি। যদিও দিল্লি বরাবরই নিরাপত্তা ও সাংস্কৃতিক বন্ধন উন্নয়নে কাজ করে গেছে। হাজার হাজার আফগান বর্তমানে পড়াশোনা, কাজ বা চিকিৎসার জন্য ভারতে রয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে শীর্ষ পর্যায়ের এক বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, বর্তমানে ভারতে থাকা আফগান নাগরিকদের সব রকমের সাহায্য করা হবে। দেখা হবে কেউ যেন অসহায় বোধ না করে। ওই বৈঠকে স্পষ্ট হয়, এ মুহূর্তে ঘটনাবলির দিকে নজর রাখা ছাড়া ভারতের করার কিছুই নেই।

 

 

 

এদিকে পাকিস্তানের যে পথ ধরে ভারত ও আফগানিস্তানের মধ্যে পণ্য আদান-প্রদান হয়ে থাকে, কাবুলের পতনের পর থেকেই তা বন্ধ রয়েছে। তালেবান নেতাদের হুকুমেই এ নিষেধাজ্ঞা। ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান এক্সপোর্ট অর্গানাইজেশনের পরিচালক অজয় সহায় এ কথা জানিয়েছেন। সংবাদ সংস্থাকে তিনি বলেছেন, দুবাই হয়ে কিছু পণ্যের বাণিজ্য হয়। সেই পথ অবশ্য এখনো খোলা রয়েছে।
মিশ্র বলেন, দিল্লির হাতে এখন আর কোনো ভালো সুযোগ নেই। এখন যা আছে, তা খারাপ এবং ভবিষ্যতে আরও খারাপ হবে।

ভারত সবচেয়ে বড় যে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবে, তা হচ্ছে তারা তালেবানকে স্বীকৃতি দেবে কি না। এ সিদ্ধান্ত নেওয়া তাদের জন্য কঠিন হবে। বিশেষ করে মস্কো ও বেইজিং যদি তালেবানকে স্বীকৃতি দিয়ে দেয়, তখন বিষয়টা আরও কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাকিস্তান ১৯৯৯ সালের পথেই পা বাড়াবে। তালেবান সরকার গঠন করলে তাদের স্বীকৃতি দিয়ে দেওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

 

 

 

যুক্তরাজ্যের ল্যানচেস্টার ইউনিভার্সিটির রাজনীতির অধ্যাপক অমলেন্দু মিশ্র আফগানিস্তানের ওপর একটি বই লিখেছেন। তিনি বলেন, ভারতকে এখন একটি ‘কূটনৈতিক রশি’র ওপর হাঁটতে হবে। কাশ্মীরের বিরোধপূর্ণ অঞ্চলটি মুজাহিদদের পরবর্তী ঘাঁটিতে পরিণত হবে না—ভারতকে এটি নিশ্চিত করতে কৌশলী হতে হবে
এ মুহূর্তে ভারতের সামনে সবচেয়ে ভালো যে সুযোগ, তা হলো তালেবানের সঙ্গে যোগাযোগের রাস্তা খোলা রাখা। কিন্তু এটা খুব সহজ সম্পর্ক হবে না। দিল্লি ও তালেবানের অতীত ইতিহাস তা-ই বলে। ১৯৯৯ সালে ইন্ডিয়ান এয়ারলাইনসের একটি বিমান ছিনতাইকারীদের পালানোর নিরাপদ পথ তৈরি করে দিয়েছিল তালেবান। ওই ঘটনা এখনো ভারতীয়দের স্মৃতিতে ভেসে ওঠে। এরপর ১৯৯৬ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত তালেবানের বিরুদ্ধে লড়াই করা একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখে দিল্লি।

তবে নিজেদের স্বার্থরক্ষার্থেই ভারত ওই ঘটনা আপাতত চেপে রাখতে চাইবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেই তারা এমনটা করবে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে তালেবানের জয়ে অনুপ্রাণিত হয়ে জইশ-ই-মোহাম্মদ, লস্কর-ই-তাইয়েবার মতো জঙ্গি সংগঠন ভারতে হামলার পরিকল্পনা এবং তা বাস্তবায়ন করতে পারে।

 

 

 

যুক্তরাজ্যের ল্যানচেস্টার ইউনিভার্সিটির রাজনীতির অধ্যাপক অমলেন্দু মিশ্র আফগানিস্তানের ওপর একটি বই লিখেছেন। তিনি বলেন, ভারতকে এখন একটি ‘কূটনৈতিক রশি’র ওপর হাঁটতে হবে। কাশ্মীরের বিরোধপূর্ণ অঞ্চলটি মুজাহিদদের পরবর্তী ঘাঁটিতে পরিণত হবে না—ভারতকে এটি নিশ্চিত করতে কৌশলী হতে হবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতকে তালেবানের সঙ্গে কথা চালিয়ে যাওয়া দরকার। কিন্তু ভারতকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে তারা তালেবানবিরোধী গোষ্ঠীর সঙ্গে কতটুকু জড়াবে। আভাস পাওয়া গেছে, তালেবানের ওপর চাপ তৈরি করতে পশ্চিমারা একটি যুক্তফ্রন্ট গঠন করতে পারে। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ইতিমধ্যে পশ্চিমাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে তালেবানের জবাব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

 

 

 

এদিকে আফগানিস্তান যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন পশ্চিমা এবং চীন, রাশিয়া ও পাকিস্তানের মধ্যে আধিপত্যের লড়াইয়ের আরেকটি স্থান হয়ে উঠতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সুতরাং ভারতের হাতে আফগানিস্তান ইস্যুতে সহজ কোনো বিকল্প আপাতত নেই। কিন্তু ভারতের সিদ্ধান্তে ওপর অনেকটাই নির্ভর করছে আঞ্চলিক শান্তি এবং বৈশ্বিক ভূরাজনীতির পালাবদল।

