অর্থপাচারের অভিযোগ ‘রাজনৈতিক’ ষড়যন্ত্র: মাহী

যুক্তরাষ্ট্রে অর্থপাচারের অভিযোগ অনুসন্ধানে বিকল্পধারা বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব মাহী বি চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তবে মাহীর স্ত্রী আশফাহ হক ‘অসুস্থ থাকায়’ রবিবার দুদকে হাজির হননি। সরকার দলীয় সমর্থক এই সংসদ সদস্য দুর্নীতির অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র’ বলে দাবি করেছেন।

রবিবার (২৫ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪টায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বেরিয়ে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ দাবি করেন।

এমপি মাহী বলেন, একটি অভিযোগ এসেছে আমার নামে। সেই অভিযোগের তদন্ত করছে দুদক। এর সত্যতা যাচাইয়ের জন্য আমার বক্তব্য দরকার ছিল। দুদক আমায় ডেকেছে, আমি কথা বলেছি। আগামী ২৭ তারিখ (আগস্ট) সংবাদ সম্মেলনে আমি আমার পুরো বক্তব্য খোলাসা করবো।

যুক্তরাষ্ট্রে অর্থপাচারের অভিযোগে রবিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত মাহী বি চৌধুরীকে দুদকের প্রধান কার্যালয় সেগুনবাগিচায়  জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

অভিযোগের অনুসন্ধান কর্মকর্তা ও সংস্থাটির উপ-পরিচালক জালাল উদ্দিন আহাম্মদ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। তবে মাহীর স্ত্রী আশফাহ হক অসুস্থ থাকায় রবিবার দুদকে হাজির হননি।

এর আগে ৭ আগস্ট মাহী বি চৌধুরী ও তার স্ত্রীর দুদকে হাজির হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তারা উপস্থিত না হয়ে সময় বাড়ানোর আবেদন করেন। দুদক তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে ২৫ আগস্ট সকাল ১০টায় হাজির হওয়ার নির্দেশ দেয়। 

গত ৪ আগস্ট রবিবার দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে মাহী বি চৌধুরীর রাজধানীর বারিধারার ঠিকানায় পৃথক দুটি নোটিস পাঠানো হয়। ওই নোটিসে বলা হয়, মাহী বি চৌধুরী ও তার স্ত্রী আশফাহ হকের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে অর্থপাচারের মাধ্যমে জ্ঞাত আয় বহিভূর্ত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে।

মাহি বি চৌধুরী সাবেক রাষ্ট্রপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর ছেলে এবং বিকল্প ধারা বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও যুগ্ম মহাসচিব। প্রথমে সরকারবিরোধী বড় ধরনের প্লাটফোর্ম গড়ে তুলেও শেষ পর্যন্ত আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়ে নৌকা প্রতীক নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হোন মাহি বি. চৌধুরী। 

Loading...