 

 

পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি

পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনির 

পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি

পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি

পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি পসুয়ারেজের দাওয়াতে বার্সেলোনায় ফিরলেন মেসি-নেইমাররীমনি পরীমনি পরীমনি পরীমনি 

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ ৮ দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে তুরস্কে গেছেন।

 

বুধবার (১৮ আগস্ট) সকালে তুরস্কের উদ্দেশে তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) জানায়, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আট সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন।

 

আইএসপিআরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল শফিউদ্দিন আহমেদ তুরস্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রী, সহকারী প্রতিরক্ষামন্ত্রী, তুরস্কের ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিজের প্রেসিডেন্ট, তুর্কি সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ, ল্যান্ড ফোর্স কমান্ডার এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাগণের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। সাক্ষাৎকালে তিনি দু’দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যকার সম্পর্ক আরও জোরদার এবং পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করবেন।

 

এ সময় তিনি তুরস্কের সামরিক জাদুঘর, ওয়ার কলেজ, এ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ ও আর্মি এভিয়েশনসহ অন্যান্য ঐতিহাসিক স্থানসমুহ পরিদর্শন করবেন বলেও জানিয়েছে আইএসপিআর। এছাড়াও সফরকালে তিনি তুরস্কে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনে মত বিনিময় করবেন। সফর শেষে আগামী ২৬ আগস্ট সেনাবাহিনী প্রধানের দেশে ফিরে আসার কথা রয়েছে।

 

আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ
আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ
আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ
আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ
আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ
আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ
আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ
আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ
আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ
আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ আমির জুনায়েদ

 

বাংলাদেশের বেশ কয়েকজন ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) খেলার সুযোগ পেলেও সবচেয়ে সফল সাকিব আল হাসান ও মোস্তাফিজুর রহমান। এখানে খেলার ইতিবাচক দিকটি তুলে ধরেছেন কাটার মাস্টার।

তিনি মনে করেন,আইপিএল খেলাটা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট এ ভালো পারফর্ম করতে সহায়তা করে।

 

ক্রিকবাজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন মোস্তাফিজ।

 

আগামী ১৭ অক্টোবর শুরু হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ওমানে প্রাথমিক রাউন্ড খেলেই বাংলাদেশকে জায়গা পেতে হবে আরব আমিরাতের আসল লড়াইয়ে। তার আগে বাংলাদেশের দুই ক্রিকেটার মরুর বুকেই আইপিএল খেলে কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার বাড়তি সুযোগ পাচ্ছেন। মোস্তাফিজ বিশ্বাস করেন,আইপিএলের বাকি ম্যাচগুলোতে ভালো পারফরম্যান্স করলে তার আত্মবিশ্বাস আরও বেড়ে যাবে। তবে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অনুষ্ঠেয় পাঁচ টি-টোয়েন্টি খেলার পর অনাপত্তিপত্র পাওয়া সাপেক্ষেই সেখানে খেলতে যেতে পারবেন তিনি।

 

 

মঙ্গলবার ক্রিকবাজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মোস্তাফিজ বলেছেন, আমি ছন্দে আছি। আশা করি, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এই ছন্দ ধরে রাখতে পারবো। আইপিএলে খেলার সুযোগ পেলে সেখানেও এই ফর্ম ধরে রাখার চেষ্টা করবো। আমি মনে করি, আইপিএলে খেলার মাধ্যমে নিজের খেলার মান বাড়ানো যায়। কেননা সেখানে আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেটারদের বিপক্ষে খেলার সুযোগ পাওয়া যায়। আইপিএলে ভালো করতে পারলে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও পারফর্ম করা অনেক সহজ হয়ে যায়।

 

 

তাই বিশ্বকাপের আগে আইপিএল থেকে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে নিতে মুখিয়ে আছেন মোস্তাফিজ, বিশ্বের সেরা সেরা ক্রিকেটাররা আইপিএলে অংশ গ্রহণ করে। ওখানে ভালো করতে পারলে আত্মবিশ্বাস বেড়ে যাবে। সেটি করতে পারলে, বিশ্বকাপের আগে আমি অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী থাকবো।

 

সুয়ারেজের দাওয়াতে বার্সেলোনায় ফিরলেন মেসি-নেইমার

বসুন্ধরা গ্রুপ এর চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সায়েম সোবহান আনভীরসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য ও হুইপ সামশুল হক চৌধুরী ৫০০ কোটি টাকার মানহানি মামলা করেছেন।

বুধবার পটিয়া যুগ্ম জেলা জজ আদালতে এ মামলা করা হয়। হুইপের পক্ষে পটিয়া আইনজীবী সমিতির সভাপতি সিনিয়র অ্যাডভোকেট দীপক কুমার শীল মামলাটি করেন।
দীপক কুমার শীল একেটিভিকে বলেন, হুইপ সামশুল হকের বিরুদ্ধে বসুন্ধরা গ্রুপের পত্রিকা, অনলাইন ও টিভিতে প্রায় ১০০টির বেশি মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করা হয়েছে। এসব মিথ্যা সংবাদ পরিবেশনের কারণে সামাজিক ও রাজনৈতিক সম্মানহানির শিকার হয়েছেন তিনি। পাশাপাশি তার শারীরিক, মানসিক ও আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। এসব অভিযোগে মামলা করা হয়েছে।
মামলার বিবাদীরা হলেন—বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান শাহ আলম, ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক ও নিউজ টোয়েন্টিফোরের প্রধান নির্বাহী (সিইও) নঈম নিজাম, কালের কণ্ঠের সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন, ডেইলি সান পত্রিকার সম্পাদক ইনামুল হক চৌধুরী, বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রতিবেদক সাইদুর রহমান রিমন, রিয়াজ হায়দার, কালের কণ্ঠের প্রতিবেদক এস এম রানা, বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রতিবেদক মোহাম্মদ সেলিম ও বাংলা নিউজের সম্পাদক।
এজাহারে বলা হয়েছে, বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান ও তার ছেলে সায়েম সোবহান আনভীর ব্যক্তিগত আক্রোশে ও শত্রুতামূলকভাবে বাদী ও তার ছেলে নাজমুল করিম চৌধুরী শারুনের বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করে আসছে। একাধারে মিথ্যা ও মানহানিকর সংবাদ প্রকাশের বিরুদ্ধে তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে ক্ষতিপূরণ মামলা করেছেন।
তবে মামলা সম্পর্কে জানতে হুইপ সামশুল হক চৌধুরীর মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও যাত্রাবাড়ী এলাকায় গতকাল মঙ্গলবার রাতে অভিযান চালিয়ে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন মাদক আইস (ক্রিস্টাল মেথ), বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ নয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁদের কাছ থেকে আধা কেজি আইস ও ৬৩ হাজার ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়েছে।

 

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন নাজিমউদ্দিন, আব্বাসউদ্দিন, নাছিরউদ্দিন, মো. হোসেন, সঞ্জিত দাস, শিউলি আক্তার, কোহিনূর বেগম, রাশিদা বেগম ও মৌসুমী আক্তার।

আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডের ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানাতে সংবাদ সম্মেলন করা হয়। এতে ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান এ কে এম হাফিজ আক্তার বলেন, ডিবি গুলশান বিভাগের উপকমিশনার মশিউর রহমানের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে মাদক বেচাকেনার সঙ্গে জড়িত নয়জনকে গ্রেপ্তার করে তাঁদের কাছ থেকে আইস ও ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। তিনি আরও বলেন, মিয়ানমার থেকে আসা আইস কক্সবাজার থেকে ট্রাকে করে চট্টগ্রাম হয়ে কুমিল্লায় আসে। সেখান থেকে প্রাইভেট কারে বহনকারীরা তা ঢাকায় নিয়ে আসে। আইস শক্তিশালী মাদক। এটি সেবন করলে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোক হতে পারে। বিত্তবান ও তাদের সন্তানেরা দামি মাদক আইস সেবন করে।

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার হাফিজ আক্তার বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে ক্রেতা ও বহনকারী রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ইয়াবা ও আইস অবিচ্ছেদ অংশ। যারা ইয়াবার কারবার করে, তারাই আইসের কারবারে জড়িত। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করে মূল হোতাসহ করে পুরো চক্রকে গ্রেপ্তার করা হবে।

অভিযান পরিচালনকারী ডিবির উপকমিশনার মশিউর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মিরপুর ও মোহাম্মদপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একাধিক মামলা হয়েছে। এর আগেও তাঁদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে রাজধানীর একাধিক থানায় মামলা রয়েছে। এখন কক্সবাজার ও চট্টগ্রামে মাদক চক্র শনাক্ত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার পর সরবরাহকারীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, এক গ্রাম আইস দিয়ে কয়েক শ ইয়াবা বড়ি তৈরি করা সম্ভব।

 

 

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর আত্রাই রেলস্টেশনে আগমন উপলক্ষে স্থপিত স্মৃতিস্তম্ভের সংস্কার ও সৌন্দর্য্য বর্ধনের উদ্বোধন করা হয়েছে।  রোববার উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বিকাল চারটায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে নওগাঁর আত্রাই রেল স্টেশনে অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইকতেখারুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধন করেন আত্রাই- রাণীনগর নির্বাচন এলাকার সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আনোয়ার হোসেন হেলাল।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আত্রাই উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এবাদুর রহমান এবাদ। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি)মন্জুর মোরশেদ, আত্রাই থানা অফিসার ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদ,উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক ও আহসান গঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আক্কাছ আলী, আত্রাই উপজেলা প্রেস ক্লাব সভাপতি একেএম কামাল উদ্দিন, নওগাঁ জেলা পরিষদের সদস্য ফেরদৌসি চৌধুরী ডেজি,আহসানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন মাষ্টার মোঃ ছাইফুল ইসলাম,আত্রাই উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শেখ হাফিজুর রহমান হাফিজ,ভোঁ-পাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি আবুল কাশেম, আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল কুদ্দুস, উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মেহেদি মসনদ স্বরুপ, সাধারণ সম্পাদ সোহাগসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

 

অনুষ্ঠানটি সঞ্চলনা করেন উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার ফজলুল হক।অনুষ্ঠান পূর্বে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পন করা হয়। এছাড়া জাতীয় শোক দিবস উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আত্রাই মহিলা কলেজ রোডে ছয় চল্লিশটি ফলজ-বনজ গাছ রোপন করা হয়।

 

 

নওগাঁয় সারা দেশের ন্যায় যথাযোগ্য মর্যাদা বঙ্গবন্ধুর জাতীয় শোক দিবস পালিত।

 

নওগাঁয় সারা দেশের ন্যায় যথাযোগ্য মর্যাদা বঙ্গবন্ধুর জাতীয় শোক দিবস ও ৪৬তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন নওগাঁ জেলা প্রশাসক হারুন অর রশিদ, জেলা পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান মিয়া বিপিএম, জেলা আওয়ামীলীগ ও আওয়ামী লীগের সহযোগী অঙ্গ সংগঠন , নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাব, সাংবাদিক ইউনিয়ন জেলা শাখা সহ বিভিন্ন সরকারী কর্মকর্তা বেসরকারী ও সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন আজ রোববার সকাল ০৯টায় জেলার প্রাণকেন্দ্র মুক্তিরমোড়ে  বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ  করেন।

 

 

 

 

স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬ তম শাহাদাতবার্ষিকী এবং জাতীয় শোক দিবস স্মরণে দোয়া মাহফিল কর্মসূচী পালন করেছে রিয়েল এস্টেট এ্যান্ড হাউজিং এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)।

 

১৫ আগস্ট, রবিবার দুপুরে রাজধানীর সোনারগাঁও রোডে রিহ্যাবের প্রধান কার্যালয়ে এই দোয়া মাহফিল কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠান শেষে হাজারের অধিক মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়।

দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে রিহ্যাব এর বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ বঙ্গবন্ধুর জীবন দর্শন তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন রিহ্যাব এর ভাইস প্রেসিডেন্ট কামাল মাহমুদ। তিনি বলেন, শুধুমাত্র স্বাধীনতা অর্জনই নয়, স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে সমহিমায় প্রতিষ্ঠা করতে বঙ্গবন্ধু নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে গেছেন। বঙ্গবন্ধু রাজনৈতিক স্বাধীনতার পাশাপাশি জনগণের অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জনের লক্ষ্যে সারাজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত ‘সোনার বাংলা’ প্রতিষ্ঠাই ছিল তার স্বপ্ন। বাঙালি ও বাংলাদেশের ইতিহাসে জাতির জনকের অবদান চিরদিন তাই স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে বলেও উল্লেখ করেন কামাল মাহমুদ।

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কালচারাল স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম (ইসলাম)। অনুষ্ঠানে রিহ্যাব ভাইস প্রেসিডেন্ট বৃন্দ এবং সদস্য প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিবৃন্দ সহ বিপুল সংখ্যক রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী উপস্থিত ছিলেন।

 

 

 

দেশের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে পাবজি ও ফ্রি ফায়ারের মতো ক্ষতিকারক গেম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ সোমবার রুলসহ এ আদেশ দেন।

দেশের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে টিকটক, বিগো লাইভ, পাবজি, ফ্রি ফায়ার, লাইকিসহ এ ধরনের অনলাইন গেম ও অ্যাপ বন্ধ করে অবিলম্বে অপসারণের ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা চেয়ে গত ২৪ জুন মানবাধিকার সংগঠন ল অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশনের পক্ষে রিটটি করা হয়।

 

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ হুমায়ন কবির। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী।

আদেশের বিষয়টি জানিয়ে আইনজীবী মোহাম্মদ হুমায়ন কবির প্রথম আলোকে বলেন, দেশের অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পাবজি ও ফ্রি ফায়ারের মতো ক্ষতিকারক গেমের লিংক-গেটওয়ে তিন মাসের জন্য বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। পাবজি, ফ্রি ফায়ার, লাইকি, বিগো লাইভসহ ক্ষতিকারক সব গেম ও লাইভ স্ট্রিমিং অ্যাপ দেশের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে অপসারণ করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, রুলে তা জানতে চাওয়া হয়েছে। এ ছাড়া অনলাইন গেমস-অ্যাপ তদারকি এবং এ বিষয়ে গাইডলাইন তৈরি করতে কারিগরি দক্ষতাসম্পন্ন একটি কমিটি গঠন করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা–ও জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।

ডাক ও টেলিযোগাযোগসচিব, বিটিআরসির চেয়ারম্যান, শিক্ষাসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, আইনসচিব, স্বাস্থ্যসচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ বিবাদীদের ১০ দিনের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে বলে জানান মোহাম্মদ হুমায়ন কবির।

ওই সব গেম ও অ্যাপের ক্ষতিকর দিক তুলে ধরে তা বন্ধে পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ জানিয়ে ল অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশনের পক্ষে ১৯ জুন সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বরাবর আইনি নোটিশ পাঠানো হয়। নোটিশের জবাব না পেয়ে রিটটি করা হয়।

রিটে বলা হয়, পাবজি ও ফ্রি ফায়ারের মতো গেমে দেশের যুবসমাজ ও শিশু-কিশোরেরা আসক্ত হয়ে পড়েছে। ফলে সামাজিক মূল্যবোধ, শিক্ষা–সংস্কৃতি বিনষ্ট হচ্ছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম হয়ে পড়ছে মেধাহীন। অন্যদিকে টিকটক ও লাইকির মতো অ্যাপ ব্যবহার করে দেশের শিশু-কিশোর ও যুবসমাজ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হচ্ছে। জড়িয়ে পড়ছে অপরাধে। দেশে কিশোর গ্যাংয়ের সংস্কৃতি তৈরি হচ্ছে। সম্প্রতি নারী পাচারের ঘটনা এবং দেশের বাইরে টিকটক, লাইকি ও বিগো লাইভের মাধ্যমে অর্থ পাচার হয়েছে, যা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক, দেশের জনস্বার্থ, শৃঙ্খলা ও মূল্যবোধের পরিপন্থী।

 

 

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল চারদিক থেকে ঘিরে ফেলেছে তালেবান বাহিনী।

পাশাপাশি রাজধানীতে ঢুকতেও শুরু তারা। এই পরিস্থিতিতে ধ্বংসযজ্ঞ এড়াতে ‘শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের’ আলোচনা শুরু হয়েছে তালেবান ও গণি সরকারের মধ্যে। বর্তমান সরকার ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের’ হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে। আর এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে প্রধান হিসেবে দেশটির সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কূটনীতিক আলী আহমাদ জালালি নাম শোনা যাচ্ছে।

আজ রোববার আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

 

আলী আহমাদ জালালি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হচ্ছে বলে জানিয়েছে আফগানিস্তানের সংবাদ সংস্থা খামা প্রেসও। বিশেষ সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে খামা প্রেসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তালেবান বাহিনী একের পর এক এলাকা দখল করে নেওয়ার পর আজ কাবুলে প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবনে জরুরি বৈঠকে বসেছেন প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি। আফগানিস্তানের হাই কাউন্সিল ফর ন্যাশনাল রিকনসিলিয়েশনের প্রধান আবদুল্লাহ আবদুল্লাহ ক্ষমতা হস্তান্তর শুরুর প্রক্রিয়ার মধ্যস্থতা করছেন বলে মনে করা হচ্ছে।

 

রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, এর আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল সাত্তার মিরজাকওয়াল এক টেলিভিশন ভাষণে বলেছেন, শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হবে। তবে এই ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।

তবে জালালির নিয়োগের চূড়ান্ত অনুমোদন তালেবান দেবে কি না, সেই ব্যাপারে স্পষ্ট করে কিছু জানা যায়নি। সূত্রগুলো বলছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধানের জন্য এখন পর্যন্ত জালালিই সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি।

জালালি ২০০৩ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত আফগানিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। আর জার্মানিতে আফগানিস্তানের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ২০১৭ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত।

এর আগে তালেবান এক বিবৃতি দিয়ে জানায়, কাবুলের বাসিন্দাদের ভয়ের কিছু নেই। শান্তিপূর্ণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তারা কাবুলে ঢুকবে।

 

 

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে ঢুকে পড়েছে তালেবান যোদ্ধারা। শহরটির চারদিক থেকে প্রবেশ করছে বাহিনীটির যোদ্ধারা।

আজ রোববার আফগানিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

 

কাতারের রাজধানী দোহায় অবস্থানকারী তালেবানের এক নেতার বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, রাজধানী শহরটিতে যোদ্ধাদের সহিংসতা থেকে বিরত থাকতে বলেছে তালেবান। কেউ শহরটি ত্যাগ করতে চাইলে, তাদের এ সুযোগ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বাহিনীটি। এ ছাড়া নারীদের নিরাপদে অবস্থান করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
কাবুলে তালেবানের প্রবেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদক ইয়ালদা হাকিমও। তিনি জানিয়েছেন, তালেবান যোদ্ধাদের কাবুলে তেমন কোনো প্রতিরোধের মুখে পড়তে হচ্ছে না।

 

 

 

 

এদিকে বিভিন্ন গণমাধ্যমে যখন কাবুলে তালেবানের প্রবেশের খবর প্রচারিত হচ্ছে, তখন শহরটির পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে দাবি করছে আফগান সরকার। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম টুইটারে আফগান প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে জানানো হয়, কাবুলে বিচ্ছিন্ন কিছু গোলাগুলি হয়েছে। তবে আক্রমণের ঘটনা ঘটেনি।

আফগানিস্তানের নিরাপত্তাকর্মী ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা তাঁদের বিদেশি অংশীদারদের সঙ্গে নিয়ে শহরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছেন।

 

 

 

এর আগে আজ সকালে আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় গুরুত্বপূর্ণ শহর জালালাবাদের দখল নেয় তালেবান। কোনো প্রতিরোধ ছাড়াই তালেবান শহরটির দখল নিতে সক্ষম হয়। জালালাবাদ দখলের মধ্য দিয়ে আফগানিস্তানের ৩৪টি প্রদেশের মধ্যে অন্তত ২০টির রাজধানীর নিয়ন্ত্রণ এখন তালেবানের হাতে।

 

 

 

 

বাঙালির স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সমবেদনা জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

 

রোববার বঙ্গবন্ধুর ৪৬তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার ইমরান খান প্রধানমন্ত্রীকে এক বার্তায় এই সমবেদনা জানান। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে ইমরান খান লিখেছেন, ‘আপনার বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং আপনার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের ৪৬তম শাহাদাতবার্ষিকীতে আপনার ও বাংলাদেশের জনগণের প্রতি আমাদের গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।

সর্বশক্তিমান আল্লাহ তাঁর (বঙ্গবন্ধু) ও আপনার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের জান্নাতবাসী করুন। আমিন!

 

 

 

বাঙালির জন্য আজকের দিনটি শোকের।

 

একই সঙ্গে হারানোরও। বিশ্ব মানবতার জন্যও আজকের দিনটি কলঙ্কের। স্বাধীনতার মহান স্থপতি বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হারানোর দিন আজ।

শুধু বাংলাদেশ ভূখণ্ডে নয়, দুনিয়াজুড়ে বিবেকবান মানুষের কাছে ভয়ংকর বিষাদের এক দিন ১৫ আগস্ট। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে সেনাবাহিনীর কিছুসংখ্যক বিপথগামী সদস্য ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাসভবনে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবার হত্যা করে। ইতিহাসের ঘৃণ্য ও নৃশংসতম হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে তারা কলঙ্কিত করে বাঙালি জাতিকে। তবে খুনিদের অনেকের ফাঁসি কার্যকরের মাধ্যমে জাতি কিছুটা হলেও কালিমামুক্ত হয়েছে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অর্জিত বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা ঘৃণিত খুনিরা আজ ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে।

 

 

 

 

বঙ্গবন্ধু ছাড়াও ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাতে তাঁর সহধর্মিণী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, তিন ছেলে শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশুপুত্র শেখ রাসেল, পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামাল, বঙ্গবন্ধুর একমাত্র ভাই শেখ আবু নাসের, বঙ্গবন্ধুর ফোন পেয়ে তাঁর জীবন বাঁচাতে ছুটে আসা কর্নেল জামিল, এসবির কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান ও সেনাসদস্য সৈয়দ মাহবুবুল হককে হত্যা করা হয়।

ওই কালরাতেই বিপথগামী সেনাসদস্যদের আরেকটি দল বঙ্গবন্ধুর ভাগনে যুবলীগের নেতা শেখ ফজলুল হক মনির বাসায় হামলা চালিয়ে তাঁকে, তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনিকে হত্যা করে। এ ছাড়া হত্যা করা হয় বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাতের বাসায় হামলা করে তাঁকে ও তাঁর কন্যা বেবি, পুত্র আরিফ সেরনিয়াবাত, নাতি সুকান্ত বাবু, সেরনিয়াবাতের বড় ভাইয়ের ছেলে সজীব সেরনিয়াবাত এবং এক আত্মীয় আবদুল নঈম খানকে।

ওই সময় বঙ্গবন্ধুর দুই মেয়ে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থান করায় বেঁচে যান।

 

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ইনডেমনিটি (দায়মুক্তি) অধ্যাদেশের মাধ্যমে বিচারের পথ রুদ্ধ করা হয়। এমনকি খুনিদের দেশের বাইরে বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়। দীর্ঘ ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রক্ষমতায় আসার পর খুনিদের বিচার শুরু হয়। একই সঙ্গে ১৫ আগস্টকে জাতীয় শোক দিবস ঘোষণা করা হয়। এই দিনে সরকারি ছুটিও ঘোষণা করা হয়।

১৯৯৬ সালের জুনে ক্ষমতায় এসে আওয়ামী লীগ সরকার তাদের পাঁচ বছরের মেয়াদে বিচারপ্রক্রিয়া শেষ করে যেতে পারেনি। এরপর ২০০৮ সালে ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ আবার জয়ী হয়ে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার বিচারপ্রক্রিয়া শেষ করার উদ্যোগ নেয়। আদালতের রায় অনুসারে, ২০১০ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার পাঁচ আসামি সৈয়দ ফারুক রহমান, বজলুল হুদা, এ কে এম মহিউদ্দিন আহমেদ, সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খান ও মুহিউদ্দিন আহমেদের ফাঁসি কার্যকর করা হয়। তখন পর্যন্ত মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ছিলেন ছয়জন। সর্বশেষ গত বছরের ৬ এপ্রিল ঢাকা থেকেই গ্রেপ্তার করা হয় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদকে। ওই এপ্রিল মাসের ১১ তারিখ রাতে তাঁর ফাঁসি কার্যকর হয়। এখন পলাতক আছেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ আসামি।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ তাঁর বাণীতে বঙ্গবন্ধুর নীতি-আদর্শ ও জীবনী থেকে শিক্ষা নিয়ে করোনার সংকটময় এই মুহূর্তে দেশবাসীর পাশে দাঁড়াতে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এটাই হবে মুজিব বর্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর একটি উত্তম প্রয়াস।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর বাণীতে বলেন, জাতির পিতার হত্যার বিচারের রায় কার্যকর করা হয়েছে। হত্যার ষড়যন্ত্রের পেছনে কারা ছিল, সেটাও একদিন বের হয়ে আসবে। তিনি বলেন, ঘাতক চক্র বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে হত্যা করলেও তাঁর স্বপ্ন ও আদর্শের মৃত্যু ঘটাতে পারেনি। স্বাধীনতাবিরোধী সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী এবং উন্নয়ন ও গণতন্ত্রবিরোধী চক্রের যেকোনো অপতৎপরতা-ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করার জন্য সর্বদা প্রস্তুত থাকতে হবে।

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদ্‌যাপন জাতীয় কমিটির পক্ষ থেকে পৃথক নকশার তিনটি পোস্টার প্রকাশ করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর ছবিসহ একটি পোস্টারে লেখা হয়েছে, ‘শোক থেকে শক্তি, শোক থেকে জাগরণ’।

আওয়ামী লীগের কর্মসূচি

করোনার সংক্রমণের কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে জাতীয় শোক দিবস যথাযথ মর্যাদায় পালন করতে মাসব্যাপী কর্মসূচি পালন করছে বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া দল আওয়ামী লীগ। আজ ১৫ আগস্ট সূর্যোদয়ের ক্ষণে ধানমন্ডির বঙ্গবন্ধু ভবন এবং আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশে সংগঠনের সব স্তরের কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ ও কালো পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দলীয় কর্মসূচি শুরু হবে।

সকাল সাতটায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্মৃতিবিজড়িত ধানমন্ডির বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে তাঁর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করবেন কেন্দ্রীয় নেতারা। এরপর ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ, সহযোগী সংগঠনসহ মহানগরের প্রতিটি শাখার নেতা-কর্মীরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।

 

সকাল পৌনে আটটায় বনানী কবরস্থানে ১৫ আগস্টে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, কবর জিয়ারত, ফাতেহা পাঠ, মোনাজাত ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। সকাল সাড়ে ১০টায় টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, ফাতেহা পাঠ, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

বাদ জোহর কেন্দ্রীয়ভাবে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমসহ দেশের মসজিদে মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। এ ছাড়া দেশব্যাপী মন্দির, প্যাগোডা, গির্জা, উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা কর্মসূচি পালন করা হবে।

অসচ্ছল, এতিম ও দুস্থদের মধ্যে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন কমিটির পক্ষ খাদ্য বিতরণ করা হবে। এ ছাড়া কাল সোমবার বেলা সাড়ে তিনটায় বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতি হিসেবে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হবেন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের  হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের

 

 

সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনাগুলো সঠিক বাস্তবায়ন করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের প্রেক্ষিত পরিকল্পনা বা ডেল্টা প্ল্যান মাথায় রেখে উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং সেগুলোর বাস্তবায়ন যেন যথাযথভাবে হয়। লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা যেন কোনোভাবে ব্যর্থ না হয়।

 

তিনি বলেন, উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে ইতোমধ্যে আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি। ভবিষ্যতে আরও অনেক দূর যেতে হবে এবং সে পরিকল্পনাও হাতে নিয়েছি।

সরকার প্রধান বলেন, আমাদের একটিই লক্ষ্য, তৃণমূল পর্যায়ের মানুষগুলো যেন উন্নত জীবন পায়। দারিদ্র্যের হাত থেকে মুক্তি পায়। অন্ন-বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসার সুযোগ পায়।

বাংলাদেশ যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে ভবিষ্যতেও যেন এভাবেই এগিয়ে যেতে পারে। সেভাবে আমাদের কার্যক্রম চালাতে হবে। তার ভিত্তি আমরাই তৈরি করেছি, সেটা ধরে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন এবং দেশটাকে তিনি উন্নত সমৃদ্ধ করতে চেয়েছিলেন। আমরা সে লক্ষ্য পূরণে কাজ করছি।

 

বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা 

বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা

বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা

বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা 

বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা 

বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা

বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা

বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা বার্সেলোনা 

শিগগিরই একুশে আগস্ট মামলার রায় কার্যকর হবে, প্রধানমন্ত্রীর আশাবাদ

সাংবাদিকদের হয়রানি বন্ধে…

 

 

সকাল থেকে পুরান ঢাকার ইমামবাড়া হোসেনি দালানে জড়ো হতে থাকেন শিয়া সম্প্রদায়ের মুসলমানরা। বিগত বছরের মতো এবারও তাজিয়া মিছিল না করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। গেলো বছরে হোসেনি দালানের ভেতরেই মিছিল করেন শিয়া সম্প্রদায়।

 

তবে এবার নিষেধাজ্ঞা ভেঙে সড়কে তাজিয়া মিছিল করতে দেখা গেছে।

শুক্রবার (২০ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে শত শত মানুষ হোসেনি দালানের ভেতরেই মিছিল করেন। সেই মিছিল থেকে অনেকেই বের হয়ে সড়কেও মিছিল করেছেন। কোনও কোনও জায়গায় পুলিশ বাধা দিলেও তাদের উপেক্ষা করে মিছিল বের হয়। বিক্ষিপ্তভাবে চকবাজার, লালবাগ, আজিমপুর এলাকায় মিছিল করেন তারা।

 

ইসলামি ইতিহাসে হিজরি বর্ষের প্রথম মাস মুহররমের দশ তারিখকে আশুরার দিন বলা হয়। ৬১ হিজরি সালের এ দিনে মহানবী (সা.)-এর প্রিয় দৌহিত্র ইমাম হুসাইন (রা.) কারবালার ময়দানে নির্মমভাবে শাহাদাতবরণ করেন। এই শোক ও স্মৃতিকে স্মরণ করে সারা বিশ্বে মুসলিমরা আশুরাকে ত্যাগ ও শোকের দিন হিসেবে পালন করেন। দেশে শিয়া সম্প্রদায় মুহররম মাসের প্রথম দশদিন শোক স্মরণে নানা কর্মসূচি পালন করেন। করোনা মহামারিতে এ আয়োজন হচ্ছে সীমিত আকারে।

 

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে সকল ধর্মীয় উপাসনালয়ে ইতোপূর্বে আরোপিত বিধিনিষেধ বহাল থাকবে। একইসঙ্গে পবিত্র মুহাররম উপলক্ষে সকল প্রকার তাজিয়া মিছিল, শোভাযাত্রা, মিছিল ইত্যাদি বন্ধ থাকবে। তবে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব অনুসরণপূর্বক আবশ্যক সকল ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান প্রতিপালিত হবে।

স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব অনুসরণের নির্দেশনা থাকলেও তা ছিলো উপেক্ষিত। হোসাইনি দালানে অনেকে ছিলেন মাস্ক ছাড়া। আর মানুষের ভিড় ছিলো অনিয়ন্ত্রিত। শোকের স্মৃতি নিয়ে হোসাইনি দালানের সীমানার ভেতরেই হয় তাজিয়া মিছিল। বুক চাপড়ে মাতম করছেন তারা। বেশির ভাগ মানুষ কালো পোষাকে এসেছেন শোকের বহিঃপ্রকাশে।

 

তাজিয়া মিছিল তাজিয়া মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল মিছিল তাজিয়া মিছিল 

 

ধারণাতীত দ্রুততার সঙ্গে আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে তালেবান। ঘটনার আকস্মিকতায় বিস্মিত হয়েছেন বিশ্বের কূটনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকেরা। তালেবানের হাতে কাবুলের দখল চলে যাওয়ার পরপরই দেশগুলো আফগানিস্তানে থাকা তাদের কূটনীতিক ও নাগরিকদের দ্রুত ফিরিয়ে নেওয়া শুরু করে। আর ফেলে যায় আফগানিস্তানে তাদের দুই দশকের কাজ ও বিনিয়োগ।

তালেবানের জয় দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পাকিস্তান ও চীনের সঙ্গে ঐতিহাসিকভাবে উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্ক এবং সীমান্ত বিরোধের কারণে এটি ভারতকে বিশেষভাবে পরীক্ষায় ফেলতে পারে। কারণ, পাকিস্তান ও চীন আফগানিস্তানের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

আফগানিস্তান সীমান্তে পাকিস্তানের তেমন কড়াকড়ি নেই। তা ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে পাকিস্তান তার উত্তরের এ প্রতিবেশী দেশের বিষয়ে সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসছে। এখন চীনও আফগানিস্তানের বিষয়ে বেশ আগ্রহী হয়ে উঠেছে। গত মাসেই চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই জ্যেষ্ঠ তালেবান নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সেখানে তিনি এটা স্পষ্ট করেছেন, বেইজিং আর চুপ করে বসে থাকবে না (আফগানিস্তান ইস্যুতে)।

 

 

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ক্রমে বিকাশমান সম্পর্কে খুশি ছিল না পাকিস্তান। আফগানিস্তানের ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনির পাকিস্তানের সঙ্গে ‘ধরি মাছ না ছুঁই পানি’র মতো করে সম্পর্ক রাখাও ঠিকভাবে নিতে পারছিল না ইসলামাবাদ। পাকিস্তানের অর্থনৈতিক দুরবস্থাও তাদের মাথাব্যথার একটি কারণ
আফগানিস্তান ও সিরিয়ায় ভারতের নিযুক্ত সাবেক রাষ্ট্রদূত গৌতম মুখোপাধ্যায় বলেছেন, সম্ভাব্য ভূরাজনীতির এ চেহারা ‘সবকিছু ওলট–পালট করে দিতে পারে’।

পশ্চিমা বিশ্ব এবং ভারতের মতো অন্য গণতান্ত্রিক দেশগুলোর সঙ্গে আফগানিস্তান সরকারের যে মৈত্রী ছিল, তা খুব জোরালো ছিল না। কিন্তু খুব শিগগির সম্ভবত পাকিস্তান, রাশিয়া, ইরান ও চীনকে এ খেলার পরবর্তী অধ্যায়ে দেখা যাবে।

 

 

 

ভারতের অনেকেই একে দিল্লির পরাজয় এবং পাকিস্তানের বড় জয় হিসেবে দেখছেন। কিন্তু সাবেক ভারতীয় কূটনীতিক জিতেন্দ্র নাথ মিশ্র এভাবে ভাবতে নারাজ। তাঁর মতে, এটা খুব সরল ভাবনা। কারণ, পশতুন নেতৃত্বাধীন তালেবান কখনো আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের সীমান্তকে দুই দেশের সীমান্ত বলে বিবেচনা করে না। এটা ইসলামাবাদের জন্য সব সময় অস্বস্তির কারণ হয়ে আসছে। তিনি আরও বলেন, পাকিস্তান চাইবে তালেবান এটাকে সীমান্ত হিসেবে বিবেচনা করুক। এটিই হবে তাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।

তবে এটাও সত্য, আফগানিস্তানে তালেবানের শাসন পাকিস্তানকে ভারতের বিরুদ্ধে কৌশলগত সুবিধা দেয়। ওয়াশিংটনভিত্তিক থিঙ্কট্যাংক উইলসন সেন্টারের উপপরিচালক মাইকেল কুগেলমান বলেন, ইসলামাবাদ সব সময় যা চেয়েছিল, তা-ই পেয়েছে। তারা চেয়েছিল আফগানিস্তানে এমন একটি সরকার, যাদের সহজেই প্রভাবিত করতে পারবে। তিনি আরও বলেন, পাকিস্তানের কর্তাব্যক্তিরা এ ঘটনাকে ভারতের পরাজয় হিসেবে দেখাতে পারেন। কিন্তু এরপরও পাকিস্তানের আরও বড় কৌশলগত কিছু বিষয় থাকবে। এ মুহূর্তে তারা সত্যিই নিজেদের ওই অঞ্চলের সবচেয়ে বড় বিজয়ী হিসেবে দেখছে।

 

 

 

ওয়াশিংটনভিত্তিক থিঙ্কট্যাংক উইলসন সেন্টারের উপপরিচালক মাইকেল কুগেলমান বলেন, ইসলামাবাদ সব সময় যা চেয়েছিল, তা-ই পেয়েছে। তারা চেয়েছিল আফগানিস্তানে এমন একটি সরকার, যাদের সহজেই প্রভাবিত করতে পারবে
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ক্রমে বিকাশমান সম্পর্কে খুশি ছিল না পাকিস্তান। আফগানিস্তানের ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনির পাকিস্তানের সঙ্গে ‘ধরি মাছ না ছুঁই পানি’র মতো করে সম্পর্ক রাখাও ঠিকভাবে নিতে পারছিল না ইসলামাবাদ। পাকিস্তানের অর্থনৈতিক দুরবস্থাও তাদের মাথাব্যথার একটি কারণ।

এখন নিজেদের জয়ী ভাবার একটা উপলক্ষ পেয়েছে ইসলামাবাদ। কারণ, আফগানিস্তান ইস্যুতে চীনের সঙ্গে তাদের বন্ধুত্ব কাজে লাগবে। এ ছাড়া বেইজিংও এখন আর নিজেদের শক্তি দেখাতে রাখঢাক রাখছে না। ভারতীয় কূটনীতিক জিতেন্দ্র নাথ মিশ্র বলেন, চীন এখন নিজেদের মতো করে খেলবে।

সুয়ারেজের দাওয়াতে বার্সেলোনায় ফিরলেন মেসি-নেইমার

চুয়াডাঙ্গা শহীদ দিবস; মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতি ইতিহাস হয়ে থাক

 

আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস আইএস 

 

Loading...